বরকলের অসহায় ৪৭ নারী পেলেন সেলাই মেশিন 

বরকলের অসহায় ৪৭ নারী পেলেন সেলাই মেশিন 

বরকলের অসহায় ৪৭ নারী পেল সেলাই মেশিন।

দেশের সব অঞ্চলের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে সেলাই মেশিনগুলো বিতরণ করা হচ্ছে।

অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি উপজেলা বরকলের ৪৭ দুস্থ, অসহায় নারীকে দেয়া হয়েছে সেলাই মেশিন।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মিনি কনফারেন্স রুমে ৪৭ নারীকে রোববার সকালে সেলাই মেশিন বিতরণ করেছেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সবির কুমার চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি অংসুইপ্রু চৌধুরী বলেছেন, সরকার পার্বত্য অঞ্চলের অনগ্রসর সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

দেশের সব অঞ্চলের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে সেলাই মেশিনগুলো বিতরণ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইঁদুর নিধনে মাসব্যাপী কর্মসূচি

ইঁদুর নিধনে মাসব্যাপী কর্মসূচি

নীলফামারীতে মাসব্যাপী জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান শুরু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, ‘জাতীয় সম্পদ রক্ষার্থে, ইঁদুর মারি একসাথে’ শ্লোগানে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি ১০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

নীলফামারীতে মাসব্যাপী জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান শুরু হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে এর উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ।

এতে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক।

বক্তব্য দেন জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হোমায়রা মন্ডল, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শষ্য) আফজাল হোসেন, অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এতে ইঁদুর নিধনে নিজের অভিজ্ঞতা ও ফসলের ক্ষতির দিক তুলে ধরেন ইঁদুর নিধনে জাতীয় পুরস্কার পাওয়া জলঢাকা উপজেলার মীরগঞ্জ ইউনিয়নের আব্দুল জলিল।

পরে জেলা পর্যায়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইঁদুর নিধনের জন্য জলঢাকার মীরগঞ্জ ইউনিয়নের আব্দুল জলিলকে প্রথম, সদরের গোড়গ্রাম ইউনিয়নের কীর্ত্তনীয়া পাড়ার সাধন ব্যানার্জিকে দ্বিতীয় এবং সৈয়দপুরের কামারপুকুর ইউনিয়নের এমদাদুল হককে তৃতীয় পুরষ্কার দেয়া হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, ২০২০ সালে আব্দুল জলিল ৩৭ হাজার ৭১৫টি, সাধন ব্যানার্জি ১৫ হাজার ৮৭০টি ও সৈয়দপুরের এমদাদুল হক ৯ হাজার ৩৫০টি ইঁদুর নিধন করেন।

‘জাতীয় সম্পদ রক্ষার্থে, ইঁদুর মারি একসাথে’ শ্লোগানে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি ১০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

ভোলার ৩০ মন্দিরে জেলা পরিষদের অনুদান

ভোলার ৩০ মন্দিরে জেলা পরিষদের অনুদান

ভোলার ৩০ মন্দিরে জেলা পরিষদের শুভেচ্ছা অনুদান প্রদান। ছবি: নিউজবাংলা

টুলু বলেন, ‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো বিকল্প নেই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এ দেশের মুক্তিকামী সব মানুষ একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে।’

ভোলায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সদর উপজেলার ৩০টি মন্দিরে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান দেয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদ কার্যালয়ে রোববার সকালে প্রতিনিধিদের হাতে এই অনুদান তুলে দেয়া হয়।

এ সময় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু।

ভোলার ৩০ মন্দিরে জেলা পরিষদের অনুদান

টুলু বলেন, ‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো বিকল্প নেই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এ দেশের মুক্তিকামী সব মানুষ একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে।’

এ বছর জেলায় ১১৬টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

শেয়ার করুন

ছিন্নমূল শিশুরা পেল শিক্ষাসামগ্রী

ছিন্নমূল শিশুরা পেল শিক্ষাসামগ্রী

নারায়ণগঞ্জে ছিন্নমূল শিশুরা পেল শিক্ষাসামগ্রী। ছবি: নিউজবাংলা

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর শওকত হাসেম বলেন, ‘অসহায় শিশুদের জন্য রোটারি ক্লাব অব ডান্ডি নারায়ণগঞ্জ যে উদ্যোগটি নিয়েছে তা প্রশংসনীয়। আমি একজন স্থানীয় কাউন্সিলর হিসেবে এই সংগঠনের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে থাকতে চাই।’

