× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অন্যান্য
Martyrdom anniversary of Martyr President Ziaur Rahman celebrated in ICB
google_news print-icon

আইসিবিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

আইসিবিতে-শহীদ-প্রেসিডেন্ট-জিয়াউর-রহমানের-শাহাদাত-বার্ষিকী-পালিত

ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)-এর প্রধান কার্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং কালজয়ী ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ দর্শনের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের লক্ষে এক বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। শোকের আবহে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিবির পরিচালনা পর্ষদের মাননীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু আহমেদ। এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো. নুরুল হুদা। শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং মোনাজাতের মাধ্যমে মরহুম নেতার বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে আইসিবির অঙ্গসংস্থানসমূহের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা (সিইও) বিশেষ গুরুত্বের সাথে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের মহাব্যবস্থাপকগণসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন। সমবেত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাংলাদেশের উন্নয়নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অসামান্য অবদান এবং তাঁর আদর্শিক দূরদর্শিতার কথা স্মরণ করেন। দোয়া মাহফিলে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়, যেখানে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি প্রার্থনা করা হয়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই আধুনিক বাংলাদেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে উঠেছিল, যার অন্যতম একটি হলো আইসিবি। তাঁর প্রবর্তিত উন্নয়ন দর্শনকে পাথেয় করে দেশের বিনিয়োগ খাতের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা। পরিশেষে, এই দোয়া মাহফিলটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার আত্মার পরম শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অন্যান্য
Yuda Art Reunion New Jalsa held at the intersection of art and memory

শিল্প ও স্মৃতির মেলবন্ধনে ইউডা চারুকলার পুনর্মিলনী ‘নয়াজলসা’ অনুষ্ঠিত

শিল্প ও স্মৃতির মেলবন্ধনে ইউডা চারুকলার পুনর্মিলনী ‘নয়াজলসা’ অনুষ্ঠিত

ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (ইউডা)-এর চারুকলা অনুষদ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বহুল প্রতীক্ষিত পুনর্মিলনীপ্রস্তরযুগের নয়াজলসা ২০২৬ ধানমন্ডির ১২/ সড়ক সংলগ্ন লেকপাড়ে এক ঝকঝকে সকালে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে এই আয়োজনের সূচনা হয়। শিল্প, সংস্কৃতি স্মৃতিচারণে ভরপুর এই অনুষ্ঠানে প্রথম থেকে ৫৮তম আবর্তনের প্রাক্তন বর্তমান শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পুরো লেকপাড়কে একটি প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত করে। দীর্ঘ সময় পর সহপাঠী শিক্ষকদের কাছে পেয়ে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অধিবেশনে ইউডার রেজিস্ট্রার . ইফাত কায়েস চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এমন বৃহৎ আয়োজনের প্রশংসা করে বলেন, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি বিশেষ মাইলফলক। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক শিল্পী . রশীদ আমিন ইউডা চারুকলার প্রতিষ্ঠাকালীন দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, চায়ের দোকানে বসে এক সময় এই বিভাগ চালুর পরিকল্পনা হয়েছিল এবং দেশে এমএফএ পড়ার সীমিত সুযোগ থাকায় প্রথম ব্যাচ থেকেই ব্যাপক সাড়া মিলেছিল। বর্তমানে এই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাফল্য দেখে তিনি অত্যন্ত গর্বিত বলে জানান।

চারুকলা অনুষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর আলাউদ্দিন আহমেদ তাঁর প্রিয় শিক্ষার্থীদের সামনে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং দেশ জাতির কল্যাণে তাঁদের কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যদিকে, অনুষদের ডিন একুশে পদক বিজয়ী শিল্পী শাহজাহান আহমেদ বিকাশ তাঁর বক্তব্যে বিভাগীয় চ্যালেঞ্জসমূহ এবং বর্তমানের অভাবনীয় সাফল্যের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ক্ষুদ্র পরিসরে শুরু হওয়া এই বিভাগটি এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম শক্তিশালী পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রয়াত শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

