× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Two women fearing security demand justice for murder of expatriate youth
google_news print-icon

প্রবাস ফেরত যুবক হত্যার বিচার দাবি, নিরাপত্তার শঙ্কায় দুই নারী

প্রবাস-ফেরত-যুবক-হত্যার-বিচার-দাবি-নিরাপত্তার-শঙ্কায়-দুই-নারী
ছবি: সংগৃহীত

মাত্র কয়েক মাস আগেও সংসারের স্বপ্ন বুনছিলেন প্রবাস ফেরত যুবক মাসুম বিল্লাহ (২৪)। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন রক্তাক্ত এক স্মৃতি। দীর্ঘদিনের পারিবারিক জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন তিনি এমনই অভিযোগ মায়ের।

তবে ঘটনার এক মাস পার হলেও মামলার অধিকাংশ আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় ভুগছেন নিহতের স্বজনরা। বিচার পাওয়াতো দুরের কথা উল্টো প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে তাদের। এঘটনায় গত ১৬জুন রুমি আক্তার নওগাঁ সদর থানায় জিডি করেছেন।

সম্প্রতি মাসুম বিল্লাহ নামের এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মা রুমি আক্তার। এর আগে বিথি আক্তার নামের এক নারীর বাবা ও ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিবাদ করায় তিনিও রয়েছেন আতঙ্কে। এভাবেই পারিবারিক জমিজমা সংক্রান্ত জেরে দুটি পরিবারের তিন জনকে হত্যা করা হয়েছে।

ঘটনাটি নওগাঁ সদর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের শ্রীধরপুর গ্রামে। ওই গ্রামে পারিবারিক জমিজমা সংক্রান্ত জেরে গত ৬ বছরে একে একে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। তবে শুধুমাত্র নিহতের লাশ উদ্ধারের ঘটনাস্থল অন্য জেলায় সঠিক বিচার থেকে বঞ্চিত ভুক্তভোগী দুই পরিবারের দুই নারী। তাদের অভিযোগ পরপর দুটি হত্যা করার পর আসামিদের বিচার না হওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৬মে মাসুম বিল্লাহ নামের ওই যুবককে হত্যা করা হয়।

ভুক্তভোগী রুমি আক্তার বলেন, আমার ছেলে মাসুম বিল্লাহ গত ২৬ মে জয়পুরহাটের তিলকপুর বাজারে যান। রাতে বন্ধুর বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে খিরাহাটি রেলগেট এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেওয়ার সময় মৃত্যু হয়।

এদিকে মাসুমের নিথরদেহ উদ্ধার হয় জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানার সীমানায়। সে কারণে নিহতের মা রুমি আক্তার বাদী হয়ে আক্কেলপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ করে আরও ২২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন হত্যাকাণ্ড নয়। একই বিরোধকে কেন্দ্র করে গত কয়েক বছরে একে একে নিহত হয়েছেন আরেকটি পরিবারের আরও দুই সদস্য। ফলে প্রথম হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

আসামিরা হলেন, নওগাঁর সদর উপজেলার শ্রীধরপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে শিবলু (৩২), মৃত গোনা মন্ডল এর ছেলে মো. গোলাম মোস্তফা (৬৪), একই গ্রামের মোস্তফার ছেলে হানিফ (২২ ), আক্কেলপুর উপজেলার নওজোর গ্রামের মৃত আবু তালেবের ছেলে উজ্জ্বল মিয়া (৩৫), সদর উপজেলার ধোপাইকুড়ি গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে ইয়াছিন আলী নান্নু (৫৫), শ্রীধরপুর মৃত ফজলুর রহমান মন্ডল এর ছেলে মো. শাহাদৎ মন্ডল (৫৫) ও মো. আলম (৩৮) এবং একই গ্রামের মৃত আতিকুর রহমান এর ছেলে মো: অলি হোসেন (২২)।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রুমি আক্তার বলেন, আমার ছেলেকে হত্যার এক মাস পেরিয়ে গেলেও আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশকে বারবার তাদের অবস্থান জানিয়েছি, কিন্তু কাউকে ধরছে না।

রুমি আক্তারের অভিযোগ, আমরা যেসব তথ্য পুলিশকে দিচ্ছি, সেগুলো কোনো না কোনোভাবে আসামিদের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে। ফলে তারা সহজেই স্থান পরিবর্তন করছে।

