× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
HSC examinees on the streets protesting against taking the exam in hostile weather
google_news print-icon

বৈরী আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণের প্রতিবাদে রাজপথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা


বৈরী-আবহাওয়ায়-পরীক্ষা-গ্রহণের-প্রতিবাদে-রাজপথে-এইচএসসি-পরীক্ষার্থীরা
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ বন্যা ও জলাবদ্ধতার মধ্যেও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন পরীক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর সাইন্সল্যাব মোড়ে ধানমন্ডি থেকে নিউমার্কেটমুখী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করে ‘দফা এক, দাবি এক—মিলনের পদত্যাগ’ স্লোগান দিতে থাকেন।

বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকেই শিক্ষার্থীরা সাইন্সল্যাব এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধান সড়কে অবস্থান নেন। শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে ওই রুটে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে ‘ভোগান্তির দায় নিতে হবে’ এবং ‘বন্যা-জলাবদ্ধতায় পরীক্ষা নয়’—এমন সব দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড শোভা পাচ্ছিল।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সোমবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীরা নজিরবিহীন ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতিকে তোয়াক্কা না করে পরীক্ষা নেওয়ায় অনেককে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে কিংবা দীর্ঘ যানজট পেরিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন যে, দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের ‘ফার্মের মুরগি’ বলে সম্বোধন করে চরমভাবে অবমাননা করা হয়েছে।

এদিকে সাইন্সল্যাবের পাশাপাশি রাজধানীর উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনেও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা দলে দলে জড়ো হয়ে রাস্তা অবরোধ করেন। এর ফলে উত্তরার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতেও ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। শিক্ষার্থীদের এই ঝটিকা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সাইন্সল্যাব ও এর আশপাশের সড়কে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত উত্তরা ও সাইন্সল্যাব উভয় স্থানেই শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত ছিল।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Shailmari sluicegate was opened to relieve the waterlogging of Bill Dakatiya

‘বিল ডাকাতিয়া’―র জলাবদ্ধতা নিরসনে খুলে দেওয়া হলো শৈলমারী স্লুইসগেট

‘বিল ডাকাতিয়া’―র জলাবদ্ধতা নিরসনে খুলে দেওয়া হলো শৈলমারী স্লুইসগেট ছবি: সংগৃহীত

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার অন্যতম প্রধান সমস্যা ‘বিল ডাকাতিয়া’র ভয়াবহ জলাবদ্ধতা নিরসনে অবশেষে খুলে দেওয়া হয়েছে শৈলমারী স্লুইসগেট (সুইচগেট)। গত রোববার (১২ জুলাই) ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার উপস্থিত থেকে এই স্লুইসগেটটি উন্মুক্ত করেন।

এর ফলে বিল ডাকাতিয়া অঞ্চলের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত পানি নিষ্কাশনের পথ সুগম হলো, যা স্থানীয় লাখো মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। ​জলাবদ্ধতা দূরীকরণে প্রশাসনের তৎপরতা, স্লুইসগেটটি খুলে দেওয়ার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবিতা সরকার বলেন, বিল ডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা এ অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি দুর্ভোগ। স্থানীয় জনগণের কষ্ট লাঘব এবং কৃষি ও মৎস্য খাতের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দ্রুত পানি নিষ্কাশন করা অত্যন্ত জরুরি ছিল।

শাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং পানি নিষ্কাশন প্রক্রিয়া যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখা হবে।

​উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ গুরুত্বপূর্ণ এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের সময় ঘটনাস্থলে আরও উপস্থিত ছিলেন:পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বকুমার সেন, খুলনা পানি উন্নয়ন বিভাগ-১: আব্দুর রহমান তাযকিয়া, প্রকৌশলী, যিনি কারিগরি ও জলকপাট ব্যবস্থাপনার বিষয়টি তদারকি করেন।

রুদাঘরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিএম আমানুল্লাহ, স্থানীয় বিএনপি নেতা আব্দুর রব আকুঞ্জি, ​উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ কৃষক সমাজ।

​খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার একটি বিশাল অংশজুড়ে বিল ডাকাতিয়া বিস্তৃত। বছরের পর বছর ধরে অপরিকল্পিত পলি ভরাট এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সংকুচিত হওয়ার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই এই বিলে কৃত্রিম বন্যা বা স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে হাজার হাজার একর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে যায় এবং শত শত মৎস্য ঘের ভেসে যায়, যার ফলে স্থানীয় অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

​শৈলমারী স্লুইসগেটটি খুলে দেওয়ার ফলে বিলে আটকে থাকা অতিরিক্ত পানি পশুর বা শিবসা নদীতে নেমে যাওয়ার সুযোগ পাবে। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সাময়িক গেট খোলার পাশাপাশি শৈলমারী নদী ও খালের পলি অপসারণ (ড্রেজিং) করা না হলে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
An exceptional initiative of Police Lines in Naogaon started the journey of Library Batighar

নওগাঁয় পুলিশ লাইন্সের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘লাইব্রেরি বাতিঘর’ এর পথচলা শুরু

নওগাঁয় পুলিশ লাইন্সের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘লাইব্রেরি বাতিঘর’ এর পথচলা শুরু ছবি: সংগৃহীত

সভ্যতার অগ্রযাত্রায় বই কেবল জ্ঞানের আধারই নয়, বরং একটি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের নির্ভরযোগ্য বাহক। একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার নতুন চিন্তার দুয়ার খুলে দেয়, মননকে বিকশিত করে এবং মানুষকে আলোকিত জীবনের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে। বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরীর ভাষায়, লাইব্রেরি হচ্ছে এক ধরনের মনের হাসপাতাল। অর্থাৎ, মানসিক সুস্থতা, আত্মিক বিকাশ ও জ্ঞানচর্চার অন্যতম আশ্রয়স্থল একটি গ্রন্থাগার।

এই দর্শনকে সামনে রেখে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বইপাঠের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং জ্ঞানচর্চার পরিবেশ নিশ্চিত করতে নওগাঁ জেলা পুলিশ নিয়েছে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। এরই অংশ হিসেবে জেলা পুলিশ লাইন্সের লাইব্রেরি ‘বাতিঘর’কে আরও আধুনিক ও পাঠকবান্ধব করে গড়ে তোলা হয়েছে। বইপাঠের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সেখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থাও সংযোজন করা হয়েছে, যাতে দায়িত্ব পালনের ফাঁকে পুলিশ সদস্যরা স্বাচ্ছন্দ্যে বই পড়তে পারেন।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, যুগে যুগে লাইব্রেরি বা গ্রন্থাগার মানুষের মেধা, মনন, ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করার অন্যতম বিশ্বস্ত মাধ্যম হিসেবে কাজ করে আসছে। মানুষের মানসিক সুস্থতা ও আত্মিক বিকাশে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, পুলিশিং অত্যন্ত ব্যস্ত ও চ্যালেঞ্জিং পেশা। তারপরও আমি আমার সহকর্মীদের সবসময় বলি, সুযোগ পেলেই বই পড়ুন। অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমিয়ে বইয়ের সঙ্গে সময় কাটান। একটি ভালো বই শুধু জ্ঞানই বাড়ায় না, এটি একজন মানুষকে আরও বিচক্ষণ, মানবিক ও দায়িত্বশীল করে তোলে। একজন দক্ষ ও পেশাদার পুলিশ সদস্য গড়ে তুলতেও বই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ পুলিশের নতুন ইউনিফর্মে দায়িত্ব পালনের প্রথম দিনেই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জেলা পুলিশ লাইন্সের লাইব্রেরি ‘বাতিঘর’ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি লাইব্রেরির সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন, বইয়ের সংগ্রহ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত বইপাঠে উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তির এই যুগে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার যেমন প্রয়োজন, তেমনি বইপাঠের অভ্যাসও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বই মানুষকে গভীরভাবে চিন্তা করতে শেখায় এবং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Farmers happy with bumper yield and prices of chillies in Kushtia

কুষ্টিয়ায় মরিচের বাম্পার ফলন ও দামে খুশি কৃষকেরা

কুষ্টিয়ায় মরিচের বাম্পার ফলন ও দামে খুশি কৃষকেরা ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে মরিচের আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ভারি বৃষ্টিপাত ও বন্যার কারণে বাজারে মরিচের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দামও বেড়েছে। বর্তমানে উপজেলার পাইকারি বাজারে কেজিপ্রতি ৯৫ থেকে ১০০ টাকায় মরিচ বিক্রি হচ্ছে। ফলে স্থানীয় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। তবে খুচরা বাজারে দাম ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় পৌঁছানোয় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভোক্তারা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৫৯৫ হেক্টর। কৃষকদের আগ্রহ বাড়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১৫৫ হেক্টর বেশি জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মরিচ রোপণের পর দীর্ঘদিন বৃষ্টির দেখা না মেলায় এবং তীব্র তাপদাহের কারণে অনেক গাছ শুকিয়ে যায়। অনেক জমিতে গাছে মরিচও কম ধরে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের পোকার আক্রমণে ফলন ব্যাহত হয়। তবে গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে গাছগুলো আবার সতেজ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সামনে ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।

উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল জাব্বার ও সোহেল বলেন ‘বর্তমানে বাজারে মরিচের দাম ভালো। তবে গাছে মরিচ তুলনামূলক কম ধরেছে। দাম যদি ১০০ টাকার ওপরে স্থিতিশীল থাকে, তাহলে আমরা ভালো লাভ করতে পারব।

আরেক কৃষক আকবর হোসেন বলেন, মরিচ লাগানোর পর দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টির কারণে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়েছিল। এখন কয়েক দিনের বৃষ্টিতে গাছগুলো আবার সতেজ হয়েছে। সামনে ফলন আরও বাড়বে বলে আশা করছি।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলার অন্যতম বৃহৎ পাইকারি কাঁচাবাজার তারাগুনিয়ায় কেজিপ্রতি ৯৫ থেকে ১০০ টাকায় মরিচ বিক্রি হয়েছে। তবে একই দিন সকালে সেখানে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বেচাকেনা হয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানান। একদিনের কয়েক ঘন্টার মধ্যে ১৫ থেকে ২০ টাকা দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার হোসেনাবাদ কাঁচাবাজারে খুচরা পর্যায়ে মরিচ ১০৫ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। বাজারের ক্রেতা আকিজ হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে বাজারে মরিচের দাম বেড়েছে। তবে ১০০ টাকার নিচে হলে আমাদের জন্য ভালো হতো। এর আগে আমরা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে মরিচ কিনেছি।’

উপজেলা কৃষি অফিস ও স্থানীয় কৃষকদের তথ্য অনুযায়ী, বীজ, সার, সেচ, কীটনাশক এবং শ্রমিকের মজুরিসহ এক বিঘা জমিতে মরিচ চাষে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বাজারে বর্তমান দাম বজায় থাকলে উৎপাদন খরচের প্রায় দ্বিগুণ পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব বলে মনে করছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহেনা পারভিন বলেন, ‘কৃষকদের নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পোকার আক্রমণ ও রোগবালাই দমনে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ মৌসুমে দৌলতপুরে মরিচের ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।’

বর্তমান বাজারদর অব্যাহত থাকলে চলতি মৌসুমে মরিচ চাষে ভালো লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা করছেন দৌলতপুরের কৃষকরা। তবে ভোক্তাদের প্রত্যাশা, উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে মরিচের দামও স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে আসবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Highway blockade in Barisal demanding resignation of education minister

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ ছবি: সংগৃহীত

টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে সোমবার এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া এবং অভিন্ন প্রশ্নপত্র অতীতের চেয়ে কঠিন হওয়ার অভিযোগ তুলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবি করেছেন পরীক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা সোয়া ১২টার দিকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সামনের ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে নগরীর বিভিন্ন কলেজের পরীক্ষার্থীরা।

অবরোধের ফলে সড়কের দুইধারে অসংখ্য যানবাহন আটকা পরে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পরতে হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখার সময় দুপুর দুইটার দিকেও অবরোধ চলছে।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের একজন হাতেম আলী কলেজ শিক্ষার্থী আলিফ হোসেন বলেন, বৈরী পরিবেশের মধ্যেও সোমবার পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে। তাছাড়া কঠিন পরীক্ষার আগেও পর্যাপ্ত বন্ধ দেওয়া হয়নি। উল্টো অতীতের চেয়ে এবার প্রশ্নপত্র কঠিন হয়েছে। এমনকি সিলেবাসের বাইরে থেকে প্রশ্ন করা হয়েছে।

এছাড়াও বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেকস্থানেই পরীক্ষা নেওয়ার মতো পরিবেশ নেই। অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হওয়ার পরেও এক বোর্ডে পরীক্ষা স্থগিত করা হলেও সব বোর্ডে তা স্থগিত করা হয়নি।

আলিফ আরো বলেন-সমস্যাগুলো সমাধান না করেই শিক্ষামন্ত্রী আমাদের কটুক্তি করেছেন তাই আমরা আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছি। পাশাপাশি এই পরীক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন দাবি করছি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Argentina banyan trees in Yamuna pastures around the Football World Cup in Sirajganj

সিরাজগঞ্জে ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে যমুনার চরে আর্জেন্টিনা বটগাছ

সিরাজগঞ্জে ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে যমুনার চরে আর্জেন্টিনা বটগাছ ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তাপ চলছে পুরোদমে। তার অংশ হতে আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বেলকুচি উপজেলার বড়ধুল চরে একটি বিশাল গাছ। দূর থেকে তাকালেই মনে হবে, সবুজ প্রকৃতির বুক চিরে দাঁড়িয়ে আছে আর্জেন্টিনার বিশাল এক পতাকা। প্রিয় দলের প্রতি এমন ব্যতিক্রমী ভালোবাসা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের আজুগরা ও জামতৈল ইউনিয়নের মাঝামাঝি স্থানে দাঁড়িয়ে থাকা গাছটিকে ঘিরেই এই ব্যতিক্রমী আয়োজন। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের সময় প্রথম আকাশি-সাদা রঙে সাজানো হয়েছিল গাছটি। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপকে ঘিরে আবারও নতুন করে রঙ করা হয়েছে সেটি।

এই আয়োজনের পেছনে নেই কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের একক অর্থায়ন। স্থানীয় প্রবীণ, তরুণ ও কিশোররা যার যতটুকু সামর্থ্য, ঠিক ততটুকু অর্থ দিয়েছেন। কেউ ৫ টাকা, কেউ ১০ টাকা, কেউ ৫০ বা ১০০ টাকা করে সহযোগিতা করেছেন। সবার ছোট ছোট অবদান মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার টাকা ব্যয়ে গাছটিকে আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে রাঙানো হয়েছে।

শুধু একটি গাছ নয়, এলাকার পরিবেশও যেন ফুটবলের রঙে রঙিন। বিভিন্ন সড়কে উড়ছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের পতাকা। এক রিকশাচালক নিজের জীবিকার বাহনটিকেও সাজিয়েছেন আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে। বিশ্বকাপ এলেই এলাকায় বসে খেলা দেখার আয়োজন, আড্ডা ও নৈশভোজে মেতে ওঠেন সব দলের সমর্থকরা। প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে শুধু মাঠের খেলায়, বাস্তবে নয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ফুটবল আমাদের আনন্দের উৎসব। আমরা যে যার পছন্দের দলকে সমর্থন করি, কিন্তু সম্পর্কের জায়গায় কোনো বিভেদ নেই। বিশ্বকাপ এলে পুরো এলাকা উৎসবের গ্রামে পরিণত হয়।

আয়োজনের অন্যতম উদ্যোক্তা মো. রাসেল হোসেন বলেন, আর্জেন্টিনা আমাদের আবেগের নাম। সেই ভালোবাসা প্রকাশ করতেই ২০২২ সালে প্রথম গাছটিকে রঙ করি। এবার বিশ্বকাপে আবারও নতুন করে সাজানো হয়েছে। এই আয়োজন কারও একার নয়, এলাকার সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অর্থ ও শ্রম দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমরা চাই, এই গাছ ফুটবলপ্রেম আর সম্প্রীতির প্রতীক হয়ে থাকুক।

