× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Faizullahpur village is on the way to be submerged in the river due to erosion of Padma river in Bheramara
google_news print-icon

ভেড়ামারায় পদ্মা নদীর ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীনের পথে ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম

ভেড়ামারায়-পদ্মা-নদীর-ভাঙনে-নদীগর্ভে-বিলীনের-পথে-ফয়জুল্লাহপুর-গ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় প্রমত্তা পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীনের পথে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম। নদীর প্রবল স্রোতে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভেঙে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। পৈতৃক ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত পরিবার। প্রতি বছর নদীভাঙনে পদ্মা নদীর তীরবর্তী অনেক মানুষ ভূমিহীন হয়ে এখন নিঃস্ব প্রায়। ইতোমধ্যে ওই এলাকায় নতুন করে নদীভাঙন শুরু হয়েছে।

পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের হার্ডিংঞ্জ ব্রিজ পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে ফয়জুল্লাহপুর এলাকার ওপর দিয়ে নির্মিত বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে।

ফয়জুল্লাহপুর গ্রামের প্রবীণ অধিবাসী ইয়ার কবিরাজ বলেন, ‘কয়েকদফায় নদীর ভয়াবহ ভাঙনে সব হারিয়ে গেছে। এখন বসতবাড়িটুকুই আমার শেষ সম্বল।’ তিনি আরও জানান, প্রায় ৬০-৭০ বছর আগে চাকলার চর থেকে এই এলাকায় তার বাপ-দাদারা এসে বসবাস শুরু করেছিলেন। শেষ সম্বল বাড়িটুকু হারিয়ে গেলে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।’

তবে সেটিও আগামী কিছুদিনের মধ্যে মধ্যে নদীতে বিলিন হওয়ার শঙ্কায় কাটছে তার প্রতিটি নির্ঘুম রাত।

আফতাবুল সরদার (৭০) জানান, সবই চলে গেছে পানির নিচে। বেচাকেনা করলেও মানতে পারতাম। কিন্তু এখানে তো সবই গেছে পানির নিচে।

শুধু আফতাবুর সরদারই নন, ভিটেমাটি হারিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বহু সচ্ছল পরিবার।

স্থানীয়রা জানান, এলাকার মানুষ একদম নিঃস্ব হয়ে গেছে। সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টা আরও দেখভাল করলে ভালো হতো।

পদ্মা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকে এই ভাঙনের মূল কারণ বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

গত কয়েক বছরে পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্যা নিয়ন্ত্রণে কিছু জিওব্যাগ নদীতে ফেলে দিলেও তীব্র স্রোত ও ভৌগোলিক পরিবর্তনে সেসব বাঁধ টেকসই হচ্ছে না। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বারবার প্রতিরক্ষা বাঁধ দেওয়ার পরও থামানো যায়নি ভাঙন। তাই বসতবাড়ি ও ফসলি জমি বাঁচাতে মজবুত বাঁধ নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের।

তারা জানান, সবাই দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ। অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক জায়গায় কথা বলে হয়েছে; কিন্তু কোনো উপকার হচ্ছে না।

অনেক নেতাই বারবার এসে প্রতিশ্রুতি দেন; কিন্তু বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয় না।

কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর বলেন, ‘আমি ইতোমধ্যে ওই এলাকা পরিদর্শন করেছি। সেখানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা প্রয়োজন। তবে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
5 cases of mobile court of DSCC for finding larvae of Aedes mosquito 31 thousand rupees fine 

এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ডিএসসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৫ মামলা, ৩১ হাজার টাকা জরিমানা 

এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ডিএসসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৫ মামলা, ৩১ হাজার টাকা জরিমানা  ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মানিকনগর এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার লার্ভা ও প্রজনন স্থান ধ্বংসে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) ডিএসসিসির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু আসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

​ডিএসসিসি কর্তৃক বারবার সচেতন ও সতর্ক করার পরও অবহেলা করায় অভিযানে ৫টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এ অপরাধে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ৫টি মামলায় সর্বমোট ৩১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পাশাপাশি, লার্ভা পাওয়া স্থানগুলো লাল চিহ্ন দিয়ে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে।

​ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলমান বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এই বিশেষ মশকনিধন অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The comprehensive list of entrepreneurs for the development of the fisheries sector will be State Minister Tuku

মৎস্য খাতের উন্নয়নে উদ্যোক্তাদের সমন্বিত তালিকা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

মৎস্য খাতের উন্নয়নে উদ্যোক্তাদের সমন্বিত তালিকা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ছবি: সংগৃহীত

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ‘প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতের টেকসই উন্নয়নে দেশের উদ্যোক্তাদের সমন্বিত তালিকা প্রণয়ন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষিত তরুণরা বাণিজ্যিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক খামার ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে এলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে, ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।’

বুধবার (১৫ জুলাই) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বিভাগীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ পরিচালকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল (জুম) সভায় অংশগ্রহণ করে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিভাগীয় পরিচালক, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সারাদেশের খামারি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের জাতীয় ডাটাবেজ তৈরির মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে সমস্যার সমাধানে কাজ করতে হবে।’

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘শিক্ষিত উদ্যোক্তা পরিকল্পিতভাবে খামার পরিচালনা করেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সার, খাদ্য ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করেন। ফলে উৎপাদন ব্যয় কমে এবং লাভজনকতা বাড়ে। অন্যদিকে অপরিকল্পিতভাবে উপকরণ ব্যবহার করলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায় এবং খামারিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তালিকা প্রণয়নের পর বিভাগভিত্তিক খামারিদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভা হবে। এসব সভায় তাদের সমস্যা, সম্ভাবনা, প্রতিবন্ধকতা ও করণীয় বিষয়ে সরাসরি মতামত নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে বাস্তবসম্মত নীতি ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা সহজ হবে।’

সরকার এই খাতের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের উদ্যোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে।’

খামারিদের সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও দ্রুত তালিকা প্রস্তুত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি এ বিষয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইমাম উদ্দীন কবীর, অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা নওয়ারা জাহান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকার। সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালকরা ভার্চুয়ালি অংশ নেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transfer of buses from Mohakhali Terminal to Purbachal to ease traffic congestion in the capital

রাজধানীর যানজট নিরসনে মহাখালী টার্মিনালের বাস পূর্বাচলে স্থানান্তর

রাজধানীর যানজট নিরসনে মহাখালী টার্মিনালের বাস পূর্বাচলে স্থানান্তর ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর যানজট নিরসন এবং সুশৃঙ্খল গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে পূর্বাচলের নবনির্মিত অস্থায়ী ডিপোতে বাস স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে মহাখালী বাস টার্মিনালের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান। এ সময় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির খান, ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন, পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মহাখালী টার্মিনালকেন্দ্রিক যানজট নিরসনের লক্ষ্যে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পূর্বাচলের নবনির্মিত অস্থায়ী ডিপোতে বাস স্থানান্তরের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এ এলাকায় যানজট কমবে, যাত্রীসেবার মান উন্নত হবে এবং সড়ক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে। পাশাপাশি নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মহাখালী বাস টার্মিনালটি ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। টার্মিনালের ভেতরে আনুমানিক ৪০০টি বাস রাখার স্থান থাকলেও প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০টি বাস সেখানে আসা-যাওয়া করে। ফলে মূল সড়কে বাস পার্কিংসহ পুরো এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এ সমস্যা নিরসনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমিতি, রাজউক, সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বয়ে পূর্বাচলের ৩ নম্বর সেক্টরে রাজউকের মালিকানাধীন প্রায় ১০ একর জমিতে অস্থায়ী বাস ডিপো নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, এ উদ্বোধনের মাধ্যমে সরকারের নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের বাস্তবায়ন শুরু হলো। এর ফলে মহাখালীকেন্দ্রিক যানজট বহুলাংশে কমবে এবং ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ, রাজউক, সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে ধন্যবাদ জানান।

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ঢাকার যানজট নিরসনে এটি একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এর সফল বাস্তবায়ন রাজধানীর সড়ক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উদ্বোধন শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে বাস স্থানান্তর কার্যক্রমের সূচনা করা হয়। এ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A 3 day artcamp organized in the spirit of the July mass uprising in art

শিল্পকলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় ৩ দিনব্যাপী আর্টক্যাম্প আয়োজন

শিল্পকলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় ৩ দিনব্যাপী আর্টক্যাম্প আয়োজন ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, চেতনা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে শিল্পের ভাষায় ধারণ ও উদযাপনের লক্ষ্যে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী আর্টক্যাম্প ‘ক্যানভাস ২৪: মুক্তির মহাকাব্য’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় চিত্রশালা প্লাজায় এই আর্টক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বুধবার (১৫ জুলাই) থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই আর্টক্যাম্পে দেশের ৫৫ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করছেন। তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, আত্মত্যাগ, গণমানুষের সংগ্রাম এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে শিল্পের ভাষায় ক্যানভাসে রূপায়িত করবেন।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘বিগত সময়ে যে অনিয়ম-অবিচার হয়েছে, তা যেন আর না হয় সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। এরই প্রেক্ষাপটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, চেতনা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে উপজীব্য করে তিন দিনব্যাপী আর্টক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছে। এই আর্টক্যাম্পে যেসব শিল্পী অংশগ্রহণ করছেন, তাদের তুলির ছোঁয়ায় ভেসে উঠবে সেই জুলাইয়ের স্মৃতিগুলো।’

​বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘মানুষের মধ্যে জুলাই স্পিরিট জাগিয়ে রাখার একটা অংশ হচ্ছে এই আর্টক্যাম্প। যেখানে শিল্পীরা ছবি আঁকবেন এই জুলাইকে কেন্দ্র করে। জুলাইয়ের নানা দিক আছে, ঘটনা আছে, স্পিরিট আছে—নানাভাবে আমরা এটাকে তুলে ধরতে চাই। যত রকম আর্ট ফর্ম আছে সেগুলোর মাধ্যমে আমরা জুলাইকে ধারণ করতে চাই, জুলাইকে ছড়িয়ে দিতে চাই ও জুলাইকে জাগিয়ে রাখতে চাই।’

​অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আজহারুল ইসলাম শেখ, শিল্পী মনিরুল ইসলাম এবং শিল্পী ও অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tension in Sonargaon centered on meeting of 2 chairman candidates at the same place

২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর একই স্থানে সভাকে কেন্দ্র করে সোনারগাঁয়ে উত্তেজনা

২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর একই স্থানে সভাকে কেন্দ্র করে সোনারগাঁয়ে উত্তেজনা ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুই প্রার্থীর একই স্থানে সভাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের প্রতাপের চর এলাকায় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম ও উপজেলা যুবদলের সদস্য মাসুম রানার সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে প্রতাপের চর মসজিদের সামনে রফিকুল ইসলামের সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এ খবরে মাসুম রানার সমর্থক ইকবাল হোসেন বিশাল প্যান্ডেল করে ভূড়িভোজের আয়োজন করে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীর মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ দু’পক্ষের সভা বন্ধ করে দেয়।

জানা যায়, উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম ও উপজেলা যুবদলের সদস্য মাসুম রানা প্রতিদ্বন্দিতা করবেন। এ নিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দুপক্ষের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তর্কবির্তক, হাতাহাতি ও উত্তেজনা চলছে। গতকাল বুধবার বিকেলে রফিকুল ইসলামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে নির্বাচনী সভা উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এ বিষয়টি জানতে পেরে মাসুম রানার সমর্থক ইকবাল হোসেন গতকাল বুধবার দুপুরে তড়িঘড়ি করে সভা ডেকে ভূড়িভোজের আয়োজন করে। খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের সভা বন্ধ করে দেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জানান, আমাদের সভা পন্ড করার জন্য এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। আমি তাদের সভা অন্যত্র করার জন্য অনুরোধ করার পরও তারা ভূড়িভোজের আয়োজন করে আমাদের ওপর হামলা করার পাঁয়তারা করে। তারা বড় বড় পাতিল এনে রান্না-বান্নার আয়োজন করছিল। তিনি দাবি করেন, মাসুম রানা সমর্থক ইকবাল হোসেন একজন মাদকের ডিলার। পুলিশ তদন্ত করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।

আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুম রানা জানান, আমরা ১৫ দিন আগেই এ নির্বাচনী সভার আহ্বান করেছি। মা, বোন, কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন ছিল। হঠাৎ রফিকুল ইসলাম একই জায়গায় সভা ডেকেছেন। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুলিশ এসে দু’জনের সভাই বন্ধ করে দিয়েছেন। তবে আমার সমর্থক ইকবাল হোসেনকে নিয়ে মাদকের সম্পৃক্তার বিষয়ে যে মন্তব্য করা হয়েছে তা সত্য নয়।

সোনারগাঁ থানার ওসি মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, ‘দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী একই স্থানে সভা করার বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কায় সভা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, ‘দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর একই স্থানে সভা করার বিষয়ে জানেন না। তবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটার আশঙ্কায় পুলিশ বন্ধ করে দিয়েছেন।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
46 BGB on the side of flood affected people in Moulvibazar

মৌলভীবাজারে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে ৪৬ বিজিবি

মৌলভীবাজারে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে ৪৬ বিজিবি ছবি: সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বন্যার কারণে যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন ও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকা দুর্গত মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি)।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার কুরমাছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিজিবির পক্ষ থেকে একটি জরুরি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। একই সাথে বন্যাকবলিত পরিবারগুলোর মাঝে রান্না করা খাবারও বিতরণ করা হয়।

দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের কারণে বন্যা-পরবর্তী বিভিন্ন পানিবাহিত ও অন্যান্য রোগব্যাধির ঝুঁকি বিবেচনা করে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে বিজিবির চারজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করেন। তারা দিনব্যাপী প্রায় ৪৫০ জন নারী, পুরুষ, শিশু ও বয়স্ক রোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে ওষুধ ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করেন। চিকিৎসাদানের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক বিভিন্ন পরামর্শও দেওয়া হয়।

শুধু চিকিৎসাসেবা নয়, বন্যার কারণে চরম দুর্ভোগে থাকা ১০০টি পরিবারের মাঝে রান্না করা দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়। কয়েকদিন ধরে পানিবন্দি অবস্থায় থাকা পরিবারগুলো বিজিবির এই মানবিক সহায়তায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে।

কার্যক্রম চলাকালে দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ। এ সময় তার সাথে বিজিবির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘সাম্প্রতিক বন্যায় সীমান্তবর্তী এলাকার বহু মানুষ চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় তাদের কষ্ট লাঘব এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিজিবি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় বন্যাকবলিত এলাকায় আমাদের এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UNOs assistance to abandoned mother child in Keshavpur hospital

কেশবপুর হাসপাতালে ফেলে যাওয়া মা-শিশুকে ইউএনও―র সহায়তা

কেশবপুর হাসপাতালে ফেলে যাওয়া মা-শিশুকে ইউএনও―র সহায়তা ছবি: সংগৃহীত

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় পরপর দ্বিতীয়বার কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় এক প্রসূতি নারী ও তার নবজাতক কন্যাশিশুকে হাসপাতালে ফেলে রেখে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেকসোনা খাতুন তাদের পাশে দাঁড়ান এবং চিকিৎসার ব্যয়সহ প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করেন।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) কেশবপুর উপজেলার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে এক নারী কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। এর আগে তার ঘরে আরও একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। নবজাতক কন্যাশিশুর জন্মের খবর পেয়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা প্রসূতি মা ও শিশুটিকে ক্লিনিকে রেখে চলে যান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অসহায় ওই নারীর বাবা নেই। আর্থিক সংকটের কারণে তার মাও দীর্ঘ সময় হাসপাতালে থাকতে পারেননি। ফলে অপারেশনের পর প্রয়োজনীয় সেবা, পুষ্টিকর খাবার ও মানসিক সমর্থন ছাড়াই নবজাতককে নিয়ে হাসপাতালে মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাতে হয় তাকে। এমনকি খাবার ও অর্থের অভাবে অন্যের সহায়তায় কোনোমতে দিন পার করছিলেন তিনি।

ঘটনার বিষয়টি ইউএনও রেকসোনা খাতুন জানতে দ্রুত পদক্ষেপ নেন। প্রসূতি নারীর মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে কেশবপুরে আনার ব্যবস্থা করা হয়। পরে তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

ইউএনওর অনুরোধে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রসূতি নারীর সিজারিয়ান অপারেশনসহ চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচ মওকুফ করে। পরবর্তীতে মা ও নবজাতককে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিয়ে তার মায়ের বাড়িতে পাঠানো হয়।

বর্তমানে মা ও নবজাতক শিশুটি তার মাতৃগৃহে অবস্থান করছে। তবে কন্যাসন্তান জন্মের কারণে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন দীর্ঘ সময় তাদের কোনো খোঁজখবর নেয়নি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ইউএনও রেকসোনা খাতুন বলেন, ‘প্রসূতি মা ও নবজাতকের দুর্দশার কথা জানতে পেরে আমরা দ্রুত সহায়তার উদ্যোগ নিয়েছি। একজন মায়ের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনের সময়ে তাকে এভাবে পরিত্যাগ করা অত্যন্ত অমানবিক। সন্তানের লিঙ্গ নিয়ে বৈষম্যের কোনো সুযোগ নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘কেশবপুর থানার অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহযোগিতায় শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা এখন মা ও শিশুকে নিজেদের কাছে নিয়ে যেতে সম্মতি জানিয়েছে।’

রেকসোনা খাতুন বলেন, ‘বিজ্ঞান ও সভ্যতার এই যুগে দাঁড়িয়ে কন্যাসন্তান জন্মকে অপরাধ হিসেবে দেখা চরম মানসিক দেউলিয়াত্বের পরিচয়। ছেলে-মেয়ে নয়, প্রত্যেক সন্তানই সমান মর্যাদা ও ভালোবাসার দাবিদার। সমাজে কন্যাসন্তানের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে উঠুক, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।’

স্থানীয় সচেতন মহল এ ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় উল্লেখ করে কন্যাসন্তান নিয়ে সামাজিক কুসংস্কার ও বৈষম্যমূলক মানসিকতা দূর করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

মন্তব্য

p
উপরে