× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Tree plantation program to build green and clean municipality by UNO in Keshavpur
google_news print-icon

কেশবপুরে ইউএনও―র উদ্যোগে সবুজ ও পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়তে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

কেশবপুরে-ইউএনও―র-উদ্যোগে-সবুজ-ও-পরিচ্ছন্ন-পৌরসভা-গড়তে-বৃক্ষরোপণ-কর্মসূচি
ছবি: সংগৃহীত

পরিবেশবান্ধব, পরিচ্ছন্ন ও সবুজে কেশবপুর গড়ে তোলার প্রত্যয়ে যশোরের কেশবপুর পৌরসভায় ব্যাপক পরিসরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক রেকসোনা খাতুন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে পৌরসভার বালিয়াডাঙ্গা এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনসমাগমস্থলে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়। পৌর এলাকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, নাগরিকদের নির্মল পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পৌরসভার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক রেকসোনা খাতুন বলেন, ‘একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য কেশবপুর গড়ে তোলা আমাদের সবার দায়িত্ব। বৃক্ষ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বাড়ায় না, এটি আমাদের জীবনের জন্য অপরিহার্য। পৌরসভার প্রতিটি সড়ক ও উন্মুক্ত স্থানে পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ করা হবে। পাশাপাশি রোপণ করা গাছগুলোর পরিচর্যায় স্থানীয় বাসিন্দাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। প্রশাসন ও জনগণ একসঙ্গে কাজ করলে কেশবপুরকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণে শুধু একটি দিনের কর্মসূচি যথেষ্ট নয়। এটি একটি চলমান উদ্যোগ। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সবুজ পরিবেশ রেখে যেতে হলে এখন থেকেই আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কেশবপুর পৌর বাড়ি মালিক সমিতি ও কেশবপুর নিউজ ক্লাবের সভাপতি মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক রেকসোনা খাতুন একজন দক্ষ, বিচক্ষণ ও জনবান্ধব কর্মকর্তা। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কেশবপুর পৌরসভার উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনে নানা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছেন। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিঃসন্দেহে একটি সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ। আমরা তার এ উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই এবং সর্বাঙ্গীন সাফল্য ও মঙ্গল কামনা করি। একই সঙ্গে পৌরবাসীকেও রোপণ করা গাছগুলোর সুরক্ষা ও পরিচর্যায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাই।’

স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের এমন পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ শুধু পৌরসভার সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করবে না, বরং নাগরিকদের মধ্যেও পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়াবে। সবুজায়নের এই ধারাবাহিক কর্মসূচি কেশবপুরকে একটি আরও বাসযোগ্য ও দৃষ্টিনন্দন পৌরসভায় পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Social movement to protect the environment Deputy Commissioner Abu Saeed

পরিবেশ রক্ষায় চাই সামাজিক আন্দোলন: জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ

পরিবেশ রক্ষায় চাই সামাজিক আন্দোলন: জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ ছবি: সংগৃহীত

‘ক্লাইমেট অ্যাকশন: জলবায়ু পরিবর্তন—আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পিরোজপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬। পরিবেশ সুরক্ষাকে কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ।

‎​বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, পিরোজপুরের যৌথ উদ্যোগে জেলা সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালি পরবর্তী সময়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ ‘আব্দুর রাজ্জাক - সাইফ মিজান স্মৃতিসভা কক্ষে’ এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

‎​আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ। পরিবেশ রক্ষায় নিবেদিত ব্যক্তিদের অনুপ্রাণিত করতে আগামী বছর থেকে ‘পরিবেশ পদক’ প্রদানের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, “পরিবেশ রক্ষায় যারা ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন, তাদের আমরা আগামী বছর থেকে পরিবেশ পদক দিয়ে সম্মানিত করব। এছাড়া আমাদের নদী ও খালগুলো দখলমুক্ত করতে হবে। আমি ইতোমধ্যে নিয়মিত দখল উচ্ছেদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি, যাতে কৃষিনির্ভর এই অর্থনীতিতে কৃষি বিপ্লব সম্ভব হয়।”

‎​জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যক্তিগত সচেতনতার ওপর জোর দিয়ে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বন্যা, খরা ও নদী ভাঙনের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সচেতনতা সবচেয়ে জরুরি। আমরা কতটুকু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখছি, তার ওপরই নির্ভর করছে আমাদের পরিবেশের ভবিষ্যৎ।”

‎​শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যপুস্তকের চাপে পিষ্ট না করে তাদের মানসিক বিকাশে পরিবেশবান্ধব ও আনন্দদায়ক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।”

‎​অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও প্রকৃতি বিষয়ক চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলাউদ্দীন ভূঞা জনী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস. এম. সাইদুল ইসলাম কিসমত, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ জহিরুল হক এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, পিরোজপুরের সহকারী পরিচালক নিখিল চন্দ্র ঢালী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

‎​সবশেষে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব পিরোজপুর গড়ার লক্ষ্যে তিনি সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh Coast Guards tree plantation campaign under the theme of Bangladesh is the first to decorate the country with tree planting

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বৃক্ষরোপণ অভিযান

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বৃক্ষরোপণ অভিযান ছবি: সংগৃহীত

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্তমান সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই সবুজায়ন নিশ্চিত করতে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সর্বস্তরের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে। সরকারের এ উদ্যোগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডও জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে।

কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ১ টায় বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬ উপলক্ষ্যে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে মহাপরিচালক বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড রিয়ার এডমিরাল মোঃ জিয়াউল হক আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ করেন। একইসঙ্গে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন সকল জোন, স্টেশন ও আউটপোস্টে সমন্বিতভাবে বৃক্ষরোপণ অভিযান কর্মসূচি পালিত হয়।

তিনি আরও বলেন, সমুদ্র ও উপকূলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণও কোস্ট গার্ডের জাতীয় দায়িত্বের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Operation of Mobile Court of BIWTA to ensure safe navigation and safety of life and property

নিরাপদ নৌযান চলাচল নিশ্চিতকরন ও জানমালের নিরাপত্তায় বিআইডব্লিউটিএ―র মোবাইল কোর্ট পরিচালনা

নিরাপদ নৌযান চলাচল নিশ্চিতকরন ও জানমালের নিরাপত্তায় বিআইডব্লিউটিএ―র মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ছবি: সংগৃহীত

নিরাপদ ও দুর্ঘটনামুক্ত নৌযান চলাচল নিশ্চিতকরণ এবং জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আশুগঞ্জ-ভৈরব বাজার নদী বন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন ভৈরব বাজার লঞ্চঘাট, আশুগঞ্জ কার্গোঘাট এবং ভৈরব ফেরী ঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে চলমান এবং মুরিংকৃত নৌযানের বিরুদ্ধে বিআইডব্লিউটিএ’র বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নেহেরু নিগার তনু মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

এসময় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ০৯ টি নৌযানকে সর্বমোট ৫৫,০০০/- ( পঞ্চান্ন হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে উপ-পরিচালক, নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ, আশুগঞ্জ -ভৈরব বাজার নদীবন্দর; বন্দর ও পরিবহন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, ট্রাফিক সুপারভাইজারগণ, আনসার সদস্যবৃন্দ এবং নৌ পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Residents of Naogaon are suffering from waterlogging due to continuous rain of 20 hours

নওগাঁয় টানা ২০ ঘণ্টার বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে শহরবাসী

নওগাঁয় টানা ২০ ঘণ্টার বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে শহরবাসী ছবি: সংগৃহীত

টানা ২০ ঘণ্টার বৃষ্টিতে নওগাঁ শহরের বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি ও বাজার এলাকাসহ শহরের নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকার রাস্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢোকে পড়ায় শহরবাসী চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৮ জুালাই) দুপুর ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলায় ২৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। চলতি মৌসুমে একদিনে এটি সর্বোচ্চ বৃষ্টি। এর আগে গত ২৩ এপ্রিল একদিনে ১৩২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছিল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় থাকা নালাগুলো অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। এসব নালা ভরাট হয়ে গেলেও দীর্ঘ সময়েও পরিষ্কারের কোনো উদ্যোগ থাকে না। আবার অনেকেই রাস্তার ইট, সিমেন্ট, পাথরসহ বিভিন্ন মালামাল রাস্তার ওপর ফেলে নির্মাণ করছেন, যার কারণে নালাগুলো ভরাট হয়ে থাকে। ফলে অল্প বৃষ্টি হলেই নওগাঁ জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গতকাল বিকেল ৩টা থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে শহরের সিও অফিস, নওগাঁ সরকারি কলেজ চত্বর, বাজার এলাকার গোস্তহাটির মোড়, সুপারিপট্টি, চুরিপট্টি, বাটার মোড়, ডাবপট্টি ও পুরাতন হাসপাতাল রোড, ব্রিজের মোড়-কালিতলা সড়ক, ব্রিজের মোড়-ডিগ্রি কলেজ সড়ক, কাঁচাবাজার, বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, বলিহার হাউজ-কাজীপাড়া সড়ক, গোস্তহাটির মোড়-কালিতলা সড়ক, আলুপট্টি-সুলতানপুর সড়ক, তাজের মোড়-বউ বাজার সড়ক, সরিষাহাটির মোড়-জনকল্যাণ মোড় সড়ক, মুক্তির মোড়-কেডির মোড় সড়কসহ একাধিক এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে ওইসব এলাকার ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়েন।

এ ছাড়া নালার ময়লা-আবর্জনার সঙ্গে মিশে রাস্তার বৃষ্টির পানি আরও অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ে। এই অস্বাস্থ্যকর পানির ওপর দিয়ে মানুষকে রাস্তা পার হতে দেখা গেছে। সড়কে বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার কারণে শহরের বাজার এলাকার বাটার মোড় ও সুপারিপট্টি এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। ব্রিজের মোড়-ডিগ্রি কলেজ সড়ক ও বলিহার হাউস-কাজীর মোড় সড়কে পানি জমে যাওয়ায় দুপুরে মৌসুমি বিদ্যালনিকেতন, ন্যাশন্যাল কিন্ডারগার্টেন, সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।

পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা বিভাগ সূত্র জানায়, নওগাঁ পৌর শহরের ৯টি ওয়ার্ডে প্রতিদিন গড়ে ৬০-৮০ টন বর্জ্য তৈরি হয়। এর মধ্যে পলিথিন ও প্লাস্টিকজাত বর্জ্য থাকে ৩-৫ টন। শহরের বাজার এলাকাসহ বিভিন্ন মহল্লার মোড় থেকে ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা শহরের বরুনকান্দি এলাকার ভাগাড়ে নিয়ে গিয়ে ফেলে থাকেন। এ ছাড়া আরও কয়েক টন গৃহস্থালির বর্জ্য বিচ্ছিন্নভাবে নালা-খালে ফেলা হচ্ছে। এতে শহরের প্রবহমান শহর খাল (টাউন খাল) ভাগাড়ে পরিণত হয় এবং অধিকাংশ নালা ভরাট হয়ে যায়। এ কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেই শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।

শহরের সিও অফিস এলাকার বাসিন্দা আকবর হোসেন বলেন, ‘দিন দিন শহরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে যায়। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। আবার নির্মাণাধীন ভবনের মালামাল রাস্তার ওপর, ড্রেনের ওপর দিনের পর দিন পড়ে থাকে। কিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষ কিছু করছে বলে মনে হয় না। নাগরিকসেবার কিছুই পাচ্ছি না।’

সরিষাহাটির মোড় এলাকার ব্যবসায়ীরা শাহীন আহম্মেদ অভিযোগ করে বলেন, ‘ড্রেনে জমে থাকা পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল ও অন্যান্য বর্জ্য নিয়মিত অপসারণ না করায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা বললেও দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন হয় না।’

নওগাঁ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘পয়ঃবর্জ্য অপসারণের জন্য পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে পাকা, আধাপাকা ও কাঁচা ড্রেন তৈরি করা হয়েছে। তারপরেও এখনো পৌরসভার অনেক এলাকায়

আরও বেশি কিছু ড্রেন প্রয়োজন। তবে যেটুকু ড্রেন রয়েছে সেগুলোও আমাদের অসচেতনতার কারণে ভরাট হয়ে থাকে। পাশাপাশি পৌরসভার জনবলসংকটও সঠিকভাবে পয়ঃবর্জ্য অপসারণ না হওয়ার অন্যতম কারণ। অনেক ক্ষেত্রে বাসিন্দারা নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য না ফেলে যেখানে-সেখানে ফেলছে। আবার অনেকেই নির্মাণাধীন ভবনের জন্য ইট, বালু, পাথর রাস্তার ওপর ফেলে রাখে। এসব মালামাল ড্রেনে পড়ে সেগুলো ভরাট হয়ে থাকে। ফলে ভরাট ড্রেন দিয়ে পয়ঃবর্জ্য অপসারণ হয় না। যার ফলে শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।’

এদিকে টানা ২০ ঘণ্টার বৃষ্টিতে নওগাঁর বিস্তৃর্ণ ফসলি মাঠ এখন আষাঢ় মাসের পানিতে টইটম্বুর। পানি বাড়ছে নদীতেও। নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পানিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নওগাঁর প্রধান নদী আত্রাইয়ের পানি বেড়েছে ১ দশমিক ৮৭ মিটার পর্যন্ত। পানি বাড়ার এই ধারা অব্যাহত থাকলে নওগাঁর নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Farmers are afraid of losing the new grazing land of Teesta which is the refuge of thousands of river devastated people

হাজারো নদীভাঙা মানুষের আশ্রয়স্থল তিস্তার নতুন চর, জমি হারানোর শঙ্কায় কৃষকরা

হাজারো নদীভাঙা মানুষের আশ্রয়স্থল তিস্তার নতুন চর, জমি হারানোর শঙ্কায় কৃষকরা ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা নদী ভাঙে, আবার চর জাগায়। সেই চরই হাজারো নদীভাঙা মানুষের বেঁচে থাকার শেষ আশ্রয়। বছরের পর বছর নদীগর্ভে ঘরবাড়ি হারিয়ে আবার নতুন জেগে ওঠা চরে ঘর তুলে, ফসল ফলিয়ে কোনোমতে জীবন চালিয়ে আসছেন রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের হাজারো পরিবার। কিন্তু এবার সেই চর ঘিরেই দেখা দিয়েছে নতুন শঙ্কা।

দেশের অন্যতম শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্যারাগন গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান প্যারাগন অ্যাগ্রো অ্যান্ড ডেইরি লিমিটেড দুগ্ধ খামার ও গবাদিপশুর খাদ্য উৎপাদনের জন্য গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের দুটি মৌজায় ১ হাজার ১১৮ দশমিক ৬৭ একর জমি দীর্ঘমেয়াদে লিজ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছে। আবেদনটি সামনে আসতেই চরাঞ্চলে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে হাজারো পরিবার বসতভিটা ও কৃষিজমি হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার প্রতিবেদকের হাতে আসা প্যারাগন গ্রুপের আবেদনের কপি থেকে জানা যায়, গত ৫ মে ২০২৬ প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠানো এক আবেদনে গঙ্গাচড়া উপজেলার দুটি মৌজায় যথাক্রমে ৪৮২ একর ও ৬৩৬ দশমিক ৬৭ একর জমি লিজ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

আবেদনে বলা হয়, ওই জমিতে ঘাস ও ভুট্টা চাষ, আধুনিক দুগ্ধ খামার সম্প্রসারণ এবং গবাদিপশুর খাদ্য উৎপাদন করা হবে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এলাকায় জমির প্রকৃতি ও অবস্থান যাচাই করতে গেলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে।এরপর থেকেই শুরু হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া।

চরবাসীর অভিযোগ, যে জমিকে খাসজমি বলা হচ্ছে, সেই জমিতেই তারা কয়েক যুগ ধরে চাষাবাদ করে আসছেন। নদীভাঙনে একাধিকবার ঘরবাড়ি হারিয়েও তারা এলাকা ছাড়েননি। নদী শুকিয়ে চর জেগে উঠলেই সেখানে ধান, ভুট্টা, চিনাবাদাম, সরিষা, বিভিন্ন সবজি ও গবাদিপশুর খাদ্য উৎপাদন করে সংসার চালিয়ে আসছেন। এই পরিস্থিতিতে গত ৬ জুন নদীপাড়ে শত শত নারী-পুরুষ মানববন্ধন করেন। পরে ৮ জুন রংপুর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন তারা।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, প্রস্তাবিত এলাকায় প্রায় সাড়ে চার হাজার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে। এখানে রয়েছে সাতটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাতটি মাদ্রাসা, ২৫টি মসজিদ, তিনটি মন্দির এবং পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ হাট-বাজার। এই জনপদের অধিকাংশ মানুষ কৃষিনির্ভর। জমি ইজারা দেওয়া হলে শুধু কৃষিজমিই নয়, মানুষের বসতভিটা, শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং পুরো সামাজিক কাঠামো হুমকির মুখে পড়বে বলে দাবি করা হয়।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, উন্নয়নের নামে কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে চরাঞ্চলের বিশাল এলাকা ইজারা দেওয়া হলে পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং নদীকেন্দ্রিক জনজীবনের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই অবিলম্বে ইজারা প্রক্রিয়া বন্ধ, স্থানীয় মানুষের জমির অধিকার নিশ্চিত এবং পুরো বিষয়টি তদন্তে নিরপেক্ষ কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়।

মহিপুর গ্রামের বাসিন্দা ওয়াহেদুজ্জামান মাবু বলেন, এখানে শুধু খাসজমি নেই, মানুষের বসতবাড়ি আছে, ফসলি জমি আছে, স্কুল-মাদ্রাসা, মসজিদ ও হাটবাজার আছে। মানুষের মতামত ছাড়া এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা হলে চরবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ করবে। স্থানীয় বাসিন্দা রওশন আরা বলেন, এই চরের মাটিতেই আমাদের ঘর, এই মাটিতেই আমাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ। জমি হারালে শুধু ফসল নয়, আমাদের পুরো জীবনটাই শেষ হয়ে যাবে।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, চরের মানুষ নদীভাঙনের পরও এলাকা ছেড়ে যায়নি। জেগে ওঠা চরে চাষাবাদ করেই তারা বেঁচে আছে। এই জমি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়া হলে হাজারো পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনো কোনো জমি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি।

গঙ্গাচড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হামিদুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমরা শুধু জমির প্রকৃতি, খাসজমির পরিমাণ এবং প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন পাঠিয়েছি। চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশের জমি বর্তমানে তিস্তা নদীর মধ্যে রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, এটি এখনো আবেদন পর্যায়ে রয়েছে। প্রশাসন শুধু তথ্য যাচাই করে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে। স্থানীয় মানুষের উদ্বেগও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা সরকারের প্রচলিত আইন ও বিধি মেনেই হবে।

রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, প্যারাগন গ্রুপের আবেদনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে চরবাসীর মানববন্ধন ও স্মারকলিপির বিষয়টিও অবহিত করা হয়েছে।

এদিকে চরাঞ্চলের মানুষের দাবি, উন্নয়নের বিরোধিতা নয়, বরং তাদের অস্তিত্ব ও জীবিকার নিশ্চয়তা নিশ্চিত করেই যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

চরবাসীরা বলছেন, নদী আমাদের ঘর নিয়েছে, জমি নিয়েছে কিন্তু চর জেগে উঠলে আমরা আবার দাঁড়িয়েছি। এবার যদি সেই চরও চলে যায়, তাহলে আমাদের বাঁচার আর কোনো পথ থাকবে না।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rally discussion meeting at Nilphamari on the occasion of World Environment Day

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে র‌্যালি, আলোচনা সভা

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে র‌্যালি, আলোচনা সভা ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুঝাত তাসনীম আওনের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ্-আল-মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এ.বি.এম. ফয়জুল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এ ক্ষেত্রে সর্বস্তরের মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

আলোচনা সভা শেষে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, পরিবেশবিষয়ক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

p
উপরে