পুরো দিনের সাংস্কৃতিক আয়োজন ছিল অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় জমজমাট। আহসানুর জামান তিনু মোরসালীনা অনিকার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় ম্যাক সোহানের বাঁশির সুর, জাকিয়া সুলতানা আব্দুল্লাহ আল ফারুকের আবৃত্তি এবং শেখ শায়লা সমীরণ সরকারের গান। পিংকি মন্জরী মাধুরীমার নৃত্য এবং রূপের পুথিঁ পাঠ দর্শকদের মুগ্ধ করে। ছাড়াও একটি বিশেষ ফ্যাশন শো এবং পুরোনো দিনের বাংলা সিনেমার গানের সাথে আকাশ অনুরাধার আকর্ষণীয় ছায়াছন্দ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের আকর্ষণ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে হাসিনুল আলম সুজন জানান, ‘প্রস্তরযুগের নয়াজলসাকেবল একটি বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি প্রাক্তন বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যকার পেশাদার আত্মিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। বিভিন্ন আবর্তনের শিক্ষার্থীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসার এই প্রচেষ্টাকে সবাই সাধুবাদ জানিয়েছেন। দিনভর আড্ডা, হাসি আর স্মৃতি রোমন্থনের মধ্য দিয়ে এই সফল আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে সম্মিলিত কাজের প্রেরণা জোগাবে।

মন্তব্য

অন্যান্য
The government will buy 260 thousand tons of fuel oil

২ লাখ ৬০ হাজার টন জ্বালানি তেল কিনবে সরকার

২ লাখ ৬০ হাজার টন জ্বালানি তেল কিনবে সরকার

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল ক্রয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বর্তমান অস্থিতিশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতি-বিশেষ করে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আবীর ট্রেড অ্যান্ড গ্লোবাল মার্কেটসের মাধ্যমে ১ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অপর এক প্রস্তাবের ভিত্তিতে এক্সন মোবিল কাজাখস্তান ইনকের (ইএমকেআই) কাছ থেকে আন্তর্জাতিক ক্রয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে ১ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল। ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের আরেক প্রস্তাবের ভিত্তিতে জিটুজি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান পি.টি. বুমি সিয়াক পুসাকো জাপিন (বিএসপি জাপিন), ইন্দোনেশিয়া থেকে চুক্তির আওতায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস অয়েল ০.৫ শতাংশ ‘এস’ (ডিজেল) ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য

অন্যান্য
British Council in collaboration with Bangladeshi artist Soma Surabhi Jannats solo exhibition at a UK museum

যুক্তরাজ্যের জাদুঘরে বাংলাদেশি শিল্পী সোমা সুরভী জান্নাতের একক প্রদর্শনী, সহযোগিতায় ব্রিটিশ কাউন্সিল

যুক্তরাজ্যের জাদুঘরে বাংলাদেশি শিল্পী সোমা সুরভী জান্নাতের একক প্রদর্শনী, সহযোগিতায় ব্রিটিশ কাউন্সিল

যুক্তরাজ্যের সর্বপ্রাচীন পাবলিক মিউজিয়াম হিসেবে পরিচিত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাশমোলিয়ান মিউজিয়ামে বাংলাদেশের শিল্পকলার ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় সূচিত হয়েছে। এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি শিল্পী হিসেবে সোমা সুরভী জান্নাতের একক শিল্প প্রদর্শনী গত ২৮ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। শিল্প ও প্রত্নতত্ত্বের জন্য বিশ্বখ্যাত এই জাদুঘরটিতে বাংলাদেশের কোনো শিল্পীর এমন একক উপস্থিতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।

অ্যাশমোলিয়ান মিউজিয়ামের ইস্টার্ন আর্ট ও সাউথ এশিয়ান আর্ট বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মল্লিকা কুম্বেরা ল্যান্ডরাসের সুনিপুণ কিউরেশনে এই প্রদর্শনীটি সাজানো হয়েছে। প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া প্রায় ৪০টি বৈচিত্র্যময় শিল্পকর্মের মধ্যে রয়েছে কাগজে আঁকা চিত্রকর্ম, ৩০ ফুট দীর্ঘ একটি স্ক্রল এবং একটি বিশেষ অস্থায়ী দেয়ালচিত্র, যা শিল্পী স্বয়ং গ্যালারির দেয়ালে অঙ্কন করবেন। এই আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে কিউরেটর ল্যান্ডরাস ১১২ পৃষ্ঠার একটি তথ্যসমৃদ্ধ চিত্রসম্বলিত ক্যাটালগও প্রকাশ করেছেন।

এই শিল্পযজ্ঞটি মূলত ২০২৩ সালে প্রবর্তিত ‘অ্যাশমোলিয়ান নাও’ সিরিজের পঞ্চম আয়োজনের একটি অংশ। এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে সমকালীন শিল্পীদের জাদুঘরের ঐতিহাসিক সংগ্রহের সঙ্গে সংযোগ ঘটিয়ে নতুন শিল্পসৃষ্টির সুযোগ করে দেওয়া হয়। ২০২৩ সালে অ্যাশমোলিয়ানে শিল্পীর রেসিডেন্সি চলাকালীন গবেষণালব্ধ অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে ‘সোমা সুরভী জান্নাত: ক্লাইমেট কালচার কেয়ার’ শীর্ষক এই প্রদর্শনীটি পরিকল্পিত হয়েছে।

