× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Countrys first 4 lane cable stayed bridge at Karnaphuli ends ferry woes
google_news print-icon

কর্ণফুলীতে দেশের প্রথম ৪ লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু, ফেরি দুর্ভোগের অবসান

কর্ণফুলীতে-দেশের-প্রথম-৪-লেনের-ক্যাবল-স্টেইড-সেতু-ফেরি-দুর্ভোগের-অবসান
ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি-বান্দরবান- চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সড়কে কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু। প্রায় ১ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫২৩ মিটার দীর্ঘ এই দৃষ্টিনন্দন সেতু নির্মিত হলে রাঙামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবানের কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘ চার দশকের ফেরি-নির্ভর যাতায়াতের অবসান ঘটবে। একই সঙ্গে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন, কৃষি ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কর্ণফুলী নদীর এই ফেরিঘাট ১৯৮৪ সাল থেকে তিন জেলার মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা। কিন্তু প্রতিদিন ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ এবং জরুরি রোগী, গর্ভবতী নারী ও কৃষিপণ্যবাহী যানবাহনের ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের চিত্র। অনেক সময় ঝুঁকি নিয়ে ছোট সাম্পানে নদী পার হতে বাধ্য হন সাধারণ মানুষ।

এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতেই সরকার চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সড়কে কর্ণফুলী নদীর ওপর দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রকৌশলগত দিক থেকে ক্যাবল স্টেইড সেতু আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি স্থাপনা। এতে প্রধান পিলার থেকে শক্তিশালী ইস্পাতের ক্যাবলের মাধ্যমে সেতুর ডেক বা রাস্তা ধারণ করা হয়। ফলে নদীর মাঝখানে অতিরিক্ত পিলারের প্রয়োজন হয় না এবং নাব্যতা অক্ষুন্ন রেখেই মজবুত ও নান্দনিক সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়। সেতুটিতে আধুনিক টোল প্লাজা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্মার্ট হেলথ মনিটরিং সিস্টেমও থাকবে।

প্রকল্পটি বর্তমানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এটি চালু হলে বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্যে দ্রুত, নিরাপদ ও বাধাহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য তিন পার্বত্য জেলা থেকে কক্সবাজার যাতায়াত আরও সহজ হবে।

চন্দ্রঘোনা এলাকার বাসিন্দা সুমন বলেন, "সেতুটি নির্মাণ হলে এই এলাকার রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হবে। ফেরির জন্য আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না।"

বান্দরবান-চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সড়কের মোটরসাইকেল আরোহী মিন্টু চাকমা বলেন, "বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কর্ণফুলী নদীতে স্রোত বেড়ে গেলে ফেরিতে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়। দ্রুত সেতু নির্মাণ হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।"

রাঙামাটি-বান্দরবান সড়কে চলাচলকারী বাসযাত্রী মো. মান্নান বলেন, "চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী নদীর ওপর সেতু না থাকায় ফেরিতে পারাপারের জন্য অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দ্রুত সেতুটি নির্মাণ হলে আমরা এই দীর্ঘদিনের কষ্ট থেকে মুক্তি পাব এবং যাতায়াত অনেক সহজ ও দ্রুত হবে।"

এ প্রসঙ্গে রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা এলাকায় কর্ণফুলী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ব্রিজ ম্যানেজমেন্ট উইং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতুর প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করেছে এবং তা প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর হয়ে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, "মূল সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ৫২৩ মিটার এবং প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। প্রকল্প প্রস্তাব একনেকে অনুমোদন পেলে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হবে। সেতুটি বাস্তবায়িত হলে রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।"

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই সেতু শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই করবে না, বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তাই দ্রুত প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়ন দেখতে চান পাহাড়ের সর্বস্তরের মানুষ।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Wifes complaint against Jaipurhat Additional Superintendent of Police Arif

জয়পুরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফের বিরুদ্ধে স্ত্রীর অভিযোগ

জয়পুরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফের বিরুদ্ধে স্ত্রীর অভিযোগ ছবি: সংগৃহীত

