× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A tenant was beaten to death in Azimpur of the capital
google_news print-icon

রাজধানীর আজিমপুরে ভাড়াটিয়াকে পিটিয়ে হত্যা

রাজধানীর-আজিমপুরে-ভাড়াটিয়াকে-পিটিয়ে-হত্যা
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর লালবাগের আজিমপুর মেডিকেল স্টাফ কোয়ার্টারে বাসা ভাড়ার বকেয়া মাত্র ১ হাজার টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে মো. স্বপন (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৩ জুলাই) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বপনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত স্বপনের বাড়ি মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার তাহের ফকির কান্দি গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত আব্দুল মান্নান। তিনি আজিমপুর মেডিকেল স্টাফ কোয়ার্টারের নিচতলায় ভাড়া থাকতেন এবং কসমেটিক্স ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

নিহতের ভাই রাজা মোহাম্মদ সেলিম জানান, তারা দুই ভাই সাবলেটে বসবাস করতেন। বাসার বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তি রিজভী মাস শেষ হওয়ার আগেই ভাড়া পরিশোধের জন্য চাপ দিতেন। চলতি মাসের ভাড়ার মধ্যে এক হাজার টাকা বকেয়া ছিল। রোববার (১২ জুলাই) রাতে রিজভী ওই টাকা চাইলে তারা দু-এক দিনের মধ্যে পরিশোধ করবেন বলে জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিজভী তাদের গালাগাল করেন এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সেলিমের অভিযোগ, রাতের ঘটনার পর সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে রিজভী ও তার চাচাতো ভাই রোহান তাদের কক্ষের সামনে এসে আবারও বকেয়া ভাড়া নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি বাধা দিতে গেলে তাকে লাথি মেরে ফেলে দেওয়া হয়।

এরপর তার ভাই স্বপনকে কিলঘুষি মারতে মারতে টেনে হিঁছড়ে কোয়ার্টারের সামনের মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে স্বপনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ তদন্ত করছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এবং ঘটনার প্রকৃত বিবরণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Dead bodies of husband and wife recovered from their house in Mahadevpur

মহাদেবপুরে নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

মহাদেবপুরে নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর মহাদেবপুরে নিজ বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন, উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামের লোকমান মন্ডল (৫৫) ও তার স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম (৪৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- রাতের খাবার খেয়ে দুজনে ঘুমাতে যান। সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর ৪টা দিকে নিহতদের ছেলে মুক্তার হোসেন প্রতিবেশীদের খবর দিলে খাটের উপর এসে তাদের মরদেহ দেখতে পায়। স্থানীয়দের দাবি, ছেরে মুক্তার হোসেন নেশা ও মোবাইলে জুয়ায় আসক্ত। নেশার জন্য বাবা-মার কাছে টাকা চাইলে দিতে অস্বীকার করলে বিষাক্ত কিছু খাইয়ে এই ঘটনা ঘটাতে পারে।

মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফারুক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিষাক্ত কিছু খাবারের মাধ্যমে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chabir Vijay 24 is the administrations seminar on snake infestation in the campus

ক্যাম্পাসে সাপের উপদ্রব ঘিরে চবির বিজয় ২৪ হল প্রশাসনের সেমিনার

ক্যাম্পাসে সাপের উপদ্রব ঘিরে চবির বিজয় ২৪ হল প্রশাসনের সেমিনার ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বিজয় ২৪ হলে নারী শিক্ষার্থীদের সাপ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ চলাচল বিষয়ে ধারণা দিতে ‘Snake Awareness Seminar’ শীর্ষক একটি সেমিনার হয়েছে।

গত রোববার (১২ জুলাই) বিজয় ২৪ হল সংসদ, Society for Snake & Snakebite Awareness (3SA) এবং হল প্রশাসনের সহযোগিতায় এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের দাবি, বিজয় ২৪ হলে এটিই এ ধরনের প্রথম সেমিনার। ক্যাম্পাসে সম্প্রতি সাপের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমিন।

বিজয় ২৪ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক সাদিয়া মাহসীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জান্নাত আরা পারভীন। তিনি এ আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চবি উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান তার বলেন, ‘সাপ হত্যা বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ধরা কোনো সমাধান নয়; সাপও বাস্তুতন্ত্রের (ইকোসিস্টেম) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পলিথিন দিয়ে সাপ ধরা গ্রহণযোগ্য নয়। বর্ষাকালে চলাচলের সময় ব্যক্তিগত সতর্কতা অবলম্বন এবং সচেতনতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় অতীত ফিরিয়ে আনতে শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে থাকার গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমিন বলেন, ‘সাধারণত সাপ খোলা আলোতে বা পরিষ্কার জায়গায় দেখা যায় না। তাই ঝোপঝাড় ও অনিরাপদ পরিবেশে চলাচলের সময় বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।’

অনুষ্ঠানে চাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব, এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আফনান হাসান ইমরান, আলোচক প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহিম খলিল আল হায়দার, বিজয় ২৪ হলের সিনিয়র আবাসিক শিক্ষক ড. আকিকুল হক, হল সংসদের ভিপি সানু আক্তার (নদী), এজিএস শাম্মী আক্তার সুরভী, দপ্তর সম্পাদক আবিদা সুলতানা, সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার সম্পাদক তাহিয়া রহমান নুহা, ডাইনিং, ক্যাফেটেরিয়া ও রিডিং রুম সম্পাদক সাদিয়া নাসরিন, নির্বাহী সদস্য রেহানা আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A part of the century old building of Bhairav ​​collapsed

ধসে পড়ল ভৈরবের শত বছরের পুরোনো ভবনের একাংশ

ধসে পড়ল ভৈরবের শত বছরের পুরোনো ভবনের একাংশ ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে রাতে হঠাৎ ধসে পড়ল শত বছরের পুরোনো বিল্ডিংয়ের একাংশ। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচল দোকানি ও পথচারীরা।

গত রোববার (১২ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ভৈরব শহরের দুধ বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে ভৈরব বাজার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন থাকায় লোক সমাগম কম থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভৈরব পৌর শহরের দুধ বাজার এলাকায় ব্যবসায়ী তারিক আহমেদের মালিকানাধীন শত বছরের পুরোনো বিল্ডিংটি ভৈরব পৌর কর্তৃপক্ষ ভবনটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অপসারণের জন্য একাধিক নোটিশ দেওয়া হলেও কোনো কর্ণপাত করেনি। সেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে পুরোনো দুইতলা ভবনের বিভিন্ন রুমে গুদামঘর ও নিচ তলায় দোকানে ব্যবসা পরিচালনা করছিল। গত রোববার (১২ জুলাই) সন্ধ্যার পর হঠাৎ করে শত বছরের পুরোনো ভবনের একাংশ বারান্দার ছাদ ধসে পড়ে। এ সময় ভবনের নিচে থাকা কয়েকজন পাইকারি ডিম ব্যবসায়ী বিকট শব্দ শোনে দোকানঘর থেকে দৌড়ে প্রাণ রক্ষা করে। পরে খবর পেয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার স্টেশনের লোকজন এসে দুর্ঘটনা স্থলটি জনসমাগম রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে দুর্ঘটনা স্থলটি পরিদর্শন করেন ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেন।

ভৈরব বাজারের পাইকারি ডিম ব্যবসায়ী নজরুল মিয়া বলেন, ‘প্রতিদিনের মতোই সন্ধ্যায় দোকানে বসে ডিম বিক্রি করছিলাম। আজকে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন থাকায় ক্রেতা কম ছিল। হঠাৎ করে একটা শব্দ শোনে দ্রুত দোকানঘর থেকে দৌড়ে বের হয়। এ সময় দোকানের পাশে থাকা শত বছরের পুরোনো ভবনের বারান্দার ছাদের অংশ ধসে পড়ে। অল্পের জন্য আমার জীবনটা রক্ষা পেলাম।’

স্থানীয় বাসিন্দা রক্ত সৈনিক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এই ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। পৌর কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে এই ভবনটিতে ব্যবসায়ী কার্যক্রম চালাচ্ছিল। আজকে সন্ধ্যায় হঠাৎ করে ভবনের অংশ ধসে পড়ল। এখন যদি দ্রুত এই ভবনটি অপসারণ না করা হয় তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি থাকবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ভবনটি অপসারণের কাজ শুরু করা।’

ভৈরব ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল আমিন বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জনসমাগম রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’

ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ জানান, ভবনটি দীর্ঘদিন আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করে মালিককে অপসারণের জন্য একাধিক নোটিশ দেওয়ার পরও অপসারণ করেনি। এলাকাটি অত্যন্ত জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ যদি ভবনটি দ্রুত অপসারণ না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার প্রবণতা রয়েছে। ভবন মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Month long customer service activities of Islami Bank to increase confidence in welfare banking

কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’―এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম

কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’―এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম ছবি: সংগৃহীত

কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ের অগ্রযাত্রায় গড়ি আগামীর বাংলাদেশ, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মাসব্যাপী গ্রাহকসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কেশবপুর শাখায় গ্রাহক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি কেশবপুর শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি) সেলিম চৌধুরী।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেশবপুর নিউজ ক্লাব ও কেশবপুর পৌর বাড়ি মালিক সমিতির সভাপতি মো. আশরাফুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডুমুরিয়া মহাবিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ মো. মনিরুল ইসলাম, কেশবপুর নিউজ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনার রশীদ বুলবুল, কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মো. বুলবুল কুদ্দুস এবং ইসলামী ব্যাংক কেশবপুর শাখার ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এফএভিপি) আব্দুল ওয়াদুদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র অফিসার মো. মাজহারুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে এভিপি সেলিম চৌধুরী বলেন, ইসলামী ব্যাংক সবসময় গ্রাহকবান্ধব ও কল্যাণমুখী ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবার পাশাপাশি গ্রাহকদের নিরাপদ ও সহজ লেনদেনের সুযোগ সম্প্রসারণে ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। তিনি প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে পাঠানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানো হলে ব্যক্তি, পরিবার এবং দেশের অর্থনীতি সমানভাবে উপকৃত হয়।

তিনি আরও জানান, যেসব গ্রাহক ১ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত MTDRA, MSB, MMPDS এবং MSSA হিসাব প্রি-ম্যাচিউর অবস্থায় বন্ধ বা নগদায়ন করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তারা আগামী ৩১ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট হিসাব পুনরায় চালু করলে ব্যাংক সব ধরনের চার্জ ও খরচ মওকুফ করবে এবং হিসাবগুলোকে চলমান হিসাব হিসেবে গণ্য করবে। এ সুবিধা গ্রহণে আগ্রহী গ্রাহকদের নিজ নিজ শাখায় যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান অতিথি মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং জনবান্ধব ব্যাংকিং কার্যক্রম দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইসলামী ব্যাংকের এ ধরনের উদ্যোগ গ্রাহকদের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিশেষ অতিথি কেশবপুর নিউজ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনার রশীদ বুলবুল বলেন, গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি ব্যাংক মানুষের আস্থা অর্জন করে। ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকসেবা মাসের মতো উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক ব্যাংকিং সেবা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরিতে সহায়ক হবে। তিনি প্রবাসী আয় বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠাতে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করার ওপরও কোন ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও গ্রাহকরা ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা নিয়ে মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতেও উন্নত, দ্রুত ও কল্যাণমুখী সেবা প্রদানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A large crowd of BNP leaders and activists gathered in Madaripur to greet the Prime Minister

প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে মাদারীপুরে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড়

প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে মাদারীপুরে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড়
ছবি: নিউজ বাংলা

দক্ষিণবঙ্গের বরিশালে ১৩ ই জুলাই সফরকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদারীপুর অংশে হাজার-হাজার বিএনপি দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও স্বতঃস্ফূর্ত জনতার উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হলেন । সোমবার (১৩ ই জুলাই) প্রত্যুষে ঢাকা থেকে নির্ধারিত বিশেষায়িত বুলেটপ্রুফ বাসযোগে সড়কপথে রওনা হয়ে সকাল ৮:৩০ টার দিকে ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়ক হয়ে তিনি দক্ষিণবঙ্গের উদ্দেশ্যে মাদারীপুর অংশ অতিক্রম করেন।

বরিশালে তার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন ও জনসভায় যোগ দেয়ার কথা রয়েছে। মাদারীপুর জেলা অতিক্রমকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এসময় মাদারীপুরের শিবচর পদ্মা সেতু এলাকা, পাচ্চর, রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট, রাজৈর বাসষ্ট্যান্ড, মাদারীপুর সদরের মস্তফাপুর বাসষ্ট্যান্ড, কালিকিনি ও ডাসার উপজেলার ভূরঘাটায় হাজার-হাজার বিএনপি'র নেতা-কর্মী-সমর্থক, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, পথচারী ও স্বতঃস্ফূর্ত উৎসুক জনতা তাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য মহাসড়কের দু'পাশে ভিড় জমান এবং উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী এসময় বাসের অগ্রভাগে থেকে সবাইকে ছালাম বিনিময় করে ও হাত নেড়ে শুভেচ্ছা-অভিনন্দন জানান।

প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের সাথে নিয়ে সকাল থেকেই সক্রিয় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর সদর-২, ৩ ও নারী সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য যথাক্রমে- জাহান্দার আলী মিয়া, আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন ও হেলেন জেরিন খান এমপি সহ জেলা বিএনপি'র আহবায়ক এডভোকেট জাফর আলী মিয়া, সদর উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি এডভোকেট গুলজার আহম্মেদ চিশতী মস্তফা (জিপি জজকোর্ট), পৌর বিএনপি'র সভাপতি (পিপি) শরীফ সাইফুল কবীর সহ অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এসময় তারা মুহুর্মুহু বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত করে তাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে দক্ষিণবঙ্গে স্বাগত জানান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 million people are at risk of 51 deaths in 7 districts due to floods

বন্যায় ৭ জেলায় ৫১ প্রাণহানি, বিপন্ন ১০ লাখ মানুষ

বন্যায় ৭ জেলায় ৫১ প্রাণহানি, বিপন্ন ১০ লাখ মানুষ ছবি: সংগৃহীত

দেশের সাতটি জেলায় প্রবল বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে জনজীবন চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। বন্যার ভয়াবহতায় এ পর্যন্ত প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে এবং পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ৫৯টি উপজেলা বর্তমানে প্লাবিত। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রাণ হারানোদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৮ জন কক্সবাজারের বাসিন্দা। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও চন্দনাইশসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ জনপদ বর্তমানে কার্যত বিচ্ছিন্ন। বসতঘর ও গ্রামীণ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে থাকায় নৌকাই এখন চলাচলের একমাত্র মাধ্যম। বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা শেলী আক্তারের ঘরের মেঝেতে এখনও পানি বইছে। চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটানো এই নারী আক্ষেপ করে বলেন, ‘চোখত ঘুম নাই, পেডত ভাত নাই। বইন্যার পানি হত্তে নামিব, ন জানি। এরহম দুর্দশাত ক্যানে পইড়লাম। আরেক্কান ঘর তুলিবার টিঁয়াও নাই।’ তাঁর মতো লাখো মানুষের ঘরে উনুন জ্বলছে না এবং বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ নলকূপ তলিয়ে থাকায় পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

এদিকে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জেও বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকে। হবিগঞ্জে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। জেলার নিচু এলাকাগুলোতে এখনও দুই থেকে আড়াই ফুট পানি স্থির হয়ে আছে। হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বনগাঁও গ্রামের সিরাজ মিয়া তাঁর দুরাবস্থা বর্ণনা করে বলেন, ‘ঘরে পানি। গরু-ছাগল নিরাপদ জায়গায় রাখতে হয়েছে। কৃষিজমির সব ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। কয়েক দিনের মধ্যেই পানি না নামলে আরও বড় ক্ষতি হবে।’ সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনাতেও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কুড়িগ্রামে নদ-নদীর তীব্র ভাঙনে ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ৫ জুলাই থেকে চট্টগ্রামে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং আগামী কয়েকদিনও এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামের পরিস্থিতি আগামী এক দিনের মধ্যে কিছুটা উন্নত হতে পারে, তবে সিলেট অঞ্চলের উন্নতি নির্ভর করছে বৃষ্টিপাতের পরিমাণের ওপর। তিন পার্বত্য জেলা বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে পানি নামতে শুরু করলেও সেখানে অবকাঠামো ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দৃশ্যমান হচ্ছে। জুম খেত ও আমন-আউশের বীজতলা নষ্ট হওয়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। যাতায়াত ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চললেও অনেক এলাকার সড়ক ও সেতু ধসে পড়ায় যোগাযোগ পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে পড়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে