× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
3 people of the same family died due to electrocution in Chapainawabganj
google_news print-icon

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে-বিদ্যুৎস্পৃষ্টে-একই-পরিবারের-৩-জনের-মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় এক পরিবারের তিন সদস্য বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বারোঘরিয়া ইউনিয়নের বাদুরতলা এলাকায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন ওই এলাকার বাসিন্দা ভিকুর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৫২), তার ভাতিজি আশা খাতুন (২৬) এবং আশার কন্যা মিম আক্তার (১৩)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে হাসিনা বেগম একটি লোহার মই ব্যবহার করে ছাদে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। মইটি আগে থেকেই কোনোভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে থাকায় তিনি সেটির সংস্পর্শে আসা মাত্রই তড়িৎদাহের শিকার হন। এই সময় তাকে বিপদ থেকে বাঁচাতে গিয়ে একে একে আশা খাতুন ও মিম আক্তারও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, "বারোঘরিয়াতে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে তিনজন মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশের একটা টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছে। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।" হঠাৎ একই পরিবারের তিন সদস্যের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Rajshahi University students were beaten up in the Padma Express train the train was stopped

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, ট্রেন চলাচল বন্ধ

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, ট্রেন চলাচল বন্ধ ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ রেলওয়ের পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে টিকিট এক্সামিনারের (টিটিই) বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। টিটিইর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে শিক্ষার্থীরা রেললাইন অবরোধ করেন একদল শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় এই অবরোধের কারণে সারা দিন রাজশাহীর সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের রেল যোগাযোগ বন্ধ ছিল। আন্তনগর ও লোকালসহ বেশ কয়েকটি ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা পড়েন ভোগান্তিতে।

ঢাকাগামী সিল্কসিটি এক্সপ্রেসে ওঠার অপেক্ষায় থাকা সাদমান হক বলেন, ‘চার ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি। তার পরেও ট্রেন আসার কোনো খবর নেই তাই বাধ্য হয়ে বসে আছি।

অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে ঢাকায় যাওয়া যাত্রী রোকসানা বেগম বলেন, 'আমার স্বামী অসুস্থ। জরুরি ভিত্তিতে আমাদের ঢাকায় যেতে হবে। কিন্তু ট্রেন কখন ছাড়বে, কেউ বলতে পারছে না। কেউ কোনো তথ্যও দিচ্ছে না। অপেক্ষা করব, নাকি বাসে চলে যাব, বুঝতে পারছি না।'

আরেক যাত্রী ফজলুল হকও ভ্রমণ না করেই স্টেশন ছেড়ে চলে যান।

তিনি বলেন, 'এভাবে মানুষকে কষ্ট দেওয়ার কোনো মানে হয় না। শুনেছি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ চলছে। কিন্তু এর ভোগান্তি আমাদের কেন পোহাতে হবে?'

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ব্যবস্থাপক জিয়াউল আহসান জানান, ঢাকাগামী বনলতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, ঢালারচর এক্সপ্রেস, মহানন্দা এক্সপ্রেস, ঢাকা মেইল এবং অন্যান্য যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

তিনি বলেন, 'এই সময়ে চলাচলের জন্য নির্ধারিত সব ট্রেনের কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়েছে।'

তিনি আরও জানান, রাজশাহী থেকে প্রতিদিন ৩২টি ট্রেন চলাচল করে।

তিনি বলেন, যেসব যাত্রী ভ্রমণ করতে পারছেন না, তাদের টিকিটের অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে।

আহসান বলেন, অভিযুক্ত টিটিইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে বিক্ষোভকারীরা তাকে তাদের সামনে হাজির করার দাবি জানাচ্ছেন।

তিনি বলেন, 'অভিযুক্ত টিটিইর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। প্রশাসনের মাধ্যমেই বিষয়টির সমাধান হওয়া উচিত।'

তিনি আরও জানান, অচলাবস্থা নিরসনে বিভাগীয় কমিশনার, রাবির উপাচার্য এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপককে নিয়ে একটি বৈঠক চলছে।

রাবির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফুরকান উদ্দিন অভিযোগ করেন, গত রোববার পদ্মা এক্সপ্রেসে সরকারি রসিদ ছাড়া যাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের প্রতিবাদ করায় তাকে মারধর করা হয়। এ ঘটনার পরই শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন। তারা অভিযুক্তের শাস্তি, নিরপেক্ষ তদন্ত, ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেলওয়ে স্টেশনে সব আন্তনগর ট্রেনের নির্ধারিত যাত্রাবিরতির দাবি জানাচ্ছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In a separate incident 3 children drowned in Magura

পৃথক ঘটনায় পানিতে ডুবে মাগুরায় ৩ শিশুর মৃত্যু

পৃথক ঘটনায় পানিতে ডুবে মাগুরায় ৩ শিশুর মৃত্যু ফাইল ছবি

পানিতে ডুবে পৃথক ঘটনায় মাগুরার মৌশা এবং কালিনগর গ্রামে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহমেদ জানান, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে মহম্মদপুর উপজেলার মৌশা গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে রাফিয়া (২) ও রাইশা (৩) নামে দুই কন্যা শিশুর মারা গেছে। সম্পর্কে তারা আপন চাচাতো বোন।

মৃত দুই শিশুর আত্মীয় রিমা খাতুন জানান, সকালে খাবার খাওয়ার পর দুই শিশু বাড়ি থেকে বের হয়। দীর্ঘ সময় তাদের খোঁজ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে তাদের ভাসতে দেখে। পরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. কাজী আবু হাসান পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দুই শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন। মৃত রাফিয়া মৌশা গ্রামের আমিনুরের কন্যা এবং রাইশা আলিনূরের কন্যা।

একসঙ্গে দুই শিশুর এমন করুণ মৃত্যুতে তাদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম।

অন্যদিকে মাগুরা সদর উপজেলার কালিনগর গ্রামের আলী মোল্লার শিশু পুত্র ইয়াসিন মোল্লার (৯) মৃতদেহ মধুমতি নদীর বাগবাড়িয়া এলাকা থেকে সকালে মাগুরা ফায়ার সার্ভিস এর একটি টিম উদ্ধার করেছে।

মাগুরা ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার জামাল উদ্দিন জানান, গত রবিবার বিকেলে ইয়াসিন তার চাচার সাথে মধুমতি নদীতে যায় পাট জাগ দেয়ার কাজে সাহায্য করতে। অসাবধানতাবশত পা পিছলে শিশুটি নদীতে পড়ে গেলে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়না। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার বাগবাড়িয়া এলাকায় নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসীরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে যেয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 killed 3 injured in Singair truck CNG collision

ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে সিংগাইরে নিহত ১, আহত-৩

ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে সিংগাইরে নিহত ১, আহত-৩ ছবি: সংগৃহীত

হেমায়েতপুর-সিংগাইর-মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের মেদুলিয়া ডাবল ব্রীজ এলাকায় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যাত্রী নিহত হয়েছে। আরো ৩ জন আহত হয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ৮ টার দিকে হেমায়েতপুর- সিংগাইর-মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের মেদুলিয়া ডাবল ব্রীজ এলাকার সড়কে।

স্থানীয়রা জানান, সাভার উপজেলার হেমায়েতপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি সিএনজি মেদুলিয়া ডাবল ব্রীজ এলাকায় পৌছালে বিপরীত দিকে আসা ঢাকাগামী একটি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। সিএনজি'র অজ্ঞাতনামা এক যাত্রী ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। অপর ৩ যাত্রী গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে থানা পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পৌছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ সূত্র জানায়, নিহত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) উদ্ধার করা হয়েছে। পরিচয়পত্রে তার নাম মো. রফিকুল ইসলাম এবং ঠিকানা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার খোর্দ্দযোগিনী উল্লেখ থাকলেও প্রাথমিক অনুসন্ধানে ওই পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে নিহত ব্যক্তির পরিচয়ের মিল পাওয়া যায়নি। ফলে তার প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে। দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক ট্রাকটি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পলাতক ট্রাক ও চালককে শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া ট্রাক ও চালককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The dilapidated building of the health sub service center in Satbaria is at risk to the beneficiaries

সাতবাড়িয়ায় স্বাস্থ্য উপসেবা কেন্দ্রের জরাজীর্ণ ভবন, ঝুঁকিতে সেবাগ্রহীতারা

সাতবাড়িয়ায় স্বাস্থ্য উপসেবা কেন্দ্রের জরাজীর্ণ ভবন, ঝুঁকিতে সেবাগ্রহীতারা ছবি: সংগৃহীত

মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য যে প্রতিষ্ঠানের জন্ম, সেই প্রতিষ্ঠানই যেন আজ বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে। একসময় যে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ছিল হাজারো মানুষের চিকিৎসার জন্য নির্ভরতার ঠিকানা, সময়ের পরিবর্তনে অবহেলা ও অযত্নে সেই সেবাকেন্দ্রের ভবন এখন পরিণত হয়েছে ঝুঁকির প্রতীকে। প্রতিদিন অসুস্থ মানুষ সুস্থতার আশায় এখানে আসেন, কিন্তু জরাজীর্ণ ভবন তাদের মনে তৈরি করে অজানা আতঙ্ক। ভেড়ামারা উপজেলার সাতবাড়ীয়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভাঙা দেয়াল-ছাদের ইট- সুরকি খুলে পড়ছে। ফলে সেবাগ্রহীতারা চরম আতঙ্ক রয়েছে। এটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার সাতবাড়ীয়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটির বর্তমান চিত্র এমনই করুণ। শতবর্ষের পুরোনো এই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ধীরে ধীরে নাজুক হয়ে পড়েছে। ভবনের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, প্রতিদিন সকাল থেকে এই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে রোগীদের ভিড় জমে থাকে। এলাকার সাধারণ মানুষ, নারী, শিশু ও বয়স্করা চিকিৎসাসেবা নিতে ছুটে আসেন এখানে। কিন্তু তাদের অনেককেই চিকিৎসার পাশাপাশি ভবনের নিরাপত্তা নিয়েও চিন্তিত থাকতে হয়।

চিকিৎসা নিতে রোগীর অভিভাবক মনোয়ার হোসেন বলেন, চিকিৎসার ঠিকানা এখন নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সাতবাড়ীয়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ঝুঁকির ছায়া আমরা দেখতে পায়।

স্থানীয় বাসিন্দা সেলিম হোসেন বলেন, এখানে অনেক রোগী আসে জায়গা সংকুলান হয়না। যে ভবনটি রয়েছে তা দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ভবনটির অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চারপাশ অরক্ষিত থাকায় সন্ধ্যার পর সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত লোকজনের আনাগোনা বাড়ে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

চিকিৎসা নিতে রোগীরা বলেন, সাতবাড়ীয়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি শুধু সংস্কার নয়, আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে রূপান্তর করা হোক। কারণ এই কেন্দ্রের সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজারো মানুষের জীবন ও সুস্থতার প্রত্যাশা।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তাদের আশা, প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে হাজারো মানুষের শেষ ভরসা শতবর্ষের এই সেবাকেন্দ্র আবারও হয়ে উঠবে মানুষের আস্থা ও নিরাপদ চিকিৎসার ঠিকানা।

এবিষয়ে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ইতিপূর্বে বিষয়টি জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কয়েক দফা চাহিদা পত্র পাঠানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ৪ জুলাই পুনরায় চিঠি দিয়ে অধিদপ্তরের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ কে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A project briefing meeting was held with the beneficiaries at Kurigram

কুড়িগ্রামে উপকারভোগীদেরকে নিয়ে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে উপকারভোগীদেরকে নিয়ে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামে জলবায়ু, অভিযোজন ও ব্যবস্থাপনা, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও আয়বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম এবং স্বাস্থ্য ও নিরাপদ পানি ও পয়:নিষ্কাশন বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং প্রকল্পের উপকারভোগীদেরকে নিয়ে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১১টায় শহরের এএফএডি কনফারেন্স কক্ষে অবহিতকরণ সভায় এএফএডি’র নির্বাহী প্রধান সাইদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান, কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন, সাবেক সিভিল সার্জন ডা. এসএম আমিনুল ইসলাম, সাংবাদিক নাজমুল ইসলাম, মাল্টিজার ইন্টারন্যাশনালের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর শহিদুল ইসলাম, ফিন্যান্স কো-অর্ডিনেটর মোস্তফা এহসান, ঘোগাদহ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক সরকার, পাঁচগাছী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন সরকার প্রমুখ।

জার্মানভিত্তিক মাল্টিজার ইন্টরন্যাশনাল বিএমজেড-পিটি প্রকল্পের অর্থায়নে এবং স্থানীয় বেসরকারি সংগঠন এসোসিয়েশন ফর অল্টারনেটিভ (এএফএডি) সহযোগিতায় ‘স্ট্রেনদেনিং রেজিলেন্স এন্ড ইম্প্রুভিং লিভিং কনডিশনস অব ভালনারেবল কমিউনিটিজ ইন কুড়িগ্রাম এন্ড সাতক্ষীরা’ প্রকল্পের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ও পাঁচগাছী ইউনিয়নে ৫৪০জন উপকারভোগীর জীবনমান উন্নয়নে ৪ বছর মেয়াদে কাজ বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পের সুবিধাভোগীর মধ্যে রয়েছে দুর্যোগপ্রবণ এলাকার নারী, গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মা, অতিদরিদ্র ও নৃ-তাত্মিক সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি ও তাদের পরিবার।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
53 Free treatment and medicine distribution in Chapainawabganj under the initiative of BGB

৫৩ বিজিবির উদ্যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ

৫৩ বিজিবির উদ্যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ ছবি: সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মা নদী তীরবর্তী সীমান্ত এলাকায় অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার নারায়ণপুর এবং শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা ইউনিয়নের বাসিন্দাদের জন্য এ বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

সদর উপজেলার নারায়ণপুর মাহমুদা মতিউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই মেডিকেল ক্যাম্পে দুই ইউনিয়নের অন্তত ১০টি গ্রামের প্রায় দুই হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা নূরে বানু বলেন, আমাদের বাড়ি পদ্মা নদীর একেবারে ধারে। সারাক্ষণ ভাঙনের আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করতে হয়। কখন যে নদী ঘরবাড়ি, জমিজমা গিলে খাবে, সেই ভয় সবসময় থাকে। এখানে কোনো হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। কেউ অসুস্থ হলে নৌকায় করে অনেক দূরে হাসপাতালে যেতে হয়। জরুরি সময়ে রোগী নিয়ে যাওয়া খুবই কষ্টকর।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় সময়মতো চিকিৎসাও পাওয়া যায় না। বিজিবি এখানে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধের ব্যবস্থা করায় খুব উপকৃত হয়েছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের চিকিৎসা ক্যাম্প নিয়মিত হলে সীমান্ত এলাকার মানুষের অনেক উপকার হবে।

বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, পদ্মা নদীর ভাঙনে এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্র বিলীন হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা সরকারি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় সীমান্তবর্তী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।

ক্যাম্পে আটজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দেন। পাশাপাশি, সব রোগীকে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধও বিতরণ করা হয়।

চিকিৎসা কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন বিজিবির ৫৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান এবং উপঅধিনায়ক সাজ্জাদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Memorial meeting in Faridpur on the death anniversary of poet Babu Faridi

কবি বাবু ফরিদীর মৃত্যুবার্ষিকীতে ফরিদপুরে স্মরণ সভা

কবি বাবু ফরিদীর মৃত্যুবার্ষিকীতে ফরিদপুরে স্মরণ সভা ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরের বরেণ্য গল্পকার ও দ্রোহের কবি বাবু ফরিদীর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে পালিত হয়েছে। এই উপলক্ষে গত সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের ‘সাহিত্য ভবন’-এক স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।

ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মফিজ ইমাম মিলনের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. তপন বাগচী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. তপন বাগচী কবি বাবু ফরিদীর লেখনীর বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বলেন, বাবু ফরিদী শুধু একজন সাধারণ লেখক ছিলেন না, তিনি ছিলেন সমাজ পরিবর্তনের কারিগর। তার গল্প ও কবিতা যুগে যুগে শোষিত মানুষের পক্ষে কথা বলেছে এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দ্রোহের আগুন জ্বালিয়েছে। বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের সুস্থ মানসিকতা গঠনে এবং বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধিতে তার ক্ষুরধার লেখনীর গুরুত্ব অপরিসীম। তরুণদের মাঝে তাঁর সৃষ্টিকে আরও বেশি করে ছড়িয়ে দিতে হবে।

স্মরণ সভায় কবি বাবু ফরিদীর একমাত্র সন্তান অধ্যাপক দেবব্রত গুহ দেবু তার বক্তব্যে কবির সৃষ্টি ও আদর্শকে তুলে ধরার তাগিদ দিয়ে ‘বাবু ফরিদী স্মৃতি সংসদ’গড়ে তোলার আহবান জানান।

স্মরণ সভায় প্রবীণ সাংবাদিক ও লেখক বদিউজ্জামান চৌধুরী ভাদু, রাজনীতিবিদ এ এফ কাইয়ুম জঙ্গি, ফরিদপুর মুসলিম মিশন কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল মামুন, ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি প্রফেসর আব্দুল হামিদ মোল্লা, কবি বাবু ফরিদীর সহধর্মীনি কৃষ্ণা গুহ, কবি শফিক ইসলাম, কবি রেহেনা আক্তার পিয়া, কবি আব্দুস সামাদ, কবি আব্দুর রাজ্জাক রাজা নাট্যকার ম.আহমেদ নিজাম- কবিতা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন।

স্মরণ সভাটি কবি, লেখক, সাংবাদিক, সাহিত্যপ্রেমী ও গুণীজনদের অংশগ্রহনে একটি সাহিত্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।

মন্তব্য

p
উপরে