× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Evacuation of Rajiv Shahs alleged mosque from Suhrawardy Udyan
google_news print-icon

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে রাজীব শাহর সেই কথিত মসজিদ উচ্ছেদ

সোহরাওয়ার্দী-উদ্যান-থেকে-রাজীব-শাহর-সেই-কথিত-মসজিদ-উচ্ছেদ
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নির্মিত এবং সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেওয়া রাজীব শাহের কথিত ‘ভাসমান মসজিদ’ উচ্ছেদ করেছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (২৬ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে বিতর্কিত এ স্থাপনাটি সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হয়।

বিগত কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনায় ছিল মসজিদটি। উদ্যানের মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও নাট্যশালার মাঝামাঝি স্থানে করা হয় মসজিদটি। সেখানে ইট দিয়ে মেঝে তৈরি করে কার্পেট ও জায়নামাজ বিছানো ছিল। ওপরে ত্রিপল টানিয়ে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। অজুর জন্য পানির ট্যাংক এবং একটি অস্থায়ী ওয়াশরুমও স্থাপন করা হয়েছিল।

অভিযানের সময় সেখানে কয়েকটি কোরআন শরীফ, রেহেল, কোরআনের বাংলা অনুবাদ এবং কয়েকটি ট্রাংক পাওয়া যায়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে রাজীব শাহের কথিত মসজিদ উচ্ছেদ বিষয়ে

উদ্যানের ভ্রাম্যমাণ পানি বিক্রেতা ও স্থানীয়রা জানান, কয়েক মাস আগে এখানে থাকা শুরু করেন রাজীব শাহ। পরে তিনি ধান লাগান। বেশ কয়েকটি ফুলগাছও লাগান। নিজের থাকার জন্য ছোট্ট খুপড়ি ঘরও করেন। একপর্যায়ে নিজ উদ্যোগে রাজীব মসজিদ নির্মাণ করেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Picking up passengers in a private car kidnapping and arrest 2

প্রাইভেটকারে যাত্রী তুলে অপহরণ, গ্রেপ্তার ২

প্রাইভেটকারে যাত্রী তুলে অপহরণ, গ্রেপ্তার ২ ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর খিলক্ষেতের ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকারে যাত্রী তুলে মুক্তিপণ আদায় করা একটি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সম্প্রতি এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে অপহরণের ঘটনার সূত্র ধরে এই চক্রটি শনাক্ত হয়।

রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে খিলক্ষেত থানায় আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ।

গ্রেপ্তারেরা হলেন মো. সুবেদ রানা (৩১) এবং মো. মিরন ওরফে সুজন (৫৪)।

ডিসি জানান, এক ব্যাংক কর্মকর্তার করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে খিলক্ষেত থানার একটি অভিযানিক দল রাজধানীর মিরপুর-২ এলাকা থেকে মো. সুবেদ রানাকে গ্রেপ্তার করে।

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার ভোর রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুন্সিগঞ্জ সদর থানাধীন মুক্তারপুর এলাকা থেকে মো. মিরন ওরফে সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিরপুরের মনিপুর এলাকা থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়।

খিলক্ষেত থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুন সকালে সাড়ে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজ যাওয়ার উদ্দেশে কুড়িল বিশ্বরোডস্থ বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন জনৈক ব্যাংকার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। তখন অপহরণকারী ওই চক্রটি কাঞ্চন ব্রিজ যাওয়ার কথা বলে ওই ব্যাংকারকে তাদের প্রাইভেট কারের পেছনের সিটে উঠিয়ে নেয়।

গাড়িতে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে দুইজন ওই ব্যাংকারের হাত পেছনে নিয়ে বেঁধে ফেলে এবং তার সঙ্গে থাকা নগদ পাঁচ হাজার টাকা ও একটি ভিভো ফোন ছিনিয়ে নেয়। পাশাপাশি তাকে মারধর করে মুক্তিপণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা দাবি করে এবং গাড়িটি ৩০০ ফিট এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাতে থাকে।

একপর্যায়ে ভুক্তভোগী কামরুজ্জামান তার কর্মস্থলের সহকর্মী মো. রবিউল ইসলামের মাধ্যমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালসংলগ্ন ফুটওভার ব্রিজের নিচে ৫ লাখ টাকা নিয়ে গ্রেপ্তার মো. সুবেদ রানাকে দেন। এরপর ওই অপহরণকারী চক্র সোয়া ১১টার দিকে কামরুজ্জামানকে ৩০০ ফিটের নিলা মার্কেট গোল চত্বরের পাশে নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় পরদিন খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন ওই ব্যাংকার।