সুবিধাবঞ্চিত এতিম ও ছিন্নমূল ১৩০ শিশুকে শিক্ষাসামগ্রী, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছে নারায়ণগঞ্জের ‘রোটারি ক্লাব অব ডান্ডি’। পরে সংগঠনটি বিদ্যালয় মাঠে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালন করে।

নগরীর চাষাঢ়ায় শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ক্লাবের সভাপতি মুরাদ হোসেন ফাহিমের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু, ফতুল্লা ক্লাবের শহিদুল আলম বাপ্পি, কবির হোসেন পারভেজ, মো. মোস্তাফিজুর রহমান আরমান, মো. সোহেল রানা, প্রণব কুমার রয়, পাবলিক ইমেজ মান্নান, রহিমা শরীফ মায়া, মুন্নি রহমান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দিনসহ আরও অনেকে ছিলেন।

ছিন্নমূল শিশুরা পেল শিক্ষাসামগ্রী

এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর শওকত হাসেম বলেন, ‘অসহায় শিশুদের জন্য রোটারি ক্লাব অব ডান্ডি নারায়ণগঞ্জ যে উদ্যোগ নিয়েছে তা প্রশংসনীয়। আমি একজন স্থানীয় কাউন্সিলর হিসেবে এই সংগঠনের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে থাকতে চাই।’

সংগঠনটির সভাপতি মুরাদ বলেন, ‘এই বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বেশির ভাগ শিশু দিনমজুর পরিবারের। রোটারি ক্লাব অব ডান্ডি এসব শিশুর পাশে থাকতে চায়। তাই এই বিদ্যালয়ের ১৩০ জন শিশুর মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আমরা মনে করি, শিশুদের এগিয়ে নিয়ে গেলে দেশ এগিয়ে যাবে।’

শেয়ার করুন

সিআরবি রক্ষায় চাটগাঁর ছবিয়ালের ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ

সিআরবি রক্ষায় চাটগাঁর ছবিয়ালের ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ

চট্টগ্রামের সিআরবিতে ব্যতিক্রমী আলোকচিত্র প্রদর্শনী। ছবি: নিউজবাংলা

ফটো ডিসকাশনের সমন্বয়ক অভিজিৎ বিশ্বাস বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষা হলে মানুষ বাঁচবে। যাদের মানুষের প্রতি, দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা নেই, যারা টাকা বানানোর ধান্ধায় থাকেন, তারা সিআরবিতে হাসপাতাল চায়। যারা সিআরবির প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস করে সেখানে হাসপাতাল নির্মাণের পক্ষ নেবেন, তারা চট্টগ্রামের তথা দেশের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত হবেন।’

শহুরে খাঁচায় বন্দি মানুষ দু’দণ্ড সময় কাটাবে কিংবা বুকভরে নিঃশ্বাস নেবে- এমন উন্মুক্ত পরিসর খুব একটা অবশিষ্ট নেই বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। ব্রিটিশ আমলের তৈরি সিআরবি ভবনকে ঘিরে শতবর্ষী গাছপালা, পিচঢালা আঁকাবাঁকা রাস্তা, ছোট-বড় পাহাড়-টিলা আর নজরকাড়া বাংলোগুলো ঘিরে মন জুড়ানো এক প্রাকৃতিক পরিবেশ রয়েছে সিআরবিতে। নগরবাসী স্থানটিকে চট্টগ্রামের ‘ফুসফুস’ বলে থাকেন।

কিন্তু সম্প্রতি এই সবুজ সিআরবি ধ্বংসের পথেই এগিয়ে যাচ্ছে। তাই এবার সোচ্চার চট্টগ্রামের ছবিয়াল বন্ধুরা।

চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত সিআরবিতে গাছপালা কেটে, সবুজ পরিবেশ নষ্ট করে হাসপাতাল নির্মাণ বন্ধে ও সিআরবি রক্ষা আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মা প্রকাশ করে চাটগাঁর ছবিয়াল নামের একটি ফটোগ্রাফারের সংগঠন আয়োজন করেছে ‘সিআরবি রক্ষায় উন্মুক্ত আলোকচিত্র প্রদর্শনী’।

