অপারেশন থিয়েটার চালুর দাবিতে মানববন্ধন

অপারেশন থিয়েটার চালুর দাবিতে মানববন্ধন

ঝালকাঠির নলছিটিতে অপারেশন থিয়েটার চালুর দাবিতে মানববন্ধন ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় তাইফুর রহমান তূর্য বলেন, নলছিটি উপজেলার দশ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মানুষ স্বাস্থ্যসেবায় নলছিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপর নির্ভর করেন। তবে এখানে অপারেশন থিয়েটার চালু হয়নি। এতে অনেকেই সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন।

ঝালকাঠির নলছিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অপারেশন থিয়েটার (ওটি) চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছে সচেতন নাগরিক সমাজ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে অংশ নেন নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।

স্থানীয় তাইফুর রহমান তূর্য বলেন, নলছিটি উপজেলার দশ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মানুষ স্বাস্থ্যসেবায় এই চিকিৎসাকেন্দ্রের ওপর নির্ভর করেন। তবে এখানে অপারেশন থিয়েটার চালু হয়নি। এতে অনেকেই সেবাবঞ্চিত হচ্ছেন।

এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নেত্রকোণায় ধান ও সেদ্ধ চাল সংগ্রহ করছে সরকার

নেত্রকোণায় ধান ও সেদ্ধ চাল সংগ্রহ করছে সরকার

নেত্রকোণায় সরকারিভাবে আমন ধান ও সেদ্ধ চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা প্রশাসক কাজি আব্দুর রহমান বলেন, ‘স্বচ্ছতার সঙ্গে ধান-চাল কেনা হবে। কৃষককে সরকারের কাছে ধান বেচতে তাদের উৎসাহ দেয়া হচ্ছে।’

নেত্রকোণায় সরকারিভাবে আমন ধান ও সেদ্ধ চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে।

জেলা খাদ্য বিভাগের উদ্যোগে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদরের বারহাট্রা রোডে খাদ্যগুদামে সেদ্ধ চাল কেনা শুরু হয়।

এই সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কাজি আব্দুর রহমান।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জাকারিয়া মোস্তফা জানান, চলতি আমন মৌসুমে ১৯ হাজার ৭৮৯ টন সেদ্ধ চাল কেনা হবে। আর কৃষকের কাছ থেকে ৭ হাজার ১২৫ টন ধান কেনা হবে। চাল কিনতে জেলার ২৪২টি চালকলের সঙ্গে চুক্তি করেছে খাদ্য বিভাগ।

এবার প্রতি কেজি আমন ধান ২৭ টাকা ও প্রতি কেজি আমন সেদ্ধ চাল ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দেশে আমন মৌসুমে সারা দেশে ৫ লাখ টন সেদ্ধ চাল ও ৩ লাখ টন ধান কিনবে সরকার।

জেলা প্রশাসক কাজি আব্দুর রহমান বলেন, ‘স্বচ্ছতার সঙ্গে ধান-চাল কেনা হবে। কৃষককে সরকারের কাছে ধান বেচতে তাদের উৎসাহ দেয়া হচ্ছে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি এইচআর খান পাঠান সাকি, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল সাহাসহ অন্যরা।

শেয়ার করুন

নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে সংবাদ সম্মেলন

নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে সংবাদ সম্মেলন

লিখিত বক্তব্যে মহিলা পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাথী চৌধুরী বলেন, ‘অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, মানবিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছিল। গত পাঁচ দশকে আর্থসামাজিক উন্নয়নে নারীর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। অথচ নারীর মানবাধিকার এখনও অর্জিত হয়নি।’

নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ ও তাদের অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে শুক্রবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন হয়।

গত দুই বছরে নারীর প্রতি দেশব্যাপী হওয়া সহিংসতার চিত্র তুলে ধরে লিখিত বক্তব্যে মহিলা পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাথী চৌধুরী বলেন, ‘অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, মানবিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছিল। গত পাঁচ দশকে আর্থসামাজিক উন্নয়নে নারীর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। অথচ নারীর মানবাধিকার এখনও অর্জিত হয়নি।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি শোভা পাল, সহসভাপতি নিভা রায়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নেলী আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীমা সিকদার দীনা, অর্থ সম্পাদক আসমা খানম, লিগ্যাল এইড সম্পাদক লাকী সরকার ও আন্দোলন সম্পাদক শ্যামলী মিয়াজি।

