× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Agriculture based industries should be developed instead of chasing jobs Local Government Minister
google_news print-icon

চাকরির পেছনে না ছুটে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

চাকরির-পেছনে-না-ছুটে-কৃষিভিত্তিক-শিল্প-গড়ে-তুলতে-হবে-স্থানীয়-সরকার-মন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে কৃষিভিত্তিক শিল্প, অ্যাগ্রো বিজনেস ও উদ্ভাবনী কৃষি উদ্যোগের মাধ্যমে নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের কৃষি খাতে অপার সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে তরুণরা উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব।

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, কৃষিতে পড়াশোনা করলেই সবাইকে শুধু সরকারি চাকরিতে যেতে হবে—এমন নয়। কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যবসা, শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের মাধ্যমে নিজেদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থান বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটিয়ে নতুন উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে কৃষিকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও উৎপাদনশীল খাতে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানো এবং নতুন প্রযুক্তি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। কৃষির উন্নয়নে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক ও মাঠপর্যায়ের কৃষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন বলেন, বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষি গবেষণায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে নবীন শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

শেকৃবির উপাচার্য ড. মোঃ আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Countrys first 4 lane cable stayed bridge at Karnaphuli ends ferry woes

কর্ণফুলীতে দেশের প্রথম ৪ লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু, ফেরি দুর্ভোগের অবসান

কর্ণফুলীতে দেশের প্রথম ৪ লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু, ফেরি দুর্ভোগের অবসান ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি-বান্দরবান- চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সড়কে কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু। প্রায় ১ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫২৩ মিটার দীর্ঘ এই দৃষ্টিনন্দন সেতু নির্মিত হলে রাঙামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবানের কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘ চার দশকের ফেরি-নির্ভর যাতায়াতের অবসান ঘটবে। একই সঙ্গে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন, কৃষি ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কর্ণফুলী নদীর এই ফেরিঘাট ১৯৮৪ সাল থেকে তিন জেলার মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা। কিন্তু প্রতিদিন ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ এবং জরুরি রোগী, গর্ভবতী নারী ও কৃষিপণ্যবাহী যানবাহনের ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের চিত্র। অনেক সময় ঝুঁকি নিয়ে ছোট সাম্পানে নদী পার হতে বাধ্য হন সাধারণ মানুষ।

এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতেই সরকার চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সড়কে কর্ণফুলী নদীর ওপর দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রকৌশলগত দিক থেকে ক্যাবল স্টেইড সেতু আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি স্থাপনা। এতে প্রধান পিলার থেকে শক্তিশালী ইস্পাতের ক্যাবলের মাধ্যমে সেতুর ডেক বা রাস্তা ধারণ করা হয়। ফলে নদীর মাঝখানে অতিরিক্ত পিলারের প্রয়োজন হয় না এবং নাব্যতা অক্ষুন্ন রেখেই মজবুত ও নান্দনিক সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়। সেতুটিতে আধুনিক টোল প্লাজা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্মার্ট হেলথ মনিটরিং সিস্টেমও থাকবে।

প্রকল্পটি বর্তমানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এটি চালু হলে বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্যে দ্রুত, নিরাপদ ও বাধাহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য তিন পার্বত্য জেলা থেকে কক্সবাজার যাতায়াত আরও সহজ হবে।

চন্দ্রঘোনা এলাকার বাসিন্দা সুমন বলেন, "সেতুটি নির্মাণ হলে এই এলাকার রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হবে। ফেরির জন্য আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না।"

বান্দরবান-চন্দ্রঘোনা-রাইখালী সড়কের মোটরসাইকেল আরোহী মিন্টু চাকমা বলেন, "বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কর্ণফুলী নদীতে স্রোত বেড়ে গেলে ফেরিতে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়। দ্রুত সেতু নির্মাণ হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।"

রাঙামাটি-বান্দরবান সড়কে চলাচলকারী বাসযাত্রী মো. মান্নান বলেন, "চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী নদীর ওপর সেতু না থাকায় ফেরিতে পারাপারের জন্য অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দ্রুত সেতুটি নির্মাণ হলে আমরা এই দীর্ঘদিনের কষ্ট থেকে মুক্তি পাব এবং যাতায়াত অনেক সহজ ও দ্রুত হবে।"

এ প্রসঙ্গে রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা এলাকায় কর্ণফুলী নদীর ওপর সেতু নির্মাণে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ব্রিজ ম্যানেজমেন্ট উইং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষে দেশের প্রথম চার লেনের ক্যাবল স্টেইড সেতুর প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করেছে এবং তা প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর হয়ে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, "মূল সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ৫২৩ মিটার এবং প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। প্রকল্প প্রস্তাব একনেকে অনুমোদন পেলে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হবে। সেতুটি বাস্তবায়িত হলে রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।"

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই সেতু শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই করবে না, বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তাই দ্রুত প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়ন দেখতে চান পাহাড়ের সর্বস্তরের মানুষ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Protests surrounded Titas office demanding gas in Gazipur

গাজীপুরে গ্যাসের দাবিতে তিতাস অফিস ঘেরাও, বিক্ষোভ

গাজীপুরে গ্যাসের দাবিতে তিতাস অফিস ঘেরাও, বিক্ষোভ ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের টঙ্গীতে আবাসিক গ্যাস সংযোগে গ্যাস প্রবাহ চালুর দাবিতে তিতাস গ্যাস অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত টঙ্গীর গোপালপুর তিতাস গ্যাস অফিস ঘেরাও করেন গাজীপুর সিটি করপোরেশন ৫৩ ওয়ার্ডের তিতাস গ্রাহকরা।

এসময় বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন ৫৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. জাহাঙ্গীর আলম, ৫৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান শিপন, সাধারণ সম্পাদক সাদেক হোসেন, লিটন মিয়া, আব্দুল মান্নান, মোস্তফা জামান।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, আমান উল্লাহ, আব্দুস সালাম মাদবর, সুন্দর আলী, মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মো. শহীদুল্লাহ, মোহাম্মদ হাসান, সাবিয়া খাতুন, হালিমা আক্তার, কথামনি, উম্মে সালমা, রেশমা আক্তার, খাজিদা আক্তার, কল্পনা খাতুন, প্রীতি আক্তার, তিথি বেগম ও বিউটি আক্তার প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, নিয়মিত গ্যাস বিল পরিশোধ করে আসলেও দীর্ঘদিন যাবত তিতাস গ্যাস কোম্পানী আমাদের বাসাবাড়িতে নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ করছে না। এতে রান্না বান্না করতে না পেরে এলাকার মানুষ চরম কষ্ট ভোগ করছে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে আমরা বাধ্য হয়ে ‌'নো গ্যাস, নো বিল' নীতি অবলম্বণ করবো।

এছাড়াও ঘেরাও কর্মসূচি থেকে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।

এব্যাপারে টঙ্গী তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিট্রিবিউশন পিএলসি টঙ্গী জোনের ব্যবস্থাপক মো. মেজবাউর রহমান বলেন, চট্টগ্রামে একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বিকল হয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহ বিঘ্ন ঘটছে। আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে এলএনজি টার্মিনালটি সচল হয়ে গেলে গ্যাস প্রবাহের চাপ বৃদ্ধি পাবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Organized seasonal fruit festival for children with special needs in Feni 

ফেনীতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন 

ফেনীতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন  ছবি: সংগৃহীত

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সাথে মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন করেছে ফেনীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যভিত্তিক সংগঠন নরনিয়া। রোববার (২৬ জুলাই) সকালে শহরের মিজান রোড রোডস্থ ফেনী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে ব্যতিক্রমধর্মী এই ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়।

এসময় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে চলতি ফল মৌসুমের সুস্বাদু আম, আনারস, তাল, পেয়ারা, কলা, লটকন, গাব, আমলকি, পায়েলা, খেজুর, ড্রাগন, আমড়া, জাম্বুরাসহ বিভিন্ন প্রকারের ফল উপস্থাপন করা হয়।

