× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Order to start automatic traffic line system at 50 spots in the capital
google_news print-icon

রাজধানীর ৫০ স্পটে অটোমেটিক ট্রাফিক লাইন ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ

রাজধানীর-৫০-স্পটে-অটোমেটিক-ট্রাফিক-লাইন-ব্যবস্থা-চালুর-নির্দেশ
ফাইল ছবি

রাজধানীর আরও ৫০টি স্পটে অটোমেটিক ট্রাফিক লাইন ব্যবস্থা দ্রুত সময়ের মধ্যে চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৮ জুলাই) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিবেশ দূষণবিষয়ক এক বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দিয়েছেন বলে তথ্য দিয়েছে তার কার্যালয়ের প্রেস উইং।

বৈঠকে বায়ু ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ, ইটভাটার সৃষ্ট বায়ুদূষণ রোধে পরিবেশ বান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইট উৎপাদন, ঢাকায় যানবাহনের হর্নের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত এআই ক্যামেরার মতো হর্ন নিয়ন্ত্রণেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার, সড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ এবং পরিবেশ দূষণকারী বাস, ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন দ্রুত অপসারণের বিষয়াদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিসুর রহমানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Dhaka Beijing in the transformation of relations
বাণিজ্য ও বিনিয়োগে জোর

সম্পর্ক রূপান্তরে ঢাকা-বেইজিং

* দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন চালুর সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে * চীনের বিশাল ভোক্তা বাজারে আম-কাঁঠাল রপ্তানির সুযোগ * তিস্তা মহাপরিকল্পনায় পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস *রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে মধ্যস্থতামূলক ভূমিকা রাখবে চীন
সম্পর্ক রূপান্তরে ঢাকা-বেইজিং ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে।

এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফর শেষে গত ২২ জুন চীন পৌঁছান। গ্রেট হল অব দ্য পিপলে তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। এ বৈঠকে বিনিয়োগ, গণমাধ্যম সহযোগিতাসহ ১৩টি বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই করে দুই দেশ। বেইজিং সফরের শেষ দিনে গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ মিনিটের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক বসে। এ বৈঠকে উভয় দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক রূপ লাভের স্পষ্ট দিক উঠে আসে।

এ সফর ও সম্পর্কের ধারাবাহিকতা রেখে শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সমিতি’ আয়োজিত এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিশেষ অতিথি ছিলেন।

বাংলাদেশের উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত করতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন উভয় দেশের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের পণ্যের জন্য চীনের বাজার আরো উন্মুক্ত করা, দ্রুতগতির বুলেট ট্রেনের সম্ভাবনা এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সক্রিয় মধ্যস্থতা করা এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের সহযোগিতার দিকটি উঠে এসেছে।

চীনের উচ্চগতির রেল প্রযুক্তি বাংলাদেশে ব্যবহারের সম্ভাবনা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে জানিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, ভবিষ্যতে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ গুরুত্বপূর্ণ রুটে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন চালুর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এ সময় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনার এক বিস্তৃত রূপরেখা তুলে ধরেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। যেখানে তিনি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পূর্ণ সহযোগিতা, বাংলাদেশের পণ্যের জন্য চীনের বাজার আরো উন্মুক্ত করা, দ্রুতগতির বুলেট ট্রেনের সম্ভাবনা এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সক্রিয় মধ্যস্থতা করার কথা বলেছেন।

বুলেট ট্রেনের সম্ভাবনা ও যোগাযোগ খাতে সহযোগিতার বিষয়ে ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর (বিসিএম) নিয়ে কাজ এগিয়ে চলছে।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম সেরা পর্যায়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের সফর দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করেছে।

উন্নয়ন, বাণিজ্য, যোগাযোগ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা দিতে চীন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে ইয়াও ওয়েন বলেন, তিস্তা নদী মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীন আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিতে বেইজিং প্রস্তুত রয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের পানি ব্যবস্থাপনা, কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

কাঁঠাল রপ্তানির জন্য চীনের বিশাল বাজার খুলছে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরে বাংলাদেশের তাজা কাঁঠাল রপ্তানির বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রটোকল স্বাক্ষর হয়েছে। এর ফলে আমের পর এবার দেশের জাতীয় ফল কাঁঠালও চীনের বিশাল ভোক্তা বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে, যা কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, মিয়ানমারে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সংলাপ এগিয়ে নিতে এবং টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে চীন মধ্যস্থতামূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক কেবল রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এর বিস্তৃতি ঘটেছে। বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী চীনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন, উদ্যোক্তারা ব্যবসা সম্প্রসারণ করছেন এবং আধুনিক প্রযুক্তি দেশে এনে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছেন।

তিনি বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও অর্থনীতিতে চীনের অভূতপূর্ব অগ্রগতি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সম্ভাবনা। চীনের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।

অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট, আঞ্চলিক ভূরাজনীতির প্রেক্ষাপট এবং বৈশ্বিক রাজনীতির যে প্রেক্ষাপট, তা বেশিরভাগই অর্থনীতিকে কেন্দ্র করেই পরিচালিত হচ্ছে। সংগত কারণেই আমাদের দেশের অর্থনীতিও বিশেষ করে আমাদের বাণিজ্য পরিপূর্ণভাবে চীন নির্ভর হয়ে পড়েছে। এবং সে কারণে আমরা চীনকে আমাদের অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিকের প্রেক্ষাপটে যেমন বাধ্যবধকতা আছে বন্ধুত্ব তৈরি করা, তেমনি আমাদের মধ্যে আন্তরিক আগ্রহ আছে। আমাদের মতো দেশকে যদি এগিয়ে যেতে হয়, আমাদের অর্থনীতির গতিকেই আরো অনেক বেশি প্রবাহিত করতে হবে।

প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া বিএনপি সরকার গঠনের পর তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত ২১ জুন মালয়েশিয়া যান। পরের দিন ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী চীন পৌঁছান। গ্রেট হল অব দ্য পিপলে তার ও চীনের প্রধানমন্ত্রীর লি ছিয়াংয়ের নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। তাদের উপস্থিতিতে বিনিয়োগ, গণমাধ্যম সহযোগিতাসহ ১৩টি বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই করে দুই দেশ। বেইজিং সফরের শেষ দিনে গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ মিনিটের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক বসে। এর পরপরই দুই নেতার মধ্যে একান্ত বৈঠক হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর শেষে দুই দেশের যৌথ ঘোষণাপত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে বাংলাদেশ ও চীন।

বাংলাদেশের তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীনের সহায়তা এবং দুই দেশের মধ্যে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা খাতে ‘টু প্লাস টু’ কৌশলগত সংলাপ চালুর মত বিষয় যৌথ ঘোষণায় এসেছে। এছাড়া বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি এবং সামরিক খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি; চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের আওতায় দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার আলোচনার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে মিয়ানমারকে আলোচনায় আনতে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 in 6 speakers of the endangered Rengmitchya language have died

বিলুপ্তপ্রায় ‘রেংমিটচ্য’ ভাষাভাষী ৬ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু

বিলুপ্তপ্রায় ‘রেংমিটচ্য’ ভাষাভাষী ৬ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু ছবি: সংগৃহীত

বান্দরবানের বিলুপ্তপ্রায় রেংমিটচ্য ভাষা জানা ছয়জনের একজন মারা গেছেন। বর্তমানে এ ভাষায় কথা বলতে পারেন মাত্র পাঁচজন। তাদের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব বয়সী দুজনও অসুস্থ বলে জানিয়েছেন ভাষাটির গবেষক আফসানা ফেরদৌস আশা।

মারা যাওয়া রেংমিটচ্যভাষী হলেন মাওয়াই ম্রো (৬৪)। তিনি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দুর্গম সাংপ্লং পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। তার অন্য দুই ভাই হলেন মাংপুং ম্রো (৭৪) ও রেংপুং ম্রো (৭০)। বর্তমানে এই দুই ভাইও অসুস্থ। তিনজনই আলাদা জায়গায় বসবাস করতেন।

বান্দরবানের আলীকদমের দুর্গম এলাকায় ম্রো জনগোষ্ঠীর একটি গোত্রের মাতৃভাষা রেংমিটচ্য। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আরও কিছু মানুষ এ ভাষা বুঝতে পারলেও সাবলীলভাবে কথা বলতে পারেন মাত্র পাঁচজন। তারা হলেন— আলীকদম সদর ইউনিয়নের ক্রাংসি পাড়ার বাসিন্দা মাংপুং ম্রো (৭৪), কুনরাও ম্রো (৬১), আরেক কুনরাও ম্রো (৭৪), নয়াপাড়া ইউনিয়নের মেনসিং পাড়ার বাসিন্দা থোয়াই লক ম্রো (৬০) এবং নাইক্ষ্যংছড়ি ইউনিয়নের ওয়াইবট পাড়ার বাসিন্দা রেংপুং ম্রো (৭০)। এর মধ্যে কুনরাও ম্রো নামে দুজনই নারী, বাকিরা পুরুষ। ভাষা বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, অবশিষ্ট বক্তারাও মারা গেলে পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে রেংমিটচ্য ভাষা।

বর্তমানে আয়ারল্যান্ডের ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিনে রেংমিটচ্য ভাষার তথ্যচিত্র (ডকুমেন্টেশন) নিয়ে পিএইচডি গবেষণা করছেন আফসানা ফেরদৌস আশা। তিনি জানান, আলীকদম উপজেলার তৈনখালের ক্রাংসি পাড়ার কয়েকজন ম্রো বাসিন্দা সম্প্রতি তাকে ফোন করে মাওয়াই ম্রোর মৃত্যুর খবর জানান।

তিনি আরও জানান, গত ৫ মে দুপুর ১২টার দিকে মাওয়াই ম্রো মারা যান। সে সময় মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল থাকায় তিনি বিষয়টি বিস্তারিত জানতে পারেননি।

গবেষণার কাজে গত বছর টানা সাত মাস আলীকদমে ছিলেন আফসানা ফেরদৌস আশা। সে সময় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ছয়জন রেংমিটচ্যভাষীকে নতুন করে খুঁজে বের করে তাদের ভাষার তথ্যচিত্র সংগ্রহ করেন তিনি।

তাদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আফসানা ফেরদৌস আশা গণমাধ্যমকে বলেন, মাংওয়াই ম্রো অনেক দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তার লিভারের সমস্যা ছিল। গত বছর টাইফয়েডও হয়েছিল। পেইন কিলার ঔষধ খেয়ে থাকতেন তিনি। অবশেষে মারা যাওয়ার খবর পেলাম। খবরটা পাওয়ার পর থেকে ছুটি কাটাই না। দিন-রাত কাজ করি। আরেকজন চলে গেলে মানতে কষ্ট হবে।

তিনি আরও বলেন, গত বছর মাংওয়াই ম্রোকে অনেক কষ্ট করে নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে আলীকদমের তৈনখালের ক্রাংসি পাড়ায় নিয়ে এসেছিলাম। তিন ভাইকে এক জায়গায় জড়ো করেছিলাম। তারা খুব খুশি হয়েছিলেন। অনেক বছর পর আমার জন্য দেখা হয়েছে তাদের। মাংওয়াই ম্রো তখন তিন-চারদিন ছিলেন ক্রাংসি পাড়ায়। পরে নাইক্ষ্যংছড়িতে তার পাড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলাম।

আফসানা জানান, রেংমিটচ্য ভাষা নিয়ে একটি বই প্রকাশের কাজও চলছে। তিনি বলেন, আমি যতটুকু পারি কাজ করে যাচ্ছি। রেংমিটচ্য ভাষা নিয়ে ১৫০০ শব্দের একটি বইয়ের ড্রাফট তৈরি হয়েছে। জীবিত যে কজন আছেন, তাদের সঙ্গে বসে আরেকবার সংশোধন করা বাকি আছে শুধু।

এর আগে, বিলুপ্তপ্রায় রেংমিটচ্য ভাষা সংরক্ষণের উদ্যোগ হিসেবে ওই ভাষার দৈনন্দিন কথোপকথন নিয়ে ‘মিটচ্য তখক’ নামে একটি বই প্রকাশ করেন ম্রো ভাষার লেখক ও গবেষক ইয়াংঙান ম্রো। রেংমিটচ্য ভাষার নিজস্ব লিপি না থাকায় বইটি ম্রো ও বাংলা ভাষায় প্রকাশ করা হয়। ২৮ পৃষ্ঠার বইটিতে তিন হাজারের বেশি শব্দ সংকলিত হয়েছে।