শেয়ার করুন

পাকিস্তানের প্রেতাত্মা এখনও দেশে সক্রিয়: বাংলাদেশ যুব মৈত্রী

পাকিস্তানের প্রেতাত্মা এখনও দেশে সক্রিয়: বাংলাদেশ যুব মৈত্রী

বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর নেতারা বলেন, অনুশীলনের সময় ৩০ লাখ শহীদের দেশে পাকিস্তানের পতাকা পুঁতে রাখা মেনে নেয়া যায় না। ’৭১-এর ঘটনায় এখনও ক্ষমা চায়নি পাকিস্তান। লুট করা সম্পদও ফেরত দেয়নি তারা। মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত হলেও পাকিস্তানের প্রেতাত্মা এখনও এ দেশে সক্রিয়।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি সিরিজের ম্যাচ চলাকালীন বাংলাদেশি কিছু দর্শকের পাকিস্তানের পতাকা ও জার্সি গায়ে সমর্থন দেয়াকে পরিকল্পিত ও রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি বলছে বাংলাদেশ যুব মৈত্রী।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ মন্তব্য করেন বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর নেতারা।

তারা বলেন, অনুশীলনের সময় ৩০ লাখ শহীদের দেশে পাকিস্তানের পতাকা পুঁতে রাখা মেনে নেয়া যায় না। ’৭১-এর ঘটনায় এখনও ক্ষমা চায়নি পাকিস্তান। লুট করা সম্পদও ফেরত দেয়নি তারা। মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত হলেও পাকিস্তানের প্রেতাত্মা এখনও এ দেশে সক্রিয়।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এ ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না উল্লেখ করে নেতারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে তলব করে প্রতিবাদ জানানো উচিত ছিল। কাউকে বিচারের আওতায়ও আনা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

সাব্বাহ আলী খান কলিন্সের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি হাফিজ আদনান রিয়াদ, জাতীয় যুব জোটের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন, বাংলাদেশ যুব আন্দোলন সহসাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন সৈকত, জাতীয় যুব ঐক্যের সভাপতি খায়রুল আলম, বাংলাদেশে যুব মৈত্রীর সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক ও কায়সার আলম। সঞ্চালনা করেন যুব মৈত্রীর সহসাধারণ সম্পাদক তাপস দাস।

শেয়ার করুন

জ্যোৎস্না বিলাসে শ শ ফানুস

জ্যোৎস্না বিলাসে শ শ ফানুস

বিষখালী নদীতে জ্যোৎস্না উৎসবে চোখ ধাঁধায় ফানুস। ছবি: নিউজবাংলা

নদীতে সন্ধ্যায় প্রজ্বলিত প্রদীপ ভাসিয়ে মূল উৎসব শুরু হয়। রাত পর্যন্ত চলে বাউল গান, কবিতা। জ্যোৎস্নায় আলোকিত আকাশে ওড়ানো হয় শ শ ফানুস।

বরগুনা সদরের বিষখালী নদীর নলী বন্দর চরে হয়ে গেছে জ্যোৎস্না উৎসব।

জ্যোৎস্না বিলাস নামে এই আয়োজন করে স্থানীয় সংগঠন নলী বন্দর যুব সমাজ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মূল উৎসব হলেও দুপুর থেকেই শুরু হয় উদযাপন। স্থানীয়দের নিয়ে দুপুরে হাঁড়ি ভাঙা, বালতিতে বল নিক্ষেপের মতো বিভিন্ন খেলার আয়োজন করে সংগঠনটি।

নদীতে সন্ধ্যায় প্রজ্বলিত প্রদীপ ভাসিয়ে মূল উৎসব শুরু হয়। রাত পর্যন্ত চলে বাউল গান, কবিতা। জ্যোৎস্নায় আলোকিত আকাশে ওড়ানো হয় শ শ ফানুস।

