× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
10000 people were trapped in water after the Dhalai river dam broke in Moulvibazar
google_news print-icon

মৌলভীবাজারে ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ

মৌলভীবাজারে-ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে-পানিবন্দি-১০-হাজার-মানুষ
ছবি: সংগৃহীত

টানা বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের মখাবিল এলাকার পুরাতন মসজিদ সংলগ্ন বাঁধের প্রায় ১০০ মিটার অংশ ভেঙে গেলে নদীর পানি দ্রুত লোকালয়ে ঢুকে পড়ে।

এতে মখাবিল, শ্রীপুর, ভান্ডারীগাঁও,বনগাঁও গ্রামসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া কমলগঞ্জ –আদমপুর সড়কটি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এ পথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১০টায় বন্যা কবলিত এলাকা পরির্দশন করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের দিকে হঠাৎ করেই বাঁধের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই প্রবল স্রোতের পানি আশপাশের গ্রামে প্রবেশ করে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি রক্ষায় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। নিচু এলাকার বসতবাড়ি, আঙিনা ও গ্রামীণ সড়কে পানি উঠে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ বাড়ছে।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ধলাই নদীর বাঁধ ভাঙনের বিষয়টি অবগত হয়েছি। পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বন্যাকবলিত মানুষের পাশে প্রশাসন সার্বক্ষণিক থাকবে বলেও তিনি জানান।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ বলেন, মখাবিল এলাকায় ধলাই নদীর বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে আগেই সংস্কার কাজের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় কাজ করার সময় ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) আপত্তির কারণে নির্ধারিত পরিসরে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে যতটুকু এলাকায় কাজ করা গেছে, কেবল সেই অংশেই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
24 arrested in a special police operation in the capital

রাজধানীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৪

রাজধানীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৪ ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শেরেবাংলানগর ও মুগদা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৭ জনকে শেরেবাংলানগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন মো. হাকিম বাবু (৩২), মো. আলাউদ্দিন (৩০), মোহাম্মদ আলী (২১), আহবাব নাদিদ জেনান (১৯), মো. রায়হান (১৯), মো. জাহিদ (১৮), মো. মামুন (২০)।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় মুগদা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. মারুফ হোসেন রমজান (৩৯), মোছা. পারুল বেগম (৩৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৫). বিষু ওরফে শাহ আলম (৪৫), মো. রফিকুল ইসলাম (২৬), রাসেল (২৩), মো. ইয়াকুব খান (২৩), রাফি (২০), সুমাইয়া আক্তার (১৯), আরিফিন ইসলাম রনি (২৩), মো. সবুজ (২৬), মো. শফি (৩৮), নুর মোহাম্মদ (২৬), প্রসাদ দাস (৪০), নুরুন্নবী (২৫), মো. হালিম (৪৫) ও মো. হৃদয় (৪০)।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি ও বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধী রয়েছেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The police association is concerned about the attack on Agailjhara police

আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্বেগ

আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্বেগ ফাইল ছবি

একটি গুজবকে কেন্দ্র করে বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়ায় থানায় সংঘটিত হামলা, ভাঙচুর এবং দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ওপর ন্যক্কারজনক আক্রমণের ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ গত ৮ জুলাই সন্ধ্যায় বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামের বাসিন্দা রিয়াজ ফকির (২৬) নামে চুরি মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। গ্রেপ্তারকৃত রিয়াজ ফকিরের বিরুদ্ধে থানায় মাদকসংক্রান্ত মামলাও রয়েছে। রিয়াজ ফকির সে সময়েও ছিলেন মাদকাসক্ত। থানা হাজতে থাকাকালে তিনি মাদকের প্রভাবে নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করে। এতে রিয়াজ ফকির অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে রিয়াজ ফকিরকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে, উন্নত চিকিৎসার জন্য গভীর রাতে বরিশাল শেরই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পরের দিন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে এলাকায় রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে কিছু লোক আগৈলঝাড়া থানায় হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণ করে। গুজবনির্ভর এ ধরনের হামলা শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য হুমকিস্বরূপই নয় বরং বাংলাদেশে গড়ে ওঠা নব্য ‘মব সংস্কৃতি’। প্রকারান্তরে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, বিচার প্রক্রিয়া ও জননিরাপত্তার প্রতি মারাত্মক হুমকি যা মূলত একটি শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ।

বাংলাদেশে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ, অসুস্থ আসামিকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে যা শুধু আইনগত দায়িত্ব নয় একই সঙ্গে মানবিকতার উদাহরণের সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, এ ধরনের গুজব ও উসকানির পরিপ্রেক্ষিতে সংঘবদ্ধ হামলা বা মব সংস্কৃতি মূলত পুলিশের মনোবল দুর্বল করার অপচেষ্টা, যা দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার অন্তরায়। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ বাংলাদেশ পুলিশ তথা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে তাদের কায়েমি স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টায় লিপ্ত বলে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন আশঙ্কা করছে।

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন দেশের সকল নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে, আপনারা মিথ্যা তথ্য বা গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রচলিত আইনকে শ্রদ্ধা করুন, সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহযোগিতা করুন এবং যেকোনো অভিযোগ বা অসন্তোষের ক্ষেত্রে আইনসম্মত ও শান্তিপূর্ণ পথ অনুসরণ করুন যার মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়।

রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা, জনগণের নিরাপত্তা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পুলিশ বরাবরের মতো তার পেশাদারিত্ব, সংযম ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এবং সামনের দিনগুলোতেও দৃঢ় প্রত্যয়ে এই সুমহান দায়িত্ব পালন করবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 killed in gas cylinder explosion in Bangshal capital

রাজধানীর বংশালে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ১

রাজধানীর বংশালে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ১ ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বংশাল থানার মুকিম বাজার রোডের শিয়াগলি এলাকায় একটি মোটর পার্টসের দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দেলওয়ার হোসেন (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নাজমুল হোসেন (৩৩) নামে আরও একজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা ওই দোকানের কর্মচারী মো. হামিদুল ইসলাম জানান, ভোরে মোটর পার্টসের দোকানে হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় দোকানের একটি ভারী বস্তু দেলওয়ার হোসেনের মাথার ওপর পড়লে তিনি গুরুতর আঘাত পান এবং সেই সঙ্গে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

​হামিদুল ইসলাম আরও জানান, ঘটনাটি দেখার পরপরই তারা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন আশেপাশের লোকজন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দেলওয়ার হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত দেলওয়ার হোসেনের গ্রামের বাড়ি যশোরের শার্শা উপজেলার ৪নং ডিহি ইউনিয়নের ডিহি উত্তর এলাকায়। তার বাবার নাম আব্দুল খালেক। তিনি বংশাল এলাকায় মোটর পার্টসের ব্যবসা করতেন। অন্যদিকে দগ্ধ নাজমুল হোসেন সম্পর্কে নিহতের খালাতো ভাই। তিনি বর্তমানে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা অবস্থায় রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে তার অবস্থা শঙ্কামুক্ত।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহত দেলওয়ারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট বংশাল থানাকে অবগত করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Administrators instructions to take measures to resolve waterlogging in DNCC

ডিএনসিসিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসকের নির্দেশ

ডিএনসিসিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসকের নির্দেশ ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান রাজধানীর মিরপুর-১০, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া মেট্রোরেল এলাকায় রাস্তার দুই পাশে জমে থাকা বৃষ্টির পানি এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) জুমার নামাজের পর প্রবল বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা পরিদর্শনকালে তিনি ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনের সময় প্রশাসক নিজেই পানির মধ্যে নেমে ড্রেন ও পানি নিষ্কাশন নালার কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় দোকানদারদের ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার আহ্বান জানান।

পরে, তিনি মিরপুর-১২ এলাকার ৬ নম্বর কাঁচাবাজার পরিদর্শন করে বাজারের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও যত্রতত্র ফেলে রাখা ময়লা-আবর্জনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তাৎক্ষণিকভাবে দোকানদার, বাজার কমিটি ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের ডেকে সমস্যার দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে ডিএনসিসির জোন-২ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে বাজারের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Even if Gomti water rises there is no risk of flooding

গোমতীর পানি বাড়লেও বন্যার আশংকা নেই, পুরনো ভিডিও ছড়ানোয় আতঙ্ক

গোমতীর পানি বাড়লেও বন্যার আশংকা নেই, পুরনো ভিডিও ছড়ানোয় আতঙ্ক ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই। তবে ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার পুরনো ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন গোমতীপাড়ের বাসিন্দারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সরেজমিনে শুক্রবার (১০ জুলাই) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার চিকারচর, জগন্নাথপুর এবং বুড়িচং উপজেলার কামারখাড়া, বালিখাড়া ও ভান্তি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদীর চরে পানি প্রবেশ করলেও তা এখনো বেড়িবাঁধের ৬ থেকে ৮ ফুট নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কোথাও কোথাও চরাঞ্চলের নিচু জমি তলিয়ে গেলেও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গোমতী নদীর পানির উচ্চতা ১১ দশমিক ৩০ ফুটে পৌঁছালে বিপৎসীমা ধরা হয়। বর্তমানে নদীর পানি সেই সীমার অনেক নিচে রয়েছে। টানা ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল না হলে বন্যার আশঙ্কা নেই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব ভিডিও ও ছবি ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো ২০২৪ সালের বন্যার সময়কার বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান জানান, জানিয়েছে, নদীর পানি বাড়ায় চরাঞ্চলের প্রায় ৬ হেক্টর জমির আগাম সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত না বাড়লে ক্ষতির পরিমাণ আর বাড়বে না।