আর্জেন্টিনা পতাকার আদলে নিজের রিকশা সাজানো চালক বলেন, রিকশাই আমার জীবিকা। কিন্তু আর্জেন্টিনা আমার ভালোবাসা। তাই নিজের রিকশাটাকেও প্রিয় দলের রঙে সাজিয়েছি। যাত্রীরাও রিকশা দেখে ছবি তোলেন, ভালো লাগে। বিশ্বকাপ এলেই অন্যরকম আনন্দ কাজ করে।

হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের আর্জেন্টিনা হয়তো কখনো জানবে না বেলকুচির এই গাছটির গল্প। তবে আকাশি-সাদা রঙে মোড়া এই গাছটি প্রমাণ করে, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি মানুষের ভালোবাসা, আবেগ আর সম্প্রীতির এক অনন্য ভাষা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MC College gang rape case verdict Death sentence for one and life for three

এমসি কলেজ গণধর্ষণ মামলার রায়: একজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন

এমসি কলেজ গণধর্ষণ মামলার রায়: একজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। রায়ে অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং বাকি চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিত ও খালাসপ্রাপ্ত সবাই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, মামলায় মোট ২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রায়ে সাইফুর রহমানকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩) ধারায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাইফুর সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার চান্দাইপাড়া গ্রামের মো. তাহিদ মিয়ার ছেলে।

একই মামলার অন্য তিন আসামি—শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক এবং অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি অপর একটি ধারায় তাদের আরও ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। তবে উভয় সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় রবিউল হাসান ওরফে ইসলাম, মাহফুজ রহমান মাসুম, মো. আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল এবং মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকলে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার আগে বিচারক ৯১ পৃষ্ঠার এক দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ পড়ে শোনান।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে নববিবাহিত এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করলে পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে দ্রুতই আট আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীকালে ডিএনএ পরীক্ষায় ছয়জনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায় এবং তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ এই আলোচিত মামলার রায় প্রদান করা হলো।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh outlined maritime progress at the Maritime Forum in China

চীনে মেরিটাইম ফোরামে সামুদ্রিক অগ্রগতির রূপরেখা তুলে ধরল বাংলাদেশ

চীনে মেরিটাইম ফোরামে সামুদ্রিক অগ্রগতির রূপরেখা তুলে ধরল বাংলাদেশ ছবি: নিউজ বাংলা

চীনের ইয়াংঝৌ শহরে অনুষ্ঠিত চায়না মেরিটাইম ফোরাম-২০২৬ এবং ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন শিপ টেকনোলজি অ্যান্ড সেফটি-২০২৬-এ অংশ নিয়ে বৈশ্বিক মানের সামুদ্রিক মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বাংলাদেশের অগ্রগতি, সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছে চার সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল।

প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির কমান্ড্যান্ট ক্যাপ্টেন কাজী এ. বি. এম. শামীম। সম্মেলনে উপস্থাপিত তার মূল প্রবন্ধে তিনি স্মার্ট, গ্রিন ও ইন্টেলিজেন্ট শিপিং ব্যবস্থার জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে বাংলাদেশের সামুদ্রিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নাবিক ও সামুদ্রিক পেশাজীবী তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশে শিক্ষা-প্রশিক্ষণের মান উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কারিকুলাম বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের কন্ট্রোলার অব মেরিটাইম এডুকেশন ক্যাপ্টেন সাঈদ আহমেদ উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি বিনিময় এবং দক্ষ নাবিক তৈরিতে যৌথ উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ফোরামে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সামুদ্রিক শিক্ষা, গবেষণা, প্রযুক্তি বিনিময় এবং কর্মসংস্থান সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সমুদ্রবিষয়ক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও আলোচনায় উঠে আসে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের সামুদ্রিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে বৈশ্বিক পরিসরে আরও পরিচিত করবে এবং আন্তর্জাতিক শিপিং শিল্পে বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈশ্বিক সামুদ্রিক খাতে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য

p
উপরে