বইটি প্রকাশের সময় ইয়াংঙান ম্রো বলেছিলেন, সবার একটা আশঙ্কা, এই ভাষার ছয়জন মানুষ মারা গেলে চিরতরের জন্য বিলুপ্ত হয়ে যাবে রেংমিটচ্য ভাষাটি। এই ভাষায় কথা বলা ও চর্চা করা মানুষ আর কেউ থাকবে না। হয়ত চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আগে স্মৃতিস্মারক হিসেবে এই বইগুলো বেঁচে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় এই ভাষা নিয়ে কাজ করার সময় তাদের দৈনন্দিন জীবনের কথোপকথনগুলো সংগ্রহ করে রেখেছি। মূলত এই বইয়ে সেগুলোই তুলে ধরা হয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, বিপন্নপ্রায় এ ভাষার তথ্যচিত্র (ডকুমেন্টেশন) সংরক্ষণের মাধ্যমে ভাষাটিকে ভবিষ্যৎ গবেষণার জন্য টিকিয়ে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কয়েকজন গবেষকের ধারণা, রেংমিটচ্যভাষীরা মূলত একটি স্বতন্ত্র জনগোষ্ঠী। পরে ম্রো ভাষার সঙ্গে কিছুটা মিল থাকায় তারা ম্রোদের সঙ্গে মিশে তাদের পদবি গ্রহণ করেছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Plan to launch 1400 electric buses to modernize public transport

গণপরিবহন আধুনিকায়নে ১,৪০০ বৈদ্যুতিক বাস চালুর পরিকল্পনা

গণপরিবহন আধুনিকায়নে ১,৪০০ বৈদ্যুতিক বাস চালুর পরিকল্পনা ফাইল ছবি

দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই করতে প্রায় ১ হাজার ৪০০টি বৈদ্যুতিক (ইভি) বাস চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ পরিকল্পনার আওতায় সারাদেশে সার্বজনীন ইভি চার্জিং অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং মনোরেলসহ নতুন গণপরিবহন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশের পরিবহন ব্যবস্থাকে আরো পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও কার্যকর করে তুলতেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক বাস বহর গড়ে তুলতে সরকার একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

তিনি জানান, ৫০০টি বৈদ্যুতিক বাস কেনার একটি প্রস্তাব অর্থায়নের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া, দক্ষিণ কোরিয়ার সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ৩০০টি বৈদ্যুতিক বাসের কর্মসূচিতে বাসের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রকল্পটি সংশোধনের কাজ চলছে।

এ ছাড়া, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ৪০০টি বৈদ্যুতিক বাস কেনার একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

বৈদ্যুতিক বাস ক্রয়ের প্রক্রিয়াকে আরো গতিশীল করতে সরকার ৪০০ কোটি টাকা করে দুটি পৃথক ক্রয় প্যাকেজও যুক্ত করেছে। এ কর্মসূচির আওতায় নারী যাত্রীদের জন্য একটি বিশেষ বাস বহর থাকবে, যেখানে বাসের সংখ্যা প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ১০০টিরও বেশি হবে।

সচিব বলেন, ‘সব মিলিয়ে এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থায় প্রায় ১ হাজার ৪০০টি বৈদ্যুতিক বাস যুক্ত করা সম্ভব হবে।’

তিনি জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বর অথবা আগামী বছরের শুরুর দিকে নির্বাচিত কিছু রুটে এর দৃশ্যমান প্রভাব দেখা যাবে বলে সরকার আশা করছে। প্রাথমিকভাবে অন্তত ২০০টি বৈদ্যুতিক বাস চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই রূপান্তরকে সফল করতে সরকার একই সঙ্গে সারাদেশে কারিগরি মানদণ্ডের ভিত্তিতে একটি সার্বজনীন চার্জিং অবকাঠামো গড়ে তুলছে।