আরেক ভুক্তভোগী বিথি আক্তার জানান, জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে ২০২০ সালে তার বাবা ফজলুর রহমান নিহত হন। ওই মামলার বাদী ছিলেন তার ভাই রতন মণ্ডল। পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তাকেও হত্যা করা হয়। সর্বশেষ নিহত হয়েছেন তার প্রতিবেশী ভাতিজা মাসুম বিল্লাহ।

কান্নাভেজা কণ্ঠে বিথি বলেন, দুটি পরিবারের তিনজনকে হারিয়ে আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি।

সকল অভিযোগ অস্বীকার করে তিলকপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন আলী নান্নু বলেন, আমি চক্রান্তের শিকার। তবে সকল হত্যার বিচার চাই। এই জন্য আমি জামিনে এসে সকলের সামনে মাসুম হত্যার সুষ্ঠু বিচারের জন্য বক্তব্যও দিয়েছি। অথচ নিহত মাসুম বিল্লাহকে নিয়ে এক রকম রাজনীতি শুরু করেছে। আওয়ামীলীগসহ আমার দলের কিছু লোক আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য চক্রান্ত করছে।

নওগাঁ সদর মডেল থানার এসআই খোরশেদ আলম বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। যেসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর প্রমাণ দিতে বলা হয়েছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগ অস্বীকার করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গনেশ চন্দ্র রায় বলেন, বাদী পক্ষের দেওয়া তথ্য আমরা যাচাই করে আসামিদের গ্রেপ্তারে সর্ব্বোচ্চ চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে এক আসামিকে ধরা হয়েছে।

আক্কেলপুর থানার ওসি শাহীন রেজা বলেন, নিহত ও মামলার আসামিরা সবাই নওগাঁ সদর উপজেলার বাসিন্দা। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনার রাতেই একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরেক আসামি ইয়াছিন আলী নান্নু আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bobbys student Hasans hat trick in three BCS

তিন বিসিএসসে ববির শিক্ষার্থী হাসানের হ্যাটট্রিক

তিন বিসিএসসে ববির শিক্ষার্থী হাসানের হ্যাটট্রিক ছবি: সংগৃহীত

একের পর এক বিসিএসে সাফল্য অর্জন করে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. হাসান মিয়া। ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডার, ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর এবার ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশ পেয়ে বিসিএসে হ্যাটট্রিক সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা মো. সগির আহমেদের জ্যেষ্ঠ সন্তান হাসান মিয়া বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড়। বিসিএসের পাশাপাশি এ পর্যন্ত মোট নয়টি সরকারি চাকরিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষাজীবন থেকেই মেধাবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন হাসান। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অনার্সে প্রথম এবং মাস্টার্সে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিজিপিএধারী শিক্ষার্থীদের মধ্যেও তিনি অন্যতম ছিলেন।

হাসান জানান, ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার। সেই লক্ষ্য নিয়েই পড়াশোনা চালিয়ে যান। তবে শিক্ষকতায় সুযোগ পাওয়ার পথ কঠিন বুঝতে পেরে তিনি বিসিএসের প্রস্তুতি শুরু করেন। ২০২২ সালের নভেম্বরে মাস্টার্সের লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর পূর্ণোদ্যমে বিসিএস প্রস্তুতিতে মনোনিবেশ করেন। বরিশালে থাকাকালীন অনেকগুলো টিউশন করিয়েছি। টিউশন করানোর অভিজ্ঞতাই আমার প্রস্তুতিকে সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ করেছে।

২০২৫ সালের এপ্রিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যোগ দিলেও ৪৭তম ও ৪৯তম বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সাড়ে চার মাস পর চাকরি ছেড়ে দেন। পরে বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বিপিএটিসি-তে গবেষণা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন।

হাসান জানান, বিপিএটিসিতে যোগদানের মাত্র ছয় দিন পর ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি পান। এ জন্য তিনি প্রতিষ্ঠানটির রেক্টরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

নিজের সাফল্যের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত তুলে ধরে তিনি বলেন, যেদিন সাভার থেকে বরিশালে লিখিত পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলাম, সেদিনই ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয় এবং আমি প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হই। এরপরও সব পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। সেই সিদ্ধান্তই আমাকে আজ পররাষ্ট্র ক্যাডারে পৌঁছে দিয়েছে।

হাসান বলেন, আমার বাবা শূন্য থেকে নিজের পরিশ্রমে জীবন গড়েছেন। তার সংগ্রাম ও অধ্যবসায় আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে। পাশাপাশি শিক্ষক, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতাও পেয়েছি। সাফল্যের মূল কারণ হিসেবে তিনি মহান আল্লাহর প্রতি আস্থা, একাডেমিক পড়াশোনায় মনোযোগ এবং নিয়মিত টিউশন করানোর মাধ্যমে বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের কথা জানান।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে হাসান আরো বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চাই। দেশের মর্যাদা, জাতীয় স্বার্থ ও আত্মসম্মান রক্ষায় কাজ করাই আমার লক্ষ্য।

হাসানের এই ব্যতিক্রমী অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা তার এ সাফল্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গৌরবের বিষয় হিসেবে দেখছেন ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The video of the head teachers slander in the school is viral severe criticism in Sirajganj

বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের মাতলামির ভিডিও ভাইরাল, সিরাজগঞ্জে তীব্র সমালোচনা

বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের মাতলামির ভিডিও ভাইরাল, সিরাজগঞ্জে তীব্র সমালোচনা ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে একটি বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে প্রধান শিক্ষকের মদ্যপ অবস্থায় মাতলামির অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা।

অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার নুকালি বহুপ্বার্শিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে মদ্যপ অবস্থায় বিদ্যালয়ে এসে অস্বাভাবিক আচরণ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের দাবি, সকাল ১০টার দিকে তিনি টলতে টলতে নিজের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এরপর চিৎকার-চেঁচামেচি ও বিশৃঙ্খল আচরণ শুরু করলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ পুরো বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে পরিবারের লোকজন এসে তাকে টালমাটাল অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে যান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রুহুল আমিন দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিদ্যালয়ের পাশেই তার বাড়ি হওয়ায় পারিবারিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, এর আগেও তিনি বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে বসেই মদ্যপান ও অস্বাভাবিক আচরণ করেছেন। তার প্রভাবের কারণে কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সাহস পান না বলেও জানান স্থানীয়রা।

বিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের সহকারী শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, স্কুলে সাময়িক পরীক্ষায় সময় আমি সকালে পরীক্ষার দায়িত্বে বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলায় ছিলাম। প্রধান শিক্ষকের অফিসে ঠিক কী হয়েছে তা দেখিনি। তবে একটি স্বনামধন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিজের চেয়ারে বসে মদ্যপান করেছেন—এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হচ্ছে এবং শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন বলেন, আমি বাইরে থেকে মদ্যপান করে বিদ্যালয়ে একটি কাগজ নেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম। তখন কিছুটা মাতলামি হয়েছে। পরে আমার বড় ভাই আমিনুল ইসলাম ও ছোট ভাই নুরুল ইসলাম আমাকে বাড়িতে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় আমাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দেব।

শাহজাদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. সাইদুল ইসলাম শেখ বলেন, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।

শাহজাদপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি জেনে ইউএনওকে অবগত করা হয়েছে। ইউএনও শিক্ষা বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত থানায় এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Inspection of Khulna Shipyard Road Widening and Development Project by Cabinet Secretary

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন
ছবি: নিউজ বাংলা

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি আজ (শনিবার) খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন। তিনি পরিদর্শনকালে প্রকল্পের প্রধান সড়ক, চারটি সুইচগেট, প্রকল্প এলাকার ম্যাপ, রূপসা সেতুর প্রবেশমুখে নির্মাণাধীন ব্রিজ সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রকল্প এলাকার জনসাধারণের সাথে কথা বলেন।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খুলনা সার্কিট হাউজে শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন (তৃতীয় সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন সভায় যোগদান করেন। এর আগে তিনি সার্কিট হাউজ চত্বরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
সভায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: নজরুল ইসলাম, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)’র সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেডিএর চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক মো: আরমান হোসেনসহ বিভাগীয়, জেলা প্রশাসন ও কেডিএ’র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DSCC Administrator warns of cancellation of tender if there is irregularity in disposal of waste

বর্জ্য অপসারণে অনিয়ম করলে টেন্ডার বাতিলের হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

বর্জ্য অপসারণে অনিয়ম করলে টেন্ডার বাতিলের হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের ছবি: সংগৃহীত

বাসাবাড়ির বর্জ্য অপসারণে গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং সেবা প্রদানে অনিয়ম করলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের কার্যাদেশ বা টেন্ডার বাতিল করার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। শনিবার সকালে শান্তিনগর বাজারে আয়োজিত ‘ক্লিনিং ডে’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এই ঘোষণা দেন। প্রশাসক স্পষ্ট করে বলেন, জনগণের দুর্ভোগ বাড়িয়ে যারা ব্যবসা করতে চায়, তাদের সিটি করপোরেশনের সাথে কাজ করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, প্রতিটি বাড়ির মালিককে নিজ আঙিনা ও সামনের রাস্তা পরিষ্কার রাখতে হবে। বিশেষ করে কাঁচাবাজার ও শপিং মলগুলোর ব্যবসায়ীরা প্রায়ই রাস্তার মাঝখানে ময়লা ফেলে যান, যা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। প্রশাসক তাঁদের নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে বলেন, সিটি করপোরেশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আবর্জনা বিনে ফেলতে হবে। ফুটপাত ও রাস্তায় বসা হকারদের প্রতিও তিনি কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, ব্যবসা করার পাশাপাশি তাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নিয়ম মানতে হবে।

বাসাবাড়ির বর্জ্য নিয়ে পাওয়া অভিযোগ প্রসঙ্গে আবদুস সালাম বলেন, “অনেকে অভিযোগ করেছেন যে নিয়মিত আবর্জনা পরিষ্কার করা হচ্ছে না এবং কোথাও কোথাও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। যারা এমনটা করবে আগামীতে তাদের টেন্ডার দিবো না।” তিনি জানান, ডিএসসিসি এলাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে তদারকি ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং কোনো প্রকার গাফিলতি সহ্য করা হবে না।

ডেঙ্গু পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে প্রশাসক জানান, বিভিন্ন ওয়ার্ডে চালানো সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে প্রায় ৬৫ শতাংশ বাড়িতেই এডিস মশার লার্ভা রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিটি করপোরেশন নতুন ট্যাবলেট ও আধুনিক ওষুধ ব্যবহার শুরু করেছে। যে সব এলাকায় মশক নিধন কর্মীদের পৌঁছানো কঠিন, সেখানে সরাসরি এই ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে। এ ছাড়া ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত শয্যা ও চিকিৎসাসেবার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি নাগরিকদের আশ্বস্ত করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
KNA members arrested with guns and cartridges in Bandarban

বান্দরবানে বন্দুক-কার্তুজসহ কেএনএ সদস্য আটক

বান্দরবানে বন্দুক-কার্তুজসহ কেএনএ সদস্য আটক ছবি: নিউজ বাংলা

বান্দরবানের থানচিতে অভিযান চালিয়ে বন্দুক ও ৫৫ রাউন্ড কার্তুজসহ জৌথান বম (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটকের পর পুলিশের নিকট হস্থান্তর করেছে সেনাবাহিনী।

শনিবার (৪ জুলাই) থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কানন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আটক, জৌথান বম (৫৫) থানচি সদর পদ্ধ মৌজা শেরপা পাড়া এলাকার

লাল ফিয়ান বমের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুন নিরাপত্তা বাহিনীর একটি অভিযানিক দল কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-মূল) একটি যৌথ গোপন আস্তানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে উভয়ের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

ওই সময় সন্ত্রাসীরা পালিতে যেতে স্বক্ষম হলেও এই ঘটনায় আশপাশের এলাকায় অভিযান অব্যাহত রাখে নিরাপত্তা বাহিনী। অভিযানের এক পর্যায়ে বন্দুক ও কার্তুজসহ জৌথান বমকে (৫৫) শেরকর পাড়া থেকে

আটকের পর আজ থানচি থানা পুলিশের নিকট তাকে হস্থান্তর করে সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কানন সরকার বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 arms dealers arrested with foreign pistols and bullets

বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ ৩ অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেফতার

বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ ৩ অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেফতার ছবি: নিউজ বাংলা

পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশী পিস্তল, ম্যাগাজিন ও ৪৩ রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোরে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

‎​গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মোঃ হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মোঃ আল আমিন শেখ (২৬) এবং মোঃ আলী হোসেন (৪০)।

‎​পুলিশ সূত্র জানায়, পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নিঃ) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল গত রাতে কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছিল। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে, তারা অবৈধ বিদেশী পিস্তল, ম্যাগাজিন এবং গুলি ৩০,০০০ টাকায় টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।

‎​প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পুলিশের একটি দল আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও জনসাধারণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার বসতবাড়ি থেকে ০১টি বিদেশী পিস্তল, ০১টি ম্যাগাজিন ও ৪৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

‎এই অভিযানের বিষয়ে শুক্রবার বেলা ১২:৩০ মিনিটে পিরোজপুর সদর থানা কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের এই তথ্য প্রদান করেন। ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি বজায় রয়েছে এবং জেলাকে নিরাপদ রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎​পিরোজপুর জেলা পুলিশ সূত্র আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত আলী হোসেন ও আল আমিন শেখের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে