× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Around July 16 5 platoons of BGB were deployed in Gopalganj
google_news print-icon

১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

১৬-জুলাই-ঘিরে-গোপালগঞ্জে-৫-প্লাটুন-বিজিবি-মোতায়েন
ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জে ১৬ জুলাইকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করতে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বুধবার সকাল থেকেই শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবির সদস্যরা টহল শুরু করেন। তাদের সঙ্গে যৌথ টহলে রয়েছে পুলিশ ও র‌্যাব।

শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ জানান, নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রায় ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। লাইভ মিছিল থেকে কাশিয়ানীতে ১৫ জন এবং গোপালগঞ্জ সদরের ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশের নিয়মিত টহলের সঙ্গে বিজিবি টহল দিবে জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, গোপালগঞ্জকে অন্য জেলার থেকে আলাদাভাবে দেখা হচ্ছে না। গোপালগঞ্জের মানুষ শান্তিপ্রিয়, তাই ১৬ জুলাইকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই এনসিপির পথযাত্রাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হন। সেই ঘটনার প্রেক্ষাপটে এ বছরও সম্ভাব্য নাশকতা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The President of Mithamain Upazila BNP was hacked to death

মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা

মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা ছবি: জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীর

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি (পদ স্থগিত) জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে তার নিজ বাড়ি মিঠামইন উপজেলা সদরের বেড়িবাঁধ এলাকার বাগানবাড়ির সামনে।

মিঠামইন উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক আব্দুল আওয়াল জানান, মিঠামইন বাজার থেকে ফেরার পথে জাহাঙ্গীরকে নিজ বাড়ির সামনে অজ্ঞাত ৩/৪ জন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা বিএনপি কর্মী হাদিস মিয়াকে কোপায় তারা।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদেরকে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসা অনন্ত বসাক বলেন, রাত সাড়ে ১১ টার দিকে জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
404 rapes across the country in six months an increase of 56 percent
এইচআরএসএস’র প্রতিবেদন

ছয় মাসে সারাদেশে  ৪০৪  ধর্ষণ, নির্যাতন বেড়েছে ৫৬ শতাংশ

ছয় মাসে সারাদেশে  ৪০৪  ধর্ষণ, নির্যাতন বেড়েছে ৫৬ শতাংশ ফাইল ছবি

ছয় মাসে দেশে ৪০৪টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২৩৮ শিশু ও কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া, ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ১৭ জনকে।

বুধবার (১৫ জুলাই) হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) প্রকাশ করা দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে (জানুয়ারি-জুন) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ছয় মাসে ১ হাজার ৬২১ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, যা আগের সালের একইসময়ে ছিল ১ হাজার ৪২ জন। অর্থাৎ, এক বছরে নির্যাতনের ঘটনা প্রায় ৫৬ শতাংশ বেড়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ছয় মাসে ৮৮ নারী ও শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে। ৪৭৬ নারী ও শিশুকে যৌন নিপীড়ন করা হয়েছে।

এছাড়া, যৌতুকের জন্য নির্যাতনের ঘটনায় ১৯ নারী নিহত হয়েছেন, ৮ জন আহত হয়েছেন এবং ৩ নারী আত্মহত্যা করেছেন।

পারিবারিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ৩২০ নারী, আহত হয়েছেন ২১১ জন এবং আত্মহত্যা করেছেন ১৪৭ জন। এসিড সহিংসতায় আহত হয়েছেন ৪ জন নারী।

এইচআরএসএস জানায়, ছয় মাসে ১ হাজার ৭৭ শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩০৫ জন মারা গেছে। ৭৭২ শিশু শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা ছিল ৬৭৩। এর মধ্যে নিহত হয় ১৩২ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের মূলধারার ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, এইচআরএসএসের সংগৃহীত তথ্য ও ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং রিপোর্টের ভিত্তিতে ছয় মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পর এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক ও নির্বাচনী সহিংসতা, মব সহিংসতা, কারাগার ও হেফাজতে মৃত্যু, নারী ও শিশু নির্যাতন, সাংবাদিক ও শ্রমিক নির্যাতনের বিষয়গুলো সমাধান করা না হলে মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য রাষ্ট্র ও সমাজের সব স্তরে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1334 rail accidents in 15 years more in eastern region

১৫ বছরে ১,৩৩৪ রেল দুর্ঘটনা, বেশি পূর্বাঞ্চলে

১৫ বছরে ১,৩৩৪ রেল দুর্ঘটনা, বেশি পূর্বাঞ্চলে ছবি: সংগৃহীত

দেশে গত ১৫ বছরে এক হাজার ৩৩৪টি রেল দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পূর্বাঞ্চলে ঘটেছে এক হাজার ৫১টি এবং পশ্চিমাঞ্চলে ঘটেছে ২৮৩টি। বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে কুমিল্লা-৯ আসনের এমপি আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান রেলমন্ত্রী। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘দুর্ঘটনা প্রধানত রেললাইন, পয়েন্টস অ্যান্ড ক্রসিংয়ের ত্রুটির কারণে হয়। এছাড়া চাকার শার্পফ্রেঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্যতা, প্রাকৃতিক কারণে রেললাইন বেঁকে বা ডেবে গিয়ে বগি লাইনচ্যুত হতে পারে।’

ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘মেট্রোরেল প্রকল্প নির্মাণে অনিয়ম বা দুর্নীতির কোনো অভিযোগ এখনো পাওয়া যায়নি। পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘মেট্রোরেল এমআরটি-৬ (উত্তর উত্তর-কমলাপুর) প্রকল্পে ডিপিপি তিনবার সংশোধন করা হয়েছে। প্রথমে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি সাত লাখ টাকা। দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৩৩ হাজার ৪৭১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। সর্বশেষ তৃতীয় সংশোধনীতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৩২ হাজার ৭১৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।’

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘বিগত ১৫ বছরে (২০১১-২৬) বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে ৬৬টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ, ৪১টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ, ৩২০টি ব্রডগেজ প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ, ৪৮২টি মিটারগেজ প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। যাতে ব্যয় হয়েছে ছয় হাজার ৭৭০ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।’

কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গত দেড় দশকে ছোট-বড় মিলিয়ে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে ১৩৩৪টি ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ১০৫১ ও পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘দুর্ঘটনা প্রতিরোধে রেললাইন রক্ষণাবেক্ষণ করাসহ নতুন রেললাইন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। তাছাড়া দুর্ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তি বা বিভাগের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।’

কুমিল্লা-১০ আসনের এমপির প্রশ্নের জবাবে রবিউল আলম বলেন, ‘মহাসড়কে সেচ ইঞ্জিন দিয়ে পরিচালিত অবৈধ যান আটক করে ডাম্পিং স্টেশনে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

গাজীপুর-৫ আসনের এমপি ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের জবাবে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সারাদেশে ২০২৪ সালে জেলা ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এক হাজার ৪১৭টি, ২০২৫ সালে এক হাজার ১২৩টি এবং ২০২৬ সালে ৩৬৪টি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে।’

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সাবিকুন্নাহারের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুকে সেবা দেওয়ার জন্য সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৭টি ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) স্থাপন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, কিউআরটি প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান ১৪টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের কার্যক্রম জোরদারকরণসহ ২৩টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন ওসিসি সেন্টার স্থাপন প্রক্রিয়াধীন আছে। এছাড়া ৬৪ জেলায় ওসিসি স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Air pollution costs 88000 premature deaths annually and costs and23 billion

বায়ুদূষণে বছরে ৮৮ হাজার অকালমৃত্যু, ক্ষতি ২৩ বিলিয়ন ডলার

বায়ুদূষণে বছরে ৮৮ হাজার অকালমৃত্যু, ক্ষতি ২৩ বিলিয়ন ডলার ছবি: সংগৃহীত

দেশের ছয়টি প্রধান শহরে সূক্ষ্ম ধূলিকণা (PM2.5) দূষণের কারণে বছরে প্রায় ৮৮ হাজার ২৪০ জনের অকালমৃত্যু হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৪২ জন মানুষ বায়ুদূষণজনিত কারণে প্রাণ হারাচ্ছেন। একই সঙ্গে এ দূষণের কারণে বছরে প্রায় ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা) অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৫ শতাংশের সমান।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের ক্লাইমেট চেঞ্জ, এয়ার কোয়ালিটি অ্যান্ড হেলথ রিসার্চ (C2AHR) ইউনিট পরিচালিত গবেষণাটি সম্প্রতি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত Pollution সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। ড. সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও বরিশাল—এই ছয়টি প্রধান শহরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বায়ুদূষণজনিত মোট মৃত্যুর মধ্যে বছরে ৩৭ হাজার ৫১৯ জন হৃদ্‌রোগে, ৮ হাজার ৩৪৪ জন দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগে এবং ৮১১ জন ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা গেছেন।

শহরভিত্তিক বিশ্লেষণে সবচেয়ে বেশি অকালমৃত্যু হয়েছে ঢাকায়। সেখানে PM2.5 দূষণের সঙ্গে সম্পর্কিত মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজার ৭০৩। এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম (১১ হাজার ২০২), রাজশাহী (২ হাজার ৮২৭), খুলনা (২ হাজার ৬২৫), সিলেট (১ হাজার ৪৮৮) এবং বরিশাল (১ হাজার ৩৯৫)।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ২০১৩ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ছয়টি শহরেই বায়ুদূষণজনিত অকালমৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩ হাজার ৪৮৪ জন অতিরিক্ত মানুষের মৃত্যু PM2.5 দূষণের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়েছে। গবেষকদের মতে, এটি নগরাঞ্চলে বায়ুদূষণের ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা প্রায়ই বায়ুদূষণকে শুধু পরিবেশগত সমস্যা হিসেবে দেখি। কিন্তু আমাদের গবেষণা বলছে, এর ফলে বছরে প্রায় ৮৮ হাজার অকালমৃত্যু এবং জিডিপির প্রায় ৫ শতাংশ সমপরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতি আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বায়ুর গুণগত মানসংক্রান্ত নির্দেশিকা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, PM2.5 নির্গমন কমানো, নগরাঞ্চলে সমন্বিত বায়ুমান ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং প্রমাণভিত্তিক নীতি গ্রহণের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অকালমৃত্যু ও অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়ানো সম্ভব।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wood cannot be burnt in brick kilns as fuel Environment Minister

জ্বালানি হিসেবে ইটভাটায় কাঠ পোড়ানো যাবে না: পরিবেশমন্ত্রী

জ্বালানি হিসেবে ইটভাটায় কাঠ পোড়ানো যাবে না: পরিবেশমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ‘ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে কোনোভাবেই কাঠ পোড়ানো যাবে না। বুধবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ের মন্ত্রণালয়ে সভাকক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিবিএমওএ) সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

ইটভাটা শিল্পের পরিবেশগত প্রভাব, বায়ুমান ব্যবস্থাপনা এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার উদ্দেশ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, ‘ইটের বিকল্প এখনো পুরোপুরি তৈরি হয়নি। তাই ইটভাটা বন্ধ না করে, কীভাবে ইটভাটা থেকে সৃষ্ট দূষণ কমানো যায়, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দূষণ কমাতে হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইট বানাতে জমির উপরিভাগের মাটি ব্যবহার করা হলে জমির উর্বরতা নষ্ট হয়। এর ফলে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ দিন দিন কমছে। এর বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।’

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। উচ্চ মাত্রার সালফার সমৃদ্ধ কয়লা ইটভাটায় ব্যবহারের ফলে পরিবেশ দূষিত করে।’ তাই কয়লা ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর গুণগত মানের নীতিমালা করা জরুরি বলে মন্তব্য করেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী।

বাংলাদেশ ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান এবং মহাসচিব মমিন উল্লা খানের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন জেলার উপদেষ্টা ও সহসভাপতিসহ একটি প্রতিনিধিদল সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে ইট উৎপাদন এবং পরিবেশ দূষণ কমিয়ে আনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়, পাশাপাশি অ্যাসোসিয়েশনের নেতারাও তাদের বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তাদের যৌক্তিক দাবি বিবেচনা করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. সাইদুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 cases of mobile court of DSCC for finding larvae of Aedes mosquito 31 thousand rupees fine 

এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ডিএসসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৫ মামলা, ৩১ হাজার টাকা জরিমানা 

এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ডিএসসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৫ মামলা, ৩১ হাজার টাকা জরিমানা  ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মানিকনগর এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার লার্ভা ও প্রজনন স্থান ধ্বংসে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) ডিএসসিসির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু আসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

​ডিএসসিসি কর্তৃক বারবার সচেতন ও সতর্ক করার পরও অবহেলা করায় অভিযানে ৫টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এ অপরাধে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ৫টি মামলায় সর্বমোট ৩১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পাশাপাশি, লার্ভা পাওয়া স্থানগুলো লাল চিহ্ন দিয়ে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে।

​ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলমান বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এই বিশেষ মশকনিধন অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে।

মন্তব্য

p
উপরে