রাজধানীর সবজি বাগান এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট এবং স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। রোববার (৫ জুলাই) সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওই এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে নার্সারি স্থাপন করার দায়ে আটজন নার্সারি মালিককে মোট আট হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে নার্সারির সব গাছ সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে ফেলার কঠোর নির্দেশনা দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জানা গেছে, নগরীর সৌন্দর্য বর্ধন, উন্মুক্ত স্থান দখলমুক্তকরণ এবং জনসাধারণের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাছিবা খান।
অভিযানকালে সবজি বাগান এলাকার সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ অস্থায়ী দোকানপাট ও স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে এলাকাটি সম্পূর্ণরূপে খালি ও পরিষ্কার করা হয়। এছাড়া, অবৈধভাবে নার্সারি পরিচালনা করায় আট মালিকের বিরুদ্ধে আটটি মামলা করে জরিমানা আদায় করা হয়।
ডিএসসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরীর পরিবেশ রক্ষা এবং জনসাধারণের চলাচলের পথ সুগম রাখতে অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার জেলা থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সমন্বিত প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। রোগী ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুত, মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত এবং চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সবার সহযোগিতায় আমাদের ডাক্তার নার্সদের সহযোগিতায় হামকে আমরা চতুর্দিক থেকে একটা পেরিফেরির ভেতরে আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছি। একেবারে নির্মূল কোনও পৃথিবী করতে পারে নাই, লন্ডনের উদাহরণ দিলাম।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত দুই মাস ধরেই ডেঙ্গু মোকাবিলার প্রস্তুতি চলছে। জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রতিটি জেলায় সমন্বিত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। মশার লার্ভা ধ্বংসে প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট সরবরাহ এবং উড়ন্ত মশা নিধনে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুরোগীদের চিকিৎসায় ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত স্যালাইন সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে কোনও রোগী স্যালাইনের সংকটে না পড়েন এবং গুরুতর জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়।
চিকিৎসকদের প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসা-প্রোটোকল বিষয়ে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও সিভিল সার্জনদের কার্যালয় থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোগী পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত উপজেলা পর্যায়েই চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
সভায় এক পর্যায়ে শিশুস্বাস্থ্য ও পুষ্টির বিষয়েও কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন শিশুদের পুষ্টি কর্মসূচি, ভিটামিন ট্যাবলেট বিতরণ এবং টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি ছিল। বর্তমান সরকার এসব কর্মসূচি আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত
হামের টিকা প্রদানে ব্যর্থতায় ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে আদেশ দিতে ১২ জুলাই দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আদেশ দিয়েছেন।
এদিন আদালতে হামে মারা যাওয়া ৯ মাস বয়সি সাউদা মুসকানের বাবা সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলার আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে বিকেলে মামলার বিষয়ে আদেশের জন্য ১২ জুলাই দিন নির্ধারণ করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার আবেদনে আরও যাদের আসামি করার আবেদন করা হয়েছে তারা হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
নথি থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিক ও মার্চের শুরুর সময়ে শরীয়তপুর সদরের নয় মাস বয়সি সাউদা মুসকান হঠাৎ মারাত্মক জ্বরে আক্রান্ত হয়। স্থানীয় চিকিৎসায় ফল না দেওয়ায় মার্চের প্রথম সপ্তাহে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে হামের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পেয়ে শিশুটিকে মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ২২ মার্চ স্থানান্তর করা হয়।
হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অসহযোগিতা ও অবহেলার অভিযোগ তুলে আবেদনে বলা হয়, বাদীর স্ত্রীর হাতে ২৬ মার্চ অক্সিজেন সিলিন্ডার ধরিয়ে দিয়ে বাচ্চার মুখে লাগাতে বলা হয়। তবে শিশুর মা ব্যর্থ হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুইপারকে দিয়ে শিশুর মুখে তা লাগিয়ে দেয়। এর ঘণ্টা দুয়েক পরে শিশুটি মারা যায়।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, শিশুদের টিকার যোগান সময়মতো না থাকা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া এবং টিকা কেনা ও তা দেওয়া নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের মারাত্মক খামখেয়ালিপনা এবং অবহেলাজনিত কারণে দেশে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে সাউদা মুসকান অন্যতম।
ছবি: সংগৃহীত
পুলিশের ৩৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। এরমধ্যে ১৪ জন ডিআইজি রয়েছেন। রোববার (৫ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ হতে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো।
অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন, ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম (বর্তমানে গ্রেপ্তার), ডিআইজি মো. সাইফুল ইসলাম (বর্তমানে গ্রেপ্তার), ডিআইজি মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, ডিআইজি এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান, ডিআইজি জিহাদুল কবির, ডিআইজি মঈনুল হক, ডিআইজি মো. ইলিয়াছ শরীফ, ডিআইজি শ্যামল কুমার নাথ, ডিআইজি মো. জাকির হোসেন খান, ডিআইজি মো. শাহ আবিদ হোসেন, ডিআইজি মো. জামিল হাসান, ডিআইজি মো. মাহবুবুর রহমান, ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান।
অতিরিক্ত ডিআইজি মো. বরকতুল্লাহ খান, অতিরিক্ত ডিআইজি টি. এম. মোজাহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন খান, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মেহেদুল করিম, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আলমগীর কবীর, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. রশীদুল হাসান, অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জয় কুমার কুন্ডু, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নিজামুল হক মোল্যা, অতিরিক্ত ডিআইজি এস. এম. এমরান হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান, অতিরিক্ত ডিআইজি ড. শামসুন্নাহার, পুলিশ সুপার (সুপার নিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি সাইফুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত ডিআইজি খান মুহাম্মদ রেজোয়ান, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সাজিদ হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আরেফ এবং অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ।
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীতে মেট্রোরেলের যাত্রী চাহিদা মেটাতে ২০২৭ সালের এপ্রিলে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিতাংশ চালু হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-৬) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আবদুল ওহাব জানান, বর্ধিত লাইনে আগামী বছরের এপ্রিলে বাণিজ্যিকভাবে মেট্রোরেল চলাচল শুরু হবে। এর আগে আগামী বছরের জানুয়ারি মাস থেকে খালি ট্রেন চালিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করা হবে।
তিনি বলেন, নিয়মিত যাত্রীসেবার সময় পার হওয়ার পর রাতের বেলা উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পুরো রুটজুড়ে এই পরীক্ষামূলক চলাচল পরিচালনা করা হবে।
এটি দেশের প্রথম মেট্রোরেল রুট, যাকে কর্মকর্তারা লাইন-৬ বলে অভিহিত করছেন।
প্রকল্প কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে ১.১৬ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট, একটি স্টেশন ও রেল ট্র্যাক নির্মাণসহ পুরো সম্প্রসারণ কাজের প্রায় ৭৭ শতাংশ শেষ হয়েছে। বর্তমানে স্টেশনের স্থাপত্য এবং প্রবেশ-বাহির পথের কাজ চলছে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত কমলাপুর স্টেশনের সব পাইল, পাইল ক্যাপ, পিয়ার, স্টেশন কলাম, প্রিকাস্ট, কনকোর্স ছাদ, প্ল্যাটফর্ম স্ল্যাব, ট্র্যাক স্ল্যাব, প্যারাপেট ওয়াল এবং স্টিলের ছাদ তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
তথ্যমতে, কমলাপুর স্টেশনের জন্য স্বয়ংক্রিয় দরজা, সিগন্যালিং সিস্টেম এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি শিগগিরই স্থাপনের জন্য আনা হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ট্র্যাক স্থাপনের কাজ শেষ হবে বলে তারা আশা করছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্টেশনের প্রবেশ-বাহির পথ, অভ্যন্তরীণ দেয়ালের টাইলস, স্থায়ী জানালার গ্লাস স্থাপন এবং অভ্যন্তরীণ ও বাইরের অংশের রঙের কাজ চলছে। এছাড়া উত্তরা কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে ২৯৮টি প্রিকাস্ট সেগমেন্টের মধ্যে ১০০টি প্রিকাস্ট সেগমেন্ট কাস্টিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে।
উত্তরা উত্তর থেকে কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত লাইন-৬ এর মোট দৈর্ঘ্য ২১.২৬ কিলোমিটার। এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয়।
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি পিকআপভ্যান থেকে ৭০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উত্তরা বিভাগ। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. পাপ্পু মিয়া (২৫) ও মো. শাহীন (২২)।
ডিএমপি জানায়, রোববার (৫ জুলাই) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে শাহবাগ থানার শাহবাগ মোড়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পূবালী ব্যাংকের সামনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের সময় একটি নীল রঙের পিকআপ ভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে ৭০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
ছবি: সংগৃহীত
চাঁদা দাবি ও মানহানির অভিযোগে অনলাইন সংবাদমাধ্যম ফেস দ্য পিপলের সম্পাদক ও প্রকাশক সাইফুর সাগর এবং ইনভেস্টিগেশন রিপোর্টার মোহাম্মদ ইউসুফের বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালতে মামলা করা হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের আদালতে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের পক্ষে আবু মো. কামরুজ্জামান মামলার আবেদন করেন।
বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে এ বিষয়ে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন আদালত। পরে মামলার অভিযোগ আমলে নিয়ে পিবিআইকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ১০ আগস্ট মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. ইমদাদুল হক লাল ও আজাদ রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, ফেস দ্য পিপলে মাস্তুল ফাউন্ডেশনসংক্রান্ত কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর আসামিরা প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা ফাউন্ডেশনের পক্ষে প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য ২০ হাজার টাকা এবং প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম নিয়ে ধারাবাহিকভাবে ইতিবাচক প্রতিবেদন প্রকাশের বিনিময়ে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করেন আসামিরা। ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার আবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৮ জুন ফেস দ্য পিপল অনলাইন পোর্টালে মাস্তুল ফাউন্ডেশনকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, যা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের কারণে ফাউন্ডেশনের ২০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে বলেও মামলার আবেদনে দাবি করা হয়েছে।
মন্তব্য