20201002104319.jpg
20201003015625.jpg
ছেলে বিএনপি করলে বিয়ের জন্য মেয়ে দেয় না: ফখরুল

ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ছেলে বিএনপি করলে বিয়ের জন্য মেয়ে দেয় না: ফখরুল

‘সামাজিকভাবে সম্পর্ক তৈরিতেও আওয়ামী লীগ-বিএনপি দেখা হচ্ছে। ছেলে বিএনপি করে শুনলে মেয়ে বিয়েও দেয়া হচ্ছে না। এখানে ভালো কিছু আশা করা অসম্ভব।’

বিএনপি কতটা বেকায়দায় পড়েছে, তা তুলে ধরতে গিয়ে ‘ছেলে বিয়ে দিতে না পারার’ আক্ষেপের কথা বলেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

২০০৭ সালের জানুয়ারি থেকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটির নেতা বলেছেন, বিএনপি করলে কারো শান্তি নেই।

বুধবার ঠাকুরগাঁওয়ের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ কথা বলেন ফখরুল।

বিচার বিভাগের দায়িত্ব ‘সরকারের হুকুম পালন করা’- এমন অভিযোগ করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘১০ বছর ধরে আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি। এখন এমন হয়েছে, সামাজিকভাবে সম্পর্ক তৈরিতেও আওয়ামী লীগ-বিএনপি দেখা হচ্ছে। ছেলে বিএনপি করে শুনলে মেয়ে বিয়েও দেয়া হচ্ছে না। এখানে ভালো কিছু আশা করা অসম্ভব।’

স্বাধীনতার পর এর মতো খারাপ সময় কখনও আসেনি বলেও মনে করেন ফখরুল। বলেন, ‘দেশ এখন গোয়েন্দাদের পর্যবেক্ষণেই চলছে। এ পর্যবেক্ষণ ছড়িয়ে পড়েছে তৃণমূল পর্যায়েও।’

‘চাকরির ক্ষেত্রেও এখন গোয়েন্দা ব্যবহার করা হয়। যদি এতটুকুও বিএনপি সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় তাহলে আর চাকরি হয় না।’

দেশে গণতন্ত্র নেই অভিযোগ করে তিন বার দেশের শাসন করা দলটির নেতা বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্র চাই। সবাই যেন উন্মুক্তভাবে কথা বলতে পারে।

আরও পড়ুন: ড. কামাল ব্যর্থ নেতা: মন্টু

‘সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বললে বা লিখলেই ধরা হচ্ছে। আমরা কোন রাষ্ট্রে বসবাস করছি। ৫০ বছরে আমরা এই রাষ্ট্র চাইনি।’

১৯৭১ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারে পটভূমি তুলে ধরে ফখরুল বলেন, ‘তখন আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছে যাওয়া যেত, বিচার পাওয়া যেত। কিন্তু এখন কারও কাছে যাওয়াও যায় না, বিচারও পাওয়া যায় না।’

ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনে বিএনপি নৈতিক সমর্থন রয়েছে বলেও জানান ফখরুল। বলেন, ‘যারা প্রতিবাদ করছে তাদেরকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা মারধর করছে। এটা কোনো সরকারের কর্মকাণ্ড হতে পারে না।’

দুর্নীতির কারণে দেশে ধনী-গরিবের বৈষম্য বাড়ছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা। বলেন, ‘সরকারের মেগা প্রজেক্টগুলোতে মেগা দুর্নীতি চলছে।’

‘একটি ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি হওয়ার জন্য সরকারি দলের লোকেরা ২-৩ লাখ টাকা খরচ করছে। এ থেকেই বোঝা যায় এ পদ কত আকর্ষণীয় ও লোভনীয়। কারণ দুস্থ মানুষের টাকা তারা নিজেরাই নিয়ে নিচ্ছে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য