× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The bridge built at a cost of 33 lakh taka in Shyamnagar is not working for the local residents
google_news print-icon

শ্যামনগরে ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু কাজে আসছে না স্থানীয় এলাকাবাসীর

শ্যামনগরে-৩৩-লাখ-টাকা-ব্যয়ে-নির্মিত-সেতু-কাজে-আসছে-না-স্থানীয়-এলাকাবাসীর
ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের রমজাননগর ইউনিয়নের সুন্দরবনসংলগ্ন টেংরাখালীতে প্রায় ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি পাকা সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় এলাকাবাসীর কোনো কাজে আসছে না। ফলে পাঁচ গ্রামের মানুষ ও শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে পারাপার হচ্ছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে উপজেলার ৬ নম্বর রমজাননগর ইউনিয়নের টেংরাখালী গ্রামের দাউদ গাজীর বাড়ির সামনের খালের উপর প্রায় ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। কাজটি বাস্তবায়ন করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরিফ এন্টারপ্রাইজ।

সরেজমিনে দেখা যায়, এক মাস আগে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। ফলে সেতুটি কার্যত পানিবেষ্টিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। টেংরাখালী, পার্শ্বেখালী, মিরগাং, কালিঞ্চী ও ঠাকুরঘেরী গ্রামের হাজারো মানুষ এখনো ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে খাল পারাপার হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময় সংযোগ সড়কের জন্য নির্ধারিত স্থান থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে বিপুল পরিমাণ মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এতে সড়কের দুই পাশ গভীর খাদে পরিণত হয়েছে এবং সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য এখন প্রয়োজনীয় মাটি পাওয়া যাচ্ছে না।

রমজাননগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ লাল্টু বলেন, ‘বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পিআইওকে জানানো হয়েছে। তারা সরেজমিনে এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন বলেন, ‘ঠিকাদারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বৃষ্টি কমলেই সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করা হবে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Administrators instructions to take measures to resolve waterlogging in DNCC

ডিএনসিসিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসকের নির্দেশ

ডিএনসিসিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসকের নির্দেশ ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান রাজধানীর মিরপুর-১০, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া মেট্রোরেল এলাকায় রাস্তার দুই পাশে জমে থাকা বৃষ্টির পানি এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) জুমার নামাজের পর প্রবল বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা পরিদর্শনকালে তিনি ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনের সময় প্রশাসক নিজেই পানির মধ্যে নেমে ড্রেন ও পানি নিষ্কাশন নালার কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় দোকানদারদের ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার আহ্বান জানান।

পরে, তিনি মিরপুর-১২ এলাকার ৬ নম্বর কাঁচাবাজার পরিদর্শন করে বাজারের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও যত্রতত্র ফেলে রাখা ময়লা-আবর্জনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তাৎক্ষণিকভাবে দোকানদার, বাজার কমিটি ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের ডেকে সমস্যার দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে ডিএনসিসির জোন-২ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে বাজারের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Even if Gomti water rises there is no risk of flooding

গোমতীর পানি বাড়লেও বন্যার আশংকা নেই, পুরনো ভিডিও ছড়ানোয় আতঙ্ক

গোমতীর পানি বাড়লেও বন্যার আশংকা নেই, পুরনো ভিডিও ছড়ানোয় আতঙ্ক ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই। তবে ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার পুরনো ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন গোমতীপাড়ের বাসিন্দারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সরেজমিনে শুক্রবার (১০ জুলাই) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার চিকারচর, জগন্নাথপুর এবং বুড়িচং উপজেলার কামারখাড়া, বালিখাড়া ও ভান্তি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদীর চরে পানি প্রবেশ করলেও তা এখনো বেড়িবাঁধের ৬ থেকে ৮ ফুট নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কোথাও কোথাও চরাঞ্চলের নিচু জমি তলিয়ে গেলেও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গোমতী নদীর পানির উচ্চতা ১১ দশমিক ৩০ ফুটে পৌঁছালে বিপৎসীমা ধরা হয়। বর্তমানে নদীর পানি সেই সীমার অনেক নিচে রয়েছে। টানা ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল না হলে বন্যার আশঙ্কা নেই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব ভিডিও ও ছবি ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো ২০২৪ সালের বন্যার সময়কার বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান জানান, জানিয়েছে, নদীর পানি বাড়ায় চরাঞ্চলের প্রায় ৬ হেক্টর জমির আগাম সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত না বাড়লে ক্ষতির পরিমাণ আর বাড়বে না।

কুমিল্লা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছৈয়দ আরিফুর রহমান জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। আগামী দুই দিনও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Human chain in Moulvibazar demanding stop extraction of sand from river Dhalai

মৌলভীবাজারে ধলাই নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

 মৌলভীবাজারে ধলাই নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ছবি: সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদী থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ এবং ভাঙনের কবল থেকে বসতবাড়ি, কবরস্থান ও কৃষিজমি রক্ষার দাবিতে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদী তীর রক্ষা বাঁধ ও স্থাপনা সংরক্ষণের দাবিতে শুক্রবার (১০ জুলাই) কমলগঞ্জ পৌর এলাকায় এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত কর্মসূচিতে উত্তর আলেপুর, চণ্ডীপুর ও দক্ষিণ কুমড়াকাপন গ্রামের প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ ব্যানার-ফেস্টুন হাতে অংশ নেন। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, কৃষক ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ সংহতি প্রকাশ করেন।

মানববন্ধন শেষে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ড্রেজার মেশিন দিয়ে ধলাই নদীর তলদেশ থেকে বাণিজ্যিকভাবে বালু উত্তোলন করছে। বিশেষ করে নদীর তীর সংলগ্ন এলাকা থেকে অবাধে বালু তোলার কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট হচ্ছে এবং তলদেশের ভারসাম্য বজায় থাকছে না। ফলে উত্তর আলেপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের বসতবাড়ি, বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, কবরস্থান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

সমাবেশে বক্তব্য দেন স্থানীয় ব্যবসায়ী আবুল হোসেন, জমসেদ মিয়া, আজাদ মিয়া, মহরম মিয়া, মনাই মিয়া, মন্নান মিয়া, নজরুল মিয়া, আলাল মিয়া, নূরুল ইসলাম, শিবলু এবং নজরুল ইসলাম বুলবুলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে আন্দোলনকারীরা আমরা বৈধ ইজারার বিরোধী নই, তবে তীর ঘেঁষে ড্রেজার বসানো বন্ধ করতে হবে।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, ধলাই নদীর পাশের বাঁধগুলোর অবস্থা আসলেই নাজুক। ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলে নদী তীরসংলগ্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ নদীতীর রক্ষা বাঁধ দ্রুত সংস্কার ও নতুন বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে বলেও আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A preparatory meeting was held in Madaripur around the arrival of the Prime Minister in South Bengal

দক্ষিণবঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মাদারীপুরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

দক্ষিণবঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মাদারীপুরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন দক্ষিণবঙ্গে আগমনকে ঘিরে মাদারীপুরে ব্যাপক প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছো। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে মাদারীপুরের কেন্দুয়া, মস্তফাপুর, ঘটমাঝি, ঝাউদি ও খোয়াজপুর এই ০৫ ইউনিয়নের বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী-সমর্থক, সাধারণ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে মস্তফাপুর চাতালে এই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কালকিনি-মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিসহ গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন এমপি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি নেতা ও জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা আলম ঢালী, বিএনপি নেতা লেলিন ভূইয়া, স্বেচ্ছাসেবক দল জেলা শাখার সেক্রেটারী এডভোকেট মাসুদ পারভেজ, যুবদল জেলা শাখার আহবায়ক ফারুক বেপারী, ছাত্রদল জেলা শাখার আহবায়ক কামরুল ইসলাম সহ অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও কর্মী সমর্থক।

এসময় প্রধান অতিথি এমপি আনিসুর রহমান প্রস্তুতি সভায় নেতা-কর্মী-সমর্থক ও ৫ টি ইউনিয়ন থেকে আগত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দক্ষিণবঙ্গে আগমন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার আগমনে দক্ষিণবঙ্গবাসীর উন্নয়নের দুয়ার খুলে যাবে। তাই আমাদের দলে-দলে তার জনসভায় যোগদান করতে হবে, যাতে তিনি এই অঞ্চলের মানুষের গণজোয়ার দেখে অবহেলিত দক্ষিণবঙ্গবাসীর সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নে তার উদারহস্ত প্রসার করে দেন।

অনুষ্ঠান থেকে বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর পথ নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখাসহ ব্যাপক সংখ্যক জনসমাগমের আশ্বাস দেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Government aid should be delivered to the real victims Minister of State for Water Resources

প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের হাতেই সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের হাতেই সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

সরকারি সহায়তা বিতরণে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ও সহায়তা পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের হাতেই সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বেলা ১১টায় পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার ইউনিয়নের মল্লিকাদহ চৌধুরীপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৭টি পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও ঢেউটিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সরকারি সহায়তা বিতরণে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। যারা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ও সহায়তা পাওয়ার যোগ্য, তাদের হাতেই সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমি দল-মত নির্বিশেষে সবার প্রতিনিধি। তাই সরকারি সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা উচিত নয়। আগুন লাগার সময় তো আগুন দেখেনি কে বিএনপি, কে জামায়াত কিংবা কে অন্য কোনো দলের।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমি তালি দেওয়ার কিংবা তালি পাওয়ার জন্য রাজনীতি করি না। আমি রাজনীতি করি জনগণের জন্য। আপনাদের প্রয়োজনে, আপনাদের দুর্দিনে পাশে থাকার রাজনীতি করি। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বোদা ও দেবীগঞ্জ উপজেলার কোনো মসজিদ, মন্দির কিংবা গির্জা আমার অনুদানের বাইরে থাকবে না। বর্তমান সরকারের আমলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ অঞ্চলের কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না। সব রাস্তা পর্যায়ক্রমে পাকাকরণ করা হবে। নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এক ছটাক জমিও যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়, সে লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করণীয়, আমরা তা করব।

অনুষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৭টি পরিবারের মাঝে সরকারি সহায়তা হিসেবে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। এ সময় দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ সাহা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Open pontoons at Daulatdia Aricha Paturia launch ghats are increasing the suffering of passengers

দৌলতদিয়া-আরিচা-পাটুরিয়া লঞ্চঘাটে খোলা পন্টুনে বাড়ছে যাত্রীদের ভোগান্তি

দৌলতদিয়া-আরিচা-পাটুরিয়া লঞ্চঘাটে খোলা পন্টুনে বাড়ছে যাত্রীদের ভোগান্তি  ছবি: সংগৃহীত

বিআইডব্লিউটিএ’র আরিচা অঞ্চলের আওতাধীন রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও আরিচা লঞ্চ ঘাটের খোলা পন্টুনে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রী ও ষ্টাফরা।

বিষয়টি ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে আধুনিকায়নের জন্য একটি প্রস্তাবনা নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সরেজমিন দেকা যায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া এবং দৌলতদিয়া-আরিচা নৌ-রুটের তিনটি লঞ্চ ঘাটের পন্টুনে সাধারণ যাত্রী ও স্টাফরা প্রতিনিয়ত নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। খোলামেলা পন্টুনগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সাধারণ যাত্রী ও পন্টুনে কর্মরত কর্মচারীদের বৈরী পরিবেশ মোকাবিলা করে কাজ করতে হয়। সাধারণ যাত্রীদের আশ্রয় নেয়ার মতো কোন ব্যবস্থা নেই। নেই টয়লেট ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা।

আরিচা লঞ্চ মালিক সমিতির দৌলতদিয়া ঘাট প্রতিনিধি মফিজুল ইসলাম বলেন, দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটটি একটা সময় মূল নদী থেকে ভেতরের দিকে অবস্থিত ছিল। অনেকটা পোতাশ্রয় প্রকৃতির ছিল। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে ঘাটের উজানে বিশাল এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় ঘাটটি বর্তমানে মূল নদীর মুখে পড়েছে। যে কারনে বৈরী আবহাওয়ায় তীব্র ঢেউ,স্রোত ও ঝড়ের আঘাত সরাসরি পন্টুনের উপর এসে পড়ে। শীতকালে ঘন কুয়াশা এবং শৈত্য প্রবাহেও পন্টুনে অবস্হান করা দুরুহ হয়ে ওঠে।

এমতাবস্থায় পন্টুনের দুইপাশে দুইটি আধুনিক সেবা সমৃদ্ধ শেড করে দিলে সাধারণ যাত্রী এবং তাদের অনেক উপকার হতো।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাট পরিদর্শনকালে খোলা পন্টুনে যাত্রী ভোগান্তির বিষয়টি তার নজরে এসেছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊধ্বর্তন কতৃ©পক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছি।

আরিচার বন্দর কর্মকর্তা সুব্রত পলাশ রায় জানান, গত ঈদুল আজহার আগে নৌমন্ত্রণালয়ের সচিব দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাট পরিদর্শনে আসলে তখনই খোলা পন্টুনে বিষয়টি অবহিত এবং আধুনিকায়নের জন্য একটি লিখিত প্রস্তাবনাও পাঠানো হয়। আশা করছি দ্রুত পন্টুনে যাত্রী সেবা বাড়ানোর কাজটি অনুমোদন পাবে। আধুনিক রুপ পাবে এ অঞ্চলের তিনটি লঞ্চ ঘাটের পন্টুন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Five ropeway corridors for safe movement of wildlife in Madhupur forest area

মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ চলাচলে পাঁচ রোপওয়ে করিডোর

মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ চলাচলে পাঁচ রোপওয়ে করিডোর ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে সড়ক পারাপারের সময় বন্যপ্রাণীর মৃত্যু কমাতে পাঁচটি রোপওয়ে (রজ্জুপথ) নির্মাণ করেছে বন বিভাগ। গাছের সঙ্গে বিশেষভাবে স্থাপন করা এসব রোপওয়ে ব্যবহার করে বানর, হনুমানসহ গাছে বসবাসকারী প্রাণীরা এখন নিরাপদে মহাসড়ক পার হতে পারছে।

বন বিভাগের তথ্যসূত্রে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়ক মধুপুরের বনাঞ্চলকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। খাবারের সন্ধানে এক পাশ থেকে অন্য পাশে যেতে গিয়ে প্রায়ই যানবাহনের চাপায় বানর, হনুমান, মেছোবিড়াল, গন্ধগোকুলসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী মারা যায়। এ পরিস্থিতি কমাতে মধুপুর জাতীয় উদ্যান সদর রেঞ্জ এলাকায় টাঙ্গাইল-মময়মনসিংহ মহাসড়কের পাঁচটি স্থানে রোপওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল বাস মিনিবাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ‘এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টাই গাড়ি চলাচল করে। বনের এখানে পর্যটক ও পথচারীদের দেওয়া খাবারের আশায় প্রায়ই বানর-হনুমান মহাসড়কে নেমে আসে। এতে হঠাৎই দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এখন থেকে রোপওয়ের ব্যবহার বাড়লে এ ধরনের মৃত্যু কমবে বলে আশা করি।’

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. এ এস এম সাইফুল্লাহ বলেন, ‘মধুপুর বনাঞ্চলের দুর্লভ মুখপোড়া হনুমান উঁচু গাছে বিচরণ করে এবং খাবারের সন্ধানে এক গাছ থেকে অন্য গাছে চলাচল করে। বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে থাকা উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎলাইন তাদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। নিরাপদ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে প্রাণীগুলোর মৃত্যু কমবে এবং প্রজননও স্বাভাবিক থাকবে। পরিবেশও ভালো থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ চলাচলের জন্য রোপওয়ে করিডোর ব্যবহৃত হচ্ছে এবং সেখান থেকে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।’

মধুপুর জাতীয় উদ্যান সদর রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জার মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে মধুপুর শালবন বনপ্রতিষ্ঠা প্রকল্পের আওতায় পঁচিশ মাইল থেকে রসুলপুর বাজার পর্যন্ত পাঁচটি রোপওয়ে করিডোর নির্মাণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বানর, হনুমান, সিভেটসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী নিরাপদে চলাচল করতে পারবে এবং যানবাহনের নিচে পিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি কমবে।’ তিনি জানান, প্রকল্পটি ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেব বলেন, ‘রোপওয়ে সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর অবাধ চলাচল, আবাসস্থলের বিভাজন রোধ এবং প্রজননে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তা ছাড়া আমরা রোপওয়েগুলো বৈদ্যুতিক লাইন থেকে যথেষ্ট দূরে রাখার চেষ্টা করেছি। আশাকরি পশুপাখিদের সমস্যা হবে না।’

বন বিভাগের তথ্যানুযায়ী জানা যায়, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে রোপওয়ে করিডোর নির্মাণের পর গাছে বসবাসকারী প্রাণীর দুর্ঘটনা কমেছে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই মধুপুর বনাঞ্চলে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ‘বনাঞ্চলের এ অংশ দিয়ে রাস্তা পারাপারের সময় প্রায়ই বানর-হনুমান ও নিশাচর প্রাণী মারা যায়। ধীরগতিতে গাড়ি চালানোর জন্য সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড থাকলেও অনেক চালক তা মানেন না। তাই গাছে বিচরণকারী প্রাণীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য রোপওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।’

জানা যায়, একসময় প্রায় ৬২ হাজার একরজুড়ে বিস্তৃত মধুপুর বনাঞ্চলের বড় একটি অংশ ইতোমধ্যে উজাড় হয়ে গেছে। বন উজাড়, আবাসস্থল সংকুচিত হওয়া এবং খাদ্যসংকটের কারণে বহু বন্যপ্রাণী অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে।

কর্মকর্তারা আরও জানান, আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে পাঁচটি রোপওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। এগুলোর কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা হবে। ফল ইতিবাচক হলে ভবিষ্যতে বনাঞ্চলের আরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় একই ধরনের করিডোর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

পরিবেশবিদদের মতে, বনাঞ্চলসংলগ্ন মহাসড়কগুলোতে এ ধরনের বন্যপ্রাণীবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা গেলে শুধু সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানিই কমবে না, বরং দেশের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, রোপওয়ে নির্মাণের পাশাপাশি বন সংরক্ষণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে মধুপুরের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

মন্তব্য

p
উপরে