ডিসি এম তানভীর আহমেদ জানান, গ্রেপ্তার মিরনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ৯টি মামলা রয়েছে এবং সুবেদ রানার বিরুদ্ধে ৪টি মামলা রয়েছে। এই চক্রটি শুধু রাজধানী নয়, দেশের বিভিন্ন এলাকায় একই কৌশলে অপরাধ চালিয়ে আসছিল।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
463 cases were arrested in 24 hours in the police operation in the capital

রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৬৩ জন, মামলা ৪০

রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৬৩ জন, মামলা ৪০ ফাইল ছবি

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অভিযোগে ৪৬৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময়ে তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক, একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, দুটি পিকআপ, মোবাইল ফোন ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। একইসঙ্গে এসময় একজন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৬ জুলাই) এসব তথ্য জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ কর্তৃক ৩১ জন, লালবাগ বিভাগ কর্তৃক ৫৪ জন, ওয়ারী বিভাগ কর্তৃক ৪৭ জন, মতিঝিল বিভাগ কর্তৃক ৪৭ জন, তেজগাঁও বিভাগ কর্তৃক ৬৩ জন, মিরপুর বিভাগ কর্তৃক ১২৫ জন, গুলশান বিভাগ কর্তৃক ৩৬ জন, উত্তরা বিভাগ কর্তৃক ৫৯ জন ও গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত হতে ৭০ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা, ১৬৫৩ পিস ইয়াবা, ৫০ পুরিয়া হেরোইন, ৮৬ বোতল এস্কাফ সিরাপ (ফেন্সিডিল), ১ টি বিদেশি পিস্তল, ১ টি ম্যাগজিন, ৪ রাউন্ড গুলি, ২টি পিকআপ, ৭ টি মোবাইল ফোন, মাদক বিক্রয়ের নগদ ১৭ হাজার ৫৫০ টাকা ও ১ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময়ে ৪০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ex MD of Time TV denied bail in fraud case

প্রতারণা মামলায় সময় টিভির সাবেক এমডির জামিন নামঞ্জুর

প্রতারণা মামলায় সময় টিভির সাবেক এমডির জামিন নামঞ্জুর ছবি: সংগৃহীত

প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাকিবুল হাসান আসামিপক্ষের আইনজীবীর করা জামিন আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দিয়েছেন। এর আগে গত ১২ জুলাই (রোববার) এ মামলায় তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আলমগীর হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে এ মামলায় গত ১৮ জুন বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালত এই আদেশ দেন। ​ওইদিন এ মামলায় তিনজনের জামিন মঞ্জুর হয়।

সে সময় জামিন মঞ্জুর হওয়া তিন আসামিরা হলেন- আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও সানি চৌধুরী। এর আগে আদালতের সমন উপেক্ষা করায় গত ১৭ জুন আহমেদ জোবায়েরসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। চার আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত এই সিদ্ধান্ত দেন।

প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ এবং কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগে আহমেদ জোবায়েরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গত ১০ মে আদালতে মামলা দায়ের করেন সৈয়দ আসাদুজ্জামান। ওইদিনই আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করে ১৭ জুনের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশনা দেন। ​নির্ধারিত তারিখে কেউ আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলায় পরোয়ানাভুক্ত অন্য দুই আসামি হলেন আহমেদ জোবায়েরের স্ত্রী শামীমা সুলতানা চৌধুরী এবং সন্তান সারাফ নাওয়ার জয়ীতা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wifes complaint against Jaipurhat Additional Superintendent of Police Arif

জয়পুরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফের বিরুদ্ধে স্ত্রীর অভিযোগ

জয়পুরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফের বিরুদ্ধে স্ত্রীর অভিযোগ ছবি: সংগৃহীত

জয়পুরহাট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার স্ত্রী শামিয়া খান এশা। ওই নারীর দাবি, ওই পুলিশ কর্মকর্তা নিজের গাড়ি ব্যবহার করে হিলি থেকে মাদক সংগ্রহ করে জয়পুরহাটের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করতেন। এ ছাড়া যৌতুক দাবি, মাদক গ্রহণসহ একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগও তুলেছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করে শামিয়া খান এশা সংবাদ সম্মেলনে জানান, পরকীয়া সম্পর্কে বাধা, দাবি করা যৌতুক না দেওয়ায় তাকে শারীরিক-মানসিক নির্যাতন ও শিশুসন্তানসহ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন শামিয়া খান এশা।

এশা সংবাদ সম্মেলনে জানান, তার স্বামী আরিফ হোসেন নিজ গাড়িতে দিনাজপুরের হিলি থেকে মাদক বহন করে জয়পুরহাটসহ বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ (সাপ্লাই) করতেন। তার দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় অধস্তন কোনো পুলিশ কর্মকর্তা যেন সন্দেহ না করেন, সে কারণে তিনি মাদকপাচারে নিজের গাড়ি ব্যবহার করতেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আরিফ হোসেন নিজেও মাদক নেন বলে অভিযোগ করেন এশা। এশা অভিযোগ করেন, তার স্বামী পরকীয়ার সঙ্গে যুক্ত। ২০১৯ সালে বিয়ের পর থেকে তার স্বামী মাদক সেবন ও একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। প্রতিবাদ করলে তার ওপর নির্যাতন চালানো হতো।

ওই নারীর দাবি, সংসার টিকিয়ে রাখতে ইতোপূর্বে যৌতুক হিসেবে ৪০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি আরও ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে। সেই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এ বছরের শুরুতে সাড়ে পাঁচ বছরের মেয়েসহ তাকে মারধর করে জয়পুরহাটের বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়।

এশা আরও জানান, গত ৩০ মে ঢাকার মোহাম্মদপুরের বছিলায় স্বামীকে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে প্রতিবাদ করলে আবারও মারধরের শিকার হন তিনি। প্রতিকার চেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে অভিযোগ দায়েরের পাশাপাশি গত ৫ জুলাই ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে একটি মামলা করেছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে এশার দাবি, মামলার পর ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৯ জুলাই পুলিশ কর্মকর্তা আরিফ হোসেন নিজের প্রভাব খাটিয়ে নিজ আওতাধীন জয়পুরহাট সদর থানায় তার ও তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে পাল্টা একটি চুরির মামলা করেছেন।

অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে জয়পুরহাট থেকে প্রত্যাহার ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফ হোসেন। তিনি জানান, তার স্ত্রীর পরিবার প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। তার স্ত্রীর পূর্বের একটি বিয়ের তথ্য গোপন রেখে তার সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

অতিরিক্ত এ পুলিশ সুপারের ভাষ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্ত্রী বাসা থেকে টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, পাসপোর্ট, ব্যাংক চেক ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে চলে যান। পরে ফেব্রুয়ারিতে তিনি তালাকের নোটিশ পাঠান।

যৌতুক নেওয়া ও দাবির অভিযোগও নাকচ করে আরিফ হোসেন বলেন, ‘অভিযোগের প্রমাণ দিতে পারলে সমপরিমাণ অর্থ ফেরত দেব।’

আরিফ হোসেনের দাবি, স্ত্রীর আগের বিয়ে ও প্রতারণার তথ্য প্রকাশ্যে আসায় সেগুলো আড়াল করতেই তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Big problems of the country can be solved if people stand by them DSCC administrator

মানুষের পাশে দাঁড়ালে দেশের বড় সমস্যারও সমাধান সম্ভব: ডিএসসিসি প্রশাসক

মানুষের পাশে দাঁড়ালে দেশের বড় সমস্যারও সমাধান সম্ভব: ডিএসসিসি প্রশাসক ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়ালে দেশের বড় বড় সমস্যারও সমাধান সম্ভব। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসসহ নানা দুর্যোগে দেশের মানুষ যেভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাতে মানবিকতাই বাঙালির সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ শুধু ইহকাল নয়, পরকালেও কল্যাণ বয়ে আনবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজার মোড়ে পান্থকুঞ্জ পার্কসংলগ্ন ভালো কাজের হোটেলের এ শাখা ব্যতিক্রমী ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ ‘রিসাইকেল করুন, সবুজ বাংলাদেশ গড়ুন’-এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ভালো কাজের হোটেল’র মতো মানবিক উদ্যোগ শুধু ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে খাবারই তুলে দিচ্ছে না, পরিবেশ সংরক্ষণেও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।

প্রশাসক বলেন, ‘মানুষের জন্য মানুষ’- এ দর্শনকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে ‘ভালো কাজের হোটেল’। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষুধার্ত ও অসহায় মানুষের জন্য নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা করে আসছে। ফলে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ অন্তত একবেলার খাবার পাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ভালো কাজের হোটেল বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কুড়িগ্রামসহ দেশের মোট ১৭টি স্থানে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ জন ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের জন্য বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা করছে। এ উদ্যোগের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী দিক হলো এখানে খাবারের বিনিময়ে কোনো অর্থ গ্রহণ করা হয় না; বরং প্রত্যেক অতিথির কাছ থেকে নেওয়া হয় একটি করে ভালো কাজের হিসাব। এ উদ্যোগের মাধ্যমে রুট লেভেলের মানুষদের ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে, যা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

এ মানবিক কার্যক্রমকে আরও পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করতে ভালো কাজের হোটেল এবার খাবারের বিনিময়ে অন্যান্য ভালো কাজ গ্রহণের পাশাপাশি ‘রিসাইকেল করুন, সবুজ বাংলাদেশ গড়ুন’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ব্যবহৃত প্লাস্টিক সামগ্রী, বোতল, পলিথিন, ডাবের খোসা, পুরাতন টায়ারসহ বিভিন্ন পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য ভালো কাজ হিসেবে গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘রাজধানীতে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য। এসব বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য রাখা কঠিন হবে। ভালো কাজের হোটেল এ ক্ষেত্রে একটি অনুকরণীয় উদ্যোগ নিয়েছে।’

প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে অনুপ্রাণিত হয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা, অর্থাৎ বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন আবদুস সালাম। তিনি বলেন, ‘এ সহায়তা প্রতিষ্ঠানটির মানবিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।’

ঢাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভালো কাজের হোটেলের মতো আরও সামাজিক উদ্যোগ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে রাজপথে একটি টিস্যুও না ফেলে নগর পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস গড়ে তুললে ঢাকা আরও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।’

পরিবেশ রক্ষার প্রসঙ্গ টেনে আবদুস সালাম বলেন, ‘ঢাকার বায়ুদূষণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাই ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।’ ভালো কাজের হোটেলের পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Countrys first 4 lane cable stayed bridge at Karnaphuli ends ferry woes

কর্ণফুলীতে দেশের প্রথম ৪ লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু, ফেরি দুর্ভোগের অবসান

কর্ণফুলীতে দেশের প্রথম ৪ লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু, ফেরি দুর্ভোগের অবসান ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি-বান্দরবান- চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সড়কে কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু। প্রায় ১ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫২৩ মিটার দীর্ঘ এই দৃষ্টিনন্দন সেতু নির্মিত হলে রাঙামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবানের কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘ চার দশকের ফেরি-নির্ভর যাতায়াতের অবসান ঘটবে। একই সঙ্গে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন, কৃষি ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কর্ণফুলী নদীর এই ফেরিঘাট ১৯৮৪ সাল থেকে তিন জেলার মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা। কিন্তু প্রতিদিন ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ এবং জরুরি রোগী, গর্ভবতী নারী ও কৃষিপণ্যবাহী যানবাহনের ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের চিত্র। অনেক সময় ঝুঁকি নিয়ে ছোট সাম্পানে নদী পার হতে বাধ্য হন সাধারণ মানুষ।

এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতেই সরকার চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সড়কে কর্ণফুলী নদীর ওপর দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রকৌশলগত দিক থেকে ক্যাবল স্টেইড সেতু আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি স্থাপনা। এতে প্রধান পিলার থেকে শক্তিশালী ইস্পাতের ক্যাবলের মাধ্যমে সেতুর ডেক বা রাস্তা ধারণ করা হয়। ফলে নদীর মাঝখানে অতিরিক্ত পিলারের প্রয়োজন হয় না এবং নাব্যতা অক্ষুন্ন রেখেই মজবুত ও নান্দনিক সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়। সেতুটিতে আধুনিক টোল প্লাজা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্মার্ট হেলথ মনিটরিং সিস্টেমও থাকবে।

প্রকল্পটি বর্তমানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এটি চালু হলে বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্যে দ্রুত, নিরাপদ ও বাধাহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য তিন পার্বত্য জেলা থেকে কক্সবাজার যাতায়াত আরও সহজ হবে।

চন্দ্রঘোনা এলাকার বাসিন্দা সুমন বলেন, "সেতুটি নির্মাণ হলে এই এলাকার রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হবে। ফেরির জন্য আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না।"

বান্দরবান-চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সড়কের মোটরসাইকেল আরোহী মিন্টু চাকমা বলেন, "বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কর্ণফুলী নদীতে স্রোত বেড়ে গেলে ফেরিতে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়। দ্রুত সেতু নির্মাণ হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।"

রাঙামাটি-বান্দরবান সড়কে চলাচলকারী বাসযাত্রী মো. মান্নান বলেন, "চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী নদীর ওপর সেতু না থাকায় ফেরিতে পারাপারের জন্য অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দ্রুত সেতুটি নির্মাণ হলে আমরা এই দীর্ঘদিনের কষ্ট থেকে মুক্তি পাব এবং যাতায়াত অনেক সহজ ও দ্রুত হবে।"

এ প্রসঙ্গে রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা এলাকায় কর্ণফুলী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ব্রিজ ম্যানেজমেন্ট উইং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতুর প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করেছে এবং তা প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর হয়ে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, "মূল সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ৫২৩ মিটার এবং প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। প্রকল্প প্রস্তাব একনেকে অনুমোদন পেলে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হবে। সেতুটি বাস্তবায়িত হলে রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।"

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই সেতু শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই করবে না, বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তাই দ্রুত প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়ন দেখতে চান পাহাড়ের সর্বস্তরের মানুষ।

মন্তব্য

p
উপরে