কুমিল্লা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছৈয়দ আরিফুর রহমান জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। আগামী দুই দিনও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Human chain in Moulvibazar demanding stop extraction of sand from river Dhalai

মৌলভীবাজারে ধলাই নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

 মৌলভীবাজারে ধলাই নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ছবি: সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদী থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ এবং ভাঙনের কবল থেকে বসতবাড়ি, কবরস্থান ও কৃষিজমি রক্ষার দাবিতে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদী তীর রক্ষা বাঁধ ও স্থাপনা সংরক্ষণের দাবিতে শুক্রবার (১০ জুলাই) কমলগঞ্জ পৌর এলাকায় এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত কর্মসূচিতে উত্তর আলেপুর, চণ্ডীপুর ও দক্ষিণ কুমড়াকাপন গ্রামের প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ ব্যানার-ফেস্টুন হাতে অংশ নেন। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, কৃষক ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ সংহতি প্রকাশ করেন।

মানববন্ধন শেষে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ড্রেজার মেশিন দিয়ে ধলাই নদীর তলদেশ থেকে বাণিজ্যিকভাবে বালু উত্তোলন করছে। বিশেষ করে নদীর তীর সংলগ্ন এলাকা থেকে অবাধে বালু তোলার কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট হচ্ছে এবং তলদেশের ভারসাম্য বজায় থাকছে না। ফলে উত্তর আলেপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের বসতবাড়ি, বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, কবরস্থান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

সমাবেশে বক্তব্য দেন স্থানীয় ব্যবসায়ী আবুল হোসেন, জমসেদ মিয়া, আজাদ মিয়া, মহরম মিয়া, মনাই মিয়া, মন্নান মিয়া, নজরুল মিয়া, আলাল মিয়া, নূরুল ইসলাম, শিবলু এবং নজরুল ইসলাম বুলবুলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে আন্দোলনকারীরা আমরা বৈধ ইজারার বিরোধী নই, তবে তীর ঘেঁষে ড্রেজার বসানো বন্ধ করতে হবে।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, ধলাই নদীর পাশের বাঁধগুলোর অবস্থা আসলেই নাজুক। ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলে নদী তীরসংলগ্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ নদীতীর রক্ষা বাঁধ দ্রুত সংস্কার ও নতুন বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে বলেও আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A preparatory meeting was held in Madaripur around the arrival of the Prime Minister in South Bengal

দক্ষিণবঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মাদারীপুরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

দক্ষিণবঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মাদারীপুরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন দক্ষিণবঙ্গে আগমনকে ঘিরে মাদারীপুরে ব্যাপক প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছো। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে মাদারীপুরের কেন্দুয়া, মস্তফাপুর, ঘটমাঝি, ঝাউদি ও খোয়াজপুর এই ০৫ ইউনিয়নের বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী-সমর্থক, সাধারণ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে মস্তফাপুর চাতালে এই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কালকিনি-মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিসহ গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন এমপি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি নেতা ও জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা আলম ঢালী, বিএনপি নেতা লেলিন ভূইয়া, স্বেচ্ছাসেবক দল জেলা শাখার সেক্রেটারী এডভোকেট মাসুদ পারভেজ, যুবদল জেলা শাখার আহবায়ক ফারুক বেপারী, ছাত্রদল জেলা শাখার আহবায়ক কামরুল ইসলাম সহ অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও কর্মী সমর্থক।

এসময় প্রধান অতিথি এমপি আনিসুর রহমান প্রস্তুতি সভায় নেতা-কর্মী-সমর্থক ও ৫ টি ইউনিয়ন থেকে আগত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দক্ষিণবঙ্গে আগমন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার আগমনে দক্ষিণবঙ্গবাসীর উন্নয়নের দুয়ার খুলে যাবে। তাই আমাদের দলে-দলে তার জনসভায় যোগদান করতে হবে, যাতে তিনি এই অঞ্চলের মানুষের গণজোয়ার দেখে অবহেলিত দক্ষিণবঙ্গবাসীর সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নে তার উদারহস্ত প্রসার করে দেন।

অনুষ্ঠান থেকে বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর পথ নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখাসহ ব্যাপক সংখ্যক জনসমাগমের আশ্বাস দেন।

মন্তব্য

p
উপরে