× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Victims demand rehabilitation of 8 houses destroyed by Teesta river in Gangachara
google_news print-icon

গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাঙনে বিলীন ৮ বাড়ি, পুনর্বাসনের দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের

গঙ্গাচড়ায়-তিস্তা-নদীর-ভাঙনে-বিলীন-৮-বাড়ি-পুনর্বাসনের-দাবি-ক্ষতিগ্রস্তদের
ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের কাচাড়িপাড়া গ্রামে তিস্তা নদীর অব্যাহত ভাঙনে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনের তীব্র ভাঙনে অন্তত আটটি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। পাশাপাশি শত বিঘা আবাদি জমিও তিস্তার গর্ভে হারিয়ে গেছে। পানি কমতে শুরু করার পর থেকেই ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নদীর তীরবর্তী শতাধিক পরিবার চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

সরেজমিনে কাচাড়িপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তিস্তার প্রবল স্রোতে নদীর তীরের বিশাল অংশ মুহূর্তেই ধসে পড়ছে। কোথাও ভাঙন বসতঘরের একেবারে গা ঘেঁষে চলে এসেছে। শেষ সম্বল রক্ষায় কেউ ঘরের টিন খুলে নিচ্ছেন, কেউ ইট, কাঠ ও আসবাবপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। আবার অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে গৃহস্থালির মালামাল নিয়ে অসহায়ভাবে বসে আছে।

স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিন আগেও তাদের দুশ্চিন্তা ছিল বন্যা নিয়ে। কিন্তু পানি নামতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে নদীর ভাঙন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে তিস্তার পানি বিপৎসীমার প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও তীব্র স্রোতের কারণে নদীর তীর দ্রুত ভেঙে পড়ছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় আতঙ্কে রয়েছে পুরো জনপদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাঙনে আলহাজ মোত্তালিব, সুরুজ মিয়া ও আনোয়ার হোসেনসহ অন্তত আটটি পরিবারের বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ ছাড়া শত বিঘা আবাদি জমি তিস্তার গর্ভে চলে গেছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরও অনেক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি।

ক্ষতিগ্রস্ত আলহাজ মোত্তালিব বলেন, ‘চোখের সামনে আমার বসতবাড়ি নদীতে চলে গেল। সারাজীবনের কষ্টের অর্জন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় আশ্রয় নেব, সেটাই বুঝতে পারছি না।’ সুরুজ মিয়া বলেন, ‘ভিটেমাটি হারিয়ে আমরা একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছি। দ্রুত সরকারি সহযোগিতা না পেলে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাতে হবে।’

আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘নদী আমার ঘর, জমি সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। সন্তানদের নিয়ে কোথায় যাব, সেই চিন্তায় দিন কাটছে।’

নোহালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী বলেন, ‘ভাঙনের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ইতোমধ্যে কয়েকটি বসতবাড়ি ও বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।’

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, ‘ভাঙনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘ভাঙনের খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন রোধে কাজ চলমান রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে দ্রুত জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং তিস্তা নদীর স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে কাচাড়িপাড়াসহ আশপাশের আরও বিস্তীর্ণ এলাকা, অসংখ্য বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা তিস্তার ভয়াল গ্রাসে হারিয়ে যাবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Passengers suffer long queues at CNG pumps in the capital due to gas shortage

গ্যাস সংকটে রাজধানীর সিএনজি পাম্পে দীর্ঘ লাইন, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

গ্যাস সংকটে রাজধানীর সিএনজি পাম্পে দীর্ঘ লাইন, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ছবি: সংগৃহীত

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় রাজধানীজুড়ে দেখা দিয়েছে সিএনজি সংকট। ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস মিলছে না। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালক, গণপরিবহন খাতের কর্মী ও যাত্রীরা। সংকটের প্রভাব পড়েছে চালকদের আয়-রোজগারেও।

রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, গ্যাস সংগ্রহের জন্য দিন-রাত দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করছেন চালকেরা। অনেক পাম্পে রাত থেকেই গাড়ির লাইন শুরু হচ্ছে।

একাধিক সিএনজিচালিত গাড়ির চালক জানান, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক সময় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে দিনের বড় একটি সময় পাম্পেই কাটছে, যা তাদের স্বাভাবিক আয় ব্যাহত করছে।

সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের চালকেরা। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রাইড-শেয়ারিং সেবার সঙ্গে যুক্ত অনেক চালক বলছেন, সময়মতো গ্যাস না পাওয়ায় তারা যাত্রী পরিবহন করতে পারছেন না। এতে দৈনিক আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

কিছু চালক অভিযোগ করেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তাদের দাবি, অতীতেও জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে সংকট দেখিয়ে মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এবারও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে বলে তাদের আশঙ্কা।

অন্যদিকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় লোকসানের মুখে পড়েছেন সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিকরাও। তারা দ্রুত এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক করে সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থা ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়তে পারে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Distribution of free medical care and medicines by Coast Guard in Bhola 

ভোলায় কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধসামগ্রী বিতরণ 

ভোলায় কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধসামগ্রী বিতরণ  ছবি: সংগৃহীত

ভোলার চর মানিকায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধসামগ্রী বিতরণ করেছে কোস্ট গার্ড। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোনের ব্যবস্থাপনায় ভোলার চরফ্যাশন উপজেলাধীন কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট চর মানিকায় মেডিকেল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। ওই মেডিকেল ক্যাম্পেইনে ২৬৫ জন মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধসামগ্রী প্রদান করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Floating body of young man recovered from Buriganga in Keraniganj

কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। উদ্ধারকৃত মরদেহের পরনে ছিল কালো রঙের প্যান্ট ও নীল রঙের গেঞ্জি। গত বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নের চরকালীগঞ্জ বড়ইতলা রহমান সাহেবের ডকসংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নৌপুলিশ সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা জানান, স্থানীয় লোকজন কচুরিপানার সঙ্গে মরদেহটি ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি চার থেকে পাঁচ দিন পানিতে ভাসমান অবস্থায় ছিল। দীর্ঘ সময় পানিতে থাকার কারণে হাত ও পায়ের চামড়া খসে গেছে। এ কারণে পরিচয় শনাক্তের জন্য আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।’

ওসি আরও জানান, গত ১৮ জুলাই করা একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে সাভার থেকে একটি পরিবার মর্গে এসে মরদেহটি শনাক্তের চেষ্টা করছে। তবে এটি তাদের নিখোঁজ স্বজনের মরদেহ কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহটির প্রকৃত পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 arrested in Ansars operation failed in Agrani Bank theft attempt in Faridpur

ফরিদপুরে অগ্রণী ব্যাংকে চুরির চেষ্টা ব্যর্থ, আনসারের অভিযানে আটক ১

ফরিদপুরে অগ্রণী ব্যাংকে চুরির চেষ্টা ব্যর্থ, আনসারের অভিযানে আটক ১ ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর সদর উপজেলার অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখায় গভীর রাতে সংঘটিত চুরির চেষ্টা নস্যাৎ করে চুরিকৃত মালামালসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। ডিউটিরত সদস্যদের সতর্কতা, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও সমন্বিত অভিযানের ফলে ব্যাংকের সম্ভাব্য বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে ব্যাংকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পিসি মো. আবু বক্কর ও এপিসি মো. শহিদ খানের নেতৃত্বে আনসার সদস্য মো. শাহ আলম এবং মো. রাশেদ মিয়া নিয়মিত নিরাপত্তা টহলে নিয়োজিত ছিলেন। এ সময় তারা ব্যাংকের ভবনের এসির বৈদ্যুতিক তার কাটার শব্দ শুনে এবং সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে দ্রুত সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেন।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্পে খবর পাঠানো হয়। সংবাদ পেয়ে ক্যাম্প ইনচার্জ পিসি মো. আবু বক্কর অতিরিক্ত আনসার সদস্যদের নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান পরিচালনা করেন। চারদিক ঘিরে ফেলে কৌশলী অভিযানের মাধ্যমে চুরিকৃত মালামালসহ মো. রাকিব মণ্ডল (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

