এক তরুণ উদ্যোক্তার চোখেমুখে ফুটে ওঠে তৃপ্তির হাসি। সেই হাসির আড়ালে লুকিয়ে আছে এক চিলতে বিষাদ আর মায়ের প্রতি গভীর টান।তিনি মায়ের জন্যই আনার চাষ শুরু করেন। তার মা যখন ২০২৩ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হন।ক্যান্সারে আক্রান্ত মাকে চিকিৎসক পরামর্শ দেন নিয়মিত আনার খাওয়াতে। নিজ বাসার ছাদে কয়েকটি আনার গাছ রোপন করেন। তার মা তাকে ছেড়ে চলে গেলেও সে এখন সফল উদ্যোক্তা। বলছিলাম টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার তরুণ উদ্যোক্তা আল আমিনের কথা। আল আমিন (২৮) উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের পাটখাগুড়ি গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে।
জানা যায়, ২০২৩ সাল আল আমিনের কাছে সময়টা ছিল জীবন-মরণের সন্ধিক্ষণ। আল আমিনের মা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন নিয়মিত ‘আনার’ বা ডালিম খাওয়ানোর জন্য। বাজারের ফলগুলোতে কেমিক্যাল থাকে। ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের জন্য নিরাপদ ফলের অভাব থেকেই আল আমিন সিদ্ধান্ত নেয় আনার চাষের। উঠোনের কোণে ছোট কয়েকটি চারা রোপণ করেন। প্রথমে বাড়ির উঠানে আনার গাছ রোপন করেন। পরে বাসার ছাদে ড্রামে আনার গাছ রোপণ করেন। ২০২৫ সালে মে মাসে আল আমিনের মায়ের মৃত্যু হয়। তার মায়ের মৃত্যু হলেও তার আনার বাগানের পরিধি বেড়েছে। তার নিজ হাতের কলম করা চারা সারাদেশে মানুষের ছাদ বাগানে চলে যাচ্ছে। প্রতি মাসে শুধুমাত্র চারা বিক্রি করে ৬০ থেকে ৮০ হাজার টাকা।
তরুণ উদ্যোক্তা আল আমিন বলেন, ২০২৩ সালে মা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। ওই সময় আমি গার্মেন্টসে চাকরি করতাম। মাকে চিকিৎসক আনার ফল খাওয়ানোর কথা বলেন। বাজারে আনার গুলোতে কেমিক্যাল থাকে। ওই সময় বাজারে আনার ফল ক্রয় করতে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা লাগতো। এই টাকা দিয়ে আনার ক্রয় করা আমার জন্য কষ্টকর হতো। মাকে ভালো আনার ফল খাওয়ানোর জন্য বাড়ির উঠানে আনার চারা রোপন করি। আমার প্রথমে ছাদে আনার বাগান করার কোন পরিকল্পনা ছিল না। পরে ইউটিউবে ছাদে আনার বাগান করার ভিডিও দেখি। ইউটিউবে দেখে গাজীপুর টঙ্গী থেকে কয়েকটি ছোট চারা ক্রয় করে আমার নিজে ছাদে ড্রামের মধ্যে আনার গাছ রোপণ করি। তখন ছাদে আমার সিঁড়িও ছিল না। সেই চারা থেকেই আমার ছাদে আনার বাগান গড়ে ওঠে। যখন দেখতে পাই, মায়ের শরীর বেশি ভালো তখন চাকরি বাদ দিয়ে দেয়। আমার চাকরি বাদ দেওয়ার এক সপ্তাহ পর আমার মায়ের মৃত্যু হয়। মায়ের জন্যই আনার বাগান গড়ে তুলে ছিলাম। মা আমার জন্য অনুপ্রেরণা ছিল। ২০২৫ সালে মে মাসে আমার মায়ের মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, আমার বাসার ছাদ ও মাটিতে এখন প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার আনার চারা রয়েছে। যে আনার গাছে ফল ধরে আছে সেই গাছ গুলো ছাদে রয়েছে। আনার গাছ যারা ক্রয় করেন তাদেরকে আমি ছাদে কিভাবে বাগান করতে হয় তা দেখায়। তাদের আমি বোঝায় কিভাবে ছাদে আনার বাগান করতে হয়। আমার ছাদে ড্রামে প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি বড় আনার গাছ রয়েছে। যে আনার গাছগুলোতে ফল ধরে আছে। এছাড়াও এখন আমি ছাদে আঙ্গুর, কমলা ও মালটা করছি। আমি নিজে গাছগুলো কলম করি ও চারা উৎপাদন করে বিক্রি করছি। দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ আমার কাছ থেকে চারা সংগ্রহ করছেন। তারা নিজেরাই ছাদে বাগান করছেন।
তিনি বলেন, আমার কাছে ভারতের মহারাষ্ট্রের সুপার ভাগোয়া, মৃদুলা, গুজরাটি আনার, থাইল্যান্ডের থাই আনার, অস্ট্রেলিয়ার আনার, পাকিস্তানী আনার সহ ২৬ জাত রয়েছে। প্রতি মাসে খরচ বাদে ৬০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা আয় করতে পারি। কোনো কোনো মাসে বেশি চারা ব্রিক্রি করতে পারি।