সচিব বলেন, চার্জিং স্টেশনগুলো কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না, যার ফলে একটি সাধারণ চার্জিং ব্যবস্থার আওতায় বেসরকারি অপারেটররাও এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) দেশের ৬৪টি জেলায় তাদের নিজস্ব জমিতে চার্জিং স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। অতিরিক্ত সক্ষমতা থাকলে এসব স্টেশন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বেসরকারি অপারেটরদের জন্যও উন্মুক্ত করা হবে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-এর বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কারিগরি কমিটি বৈদ্যুতিক বাসের জন্য অভিন্ন কারিগরি মানদণ্ড প্রণয়ন করছে। এতে ব্যাটারি ব্যবস্থা, চার্জিং প্রযুক্তি এবং যান্ত্রিক সহায়তার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যাতে বিভিন্ন নির্মাতা ও পরিচালকের যানবাহনের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

প্রাথমিকভাবে এসব মানদণ্ড বাসের জন্য প্রযোজ্য হলেও পরবর্তীতে তা বৈদ্যুতিক মিনিবাস ও ট্রাকের ক্ষেত্রেও সম্প্রসারণ করা হবে, যা সরকারের বৃহত্তর পরিবহন বিদ্যুতায়ন কর্মসূচির অংশ। বৈদ্যুতিক বাসের পাশাপাশি যেসব রুটে মেট্রোরেল সবচেয়ে উপযুক্ত বিকল্প নয়, সেখানে বিকল্প গণপরিবহন হিসেবে মনোরেল চালুর সম্ভাবনাও যাচাই করছে সরকার।

সচিব বলেন, সম্ভাব্য মনোরেল রুট এবং এর কারিগরি সম্ভাব্যতা মূল্যায়নের দায়িত্ব বুয়েট-কে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা শেষে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) ব্যবস্থা নিয়ে একটি সমন্বিত উপস্থাপনা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখনো বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রযুক্তি গ্রহণের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং এ খাতে পর্যাপ্ত দেশীয় দক্ষতা এখনো গড়ে ওঠেনি।

বেসরকারি বাস মালিকদের বৈদ্যুতিক বাসে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে সরকার নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কর ছাড়সহ বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তবে, অনেক বেসরকারি পরিবহন অপারেটর বিনিয়োগের আগে বিআরটিসির প্রাথমিক বৈদ্যুতিক বাস বহরের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করতে চাইছেন।

এছাড়া, বৈদ্যুতিক বাস প্রযুক্তির তুলনামূলক বেশি ব্যয় এবং যাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী ভাড়া-এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভর্তুকি ব্যবস্থা ও ভাড়ার কাঠামো নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

ড. জিয়াউল হক বলেন, আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও যাত্রীবান্ধব গণপরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের অংশ হিসেবে সরকার ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলার নিয়ন্ত্রণ এবং মহাসড়ক ব্যবস্থাপনার উন্নয়নসহ পরিবহনের অন্যান্য বৃহত্তর সমস্যাগুলো সমাধানের কাজ অব্যাহত রাখবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cannot be diverted from duty by troll slander Education Minister

ট্রল-অপবাদ দিয়ে দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করা যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

ট্রল-অপবাদ দিয়ে দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করা যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ট্রল বা অপবাদ দিয়ে সরকারকে দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করা যাবে না। তিনি বলেন, ‘যে যত ট্রলই করুন, যে যত অপবাদই দিন না কেন, আমাদের সঠিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করতে পারবেন না। আমরা এ জাতিকে সুশিক্ষিত করার দায়িত্ব নিয়ে এসেছি।’

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে নওগাঁ সদর উপজেলা অডিটরিয়ামে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে শহরের বরুনকান্দি এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

