ডোমারে ঘোড়দৌড় উপভোগে শত শত মানুষ

player
ডোমারে ঘোড়দৌড় উপভোগে শত শত মানুষ

বড় ঘোড়ার দৌড়ে প্রথম হন কাফি বানিয়া ও দ্বিতীয় হন আব্দুল হাদী। ছোট ঘোড়ায় প্রথম হন পল্লি চিকিৎসক বাবু ও দ্বিতীয় হন রাশেদ মিয়া। তাদের পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ঘোড়দৌড় হয়েছে নীলফামারীতে।

ডোমার উপজেলার পাঙ্গামটকপুর ইউনিয়নে পাঙ্গা গ্রামে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আয়োজনে এই প্রতিযোগিতা হয়।

গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী এই ঘোড়দৌড় উপভোগ করতে শত শত নারী-পুরুষ ও শিশুরা ভিড় করে।

বড় ও ছোট ঘোড়ার দৌড়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৬টি ঘোড়া অংশ নেয়।

বড় ঘোড়ার দৌড়ে প্রথম হন কাফি বানিয়া ও দ্বিতীয় হন আব্দুল হাদী। ছোট ঘোড়ায় প্রথম হন পল্লি চিকিৎসক বাবু ও দ্বিতীয় হন রাশেদ মিয়া। তাদের পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

পাঙ্গামটুকপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সোনালী ব্যাংকের এজিএম আতাহারুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

প্রতিবন্ধীদের জন্য অনলাইন চাকরির মেলা

প্রতিবন্ধীদের জন্য অনলাইন চাকরির মেলা

ড. ওমর ফারুক, ডিজি, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট এবং বিবিডিএন চেয়ারম্যান আরদাশীর কবির বলেন, ‘বাংলাদেশের শ্রমবাজারে প্রতিবন্ধীদের যুক্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন একটি কল্যাণমুখী ট্রাস্ট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০১৩ সালের অধিকার ও সুরক্ষা আইন অনুযায়ী প্রতিবন্ধীদের কর্মক্ষেত্রে যুক্ত করা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।’

প্রতিবন্ধীদের জন্য সুখবর দিল বাংলাদেশ বিজনেস অ্যান্ড ডিজঅ্যাবিলিটি নেটওয়ার্ক- বিবিডিএন। প্রযুক্তির মাধ্যমে চাকরির বাজারে তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলার পাশাপাশি চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিবিডিএন। সে লক্ষ্যে বুধবার শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী এই মেলা।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে আইএলওর স্কিলস ২১ প্রকল্প এবং এফসিডিওর অর্থায়নে ইনোভেশন টু ইনক্লুশন (আইটুআই) প্রকল্পের সহযোগিতায় এ মেলাটি হচ্ছে। কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের এটুআই প্রোগ্রাম এবং বিডিজবস।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট এবং বিবিডিএন চেয়ারম্যান আরদাশীর কবির বলেন, ‘বাংলাদেশের শ্রমবাজারে প্রতিবন্ধীদের যুক্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন একটি কল্যাণমুখী ট্রাস্ট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০১৩ সালের অধিকার ও সুরক্ষা আইন অনুযায়ী প্রতিবন্ধীদের কর্মক্ষেত্রে যুক্ত করা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

লিওনার্ড চেশায়ারের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ জহির-বিন-সিদ্দীক বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘এই প্রকল্পের লক্ষ্য, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বেসরকারি খাতে তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। প্রতিবন্ধীদের জন্য তথ্যের ঘাটতি একটি বড় সমস্যা। এই প্রকল্পের শুরুতে আমরা চিন্তা করেছি কীভাবে প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে প্রতিবন্ধীদের দক্ষতা বাড়ানো যায়, বেসরকারি খাতে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়।’

‘এই প্রকল্পের আওতায় বিডিজবসের সহায়তায় আইটুআই ক্যারিয়ার অ্যাডভাইজার নামে প্রথমবারের মতো শুধু প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একটি জব পোর্টালের উদ্বোধন হয়েছে। এখানে প্রতিবন্ধীরা তাদের সুবর্ণ নাগরিক কার্ডের নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন।’

বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম মাশরুর বলেন, ‘এটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত এবং একটি মাইলফলক। করোনা মহামারির কবলে পড়ে আমাদের অর্থনৈতিক খাতগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এটা যেমন সত্য, তেমনি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি একটি আশীর্বাদ; বিশেষ করে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্য। তারা ঘর থেকে কাজে যোগদানের সুযোগ পাচ্ছেন।’

ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা যারা বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন আছি, আমাদের একটা নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। যদি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, তাদের দক্ষতার বিবরণ এবং অবস্থান উল্লেখ করে আমাদের কাছে পাঠানো হয়, তবে অন্যান্য চেম্বার অফ কমার্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে দক্ষতাসম্পন্ন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেব।’

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা- আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো পৌটিআইনেন বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে সামাজিক ন্যায়বিচার এবং উপযুক্ত কর্মপরিবেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ চলছে। প্রতিবন্ধকতা যেন তাদের কর্মক্ষম হওয়ার পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, সে জন্য আইএলও প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষতার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং কর্মক্ষেত্রে শোভন পরিবেশ নিশ্চিতের লক্ষ‌্যে বাংলাদেশ সরকার, চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান এবং কর্মী সংগঠনের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।’

এস্পায়ার টু ইনোভেট প্রকল্প পরিচালক দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ন কবির বলেন, ‘আমরা সবাই আজ একটা মঞ্চে একত্রিত হয়েছি। এটি আমাদের প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭-১০ শতাংশ প্রতিবন্ধী। যেসব প্রতিবন্ধী ব্যক্তি কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন, তারা প্রমাণ করে চলেছেন যে তারা সুস্থ ব্যক্তির চেয়েও কোনো অংশে কম নয়। দরকার শুধু সুযোগ।

‘আমি ধন্যবাদ দিতে চাই মেলায় অংশগ্রহণকারী ৬০টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে। যারা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের সুযোগ করে দিতে এগিয়ে এসেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার এবং এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা ‘কেউ পিছিয়ে থাকবে না’ সামনে রেখে এটুআই কাজ করে যাচ্ছে।’

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘সরকার কর্তৃক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য যেসব বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয় তার একটি বড় অংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত হয়ে থাকে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সম্পর্কে যে দর্শনটি আমরা মনে-প্রাণে লালন করি, সেটি হচ্ছে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা এই সমাজের অংশ এবং তাদের অধিকার এই সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ডিজঅ্যাবিলিটি ইনক্লুশন অ্যাডভাইজরি গ্রুপ গঠন করেছে। তাদের জন্য রিফ্রেশার ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা আছে।

‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য কারিগরি শিক্ষায় ৫ শতাংশ কোটা আছে। তাদের কর্মসংস্থানের জন্য জব প্লেসমেন্ট সেলে তথ্য রাখা হয়, যেন সেখান থেকে তাদের তথ্য নিয়ে নিয়োগকর্তারা তাদের নিয়োগ দিতে পারেন। প্রতিটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন ফোকাল নিয়োগ দেয়া আছে, যারা এই বিষয় নিয়ে কাজ করেন।’

এস্পায়ার টু ইনোভেটের ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট (অ্যাকসেসেবিলিটি) ভাস্কর ভট্টাচার্য বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের রাজনৈতিক ইশতেহার, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন এবং এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য সরকার এবং আমরা সবাই মিলে কাজ করে যাচ্ছি। কেউ পিছিয়ে থাকবে না- এই লক্ষ্য সামনে রেখে আমরা হাতে হাত রেখে কাজ করে যাব। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কোনো প্রতিবন্ধী ২০১৩ সালের অধিকার ও সুরক্ষা আইন অনুযায়ী কর্মের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না।’

শেয়ার করুন

সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা পেল পিঠার স্বাদ

সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা পেল পিঠার স্বাদ

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাকিল হাওলাদার রনি বলেন, ‘সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা সাধারণত পিঠা খেতে পায় না। তাই ওদের জন্য আমাদের সংগঠনের এই আয়োজন। প্রতি বছর আমাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’

ঝালকাঠিতে ৭০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে পিঠা খাইয়েছে

স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের নেতারা। নানান রকমের পিঠার স্বাদ নিতে পেরে খুশি শিশুরাও।

ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ঝালকাঠি শাখা এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করে।

বুধবার বিকেল ৪টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে উৎসবে অতিথি ছিলেন সনাক সভাপতি ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের আজীবন সদস্য হেমায়েত উদ্দিন হিমু ও নলছিটি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডালিয়া নাসরিন।

এ ছাড়া সংগঠনের উপদেষ্টা ঝালকাঠি সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইসরাত জাহান সোনালী, সমাজসেবক হাসান মাহমুদ, কবি ও লেখক আলআমিন বাকলাই, সভাপতি পৌর কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির সাগর, সাধারণ সম্পাদক মো. শাকিল হাওলাদার রনি শিশুদের পিঠা খাইয়ে দেন।

নানান ধরনের পিঠার মধ্যে ছিল ভাপা, ডিম পিঠা, পুলি পিঠা, চিতই পিঠা, গোল্লা পিঠা, বড়াপিঠা, বিস্কিট পিঠা, সবজি ও পাকোড়া।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাকিল হাওলাদার রনি বলেন, ‘সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা সাধারণত পিঠা খেতে পায় না। তাই ওদের জন্য আমাদের সংগঠনের এই আয়োজন। প্রতি বছর আমাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’

শেয়ার করুন

শাবি শিক্ষার্থীদের পাশে ঠাকুরগাঁওবাসী

শাবি শিক্ষার্থীদের পাশে ঠাকুরগাঁওবাসী

শাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সমর্থন করে সংহতি সমাবেশ করেছে ঠাকুরগাঁওবাসী। ছবি:নিউজবাংলা

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারী মাহাবুব আলম রুবেল বলেন, ‘ছাত্ররা তাদের আবাসন ও খাদ্যসংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে শাবিপ্রবির ভিসির কাছে জানান। তাদের এই ন্যায্য দাবি না শুনে তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে বর্বর হামলা চালান ভিসি। এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জনিয়ে অবিলম্বে ভিসির পদত্যাগ দাবি করছি।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবিকে ন্যায্য দাবি সমর্থন করে সংহতি সমাবেশ করেছে ঠাকুরগাঁওবাসী। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা দেখিয়েই এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

শহরের চৌরাস্তায় বুধবার দুপুর ১২টায় এ সংহতি সমাবেশ করে জেলাবাসী।

এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেছেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের জেলার সমন্বয়কারী মাহাবুব আলম রুবেল। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক, সাংবাদিক, শিক্ষার্থী, আইনজীবীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সমাবেশের বক্তব্যে শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, ‘আপনারা জানেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক স্যার শামসুজ্জোহা কেমন শিক্ষক ছিলেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর যখন পাকিস্তানিরা গুলি চালায়, তখন তিনি পাকিস্তানিদের বন্দুকের নলের সামনে গিয়ে বলেছিলেন- ডোন্ট ফায়ার। আমার ছাত্রদের ওপর গুলি চালার আগে আমার বুকে গুলি করেন। সে সময় তিনি নিজে বুক পেতে গুলি বরণ করেছেন। তিনি ছাত্রদের জন্য মৃত্যুবরণ করেছেন।


‘কিন্তু শাবিতে আমরা দেখছি শিক্ষকরা তাদের দুর্নীতি ও অপকর্ম ঢাকতে ছাত্রদের ন্যায্য দাবির আন্দোলনে পুলিশ দিয়ে নির্যাতন হচ্ছে। তাদের ওপর গুলি চালানো হচ্ছে। আমরা শিক্ষক সমাজ এর তীব্র নিন্দা জানাই।’

জেলা জেএসডির সভাপতি ও সাংবাদিক মনসুর আলী বলেন, ‘শাবিপ্রবির ভিসি একসময় ছাত্র ছিলেন। তিনি কি জানেন না ছাত্রদের কী প্রয়োজন। আজ তাদের ন্যায্য দাবির জন্য দিনের পর দিন অনশন করতে হয়। আমরা ছাত্রদের এমন জরাজীর্ণ অবস্থা দেখতে চাই না। ছাত্রদের যাবতীয় ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে ক্ষমতালোভী ভিসির পদত্যাগ দাবি করছি।’

ছাত্রনেতা আবু বক্কর সিদ্দীক বলেন, ‘আমরা ছাত্ররা হোস্টেলে সব চেয়ে নিম্ন মানের খাবার গ্রহণ করি। আবাসন আমাদের অত্যন্ত জরাজীর্ণ। আমাদের মেধা বিকাশে সুন্দর পরিবেশ খুব জরুরি। ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা শাবিপ্রবির পাশে আছি।’

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারী মাহাবুব আলম রুবেল বলেন, ‘ছাত্ররা তাদের আবাসন ও খাদ্যসংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে শাবিপ্রবির ভিসির কাছে জানান। তাদের এই ন্যায্য দাবি না শুনে তাদের ওপর পুলিশ দিয়ে নির্যাতন ও গুলি চালায়। তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে বর্বর হামলা চালান ভিসি। পরবর্তী সময়ে সেই ছাত্রদের ওপরেই উল্টো মামলা করে ভিসি। এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জনিয়ে অবিলম্বে ভিসির পদত্যাগ দাবি করছি। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি করছি।’