জ্যোৎস্না বিলাসে শ শ ফানুস

স্থানীয় ইউপি সদস্য সুমন মল্লিক বলেন, ‘সবাইকে নিয়ে জ্যোৎস্না বিলাসের আয়োজন করা হয়েছে। বালুচর, জল ও জ্যোৎস্নার টানে ছুটে এসেছেন সৌন্দর্য পিপাসু দূরদূরান্তের পর্যটকরা।’

তিনি আরও জানান, এই চরকে পর্যটকদের কাছে পরিচিত করতেই জ্যোৎস্না উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

হাতি মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে মতবিনিময় সভা

হাতি মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে মতবিনিময় সভা

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ফাঁদ পেতে হাতি হত্যা বন্ধ করতে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে বনবিভাগ। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাস বলেন, ‘বন্যহাতির প্রাকৃতিক চলাচলের পথ, খাবার ও পানির উৎস রক্ষায় গহিন বনের প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ, হাতির নিরাপত্তা, অভয়ারণ্যসহ পর্যাপ্ত খাদ্য শৃঙ্খল গড়ে তুলতে হবে। নয়তো হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব বাড়বে।’

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ফাঁদ পেতে হাতি হত্যা বন্ধ করতে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে বনবিভাগ।

উপজেলার মির্জাখীল এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে ‘হাতি সংরক্ষণ এবং হাতি মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসন’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতকানিয়ায় বনবিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাস।

তিনি বলেন, ‘সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় ফাঁদ পেতে বা গুলি করে হাতি হত্যা করা হয়েছে। অথচ সরকার হাতির আক্রমণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে। সংরক্ষিত বনাঞ্চল এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ। পাহাড়ি বনাঞ্চলে বাড়িঘর ঠেকানো গেলে বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলা যাবে বলে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বন্যহাতির প্রাকৃতিক চলাচলের পথ, খাবার ও পানির উৎস রক্ষায় গহিন বনের প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ, হাতির নিরাপত্তা, অভয়ারণ্যসহ পর্যাপ্ত খাদ্য শৃঙ্খল গড়ে তুলতে হবে। নয়তো হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব বাড়বে।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম।

মাদার্শা রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন মিয়ার সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, পদুয়া রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক একেএম আজহারুল ইসলাম, সাতকানিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজীব কান্তি রূদ্র, সাতকানিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মাহফুজ-উন নবী খোকন।

শেয়ার করুন

মানিকগঞ্জে ইলিশ রক্ষায় কর্মশালা

মানিকগঞ্জে ইলিশ রক্ষায় কর্মশালা

কর্মশালায় জেলার দৌলতপুর, শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার ৭০ জন জেলে ও মৎস্যচাষি অংশ নেন। এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরাও উপস্থিত ছিলেন।

ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় মানিকগঞ্জে জেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ কর্মমশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে এ কর্মশালা শুরু হয়। অনুষ্ঠানটি শেষ হয় বেলা দেড়টার দিকে।

ঢাকা বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ।

কর্মশালায় জেলার দৌলতপুর, শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার ৭০ জন জেলে ও মৎস্যচাষি অংশ নেন। এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, ‘ইলিশ দেশের সম্পদ। এ সম্পদ রক্ষায় আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। একার পক্ষে কাজ করে ইলিশ রক্ষা করা সম্ভব হবে না। ইলিশ সংরক্ষণেই ২৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্প পরিচালনা করছে মৎস্য অধিদপ্তর।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা অনুচর হিসেবে কাজ করছেন, ইলিশ সম্পদ রক্ষায় তাদের দ্রুত প্রত্যাহার করা উচিত। কারণ ইলিশ রক্ষার অভিযানের খবর তারা জেলেদের জানিয়ে দেয় এবং জেলেরা অভিযানের সময় আমাদের ওপর আক্রমণ করে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী, সহকারী প্রকল্প পরিচালক শিরিন শিলা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সানোয়ারুল হক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইফুর রহমান, জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) নাসিরউদ্দিন মল্লিক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম আকন্দসহ অনেকে।

শেয়ার করুন