সম্প্রতি এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে নিয়ে যারা ট্রল করেছে, তারা কেউ পরীক্ষার্থী নয়। সিটি কলেজ, আইডিয়াল কলেজ, ভিকারুননিসার মতো প্রতিষ্ঠানের কাউকে দেখিনি আন্দোলন করতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা এসেছি, এই জাতিকে সুশিক্ষিত করার দায়িত্ব পেয়েছি। যে যত ট্রলই করেন না কেন, যে যত অপবাদই করেন না কেন, আমাদের সঠিক দায়িত্ব থেকে আপনারা বিচ্যুত করতে পারবেন না। শিক্ষা ভাবনাকে বাদ দিয়ে যারা উচ্ছৃঙ্খল কথা বলে সমাজকে উসকানি দিতে চায়, আমাদের এই তরুণ প্রজন্ম তাদের ব্যর্থ করে দেবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলাম। আজকে তারই জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক রহমানের অধীনে আমি দায়িত্ব পালন করছি। কী করে ভাবতে পারেন, অন্যায়কে প্রশ্রয় দিতে আমাকে নির্দেশ দেওয়া হবে? নিশ্চয়ই না। আপনারা আপনাদের দায়িত্বে অটল থাকুন। লেখাপড়া আমাদের করতেই হবে এবং তার মান আমাদের উন্নয়ন করতেই হবে।’ সম্প্রতি কুমিল্লায় এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার্থীদের স্বার্থেই মানবিক বিবেচনায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার সমালোচনা করে তিনি বলেন, পরীক্ষা ছাড়া মেধার মূল্যায়ন ও সনদ প্রদান সম্ভব নয়।

এহছানুল হক মিলন বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ পড়াশোনা করতে আসবে বাংলাদেশে সেভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হচ্ছে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অনেক মেধাবী। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থার বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যেই সরকার উচ্চশিক্ষাকে নতুন কাঠামোয় এগিয়ে নিতে কাজ করছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং অতীতের নানা অনিয়মের প্রভাব থাকা সত্ত্বেও সরকার শিক্ষা খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট ৮৭ হাজার কোটি টাকা থেকে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় আয়ের (জিডিপি) ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রাকে উচ্চশিক্ষার নতুন সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে ৮০ শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলেও দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়টিকে নিজস্ব ক্যাম্পাসে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের ‘স্কুল অব এগ্রিকালচার’ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। সেশনজট কমাতে ২০২৭ সাল থেকে জানুয়ারিতে এসএসসি এবং মার্চে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপু, নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বক্তব্য দেন।

এ সময় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) এক সভায় নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দুটি বিভাগ খোলার অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদন পাওয়া বিভাগ দুটি হলো আইন অনুষদের অধীন আইন বিভাগ ও বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধীন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগ। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ওই দুই বিভাগে ইতোমধ্যে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Government is working with priority to fulfill peoples expectations Mahdi Amin

মানুষের প্রত্যাশা পূরণকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার: মাহদী আমিন

মানুষের প্রত্যাশা পূরণকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার: মাহদী আমিন ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন বলেছেন, ‘সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা, সুশাসন, জনকল্যাণ এবং মানুষের প্রত্যাশা পূরণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মাত্র ১৫০ দিন অর্থাৎ পাঁচ মাস পূর্ণ হয়েছে। সময়ের পরিমাপে এটা হয়তো খুব দীর্ঘ কোনো সময় নয়। কিন্তু, একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য প্রতিটি দিনই জনগণের প্রতি দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য। প্রতিটি মুহূর্তই দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা পালনের পরীক্ষা। আর প্রতিটি পদক্ষেপই মানুষের আস্থা অর্জনের নতুন পরীক্ষা।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি— জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসই একটি সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই সরকারের প্রতিটি উদ্যোগ, প্রতিটি অর্জন, প্রতিটি সংস্কার এবং প্রতিটি চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করাকে আমরা নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখি।’

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে প্রধানমন্ত্রী প্রেস উইং।

মাহদী আমিন বলেন, ‘জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার মূলত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের পুনর্গঠন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার, পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যয়সাশ্রয় ও দুর্নীতিমুক্ত পর্যালোচনা নিশ্চিত করে সরকারের সুশাসনের দৃঢ়বার্তা। একই সাথে সাম্প্রতিক বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন, বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতের বিভিন্ন ধরনের বিনির্মাণ চলমান রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পাঁচ মাসের সংক্ষিপ্ত সময়ে অর্জিত সাফল্যকে ভিত্তি করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন এবং সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণের প্রতি সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