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও জেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু সায়েম, সদর উপজেলা সভাপতি চৌধুরী আনোয়ার হোসেন, জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান হক রিজু, লেখক ও কলামিস্ট মাসুদ আহমেদ সুবর্ণসহ অনেকে।

শেয়ার করুন

হাওরের আলোকিত নারী দিপালী সরকারের জীবনাবসান

হাওরের আলোকিত নারী দিপালী সরকারের জীবনাবসান

দীপালী সরকার। ছবি: সংগৃহীত

অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রশাসন ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালন উপলক্ষে ‘সফল জননী নারী’ হিসেবে দিপালী সরকারকে জয়িতা পদক ও সংবর্ধনা প্রদান করে।

হাওরের আলোকিত মানুষ ও রত্নগর্ভা জননী দিপালী সরকার ১৯ জানুয়ারি দিবাগত রাত ৯টা ৪৩ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

দিপালী সরকারের জন্ম ১৯৪৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার সরাইল সদর ইউনিয়নের নাথহাটি গ্রামে। দীপাবলী বা দীপান্বিতা তিথিতে জন্ম বলে নাম রাখা হয় দিপালী।

দিপালী সরকারের পিতা মহাপ্রভু দেবনাথ এবং মা বিমলা দেবী। দিপালীর শৈশব ও কৈশোর কাটে ঐতিহ্যবাহী জনপদ সরাইল ও কালিকচ্ছে। ১৯৬১ সালের ৫ মার্চ তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া নিবাসী ডা. রমেন্দ্র নারায়ণ সরকারের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। স্বামীর চাকরিসূত্রে তিনি বসবাস করেন রংপুর, গাইবান্ধা, গাজীপুরের কালিয়াকৈর, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি, করগাঁও ইত্যাদি অঞ্চলে। আশির দশক থেকে তিনি বসবাস করতেন অষ্টগ্রামের বাঙ্গালপাড়ার নাথপাড়ার বাড়িতে।

কৈশোর থেকে দিপালী সরকারের বই পড়ার প্রতি ছিল প্রবল আগ্রহ। গাইবান্ধায় থাকা অবস্থায় তিনি নিজের বাসায় গড়ে তোলেন একটি গ্রন্থাগার। তার গ্রন্থাগার থেকে তৈরি হয়েছে অনেক পাঠক। পাঠাভ্যাস তিনি সঞ্চারিত করেছেন স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কটিয়াদির বাসা থেকে তার গ্রন্থাগারটি লুট হয়ে যায়। এরপর আবার গড়ে তুলেছিলেন পাঠাগার।

হাওরের আলোকিত নারী দিপালী সরকারের জীবনাবসান

দিপালী সরকারের স্বামী ও হাওরের বিনা পয়সার চিকিৎসক বলে পরিচিত ডা. রমেন্দ্র নারায়ণ সরকার স্মরণে তার পৃষ্ঠপোষকতায় অষ্টগ্রাম উপজেলায় প্রথম চিত্রাঙ্কন কর্মশালা ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। অষ্টগ্রাম উপজেলার প্রশাসন ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালন উপলক্ষে ‘সফল জননী নারী’ হিসেবে দিপালী সরকারকে জয়িতা পদক ও সংবর্ধনা প্রদান করে।

দিপালী সরকারের সন্তানদের মধ্যে পুত্র তাপস সরকার অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, তপন সরকার শিক্ষক, তরুণ সরকার সাংবাদিক ও তুষার সরকার পুলিশ কর্মকর্তা এবং অপর্ণা সরকার গৃহিণী।

গত ১৭ জানুয়ারি সকালে দিপালী সরকার ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এবং এরপর তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

২০ জানুয়ারি সকালে দিপালী সরকারকে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানার বাঙ্গালপাড়া শ্মশানে দাহ করা হয়। দিপালী সরকারের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান আগামী ২৯ জানুয়ারি ২০২২ শনিবার অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া উপজেলার নাথপাড়ায় তার বাসভবনে অনুষ্ঠিত হবে। এতে দিপালী সরকারের আত্মীয়স্বজন, অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিত হতে পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