জয়পুরহাট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার স্ত্রী শামিয়া খান এশা। ওই নারীর দাবি, ওই পুলিশ কর্মকর্তা নিজের গাড়ি ব্যবহার করে হিলি থেকে মাদক সংগ্রহ করে জয়পুরহাটের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করতেন। এ ছাড়া যৌতুক দাবি, মাদক গ্রহণসহ একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগও তুলেছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করে শামিয়া খান এশা সংবাদ সম্মেলনে জানান, পরকীয়া সম্পর্কে বাধা, দাবি করা যৌতুক না দেওয়ায় তাকে শারীরিক-মানসিক নির্যাতন ও শিশুসন্তানসহ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন শামিয়া খান এশা।

এশা সংবাদ সম্মেলনে জানান, তার স্বামী আরিফ হোসেন নিজ গাড়িতে দিনাজপুরের হিলি থেকে মাদক বহন করে জয়পুরহাটসহ বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ (সাপ্লাই) করতেন। তার দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় অধস্তন কোনো পুলিশ কর্মকর্তা যেন সন্দেহ না করেন, সে কারণে তিনি মাদকপাচারে নিজের গাড়ি ব্যবহার করতেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আরিফ হোসেন নিজেও মাদক নেন বলে অভিযোগ করেন এশা। এশা অভিযোগ করেন, তার স্বামী পরকীয়ার সঙ্গে যুক্ত। ২০১৯ সালে বিয়ের পর থেকে তার স্বামী মাদক সেবন ও একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। প্রতিবাদ করলে তার ওপর নির্যাতন চালানো হতো।

ওই নারীর দাবি, সংসার টিকিয়ে রাখতে ইতোপূর্বে যৌতুক হিসেবে ৪০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি আরও ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে। সেই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এ বছরের শুরুতে সাড়ে পাঁচ বছরের মেয়েসহ তাকে মারধর করে জয়পুরহাটের বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়।

এশা আরও জানান, গত ৩০ মে ঢাকার মোহাম্মদপুরের বছিলায় স্বামীকে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে প্রতিবাদ করলে আবারও মারধরের শিকার হন তিনি। প্রতিকার চেয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে অভিযোগ দায়েরের পাশাপাশি গত ৫ জুলাই ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে একটি মামলা করেছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে এশার দাবি, মামলার পর ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৯ জুলাই পুলিশ কর্মকর্তা আরিফ হোসেন নিজের প্রভাব খাটিয়ে নিজ আওতাধীন জয়পুরহাট সদর থানায় তার ও তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে পাল্টা একটি চুরির মামলা করেছেন।

অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে জয়পুরহাট থেকে প্রত্যাহার ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফ হোসেন। তিনি জানান, তার স্ত্রীর পরিবার প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। তার স্ত্রীর পূর্বের একটি বিয়ের তথ্য গোপন রেখে তার সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

অতিরিক্ত এ পুলিশ সুপারের ভাষ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্ত্রী বাসা থেকে টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, পাসপোর্ট, ব্যাংক চেক ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে চলে যান। পরে ফেব্রুয়ারিতে তিনি তালাকের নোটিশ পাঠান।

যৌতুক নেওয়া ও দাবির অভিযোগও নাকচ করে আরিফ হোসেন বলেন, ‘অভিযোগের প্রমাণ দিতে পারলে সমপরিমাণ অর্থ ফেরত দেব।’

আরিফ হোসেনের দাবি, স্ত্রীর আগের বিয়ে ও প্রতারণার তথ্য প্রকাশ্যে আসায় সেগুলো আড়াল করতেই তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Big problems of the country can be solved if people stand by them DSCC administrator