শিল্পীর তুলিতে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক আবহ ও জাদুঘরের সংগ্রহের মেলবন্ধনে প্রকৃতি ও মানুষের নিবিড় সম্পর্ক, পরিবেশগত বিপর্যয় এবং সামাজিক বৈষম্যের মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলো ফুটে উঠেছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা এই কাজগুলোর মাধ্যমে শিল্পী মূলত জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বিশ্ববাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ডেপুটি ডিরেক্টর মারিয়া রেহমান বলেন, “বিশ্বজুড়ে শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের সম্ভাবনা বিকাশে এবং সাফল্য অর্জনে সহায়তা করে আসছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। যুক্তরাজ্যের কোনো জাদুঘরে বাংলাদেশি শিল্পীর প্রথম একক প্রদর্শনী হিসেবে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি একই সঙ্গে আমাদের জন্য গর্বেরও বিষয়। সোমা সুরভী জান্নাতের কাজ বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি তুলে ধরার পাশাপাশি পরিবেশ ও পরিচয় নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনাকে আরও জোরদার করবে।”

অ্যাশমোলিয়ান মিউজিয়ামের পরিচালক জা স্টারজিস বলেন, ‘এই প্রদর্শনীটি পরিসর ও উপস্থাপনার দিক থেকে ভিন্নধর্মী। আমরা আশা করি, এটি বাংলাদেশ ও সমকালীন শিল্প নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করবে, বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫ বছর পূর্তির এই সময়ে। এ আয়োজনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার শিল্পের ইতিহাস, সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং অতীতের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা এগোবে। এর সঙ্গে সমকালীন নানা প্রশ্ন ও ভাবনার যোগসূত্রও সামনে আসবে। এসবের মধ্য দিয়ে আমাদের সংগ্রহকে নতুনভাবে জানার ও বোঝার সুযোগ তৈরি হবে।’

সেহের ও তাইমুর হাসান, ব্রিটিশ কাউন্সিল, সামদানি আর্ট ফাউন্ডেশন, সোথেবিস, নেহা ও সুমেধ জয়সওয়াল (গোল্ডম্যান স্যাকস গিভসের মাধ্যমে), গ্যালারি এসপাস এবং চার্লস ওয়ালেস বাংলাদেশ ট্রাস্টের সম্মিলিত সহযোগিতায় এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীটি আয়োজন করা হয়েছে।

মন্তব্য

অন্যান্য
A League will be responsible for any election centric violence
দিল্লিতে হাসিনার বক্তব্যে ঢাকার তীব্র ক্ষোভ

নির্বাচনকেন্দ্রিক যেকোনো সহিংসতায় দায়ী হবে আ.লীগ

নির্বাচনকেন্দ্রিক যেকোনো সহিংসতায় দায়ী হবে আ.লীগ

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিনে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে ‘নির্বাচন বানচালে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি’ রয়েছে উল্লেখ করে উদ্বেগের কথাও জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

গতকাল রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় গভীর বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করে সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি’ বলে দাবি করা হয়েছে।

সরকার বলছে, দিল্লিতে দেওয়া বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সরকারের পতনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি দিয়েছেন।

এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং দলীয় অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে নির্বাচন ভণ্ডুল করতে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ানোর আহ্বান জানান।

অন্তর্বর্তী সরকার মনে করে, নয়াদিল্লিতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালা, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি।

‘এটি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি একটি স্পষ্ট অবমাননা এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত’—উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের এই বেপরোয়া উসকানি প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিনে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য সরকার আওয়ামী লীগকে দায়ী করবে এবং তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে সরকার বলছে, দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো সে দায়িত্ব পালন করেনি। উল্টো নিজ ভূখণ্ডে তাকে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।

মন্তব্য

অন্যান্য
Hummam Quader gave the details of disappearance and torture
ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি

গুম–নির্যাতনের বিবরণ দিলেন হুম্মাম কাদের

গুম–নির্যাতনের বিবরণ দিলেন হুম্মাম কাদের

গুমের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় জবানবন্দি দিয়েছেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হুম্মাম কাদের চৌধুরী। জবানবন্দিতে হুম্মাম বলেছেন, বিএনপির রাজনীতি করার কারণে তাকে গুম করে রাখার সময় তিনি বারবার নির্যাতনের শিকার হতেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গতকাল সোমবার এই জবানবন্দি দেন হুম্মাম। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। তার বাবা বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসি কার্যকর হয় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর।

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিলেন হুম্মাম।

এর আগে এই মামলায় সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটির বিচার শুরু হলো। সূচনা বক্তব্যের পর হুম্মামের সাক্ষ্যগ্রহণ (জবানবন্দি) শুরু হয়।

জবানবন্দিতে হুম্মাম বলেন, ২০১৬ সালের ৪ আগস্ট তাকে গুম করা হয়। গুম থাকা অবস্থায় তিনি দিন–রাতে পার্থক্য বুঝতে পারতেন না। তিনি দিন গুনতেন খাবার দেখে। খাবারের জন্য রুটি আনলে বুঝতে পারতেন, নতুন দিন শুরু হয়েছে। দুপুর ও রাতের খাবারে থাকত ভাত, এক পিস মাছ অথবা এক পিস মুরগি, সঙ্গে কিছু সবজি। একদিন বিরিয়ানি দেওয়া হলে তিনি বুঝতে পারেন, সেটি ঈদের দিন ছিল।

জবানবন্দিতে হুম্মাম বলেন, প্রথম দুই মাস তিনি একটি পেরেক দিয়ে দেয়ালে দাগ দিয়ে দিনের হিসাব রাখতেন। দুই মাস পর তিনি হিসাব রাখা বন্ধ করে দেন। পেরেকটি তিনি জানালার কোনায় পেয়েছিলেন।

কক্ষের ভেতর দেয়ালে অনেক কিছু লেখা ছিল বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন হুম্মাম। হুম্মাম বলেন, তিনি বুঝতে পারেন, তার আগে যারা এই কক্ষে বন্দী ছিলেন, সেগুলো তাদের লেখা। একজন লিখেছিলেন, ‘আপনাকে কত দিন এখানে রাখা হবে, তা কেউ আপনাকে বলবে না।’

অন্য পাশের দেয়ালে বাংলাদেশের পতাকা আঁকা ছিল বলে উল্লেখ করেন হুম্মাম। হুম্মাম বলেন, তিনি যে কক্ষে ছিলেন, তার দৈর্ঘ্য ১৫ থেকে ১৮ ফুট। প্রস্থ ৮ থেকে ১০ ফুট। তিনি দেয়ালের এক কোনায় তার ইনিশিয়াল (এইচকিউসি) ও তার গুম হওয়ার তারিখ পেরেক দিয়ে লিখে রেখেছিলেন।

জবানবন্দিতে হুম্মাম বলেন, গুম থাকাকালে মাঝেমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাকে মারধর করা হতো। তার বাবার রাজনীতির বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতো। তিনি আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করেন কি না, বিদেশি কোনো গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে তার যোগাযোগ আছে কি না, এসব বিষয়ে তাকে বারবার জিজ্ঞাসা করা হতো।

এই মামলার আসামি ১৩ জন। এর মধ্যে ১২ জনই বর্তমান–সাবেক সেনা কর্মকর্তা।

আসামিদের মধ্যে তিনজন গ্রেপ্তার আছেন। তারা হলেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক তিন পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

মামলার বাকি ১০ আসামি পলাতক। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।

পলাতক আসামিদের মধ্যে আরও আছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক।

এ ছাড়া গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক এই মামলার আসামি।

মন্তব্য

অন্যান্য
Important Announcement of Finance Advisor on New Pay Scale

নতুন পে স্কেল নিয়ে অর্থ উপদেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা

নতুন পে স্কেল নিয়ে অর্থ উপদেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা

নাটোরের গুরুদাসপুর মিনি স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল ঘোষণা ও তা কার্যকর করার বিষয়ে ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে আয়োজিত এই পরিদর্শনে তিনি বেতন কাঠামোর বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন এবং জানান যে, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। বেতন বৈষম্য দূরীকরণ ও নতুন স্কেল নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য দিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘পে স্কেলের বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটি রিপোর্ট জমা দিলে দ্রুত তা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

উপদেষ্টার এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকালে তাঁর সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকীসহ সরকারের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আনম বজলুর রশিদ এবং নাটোরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ এই পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন।

মূলত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পরপরই সরকার নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়নের পরবর্তী পদক্ষেপগুলো দ্রুততার সাথে গ্রহণ করবে বলে আশ্বস্ত করেছেন অর্থ উপদেষ্টা।

মন্তব্য

p
উপরে