ফল উৎসবে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু, শিশুদের অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-শিক্ষিকা, নরনিয়া সংগঠনের পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে বিভিন্ন রকমের মৌসুমী ফলের সাথে পরিচিত হন এবং তৃপ্তির সাথে উপভোগ করেন।

ফল উৎসবে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রিকেটার মো. সাইফ উদ্দিন।

এ সময় নরনিয়া সংগঠনের সিনিয়র সদস্য আলাল উদ্দিন আলাল, মুহিবুল হক চৌধুরী রাসেল, সহ-সভাপতি ড. জহির উদ্দিন, সহ-সভাপতি জাকারিয়া ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ইমন উল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইনুল হক এমিল, অর্থ সম্পাদক এডভোকেট অমিত মজুমদার, প্রচার প্রকাশনা ও দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঁইয়া, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোর্শেদা হ্যাপি, সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শওকত চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার শামিম কবির ভূঁইয়া, জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের মাঝে নরনীয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমিলের পরিবেশিত গান সকলকে বিমোহিত করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sukher Khamar gave a land deed to 1000 founders

এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল সুখের খামার

* শেয়ারের মূল্য ২,৯৫,০০০ থেকে বেড়ে ৩,৪৫,০০০ টাকা  ঘোষণা
এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল সুখের খামার ছবি: নিউজবাংলা

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ৩০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্ট ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’- এর এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল বুঝিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিটে অবস্থিত ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে জমকালো আয়োজন ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’- অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম সংশ্লিষ্টদের হাতে এই দলিল বুঝিয়ে দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এমপি। আরও উপস্থিত ছিলেন সুখের খামারের চারজন সম্মানিত উপদেষ্টা, ৪০ সদস্যের অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সৃজনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, শুধু চাকরি নয়, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি খাতের অগ্রগতি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সুখের খামারের মতো উদ্যোগের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সব সময় থাকবে। দেশের প্রতিটি পরিবারের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, ‘ফাউন্ডাররা আমাদের কাছে বিনিয়োগকারী নন- তাঁরা মালিক, প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা। তাঁদের আস্থার মর্যাদা রক্ষাই আমাদের প্রথম অঙ্গীকার।’

সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম অনুষ্ঠানে বর্তমান সময়ে এগ্রো ভিলেজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা শুধু একটি খামার বা রিসোর্ট গড়ছি না - আমরা এমন একটি মডেল গড়ছি যা ব্যবসার পাশাপাশি একটি গ্রামকে বদলে দেয়।

আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করল, হাজারো মানুষ সেই স্বপ্নে বিশ্বাস রাখেন।’

এদিকে প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি ও সম্পদমূল্য বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় সুখের খামার এগ্রো ভিলেজের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে জুলাই ২০২৬ থেকে ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার মাত্র দেড় বছরের মধ্যে এই মূল্যবৃদ্ধি প্রাথমিক অংশীদারদের আস্থার প্রতিদান বলে উল্লেখ করেন আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্বে প্রত্যেক ফাউন্ডিং শেয়ারহোল্ডারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয় তাঁদের জমির দলিল, শেয়ার সনদ, চুক্তিপত্র এবং সুখের খামার ফাউন্ডেশনের লাইফটাইম মেম্বারশিপ সনদ। আয়োজকরা জানান, শরীয়াহভিত্তিক মুশারাকা পদ্ধতিতে পরিচালিত এই প্রকল্পে প্রতিটি অংশীদার সাফ কবলা দলিলে জমিসহ খামার ও রিসোর্টের আইনি মালিকানা পাচ্ছেন — যা বাংলাদেশে এ ধরনের উদ্যোগে নজিরবিহীন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত দেড় বছরে পূর্ণাঙ্গ রিসোর্ট চালুর আগেই প্রকল্পটি পরিদর্শন করেছেন দুই হাজারের বেশি অতিথি, রাত্রিযাপন করেছেন নয় শতাধিক, এসেছেন সাতজন বিদেশি ভ্রমণকারী। প্রকল্পের মাধ্যমে বাগইল গ্রামে যুক্ত হয়েছে এক কোটি টাকার নতুন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান হয়েছে ৪০ জনের, ‘সুখের হাসি’ প্রকল্পে স্বাবলম্বী হয়েছেন ১০ জন নারী। সামনে রয়েছে ১০০ রুমের আন্তর্জাতিক মানের এগ্রো রিসোর্ট, জামে মসজিদ ও হাফিজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা নির্মাণের কর্মসূচিও।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corrupt people can never be true patriots Biman Minister

দুর্নীতিবাজ কখনোই প্রকৃত দেশ প্রেমিক হতে পারে না: বিমানমন্ত্রী

দুর্নীতিবাজ কখনোই প্রকৃত দেশ প্রেমিক হতে পারে না: বিমানমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যাটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, যদি আমাদের ভেতরে দেশপ্রেম না থাকে, তাহলে আমাদের দ্বারা কোন কিছুই করা সম্ভব হবে না। কারণ একজন প্রকৃত দেশ প্রেমিক মানুষ কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারে না। আজকে তোমরা যারা শিক্ষার্থী আছে, আগামীদিনে তোমরা বাংলাদেশের হাল ধরবে। সুতরাং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে তোমাদের পড়ালেখা করতে হবে।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে আমাদের যার যার অবস্থান থেকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের সাথে কাজ করতে হবে এবং দেশেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ এবং বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিমানমন্ত্রী আরো বলেছেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হতে হবে দেশপ্রেম। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিখিয়েছেন কিভাবে দেশকে ভালোবাসতে হয় এবং বেগম খালেদা জিয়া শিখিয়েন আছেন কিভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিখাচ্ছেন কিভাবে সামাজিক মানবিক ও জনবান্ধব সরকার গঠনের মাধ্যমে জনগণকল্যাণে কাজ করতে হয়।

অনুষ্ঠানে সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাহফিল খানের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খানসহ সুধজনেরা রক্তব্য রাখেন।

এর আগে মন্ত্রী কলেজে শহীদ জিয়া, মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই স্মৃতি কর্ণার উদ্বোধনসহ কলেজ চত্ত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Four unions of Satkania are suffering due to road collapse due to mountain landslides

পাহাড়ি ঢলে সড়ক ধসে বিচ্ছিন্ন সাতকানিয়ার চার ইউনিয়ন, ভোগান্তিতে মানুষ

পাহাড়ি ঢলে সড়ক ধসে বিচ্ছিন্ন সাতকানিয়ার চার ইউনিয়ন, ভোগান্তিতে মানুষ ছবি: সংগৃহীত

টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ কেরানিহাট–হাঙ্গারমুখ সড়কের বড় অংশ বিলীন হয়ে গেছে। কার্তিকের দোকান থেকে পূর্ব পাশের মন্দির পর্যন্ত প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ মিটার সড়ক ধসে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এতে ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন ঢেমশা, নলুয়া, আমিলাইশ ও চরতী ইউনিয়নের অন্তত লক্ষাধিক মানুষ।

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত অংশজুড়ে দুই থেকে তিন ফুট গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও পিচঢালা সড়কের কোনো অস্তিত্বই নেই। প্রবল স্রোতে রাস্তার নিচের মাটি সরে গিয়ে দুই পাশ ধসে পড়েছে। কিছু স্থানে রাস্তার ইট পাশের জমিতে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাঙা অংশে পানি জমে ছোট পুকুরের মতো আকার ধারণ করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়েছে। এ কারণে স্থানীয় প্রশাসন মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে।

সড়কটির একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় স্থানীয়দের চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে যেতে আনুফকিরের দোকান হয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরতে হচ্ছে। এতে সময়ের পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়া, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত, কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কেরানিহাট–হাঙ্গারমুখ সড়কটি ঢেমশা, নলুয়া, আমিলাইশ ও চরতী ইউনিয়নের মানুষের অন্যতম প্রধান যোগাযোগপথ। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করে কেরানিহাট হয়ে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে ওঠেন। কৃষিপণ্য, মাছ, সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও সড়কটির গুরুত্ব অনেক। সড়কটি অচল হয়ে পড়ায় স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

পূর্ব গাটিয়াডেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘এই সড়কটি চারটি ইউনিয়নের মানুষের জীবনরেখা। এখন রাস্তার বিশাল অংশ ভেঙে পুকুরের মতো গর্ত হয়ে গেছে। কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। বাধ্য হয়ে প্রতিদিন প্রায় তিন কিলোমিটার ঘুরে মহাসড়কে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে রোগী, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। দ্রুত সংস্কার না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।"

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী এবং সাতকানিয়া উপজেলা প্রকৌশলী সবুজ কুমার দে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ নেন।

পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ‘সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় সাতকানিয়ার বিভিন্ন সড়ক, কালভার্ট ও জনপদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কেরানিহাট–হাঙ্গরমুখ সড়কটি চারটি ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করে যত দ্রুত সম্ভব যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।’

উপজেলা প্রকৌশলী সবুজ কুমার দে বলেন, ‘বন্যার পানির প্রবল স্রোতে সড়কটির বড় অংশ ধসে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।’

স্থানীয়দের দাবি, সাম্প্রতিক বন্যায় উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কেরানিহাট–হাঙ্গারমুখ সড়কের এই অংশের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। তাই দ্রুত অন্তর্বর্তীকালীনভাবে যান চলাচলের ব্যবস্থা এবং পরে টেকসই নকশায় সড়কটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। তাদের মতে, এই সড়ক শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; চারটি ইউনিয়নের শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। তাই দ্রুত সংস্কার না হলে জনজীবন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Welcoming the new Executive Engineer of LGED in Satkhira

সাতক্ষীরায় এলজিইডির নতুন নির্বাহী প্রকৌশলীকে বরণ

সাতক্ষীরায় এলজিইডির নতুন নির্বাহী প্রকৌশলীকে বরণ ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরা জেলা ঠিকাদার কল‍্যাণ সমিতির আয়োজনে সাতক্ষীরা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম তারিকুল হাসান খানের বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা ও নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা ঠিকাদার কল‍্যাণ সমিতির সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি আলহাজ আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদ‍্য যোগদানকৃত নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও সদ‍্য বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম তারিকুল হাসান খান।

জেলা ঠিকাদার কল‍্যাণ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফরহাদ হোসেন তপুর সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান বাবু, শ‍্যামনগর উপজেলা ঠিকাদার কল‍্যাণ সমিতির আসাদুল্লাহ বাহার আশু। কালীগঞ্জ উপজেলা ঠিকাদার সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, আশাশুনির সভাপতি আব্দুস সালাম, দেবহাটার মোকলেছুর রহমান, মামুনুর রহমান সুমন সাধারণ সম্পাদক সাতক্ষীরা সদর, মীর রফিকুল ইসলাম বাবু কলারোয়া, ইকবাল জমাদ্দার ঊর্ধ্বতন সভাপতি, মো. আকরাম হোসেন খান বাপ্পি যুগ্ম সম্পাদক জেলা কমিটি, আব্দুল হাকিম সহসভাপতি ও সাংবাদিক আবু সাঈদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ‘সাতক্ষীরাকে সুন্দর করে সাজানোর জন্য সাতক্ষীরা ঠিকাদার কল‍্যাণ সমিতি সরকারের সকল ধরনের কর্মকাণ্ডকে বাস্তবায়ন করবে। ঠিকাদাররা সুষ্ঠু এবং সফলভাবে কাজ সম্পন্ন করা, বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা এবং তার জন্য এলজিইডি কর্মকর্তাসহ সকল স্তরের সহযোগিতা কামনা করেন। বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলীর বিভিন্ন কর্মময় জীবনী নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন এবং তার জন্য দোয়া কামনা করেন। এ সময় সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলার ঠিকাদাররা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

p
উপরে