× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
296 cases 46 arrested in DMP operation in 24 hours
google_news print-icon

২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ২৯৬, মামলা ৪৬

২৪-ঘণ্টায়-ডিএমপির-অভিযানে-গ্রেপ্তার-২৯৬-মামলা-৪৬
ফাইল ছবি

রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৯৬ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। একই সময়ে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় মামলা দায়ের হয়েছে ৪৬টি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিয়াজ মেহেদী জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা এলাকায় ২২ জন, লালবাগ থেকে ২১ জন, ওয়ারী এলাকা থেকে ৫২ জন, মতিঝিলে ৩৬ জন, তেজগাঁওয়ে ৫৪ জন, মিরপুরে ৪১ জন, গুলশানে ২১ জন, উত্তরায় ৪২ জন ও গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসময় তাদের কাছ থেকে ১৩২ কেজি গাঁজা, ১৪ হাজার ৭৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২ গ্রাম হেরোইন, একটি মোটরসাইকেল, একটি চাকু, দুটি এন্টিকাটার, একটি অটোরিকশা, একটি সিএনজি, ১৩টি মোবাইল ফোন, একটি জিপ গাড়ি, একটি চাবি, একটি ককটেল ও পেট্রোল ভরা সাতটি প্লাস্টিকের বোতল উদ্ধার করা হয়।

নিয়াজ মেহেদী আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ চলমান রয়েছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Anwara the old woman clings to the last refuge of the house destroyed by the erosion of Matamuhuri

মাতামুহুরীর ভাঙনে বিলীন বসতভিটা, শেষ আশ্রয় আঁকড়ে বৃদ্ধা আনোয়ারা

মাতামুহুরীর ভাঙনে বিলীন বসতভিটা, শেষ আশ্রয় আঁকড়ে বৃদ্ধা আনোয়ারা ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের চকরিয়ায় টানা পাঁচ দিনের ভারিবর্ষণ ও মাতামুহুরী নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। পৌর এলাকার কোচপাড়ায় ঘর হারিয়েও ভিটেমাটি আকড়ে পড়ে আছেন ৭৫ বছরের আনোয়ারা।

​ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) টানা পাঁচ দিনের অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে চকরিয়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে চকরিয়া পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ডের কোচপাড়া এলাকায়। নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে একের পর এক বসতভিটা।

​চোখের সামনেই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে এক একটি ঘর। তবুও ভিটে ছাড়তে নারাজ আনোয়ারা কোচপাড়ায় দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে তিনি বসবাস করছেন। বিগত বন্যায় তাঁর একটি ঘর ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। চলমান বন্যায় তীব্র স্রোতে তার বর্তমান ঘরটিরও এক-তৃতীয়াংশ ভেঙে নদীতে তলিয়ে গেছে। যেকোনো মুহূর্তে পুরো ঘরটিই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার চরম আশঙ্কা রয়েছে।

​এমন ভয়াবহ ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও ঘর ছাড়তে রাজি নন এই বৃদ্ধা। ভাঙনকবলিত ঘরের বাকি অংশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঠায় বসে আছেন তিনি। অশ্রুসিক্ত চোখে আনোয়ারা বেগম বলেন, ​‘যে বসতভিটায় জীবনের অর্ধেকেরও বেশি সময় অতিবাহিত করেছি, চোখের সামনে তা ভেঙে নদীতে চলে যাচ্ছে। এই ভিটেমাটি নিজের চোখে দেখেই মরতে চাই, তবুও এখান থেকে যাব না।’

​হুমকিতে দুই হাজার পরিবার, ইতোমধ্যে গৃহহীন অনেকেই স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়া পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কোচপাড়া এলাকায় প্রায় দুই হাজার পরিবারের বসবাস। এর মধ্যে অন্তত তিনশ পরিবার সরাসরি মাতামুহুরী নদীর তীরবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করছে। এবারের ও পূর্ববর্তী বন্যার থাবায় ইতোমধ্যে এই এলাকার বহু মানুষ তাদের মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁই হারিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। দিন দিন ভাঙনের তীব্রতা বাড়ায় নদীপাড়ের মানুষদের মাঝে চরম আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।​

