× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Inauguration of month long cleanliness plantation and anti drug program in Pirojpur
google_news print-icon

পিরোজপুরে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা, বৃক্ষরোপণ ও মাদকবিরোধী কর্মসূচির উদ্বোধন

পিরোজপুরে-মাসব্যাপী-পরিচ্ছন্নতা-বৃক্ষরোপণ-ও-মাদকবিরোধী-কর্মসূচির-উদ্বোধন
ছবি: নিউজ বাংলা

‎​ডেঙ্গু, হাম ও চিকুনগুনিয়াসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ এবং পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে পিরোজপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা, বৃক্ষরোপণ ও মাদকবিরোধী কর্মসূচি-২০২৬। আজ ৫ জুলাই সকালে পিরোজপুরের পালপাড়া এলাকা থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পিরোজপুর টাউন ক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।

‎​কর্মসূচির উদ্বোধক হিসেবে নেতৃত্ব দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্কাউট সদস্য, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।‎​

‎উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এলাকাবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ড্রেনে বা রাস্তার মোড়ে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত ডাস্টবিন ব্যবহারের বিকল্প নেই।

‎​প্রতিটি মহল্লায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জেলা পরিষদ ও পৌরসভা কর্তৃক পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।

‎​বাড়ি বাড়ি গিয়ে গৃহস্থালির বর্জ্য সংগ্রহের জন্য মাসিক নামমাত্র ১০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার থাকে।

‎​এই কার্যক্রমকে টেকসই করতে তরুণ ও যুবকদের সমন্বয়ে এলাকাভিত্তিক তদারকি কমিটি গঠন করা হবে।

‎​পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে গতিশীল করতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পিরোজপুরবাসীকে একটি বিশেষ গাড়ি উপহার দেওয়া হবে।

‎​অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন তার বক্তব্যে দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমরা যদি ডাস্টবিনে ময়লা না ফেলি, তবে রাস্তাঘাট কখনোই পরিষ্কার থাকবে না। নিজেদের ও সন্তানদের সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি”।

‎​কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে পিরোজপুর পৌরসভা ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো জেলা পরিষদকে সহযোগিতা প্রদান করছে। অভিযানে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন সরাসরি ড্রেনের ময়লা পরিষ্কার করেন , যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও সচেতনতা সৃষ্টি করেছে। মাসব্যাপী এই কর্মসূচির মাধ্যমে পিরোজপুর শহরকে একটি আদর্শ ও মডেল হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Two students died after bathing in the Turag river in Tongir

টঙ্গীর তুরাগ নদে গোসল করতে নেমে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

টঙ্গীর তুরাগ নদে গোসল করতে নেমে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদে গোসল করতে নেমে সাঁতার কাটতে গিয়ে শামীম (১১) ও আফনান (১৩) নামে দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) টঙ্গীর মিরাশ পাড়া এলাকায় তুরাগ নদে এই ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করেছে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল।

নিহতরা হলেন, টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর বউ বাজার এলাকার আনিসুর রহমানের ছেলে শামীম মিয়া ও একই এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে আফনান। তারা উভয়ই টঙ্গীর সিরাজ উদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতনের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বেলা ১১টার দিকে খেলাধুলা করে নদীতে গোসল করতে নামেন তিন বন্ধু শামীম, আফনান ও শীপন। এ সময় সাঁতার কাটতে গিয়ে দুই বন্ধু তলীয়ে গেলে অপর বন্ধু শীপন দ্রুত নদী থেকে উঠে স্থানীয়দের খবর দেয়। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পোঁছে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দুই কিশোরের লাশ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জেষ্ঠ কর্মকর্তা শাহীন আলম বলেন, ‘খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তুরাগ নদ থেকে দুই কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে।’

এ বিষয়ে টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. ফিরোজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Journalism and fruit festival in the story of Chabisas

চবিসাসের গল্পে আড্ডায় সাংবাদিকতা ও ফল উৎসব

চবিসাসের গল্পে আড্ডায় সাংবাদিকতা ও ফল উৎসব ছবি: সংগৃহীত

ভেপসা গরমের মধ্যে হঠাৎই আকাশের রঙ বদলে যায়, শুরু হয় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি, পাশাপাশি চলছিল আমাদের গল্প আড্ডা। এদিকে থরে থরে সাজানো হয়েছে বাহারি রকমের মৌসুমি ফল। বলছিলাম চবিসাসের গল্পে আড্ডায় সাংবাদিকতা ও ফল উৎসবের কথা।

সংবাদ সংগ্রহের ব্যস্ততা, ক্যামেরার ফ্রেম, নোটবুকের পাতায় ছুটে চলাই একজন ক্যাম্পাস সাংবাদিকের প্রতিদিনের গল্প। কিন্তু সেই ব্যস্ততার মাঝেও যদি কিছু সময় থেমে নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করা যায়, প্রবীণদের কাছ থেকে শেখা যায় আর সঙ্গে থাকে মৌসুমি ফলের মিষ্টি আয়োজন তবে সেটি কেবল একটি অনুষ্ঠান থাকে না, হয়ে ওঠে শিক্ষা ও সম্প্রীতির মিলনমেলা।

এমনই এক ব্যতিক্রমী আয়োজন করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (চবিসাস), ‘গল্পে আড্ডায় সাংবাদিকতা ও ফল উৎসব–২০২৬’। এ আয়োজন ছিল একই সঙ্গে সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আসর এবং সৌহার্দ্যের এক প্রাণবন্ত উৎসব।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মুহূর্তটাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছিলেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। তিনি ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলেন, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে পেশাগত দায়িত্ব অব্যাহত রাখার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ছিল ‘গল্পে আড্ডায় সাংবাদিকতা’। সেখানে বক্তা হিসেবে ছিলেন চবিসাসের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক এবং চবিসাসের সাবেক সদস্য ও চবির প্রভাষক মীর হোসেন মজুমদার।

তাদের আলোচনায় উঠে আসে সংবাদ সংগ্রহের অজানা গল্প, মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সাংবাদিকতার নৈতিকতা, তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব এবং ডিজিটাল যুগে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার নতুন চ্যালেঞ্জ।

আলোচনায় অংশ নেওয়া তরুণ সাংবাদিকদের মতামত এবং অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি পুরো পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। মনে হচ্ছিল, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক সেমিনার নয়; বরং এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের হাতে অভিজ্ঞতা তুলে দেওয়ার আন্তরিক আয়োজন।

আলোচনা শেষে অতিথি ও সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় ফল উৎসব। দেশীয় বাহারি রকমের মৌসুমি ফল ভাগাভাগি করে খাওয়ার মধ্য দিয়ে তৈরি হয় এক উষ্ণ, আন্তরিক, সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ। অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতায় যেন দূরত্বের দেয়াল ভেঙে যায়, গড়ে ওঠে পারস্পরিক সৌহার্দ্যের নতুন সেতুবন্ধন।

চবিসাসের সভাপতি রেফায়েত উল্যাহ রুপক সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ক্যাম্পাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

দিনশেষে আয়োজনটি প্রমাণ করেছে, সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ সংগ্রহের পেশা নয়; এটি শেখার, ভাবনার, সম্পর্ক গড়ে তোলার এবং সত্যের প্রতি দায়বদ্ধ থাকার এক নিরন্তর যাত্রা। সেই যাত্রার নবীন প্রবীণের মধ্যকার সম্পর্ক যেন গড়ে ওঠে নতুনভাবে, নতুন আঙ্গিকে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nilphamari District Police organized a colorful master parade

নীলফামারী জেলা পুলিশের বর্ণাঢ্য মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

নীলফামারী জেলা পুলিশের বর্ণাঢ্য মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারী জেলা পুলিশের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) সকালে নীলফামারী পুলিশ লাইন্স মাঠে বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও সদস্যদের অংশগ্রহণে এ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খাঁন। পরে তিনি কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন এবং শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

প্যারেডে কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন আর.আই. (ভারপ্রাপ্ত) মো. আব্দুল মতিন মোল্লা। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহসিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নীলফামারী সার্কেল) মো. ফারুক আহমেদ, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর সার্কেল) এ.কে.এম. ওহিদুন্নবীসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্যারেড শেষে পুলিশ সুপার পুলিশ লাইন্সের মোটরযান শাখা ও অস্ত্রাগার পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা : রোববার (৫ জুলাই) নীলফামারী পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খাঁন। তিনি পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন এবং সেগুলো দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এ সময় পুলিশ সুপার কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশে শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা এবং জনসেবার মানসিকতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। সভায় নীলফামারী জেলা পুলিশের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Riverside people are afraid of the rising water of Padma Yamuna due to the upstream

উজানের ঢলে পদ্মা-যমুনার পানি বৃদ্ধি, ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

জিও ব্যাগ ফেলেও থামছে না যমুনার ভাঙন
উজানের ঢলে পদ্মা-যমুনার পানি বৃদ্ধি, ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ ছবি: সংগৃহীত

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পদ্মা ও যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাঘুটিয়া, বাচামারা, জিয়নপুর, চরকাটারী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দৌলতপুর উপজেলার বাঘুটিয়া চরকালিকাপুর মুকুরিয়া দাখিল মাদ্রাসা চার তলা ভবনটি যে কোন সময় নদী গভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

দৌলতপুর যমুনা নদীর ভাঙনের তীব্রতায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পুরাতন বাজার ও অসংখ্য বসতভিটা হুমকির মুখে পড়েছে। নদীতীরবর্তী জনপদের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। নদী ভাঙ্গনে শিকার কয়েক শত পরিবার নৌকা যোগে ঘরবাড়ি, জিনিসপত্র নিয়ে অন্যত্র আশ্রয়ের খোজে ছুটে বেড়াচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে দৌলতপুর উপজেলার চরপারুরিয়া-কালিয়াপুর এলাকার শুকুরিয়া দাখিল মাদ্রাসা, ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় এবং বাঘুটিয়া পুরাতন বাজার। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও আশপাশের বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

আজ সরেজমিনে বাঘুটিয়া এলাকার গোলাম আজম বলেন, গত কয়েকদিনে নদীর পানি দ্রুত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতাও বেড়েছে। নদীর তীরের বড় বড় অংশ ধসে পড়ছে। চরকালিকাপুর শুকুরিয়া দাখিল মাদ্রাসাটি আজ দিনের মধ্যে চার তলা ভবনটি নদী গভে বিলীন হতে পারে । এছাড়া বাঘুটিয়া ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়, বাঘুটিয়া পুরাতন বাজারসহ নদীতীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্পদ রক্ষা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তীরবর্তী শত শত পরিবার আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

নদীভাঙন রোধে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। শিবালয় ও ঘিওর উপজেলার প্রায় ৭৭০ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মানিকগজ্ঞ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীরের নিদেশে জরুরী ভিত্তিতে পাটুরিয়া ৫ নং ফেরিঘাট এলাকায়, বাঘুটিয়া, বাচামারা, চরকাটারী, ঘিওর কুস্তা,

পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধে কাজ করছে । পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আক্তারুজ্জামান জানান, নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ভাঙনের ঝুঁকিও বাড়ছে। ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পাটুরিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাট সংলগ্ন বরুরিয়া এলাকায় ৩৫০ মিটার, স্যোশাল প্যান্ড এলাকায় ৩০০ মিটার, দৌলতপুরের বাঘুটিয়া ৩০০ এবং ঘিওর কুস্তা এলাকায় ১২০ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এছাড়া জেলার অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানও চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধানে একটি বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ১৭ মে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের জানান, নদীভাঙন রোধে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের নদীভাঙন সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ দিকে উপেজলা নিবাহী অফিসার নাহিয়ান নুরেন জানান, সরকারি ভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরী ভিত্তিতে ভাঙ্গন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। যমুনা নদীর স্রোত এতো বেশি জিও ব্যাগ ফেলে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড চেস্টা করে যাচ্ছে চরকালিকাপুর শুকুরিয়া দাখিল মাদ্রাসা রক্ষা করার।

রবিবার (৫ জুলাই) পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আক্তারুজ্জামান, উপেজলা নিবাহী অফিসার নাহিয়ান নুরেন পরিরদশন করেছেন ।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, জিও ব্যাগ ফেলে আপাতত ভাঙন কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলেও স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই ধরনের দুর্ভোগের শিকার হতে হবে নদীতীরবর্তী হাজারো মানুষকে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nazrul Barsha ended in 3 days with a colorful event at Haluaghat

হালুয়াঘাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৩ দিন ব্যাপি নজরুল বর্ষের সমাপ্তি

হালুয়াঘাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৩ দিন ব্যাপি নজরুল বর্ষের সমাপ্তি ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পর্যায়ে ঘোষিত ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬–২০২৭’ উদযাপন উপলক্ষে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে।

গত শনিবার (৪ জুলাই) বিকালে উপজেলা ৫০০ আসন বিশিষ্ট অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের সমাপ্তি হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৪৬ ময়মনসিংহ-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেল।

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সুলতানা রোজী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল, ব্যাবসায়ী উন্নয়ন সমিতির সভাপতি নাদিম আহমদ। এছাড়াও স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেল বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম শুধু বিদ্রোহের কবি নন, তিনি সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও সম্প্রীতির প্রতীক। উনার সাধারণ জীবন যাবন প্রমাণ করে উনি অসাধারণ এর সাধারণ। উনার জীবনী থেকে আমাদের অনেক শিক্ষার আছে। বিদ্রোহী কবি নজরুলকে বিশ্বব্যাপী আরও সুপরিচিত করতে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন দারুণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বই ও গাছ উপহার দেওয়া হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
31st General Meeting of Diabetic Society held at Narsingdi

নরসিংদীতে ‘ডায়াবেটিক সমিতি’র ৩১তম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

নরসিংদীতে ‘ডায়াবেটিক সমিতি’র ৩১তম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

নরসিংদী ডায়াবেটিক সমিতির ৩১তম বার্ষিক সাধারণ সভা শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে নরসিংদী শিশু একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ইসরাত জাহান কেয়া’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল এমপি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নরসিংদী সদর-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহী, নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন, নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক তোফাজ্জল হোসেন, নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো: কলিমুল্লাহ, নরসিংদী সিভিল সার্জন ডা: মো: বুলবুল কবির, নরসিংদী ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নূরুল আমিন, সহ-সভাপতি আবু সালেহ চৌধুরী, চৌধুরী মো: ইয়াহিয়া, বাবু পরেশ সূত্রধর, যুগ্ন সম্পাদক মো: নাজমুল হক ভ‚ইয়া, বাবু মলয় কুমার বর্মন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: হারুন অর-রশিদ, কোষাধ্যক্ষ মো: আজহার ইসহাক মোল্লা, নির্বাহী সদস্য এম.এ বাশার বাচ্চু, মো: কাজিম উদ্দীন, বাবু স্বপন কুমার সাহা, মো: আব্দুল বাছেদ মিয়া, মো: রাসেল বিন হাসানাত, সলিমুল্লাহ ভূইয়া, মো: আজহার উদ্দিন, মো: মাসুদুর রহমান মাসুদ ও বাবু শংকর লাল সাহা প্রমুখ।

বক্তারা আগামী দিনে সমিতির উন্নয়ন অব্যাহত রাখার উপর জোর দেন। ডায়াবেটিক হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজে উন্নীত করার প্রস্তাবনাকে উপস্থিত সকলে স্বাগত জানান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
99 development projects in Kotalipara for the development of road bridges and educational institutions

কোটালীপাড়ায় ৯৯ উন্নয়ন প্রকল্প, সড়ক-সেতু ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়নে এমপির বরাদ্দ

কোটালীপাড়ায় ৯৯ উন্নয়ন প্রকল্প, সড়ক-সেতু ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়নে এমপির বরাদ্দ ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে চলছে ৯৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানীর বরাদ্দে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়ন হচ্ছে এসব প্রকল্প। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গ্রামীণ সড়ক মেরামত ও পুনর্নির্মাণ, ছোট সেতু ও কালভার্ট সংস্কার, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং জনসাধারণের চলাচলের সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আনসার আলী জানান, ৯৯টি প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, ৪১ টন চাল এবং ৫০ টন গম। ইতোমধ্যে অনেক প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি প্রকল্পগুলোর কাজও দ্রুত শেষ হবে। তিনি বলেন, সরকারি বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

৯৯টি প্রকল্পের মধ্যে হিরণ ইউনিয়নের একটি সড়ক পুনর্নির্মাণ প্রকল্প ইতোমধ্যে স্থানীয়দের স্বস্তি এনে দিয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) উপজেলার হিরণ গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাইদ মেকারের বাড়ি থেকে চান মিয়া মুন্সীর বাড়ি পর্যন্ত সড়ক পুনর্নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সরু ও জরাজীর্ণ হওয়ায় এই সড়ক দিয়ে চলাচলে এলাকাবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হতো। নতুন করে সড়কটি নির্মাণ হওয়ায় প্রায় ৫০টি পরিবারের মানুষ এখন নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারছেন।

হিরণ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল মুন্সী বলেন, রাস্তাটি অনেক সরু ছিল। দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হতো। গোপালগঞ্জ-৩ আসনের এমপি এস এম জিলানী ভাইয়ের উদ্যোগে রাস্তাটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। এতে এলাকাবাসী দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে।

কাজী মন্টু কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য কাজী অমিত মাহমুদ বলেন, এ ধরনের ছোট ছোট উন্নয়ন প্রকল্প গ্রামীণ জীবনে বড় প্রভাব ফেলে। সড়ক, কাঠের সেতু, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন হলে এলাকার সার্বিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত হয়। গোপালগঞ্জ-৩ আসনের এমপি এস এম জিলানী এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে অত্যন্ত তৎপর। তিনি প্রকল্পগুলো হাতে নিয়েছেন এবং নিয়মিত কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখছেন।

কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ অবশ্যই প্রশংসনীয়। তবে আমরা চাই, প্রতিটি প্রকল্পের কাজ যেন মানসম্মত হয় এবং সাধারণ মানুষের বাস্তব উপকারে আসে।

কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাগুফতা হক বলেন, গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়নে এসব প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চেষ্টা করছি, প্রকল্পগুলোর কাজ যেন মানসম্মতভাবে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়। যেসব এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল, সেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের বরাদ্দ যেন সঠিকভাবে জনগণের কাজে লাগে, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন কঠোর নজরদারি করছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এমপির বরাদ্দে বাস্তবায়নাধীন এসব প্রকল্প সম্পন্ন হলে কোটালীপাড়ার গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থা আরও উন্নত হবে, স্থানীয় অর্থনীতি গতিশীল হবে এবং উন্নয়নের সুফল সরাসরি সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে। এতে উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

মন্তব্য

p
উপরে