জনগণকে সরকারের কাজের প্রকৃত মূল্যায়নকারী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, ‘জনগণের আস্থা, সমর্থন ও গঠনমূলক মতামতেই আগামী দিনের পথচলা সরকারের সবচেয়ে বড় প্রেরণা।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিগত দিনের ভেঙে পড়া রাষ্ট্র কাঠামোকে পুনরুদ্ধারে ম্যান্ডেট পেয়েছেন গণমানুষের নেতা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দায়িত্ব হাতে নিয়ে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মাঝেই তিনি মানুষের আস্থার চূড়ায় অবস্থান করছেন।’

গত পাঁচ মাসে জনগণের আস্থা ভালোবাসা ও সমর্থন ইশতেহারের আলোকে সব শ্রেণিপেশার মানুষের স্বার্থ রক্ষায় স্বল্প সময়ের মধ্যে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সফলতা অর্জনে বর্তমান সরকার দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে।’

বক্তব্যের শুরুতে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মরণ করে মাহদী আমিন বলেন, ‘দুই বছর আগে আজকের এই সময়ে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি এক রক্তাক্ত অধ্যায়ের সাক্ষী হয়েছিল। ন্যায্য অধিকার আদায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের কণ্ঠ স্তব্ধ করতে ফ্যাসিবাদী শাসকগোষ্ঠী গুলি করে হত্যার পথ বেছে নিয়েছিল। রংপুরে আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে ওয়াসিম আকরাম, ঢাকায় ফারহানাসহ অসংখ্য নিরপরাধ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগে সে আন্দোলন পরিণত হয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘সকল শ্রেণির, সকল পেশা, সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের এক গণঅভুত্থানে যার প্রবল জনরোষে ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন ঘটে, সেই পথ পরিক্রমায় গণআকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেছে গণঅভ্যুত্থানে এবং গত ১৬ বছরে সবচাইতে বেশি গুম, খুন, হামলা, মামলা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার দল বাংলাদেশ জাতীয় দল বিএনপির নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক সরকার। আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সকল শহীদকে এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।’

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনির সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস-সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ, অতিরিক্ত প্রেস-সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ), শাহাদাৎ স্বাধীন, সহকারী প্রেস-সচিব কে এম নাজমুল হক, গাজী শাহরিয়ার পামির, আশরোফা ইমদাদ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The death toll has increased to 59 there is a flood threat in 6 districts

মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯, ফের ৬ জেলায় বন্যার শঙ্কা

মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯, ফের ৬ জেলায় বন্যার শঙ্কা ছবি: সংগৃহীত

দেশের সাত জেলায় চলমান বন্যা, অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯ জনে পৌঁছেছে। বর্তমানে ৫৬টি উপজেলা এবং ৩৭৪টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ৭৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে ২৯৮ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের শনিবার (১৮ জুলাই) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

এতে বলা হয়েছে, দুর্যোগে এখন পর্যন্ত রাঙামাটিতে তিনজন, বান্দরবানে সাতজন, কক্সবাজারে ৩২ জন (স্থানীয় ১৯ ও রোহিঙ্গা ১৩), চট্টগ্রামে ১৬ জন এবং মৌলভীবাজারে একজন মারা গেছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন মোট ৪০ জন। এর মধ্যে খাগড়াছড়িতে একজন, বান্দরবানে দুজন, কক্সবাজারে ২৫ জন (স্থানীয় ২০ ও রোহিঙ্গা পাঁচ) এবং চট্টগ্রামে ১২ জন।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে নগদ অর্থ, চাল, শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, গোখাদ্য, ঢেউটিন ও গৃহ নির্মাণ অনুদানসহ ব্যাপক ত্রাণ সহায়তা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব ত্রাণের উল্লেখযোগ্য অংশ ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণও করা হয়েছে।

কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা নগদ, ৪৫০ মেট্রিক টন চাল, এক হাজার বান্ডিল টিন, শিশু খাদ্য ও গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৭৫ লাখ টাকা নগদ, এক হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল, এক হাজার বান্ডিল টিন, শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য ও গোখাদ্য। বান্দরবানে ২০ লাখ টাকা নগদ, ৪০০ মেট্রিক টন চাল, শিশু খাদ্য ও গোখাদ্য এবং প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে অতিরিক্ত সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জেও নগদ অর্থ, চাল, শুকনো খাবার, ঢেউটিন এবং গৃহ নির্মাণ অনুদান বরাদ্দ ও বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে