× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
1334 rail accidents in 15 years more in eastern region
google_news print-icon

১৫ বছরে ১,৩৩৪ রেল দুর্ঘটনা, বেশি পূর্বাঞ্চলে

১৫-বছরে-১৩৩৪-রেল-দুর্ঘটনা-বেশি-পূর্বাঞ্চলে
ছবি: সংগৃহীত

দেশে গত ১৫ বছরে এক হাজার ৩৩৪টি রেল দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পূর্বাঞ্চলে ঘটেছে এক হাজার ৫১টি এবং পশ্চিমাঞ্চলে ঘটেছে ২৮৩টি। বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে কুমিল্লা-৯ আসনের এমপি আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান রেলমন্ত্রী। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘দুর্ঘটনা প্রধানত রেললাইন, পয়েন্টস অ্যান্ড ক্রসিংয়ের ত্রুটির কারণে হয়। এছাড়া চাকার শার্পফ্রেঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্যতা, প্রাকৃতিক কারণে রেললাইন বেঁকে বা ডেবে গিয়ে বগি লাইনচ্যুত হতে পারে।’

ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘মেট্রোরেল প্রকল্প নির্মাণে অনিয়ম বা দুর্নীতির কোনো অভিযোগ এখনো পাওয়া যায়নি। পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘মেট্রোরেল এমআরটি-৬ (উত্তর উত্তর-কমলাপুর) প্রকল্পে ডিপিপি তিনবার সংশোধন করা হয়েছে। প্রথমে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি সাত লাখ টাকা। দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৩৩ হাজার ৪৭১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। সর্বশেষ তৃতীয় সংশোধনীতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৩২ হাজার ৭১৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।’

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘বিগত ১৫ বছরে (২০১১-২৬) বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে ৬৬টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ, ৪১টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ, ৩২০টি ব্রডগেজ প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ, ৪৮২টি মিটারগেজ প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। যাতে ব্যয় হয়েছে ছয় হাজার ৭৭০ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।’

কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গত দেড় দশকে ছোট-বড় মিলিয়ে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে ১৩৩৪টি ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ১০৫১ ও পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘দুর্ঘটনা প্রতিরোধে রেললাইন রক্ষণাবেক্ষণ করাসহ নতুন রেললাইন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। তাছাড়া দুর্ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তি বা বিভাগের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।’

কুমিল্লা-১০ আসনের এমপির প্রশ্নের জবাবে রবিউল আলম বলেন, ‘মহাসড়কে সেচ ইঞ্জিন দিয়ে পরিচালিত অবৈধ যান আটক করে ডাম্পিং স্টেশনে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

গাজীপুর-৫ আসনের এমপি ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের জবাবে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সারাদেশে ২০২৪ সালে জেলা ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এক হাজার ৪১৭টি, ২০২৫ সালে এক হাজার ১২৩টি এবং ২০২৬ সালে ৩৬৪টি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে।’

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সাবিকুন্নাহারের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুকে সেবা দেওয়ার জন্য সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৭টি ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) স্থাপন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, কিউআরটি প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান ১৪টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের কার্যক্রম জোরদারকরণসহ ২৩টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন ওসিসি সেন্টার স্থাপন প্রক্রিয়াধীন আছে। এছাড়া ৬৪ জেলায় ওসিসি স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
A unique symbol of Bangladeshs pluralistic culture the Chief Whip

বাংলাদেশ বহুত্ববাদী সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতীক: চিফ হুইপ

বাংলাদেশ বহুত্ববাদী সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতীক: চিফ হুইপ ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশোমাধব রথযাত্রা-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি । ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ধামরাইয়ের শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী যশোমাধব রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং বহুত্ববাদী সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতীক। এ ধরনের আয়োজন দেশের সামাজিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে এবং জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার কায়েতপাড়াস্থ ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশোমাধব মন্দিরের মাধব অঙ্গনে আয়োজিত ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশোমাধব রথযাত্রা-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে পায়রা উড়িয়ে রথযাত্রা ও রথমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চিফ হুইপ।

বাংলাদেশ বহুত্ববাদী সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতীক: চিফ হুইপ
ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশোমাধব রথযাত্রা-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি । ছবি: সংগৃহীত

তিনি বলেন, দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে এ দেশের জনগণ জুলাইয়ে একটি নতুন সূর্যের উদয় প্রত্যক্ষ করেছে। অসাম্প্রদায়িক চেতনা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় থেকেই জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। তিনি বলেন, বিএনপি জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

চীফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই; এ দেশের হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মের মানুষ সমান অধিকার, সমান মর্যাদা ও সমান সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রাপ্ত নাগরিক। তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সম্মিলিত আত্মত্যাগ ও অবদানের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই রাষ্ট্রে ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বিভাজন, বৈষম্য কিংবা বিদ্বেষের স্থান নেই।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় সেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নে বৈষম্যহীন নীতি অনুসরণ করছে। কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ বা সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বৈষম্য করা হয় না। রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক সমান সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী।

চিফ হুইপ বলেন, অতীতে সংখ্যালঘু ইস্যুকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হতো। দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিমা ভাঙচুর, মন্দিরে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়ে সমাজে বিভেদ সৃষ্টি এবং রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অপচেষ্টা চালানো হতো। বর্তমান বাস্তবতায় এ ধরনের অপতৎপরতার কোনো স্থান নেই। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, বিএনপিতে উগ্রবাদ, সাম্প্রদায়িকতা কিংবা ধর্মীয় বিদ্বেষের কোনো স্থান নেই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন এবং সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ। মেজর জেনারেল জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মোরাদ এবং ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মামুন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক ভক্ত-অনুরাগী অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষে চিফ হুইপ ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশোমাধব রথযাত্রা ও রথমেলার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি, শান্তি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Maintenance of minor child cannot be avoided on pretext of divorce HC

তালাকের অজুহাতে নাবালক সন্তানের ভরণপোষণ এড়ানো যাবে না: হাইকোর্ট

তালাকের অজুহাতে নাবালক সন্তানের ভরণপোষণ এড়ানো যাবে না: হাইকোর্ট ছবি: সংগৃহীত

আইন অনুযায়ী প্রমাণিত বা কার্যকর নয় এমন তালাকের অজুহাতে স্ত্রী ও নাবালক সন্তানের ভরণপোষণ কিংবা দেনমোহরের ডিক্রির বাস্তবায়ন বন্ধ করা যাবে না মর্মে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ে বলা হয়, নাবালক সন্তানের ভরণপোষণ কোনোভাবেই মা-বাবার তালাক সংক্রান্ত বিরোধের ওপর নির্ভরশীল নয়; এটি শিশুর স্বাধীন ও স্বতন্ত্র আইনগত অধিকার। সম্প্রতি বিচারপতি আবদুর রহমান এর একক বেঞ্চে দেওয়া এ রায় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রকাশিত হয়।

আদালতে স্বামীর পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. শহিদুল ইসলাম এবং স্ত্রীর পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানজিলা রহমান ও ইফাত হাসান শাম্মি।

এ মামলার স্ত্রীর পক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান সাংবাদিকদের বলেন, এই রায়টি পারিবারিক আইনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাইকোর্ট স্পষ্ট করেছেন যে, আইন অনুযায়ী প্রমাণিত নয় এমন তালাকের অজুহাতে স্ত্রী বা নাবালক সন্তানের ভরণপোষণ এড়ানো যাবে না। একই সঙ্গে আদালত বলেছেন, নাবালক সন্তানের ভরণপোষণ একটি স্বাধীন আইনগত অধিকার এবং বিবাহ, তালাক ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির একচ্ছত্র এখতিয়ার ফ্যামিলি কোর্টের। আমার মতে, এই রায় নারী ও শিশুর অধিকার সুরক্ষা এবং আদালতের চূড়ান্ত রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালে পক্ষদ্বয়ের বিবাহ হয়। পরবর্তীতে স্ত্রী ও তাদের নাবালক কন্যা সন্তানের পক্ষে দেনমোহর ও ভরণপোষণের মামলা দায়ের করা হয়। স্বামী দাবি করেন যে তিনি পূর্বেই স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন। কিন্তু ফ্যামিলি কোর্টে তিনি আইন অনুযায়ী সেই তালাক প্রমাণ করতে ব্যর্থ হন। ফলে আদালত স্ত্রী ও সন্তানের পক্ষে দেনমোহর ও ভরণপোষণের ডিক্রি প্রদান করেন। পরবর্তীতে নতুন একটি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করে দাবি করেন যে তালাক কার্যকর হয়েছে এবং সেই মামলার অজুহাতে ভরণপোষণের ডিক্রির এক্সিকিউশন স্থগিত করার আবেদন করেন। নিম্ন আদালত আবেদনটি খারিজ করলে বিষয়টি হাইকোর্টে আসে।

রায়ে হাইকোর্ট বলেন, শুধুমাত্র একটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে- এই কারণে পূর্বে প্রদত্ত চূড়ান্ত ডিক্রির বাস্তবায়ন বন্ধ করা যাবে না। কোনো সক্ষম আদালত ডিক্রি স্থগিত না করা পর্যন্ত সেটি কার্যকর থাকবে এবং এক্সিকিউশন কোর্ট তা বাস্তবায়ন করতে বাধ্য।

আদালত আরও বলেন, যে তালাক আইন অনুযায়ী প্রমাণিত নয় বা কার্যকর নয়, সেই তালাকের কোনো আইনগত কার্যকারিতা নেই। এমন তালাক বৈবাহিক সম্পর্কের অবসান ঘটায় না এবং ভরণপোষণ বা দেনমোহরের ডিক্রি বাস্তবায়নের পথে কোনো আইনি বাধাও সৃষ্টি করতে পারে না।

রায়ে আদালত স্পষ্ট করেছেন যে, বিয়ে, তালাক, দেনমোহর, ভরণপোষণ এবং বৈবাহিক অধিকার সম্পর্কিত বিরোধ নিষ্পত্তির একমাত্র এখতিয়ার ফ্যামিলি কোর্টের।

হাইকোর্ট বলেন, একজন নাবালক সন্তানের ভরণপোষণের অধিকার একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র আইনগত অধিকার। মা-বাবার মধ্যে তালাক নিয়ে বিরোধ থাকলেও সন্তানের ভরণপোষণ বন্ধ করা যাবে না। একজন বাবা কেবল তালাক সংক্রান্ত বিরোধের অজুহাতে তার সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।

রায়ে আরও বলা হয়, এক্সিকিউশন কোর্টের দায়িত্ব কেবল বিদ্যমান ডিক্রি বাস্তবায়ন করা। তারা নতুন করে তালাক বৈধ কি না কিংবা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান কি না-এসব প্রশ্ন বিচার করতে পারে না। ডিক্রির বাইরে গিয়ে নতুন বিরোধ নিষ্পত্তি করার কোনো এখতিয়ার তাদের নেই।

আদালত একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে বলেন, যদি পূর্বে দাবি করা তালাক আইনগতভাবে অকার্যকর প্রমাণিত হয় এবং স্বামী সত্যিই বৈবাহিক সম্পর্কের অবসান ঘটাতে চান, তাহলে আইন অনুযায়ী নতুন করে তালাক দেওয়ার সুযোগ তার রয়েছে। তবে সেই সম্ভাবনা পূর্বে প্রদত্ত ডিক্রির অধীনে সৃষ্ট দেনমোহর ও ভরণপোষণের দায় থেকে তাকে মুক্তি দেয় না।

হাইকোর্ট রুল খারিজ করে নিম্ন আদালতের আদেশ বহাল রাখেন। একই সঙ্গে আদালত স্বামীকে দেনমোহরের বকেয়া এবং স্ত্রী ও নাবালক সন্তানের সকল বকেয়া ভরণপোষণ পরিশোধের নির্দেশ দেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
More than 12 million people were killed in the flood and 58 were affected

বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ

বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ ছবি: সংগৃহীত

দেশে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি, উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ৭টি জেলায় নিহত বেড়ে ৫৮ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বন্যা পরিস্থিতির সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে ইতোমধ্যে ১২ লাখের বেশি মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, দেশের বন্যাকবলিত ও ক্ষতিগ্রস্ত ৭টি জেলা হলো—কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। এসব জেলায় এখন পর্যন্ত পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ৫২ হাজার ৪৯৩টি পরিবার। সর্বমোট ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮০৫ জনে। দুর্গত এলাকার মানুষের সহায়তায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যা ও পাহাড় ধসে এ পর্যন্ত মোট যে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারে। সেখানে পাহাড় ধস ও পাহাড়ি ঢলে মোট ৩২ জন মারা গেছেন, যার মধ্যে ১৯ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৫ জন, বান্দরবানে ৭ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বন্যা ও পাহাড় ধসের বিভিন্ন ঘটনায় জেলাগুলোতে আহত হয়েছেন আরও ৪০ জন। আহতদের মধ্যে খাগড়াছড়িতে ১ জন, বান্দরবানে ২ জন, কক্সবাজারে ২৫ জন (স্থানীয় ২০ ও রোহিঙ্গা ৫ জন) এবং চট্টগ্রামে ১২ জন রয়েছেন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আক্রান্ত জেলাগুলোর স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, চাল ও নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে অনেক এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের পানিবন্দি মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two Bangladeshi brothers died in a road accident in Saudi Arabia

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি দুই সহোদরের মৃত্যু

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি দুই সহোদরের মৃত্যু ফাইল ছবি

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশি দুই সহোদর ভাই। গত বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টার দিকে প্রাইভেটকারযোগে রিয়াদ থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়।

নিহত ফয়েজ আহমেদ সজীব (২৯) ও ফরহাদ হোসেন সুজন (২১) লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামের খলিফার বাড়ির বাসিন্দা আব্দুল মালেকের বড় ছেলে ও মেজো ছেলে।

এ ঘটনায় তাদের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার গণিপুরে শোকের মাতম চলছে। দুই ভাইয়ের মৃত্যুর বিষয়টি তাদের বাবা আব্দুল মালেক নিশ্চিত করেছেন।

সজীব ও সুজনের সহকর্মীদের বরাত দিয়ে তাদের বাবা জানান, সজীব ও সুজন জেদ্দায় ব্যবসা করতো। তারা দুইজনই রিয়াদ শহরে ব্যবসায়িক মালামাল কিনতে যায়। ওই মালামল নিয়ে ফেরার পথে তাদের বহনকারী গাড়িটিকে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ি সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তাদের গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এসময় গুরুতর আহত হয়ে সজীব ও সুজন মারা যায়।

নিহতদের বাবা আব্দুল মালেক বলেন, আমার দুই ছেলে একসঙ্গে মারা গেছে। সবাই তাদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করবেন।

তাদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চান তিনি।

এদিকে, দুই ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

নিহত দুই ভাইয়ের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ দূতাবাসের জরুরি সহযোগিতা কামনা করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, ঘটনাটি আমাদের জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Another new upazila was added to the country

দেশে যুক্ত হলো আরও এক নতুন উপজেলা

দেশে যুক্ত হলো আরও এক নতুন উপজেলা ফাইল ছবি

ময়মনসিংহের গফরগাঁওকে বিভক্ত করে ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ নামে নতুন এক উপজেলা গঠনের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়।

গত ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১২১তম সভায় গফরগাঁও উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে এই নতুন উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

নতুন গঠিত এই উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ইউনিয়নগুলো হলো মশাখালী, পাঁচবাগ, উস্থি, লঙ্গাইর, পাইথল, দত্তের বাজার, নিগুয়ারী এবং টাঙ্গাব।

নবগঠিত ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর স্থাপন করা হবে উস্থি ইউনিয়নের ১৪৩ নং জে.এল. ভুক্ত নয়াবাড়ী মৌজায়। জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করেছেন উপসিচব হেলেনা পারভীন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DNCC budget announcement of Tk 4527 crore 74 lakh

ডিএনসিসির ৪৫২৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

ডিএনসিসির ৪৫২৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪৫২৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে‌। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বাজেট ঘোষণা করেছেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নগরবাসীর উন্নয়ন, রাজস্ব আদায় ও বাস্তবায়নসহ বাস্তবতার কথা বিবেচনা করে এ বছর একটি যুগোপযোগী বাস্তবমুখী ও উন্নয়নমূলক বাজেট গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রশাসক জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের সহযোগিতায় বাজেট স্বল্পতা কাটিয়ে উঠেছি। আমরা স্বল্প সংখ্যক বাজেট নিয়েও নগরবাসীর উন্নয়নে বিভিন্ন রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কার, জলবদ্ধতা দূরীকরণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারসহ ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ, সফলভাবে হামের টিকা প্রদান, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণসহ আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সফলতা অর্জন, সম্প্রতি অতি বৃষ্টির ফলে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত সরজমিনে পরিদর্শনসহ কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ, বাসা বাড়ির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অবৈধ ফুটপাত দখলমুক্ত করা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন খালগুলোর দখল মুক্ত করে খাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম জোরদার, প্রধানমন্ত্রীর ক্লিন ঢাকা গ্রীন ঢাকা বাস্তবায়নে বৃক্ষরোপণ অভিযান জোরদার করা, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন শিক্ষা ও খেলাধুলা সামগ্রী প্রদানসহ নগরবাসীর সেবামূলক কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি।

বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশাসক জানান, প্রধানমন্ত্রীর ক্লিন ঢাকা গ্রীন ঢাকা এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বাজেটকে ঢেলে সাজানো হয়েছে।

তিনি জানান, এবারের বাজেটে ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণসহ মশাবাহিত বিভিন্ন বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণ করা, নগরের জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ, বিভিন্ন এলাকার ভেঙে পড়ার রাস্তাঘাট সংস্কার, ড্রেন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, ম্যানহোল ব্যবস্থা আধুনিককরণ, বাসা বাড়ির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ, আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের সম্প্রসারণ ও আধুনিকরণ, বর্জ্য হতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন, রোড লাইট ও রোড সেফটির জন্য আধুনিক লাইটিং ব্যবস্থা, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন মার্কেট ও বাজার ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, হকারদের জন্য একটি বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ, বস্তিবাসী উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ, ভবিষ্যতে কোরবানির হাট ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল সংস্কার করে যাত্রী কল্যাণমুখী করা, বিভিন্ন খাল দখলমুক্ত পরে সংস্কারের মাধ্যমে খালের প্রবাহ ধরে রাখা, উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ অভিযান জোরদার করণসহ নগরবাসীর সেবায় একটি উন্নত পরিকল্পিত ও আধুনিক বসবাসযোগ্য নগরী গড়ার পরিকল্পনায় একটি বাস্তবমুখী বাজেট ঘোষণা করছি।

প্রশাসক বলেন, ঢাকা নগরীর সব কার্যক্রম ও সংস্থা সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত নয়। রাজউক, ওয়াসা ও পিডব্লিউডি জড়িত আছে। আমরা সিটি করপোরেশন চেষ্টা করছি সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে ভবিষ্যতে পানি মুক্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নাগরিক জীবন গড়ে তুলতে। তবে এক্ষেত্রে আপনাদের এবং নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। আপনারা এবং নগরবাসী যদি একটু সচেতন হন, তাহলেই আমরা জলবদ্ধতার হাত থেকে সহজেই রক্ষা পাবো, ডেঙ্গুমুক্ত শহর গড়ে তুলতে পারব।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী ও রাজস্ব কর্মকর্তাসহ বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Necessary initiatives will be taken for the development of temples in Khulna City KCC Administrator 

খুলনা সিটির মন্দিরগুলোর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে: কেসিসি প্রশাসক 

খুলনা সিটির মন্দিরগুলোর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে: কেসিসি প্রশাসক  ছবি: সংগৃহীত

আমরা রাজনৈতিকভাবে কোনো ধর্মের মানুষকে ব্যবহার করতে চাই না। উন্নয়ন ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই সব সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাস ও আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। এমন মন্তব্য করেছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করাই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত।’ ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের পরিবর্তে সব সম্প্রদায়ের মানুষের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘নগরীর প্রতিটি মন্দিরের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করা হবে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সন্তানদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।’

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে আর্যধর্মসভা মন্দির থেকে এই রথযাত্রা শুরু হয়। খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এই রথযাত্রার উদ্বোধন করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী ভারতীয় হাইকমিশনার খুলনার পবন কুমারসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

এ সময় অন্যান্য বক্তারা বলেন, ‘ধর্মীয় সম্প্রীত বজায় রেখে আমরা সকলে মিলে একসাথে আগামীর বাংলাদেশ গড়ব।’

উল্লেখ্য, আষাঢ় মাসের শুক্ল দ্বিতীয়া এই রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। কারণ, এই দিন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা তাদের মাসি অর্থাৎ রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের পত্নী গুন্ডিচার বাড়িতে যান। আর সাত দিন পর আবার মন্দিরে ফিরে আসেন। মাসি বাড়ি যাওয়াকে রথযাত্রা ও মাসি বাড়ি থেকে ফেরাকে উল্টোরথ যাত্রা বলে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, রথযাত্রার মধ্য দিয়ে জগন্নাথ ধরাধামে ভক্তকূলের মাঝে নেমে আসেন এবং জগৎ এর মঙ্গল করেন।

মন্তব্য

p
উপরে