× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Farmers in fear of theft of irrigation pump motors increasing at an alarming rate in Sarishabari
google_news print-icon

সরিষাবাড়ীতে উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি সেচপাম্পের মোটর চুরি, আতঙ্কে কৃষক

সরিষাবাড়ীতে-উদ্বেগজনক-হারে-বৃদ্ধি-সেচপাম্পের-মোটর-চুরি-আতঙ্কে-কৃষক
ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সেচপাম্পের পানি তোলার যন্ত্র (মটর) চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে সেচপাম্পের মটর চুরি হচ্ছে। এ ছাড়া একই ইউনিয়নের ঢোলভিটি কালীতলা বাজার এলাকা থেকে ১০ কেবি পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমারও চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কে কৃষক ও স্থানীয়রা। কষ্টে কেনা পাম্পের প্রধান অংশগুলো চুরি হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন কৃষকরা। এতে একদিকে যেমন বিপুল আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি আসন্ন বোরো আবাদ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এলাকায় চুরি বন্ধে নিয়মিত টহল জোরদার করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনাও করেছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরেই উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের গোবিন্দপুর, রামপুর ও মহিষাকান্দি গ্রামের শষ্যক্ষেতে থাকা কৃষকদের সেচপাম্পগুলো রাতের আঁধারে চুরি হচ্ছে। সেচপাম্পের পাশাপাশি একই ইউনিয়নের ঢোলভিটি কালীতলা বাজারের পাশে স্থাপিত ১০ কেবিএ পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমারটি চুরি করে নিয়ে যায়। এ ছাড়ার উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আরও ২টি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। ট্রান্সফরমার চুরি হওয়ায় একাধিক সেচপাম্প বন্ধ রয়েছে এ ছাড়া ওসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এভাবে প্রতিনিয়ত মোটর চুরি হওয়ার কারণে চাষাবাদ বন্ধ করারও ঘোষণা দেন কৃষকরা। এদিকে একই ইউনিয়নে বসতঘরের জানালার গ্রিল কেটে মোটর চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কে রয়েছে স্থানীয়রা।

রামপুর গ্রামের ভুক্তভোগী কৃষক ফরিদ মিয়া বলেন, ‘গত কয়েকদিনে আমার সেচপাম্পের ঘর থেকে দুবার দুটি মোটর চুরি হয়েছে। দুটা মোটর কিনেছি প্রায় ৬০ হাজার টাকা। একবার চুরি হওয়ার পর আবার নতুন মোটর কিনে লাগানোর ৩ দিন পরই চুরি হয়ে যায়। এভাবে মোটর চুরি হতে থাকলে আমি চাষাবাদ বন্ধ করে দেব।’

গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক আশরাফুল আরেফিন বলেন, ‘কয়েকদিন আগে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছিল, সেদিন আবার ফুটবল খেলাও ছিল। রাতে খেলা দেখে বাড়ি আসার সময় সেচ ঘরে মোটর দেখে এসে ঘুমিয়েছি। সকালে উঠে সেচপাম্পে মোটর চালাতে গিয়ে দেখি মোটর নাই। এভাবে চুরি হলে কৃষির আবাদে অনিহা বাড়বে।’

মহিষাকান্দি গ্রামের মানিক আহাম্মেদ বলেন, ‘আমার বাড়িতে সেদিন লোকজন না থাকার কারণে বৃষ্টির মধ্যে ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে থাকা মোটর চুরি করে নিয়ে যায়। পরে সকালে এসে জানালার গ্রিল কাটা দেখে ঘরে ঢুকে দেখি মোটর নেই।’

​সরিষাবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, ‘গত কয়েকদিনে ডোয়াইল ইউনিয়নের ঢোলভিটি কালিতলা বাজারসহ বিভিন্ন স্থানের থাকা ৩টি ট্রান্সফার্মার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। চুরি হওয়া কিছু কিছু এলাকায় ট্রান্সফরমার না থাকায় সংযোগ বন্ধ রাখতে হয়েছে।’

সরিষাবাড়ী থানার ওসি ইকবাল হোসেন বলেন, ‘চুরি রোধ করতে নিয়মিত আমাদের পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। এ ছাড়া কিছু চোরকে ইতোমধ্যে আটকও করা হয়েছে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Green warrior Satyajit Roy planting thunderproof palm trees with his own money