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান:

​নদীর তীরবর্তী এলাকার সকল বাসিন্দাকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​জীবনের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে বা স্থানে অবস্থান নেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে।

​সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ত্রাণ বা দুর্যোগকালীন সুযোগ-সুবিধা আসা মাত্রই তা দ্রুততম সময়ে বানভাসি ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

​স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুধু সতর্কবার্তা বা আশ্বাসে তাদের সংকটের সমাধান হচ্ছে না। মাতামুহুরী নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য এই মুহূর্তে জরুরি পুনর্বাসন ও খাদ্য সহায়তা প্রয়োজন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The order to republish the results of 46000 examinees for the primary teacher post

প্রাথমিকে শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরিক্ষার্থীর ফলাফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

প্রাথমিকে শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরিক্ষার্থীর ফলাফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ ফাইল ছবি

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরিক্ষার্থীর ফলাফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দিয়েছেন। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।

প্রাইমারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে ২০২৩ সালে একটি সার্কুলার হয়েছিল জানিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সার্কুলার অনুযায়ী তখনকার সময়ে বিদ্যমান যে কোটা পদ্ধতি ছিল, সেখানে ৮৪ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ হয়েছিল। সেটাকে চ্যালেঞ্জ করে ১৫১ জন রিট পিটিশনার হাইকোর্ট ডিভিশনে মামলা করেছিলেন যে, জুলাই বিপ্লবের পরে সুপ্রিম কোর্টের যেহেতু একটা জাজমেন্ট হয়েছে যে, সেখানে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগটা হবে এবং মেধা হবে ৯৩ শতাংশ, তার ভিত্তিতে নিয়োগ হওয়া উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই মামলার ভিত্তিতে হাইকোর্ট ডিভিশন ওই নিয়োগটাকে অবৈধ ঘোষণা করে ১৫১ জনকে নিয়োগ দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সরকার আপিল দায়ের করেছিলেন। সেই আপিলটা আজকে শুনানি অন্তে চূড়ান্ত রায় হয়েছে। আপিল ডিভিশন সেই রায়ে তিনটি অবজারভেশন দিয়ে আপিলটিকে নিষ্পত্তি করেছেন।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Plan to shift Syedabad Terminal to Kanchpur DSCC Admin

সায়েদাবাদ টার্মিনাল কাঁচপুরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা: ডিএসসিসি প্রশাসক

সায়েদাবাদ টার্মিনাল কাঁচপুরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা: ডিএসসিসি প্রশাসক ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে ভবিষ্যতে শুধু সিটি বাস টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহার করা হবে। অন্যদিকে আন্তঃজেলা বাস পর্যায়ক্রমে কাঁচপুরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পরিদর্শন ও উচ্ছেদ অভিযান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। একই সঙ্গে গুলিস্তানের বাসটার্মিনালও নদীর ওপারে স্থানান্তরের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘সায়েদাবাদ একটি আধুনিক বাস টার্মিনাল হলেও দীর্ঘদিন ধরে এটি নির্ধারিত উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়নি। যাত্রী ওঠানামার কেন্দ্র হওয়ার পরিবর্তে এটি বাসের গ্যারেজ ও ডাম্পিং স্টেশনে পরিণত হয়েছে। অথচ একটি টার্মিনালের মূল উদ্দেশ্য হলো দূরপাল্লার যাত্রীদের ওঠানামার সুবিধা নিশ্চিত করা।’

তিনি জানান, টার্মিনাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খলাপূর্ণ করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। আপাতত প্রতিটি পরিবহন প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ একটি বা দুটি বাসটার্মিনালের ভেতরে অপেক্ষমাণ রাখতে পারবে। এর বেশি বাস রাখা যাবে না।

যান চলাচল আরও সুশৃঙ্খল করতে টার্মিনালে তিনটি প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের অনুরোধে চলতি মাসের ১৫ জুলাই পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এরপর নির্ধারিত টার্মিনাল ছাড়া অন্য কোথাও বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করতে দেওয়া হবে না।

আবদুস সালাম বলেন, ‘রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ছাড়া পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে একাধিক দফা বৈঠক হয়েছে এবং তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।’

তিনি আরও জানান, টার্মিনালের বিভিন্ন সুবিধা উন্নত করা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরও সুবিধা বাড়ানো হবে এবং শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসের জন্য পৃথক স্থান নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

টার্মিনালের ভেতরে থাকা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হবে উল্লেখ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘আগে সব দোকান সরিয়ে নিতে হবে। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে নিয়মের মধ্যে হকার বা ভেন্ডরদের জন্য নির্ধারিত স্থান বরাদ্দ দেওয়া হবে।’

আবদুস সালাম বলেন, ‘এবার আর অবৈধ কার্যক্রম চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না। সায়েদাবাদ টার্মিনালকে পুরোপুরি শৃঙ্খলার আওতায় আনা হবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, সায়েদাবাদকে শুধু সিটি বাসের টার্মিনাল হিসেবে ব্যবহার, আন্তঃজেলা বাস কাঁচপুরে স্থানান্তর এবং গুলিস্তানের বাস টার্মিনাল নদীর ওপারে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrested 7 along with Kutta Farooq while preparing for the robbery in Adabar of the capital

রাজধানীর আদাবরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ‘কুত্তা ফারুক’সহ গ্রেপ্তার ৭

রাজধানীর আদাবরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ‘কুত্তা ফারুক’সহ গ্রেপ্তার ৭ ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর আদাবর এলাকায় গভীর রাতে চাপাতি, সামুরাই আর দেশীয় ধারালো অস্ত্র হাতে অপরাধ সংগঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ছিনতাইকারী কুত্তা ফারুকসহ তার চক্র। টার্গেট ছিল ডাকাতি আর পুলিশের সোর্সের ওপর হামলা। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসী ‘কুত্তা ফারুক’সহ ছিনতাই চক্রটির সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত বুধবার (৮ জুলাই) রাতে রাজধানীর আদাবরের শেখেরটেক ৭ নম্বর ব্রিজের শেষ মাথায় জনৈক মজিবর মিয়ার বাড়ির পাশের সি পাগলের ভেতর হতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. সাইদ (২৪), আকাশ (২৩), মো. ফারুক ওরফে কুত্তা ফারুক (২৬), কর্নেল (১৯), মো. মাইন উদ্দিন(২১), মো. সিফাত ওরফে হিটার (২২) ও মো. নাহিদুল (২৫)।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেখেরটেক ৭ নম্বর রোড ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ‘ভাইস্তা বিল্লাল’ গ্রুপের সাত সদস্যকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য কুত্তা ফারুকও রয়েছেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় ধারালো বেশ কয়েকটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

আটক অবস্থায় কুত্তা ফারুক জানান, তিনি আদাবর মোহাম্মদপুরে বিভিন্ন এলাকায় কাইল্ল‍্যা জহিরের নেতৃত্বে ছিনতাই চক্রে জড়িত রয়েছেন। তিনি মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান নবীনগর চন্দ্রিমা হাউজিংসহ বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই করে আসছিলেন। তিনি জানান, আদাবর মোহাম্মদপুর এলাকায় তাকে কুত্তা ফারুক নামে সবাই চেনেন।

এ বিষয়ে তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. জুয়েল রানা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একদল দুষ্কৃতিকারীর অবস্থান করার তথ্য জানা যায়। তারই ধারাবাহিকতায় আদাবর থানা ওসির নেতৃত্বে সেখেরটেক ৭ নম্বর ব্রিজের শেষ মাথায় মুজিবুর রহমানের বাসার গলিতে একটি অভিযান চালানো হয়। এ সময় শীর্ষ ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসী কুত্তা ফারুকসহ সাতজনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1463 cases of DMP for violation of traffic laws in the capital