আমার বাগানে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০০ হাজার টাকা মূল্যের চারা রয়েছে। আমি নিজেই আমার কাজ করি। যখন দরকার হয় তখন শ্রমিক নিয়ে কাজ করি। মায়ের জন্য আনার গাছ লাগিয়ে ছিলাম। মায়ের জন্যই আমার ভাগ্য বদল হয়েছে। আমাকে দেখে অনেক তরুণ এগিয়ে আসছে।ছাদে আনার বাগান করার জন্য উৎসাহ পাচ্ছে।
স্থানীয় মিজানুর রহমান বলেন, আল আমিন ছাদে আনার বাগান করে সফল হয়েছে। সে আনারে কলম করে চারা বিক্রি করছে। তার মা যখন অসুস্থ তখন থেকেই বাসার ছাদে আনার বাগান করে। তখন অল্প পরিসরে করলেও এখন বাগানের পরিধি বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ আসেন। তার কাছে থেকে চারা নিয়ে বাগান করছে।আমারও ইচ্ছে আছে তার মতো ছাদে আকারের বাগান করার।
বাসাইল উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু ইলিয়াস তালুকদার বলেন, আমাদের উপজেলার সফল তরুণ উদ্যোক্তা আল আমিন। সে তার বাসার ছাদে আনার বাগান করেছে। ছাদে আনার বাগান ও চারা কলম করে বিক্রি করছে। তার বাগানের চারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে।প্রতি মাসে ভালো আয় করতে পারছে। আমাদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় তাকে পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করছি।
ছবি: সংগৃহীত
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) মেধাবী শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ’র হত্যাকাণ্ড এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও উন্মোচিত হয়নি হত্যার প্রকৃত রহস্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও তদন্ত কর্মকর্তাদের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রিতা ও বিলম্ব হওয়ায় ফুঁসে উঠছে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন।
গত বছরের ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হল সংলগ্ন পুকুর থেকে সাজিদের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। পরে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয় এবং ভিসেরা রিপোর্টে সাজিদকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছিল বলে জানানো হয়। ক্যাম্পাসে এ তথ্য ছড়িয়ে পড়লে আন্দোলনে মাঠে নামে শিক্ষার্থীরা। সাজিদের বাবা অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে ইবি থানায় মামলা রুজু করেন। সর্বশেষ সিআইডির কাছে মামলাটি তদন্তাধীন। সিআইডি তদন্তভার নেওয়ার পরেও দীর্ঘ ১ বছর পার হয়ে গেলেও আলোর মুখ দেখেনি সাজিদ হত্যার প্রকৃত রহস্য।
জানা গেছে, মামলার তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় শুরুতে তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তন হয়ে গেছে। এছাড়া মামলার শুরুর সিআইডির কর্মকর্তাও পরিবর্তন হয়ে গেছে। নতুন করে সব কিছু ইনস্টলেশন করে আগানো নতুন প্রশাসনের নতুন চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এবিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়া শাখা সিআইডি তদন্ত কর্মকর্তা মহব্বত হোসেন বলেন, মামলার ঘটনাস্থলে আমি গিয়েছি, ঘটনাস্থল আশপাশ তদন্ত করছি। আর বেশ কিছু সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, সাক্ষ্য গ্রহণ এখনো চলতেছে। এখনো মামলাটা কোর্টে টেকআপ করার মতো কোনো ফলাফল আসে নাই। আমি নতুন করে দায়িত্ব নিয়েছি, আর একটু সময় লাগবে, তবে রহস্য উন্মোচন অবশ্যই করা লাগবে।
এদিকে সাজিদ হত্যার বিচার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্দোলন ও কর্মসূচি পালন করে আসছেন। বিচারহীনতার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে একাধিকবার ভিন্নধর্মী কর্মসূচি পালন করেছেন। কখনও শিক্ষার্থীরা ‘অন্ধের তদন্ত যাত্রা’ নামে প্রতীকী লাশ মিছিল বের করেন, কখনও উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে রক্তমাখা লাল কাফন পরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এসএম সুইট বলেন, আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার দীর্ঘ এক বছর ধরে শুনে আসছি তদন্তের কাজ এগোচ্ছে কিন্তু এখনো খুনিদের শনাক্ত করতে পারিনি সংশ্লিষ্ট তদন্তকারীরা। আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছি তবুও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং তদন্তকারী সংস্থার আন্তরিকতার ও কার্যক্রমের দীর্ঘসূত্রিতা আমাদের উদ্বিগ্ন করে তুলছে।
ইবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ বলেন, একটি বছর পার হয়ে গেল, কিন্তু আমাদের ভাইয়ের অকাল ও রহস্যজনক মৃত্যুর কোনো সুষ্ঠু তদন্ত বা জবাবদিহিতা আমরা এখনো পাইনি। প্রশাসনের এই উদাসীনতা আমাদের চরমভাবে হতাশ করেছে।
ইবি ছাত্রশিবির শাখার সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, ‘গত বছর ১৭ জুলাই শহীদ সাজিদ আবদুল্লাহর লাশ পুকুরে পাওয়া যাওয়ার পরে আজকে প্রায় এক বছর হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত এই হত্যার কোনো রহস্য উন্মোচন করা দেখতে পাইনি। সাজিদ হত্যার পরে খুনিদের ধরতে এবং তদন্তে বিলম্ব হওয়ার কারণেই আমাদের একজন ম্যামকেও বলি হতে হয়েছে। তার খুনিকে গ্রেপ্তার করা হলেও বিচারের মধ্যে এখনো ধীরগতি দেখতে পাচ্ছি। অতি দ্রুত বিচার করে খুনিদেরকে ফাঁসির কাষ্টে ঝুলিয়ে দিতে হবে।’
একমাত্র ছেলে সন্তান হত্যার বিচার না পেয়ে এখনো দিশেহারা সাজিদের পরিবার। নিহত সাজিদের পিতা বলেন, ‘সিআইডি তদন্ত করতেছে যতটুকু জানি। তবে আমি কোনো আপডেট জানি না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে মাঝেমধ্যে যোগাযোগ হয়। তবে তাদের আপডেট কী তা জানি না।’
সার্বিক বিষয়ে কথা হয় সাজিদের বিভাগ আল কোরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহা. জালাল উদ্দীনের সঙ্গে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রায় এক বছর পার হয়ে গেলেও এই অমানবিক ঘটনার কোনো বিচার বা দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের ব্যাপারে ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে কোনো রকম গাফিলতি করা হবে না এবং একে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেওয়া হয়েছে।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, আমি তো যোগদান করেছি অল্প কিছু দিন। এটি তো এক বছর আগেকার ঘটনা। তখন এই সাজিদের ঘটনা নিয়ে আমি নিজেই দাবি তুলেছিলাম। আমি যোগদান করার পর বিষয়টি নিয়েছি। সংশ্লিষ্টদের সাথে অলরেডি কথা বলেছি এবং তারা বলছে যে কাজ এগোচ্ছে। আমাকে যে রিপোর্ট দেওয়ার কথা ছিল, সেই রিপোর্ট সম্পর্কে জানার জন্য তদন্ত কর্মকর্তাদের আহ্বান করেছি। তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।
ছবি: সংগৃহীত
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) জাতীয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির কার্য়ালয়ের সামনে স্থানীয় ৩০০ জনের মাঝে আম, মেহগনী, নিম গাছ চারা বিতরণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে তিনি সরকারি প্রমোদা সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি গাছের চারা রোপণ করেন ।
এ সময় সংসদ সদস্য জিন্নাহ কবির বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গিকার গ্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছেন ‘আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এর অংশ হিসেবে মানিকগঞ্জ-১ আসনের দৌলতপুর, ঘিওর, শিবালয় উপজেলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুর্যোগ প্রবণ এলাকাগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। তিনি বলেন, গাছ পরিবেশের ভারসাম্য সুরক্ষা করে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচিতে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দিপু, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য লোকমান হোসেন, জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আনিসুর