শুক্রবার সকাল ১১টায় সিআরবির সাত রাস্তার মোড়ে এই উন্মুক্ত আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ইনস্টিটিউট অব ফটোগ্রাফি (আইওপি) এর পরিচালক, চট্টগ্রামের স্বনামধন্য ফটোগ্রাফার কে ইউ মাসুদ ও ফটো ডিসকাশনর সমন্নয়ক অভিজিৎ বিশ্বাস।

এ সময় চটগাঁর ছবিয়ালের প্রেসিডেন্ট মইন চৌধুরী ও সংগঠনটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রদর্শনীতে চট্টগ্রামে ছবি নিয়ে কাজ করা এই সংগঠনের ১৩ সদস্য ও পাঁচজন শুভানুধ্যায়ীর ৩৬টি ছবি প্রদর্শন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কে ইউ মাসুদ বলেন, ‘একটি কুচক্রি মহল নিজেদের সুবিধার্থে সিআরবিতে হাসপাতাল চায়। যেকোনো মূল্যে সিআরবি রক্ষা করা হবে, সিআরবি রক্ষার আন্দোলন পরিবেশ রক্ষার মানবিক আন্দোলন।’

সিআরবি রক্ষায় চাটগাঁর ছবিয়ালের ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ

ফটো ডিসকাশনের সমন্বয়ক অভিজিৎ বিশ্বাস বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষা হলে মানুষ বাঁচবে। যাদের মানুষের প্রতি, দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা নেই, যারা টাকা বানানোর ধান্ধায় থাকেন, তারা সিআরবিতে হাসপাতাল চায়। যারা সিআরবির প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস করে সেখানে হাসপাতাল নির্মাণের পক্ষ নেবেন, তারা চট্টগ্রামের তথা দেশের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত হবেন।’

সিআরবির পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী এই আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজক চটগাঁর ছবিয়ালের প্রেসিডেন্ট মইন চৌধুরী বলেন, ‘প্রাণ ও প্রকৃতি ধ্বংস করে উন্নয়ন হয় না, সেজন্য আজ এই প্রতিবাদী ছবি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি আমাদের ফটোগ্রাফাররা ছবির মাধ্যমে তুলে ধরেছে সিআরবি তথা সুবজ সমারোহ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

‘এ সৌন্দর্য কোনোভাবেই ম্লান হতে দেয়া যাবে না। আমরা মনে করি, এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে অপরূপ সৌন্দর্যের বাংলাদেশ তথা সিআরবি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় সাধারণ মানুষের মাঝে আরও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং সিআরবি রক্ষায় তারাও ঐক্যবদ্ধ হবেন।’

শেয়ার করুন

ব‌রিশা‌লে অসহায়‌দের মা‌ঝে পূ‌জার উপহার

ব‌রিশা‌লে অসহায়‌দের মা‌ঝে পূ‌জার উপহার

ফেসবুক গ্রুপ ‘ব‌রিশা‌লের পুজো’-এর অ্যাড‌মিন কমল ঘোষ ব‌লেন, ‘গত বছর আমরা পূজার আগেই শতা‌ধিক প‌রিবা‌রের মা‌ঝে উপহার বিতরণ ক‌রি। দ্বিতীয়বারের মতো অর্ধশতা‌ধিক প‌রিবারের মু‌খে হা‌সি ফোটা‌তে উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হ‌য়ে‌ছে।’

শারদীয় দু‌র্গোৎসব উপল‌ক্ষে ব‌রিশা‌লে অর্ধশতা‌ধিক প‌রিবা‌রের মা‌ঝে পূ‌জার উপহার বিতরণ করা হ‌য়ে‌ছে।

নগরীর ‌ঘোষ বা‌ড়ি পূ‌জামণ্ডপের সাম‌নে বৃহস্প‌তিবার দুপু‌রে এ উপহারসামগ্রী বিতরণ ক‌রেন ফেসবুক গ্রুপ ‘ব‌রিশা‌লের পুজো’-এর সদস‌্যরা।

ফেসবুক গ্রুপ ‘ব‌রিশা‌লের পুজো’-এর অ্যাড‌মিন কমল ঘোষ ব‌লেন, ‘ক‌রোনায় কত মানুষ অসহায় হয়ে প‌ড়ে‌ছে। এত বড় উৎসবে ঘ‌রে রান্নাও কর‌তে পা‌রে‌নি। এমন কিছু প‌রিবার ছি‌ল তারা মুখ ফুটে বল‌তেও পা‌রে‌নি যে না খে‌য়ে আছে।

‘গত বছর আমরা পূজার আগেই শতা‌ধিক প‌রিবা‌রের মা‌ঝে উপহার বিতরণ ক‌রি। দ্বিতীয়বারের মতো অর্ধশতা‌ধিক প‌রিবারের মু‌খে হা‌সি ফোটা‌তে উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হ‌য়ে‌ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘উপহার নিতে আসা সবাইকে মি‌ষ্টিমুখ করা‌নো হ‌য়। উপহারসামগ্রীর ম‌ধ্যে নিত‌্যপ্রয়োজনীয় দ্রব‌্যা‌দি ছিল।

‘দুর্গাপূজার আ‌গে কিছু প‌রিবা‌রের মু‌খে হা‌সি ফু‌টে‌ছে দে‌খে আমরা আনন্দিত। এই কার্যক্রম অব‌্যাহত থাক‌বে।’

এ সময় উপ‌স্থিত ছি‌লেন ‘ব‌রিশা‌লের পুজো’ গ্রু‌পের সদস‌্য মৌটুসী বিশ্বাস, দুর্জয় খান প্রান্ত, সু‌প্রিয় ঘোষ নীল, অন্তরা দেবনাথ মুমু, অঙ্গন ভদ্র অন্তু, শতাব্দী খান পূজা, দীপ্ত ডাকুয়া, পঙ্কজ কুমার ও চম্পা কর্মকার পিয়ালী।

শেয়ার করুন

নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনকে বন বিভাগের ২ হাজার চারা

নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনকে বন বিভাগের ২ হাজার চারা

নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনকে জেলা বন বিভাগ ২ হাজার চারা উপহার দিয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আব্দুর রশিদ ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের কাছে দুই হাজার চারা উপহার দেন।

নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনকে জেলা বন বিভাগ ২ হাজার চারা উপহার দিয়েছে।

সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আব্দুর রশিদ ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের কাছে এসব চারা তুলে দেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দেশব্যাপী বনায়নের লক্ষ্যে চারা উত্তোলন (তৃতীয় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নড়াইল-২-আসনের সাংসদ মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার সৈজন্যে এ চারাগুলো উপহার দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ফাউন্ডেশনের কর্মীরা নিজ খরচে সদর ও লোহাগড়া উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৯০টি করে গাছ রোপন করবেন।

এ সময় ফাউন্ডেশের সহসভাপতি শামীমুল ইসলাম টুলু, ফাউন্ডেশনের পরিবেশ বিষয়ক কর্মকর্তা কাজী হাফিজুর রহমান, স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মকর্তা হায়দার আপন, নাজমুস সাকিব ও বন বিভাগের ফরেস্টার হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বাল্যবিয়ে ঠেকাতে সভায় শপথ

বাল্যবিয়ে ঠেকাতে সভায় শপথ

পিরোজপুরে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সভা। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘বাল্যবিয়ে একটি ছাত্রীর জীবন নষ্ট করে দেয়। প্রশাসন কাজ করছে, আপনাদের সবার সহযোগিতা পেলে শতভাগ বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব।'

করোনায় দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় উপকূলীয় জেলা পিরোজপুরে বেড়েছে বাল্যবিয়ের সংখ্যা। স্কুল-কলেজ খুললেও বিয়ে হয়ে যাওয়ার ক্লাসে আসছে না অনেকে। বাল্যবিয়ে ঠেকাতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে পিরোজপুরে বিভিন্ন উপজেলায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছে স্থানীয় প্রশাসন।

সে লক্ষ্যে সদর উপজেলায় দূর্গাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ সভা হয় বুধবার। সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের শপথ বাল্যবিয়ে বিরোধী শপথ করান জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন।

বাল্যবিয়ে ঠেকাতে সভায় শপথ

এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, ‘বাল্যবিয়ে একটি ছাত্রীর জীবন নষ্ট করে দেয়। করোনার এই সময়ে অনেক ছাত্রীর ঝড়ে পড়েছে। যার অন্যতম কারণ বাল্যবিয়ে। প্রশাসন কাজ করছে, আপনাদের সবার সহযোগিতা পেলে শতভাগ বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব। অচিরেই বল্যবিয়ে বন্ধে প্রয়োজন হলে আমরা কঠোর অবস্থানে যাব।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান খালেক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বশির আহমেদ, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. জা. মো. মাসুদুজ্জামানসহ অনেকে।

শেয়ার করুন