20201002104319.jpg
সরকারকে সময় দেয়ার বিএনপি কে, প্রশ্ন কাদেরের

সরকারকে সময় দেয়ার বিএনপি কে, প্রশ্ন কাদেরের

শুক্রবারই এক অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ধর্ষণের মতো অপরাধ থেকে সমাজকে মুক্ত করতে নারী ও শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সরকারকে আর সময় দেওয়া যাবে না।

ধর্ষণের মতো অপরাধ থেকে সমাজকে মুক্ত করতে সরকারকে আর সময় দেওয়া যাবে না বলে বিএনপি মহাসচিব যে মন্তব্য করেছেন সে প্রসঙ্গ টেনে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, এই সময় দেয়ার তারা কে?

শুক্রবার বিকেলে সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবন থেকে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি বলেছে, সরকারকে সময় দেয়া যায় না। সময় দেয়ার আপনারা কে?’

এর আগে শুক্রবারই এক অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধর্ষণের মতো অপরাধ থেকে সমাজকে মুক্ত করতে নারী ও শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সরকারকে আর সময় দেওয়া যাবে না।

ব্রিফিংয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, ‘সরকার টিকে আছে জনগণের ইচ্ছায়, কারো দয়ায় নয়। ক্ষমতা দেয়া ও টিকিয়ে রাখার মালিক একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ও দেশের জনগণ।

‘ধর্ষণের বিচার চাইতে গিয়ে সরকার পতন আন্দোলনের কথিত ঘোষণা দিয়ে বিএনপি ধর্ষক ও ঘৃণ্য অপরাধীদের বাঁচানোর অপপ্রয়াস চালাচ্ছে কিনা- সেটাই আজ জনগণের প্রশ্ন।’

বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, ‘সরকার নাকি অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে, অপরাধীদের আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। আসলে কিন্তু অনিয়মকারীদের অতঙ্কসৃষ্টি হয়েছে।

‘ইতোমধ্যে কোনো অপরাধ সংগঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনে। বিএনপি যখন মাঠে নেমে প্রতিবাদ করে তার আগেই সরকার অপরাধীদের গ্রেফতার অভিযান শুরু করে। আমরা বার বার বলেছি, দলীয় পরিচয় অপরাধীদের শাস্তি থেকে রেহাই দিতে পারবে না।’

সরকার কারো হাতে ইস্যু তুলে দেবে না- উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনঘনিষ্ঠ ইস্যুতে আমাদের সরকার দ্রুত রেসপন্স করে। বিচারের নামে আন্দোলনে নেমে ভিন্ন ভাষায় কথা বলে জনসচেতনতা তৈরির পরিবর্তে সরকার পরিবর্তনের কথা বলে প্রকারন্তরে তারা ধর্ষকদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে।’

কাদের বলেন, ‘সরকার অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় তো দিচ্ছেই না বরং শাস্তির বিধান আরো কঠোর করতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে। যা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মন্ত্রীসভায় আইন সংশোধনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে।’

শেয়ার করুন