মানুষের পাশে দাঁড়ালে দেশের বড় সমস্যারও সমাধান সম্ভব: ডিএসসিসি প্রশাসক

মানুষের পাশে দাঁড়ালে দেশের বড় সমস্যারও সমাধান সম্ভব: ডিএসসিসি প্রশাসক ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়ালে দেশের বড় বড় সমস্যারও সমাধান সম্ভব। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসসহ নানা দুর্যোগে দেশের মানুষ যেভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাতে মানবিকতাই বাঙালির সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ শুধু ইহকাল নয়, পরকালেও কল্যাণ বয়ে আনবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজার মোড়ে পান্থকুঞ্জ পার্কসংলগ্ন ভালো কাজের হোটেলের এ শাখা ব্যতিক্রমী ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ ‘রিসাইকেল করুন, সবুজ বাংলাদেশ গড়ুন’-এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ভালো কাজের হোটেল’র মতো মানবিক উদ্যোগ শুধু ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে খাবারই তুলে দিচ্ছে না, পরিবেশ সংরক্ষণেও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।

প্রশাসক বলেন, ‘মানুষের জন্য মানুষ’- এ দর্শনকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে ‘ভালো কাজের হোটেল’। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষুধার্ত ও অসহায় মানুষের জন্য নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা করে আসছে। ফলে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ অন্তত একবেলার খাবার পাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ভালো কাজের হোটেল বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কুড়িগ্রামসহ দেশের মোট ১৭টি স্থানে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ জন ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের জন্য বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা করছে। এ উদ্যোগের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী দিক হলো এখানে খাবারের বিনিময়ে কোনো অর্থ গ্রহণ করা হয় না; বরং প্রত্যেক অতিথির কাছ থেকে নেওয়া হয় একটি করে ভালো কাজের হিসাব। এ উদ্যোগের মাধ্যমে রুট লেভেলের মানুষদের ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে, যা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

এ মানবিক কার্যক্রমকে আরও পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করতে ভালো কাজের হোটেল এবার খাবারের বিনিময়ে অন্যান্য ভালো কাজ গ্রহণের পাশাপাশি ‘রিসাইকেল করুন, সবুজ বাংলাদেশ গড়ুন’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ব্যবহৃত প্লাস্টিক সামগ্রী, বোতল, পলিথিন, ডাবের খোসা, পুরাতন টায়ারসহ বিভিন্ন পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য ভালো কাজ হিসেবে গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘রাজধানীতে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য। এসব বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য রাখা কঠিন হবে। ভালো কাজের হোটেল এ ক্ষেত্রে একটি অনুকরণীয় উদ্যোগ নিয়েছে।’

প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে অনুপ্রাণিত হয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা, অর্থাৎ বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন আবদুস সালাম। তিনি বলেন, ‘এ সহায়তা প্রতিষ্ঠানটির মানবিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।’

ঢাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভালো কাজের হোটেলের মতো আরও সামাজিক উদ্যোগ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে রাজপথে একটি টিস্যুও না ফেলে নগর পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস গড়ে তুললে ঢাকা আরও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।’

পরিবেশ রক্ষার প্রসঙ্গ টেনে আবদুস সালাম বলেন, ‘ঢাকার বায়ুদূষণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাই ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।’ ভালো কাজের হোটেলের পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Evacuation of Rajiv Shahs alleged mosque from Suhrawardy Udyan

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে রাজীব শাহর সেই কথিত মসজিদ উচ্ছেদ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে রাজীব শাহর সেই কথিত মসজিদ উচ্ছেদ ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নির্মিত এবং সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেওয়া রাজীব শাহের কথিত ‘ভাসমান মসজিদ’ উচ্ছেদ করেছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (২৬ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে বিতর্কিত এ স্থাপনাটি সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হয়।

বিগত কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনায় ছিল মসজিদটি। উদ্যানের মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও নাট্যশালার মাঝামাঝি স্থানে করা হয় মসজিদটি। সেখানে ইট দিয়ে মেঝে তৈরি করে কার্পেট ও জায়নামাজ বিছানো ছিল। ওপরে ত্রিপল টানিয়ে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। অজুর জন্য পানির ট্যাংক এবং একটি অস্থায়ী ওয়াশরুমও স্থাপন করা হয়েছিল।

অভিযানের সময় সেখানে কয়েকটি কোরআন শরীফ, রেহেল, কোরআনের বাংলা অনুবাদ এবং কয়েকটি ট্রাংক পাওয়া যায়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে রাজীব শাহের কথিত মসজিদ উচ্ছেদ বিষয়ে

