মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়ন কাজীরটেক পুরাতন ফেরিঘাটের বাহেরচর কাতলায় ভাঙনকবলিত অংশে বালুভর্তি ‘জিওব্যাগ’ নিক্ষেপ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) কাজের উদ্বোধন করেন মাদারীপুর সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জজকোর্টের জিপি অ্যাডভোকেট গুলজার আহম্মেদ চিশতী মস্তফা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক (সদর উপজেলা) মর্তুজা আলম ঢালীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতা-কর্মী সমর্থক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
উল্লেখ্য, এবার বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে মাদারীপুর শহরের পার্শ্ববর্তী ঘেষা আড়িয়ালখাঁ নদীর অববাহিকায় অবস্থিত কাজিরটেক পুরাতন ফেরিঘাট বাহেরচর কাতলা এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। এতে নদীর পাড়ের বহু বাসিন্দাদের আবাদী জমিজমা নদীগর্ভে চলে যায়, এ ছাড়া ঘরবাড়ি, স্থাপনা- বসতি ভাঙনের মুখে পড়ে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি ভাঙন রোধে মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ‘জিওব্যাগ’ ফেলা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনকালে এমপি জাহান্দার আলী মিয়া বলেন,‘ কৃষিজমি রক্ষাসহ মানুষের বসতবাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা রক্ষা করা বর্তমান জনবান্ধব সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে জনদুর্ভোগ লাঘব করা, কাজগুলো বাস্তবায়ন করা আমার নৈতিক দায়িত্ব।’
মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডি-১) মো. হাসান কবীর জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ভাঙনকবলিত অংশে ৮ হাজার ও অবস্থা বিবেচনায় পরবর্তীতে আরও ৮ হাজারসহ মোট ১৬ হাজার ‘জিওব্যাগ’ ওই ভাঙনকবলিত অংশে ফেলা হবে- যাতে ভাঙনের তীব্রতা কমে গিয়ে কৃষিজমি, বসত বাড়িঘর ও অন্যান্য স্থাপনা রক্ষা পায়।
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানী বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। বৃহস্পতি ও শুক্রবার (৯-১০ জুলাই) রাজধানীজুড়ে পৃথক এসব অভিযানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে মোট ২ হাজার ৮৩৬টি মামলা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে অভিযানে মোট ৮৩৪টি গাড়ি ডাম্পিং ছাড়াও ৩১৭টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে গত ২ দিনে ৭টি বাস ও ৪টি কাভার্ড ভ্যান ছাড়াও ২৭টি সিএনজি ও ৩৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৪৭টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ট্রাফিক-রমনা বিভাগ। পাশাপাশি এই সময়ে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৬টি বাস ও ১১টি ট্রাক ছাড়াও একটি কাভার্ড ভ্যান, ৩৭টি সিএনজি ও ১৪২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৯টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগ।
এদিকে ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে একই অপরাধে ১৩টি বাস, ২১টি কাভার্ড ভ্যান, ৩৩টি সিএনজি ও ১৩৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৫৬টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক-ওয়ারি বিভাগে গত ২ দিনে ৫৮টি বাস, ৭৭টি ট্রাক, ৭২টি কাভার্ড ভ্যান, ১৪৭টি সিএনজি ও ২৭৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮৫৭টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে গত ২ দিনে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ২২টি বাস, ৬টি ট্রাক, ১৮টি কাভার্ড ভ্যান, ৪৭টি সিএনজি ও ১০১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৭৪টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগ। পাশাপাশি এই সময়ে ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগ কর্তৃক ৩৬টি বাস, ৯টি ট্রাক, ৩৬টি কাভার্ড ভ্যান, ৯৬টি সিএনজি, ২৮১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫২৭টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
এ ছাড়া গত ২ দিনে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ২৫টি বাস, ১০টি ট্রাক, ৫টি কাভার্ড ভ্যান, ৬৩টি সিএনজি ও ৯২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৯৯টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগ। পাশাপাশি এই সময়ে ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২১টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১৭টি কাভার্ড ভ্যান, ৫২টি সিএনজি ও ৬৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৭টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
রাজধানীর ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরাতে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর এফডিসি মোড় এলাকার একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে (সাবস্টেশন) আগুন লাগার পর থেকে বেশ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে এফডিসি মোড়ের কাছে অবস্থিত সাবস্টেশনটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে তেজগাঁও ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ডিপিডিসি সূত্র জানায়, সাবস্টেশনে আগুন লাগার কারণে কারওয়ান বাজার, তেজগাঁও, বাংলামোটর, পরীবাগ, মগবাজার, ইস্কাটনসহ আশপাশের এলাকায় দুপুর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে কিছু এলাকায় ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হয়েছে।
ডিপিডিসির এক পরিচালক জানান, ক্ষতিগ্রস্ত উপকেন্দ্রটির বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রকৌশলীরা কাজ করছেন।
ছবি: সংগৃহীত
উৎপাদন খরচ বিবেচনা করে ডিমের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ এবং পোলট্রি খামারিদের ডিজিটাল ডেটাবেইস চালুর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিআইএ)। এ ছাড়া পোলট্রি খামারিদের ডিজিটাল ডেটাবেইস চালুর দাবি জানিয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর আহমেদ চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোশাররফ হোসেন চৌধুরী। এর আগে একই দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন পোলট্রি খামারিরা।
বিপিআইএ সভাপতি মোশাররফ হোসেন চৌধুরী লিখিত বক্তব্যে বলেন, দেশের হাজার হাজার ডিম উৎপাদনকারী খামারি দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে ডিম বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রতিদিন তারা লোকসান গুনছেন, ক্রমে ঋণগ্রস্ত হচ্ছেন। অনেকেই লোকসানের বোঝা টানতে না পেরে খামার বন্ধ করে দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে দেশের ডিম উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
পোলট্রি খাতে যৌক্তিক মূল্য (ফেয়ার প্রাইস) নির্ধারণের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, উৎপাদন খরচ বিবেচনা করে এমন একটি মূল্য নির্ধারণ করতে হবে, যাতে খামারিরা অন্তত ন্যায্য মুনাফা পান এবং উৎপাদন অব্যাহত রাখতে পারেন।
সারাদেশের পোলট্রি খামারিদের একটি ডিজিটাল ডেটাবেইস তৈরির আহ্বান জানিয়ে বিপিআইএ সভাপতি বলেন, সারা দেশের খামারিদের একটি জাতীয় ডিজিটাল ডেটাবেইস চালু হলে প্রকৃত খামারিদের সহজে শনাক্ত করা এবং খামারিদের ঝরে পড়া সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। উৎপাদন ও বাজার পরিস্থিতি বাস্তব সময়ে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। সরকারি প্রণোদনা, ভর্তুকি ও স্বল্পসুদে ঋণ সরাসরি প্রকৃত খামারিদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিপিআইএ মহাসচিব এম. সাফির রহমান বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় গুলোর সমন্বয়ের অভাবে পোলট্রি খাতে সুফল পাওয়া যায় না। সবাইকে নিয়ে জাতীয় পোলট্রি বোর্ড গঠন করা হোক। উৎপাদন খরচ কমাতে পারলে আগামী এক দশকে পোলট্রি খাত সফল শিল্প খাতে পরিণত হবে।
দেশের পূর্বাঞ্চলে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় পোলট্রি খাতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কৃষিবিদ অঞ্জন মজুমদার বলেন, বিপুলসংখ্যক মুরগি ও গবাদিপশু মারা যাওয়ায় অনেক খামারি সর্বস্ব হারিয়েছেন, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে। এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বাজারে এক ধরনের অদৃশ্য সিন্ডিকেট বা মধ্যস্বত্বভোগী চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
অঞ্জন মজুমদার আরও বলেন, যখন খামারিরা লোকসান দিয়ে সাড়ে চার টাকায় ডিম বিক্রি করতে বাধ্য হন, তখনো ভোক্তাকে সাড়ে দশ টাকায় ডিম কিনতে হয়। ডিম পচনশীল পণ্য হওয়ায় খামারিরা তা মজুত করতে পারেন না, আর এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে মধ্যস্থতাকারীরা মাত্র ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিপিআইএ’র উপদেষ্টা এন সি বণিক, সহসভাপতি মেজবাউর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, প্রচার সম্পাদক সফিকুর রহমান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক গাজী নূর হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুন্না মুন্সী।
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর উত্তরায় অভিযান চালিয়ে ৯৬১ বোতল ফেনসিডিলসহ একজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম জাহাঙ্গীর আলম (৩৩)।
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার ১৩ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উত্তরা পশ্চিম থানা সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১১ জুলাই) সকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানা–পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে একটি পিকআপ গাড়িসহ জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৯৬১ বোতল ফেনসিডিল, মাদক বিক্রির ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং মিনি পিকআপ গাড়িটি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
ছবি: সংগৃহীত
বাগেরহাটে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা। শনিবার (১১ জুলাই) সকালে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
উদ্বোধনের আগে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মেলা প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
এরপর জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বৃক্ষমেলা উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অক্সিজেন গ্রহণ করি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করি। গাছ ঠিক উল্টো কাজটি করে। তাই মানুষের জীবন ও গাছের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। গাছ ভালো থাকলে, আমরাও ভালো থাকব। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সৌদি আরবে নিমগাছ রোপণ করেছিলেন। হজে যাওয়া মানুষ জানেন, তীব্র রোদ ও ৪০ থেকে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যেও নিমগাছ স্বস্তি দেয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘একজন পণ্ডিত ব্যক্তি বলেছিলেন, যার বাড়িতে নিমগাছ আছে, তার বাড়িতে ডাক্তারের প্রয়োজন কম হয়।’
গাছ ও পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ঔষধি, ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নদী-খাল খনন, কর্মসংস্থান ও পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে নিয়মিত কাজ করছে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে।’ কোনো প্রতিষ্ঠানের অবহেলায় গাছ নষ্ট হলে বা মারা গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন। আরও বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার, সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শাহিন কবির এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম।
সামাজিক বন বিভাগের তথ্যানুযায়ী, মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা নিয়ে ১৯টি স্টল অংশ নিয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এসব স্টলে চারা প্রদর্শন ও বিক্রি চলবে। আগামী ১৭ জুলাই সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সপ্তাহব্যাপী এ বৃক্ষমেলার পর্দা নামবে।’
ছবি: সংগৃহীত
ফেনীর ছাগলনাইয়ায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে মোহনা টেলিভিশনের সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন সজীবের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল দুপুরে ফেনী প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে কর্মরত সকল সাংবাদিকের ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের।
সাপ্তাহিক স্বদেশ পত্র সম্পাদক এন এন জীবন এবং দৈনিক ডিজিটাল সময়ের সহযোগী সম্পাদক এবিএম নিজাম উদ্দিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাদাত হোসেন, ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও ডিবিসি নিউজের জেলা প্রতিনিধি মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঁইয়া, সাংবাদিক রবিউল হক রবি, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বিএমএসএফের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধরণ সম্পাদক জসিম মাহমুদ, সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সভাপতি সিদ্দিক আল মামুন, টেলিভিশন জার্নালিস্ট ক্লাবের সভাপতি আতিয়ার সজল, বিএমইউজে ফেনীর সভাপতি মাসুম বিল্লাহ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া ও সিনিয়র সাংবাদিক এম এ সাঈদ খান, ফেনী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মনির, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ফেনীর সাধারণ সম্পাদক দুলাল তালুকদার, ছাগলনাইয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শেখ কামাল, একাত্তর টেলিভিশন ও দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি নুরুজ্জামান সুমন, দৈনিক বণিক বার্তা প্রতিনিধি নুরুল্লাহ কায়সার, গ্রীন টিভি প্রতিনিধি ফখরুল ইসলাম, দৈনিক যায়যায় দিন প্রতিনিধি আবু ইউসুফ মিন্টু, দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি জহিরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, দৈনিক দেশ রূপান্তর প্রতিনিধি জহিরুল ইসলাম রাজু, আমাদের সময় প্রতিনিধি কবির আহমেদ নাছির এবং সরেজমিন প্রতিনিধি চুমকি আক্তারসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা।
বক্তারা সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন সজীবের ওপর সংঘটিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারা অভিযোগ করেন, তাকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে এবং নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার মতো নৃশংস পরিকল্পনা ছিল, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর গুরুতর আঘাত।
বক্তারা এ ঘটনায় ইতোমধ্যে দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করায় পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে হামলার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত আসামি ও হামলার নেপথ্যের নির্দেশদাতাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘অতীতেও সাংবাদিকদের ওপর দমনপীড়ন চালিয়ে কোনো ফ্যাসিবাদী সরকার টিকে থাকতে পারেনি।’ স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সাংবাদিক সমাজ ঐক্যবদ্ধ থাকবে বলেও তারা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য