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,৪৬৩ মামলা

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,৪৬৩ মামলা ফাইল ছবি

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১৪৬৩টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রপলিটন পুলিশের (ডিএমপির) ট্রাফিক বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করে।

ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বুধবার (৮ জুলাই) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মামলা করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৪টি বাস, ২টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ২০টি সিএনজি ও ১৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৮১টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৩টি বাস, ৬টি ট্রাক, ৩টি কাভার্ডভ্যান, ১৮টি সিএনজি ও ৭৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৪৩টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১৪টি বাস, ২টি ট্রাক, ৩টি কাভার্ডভ্যান, ১৮টি সিএনজি ও ৩১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯৮টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ২৭টি বাস,

অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৮টি বাস, ২টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ২৯টি সিএনজি ও ৪৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৪৪টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১৫টি বাস, ৮টি ট্রাক, ২০টি কাভার্ডভ্যান, ২৫টি সিএনজি, ৯৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২০১টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ১৯টি বাস, ১০টি ট্রাক, ৫টি কাভার্ডভ্যান, ৫০টি সিএনজি ও ৫৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২০৩টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ১৮টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১০টি কাভার্ডভ্যান, ৩৭টি সিএনজি ও ৩৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৬৮টি মামলা হয়েছে। এছাড়াও অভিযানকালে মোট ৪৫৭টি গাড়ি ডাম্পিং ও ২৫২টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Social movement to protect the environment Deputy Commissioner Abu Saeed

পরিবেশ রক্ষায় চাই সামাজিক আন্দোলন: জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ

পরিবেশ রক্ষায় চাই সামাজিক আন্দোলন: জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ ছবি: সংগৃহীত

‘ক্লাইমেট অ্যাকশন: জলবায়ু পরিবর্তন—আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পিরোজপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬। পরিবেশ সুরক্ষাকে কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ।

‎​বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, পিরোজপুরের যৌথ উদ্যোগে জেলা সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালি পরবর্তী সময়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ ‘আব্দুর রাজ্জাক - সাইফ মিজান স্মৃতিসভা কক্ষে’ এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

‎​আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ। পরিবেশ রক্ষায় নিবেদিত ব্যক্তিদের অনুপ্রাণিত করতে আগামী বছর থেকে ‘পরিবেশ পদক’ প্রদানের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, “পরিবেশ রক্ষায় যারা ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন, তাদের আমরা আগামী বছর থেকে পরিবেশ পদক দিয়ে সম্মানিত করব। এছাড়া আমাদের নদী ও খালগুলো দখলমুক্ত করতে হবে। আমি ইতোমধ্যে নিয়মিত দখল উচ্ছেদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি, যাতে কৃষিনির্ভর এই অর্থনীতিতে কৃষি বিপ্লব সম্ভব হয়।”

‎​জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যক্তিগত সচেতনতার ওপর জোর দিয়ে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বন্যা, খরা ও নদী ভাঙনের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সচেতনতা সবচেয়ে জরুরি। আমরা কতটুকু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখছি, তার ওপরই নির্ভর করছে আমাদের পরিবেশের ভবিষ্যৎ।”

‎​শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যপুস্তকের চাপে পিষ্ট না করে তাদের মানসিক বিকাশে পরিবেশবান্ধব ও আনন্দদায়ক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।”

‎​অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও প্রকৃতি বিষয়ক চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলাউদ্দীন ভূঞা জনী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস. এম. সাইদুল ইসলাম কিসমত, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ জহিরুল হক এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, পিরোজপুরের সহকারী পরিচালক নিখিল চন্দ্র ঢালী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

‎​সবশেষে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব পিরোজপুর গড়ার লক্ষ্যে তিনি সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

মন্তব্য

p
উপরে