× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Semi automatic signals are coming at 120 intersections to modernize the capitals traffic system
google_news print-icon

রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় আধুনিকায়নে ১২০ মোড়ে আসছে সেমি-অটোমেটিক সিগন্যাল

রাজধানীর-ট্রাফিক-ব্যবস্থায়-আধুনিকায়নে-১২০-মোড়ে-আসছে-সেমি-অটোমেটিক-সিগন্যাল
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মহানগরের যানজট নিরসনে আগামী ছয় মাসের মধ্যে ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালুর মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বর্তমানে ১২টি পয়েন্টে এই প্রযুক্তি চালু থাকলেও আগামী এক মাসের মধ্যে এর পরিধি ৬০টি মোড় ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ট্রাফিক বিভাগ। প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি যানজট কমাতে গত এক বছরে শহরের ৭৫টি স্থানে রাস্তার নকশা ও চলাচলের পথে কৌশলগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভবিষ্যতে জিপিএস ভিত্তিক নজরদারির মাধ্যমে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্য রয়েছে ডিএমপির।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই আধুনিকায়ন পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জনবল সংকট ও কর্মঘণ্টার হিসাব দিয়ে বলেন, "বর্তমানে ডিএমপি ট্রাফিকে প্রায় ৪ হাজার ১০০ সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তবে ছুটি, প্রশিক্ষণ ও অসুস্থতার কারণে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার ৭০০ সদস্য রাজধানীর ৬৬৮টি ট্রাফিক পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করেন।" এর মধ্যে প্রায় ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিরতিহীনভাবে তিন পালায় দায়িত্ব পালন করতে হয় এবং বাকি পয়েন্টগুলোতে দুই পালায় ডিউটি চলে বলে তিনি জানান।

সীমিত জনবল দিয়ে মেগাসিটির ট্রাফিক সামলানোর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে আনিছুর রহমান বলেন, "সীমিত জনবল দিয়েই রাজধানীর যানজট কমাতে গত প্রায় এক বছরে ৭৫টি পয়েন্টে ডাইভারশন ও বিভিন্ন ধরনের মডিফিকেশন করা হয়েছে। কোথাও ডাইভারশন দেওয়া হয়েছে, কোথাও সড়কের চলাচল ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।" এই উদ্যোগের ফলে মাঠপর্যায়ে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে এবং কোথাও নতুন করে কোনো জটিলতা তৈরি হয়নি। বিশেষ করে আসাদ গেট সংলগ্ন চার রাস্তার মোড়ে সরাসরি চলাচল বন্ধ করে ইউটার্ন ব্যবস্থা করায় যানজট অনেকাংশে কমেছে। তিনি জানান, সেখানে এখন বাম লেন সর্বদা সচল থাকছে এবং জনবল নিয়োগের প্রয়োজনীয়তাও কমেছে।

একই ধরনের প্রকৌশলগত পরিবর্তন মোহাম্মদপুরের বসিলা, বনানীর কাকলী এবং মিরপুরের কালশী ফ্লাইওভারের নিচেও কার্যকর করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের মতে, "রাজধানী ঢাকা একটি অত্যন্ত জনবহুল মেগাসিটি। এখানে শুধু ট্রাফিক সদস্যের সংখ্যা বাড়িয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সড়কের নকশা বিশ্লেষণ করে বৈজ্ঞানিকভাবে ডাইভারশন ও মডিফিকেশন করা গেলে সেটিই সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়।" তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য সনাতন পদ্ধতির বদলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো অপরিহার্য। সেই লক্ষ্যেই পর্যায়ক্রমে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা বিস্তৃত করা হচ্ছে যা আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রধান ১২০টি পয়েন্টে কার্যকর হবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The buyers are being cheated by selling farmed horn fish under the name of ``desi

চাষের শিং মাছ ‘দেশি’ নামে বিক্রি, প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা

চাষের শিং মাছ ‘দেশি’ নামে বিক্রি, প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা ছবি: সংগৃহীত