ডুয়ানির অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা 

ডুয়ানির অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন তৈরি করা এবং পরস্পরকে সহযোগিতা করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব নিউ ইংল্যান্ড (ডুয়ানি)।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব নিউ ইংল্যান্ডের (ডুয়ানি) নতুন অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এক সাধারণ সভায় নতুন এই অ্যাডহক কমিটি নির্বাচন করা হয়। সাধারণ সভায় সংগঠনের ৭৪ জন সাধারণ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে ৫৪ জন সদস্যের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন নতুন অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা। নির্বাচিত এই কমিটি আগামী ৬ মাস সংগঠনের সামগ্রিক কল্যাণে কাজ করবেন।

ডুয়ানির সাধারণ সভায় ঘোষিত নতুন অ্যাডহক কমিটির সদস্য হলেন ড. খন্দকার করিম সিপিএ, মীর ফজলুল করিম এবং সৈয়দ এ মনসুর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সম্পর্কের সেতুবন্ধ তৈরি করা এবং পরস্পরকে সহযোগিতা করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব নিউ ইংল্যান্ড (ডুয়ানি)।

শেয়ার করুন

শীতবস্ত্র পেল তিন শ মানুষ

শীতবস্ত্র পেল তিন শ মানুষ

নীলফামারীতে এফএনবি এর উদ্যোগে তিন শ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়কারী আকতারুল ইসলাম বলেন, ‘এফএনবি শীতার্ত মানুষের কথা চিন্তা করে নীলফামারীতে শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে।’

নীলফামারীতে ফেডারেশন অব এনজিওস ইন বাংলাদেশ (এফএনবি) এর উদ্যোগে শীতার্তদের মধ্যে ৩০০ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা শহরের নতুন দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার দুপুরে কম্বল বিতরণ করা হয়।

ব্যুরো বাংলাদেশের জোনাল ম্যানেজার আওলাদ হোসেনের সভাপতিত্বে কম্বল বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন নাহার।

আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়কারী আকতারুল ইসলাম, ব্যুরো বাংলাদেশের এরিয়া ম্যানেজার সেলিম হোসেন, ব্র্যাকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক আমিনা খাতুন, ইউএসএসের প্রকল্প সমন্বয়কারী শাহনাজ পারভীন ও নতুন দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবির।

এ সময় ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়কারী আকতারুল ইসলাম বলেন, ‘এফএনবি শীতার্ত মানুষের কথা চিন্তা করে নীলফামারীতে শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে।’

আরও শীতবস্ত্র বিতরণের পরিকল্পনা আছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

শীতার্তদের ১১ হাজার কম্বল দিলেন সেলিম মাহমুদ

শীতার্তদের ১১ হাজার কম্বল দিলেন সেলিম মাহমুদ

চাঁদপুরের কচুয়ার বিভিন্ন জায়গায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত

নিজে উপস্থিত থেকে ১২ ও ১৫ জানুয়ারি বিভিন্ন ইউনিয়নে কম্বল বিতরণ করেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদ। ১৬ জানুয়ারি তার প্রতিনিধিরা কচুয়ার বিভিন্ন এতিমখানায় কম্বল পৌঁছে দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে চাঁদপুরে কচুয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন, পৌরসভা ও এতিমখানায় শীতার্তদের মাঝে ১১ হাজার কম্বল বিতরণ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ।

নিজে উপস্থিত থেকে ১২ ও ১৫ জানুয়ারি বিভিন্ন ইউনিয়নে কম্বল বিতরণ করেন সেলিম মাহমুদ। ১৬ জানুয়ারি তার প্রতিনিধিরা কচুয়ার বিভিন্ন এতিমখানায় কম্বল পৌঁছে দেন।

উপজেলার পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজ মাঠে, সাচার হাই স্কুল মাঠে, অটোমোর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে, খলাগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে, হজরত শাহ নেয়ামত শাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, তেতৈয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে, সহদেবপুর ইউনিয়নের মালচোয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে, রহিমানগর শেখ মুজিবুর রহমান ডিগ্রি কলেজ মাঠে, আশ্রাফপুর নতুনবাজার মাদ্রাসা মাঠে, নাউলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে কম্বলগুলো বিতরণ করা হয়।

এই কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাবউদ্দিন চৌধুরী সোহাগ, কচুয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাজমুল আলম স্বপন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল মবিন, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপাল নজরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সরকার, আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্যরা, উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং সব সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

শেয়ার করুন