× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
70 kg of ganja recovered from a pickup in the capital arrested 2
google_news print-icon

রাজধানীতে পিকআপ থেকে ৭০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

রাজধানীতে-পিকআপ-থেকে-৭০-কেজি-গাঁজা-উদ্ধার-গ্রেপ্তার-২
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি পিকআপভ্যান থেকে ৭০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উত্তরা বিভাগ। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. পাপ্পু মিয়া (২৫) ও মো. শাহীন (২২)।

ডিএমপি জানায়, রোববার (৫ জুলাই) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে শাহবাগ থানার শাহবাগ মোড়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পূবালী ব্যাংকের সামনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের সময় একটি নীল রঙের পিকআপ ভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে ৭০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
438 lives were lost in road accidents in June

জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরল ৪৩৮ প্রাণ

জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরল ৪৩৮ প্রাণ ফাইল ছবি

দেশে গত জুন মাসে ৪৭২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৩৮ জন নিহত এবং ৫৬১ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৪৪ জন নারী ও ৫৬ জন শিশু। নিহতদের মধ্যে ১৩৪ জন মোটরসাইকেলের আরোহী বা চালক, যা মোট প্রাণহানির ৩০ দশমিক ৫৯ শতাংশ। একই সময়ে ৯টি নৌদুর্ঘটনায় ৭ জন এবং ২১টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (৫ জুলাই) রোড সেফটি ফাউন্ডেশন প্রকাশিত জুন মাসের সড়ক দুর্ঘটনা পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জুনে ১৪৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৪ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট দুর্ঘটনার ৩০ দশমিক ৭২ শতাংশ। এছাড়া ৯১ জন পথচারী (২০.৭৭ শতাংশ) এবং ৫৭ জন চালক ও সহকারী (১৩ শতাংশ) নিহত হয়েছেন।

যানবাহনভিত্তিক নিহতদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৩৪ জন, বাসের যাত্রী ২৭ জন, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ ও ট্রলির আরোহী ৩৭ জন, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্সের আরোহী ১৪ জন, থ্রি-হুইলারের যাত্রী ১১২ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ১৫ জন এবং রিকশা ও বাইসাইকেল আরোহী ৮ জন।

দুর্ঘটনার মধ্যে ১৫১টি জাতীয় মহাসড়কে, ১৯৪টি আঞ্চলিক সড়কে, ৬৪টি গ্রামীণ সড়কে, ৫৭টি শহরের সড়কে এবং ৬টি অন্যান্য স্থানে ঘটেছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১০৯টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২০৬টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৯৭টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দিয়ে, ৫৩টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করার কারণে এবং ৭টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

মোট ৭১৩টি যানবাহন এসব দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিল। এর মধ্যে ১৫৭টি মোটরসাইকেল, ১৪১টি থ্রি-হুইলার, ১১৬টি বাস, ১০৭টি ট্রাক, ২৪টি কাভার্ডভ্যান, ২৮টি পিকআপ, ১৬টি মাইক্রোবাস, ১৩টি প্রাইভেটকার, ৪টি অ্যাম্বুলেন্স, ৪২টি স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন, ৭টি রিকশা, ৪টি বাইসাইকেল এবং ৩০টি অজ্ঞাত যানবাহন রয়েছে।

সময়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৩১ দশমিক ৩৫ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে সকালে। এছাড়া ভোরে ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ, দুপুরে ১৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ, বিকালে ১৪ দশমিক ১৯ শতাংশ, সন্ধ্যায় ১১ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং রাতে ১৯ দশমিক ২৭ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১১৬টি দুর্ঘটনায় ১১৮ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহ বিভাগে, যেখানে ১৯টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৬ জন। রাজধানী ঢাকায় ৩২টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত এবং ৪৯ জন আহত হয়েছেন।

নিহতদের পেশাগত পরিচয়ের মধ্যে রয়েছেন একজন পুলিশ সদস্য, চারজন শিক্ষক, দুইজন সাংবাদিক, একজন চিকিৎসক, তিনজন প্রকৌশলী, চারজন আইনজীবী, একজন চীনা নাগরিক, ১৩ জন ব্যাংক ও বিমা কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১৭ জন এনজিও কর্মী, ২১ জন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ২৪ জন ব্যবসায়ী, ১৯ জন বিক্রয় প্রতিনিধি, চারজন মসজিদের ইমাম বা খাদেম, ছয়জন পোশাক শ্রমিক, পাঁচজন নির্মাণ শ্রমিক, দুইজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫৮ জন শিক্ষার্থী।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও বেপরোয়া মানসিকতা, নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ও বেতনের অভাব, মহাসড়কে স্বল্পগতির যান চলাচল, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএর সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

এসব দুর্ঘটনা কমাতে সংস্থাটি জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল পুনর্গঠন, বিআরটিএ, বিআরটিসি ও ডিটিসিএর কাঠামোগত সংস্কার, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার, রাজধানীতে রুট রেশনালাইজেশন, দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি, মহাসড়কে সার্ভিস রোড নির্মাণ, সব রেলক্রসিংয়ে গেটকিপার নিয়োগ, জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বাজেট বরাদ্দ, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ এবং সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন সমন্বয়ে একটি অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠনের সুপারিশ করেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New possibilities in furniture economy from discarded polythene
কক্সবাজারে রিসাইক্লিং কারখানা

ফেলে দেওয়া পলিথিন থেকে আসবাব, অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা

ফেলে দেওয়া পলিথিন থেকে আসবাব, অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারে আছে এমন এক আধুনিক প্লাস্টিক রিসাইক্লিং কারখানা, যেখানে পরিত্যক্ত পলিথিন বর্জ্য থেকে তৈরি হচ্ছে টেকসই আসবাবসহ নানা মূল্যবান পণ্য। যা পরিবেশ দূষণ রোধের পাশাপাশি তৈরি হয়েছে নতুন বাজার। এটি এই সেক্টরের প্রথম কারখানা। কারখানাটি এরই মধ্যে সর্বমহলে সাড়া ফেলেছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিবেশের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক পলিথিন–প্লাস্টিক বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এ উদ্যোগ পরিবেশ সুরক্ষার জন্য একটি মাইলফলক।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যটক ও বিপুল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর চাপে কক্সবাজারে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপাদিত হচ্ছে। এক সমীক্ষার তথ্য মতে, কক্সবাজার শহরে দিনে প্রায় সাড়ে ৩৪ টন প্লাস্টিক বর্জ্য যত্রতত্র ফেলা হয়। এর মধ্যে একবার ব্যবহারের পরই ফেলে দেয়া প্লাস্টিক বা পলিথিন, পণ্যের মোড়ক, পলিপ্রোপিলিন এবং পাতলা পলিথিন ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এগুলো পুনঃপ্রক্রিয়া করা খুবই কঠিন এবং এর কোনো বাজার মূল্য নেই। কক্সবাজারের এই রিসাইক্লিং কারখানায় এমন বর্জ্য থেকেই তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও দৃষ্টিনন্দন সোফা, বেঞ্চসহ মজবুত খুঁটি।

ইউনাইটেড নেশনস অফিস অর প্রজেক্ট সার্ভিসেজের বাংলাদেশের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজর মেইসন সালাম বলেন, এটি এমন একটি দৃষ্টান্ত, যেখানে সরকারি–বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে পরিবেশগত চ্যালেঞ্জগুলোকে সম্ভাবনায় রূপান্তরিত করা হচ্ছে। বাংলাদেশকে প্লাস্টিক দূষণমুক্ত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিতে এবং নারীদের ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিশ্বব্যাংক–ইউএনওপিএস প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ব্র্যাকের পরিচালক ড. মো. লিয়াকত আলী বলেন, প্লাস্টিক ফ্রি রিভারস অ্যান্ড সিজ ফর সাউথ এশিয়া (প্লিজ) প্রকল্পের আওতায় দীর্ঘদিন ধরেই ব্র্যাক কক্সবাজারকে প্লাস্টিক দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে কক্সবাজার পৌরসভার সহযোগিতায় এই রি–সাইক্লিং কারখানাটি স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহকারী, এসব বর্জ্য বিক্রির সঙ্গে যুক্ত মানুষ এবং কারখানার কর্মী থেকে শুরু করে এখানে উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়কারী মিলে বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ইবনে মায়াজ প্রামাণিক বলেন, এই রিসাইক্লিং কারখানার পাশাপাশি এখানে কঠিন বর্জ্য ও পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে। ভবিষ্যতে মেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্লাস্টিক রিসাইক্লিং কারখানাটি ‘প্লাস্টিক ফ্রি রিভারস অ্যান্ড সিজ ফর সাউথ এশিয়া’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংক ও ইউএনওপিএস’র সহায়তায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সাউথ এশিয়া কোঅপারেটিভ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম। কক্সবাজার পৌরসভার সহযোগিতায় এই জেলায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করছে ব্র্যাক। প্লিজ প্রকল্পটি দক্ষিণ এশিয়ায় প্লাস্টিক দূষণের গুরুতর সমস্যা মোকাবিলায় আঞ্চলিক উদ্যোগ হিসেবে কাজ করছে।

৫ হাজার ২৮০ বর্গফুট আয়তনের এই কারখানায় প্রতি ঘণ্টায় ২০০ কেজি পর্যন্ত প্লাস্টিক বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব। পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে এখানে রয়েছে দৈনিক ২ হাজার লিটার তরল বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা (ইটিপি), সোলার পাওয়ার জেনারেশন সিস্টেম, ফায়ার সেফটি সিস্টেম, একটি ইলেকট্রিক সাবস্টেশন এবং ২৪ ঘণ্টার সিসিটিভি নজরদারির ব্যবস্থা।

এই কারখানাটি কর্মসংস্থানের পাশাপাশি নারী বর্জ্য সংগ্রাহকদের ক্ষমতায়নের সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি খাল–বিল ও উপকূলীয় অঞ্চলে প্লাস্টিক বর্জ্যের দূষণ কমিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Preparedness at upazila level to deal with dengue has been blocked Health Minister

ডেঙ্গু মোকাবিলায় উপজেলা পর্যায়ে প্রস্তুতি, হামকে আটকে ফেলা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেঙ্গু মোকাবিলায় উপজেলা পর্যায়ে প্রস্তুতি, হামকে আটকে ফেলা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার জেলা থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সমন্বিত প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। রোগী ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুত, মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত এবং চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সবার সহযোগিতায় আমাদের ডাক্তার নার্সদের সহযোগিতায় হামকে আমরা চতুর্দিক থেকে একটা পেরিফেরির ভেতরে আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছি। একেবারে নির্মূল কোনও পৃথিবী করতে পারে নাই, লন্ডনের উদাহরণ দিলাম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত দুই মাস ধরেই ডেঙ্গু মোকাবিলার প্রস্তুতি চলছে। জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রতিটি জেলায় সমন্বিত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। মশার লার্ভা ধ্বংসে প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট সরবরাহ এবং উড়ন্ত মশা নিধনে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুরোগীদের চিকিৎসায় ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত স্যালাইন সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে কোনও রোগী স্যালাইনের সংকটে না পড়েন এবং গুরুতর জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়।

চিকিৎসকদের প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসা-প্রোটোকল বিষয়ে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও সিভিল সার্জনদের কার্যালয় থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোগী পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত উপজেলা পর্যায়েই চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

সভায় এক পর্যায়ে শিশুস্বাস্থ্য ও পুষ্টির বিষয়েও কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন শিশুদের পুষ্টি কর্মসূচি, ভিটামিন ট্যাবলেট বিতরণ এবং টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি ছিল। বর্তমান সরকার এসব কর্মসূচি আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The order of the case against four people including Yunus is on July 12
টিকাকাণ্ড ও হামে শিশুর মৃত্যু

ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আদেশ ১২ জুলাই

ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আদেশ ১২ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

হামের টিকা প্রদানে ব্যর্থতায় ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে আদেশ দিতে ১২ জুলাই দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আদেশ দিয়েছেন।

এদিন আদালতে হামে মারা যাওয়া ৯ মাস বয়সি সাউদা মুসকানের বাবা সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলার আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে বিকেলে মামলার বিষয়ে আদেশের জন্য ১২ জুলাই দিন নির্ধারণ করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার আবেদনে আরও যাদের আসামি করার আবেদন করা হয়েছে তারা হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

নথি থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিক ও মার্চের শুরুর সময়ে শরীয়তপুর সদরের নয় মাস বয়সি সাউদা মুসকান হঠাৎ মারাত্মক জ্বরে আক্রান্ত হয়। স্থানীয় চিকিৎসায় ফল না দেওয়ায় মার্চের প্রথম সপ্তাহে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে হামের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পেয়ে শিশুটিকে মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ২২ মার্চ স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অসহযোগিতা ও অবহেলার অভিযোগ তুলে আবেদনে বলা হয়, বাদীর স্ত্রীর হাতে ২৬ মার্চ অক্সিজেন সিলিন্ডার ধরিয়ে দিয়ে বাচ্চার মুখে লাগাতে বলা হয়। তবে শিশুর মা ব্যর্থ হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুইপারকে দিয়ে শিশুর মুখে তা লাগিয়ে দেয়। এর ঘণ্টা দুয়েক পরে শিশুটি মারা যায়।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, শিশুদের টিকার যোগান সময়মতো না থাকা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া এবং টিকা কেনা ও তা দেওয়া নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের মারাত্মক খামখেয়ালিপনা এবং অবহেলাজনিত কারণে দেশে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে সাউদা মুসকান অন্যতম।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
33 senior police officers on compulsory retirement

বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৩৩ কর্মকর্তা

বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৩৩ কর্মকর্তা ছবি: সংগৃহীত

পুলিশের ৩৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। এরমধ্যে ১৪ জন ডিআইজি রয়েছেন। রোববার (৫ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ হতে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো।

অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন, ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম (বর্তমানে গ্রেপ্তার), ডিআইজি মো. সাইফুল ইসলাম (বর্তমানে গ্রেপ্তার), ডিআইজি মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, ডিআইজি এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান, ডিআইজি জিহাদুল কবির, ডিআইজি মঈনুল হক, ডিআইজি মো. ইলিয়াছ শরীফ, ডিআইজি শ্যামল কুমার নাথ, ডিআইজি মো. জাকির হোসেন খান, ডিআইজি মো. শাহ আবিদ হোসেন, ডিআইজি মো. জামিল হাসান, ডিআইজি মো. মাহবুবুর রহমান, ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান।

অতিরিক্ত ডিআইজি মো. বরকতুল্লাহ খান, অতিরিক্ত ডিআইজি টি. এম. মোজাহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন খান, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মেহেদুল করিম, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আলমগীর কবীর, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. রশীদুল হাসান, অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জয় কুমার কুন্ডু, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নিজামুল হক মোল্যা, অতিরিক্ত ডিআইজি এস. এম. এমরান হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান, অতিরিক্ত ডিআইজি ড. শামসুন্নাহার, পুলিশ সুপার (সুপার নিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি সাইফুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত ডিআইজি খান মুহাম্মদ রেজোয়ান, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সাজিদ হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আরেফ এবং অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Metrorail up to Kamalapur will be launched in 2027 to meet passenger demand

যাত্রী চাহিদা মেটাতে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু ২০২৭ সালে

যাত্রী চাহিদা মেটাতে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু ২০২৭ সালে ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে মেট্রোরেলের যাত্রী চাহিদা মেটাতে ২০২৭ সালের এপ্রিলে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিতাংশ চালু হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-৬) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আবদুল ওহাব জানান, বর্ধিত লাইনে আগামী বছরের এপ্রিলে বাণিজ্যিকভাবে মেট্রোরেল চলাচল শুরু হবে। এর আগে আগামী বছরের জানুয়ারি মাস থেকে খালি ট্রেন চালিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করা হবে।

তিনি বলেন, নিয়মিত যাত্রীসেবার সময় পার হওয়ার পর রাতের বেলা উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পুরো রুটজুড়ে এই পরীক্ষামূলক চলাচল পরিচালনা করা হবে।

এটি দেশের প্রথম মেট্রোরেল রুট, যাকে কর্মকর্তারা লাইন-৬ বলে অভিহিত করছেন।

প্রকল্প কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে ১.১৬ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট, একটি স্টেশন ও রেল ট্র্যাক নির্মাণসহ পুরো সম্প্রসারণ কাজের প্রায় ৭৭ শতাংশ শেষ হয়েছে। বর্তমানে স্টেশনের স্থাপত্য এবং প্রবেশ-বাহির পথের কাজ চলছে।

কর্মকর্তারা আরও জানান, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত কমলাপুর স্টেশনের সব পাইল, পাইল ক্যাপ, পিয়ার, স্টেশন কলাম, প্রিকাস্ট, কনকোর্স ছাদ, প্ল্যাটফর্ম স্ল্যাব, ট্র্যাক স্ল্যাব, প্যারাপেট ওয়াল এবং স্টিলের ছাদ তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

তথ্যমতে, কমলাপুর স্টেশনের জন্য স্বয়ংক্রিয় দরজা, সিগন্যালিং সিস্টেম এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি শিগগিরই স্থাপনের জন্য আনা হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ট্র্যাক স্থাপনের কাজ শেষ হবে বলে তারা আশা করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্টেশনের প্রবেশ-বাহির পথ, অভ্যন্তরীণ দেয়ালের টাইলস, স্থায়ী জানালার গ্লাস স্থাপন এবং অভ্যন্তরীণ ও বাইরের অংশের রঙের কাজ চলছে। এছাড়া উত্তরা কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে ২৯৮টি প্রিকাস্ট সেগমেন্টের মধ্যে ১০০টি প্রিকাস্ট সেগমেন্ট কাস্টিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে।

উত্তরা উত্তর থেকে কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত লাইন-৬ এর মোট দৈর্ঘ্য ২১.২৬ কিলোমিটার। এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DSCC eviction drive to remove illegal nurseries and shops in the capital

রাজধানীতে অবৈধ নার্সারি ও দোকানপাট অপসারণে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান

রাজধানীতে অবৈধ নার্সারি ও দোকানপাট অপসারণে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সবজি বাগান এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট এবং স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। রোববার (৫ জুলাই) সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওই এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে নার্সারি স্থাপন করার দায়ে আটজন নার্সারি মালিককে মোট আট হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নার্সারির সব গাছ সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে ফেলার কঠোর নির্দেশনা দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জানা গেছে, নগরীর সৌন্দর্য বর্ধন, উন্মুক্ত স্থান দখলমুক্তকরণ এবং জনসাধারণের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাছিবা খান।

অভিযানকালে সবজি বাগান এলাকার সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ অস্থায়ী দোকানপাট ও স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে এলাকাটি সম্পূর্ণরূপে খালি ও পরিষ্কার করা হয়। এছাড়া, অবৈধভাবে নার্সারি পরিচালনা করায় আট মালিকের বিরুদ্ধে আটটি মামলা করে জরিমানা আদায় করা হয়।

ডিএসসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরীর পরিবেশ রক্ষা এবং জনসাধারণের চলাচলের পথ সুগম রাখতে অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য

p
উপরে