মাদারীপুরের বিভিন্ন মাছের বাজারে অতি মুনাফার লোভে এখন হরহামেশা কেমিক্যাল মিশ্রিত চাষ করা শিং মাছ হলুদ রঙের বানিয়ে দেশি শিং মাছ বলে বিক্রি করছেন কিছু অসাধু মাছ ব্যবসায়ী। এতে ক্যান্সার ও কিডনি ড্যামেজ হওয়াসহ দুরারোগ্য নানা জটিল রোগের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে মাদারীপুরের প্রসিদ্ধ ইটেরপুল মাছ বাজারে সরেজমিনে দেখা যায় ওই বাজারের বেশ কয়েকজন মাছ বিক্রেতা এই ধরনের শিং মাছ বিক্রি করছেন। এ ব্যাপারে ওই বাজারে খুচরা বিক্রেতা মো. শহীদ মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি ভিডিও সাক্ষাৎকারে তা অকপটে স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা খুচরা মাছ বিক্রেতা, মাদারীপুরের বৃহত্তর মস্তফাপুর মাছের আড়ত থেকে এই শিং মাছসহ অন্যান্য মাছ পাইকারি ক্রয় করে এখানের বাজারে এনে খুচরা বিক্রি করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সেখানকার আড়তদাররা ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন আড়ত থেকে চাষ করা শিং মাছ প্লাস্টিকের ড্রামে করে মস্তফাপুর আড়তে এনে বিক্রি করেন, মূলত মস্তফাপুর আড়ত থেকেই মাছ হলুদ করার কেমিক্যাল ড্রামের পানির মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং মাছগুলো ওই ড্রামের পানি খেয়েই হলুদ আকার ধারণ করে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক ক্রেতা বলেন, ‘চাষের শিং মাছের দাম কম, আর দেশি শিং মাছের দাম অনেক বেশি। তাই অসাধু মাছ বিক্রেতারা ক্রেতাদের ঠকিয়ে বেশি দামে বিক্রির জন্যই এমন অনৈতিক, বেআইনি ও কেমিক্যাল মিশ্রিত করে তা বিক্রি করছেন, যা স্বাস্থ্যের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর হবে নিঃসন্দেহে।’ তারা এ ব্যাপারে মাদারীপুর জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kamalganj farmers trying to turn around in the flood have washed away the dreams of Aman rice

বন্যায় ভেসে গেছে স্বপ্ন, আমন ধানে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় কমলগঞ্জের কৃষক

বন্যায় ভেসে গেছে স্বপ্ন, আমন ধানে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় কমলগঞ্জের কৃষক ছবি: সংগৃহীত

কয়েকদিন আগেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে ছিল ফসল ও সবজি ক্ষেতের সবুজ সমারোহ। আউশ ধান, আমনের বীজতলা আর মৌসুমি সবজির ফলন দেখে কৃষকের মুখে ছিল স্বস্তির হাসি। ব্যাংক ঋণ ও ধারদেনা করে ফলানো সেই ফসল ঘরে তুলে ঋণ শোধের পাশাপাশি পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন ছিল তাদের। তবে আকস্মিক বন্যা মুহূর্তেই সব স্বপ্ন তছনছ করে দিয়েছে।

বন্যার পানি নেমে গেলেও রেখে গেছে শুধুই কাদামাটিতে চাপা পড়ে থাকা কৃষকের ঘাম, শ্রম ও নিঃশ্বাসের নির্মম চিহ্ন। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন ক্ষতবিক্ষত জমি আর হতাশ কৃষকের দীর্ঘশ্বাস। তবুও বুকভরা কষ্ট চেপে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সংগ্রামে মাঠে নেমেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

সাম্প্রতিক এ বন্যায় উপজেলার আউশ ধান, আমনের বীজতলা ও মৌসুমি সবজি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক জমিতে বানের সঙ্গে ভেসে আসা পলি ও বালু জমে থাকায় নতুন করে আবাদ শুরু করতে অতিরিক্ত খরচ গুণতে হচ্ছে। তবুও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কেউ বীজতলা প্রস্তুত করছেন, কেউ জমি পরিষ্কার করছেন, আবার কেউবা রোপা আমনের জন্য জমি তৈরি করছেন। তাদের একটাই লক্ষ্য—আমন মৌসুমের মাধ্যমে অন্তত আউশের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া।
জানা গেছে, সাম্প্রতিক বন্যায় উপজেলায় প্রায় ৭০ হেক্টর আউশ ধানের জমি, ৩০ হেক্টর আমনের বীজতলা এবং ২৬ হেক্টর সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলার মখাবিল এলাকার টমেটো চাষি আব্দুর রহিম আকুতি জানিয়ে বলেন, ‘ঋণ করে দুই কিয়ার জমিতে টমেটো চাষ করেছিলাম। বানের পানিতে সব শেষ হয়ে গেছে। ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করব, সেই চিন্তায় রাতে ঘুম আসে না।’
পতনউষার ইউনিয়ন এলাকার কৃষক শাহাজাহান মিয়া বলেন, ‘আমাদের এলাকা সরাসরি নদীভাঙনের শিকার না হলেও নিচু হওয়ায় ধানের জমি তলিয়ে ছিল। এখন ফসল আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’

বীজতলা হারানো কৃষক রাজ্জাক মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, ‘বানের পানিতে আমার আমনের বীজতলা পুরো নষ্ট হয়ে গেছে। এখন কীভাবে রোপা আমনের আবাদ করব বুঝতে পারছি না।’

কৃষক জাহাঙ্গীর মিয়া ক্ষোভ ও কষ্টে বলেন, ‘ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে টমেটো চাষ করেছিলাম। এখন সংসার চালানো আর ঋণ শোধ করা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি।’

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলমান রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে যত দ্রুত সম্ভব ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে বীজ ও সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।’

বন্যার আঘাতে স্বপ্ন চুরমার হলেও থেমে নেই কমলগঞ্জের কৃষকরা। ক্ষতি সামলে নতুন আশায় ও উদ্যমে আবারও মাঠে ফিরেছেন তারা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rafiq Ullah Afsari advises MP Gazi Nazrul for 2 more marriages

এমপি গাজী নজরুলকে আরও ২ বিয়ের পরামর্শ রফিক উল্লাহ আফসারীর

এমপি গাজী নজরুলকে আরও ২ বিয়ের পরামর্শ রফিক উল্লাহ আফসারীর ছবি: সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ফাঁস হওয়া অন্তরঙ্গ ভিডিও এবং ব্যক্তিগত মুহূর্তের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশের আলোচিত ইসলামী বক্তা মাওলানা রফিক উল্লাহ আফসারী। একই সঙ্গে তিনি এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে প্রয়োজনে আরও দুই বিয়ে করার পরামর্শ দিয়েছেন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ পেয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হওয়ার পর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নিজস্ব ভিডিও বার্তায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

উক্ত ভিডিও বার্তায় মাওলানা রফিক উল্লাহ আফসারী বলেন, তাঁর সম্মানিত ভাই গাজী নজরুল ইসলামের উচিত আরও দুটি বিয়ে করা, কারণ ইসলামে এটি একটি সম্পূর্ণ হালাল বিষয় এবং এতে লজ্জার কিছু নেই। যারা অন্যায়ভাবে স্বামী-স্ত্রীর গোপন ও পবিত্র মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল করছে, তাদের একদিন নিশ্চয়ই পরকালে আল্লাহর দরবারে জবাবদিহি করতে হবে। ইসলামের সাহাবিদের বৈবাহিক ও পারিবারিক জীবনের নানা ইতিবাচক উদাহরণ টেনে তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক ভালোবাসা ও আন্তরিকতা ইসলামেরই স্বাভাবিক সৌন্দর্য এবং বিবাহ একটি অত্যন্ত পবিত্র বন্ধন। ফলে স্বামী-স্ত্রীর অতি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জনসম্মুখে ছড়িয়ে দিয়ে কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করা কিংবা পরিবারকে বিব্রত করা কোনোভাবেই সুস্থ মানসিকতার পরিচায়ক নয়।

এমপি গাজী নজরুল ইসলামের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে এবং তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, সাতক্ষীরা শহরের সম্মানিত এমপি গাজী নজরুল ইসলাম দ্বীনের একজন অতন্দ্র প্রহরী এবং কোটি কোটি মুসলমানের ভালোবাসার পাত্র। তাঁদের একান্ত স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল করে সমাজ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ঠিক কী ধরনের শান্তি পেলেন, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

একই সাথে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বিষয়টি এমনভাবে বড় করে উপস্থাপন করা হচ্ছে যেন কোনো মারাত্মক অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। অনৈতিকভাবে এই ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য বা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার সাথে জড়িতদের পরকালে আল্লাহর কঠিন বিচারের সম্মুখীন হতে হবে বলে এই বক্তা হুশিয়ার করেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (২০ জুলাই) রাতে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের একটি ঘরোয়া ও অন্তরঙ্গ ভিডিও ক্লিপ হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা দেশজুড়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে চরম আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
47 mobile phones recovered in Rangamati have been handed over to their owners

রাঙামাটিতে উদ্ধার হওয়া ৪৭টি মোবাইল ফোন মালিকদের কাছে হস্তান্তর

রাঙামাটিতে উদ্ধার হওয়া ৪৭টি মোবাইল ফোন মালিকদের কাছে হস্তান্তর ছবি: সংগৃহীত

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের সফল প্রচেষ্টায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে হারিয়ে যাওয়া ৪৭টি মোবাইল ফোন। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলো মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রকৃত মালিকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব। তিনি বলেন, ‘জনসেবার মান উন্নয়নে এবং অপরাধ দমনে প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংকে আরও কার্যকর করতে জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

পুলিশ সূত্র জানা গেছে, রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনগুলো তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শনাক্ত ও উদ্ধার করে জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল।

অনুষ্ঠানে মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পুলিশ সুপারসহ রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ইকবাল হোছাইন, সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং সেলের অন্যান্য সদস্যরা।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জনসেবায় সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকে প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের মাধ্যমে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Narail child rape and highway blockade demanding the execution of the killer

নড়াইলে শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মহাসড়ক আবরোধ

নড়াইলে শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মহাসড়ক আবরোধ ছবি: সংগৃহীত

নড়াইলে শিশুকন্যা জান্নাতুল মাওয়া (৫) ওরফে জান্নাতিকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মো. রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে ঢাকা-বেনাপোল ভায়া নড়াইল অংশের দত্তপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জান্নাতি নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের মফিজুর রহমানের কন্যা। অভিযুক্ত মো. রবিউল ইসলাম একই গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে।

নিহত জান্নাতির চাচা মো.আতিয়ার হোমেন বলেন, ‘অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম গত সোমবার বিকালের দিকে শিশু জান্নাতিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ শেষে একটি কাঁথার মধ্যে পেঁচিয়ে রেখে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। জান্নাতির বাবা-মা স্বজনরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তারা রবিউলের বাড়িতে যায়। সেখানে কাঁথায় পেঁচিয়ে রাখা একটি শিশুর দুই পা দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে। শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া অভিযুক্ত রবিউলকে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালের দিকে লোকাল একটি বাস থেকে মহাসড়কের দত্তপাড়া নামক বাসস্ট্যান্ডে নামতে দেখে এলাকার মানুষ তাকে ধরে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ জনতার কাছ থেকে তাকে উদ্ধার করে সদর থানায় নিয়ে আসে। বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত রবিউলের ফাঁসির দাবিতে ঢাকা-বেনাপোল ভায়া নড়াইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েকশ যানবাহন আটকা পড়ে। নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পুলিশ সুপার আল মামুন শিকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিক, সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আসামির বিরুদ্ধে খুব তাড়াতাড়ি উপযুক্ত বিচারের নিশ্চয়তা দেওয়ার পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরে বলেন, ‘শিশু জান্নাতুল মাওয়া জান্নাতিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে অপরাধীকে ধরতে পুলিশ সব ধরনের চেষ্টা চালিয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Former Bhangura MP son Russell and his accomplice arrested

ভাঙ্গুড়ার সাবেক এমপিপুত্র রাসেল ও তার সহযোগী গ্রেপ্তার

ভাঙ্গুড়ার সাবেক এমপিপুত্র রাসেল ও তার সহযোগী গ্রেপ্তার ছবি: সংগৃহীত

পাবনার ভাঙ্গুড়ার নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম হাসনাইন রাসেল ও তার সহযোগী বশির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ‎

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবনা ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম। এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত সোমবার রাত ৩টার দিকে পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল ঢাকার মিরপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। ‎‎ ‎রাসেল পাবনা-৩ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি মকবুল হোসেনের বড় ছেলে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আর তার সহযোগী বশির আহমেদ উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক ও স্থানীয় এপিক প্রিন্টার্সের মালিক। ‎

‎স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ১৬ বছর এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল রাসেল ও তার ছোট ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইবনুল হাসান শাকিলসহ প্রভাবশালী কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা। তাদের ক্ষমতার দাপটে এলাকার সব শ্রেণিপেশার মানুষ ছিলেন অসহায়। সে সময়কার বিরোধী দল বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের নামে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দিয়ে হয়রানি করা হতো। এমনকি নিজ দলের একটি অংশকে দল থেকে বিতাড়িত করার মিশন চালিয়েছিলেন তারা।

‎‎এ ছাড়া ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর ও চাটমোহর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ-বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে ওই নেতার বিরুদ্ধে। ‎

‎এরপর ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর জনগণের রোষানল থেকে বাঁচতে রাতের আঁধারে এলাকা থেকে পালিয়ে যান তিনি।

পাবনা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকায় গ্রেপ্তারের পর পাবনা ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে পাবনা আদালতে পাঠানো হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transfer and posting of 14 officers in police administration

পুলিশ প্রশাসনে ১৪ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন

পুলিশ প্রশাসনে ১৪ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন ফাইল ছবি

পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে সরকার। বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি), অতিরিক্ত ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদার মোট ১৪ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করে নতুন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রজ্ঞাপন শাখা থেকে জারি করা পৃথক তিনটি প্রশাসনিক আদেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। জনস্বার্থে জারি করা বিশেষ এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য প্রজ্ঞাপনে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি মো. আতাউল কিবরিয়াকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) ডিআইজি পদে বদলি করা হয়েছে। তাঁর স্থলে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসানকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের নতুন ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। একই সাথে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার আবদুল কুদ্দুস চৌধুরীকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি সারোয়ার মোর্শেদ শামীমকে এসএমপির নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি সিআইডির ডিআইজি মাসুদ করিমের পূর্বের একটি বদলি আদেশ বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও পুলিশ সদর দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতেও নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। এন্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিন আহমেদকে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি বা পদায়ন দিয়ে র‍্যাবে পাঠানো হয়েছে। আর শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কফিল উদ্দিনকে পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ের রদবদলে পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছফি উল্লাহকে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছে এবং তাঁর স্থানে এন্টি টেররিজম ইউনিটের আবু আশরাফকে পাবনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও প্রশাসনিক প্রয়োজনে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন রেঞ্জে যুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি নাসিয়ান ওয়াজেদ, পুলিশ সদর দপ্তরের আ ফ ম নিজাম উদ্দিন এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) বিশেষ পুলিশ সুপার তাহসিন মাশরুফ হোসেন মাসফিকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের মোহাম্মদ আশিকুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জে, ট্যুরিস্ট পুলিশের মো. আপেল মাহমুদকে রাজশাহী রেঞ্জে এবং সিআইডির মীর আবু তৌহিদকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে পদায়ন করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব তৌহিদ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে ও প্রশাসনিক গতিশীলতা আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে