× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A fire broke out in a shoe factory at Kamrangirchar in the capital
google_news print-icon

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে জুতার কারখানায় আগুন

রাজধানীর-কামরাঙ্গীরচরে-জুতার-কারখানায়-আগুন
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের কারবালার মোড় এলাকার আঁছওয়ালা ঘাটে জুতার কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের প্রায় ৩৮ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৩টা ১২ মিনিটে কারখানাটিতে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, বিকেল ৩টা ১২ মিনিটে জুতার কারখানায় আগুন লাগার সংবাদ পাওয়ার পরপরই হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে বিকেল ৩টা ৪৯ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন তারা।

তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিংবা হতাহতের কোনো তথ্য জানা যায়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে বলে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The assurance of maximum punishment for those involved in the murder of the BNP president buried in Mithamain

মিঠামইনে বিএনপি সভাপতির দাফন সম্পন্ন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস

মিঠামইনে বিএনপি সভাপতির দাফন সম্পন্ন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে মিঠামইন সদরের হেলিপ্যাড মাঠে জাহাঙ্গীরের জানাজা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে জুমার নামাজের পর হেলিপ্যাড মাঠে জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

শরীফুল আলম বলেন, “জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত কর্মী ছিলেন। প্রায় ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। বাড়িঘর ছেড়ে কঠিন সময় পার করেও সুসময়ে এসে এভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হবেন, তা কল্পনাও করা যায় না। তার এই অকাল মৃত্যু আমাদের গভীরভাবে শোকাহত করেছে।”

শরীফুল আলম আরও বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং দলের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কারা ইন্দনদাতা সেটিও দেখছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। তিনি বলেন, ভাড়াটে খুনি এনে হত্যাকাণ্ড হাওরে বিরল ঘটনা। এর পিছনে যারাই জড়িত, তারা যতই শক্তিশালী হোক কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেন, জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাকে গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই। তবে শুধু হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করলেই হবে না, হত্যার নেপথ্যে থাকা পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা ও মদদদাতাদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, জাহাঙ্গীর শুধু রাজনৈতিক সহকর্মী ছিলেন না, দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ সৈনিক ছিলেন। তার মৃত্যু বিএনপির জন্য বড় ক্ষতি। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

জানাজায় কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক স্থানীয় মানুষ অংশ নেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Constables body recovered from Demra Police Lines building

ডেমরা পুলিশ লাইনস ভবন থেকে কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার

ডেমরা পুলিশ লাইনস ভবন থেকে কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইনস ভবন থেকে মো. সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে সহপাঠীরা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক কলহ থেকে হতাশা এবং তারপর গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যু হয়েছে তার।

নিহত সাইদুল ইসলাম ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মো. সাদেকের ছেলে। তার পুলিশ বিপি নম্বর: ০৭২৬২৬৬৪৬৫। তিনি ডেমরা পুলিশ লাইনের ২০ তলা ভবনের নবম তলার একটি কক্ষে থাকতেন। মাত্র ৯ মাস আগে তিনি পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন।

তার চাচা মো. সোহাগ জানান, পারিবারিক কলহের জেরে সাইদুল কিছুদিন ধরে চরম বিষণ্ণতায় ভুগছিলেন। গত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ডেমরা পুলিশ লাইনের ওই ভবনের সপ্তম তলায় নিজের রুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বিছানার চাদর পেঁচিয়ে ফাঁস দেন। ​পরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকরা জানান।

​ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে এবং পুলিশ এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে। এদিকে মৃত্যুর পূর্বে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে সাইদুল লেখে গেছেন হতাশার কথা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Court orders to submit report against father in girl child murder case

কন্যাশিশুকে হত্যা মামলায় বাবার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ আদালতের

কন্যাশিশুকে হত্যা মামলায় বাবার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ আদালতের ফাইল ছবি

রাজধানীর তুরাগ থানাধীন উত্তরার সিরাজ মার্কেট এলাকায় স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে সাত মাস বয়সি মেয়েকে আছড়ে হত্যা মামলায় বাবা কবির ইসলামের বিরুদ্ধে আগামী ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (১৭ জুলাই) মামলার এজাহার আদালতে আসে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই হেলাল উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাফা মনি কবিতাকে আছড়ে হত্যার ঘটনায় তার নানি সারমীন আক্তার শুক্রবার (১৭ জুলাই) তুরাগ থানায় কবিরকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। কবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তুরাগ থানার এসআই মেহেদী হাসান ফয়সাল।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, দুই বছর আগে কবিরের সঙ্গে লিমা আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে রাফা মনির জন্ম হয়। কবির রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি মাদকাসক্ত। মাদক সেবন করে প্রায়ই লিমাকে অকারণে মারধর ও গালিগালাজ করতেন। বাবা অসুস্থ হওয়ায় মেয়েকে নিয়ে গত বৃহস্পতিবার বাবাকে দেখতে যান লিমা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বালুরমাঠ হারুন মোল্লার বস্তির বাসায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়।

কবির অত্যন্ত ক্ষিপ্ত ও উত্তেজিত হয়ে যান। রাফা মনিকে তার নানির কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে মাথার ওপর উঠিয়ে রাস্তায় আছাড় মারেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর আড়াইটার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
401 cases 50 arrested in DMP raid in capital