আটক রাকিব মণ্ডলের বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হামদহ গ্রামে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে তাকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

ব্যাংক সূত্র জানায়, আনসার সদস্যদের সময়োপযোগী পদক্ষেপ না থাকলে ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। তাদের পেশাদারিত্ব ও দ্রুত অভিযানের কারণেই চুরির ঘটনা সফলভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনার নিরাপত্তা, জনসম্পদের সুরক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। ফরিদপুরের এই ঘটনায় বাহিনীর সদস্যদের পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও সাহসিকতা আবারও প্রমাণ করেছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আনসার সদস্যরা সবসময়ই নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
TIB report does not match police data DMP Commissioner

টিআইবির প্রতিবেদনের সঙ্গে পুলিশের তথ্যের মিল নেই: ডিএমপি কমিশনার

টিআইবির প্রতিবেদনের সঙ্গে পুলিশের তথ্যের মিল নেই: ডিএমপি কমিশনার ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে অপরাধ বৃদ্ধি নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাম্প্রতিক প্রকাশিত প্রতিবেদনের সাথে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিজস্ব তথ্য-উপাত্তের মিল নেই বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। দায়িত্ব গ্রহণের পর দুই মাসের পরিসংখ্যানে শহরে অপরাধ প্রবণতা কমেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে শাহবাগ থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘টিআইবির প্রতিবেদনে রাজধানীতে অপরাধ বৃদ্ধির যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা পুলিশের তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’ পুলিশের নিয়মিত অপরাধ পরিসংখ্যান ও মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণে ভিন্ন চিত্র পাওয়া যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, নগরের অপরাধপ্রবণ এলাকায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশের সংখ্যা। পোশাক ছাড়াও সাদা পোশাকে পুলিশও দায়িত্ব পালন করছেন ২৪ ঘণ্টা। এতে কমেছে চুরি ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘অপরাধ দমনের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিবেশ ও মানসিক সুস্থতার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের চাপ কমাতে এবং মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ পুলিশ সদস্যদের কেউ ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কারণে মানসিক চাপে থাকলে তা গোপন না রেখে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrested for joining the job 3 people are remanded

চাকরিতে যোগ দিতে এসে গ্রেপ্তার ৩ জনের রিমান্ড

চাকরিতে যোগ দিতে এসে গ্রেপ্তার ৩ জনের রিমান্ড ছবি: সংগৃহীত

প্রক্সি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পেয়ে যোগদানপত্র দাখিল করতে এসে ফেস ভেরিফিকেশনে ধরা পড়া চার আসামির মধ্যে তিনজনকে শাহবাগ থানার প্রতারণার মামলায় একদিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার দুই নম্বর আসামি মো. আলিমকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ তদন্ত কর্মকর্তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। এর আগে গত সোমবার তাদের ভিন্ন আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়।

রিমান্ডে পাঠানো তিন আসামি হলেন- মো. রাসেল রানা লিটন (৩২), মো. আলী হায়দার (২৯) এবং মো. মাসুদ ফকির (৩১)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আবদুল গাফফার (হিমেল) আসামিদের আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেককে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Idle buses are being moved from Mahakhali to Purbachal

মহাখালী থেকে পূর্বাচলে সরানো হচ্ছে অলস পড়ে থাকা বাস

মহাখালী থেকে পূর্বাচলে সরানো হচ্ছে অলস পড়ে থাকা বাস ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর যানজট কমাতে মহাখালী টার্মিনালে থাকা অলস বাস সরাতে শুরু করেছে সরকার। পূর্বাচলের নবনির্মিত অস্থায়ী ডিপোতে রাখা হচ্ছে এগুলো। তবে বাস্তবতা পুরোপুরি ভিন্ন। বাস ডিপোর নির্মাণকাজ এক শতাংশও শেষ হয়নি। মহাখালী থেকে বাসগুলো নিয়ে রাখা হচ্ছে ৩ নম্বর সেক্টরের সড়কে। পুরো প্রক্রিয়াটিকে ‘প্রতীকী’ বলছেন পরিবহন-সংশ্লিষ্টরা। তবে মাসখানেকের মধ্যে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাসহ পূর্বাচল ডিপো চালু হবে বলে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ।

ঢাকার যানজট নিরসনে উদ্যোগী সরকার। দৃশ্যমান নানা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সড়কে আধুনিক ক্যামেরা স্থাপনের পর এবার স্থানান্তর হচ্ছে টার্মিনাল। ১৫ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে টার্মিনাল স্থানান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। মহাখালী থেকে বাসগুলো সরিয়ে নেওয়া হয় পূর্বাচলের ৩ নম্বর সেক্টরের অস্থায়ী ডিপোতে।

ঢাকা থেকে হাতে গোনা কয়েকটি বাস এনে রাখা হয়েছে সড়কের ওপরই। বাস সরানোর এই প্রক্রিয়াকে সাময়িক বলছেন সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক। তবে মাসখানেকের মধ্যে পূর্বাচল ডিপোটি পুরোপুরি চালু হবে বলে আশা তার।

ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বলেন, ‘এখান থেকে টার্মিনাল স্থানান্তর হয়নি। যাত্রীদেরও কোনো অসুবিধা হয়নি। শুধু অলস বা আইডল গাড়িগুলো ডিপো হিসেবে ওখানে থাকবে। এটাও বাধ্যতামূলক নয়। বিকল্প রাখা হয়েছে। টার্মিনালসংলগ্ন এলাকায় না রেখে কেউ যদি দূরে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় রাখতে পারে, রাখবে। পার্মানেন্ট স্ট্রাকচার তৈরি হওয়ার আগ পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে যাতে ডিপো হিসেবে ব্যবহার করা যায়, সে লক্ষ্যে কিছু কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

সব বাস নয়, মহাখালী থেকে সরানো হচ্ছে অলস বাস এমনটাই জানালেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক ওমর ফারুক বলেন, ‘আমাদের কিছু গাড়ি থাকে, যেগুলো নাইটে চলে। রাতে এসে তারা সারাদিন রাস্তাঘাটে গাড়ি রাখত। এর ফলে মহাখালী টার্মিনাল এলাকায় সব সময় যানজট লেগে থাকত। এখন ওই গাড়িগুলো আমরা ডিপোতে সরিয়ে দিচ্ছি। ফলে আপনারা দেখতে পারবেন, রাস্তাঘাটে আর সেভাবে গাড়ি দাঁড়িয়ে নেই। কোনো গাড়ি থামিয়ে বা বসিয়ে রাখা হচ্ছে না। যার ফলে রাস্তা অনেকটা স্মুথ হয়েছে। ভালোভাবে যান চলাচল করছে।’

তথ্য বলছে, মহাখালী টার্মিনালে আনুমানিক বাস দেড় হাজার। যার মধ্যে ৯০০টি চলাচল করলেও অলস পড়ে থাকে বাকিগুলো। সেগুলো টার্মিনাল বা আশপাশের এলাকায় পার্কিং করা হয়। পুলিশ বলছে, সদিচ্ছা আর পরিবহন-সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা পেলে সড়ক ফাঁকা করা সম্ভব।

ওমর ফারুক আরও বলেন, ‘কিছু গাড়ি হয়তো বন্ধ থাকে, কিছু গাড়ি চলে। যে গাড়িগুলো বন্ধ থাকে, সেগুলো আগে টার্মিনালের ভেতরে থাকত। এখন যেহেতু ওই গাড়িগুলো ডিপোতে চলে যাবে, সেগুলো চলে যাওয়ার পরে টার্মিনালে আসা গাড়িগুলো খুব সহজেই ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে পারছি।’

আপাতত পূর্বাচলে অতিরিক্ত বাস স্থানান্তরের মাধ্যমে মহাখালীতে যানজট কমানোর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে নতুন ডিপোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নের ওপর।

মন্তব্য

p
উপরে