× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

google_news print-icon

দাপট দেখাবেন না, ক্ষমতা চিরস্থায়ী না: কাদের

দাপট-দেখাবেন-না-ক্ষমতা-চিরস্থায়ী-না-কাদের
ওবায়দুল কাদের দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করুন। এরাই বিপদে পাশে থাকবে। সুবিধাভোগীদের হাজার পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না।’

ক্ষমতার দাপট না দেখাতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কাদের বলেন, ‘দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করুন। এরাই বিপদে পাশে থাকবে। সুবিধাভোগীদের হাজার পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

‘ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না, ক্ষমতা চিরস্থায়ী না। সব কলহ থেকে বের হয়ে আসতে হবে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জনগণকে আগুনে পুড়িয়ে বিএনপি তাদের জন্যই আন্দোলন করছে। এটা তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়।

তিনি বলেন, আগুন সন্ত্রাস ও অপকর্ম যারা করে, তাদের পৃষ্ঠপোষকদেরও খুঁজে বের করা হবে।

কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে প্রমাণ করেছে, দলে অপরাধীদের কোনোভাবেই স্থান হবে না।

নাটোর ও পার্শ্ববর্তী জেলার সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়নের কথা তুলে ধরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে কোনো সরকার এর সিকিভাগও করেনি।’

নাটোর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে প্রতিনিধি সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
আগুন সন্ত্রাস মেনে নেয়া যায় না: জিএম কাদের 
ষড়যন্ত্রের সুতা নাড়া হচ্ছে টেমসের পার থেকে: কাদের
বিএনপি ছাড়া কেউ বলেনি কারচুপি: কাদের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

রাজনীতি
New polarization in Sylhet Awami League

সিলেট আওয়ামী লীগে নতুন মেরুকরণ

সিলেট আওয়ামী লীগে নতুন মেরুকরণ
নাসির উদ্দিন (বাঁয়ে) ও মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। কোলাজ: নিউজবাংলা
সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী জয়লাভের পর সিলেটের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নিজের বলয় তৈরিতে সচেষ্ট হন তিনি। যা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকেই মেনে নিতে পারেননি।

ভেতরে ভেতরে সিলেট আওয়ামী লীগের নতুন মেরুকরণ আর বিরোধ চলছিল বছরখানেক ধরেই। বিশেষত গত জুনে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর থেকে।

সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী জয়লাভের পর সিলেটের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নিজের বলয় তৈরিতে সচেষ্ট হন তিনি। যা স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকেই মেনে নিতে পারেননি।

এ থেকেই দেখা দেয় বিরোধ। তবে এই বিরোধ এতোদিন গোপনেই ছিল। প্রকাশ্যে ঐক্যের সুরই উচ্চারিত হচ্ছিল আওয়ামী লীগ নেতাদের মুখে। তবে বিরোধ প্রকাশ্যে আসে সম্প্রতি সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খান এবং সিলেট সিটি মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর দুটি পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে।

কারো নাম উল্লেখ না করেই সিলেট আওয়ামী লীগের এই দুই প্রভাবশালী নেতা সম্প্রতি পরষ্পরকে বিষাদাগার করে বক্তব্য দেন। এতেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে সিলেট আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধ আর নতুন মেরুকরণ।

সিলেটে আওয়ামী লীগে বিভক্তি দীর্ঘদিনের। এক সময় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদ ও সাবেক স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী গ্রুপে বিভক্ত ছিল সিলেট আওয়ামী লীগ। কথিত রয়েছে, এই দুই প্রভাবশালী নেতার বিরোধের কারণে তখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও সিলেটে কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর মৃত্যুর পর স্পিকার গ্রুপের হাল ধরেন সাবেক মন্ত্রী ও ডাকসাইটে রাজনীতিক সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সিলেটে আওয়ামী লীগ বিভক্ত হয়ে পড়ে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও তৎকালীন সিটি মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান বলয়ে। তবে সরকার ও দলে মুহিতের প্রভাবের কারণে সেসময় কামরান অনুসারীরা তেমন সুবিধা করতে পারেননি।

এসব প্রভাবশালী নেতাদের প্রয়াণে সিলেটে আওয়ামী লীগে নেতৃত্বশূন্যতা দেখা দেয়। এতে অভ্যন্তরীণ বিরোধও অনেকটা কমে আসে। তবে সিলেটে আওয়ামী লীগে নতুন মেরুকরণ দেখা দেয় নগরের রাজনীতিতে হঠাৎ করে যুক্তরাজ্য প্রবাসী নেতা আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী আর্ভিভূত হওয়ার পর।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান প্রবাসে থেকেও অনেকদিন ধরেই সিলেটের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। কিন্তু নীতিনির্ধারক পর্যায়ে ছিলেন না কখনোই। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের আগের দুটি জাতীয় নির্বাচনে তিনি সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর-বালাগঞ্জ) আসনের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে দল থেকে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি।

গত সিলেট সিটি নির্বাচনে চমক হিসেবে হাজির হন আনোয়ারুজ্জামান। আওয়ামী লীগের স্থানীয় ডাকসাইটে নেতাদের টপকে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পান তিনি। বিএনপিবিহীন এই নির্বাচনে সহজেই জয় পান আনোয়ারুজ্জামান। মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর দলের কোনো পদে না থেকেও স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও প্রভাব বিস্তারে সক্রিয় হন বঙ্গবন্ধু পরিবারের ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিত এই নেতা। গড়ে তোলেন নিজস্ব বলয়।

সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে নিজের প্রভাবের প্রমাণও দেন আনোয়ারুজ্জামান। এই নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সিলেট-৩ আসন থেকে হাবিবুর রহমান হাবিব এবং সুনামগঞ্জ-১ আসন থেকে রনজিত সরকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই তিনজনই আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বন্ধু। তাদের দলীয় মনোনয়ন পাওয়া থেকে শুরু করে নির্বাচনে জয়লাভ পর্যন্ত আনোয়ারুজ্জামান বিশেষ ভূমিকা রাখেন বলে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা রয়েছে।

এরপর থেকেই সিলেটে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন আনোয়ারুজ্জামান। আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাও আনোয়ার বলয়ে যুক্ত হন। এই সময়ে সরকার এবং প্রশাসনে নিজের প্রভাবেরও জানান দেন আনোয়ারুজ্জামান।

সর্বশেষ গত মাসে স্থানীয় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের আপত্তি সত্ত্বেও ১১ বছর পর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নতুন কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়। এতে আনোয়ারুজ্জামান বিশেষ ভূমিকা ছিল বলে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতারা জানিয়েছেন।

হঠাৎ এসে সিলেটের রাজনীতিতে আনোয়ারুজ্জামানের এই আধিপত্য নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকেই। ভেতরে ভেতরে তারা ক্ষুব্ধ থাকলেও এ ব্যাপারে এতোদিন প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলেননি। তবে ছাইচাপা এই ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যন নাসির উদ্দিন খানের সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে।

গত ১৪ মে সিলেটে একটি অনুষ্ঠানে কারো নাম উল্লেখ না করেই নাসির উদ্দিন খান বলেন, ‘অনেকে বিদেশে বসে মাল কামিয়েছেন। অনেক আন্দোলন করেছি। আজ মনে হয়, আমরা পরগাছা। সুবিধাভোগীরা অনেকে জনপ্রতিনিধি হয়ে গেছেন। এখন কেউ কেউ মনে করেন, তার বাবার সম্পত্তি হয়ে গেছে সিলেট। আমরা টাকা খরচ করে অনেককে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছি। সেটা ভুললে চলবে না। আমার পাওয়ার আছে, আমার অমুক আছে-তমুক আছে, সেটা থাকবে না। জনগণ যদি না থাকে, সংগঠন যদি না থাকে কারও অস্তিত্ব থাকবে না। রাজনীতিতে দুঃসময় এলে তারা থাকবে না, আমাদের দেশে থাকতে হবে– আমাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব নেই। আমি বললাম, তারা চলে যাবে।’

নাসির উদ্দিন খান কারো নাম উল্লেখ না করলেও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকেই বলছেন, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করেই এমনটি বলেছেন নাসির।

নাসির যে অনুষ্ঠানে এমন বক্তব্য রাখেন সে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেক শীর্ষ নেতা।

নাসিরের এই বক্তব্যের চারদিন পর গত শনিবার (১৮ মে) সিলেটে একটি অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, নেতাকর্মীদের নির্যাতন করে নিজেদের নবাব ভাববেন না। কার দৌড় কতটুকু জানা আছে। আমরা এসব বিষয় নিয়ে বলতে চাই না।

এ সময় মেয়র আরও বলেন, কে কী বলল, তা দেখার বা শোনার সময় নেই। সবাই ঠান্ডা মাথায় মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন। আপনারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, শেষ হাসিনার একনিষ্ঠ কর্মী। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

নিজের বক্তব্যে মেয়র কারো নাম উল্লেখ না করলেও তার এই বক্তব্যের সাথে ১৪ মে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন খানের দেওয়া বক্তব্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করছেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী।

চারদিন আগে নাসির উদ্দিন খানের এমন বক্তব্যে নিয়ে সিলেটের রাজনীতিতে তুমুল আণোচনার মধ্যেই ‘কার দৌড় কতটুকু জানা আছে’ বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন আনোয়ারুজ্জামান।

সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্পাদকীয় পদের চারজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গত সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে মনোননয় প্রত্যাশী ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রায় এক ডজন নেতা। তাদের টপকে প্রবাস থেকে এসে দলীয় মনোনয়ন পান আনোয়ারুজ্জামান। এতে ক্ষুব্ধ হন স্থানীয় আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ শীর্ষ নেতা। নির্বাচনে জয়ের পর দলেও প্রভাব বিস্তার শুরু করেন তিনি। এতে তার উপর ক্ষোভ আরও বাড়তে থাকে। তবে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সাথে ঘনিষ্টতার কারণে তার বিরুদ্ধে এতোদিন কেউ মুখ খোলেননি। নাসির উদ্দিনের বক্তব্য এই ক্ষোভেরই বহিপ্রকাশ।

তবে এ প্রসঙ্গে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমি ব্যক্তিবিশেষকে উদ্দেশ করে কথা বলিনি। যারা দলকে মূল্যায়ন করে না, উড়ে এসে জুড়ে বসে, তাদের অবস্থান স্থায়ী হয় না- এটিই বোঝাতে চেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘রাজনীতি করতে হলে কর্মী ও দলকে মূল্যায়ন করতে হবে। হাওয়ার ওপর চললে হবে না। আমার এমন বক্তব্য যদি কারও গায়ে লাগে, বলার কিছু নেই।’

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

দলে কোনো বিরোধ নেই জানিয়ে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমদ বলেন, আমাদের মধ্যে মতের অমিল হতে পারে তবে কোনো বিরোধ নেই। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সিলেট আওয়ামী লীগ পরিবার ঐক্যবদ্ধ। তবে যারা বিভিন্ন দায়িত্বে রয়েছেন তাদের কর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে। কারণ কর্মীদের কারণেই আমরা নেতা।

মন্তব্য

রাজনীতি
Teacher accuses former UP chairman of rape

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার শিক্ষিকার সংবাদ সম্মেলন। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘আমি বর্তমানে দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এসব অভিযোগ সত্য নয়; মিথ্যা ও বানোয়াট।’

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ৮ নম্বর বোগলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আরিফুল ইসলাম জুয়েলের বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জ শহরের পৌরবিপনী মার্কেটের দোতলার একটি কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ আনেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ওই শিক্ষিকা জানান, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ ইদুকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনি নিয়োগ পান। বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকাকালে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম জুয়েলের সঙ্গে বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়।

এক পর্যায়ে জুয়েল তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। শুরতে সাবেক ওই চেয়ারম্যানের স্ত্রী সন্তান থাকায় তার প্রস্তাব গ্রহণ করেননি ভুক্তভোগী দাবি করা শিক্ষিকা।

পরবর্তীতে ২০২০ সালের দিকে ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে ফের বিয়ের করার জন্য চাপ দিলে এক পর্যায়ে কক্সবাজারে গিয়ে বিয়ে হবে বলে ২০২১ সালের ১৮ মার্চ শিক্ষিকাকে বিমানে করে সেখানে নিয়ে যান চেয়ারম্যান। সেখানকার একটি হোটেলে তিনদিন তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর ওই শিক্ষিকা বিয়ের জন্য চাপ দিলেও টালবাহানা শুরু করেন অভিযুক্ত চেয়ার‌ম্যান। শুধু তাই নয়, অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ, এমনকি হুমকি-ধমকিও দেয়া হয় বলে অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনকারীর।

ওই নারীর অভিযোগ, বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ও ফ্ল্যাট কেনার কথা বলে তার কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে ২০ লাখ টাকাও নিয়েছেন অভিযুক্ত।

তিনি বলেন, ‘আমি নিরুপায় হয়ে সংবাদ সম্মেলন করছি। আমি আরিফুল ইসলাম জুয়েলের স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি চাই। যদি সে আমাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি না দেয়, আমাকে মুসলিম শরিয়া মোতাবেক বিয়ে না করে, তাহলে আমি তার উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।’

এ বিষয়ে সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন ওই সহকারী শিক্ষক।

অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম জুয়েলের সঙ্গে এ ব্যপারে কথা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।

তিনি বলেন, ‘আমি বর্তমানে দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এসব অভিযোগ সত্য নয়; মিথ্যা ও বানোয়াট।’

আরও পড়ুন:
‘ভোটের টাকা’ বিলি করতে গিয়ে পিটুনি খেলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান
আ.লীগ নেতার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল; শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
১৫৬ উপজেলায় ভোট কাল
বাগেরহাটের দুই ওসিকে বদলির নির্দেশ ইসির

মন্তব্য

রাজনীতি
Jubo League Chhatra League are collecting money from autorickshaw drivers Rizvi

অটোরিকশা চালকদের থেকে চাঁদা নিচ্ছে যুবলীগ-ছাত্রলীগ: রিজভী

অটোরিকশা চালকদের থেকে চাঁদা নিচ্ছে যুবলীগ-ছাত্রলীগ: রিজভী আন্তর্জাতিক চা দিবস উপলক্ষে সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘সরকার নিজেই ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আমদানির লাইসেন্স দিয়েছে। আর যারা এসব আমদানি করেছে তারা আওয়ামী লীগের। তাহলে এগুলো যারা পরিচালনা করছে তাদের কী অপরাধ?’

ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গরিব চালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

আন্তর্জাতিক চা দিবস উপলক্ষে সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শ্রমিক দল আয়োজিত মানববন্ধনে এমন অভিযোগ করেন তিনি। সূত্র: ইউএনবি

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল সীমিত করার সরকারি সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘এটি সমাজের নিম্নবিত্ত জনগোষ্ঠীকে তাদের বেঁচে থাকার উপায় থেকে বঞ্চিত করছে। প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় যুবলীগ-ছাত্রলীগের লোকজনকে চাঁদা দিয়ে এসব অটোরিকশা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। তবু সরকার এসব রিকশাচালকের ওপর স্টিমরোলার চালাচ্ছে।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিশ্চয়ই কোনো না কোনো দেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে। এসব রিকশা আমদানির লাইসেন্স কে দিয়েছে এবং কে রাজধানী ও অন্যান্য শহরের সড়কে চলতে দিয়েছে?

‘সরকার নিজেই এই অনুমতি দিয়েছে। যারা এসব রিকশা আমদানি করেছে তারা আওয়ামী লীগের। তাহলে এগুলো যারা পরিচালনা করছে, তাদের কী অপরাধ?’

রিজভী বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের দামি ঘড়ি ও সানগ্লাস ব্যবহার করলে গরিবের দুর্দশা কিভাবে বুঝবেন। সরকার ব্যাপক লুটপাট চালিয়ে দেশের সব খাতকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।’

গণআন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দুঃশাসন থেকে মুক্তি পেতে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
সরকারের অন্যায়-নৃশংসতা ফাঁস করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন: রিজভী
কারাগারগুলো বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীর স্থায়ী আবাসস্থল: রিজভী
ওবায়দুল কাদের বেশি অবান্তর কথা বলেন: রিজভী
বিএনপি নেতা-কর্মীদের পরিবারে ঈদ আনন্দ নেই: রিজভী
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের ঈদের আনন্দ ম্লান: রিজভী

মন্তব্য

রাজনীতি
The former UP chairman played a beating while distributing the vote money

‘ভোটের টাকা’ বিলি করতে গিয়ে পিটুনি খেলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান

‘ভোটের টাকা’ বিলি করতে গিয়ে পিটুনি খেলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আহত ছালেক মিয়া। ছবি: নিউজবাংলা
চা শ্রমিক ফটিক কুর্মি বলেন, ‌‘শুনেছি চেয়ারম্যান ছালেক বাগানে টাকা বিতরণ করে ভোট কিনছিলেন। শ্রমিকরা তাকে পিটিয়ে আমার বাড়ির দিকে ধাওয়া করলে তিনি আমার বাড়িতে আহত হয়ে আশ্রয় নেন।’

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর পক্ষে টাকা বিলি করতে গিয়ে গণপিটুনি খেয়েছেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নেতা ছালেক মিয়া।

রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের করিমপুর চা বাগানের হাইতলা এলাকায় টাকা বিলির সময় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ছালেক মিয়া মুন্সিবাজার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকের উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী র‌ওনক আহমদ অপুর সমর্থক।

স্থানীয়রা জানান, আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে র‌ওনক আহমদ অপুর সমর্থনে কাজ করছেন ছালেক মিয়া। নির্বাচনি প্রচারের শেষ দিন ছালেক মিয়া ও তার ভাই বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবলু আহমদকে নিয়ে প্রাইভেট কারে চা বাগান এলাকায় যান। এরপর মোটরসাইকেল প্রতিকের প্রার্থীর পক্ষে টাকা বিলি করা হচ্ছে- এমন দৃশ্য দেখে চা শ্রমিকরা বাধা দেন। এ সময় কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে উত্তেজিত শ্রমিকরা গণপিটুনি দেয়। পরে তিনি পালিয়ে ফটিক কুর্মি নামের এক চা শ্রমিকের বাড়িতে আশ্রয় নেন। এ সময় প্রায় ২ ঘণ্টা পর তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন চা শ্রমিকরা। খবর পেয়ে রাজনগর থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে।

ফটিক কুর্মি বলেন, ‌‘শুনেছি চেয়ারম্যান ছালেক বাগানে টাকা বিতরণ করে ভোট কিনছিলেন। শ্রমিকরা তাকে পিটিয়ে আমার বাড়ির দিকে ধাওয়া করলে তিনি আমার বাড়িতে আহত হয়ে আশ্রয় নেন।’

চা শ্রমিক নিয়তি রিকমন বলেন, ‘ছালেক মিয়া আমাদের ৫০০ টাকা দিয়ে মোটরসাইকেলে ভোট দিতে বলেন। এতে আমরা রাজি হ‌ইনি, তাই মানুষে তাকে মেরেছে।’

রাজনগর ওসি (তদন্ত) মির্জা মাজহারুল আনোয়ার বলেন, ‘খবর পেয়ে ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। আহত চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আহত ছালেক মিয়াকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন:
আ.লীগ নেতার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল; শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
১৫৬ উপজেলায় ভোট কাল
বাগেরহাটের দুই ওসিকে বদলির নির্দেশ ইসির

মন্তব্য

রাজনীতি
A League leaders intimate moment video goes viral human chain demands punishment

আ.লীগ নেতার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল; শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

আ.লীগ নেতার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল; শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শামসুল আলম শাহ্ চৌধুরীকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘ওটা কয়েকদিন ধরেই চলছে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মানুষকে বিভ্রান্তিতে ফেলানোর জন্য এটা করা হচ্ছে।’

নওগাঁর সাপাহারে এক নারীর সঙ্গে শামসুল আলম শাহ্ চৌধুরী নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে রোববার রাতে ‘Shohana Chowdhury’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে দুটি অন্তরঙ্গের মুহূর্তের ভিডিও পোস্ট করা হয়। এরপর বিষয়টি টক অফ দ্য টাউনে পরিণত হয়।

দুই মিনিটের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চশমা পরিহিত এক ব্যক্তি মোবাইলে চোখ রেখে কিছু খাচ্ছেন। এরপর মোবাইলে কথা বলেন তিনি। এ সময় তার পাশে এক নারী বসে আছেন।

এক মিনিট ২৭ সেকেন্ডের আরেকটি ভিডিওতে তাদের দুজনকে অন্তরঙ্গ হতে দেখা যায়।

ভিডিও ভাইরাল হওয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাসসুল আলম শাহ্ চৌধুরীর বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে উপজেলা সদরের কলেজ গেট মুহুরি পট্টিতে সাপাহারবাসীর আয়োজনে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

জানতে চাইলে সাপাহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এবং আনারস প্রতীকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহজাহান হোসেন মন্ডল বলেন, ‘শামসুল আলমের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে- এটা জনগণ তাদের দৃষ্টিতে দেখবে। আমি কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।’

তিনি বলেন, ‘সামনে নির্বাচনের সে প্রার্থী। তাই জনগণই বক্তব্য দেবে। তবে এটা একটা ন্যক্কারজনক কাজ।’

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শামসুল আলম শাহ্ চৌধুরীকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘ওটা কয়েকদিন ধরেই চলছে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মানুষকে বিভ্রান্তিতে ফেলানোর জন্য এটা করা হচ্ছে।’

মানববন্ধন ও নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যারা প্রতিপক্ষ তারা এসব করছে।’

সাপাহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রেজা সারোয়ার বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। যেহেতু আগামীকাল ভোট। এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। ভোট শেষ হলে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচন শেষে যদি আমাদের কাছে কোনো তথ্যপ্রমাণ আসে, তাহলে জেলা কমিটি একটা ব্যবস্থা করবে। শোকজও করতে পারে।’

আরও পড়ুন:
১৫৬ উপজেলায় ভোট কাল
বাগেরহাটের দুই ওসিকে বদলির নির্দেশ ইসির
ভোটের হার কম হলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই: ইসি আলমগীর

মন্তব্য

রাজনীতি
Voting in 156 upazilas

১৫৬ উপজেলায় ভোট কাল

১৫৬ উপজেলায় ভোট কাল
২৪ টি উপজেলায় ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে। বাকিগুলোতে সরাসরি ব্যালটে ভোট নেয়া হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল মঙ্গলবার। এর মধ্যে ২৪ টি উপজেলায় ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে। বাকিগুলোতে সরাসরি ব্যালটে ভোট নেয়া হবে। সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

এই নির্বাচনে প্রতিনিধি বাছাইয়ে মত দেবেন তিন কোটি ৫২ লাখের বেশি ভোটার। ইতোমধ্যে ভোট উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

দ্বিতীয় ধাপে ১৫৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও রোববার রাতে আদালতের নির্দেশে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে এই ধাপে ১৫৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে।

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

দুর্গম ও উপকূলীয় অঞ্চল বিবেচনায় ৩০টি উপজেলার ৬৮৫ কেন্দ্রে সোমবারই ব্যালট পাঠানো হয়েছে। বাকি ১২ হাজার ৩৩১টি কেন্দ্রে ব্যালট পৌঁছবে আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে। মোট ১৩ হাজার ১৬টি কেন্দ্রে ভোট কক্ষ থাকবে ৯১ হাজার ৫৮৯টি।

সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য। সমতলে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে ১৯ জনের ফোর্স। দুর্গম ও পার্বত্য এলাকায় এই সংখ্যা আরও বেশি।

এছাড়া নির্বাচনি আচরণবিধি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতি ইউনিয়নে থাকবেন একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

ইসি সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনের সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত। সোমবার থেকেই সংশ্লিষ্ট প্রতিটি উপজেলায় একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। ভোটের আগে-পরে মোট পাঁচদিনের জন্য তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

এ ছাড়া মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে বিশেষ করে বিজিবির প্রতিটি মোবাইল টিমের সঙ্গে একজন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন।

নির্বাচন কমিশন ২ এপ্রিল দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী ৩০ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় শেষে চূড়ান্ত হয় এক হাজার ৮২৪ জন প্রার্থী। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৬০৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৯৩ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫২৮ জন। ২ মে প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই নির্বাচনের প্রচার শুরু করেন প্রার্থীরা।

তবে এরই মধ্যে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ২২ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে সাতজন চেয়ারম্যান, আট জন ভাইস চেয়ারম্যান ও সাতজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রয়েছেন।

এই ধাপের ভোটে প্রচার-প্রচারণার সময় আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রায় ছয়শ’ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইসি। প্রচারণায় নেমে সংঘাত, হুমকি এবং প্রার্থীর পক্ষে জনপ্রতিনিধিদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে। ইতোমধ্যে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে ইসি।

তবে বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো উপজেলা নির্বাচন বর্জনের পর ভোটের লড়াই চলছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যেই। ইতোমধ্যে ভোটের প্রচারণায় নেমে ১০টির বেশি উপজেলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন উপজেলায় প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় নামায় চারজন সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ সম্প্রতি গণমাধ্যমকে জানান, সুষ্ঠু ভোট আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আচরণবিধি প্রতিপালনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৫৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রসঙ্গত, ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলায় ২১ মে, তৃতীয় ধাপে ১১২ উপজেলায় ২৯ মে ও চতুর্থ ধাপে ৫৫ উপজেলায় ৫ জুন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আর প্রথম ধাপে ১৩৯টি উপজেলায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে ৮ মে।

আরও পড়ুন:
১৫৭ উপজেলায় রোববার মাঠে নামছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
ঝিনাইদহ-১ উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী আওয়ামী লীগের নায়েব
সামনের নির্বাচনগুলো আরও স্বচ্ছ হবে: ইসি
৬১৫ কেন্দ্রে ব্যালট যাবে আগের দিন, বাকিগুলোতে ভোটের সকালে
দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা ভোটের মাঠে ১৫৭ ম্যাজিস্ট্রেট

মন্তব্য

রাজনীতি
EC orders transfer of two OCs of Bagerhat
উপজেলা নির্বাচন

বাগেরহাটের দুই ওসিকে বদলির নির্দেশ ইসির

বাগেরহাটের দুই ওসিকে বদলির নির্দেশ ইসির
বাগেরহাটের ফকিরহাট মডেল থানার ওসি আশরাফুল আলম ও জেলা ডিবির ওসি স্বপন রায়ের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাচনের প্রচারে পক্ষপাতের অভিযোগ আনা হয়েছিল ইসিতে। এক প্রার্থীর করা ওই অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন তাদের বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাগেরহাটের ফকিরহাট মডেল থানার ওসি ও জেলা ডিবির ওসিকে বদলির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এক প্রার্থীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন এ নির্দেশনা দিয়েছে।

সোমবার ইসির উপ-সচিব মো. মিজানুর রহমান নির্দেশনাটি খুলনা রেঞ্চের উপমহাপুলিশ পরিদর্শককে পাঠিয়েছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল আলম ও বাগেরহাট জেলা ডিবির ওসি স্বপন রায়কে ডিআইজি, খুলনা রেঞ্জ, খুলনায় নির্বাচনের সময় পর্যন্ত সংযুক্ত করে ওই কর্মকর্তাদ্বয়ের পরবর্তী কোনো কর্মকর্তাকে ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এবং ডিবি ওসির দায়িত্ব প্রদানের জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।

সম্প্রতি ওই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাচনের প্রচারে পক্ষপাতের অভিযোগ আনা হয়েছিল ইসিতে। এক প্রার্থীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন তাদের বদলির সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
ভোটের হার কম হলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই: ইসি আলমগীর
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নির্বাচন স্থগিত
ভোট কম পড়ার বড় কারণ বিএনপির বর্জন: ইসি আলমগীর
উপজেলা নির্বাচন: দ্বিতীয় ধাপে ৪৫৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
১৫৭ উপজেলায় রোববার মাঠে নামছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী

মন্তব্য

p
উপরে