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪০১, মামলা ৫০

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪০১, মামলা ৫০ ফাইল ছবি

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে আরও ৪০১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় বিভিন্ন থানায় ৫০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এসব তথ্য জানান।

নিয়াজ মেহেদী জানান, গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৪৪ জন, লালবাগ বিভাগে ২৬ জন, ওয়ারী বিভাগে ৪২ জন, মতিঝিল বিভাগে ৪১ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৩১ জন, মিরপুর বিভাগে ১১৯ জন, গুলশান বিভাগে ৪৭ জন ও উত্তরা বিভাগে ৩৮ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ ছাড়া গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

তিনি আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ২৫ হাজার ১০৯ পিস ইয়াবা, ২০ কেজি ৯৫০ গ্রাম গাঁজা, একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ১৫টি বাঁশের তৈরি মশাল, ৮৩টি মোবাইল ফোন, আওয়ামী লীগের স্লোগানসংবলিত একটি ব্যানার, পাঁচটি প্ল্যাকার্ড, একটি হাইস গাড়ি, ৬ হাজার ৬০০টি সিমকার্ড, একটি ল্যাপটপ ও একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে ডিএমপি জানিয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I myself have joined the Chhatra Dal but have to speak on the basis of evidence Comilla SP

আমি নিজেও ছাত্রদল করেছি, তবে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলতে হবে: কুমিল্লার এসপি

আমি নিজেও ছাত্রদল করেছি, তবে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলতে হবে: কুমিল্লার এসপি ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুজ্জামান বলেছেন, "আমি নিজেও ছাত্রদল করেছি। আপনার বহু আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল করে এসেছি। তবে রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলতে হবে।"

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম মিঠু অভিযোগ করে বলেন, কুমিল্লায় এসপি হিসেবে আনিসুজ্জামান দায়িত্ব নেওয়ার পর ‘ফ্যাসিস্টরা’ সক্রিয় হয়ে উঠেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

এর জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। অভিযোগ করতে হলে তথ্য-প্রমাণসহ করতে হবে। ভিত্তিহীন মন্তব্য বা রাজনৈতিক বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।

নিজের ছাত্রজীবনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, "ছাত্রদল আমি নিজেও করেছি। আপনার বহু আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল করে এসেছি।"

পুলিশের বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ না তোলার আহ্বান জানিয়ে এসপি বলেন, "আমরা নিজের শত্রুকে কেন ধরতে যাব? যাকে আপনার পছন্দ হয় না, তাকেই ফ্যাসিস্ট বানিয়ে দেন। মামলায় কাকে গ্রেপ্তার করা হবে, তা আইন অনুযায়ী নির্ধারণ হবে। ওসি কাকে গ্রেপ্তার করবে, সেই নির্দেশ আপনারা দিতে পারেন না।"

তিনি আরও বলেন, একটি বাহিনী সম্পর্কে মন্তব্য করার আগে বাস্তবতা জানা জরুরি। "৫ আগস্টের পর এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যখন কোথাও পুলিশ ছিল না। সেই নড়বড়ে অবস্থা থেকে পুলিশ আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।"

পুলিশ সুপার বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার মাত্র চার মাস আগে দায়িত্ব নিয়েছে। তাই সরকারকে কাজ করার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া উচিত।

বিচারহীনতার অভিযোগ প্রসঙ্গে আনিসুজ্জামান বলেন, "বিচার হয় না—এ কথা মোটেই ঠিক নয়। বিভিন্ন আলোচিত মামলায় আদালত রায় দিয়েছেন, অনেকের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে এবং অনেক মামলার বিচার প্রক্রিয়া এখনও চলমান। আমি নিজেও অনেক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি এবং চার্জশিট দাখিল করেছি।"

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Education program finally started in Naogaon University

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে অবশেষে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে অবশেষে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে নওগাঁবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শনিবার (১৮ জুলাই) আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ এবং শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এই নবীন বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার নতুন যাত্রা শুরু করবে।

উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ.ন.ম. এহসানুল হক মিলন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, শিক্ষাবিদ, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

সকাল ১০টায় শহরের বরুনকান্দি মোড়ে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হবে। এরপর পায়রা অবমুক্তকরণ, বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানো, উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন, শ্রেণিকক্ষ, গ্রন্থাগার, কম্পিউটার ল্যাব ও স্টাডি সেন্টারের উদ্বোধন এবং কেক কাটার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রমের যাত্রা ঘোষণা করা হবে। পরে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী আলোচনা সভা।

সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি প্রধান অতিথি, উপাচার্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা বক্তব্য রাখবেন। অনুষ্ঠানে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আমগাছের চারা উপহার দিয়ে বরণ করে নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী।

উপাচার্য ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী জানান, প্রাথমিকভাবে আইন ও হিসাববিজ্ঞান এই দুই অনুষদে ৪০ জন করে মোট ৮০ শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান শুরু হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য ৯৭ একর জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও গবেষণাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রাকে ঘিরে নওগাঁজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

মন্তব্য

p
উপরে