রহমান, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল মতিন মাস্টার, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস রহমান, ওলামা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দৌলতপুর সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাবিবুল্লাহ নোমানী, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি প্রভাষক আবু সাঈদ মুসা, সহ-সভাপতি আরফান আলী, সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আইয়ুব আলী রেজা, ধামশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এ্যাড: আলেক মিয়া, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিব খান অয়ন, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান, উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক আহবায়ক হুমায়ুন কবির এলিট, সরকারি মতিলাল পিগ্রী কলেজ ছাত্রদলে সভাপতি নাঈম হাসানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নে ফের এক শিশুকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। মহিষ আনতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর পরিবারের কাছে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে বাহারছড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর নয়াপাড়া এলাকার পাহাড়ের পাদদেশে এ ঘটনা ঘটে। অপহৃত শিশু মো. আরাফাত (১২) ওই এলাকার আবদুল মাবুদের ছেলে।
অপহৃত শিশুর বাবা আবদুল মাবুদ জানান, প্রতিদিনের মতো তার ছেলে মহিষ আনতে বাড়ি থেকে বের হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত ফিরে না আসায় আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের কাছে খোঁজ নেওয়া হয়, কিন্তু কোথাও তার সন্ধান মেলেনি। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে এক পরিচিত ব্যক্তির মোবাইল নম্বরে ফোন করে দুর্বৃত্তরা ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
তিনি বলেন, ‘আমি একজন সাধারণ মানুষ। এত টাকা দেওয়ার সামর্থ্য আমার নেই। আমার ছেলেকে জীবিত উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি সহযোগিতা চাই।’
স্থানীয় কয়েকজন জানান, ঘটনার পেছনে পারিবারিক বিরোধ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের দাবি, পূর্বের শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ২৮ জুন টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া এলাকা থেকে দিনের বেলায় অস্ত্রধারীরা পল্লী চিকিৎসক কামাল মাস্টারকে অপহরণ করে। পরিবারের দাবি, আট দিন পর গত ৬ জুলাই রাতে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে তাকে মৌচনী এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়। অপহরণের সময় নির্যাতনের কারণে তিনি এখনো অসুস্থ রয়েছেন।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে শিশুটিকে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনা করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ৪ জুলাই টেকনাফে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত চার ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় অপহরণপ্রবণ (হটস্পট) এলাকায় পুলিশ চৌকি স্থাপন এবং চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর পাহাড়ে পরিচালিত অভিযানের আদলে বিশেষ যৌথ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এখনো কার্যকরভাবে সেই যৌথ অভিযান শুরু না হওয়ায় বাহারছড়াসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় অপহরণের ঘটনা উদ্বেগজনকহারে বেড়েই চলেছে।
ছবি: সংগৃহীত
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আবৃত্তি ও অভিনয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ‘শব্দশৈলী’-এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তারা বলেন, শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক শিক্ষার বিকল্প নেই।
গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতে শহরের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক দ্বীপেন্দ্র ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রফেসর নৃপেন্দ্র লাল দাশ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উদীচী মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ডাডলি ডেরিক প্রেন্টিস, দশরথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জহর চক্রবর্তী, সমাজসেবক আমিনুর রশিদ মুরাদ এবং কুঞ্জবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একরামুল কবির।
অনুষ্ঠিটি শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা এবং উপস্থিত অতিথি, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
ছবি: সংগৃহীত
যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে আমদানি করা ভারী পণ্য। চাহিদার তুলনায় প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে আমদানি বাণিজ্য। এতে পণ্য খালাসে দীর্ঘসূত্রতা ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা, পাশাপাশি স্থবির হয়ে পড়ছে বিভিন্ন শিল্প-কলকারখানা স্থাপন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড।
বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের প্রায় ৩০ শতাংশই ভারী পণ্য রয়েছে। এসব পণ্য দ্রুত ও নিরাপদে খালাসের জন্য কমপক্ষে ১২টি ক্রেন এবং ২০টি ফর্কলিফট প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘গ্রেড বেঙ্গল এন্টারপ্রাইজ’-এর কাছে রয়েছে মাত্র ৭টি ক্রেন ও ৮টি ফর্কলিফট। এর মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রায় অর্ধেক সময় এসব যন্ত্র অচল থাকে। ফলে জরুরি পণ্য খালাসের জন্য ব্যবসায়ীদের দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, বাণিজ্যিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দেয়া হলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে লোকসান এড়াতে অনেক আমদানিকারক বেনাপোল ছেড়ে অন্য বন্দরের দিকে ঝুঁকছেন। এতে বেনাপোল বন্দরের রাজস্ব আয়ে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
ভারত-বাংলা ল্যান্ডপোর্ট চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মতিয়ার রহমানও একই হতাশার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘বন্দরের বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষতির মুখে পড়ছেন।’
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের বন্দরবিষয়ক সম্পাদক মো. মেহেরুল্লাহ বলেন, ‘ক্রেন অচল থাকায় পণ্য সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। চাহিদার তুলনায় অর্ধেক যন্ত্রপাতি দিয়ে কোনোভাবেই স্বাভাবিক কার্যক্রম চালানো সম্ভব নয়। এতে আমদানি কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছে।’
গত এক যুগ ধরে বন্দরে এই সমস্যা বিদ্যমান থাকলেও সমাধানে কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। তবে বেনাপোল বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শহীদ আলী জানান, অদক্ষ ঠিকাদার পরিবর্তনের জন্য এরইমধ্যে বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক রুহুল আমিন বলেন, ‘সমস্যা সমাধানে নতুন ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দ্রুতই নতুন ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে এই সংকট নিরসন করা হবে।’
ছবি: সংগৃহীত
নিখোঁজের ১৪ দিন পর মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী অনিকা আক্তার (১৬) ও মাহমুদা আক্তার মীম (১৬) সাভার থেকে উদ্ধার করা হয়। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে ঢাকার সাভার পৌরসভা ভবনের একটি ভাড়াবাসা থেকে নিখোঁজ দুই ছাত্রীকে উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এর আগে গত ৩ জুলাই দুপুরে ওই দুই ছাত্রী সাটুরিয়া জামিয়া জয়নব বিনতে জাহাশ (রা.) সৈয়দ গুলজান বেগম মহিলা মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়।
উদ্ধারকৃত ছাত্রীরা হলেন, অনিকা আক্তার (১৬) বাড়ি ঢাকার ধামরাইয়ের বোরাইল এলাকায় এবং মাহমুদা আক্তার মীম (১৬) বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুরের কাশতড় এলাকায়।
তারা দুজনেই সাটুরিয়া জামিয়া জয়নব বিনতে জাহাশ (রা.) সৈয়দ গুলজান বেগম মহিলা মাদ্রাসার হেফজ ও মাওলানা বিভাগের আবাসিক ছাত্রী।
পুলিশ জানান, গত ৩ জুলাই দুপুরে পরিচয় গোপন করে কৌশলে মাদ্রাসা থেকে বের হয় শিক্ষার্থী অনিকা আক্তার ও মাহমুদা আক্তার মীম। এরপর দীর্ঘ ৬ দিন মাদ্রাসায় না ফেরায় অনিকা আক্তার ও মাহমুদা আক্তার মীমের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং গত ৯ জুলাই সাটুরিয়া থানায় একটি নিখোঁজের বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাদের পরিবার। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে ঢাকা সাভার পৌরসভা ভবনের একটি ভাড়াবাসা থেকে নিখোঁজ দুই ছাত্রীকে উদ্ধার করে সাটুরিয়া থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন জানান, থানায় সাধারণ ডায়েরির পর নিখোঁজ দুই ছাত্রীর বিষয়ে কাজ শুরু করেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার সাভার পৌরসভা ভবনের একটি ভাড়াবাসা থেকে ওই দুই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। তারপর থানায় তাদের অভিভাবকদের এনে তাদের সন্তানকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে ঘোষিত ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নবনির্মিত ‘নজরুল ভিলেজ’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) কেন্দ্রীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানার বিপরীতে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর ফলক উন্মোচন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি।
এ সময় ফলক উন্মোচনের পর মোনাজাত শেষে বৃক্ষরোপণ করেন মন্ত্রী।
ভূমি মন্ত্রী বলেন আজ আমরা নজরুল ভিলেজের ফলক উন্মোচন করেছি, কাজ সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার পর এটিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাজশাহীতে নিয়ে এসে এর উদ্বোধন করানো হবে।
জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, কবিতা ও গান নতুন প্রজন্মের মাঝে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে নির্মিত হচ্ছে ‘নজরুল মঞ্চ’ এবং ‘নজরুল কর্নার’। সম্পূর্ণ উন্মুক্ত পরিবেশে এবং বৃক্ষশোভিত ছায়ায় সাধারণ মানুষের জন্য এই প্রাঙ্গণটি তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে বছরব্যাপী চলবে নজরুল সাহিত্য ও শিল্পের চর্চা।
তিনি বলেন প্রস্তাবিত স্থানে কোনো বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে না। এটি সর্বসাধারণের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকবে। যেকোনো দল বা গোষ্ঠী যেকোনো সময় এখানে এসে নজরুলের নাটক, পালাগান এবং সাহিত্যের বিভিন্ন শাখার চর্চা করতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন প্রকল্পটির জন্য প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন উৎস থেকে ২৫ লক্ষ টাকার একটি তহবিল সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে মূল 'নজরুল মঞ্চ' নির্মাণের জন্য ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
নজরুল চর্চাকে একটি কাঠামোর মধ্যে আনতে ইতোমধ্যে একটি ‘নজরুল ক্যালেন্ডার’ ঘোষণা করা হয়েছে। এই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সারা বছর জুড়েই এখানে নিয়মিত নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
পুরো প্রকল্পটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হবে। তবে আগামী মাসের নির্ধারিত অনুষ্ঠানগুলো যাতে এই প্রাঙ্গণেই আয়োজন করা যায়, সে লক্ষ্যে আপাতত ‘নজরুল মঞ্চ’-এর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য