উদ্যানের ভ্রাম্যমাণ পানি বিক্রেতা ও স্থানীয়রা জানান, কয়েক মাস আগে এখানে থাকা শুরু করেন রাজীব শাহ। পরে তিনি ধান লাগান। বেশ কয়েকটি ফুলগাছও লাগান। নিজের থাকার জন্য ছোট্ট খুপড়ি ঘরও করেন। একপর্যায়ে নিজ উদ্যোগে রাজীব মসজিদ নির্মাণ করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Protests surrounded Titas office demanding gas in Gazipur

গাজীপুরে গ্যাসের দাবিতে তিতাস অফিস ঘেরাও, বিক্ষোভ

গাজীপুরে গ্যাসের দাবিতে তিতাস অফিস ঘেরাও, বিক্ষোভ ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের টঙ্গীতে আবাসিক গ্যাস সংযোগে গ্যাস প্রবাহ চালুর দাবিতে তিতাস গ্যাস অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত টঙ্গীর গোপালপুর তিতাস গ্যাস অফিস ঘেরাও করেন গাজীপুর সিটি করপোরেশন ৫৩ ওয়ার্ডের তিতাস গ্রাহকরা।

এসময় বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন ৫৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. জাহাঙ্গীর আলম, ৫৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান শিপন, সাধারণ সম্পাদক সাদেক হোসেন, লিটন মিয়া, আব্দুল মান্নান, মোস্তফা জামান।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, আমান উল্লাহ, আব্দুস সালাম মাদবর, সুন্দর আলী, মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মো. শহীদুল্লাহ, মোহাম্মদ হাসান, সাবিয়া খাতুন, হালিমা আক্তার, কথামনি, উম্মে সালমা, রেশমা আক্তার, খাজিদা আক্তার, কল্পনা খাতুন, প্রীতি আক্তার, তিথি বেগম ও বিউটি আক্তার প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, নিয়মিত গ্যাস বিল পরিশোধ করে আসলেও দীর্ঘদিন যাবত তিতাস গ্যাস কোম্পানী আমাদের বাসাবাড়িতে নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ করছে না। এতে রান্না বান্না করতে না পেরে এলাকার মানুষ চরম কষ্ট ভোগ করছে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে আমরা বাধ্য হয়ে ‌'নো গ্যাস, নো বিল' নীতি অবলম্বণ করবো।

এছাড়াও ঘেরাও কর্মসূচি থেকে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।

এব্যাপারে টঙ্গী তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিট্রিবিউশন পিএলসি টঙ্গী জোনের ব্যবস্থাপক মো. মেজবাউর রহমান বলেন, চট্টগ্রামে একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বিকল হয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহ বিঘ্ন ঘটছে। আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে এলএনজি টার্মিনালটি সচল হয়ে গেলে গ্যাস প্রবাহের চাপ বৃদ্ধি পাবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Organized seasonal fruit festival for children with special needs in Feni 

ফেনীতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন 

ফেনীতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন  ছবি: সংগৃহীত

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সাথে মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন করেছে ফেনীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যভিত্তিক সংগঠন নরনিয়া। রোববার (২৬ জুলাই) সকালে শহরের মিজান রোড রোডস্থ ফেনী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে ব্যতিক্রমধর্মী এই ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়।

এসময় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে চলতি ফল মৌসুমের সুস্বাদু আম, আনারস, তাল, পেয়ারা, কলা, লটকন, গাব, আমলকি, পায়েলা, খেজুর, ড্রাগন, আমড়া, জাম্বুরাসহ বিভিন্ন প্রকারের ফল উপস্থাপন করা হয়।

ফল উৎসবে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু, শিশুদের অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-শিক্ষিকা, নরনিয়া সংগঠনের পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে বিভিন্ন রকমের মৌসুমী ফলের সাথে পরিচিত হন এবং তৃপ্তির সাথে উপভোগ করেন।

ফল উৎসবে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রিকেটার মো. সাইফ উদ্দিন।