নিজের টাকায় ‘বজ্রনিরোধক তালগাছ’ রোপন, সবুজযোদ্ধা সত্যজিৎ রায়

নিজের টাকায় ‘বজ্রনিরোধক তালগাছ’ রোপন, সবুজযোদ্ধা সত্যজিৎ রায় ছবি: সংগৃহীত

কিছু মানুষ আছেন, যাদের জীবন যেন প্রদীপের শিখার মতো—নিজে জ্বলে অন্যকে আলো দেন। নিজেদের প্রচারের আলোক মালায় সাজান না। বরং নিভৃতচারী থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ান। তাদের যেন অর্জন বা প্রাপ্তি কোনো লক্ষ্য নয় । লক্ষ্য কেবল মানুষের কল্যাণ। এমন এক মানুষ হলেন প্রকৌশলী সত্যজিৎ রায়।

নড়াইল সদর উপজেলার গোবরা এলাকার রামনগরচর গ্রামে জন্ম নেওয়া এই মানুষটির শ্লোগান হলো ”কথা না লাগিয়ে,গাছ লাগাও”।

এই শ্লোগানকে সামনে রেখে তিনি বগুড়াসহ খুলনা বিভাগের ৩টি জেলার বিভিন্ন গ্রামীণ সড়কের দুইপাশে ও বাড়ীর আঙ্গিনায় লাগিয়েছেন ৩ লাখ গাছ। এখনও লাগিয়ে চলেছেন।

বয়স এখন ৭৫ বছর। শরীর আগের মতো বলিষ্ঠ নেই। তবুও চোখেমুখে এখনো সেই দীপ্তি। এই বয়সে সত্যজিৎ রায় আজও প্রমাণ করে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন,দেশ গড়ে ওঠে শুধু বক্তৃতায় নয়। গড়ে ওঠে মানুষের প্রতি ভালোবাসা, নিষ্ঠা আর কর্মের সেতু বন্ধনে। এই মানুষটি নিঃশব্দে যে আলোকবর্তিকা জ্বালিয়ে চলেছেন, তা একদিন আরও দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে।

জীর্ণ ঘর থেকে এই ইঞ্জিনিয়ার – মায়ের আর্শীবাদ,এ যেন এক অলৌকিক জয়। টিনের ঘর, ভাঙা দরজা, উঠানে ছাগল-মুরগির খেলা—এই ছিল তার শৈশবের রাজ্য। বাবা শরৎ চন্দ্র রায়ের মৃত্যুর পর মা ললিতা রায় একাই লড়ে গেছেন জীবনের সাথে। কখনও কষ্ট লুকিয়ে, কখনো ক্ষুধা সহ্য করে। শুধু একটাই স্বপ্ন বুকে বেঁধে রেখেছিলেন ছেলেকে বড় মানুষ বানাবেন। কিন্তু মাও আর বেচে নেই। আজ মা-বাবা হারা সেই ছেলে সত্যজিৎ রায় একজন ইঞ্জিনিয়ার।

৪০ বছর বয়সে হারিয়েছেন বাবাকে, আর ৫৫ বছর বয়সে মারা গেছেন মা। অভাবী কৃষক পরিবারের ছেলে সত্যজিৎ রায়। মায়ের প্রচেষ্ঠা,পরের কৃষি জমিতে কামলা দিয়ে আর স্কুল শিক্ষকদের সহযোগিতায় এস,এস,সি পর্যন্ত নিজের লেখাপড়া চালিয়েছেন । কলেজ জীবনের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেন মা-বাবার পাশাপাশি বড় ভাই নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের প্রয়াত অধ্যাপক রনজিৎ রায় ।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষকদের সার্বিক সহযোগিতায় এস.এস.সিতে ঈর্শ্বণীয় রেজাল্ট করে তাক লাগিয়ে দেন সবাইকে। কলেজ জীবনেও তাই। মেধাবী সেই মানুষটি এখন অবসরপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন বিভাগে(বিএডিসি)চাকরি করেন। ২০০৮ সালে চাকরি থেকে অবসরে যান।

বাবার শেখানো ও বিদেশী এক পরিবেশবিদের বক্তব্য শুনে প্রথমে তালবীজ রোপন শুরু করেন তিনি। বাবা মারা যাবার আগে তাকে বলে ছিলেন, বজ্রনিরোধক তালবীজ রোপন করার পদ্ধতি। সেই শিক্ষা এখন নিজের জেলা নড়াইল থেকে শুরু করে বগুড়া, যশোর, বেনাপোল, খুলনা জেলার বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। সত্যজিৎ রায় চাকুরি থেকে অবসর নেবার পর গত ১২ বছরে তালগাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করেছেন ৩ লাখ গাছ। এর মধ্যে ৫০ হাজার তালগাছ ছায়া দিচ্ছে ওই অঞ্চলে। ওই সমস্ত এলাকার মানুষ তাকে চেনেন গাছ প্রেমিক সত্যজিৎ রায় হিসেবে। বর্তমানে পরিবারসহ থাকেন তিনি চট্রগ্রামের পাশলাইশ আবাসিক এলাকায়।

১৯৮৪ সালে নড়াইল সদর উপজেলার মুশুড়িয়া গ্রামের সীতানাথ মল্লিকের কন্যা দেশ বরেণ্য ডাঃ দেবালা মল্লিকের সঙ্গে শুভ পরিণয়ে আবদ্দ হন। দাম্পত্যজীবনে তাদের ঘরে অপারজিতা রায় নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছেন। তিনিও মায়ের মত দেশ বরেণ্য একজন চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

গাছ রোপনের সময় সত্যজিৎ রায় কথনো ব্যাটারিচালিত ইজিভ্যানে চড়ে বন্তাভর্তি তালবীজ দা-শাবল, পানির বালতি ও বোতল, আবার কখনো স্বজনদের মোটরসাইকেলে চড়ে বাড়ীর আঙ্গিণা, পুকুরপাড়সহ গ্রামীণ রাস্তার দুইপাশে বজ্রনিরোধক ও অন্যান্য গাছ লাগিয়েছেন। রোপনের পর নিজ হাতে করেন পরিচর্যা । আর পরিবার স্বজনদের কাছে যাবার সময় লাগানো গাছগুলো দেখভালের জন্য ওই সব এলাকায় নির্দ্দিষ্ট লোক নিয়োজিত রাখেন।এ সবই করেন স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে ।

তিনি বলেন প্রতি বছর ভাদ্র-আশ্বিন দুইমাসে গড়ে প্রায় ২০ হাজার তাল বীজ রোপন করেন। এ হিসেবে ২০০৮ সাল থেকে ১৭ বছরে দুই লাখ ৮০ হাজার তালবীজ ও ২০ হাজার ১৭৫টি অন্যান ফলজ,বনজ, অসুধি,সুগন্ধি ফুলের গাছ রোপন করেছেন। এছাড়া নদী,খাল পাড়ে,বিদ্যালয় আঙ্গিনায় রোপন করলেও তার হিসাব তিনি নিজে রাখতে পারেননি। কিছু গাছ মারা গেছে, সমাজের কিছু দুষ্টু চক্রের মানুষ তার রোপন করা গাছও নষ্ট করেছেন।

যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার বাকড়ী গ্রামের অধ্যাপক নারায়ন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, সত্যজিৎ রায় চট্রগ্রাম থেকে এই এলাকায় আসার পর নিজের রোপন করা গাছ পরিচর্যা করতে সাইকেল চালিয়ে ছুটে যান বিভিন্ন গ্রামে। কোথাও কোন সমস্যা হলে তা এলাকার মানুষের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে সমাধান করেন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের (ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের)অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান চিত্রশিল্পী অধ্যাপক বিমানেশ বিশ্বাস বলেন,সত্যজিৎ রায় নড়াইল ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে তালবীজসহ বিভিন্ন প্রকারের গাছ লাগিয়ে চলেছেন। ওইসব অঞ্চলে তার লাগানো প্রচুর গাছ মাথা উচু করে দাড়িয়ে সাক্ষী দিচ্ছে। তার এই উদ্যোগ সাড়া দেশে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
  The teacher beat up 17 students in Naogaon for joking about Argentina

  আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ, নওগাঁয় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক

  আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ, নওগাঁয় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁয় আর্জেন্টিনা ফুটবল দলকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ জন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গত বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সদর উপজেলার নারচী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম আব্দুস সালাম। তিনি ওই বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত রয়েছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে উত্তেজনা তৈরী হয়েছে। ঘটনার জের ধরে বুধবার (২২ জুলাই) রাতে বিদ্যালয় সংলগ্ন নারচী মোড়ে বিক্ষোভ করেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা মারপিটের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বুধবার (২২ জুলাই) বিদ্যালয় চললেও চতুর্থ শ্রেণির কক্ষে কোন শিক্ষক ছিলেন না। এ সময় এক শিক্ষার্থী গান পরিবেশন করে। গানের শব্দ শুনতে পেয়ে সহকারী শিক্ষক আব্দুস সালাম শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেই ক্ষুব্ধ হোন এবং বৈদ্যুতিক তার দিয়ে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বেধরক মারধর করেন। এতে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকা ২৩ জনের মধ্যে ১৭ জন শিক্ষার্থী শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। আহতদের মধ্যে ছেলে ও মেয়ে উভয় শিক্ষার্থী ছিল।

ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় বিদ্যালয় সংলগ্ন নারচী মোড়ে জড়ো হয়ে তারা বিক্ষোভ করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ও শিক্ষকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বিদ্যালয়টির চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, আর্জেন্টিনা স্পেনের কাছে বাঁশ খাইছে। এইটা বলে আমরা তিনজন গান গেয়েছিলাম। তারপর স্যার রেগে গিয়ে আমাদের পিঠে বেধড়ক মারধর করে।

স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদেরকে অন্যায়ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।

অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, শিক্ষার্থীদের মারধর করায় আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবো।

নওগাঁ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো: ছানাউল হাবিব বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমাদের কাছে লিখতভাবে অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Release of fact finding report on violence against women in Jhenaidah

ঝিনাইদহে নারীর প্রতি সহিংসতার ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রতিবেদন প্রকাশ

ঝিনাইদহে নারীর প্রতি সহিংসতার ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রতিবেদন প্রকাশ ছবি: দৈনিক বাংলা

ঝিনাইদহে নারীর প্রতি সহিংসতা, ˆবৈষম্য ও অধিকারবঞ্চনার বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে পরিচালিত ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং (তথ্য-অনুসন্ধান) প্রতিবেদনের ফলাফল তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে|

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে শহরের ওয়েলফেয়ার এফোর্টস (উই)’র প্রশিক্ষণ কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়| মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন এর সহযোগীতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ওয়েলফেয়ার এফোর্টস (উই)| এসময় উপস্থিত ছিলেন উই’র পরিচালক শরিফা খাতুন, উপজেলা জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি ফোরামের সভাপতি ময়না খাতুন, ডিএইচআরএমও কুতুব উদ্দিন, উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর ছাব্দার হোসেন, আলো ফেরদৌসীসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন|

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে মাঠপর্যায়ে পরিচালিত ১৯ টি নারী নির্যাতনের ঘটনার তথ্য-অনুসন্ধান করা হয়| এর মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা, সামাজিক ˆবষম্য, ন্যায়বিচার প্রাপ্তির প্রতিবন্ধকতা এবং নাগরিক অধিকার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে| ঘটনা গুলো স্থানীয়, সামাজিক ও পারিবাকির ভাবে সমাধান করা হয়েছে|
সংবাদ সম্মেরন থেকে বক্তারা বলেন, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে শুধু আইন প্রণয়ন নয়, তার কার্যকর বাস্তবায়নও জরুরি|

একই সঙ্গে সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক জবাবদিহিতা এবং ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে|

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Comilla Additional Superintendent of Police Saiful Malik passed away

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিকের মৃত্যু

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিকের মৃত্যু ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি ৩৪তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তৌহিদুল আনোয়ার জানান, ভোর ৬ টা ২২ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। প্রথমে কুমিল্লা মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মোহাম্মদ সাইফুল মালিকের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের ছেলে। ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া সাইফুল মালিক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০০৫ সালে তিনি প্রাণিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ২০১৩ সালে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ২০১৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশে ৩৪তম বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন।

তিনি কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
An awareness workshop was held in Faridpur to improve womens mental health

ফরিদপুরে ‘নারীর মানসিক স্বাস্থ্য’ বৃদ্ধিতে সচেতনতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরে ‘নারীর মানসিক স্বাস্থ্য’ বৃদ্ধিতে সচেতনতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত ছবি: দৈনিক বাংলা

নারীদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক সুস্থতা রক্ষায় সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ গড়ে তোলা এবং প্রাথমিক মানসিক সহায়তা সম্পর্কে ধারণা দিতে ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘Women's Mental Health: Awareness, Empathy and Practical Actions’ শীর্ষক দিনব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মশালা।

গত বুধবার (২২ জুলাই) শহরের বেলপিয়াতো চাইনিজ রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স রুমে ফাউন্ডেশন ফর উইমেন পসিবিলিটিজের সহযোগিতায় SPACE Project-এর আওতায় কর্মশালাটির আয়োজন করে নন্দিতা সুরক্ষা।

কর্মশালায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মজীবী নারী, তরুণ-তরুণী, যুব অ্যাক্টিভিস্ট, স্বেচ্ছাসেবক, নারী অধিকারকর্মী, সামাজিক উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধিসহ মোট ২৫ জন অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট ব্লাস্টের মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোসামাজিক সুস্থতাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট মাহাপারা আলম । তিনি নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বর্তমান বাস্তবতা, শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি, মানসিক চাপ, উদ্বেগ, বার্নআউট ও বিষণ্ণতার কারণ, প্রাথমিক লক্ষণ এবং এসব পরিস্থিতিতে সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ ও প্রাথমিক মানসিক সহায়তার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

কর্মশালাটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। এতে বিশেষজ্ঞের উপস্থাপনা, দলীয় আলোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং ব্যক্তিগত অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়নের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে বাস্তবধর্মী জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি তরুণ ও অ্যাক্টিভিস্টদের নিজ নিজ কর্মক্ষেত্র ও কমিউনিটিতে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, ইতিবাচক বার্তা প্রচার এবং সহায়তামূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় নন্দিতা সুরক্ষার নির্বাহী পরিচালক তাহিয়াতুল জান্নাত বলেন, ‘নারীর মানসিক স্বাস্থ্য একটি মৌলিক অধিকার। সুস্থ সমাজ গঠনে নারীর মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। নন্দিতা সুরক্ষা ভবিষ্যতেও নারী ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।’

কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেনিফিসিয়ারিজ ফ্রেন্ডশিপ ফোরাম বিএফএফের নির্বাহী পরিচালক আনম ফজলুল হাদী সাব্বির। তিনি বলেন, ‘নারীর শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত না হলে ব্যক্তি, পরিবার, কর্মক্ষেত্র এবং সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন ব্যাহত হয়।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Bhangura the rural market worth one and a half crore rupees has not opened even in 6 years

ভাঙ্গুড়ায় দেড় কোটি টাকার গ্রামীণ মার্কেট চালু হয়নি ৬ বছরেও

ভাঙ্গুড়ায় দেড় কোটি টাকার গ্রামীণ মার্কেট চালু হয়নি ৬ বছরেও ছবি: সংগৃহীত

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত গ্রামীণ মার্কেটটি ছয় বছরেও চালু করা যায়নি। দোকান বরাদ্দ না হওয়ায়, দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে অত্যাধুনিক সুবিধা সংবলিত এই মার্কেট। ফলে এর অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয়রা। আর প্রতি বছর রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

জানা গেছে, দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই উপজেলার ময়দানদিঘী বাজারে একটি অত্যাধুনিক দ্বিতল মার্কেটের ভবন নির্মাণকাজ আরম্ভ হয়। ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর নির্মাণকাজ করে। ২০২০ সালে ভবনটির কাজ সম্পন্ন হয়। এর দেড় বছর পর ২০২২ সালে মার্কেট ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

আরো জানা যায়, এই ভবনটিতে ১৪টি দোকান রয়েছে। এর নিচতলায় কাঁচা বাজার, মাছ-মাংস আর দোতলায় হার্ডওয়ার, গার্মেন্টস ও কসমেটিক্স প্রভৃতি দোকান বসার কথা।

এছাড়া মার্কেটটিতে রয়েছে পানি ও টয়লেটের ব্যবস্থা। কিন্তু দীর্ঘদিনেও দোকান বরাদ্দ না হওয়ায়, তা জনগণের কোনো কাজেই আসছে না।

ময়দানদিঘী বাজারের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রায় ছয় বছর আগে এই মার্কেটটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। কিন্তু দোকান বরাদ্দ না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তা তালাবদ্ধ রয়েছে। ফলে এর সুযোগ-সুবিধা থেকে স্থানীয়রা বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্থানীয় মানিক খান বলেন, দেড় কোটি টাকার এই মার্কেট ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এটি শিগগির চালু করা দরকার। এতে স্থানীয় লোকজন উপকৃত হবেন। পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আদায় হবে।

খানমরিচ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন মিঠু বলেন, এ বিষয়ে ইউএনওর সঙ্গে তার কথা হয়েছে। সবাই বসে মার্কেটের দোকান বরাদ্দের বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বলেন, মার্কেটটি চালু করতে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

মন্তব্য

p
উপরে