এ সময় নরনিয়া সংগঠনের সিনিয়র সদস্য আলাল উদ্দিন আলাল, মুহিবুল হক চৌধুরী রাসেল, সহ-সভাপতি ড. জহির উদ্দিন, সহ-সভাপতি জাকারিয়া ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ইমন উল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইনুল হক এমিল, অর্থ সম্পাদক এডভোকেট অমিত মজুমদার, প্রচার প্রকাশনা ও দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঁইয়া, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোর্শেদা হ্যাপি, সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শওকত চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার শামিম কবির ভূঁইয়া, জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের মাঝে নরনীয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমিলের পরিবেশিত গান সকলকে বিমোহিত করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sukher Khamar gave a land deed to 1000 founders

এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল সুখের খামার

* শেয়ারের মূল্য ২,৯৫,০০০ থেকে বেড়ে ৩,৪৫,০০০ টাকা  ঘোষণা
এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল সুখের খামার ছবি: নিউজবাংলা

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ৩০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্ট ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’- এর এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল বুঝিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিটে অবস্থিত ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে জমকালো আয়োজন ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’- অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম সংশ্লিষ্টদের হাতে এই দলিল বুঝিয়ে দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এমপি। আরও উপস্থিত ছিলেন সুখের খামারের চারজন সম্মানিত উপদেষ্টা, ৪০ সদস্যের অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সৃজনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, শুধু চাকরি নয়, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি খাতের অগ্রগতি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সুখের খামারের মতো উদ্যোগের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সব সময় থাকবে। দেশের প্রতিটি পরিবারের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, ‘ফাউন্ডাররা আমাদের কাছে বিনিয়োগকারী নন- তাঁরা মালিক, প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা। তাঁদের আস্থার মর্যাদা রক্ষাই আমাদের প্রথম অঙ্গীকার।’

সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম অনুষ্ঠানে বর্তমান সময়ে এগ্রো ভিলেজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা শুধু একটি খামার বা রিসোর্ট গড়ছি না - আমরা এমন একটি মডেল গড়ছি যা ব্যবসার পাশাপাশি একটি গ্রামকে বদলে দেয়।

আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করল, হাজারো মানুষ সেই স্বপ্নে বিশ্বাস রাখেন।’

এদিকে প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি ও সম্পদমূল্য বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় সুখের খামার এগ্রো ভিলেজের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে জুলাই ২০২৬ থেকে ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার মাত্র দেড় বছরের মধ্যে এই মূল্যবৃদ্ধি প্রাথমিক অংশীদারদের আস্থার প্রতিদান বলে উল্লেখ করেন আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্বে প্রত্যেক ফাউন্ডিং শেয়ারহোল্ডারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয় তাঁদের জমির দলিল, শেয়ার সনদ, চুক্তিপত্র এবং সুখের খামার ফাউন্ডেশনের লাইফটাইম মেম্বারশিপ সনদ। আয়োজকরা জানান, শরীয়াহভিত্তিক মুশারাকা পদ্ধতিতে পরিচালিত এই প্রকল্পে প্রতিটি অংশীদার সাফ কবলা দলিলে জমিসহ খামার ও রিসোর্টের আইনি মালিকানা পাচ্ছেন — যা বাংলাদেশে এ ধরনের উদ্যোগে নজিরবিহীন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত দেড় বছরে পূর্ণাঙ্গ রিসোর্ট চালুর আগেই প্রকল্পটি পরিদর্শন করেছেন দুই হাজারের বেশি অতিথি, রাত্রিযাপন করেছেন নয় শতাধিক, এসেছেন সাতজন বিদেশি ভ্রমণকারী। প্রকল্পের মাধ্যমে বাগইল গ্রামে যুক্ত হয়েছে এক কোটি টাকার নতুন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান হয়েছে ৪০ জনের, ‘সুখের হাসি’ প্রকল্পে স্বাবলম্বী হয়েছেন ১০ জন নারী। সামনে রয়েছে ১০০ রুমের আন্তর্জাতিক মানের এগ্রো রিসোর্ট, জামে মসজিদ ও হাফিজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা নির্মাণের কর্মসূচিও।

মন্তব্য

p
উপরে