× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Special police surveillance to prevent clashes around the World Cup
google_news print-icon

বিশ্বকাপ ঘিরে সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশের বিশেষ নজরদারি

বিশ্বকাপ-ঘিরে-সংঘর্ষ-ঠেকাতে-পুলিশের-বিশেষ-নজরদারি
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের জয়-পরাজয় নিয়ে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস যাতে প্রাণঘাতী সংঘর্ষে রূপ না নেয়, সে জন্য রাজধানীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও জনসমাগমস্থলে, বড় স্ক্রিনে খেলা দেখার স্থানগুলোতে বিশেষ নজরদারি চালাবে থানা-পুলিশ ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকালে মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

রাজধানীর আদাবরে ব্রাজিলের খেলা দেখা ও জয় উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে বিএনপি নেতা মো. আবুল বাশার বাদশা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার-পরবর্তী এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বড় স্ক্রিনে খেলা দেখা হয়। এসব স্থান আমরা নজরদারিতে রাখছি। ডিএমপির সব থানাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোথায় কোথায় বড় স্ক্রিনে খেলা দেখানো হয়, সেসব আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। ডিবিও নজরদারি করবে, যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।’

নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আনন্দটা যেন আনন্দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, কোনোভাবেই তা বিষাদে পরিণত না হয়। খেলায় হার-জিত থাকবে। সবাই পরস্পরের মতামত ও সমর্থনকে সম্মান করবেন এবং সহনশীল আচরণ করবেন।’

ডিবি জানায়, গত সোমবার (২৯ জুন) রাতে ফুটবল বিশ্বকাপে জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয় উদযাপনকে কেন্দ্র করে আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকায় স্থানীয় কয়েকজন কিশোর ঢোল ও বাঁশি বাজিয়ে আনন্দ করছিলেন। এ সময় হাবিব নামে এক ব্যক্তি নিরব নামে এক যুবককে মারধর করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে গত বুধবার রাতে ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার বাদশাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ থেকে নিরব, রিপন, মজনু ও মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে ডিবির তেজগাঁও বিভাগ।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গ্রেপ্তার চারজনের মধ্যে রিপন সরাসরি ছুরিকাঘাত করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটিও উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, হামলায় আহত ইউনিট বিএনপির সভাপতি গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
In Patuakhali the son was arrested for killing his sleeping father with a stone

পটুয়াখালীতে ঘুমন্ত বাবাকে শিল-পাটার আঘাতে হত্যা, ছেলে আটক

পটুয়াখালীতে ঘুমন্ত বাবাকে শিল-পাটার আঘাতে হত্যা, ছেলে আটক ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘুমন্ত বাবাকে শিল-পাটা দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। উপজেলার পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত উত্তম দেবনাথ (৬০) পেশায় দিনমজুর ছিলেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে তাপস দেবনাথকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার রাতের খাবার শেষে উত্তম ও তার ছেলে তাপস একই ঘরে ঘুমাতে যান। নিহতের স্ত্রী কানন বারান্দার ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন।

ভোর ৪টার দিকে তাপস ঘুম থেকে উঠে ঘরে থাকা শিল-পাটা নিয়ে ঘুমন্ত বাবার কপালে আঘাত করেন। স্বামীর চিৎকার শুনে বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা কানন ঘরে এসে চিৎকার শুরু করেন। পরে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এসে ঘরে উত্তমকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেনকে জানালে সকাল ৭টার দিকে তিনি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার ও অভিযুক্ত ছেলে তাপস দেবনাথকে আটক করে।

ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, 'স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। অভিযুক্ত তাপসকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।'

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Owner of Trust Gold arrested on charges of embezzlement of Tk 14 crore 38 lakh in Gulshan

গুলশানে ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ট্রাস্ট গোল্ডের মালিক গ্রেপ্তার

গুলশানে ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ট্রাস্ট গোল্ডের মালিক গ্রেপ্তার ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর গুলশানে যৌথ ব্যবসার নামে ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ‘ট্রাস্ট গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড লিমিটেড’ এর মালিক সৌমেন সাহাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাতিরঝিল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গুলশান থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ।

পুলিশ জানায়, ২০২০ সালে ধানমন্ডির মেট্রো শপিং মলে ব্যবসায়িক সূত্রে ভুক্তভোগী বিপ্লব চক্রবর্তীর সঙ্গে সৌমেন সাহার পরিচয় হয়। পরে পারিবারিক সম্পর্ক ও বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ২০২৩ সালে দুবাই থেকে স্বর্ণ কেনার কথা বলে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা ধার নেন সৌমেন সাহা।

এরপর গুলশানের পুলিশ প্লাজা কনকর্ড শপিং মলে ‘ট্রাস্ট গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড লিমিটেড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালুর প্রস্তাব দিয়ে ভুক্তভোগীকে ব্যবসার অংশীদার করার আশ্বাস দেন। এভাবে বিভিন্ন সময়ে নগদ অর্থ ও চেকের মাধ্যমে মোট ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন সৌমেন সাহা।

অভিযোগে বলা হয়, অর্থ বিনিয়োগের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ব্যবসার কোনো হিসাব বা লভ্যাংশ দেননি তিনি। বরং হিসাব চাইলে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাতিরঝিল এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা–পুলিশের একটি দল।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Yashin Munna headed the Law Reporters Forum

ল' রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃত্বে ইয়াছিন-মুন্না

ল' রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃত্বে ইয়াছিন-মুন্না ছবি: সংগৃহীত

আইন, বিচার, সংবিধান ও মানবাধিকার বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল' রিপোর্টার্স ফোরামের (এলআরএফ) ২০২৬-২০২৭ মেয়াদে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ইংরেজি দৈনিক অবজারভারের সিনিয়র রিপোর্টার মুহাম্মদ ইয়াছিন। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের আরাফাত মুন্না।

কার্যনির্বাহী কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে সমকালের আবু সালেহ রনি, যুগ্ম সম্পাদক পদে বাংলানিউজের তানভীর আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ পদে চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের মনজুর হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে টাইমস অব বাংলাদেশের আহমেদ আল আমীন, দপ্তর সম্পাদক পদে খবরের কাগজের মাহমুদুল আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের জাহিদুল বাশার এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে চ্যানেল ওয়ানের জান্নাতুল ফেরদৌসী মানু ও আমাদের সময়ের আসাদুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির দক্ষিণ হলে ভোট গ্রহণ শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরটিভির হেড অব নিউজ ইলিয়াস হোসেন এই ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় কমিশনের অপর দুই সদস্য এটিএন নিউজের হেড অব নিউজ মাশহুদুল হক ও সিনিয়র সদস্য সাজেদুল হক উপস্থিত ছিলেন। কমিশনের সাচিবিক সহায়তায় ছিলেন বাংলানিউজের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ইলিয়াছ সরকার।

এর আগে ফোরামের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বিশেষ অতিথি ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, মোহাম্মদ শিশির মনির ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মোহাম্মদ আলী। সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিাদায়ী কমিটির সভাপতি হাসান জাবেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিদায়ী কমিটিরি সেক্রেটারি মনিরুজ্জামান মিশন।

এসময় আরও উপস্তিত ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক, ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক মনোজ কান্তি রায়, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব কাজী আব্দুল হান্নান, ফোরামের সাবেক সভাপতি স্বপন দাশ গুপ্ত, সালেহ উদ্দিন, এম বদি-উজ-জামান, আশুতোষ সরকার, সাঈদ আহমেদ খান, ওয়াকিল আহমেদ হিরণ, শামীমা আক্তার ও আশরাফ উল আলম প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Decision to keep open water bodies open for fishermen Tuku

উন্মুক্ত জলাশয় মৎস্যজীবীদের জন্য উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত: টুকু

উন্মুক্ত জলাশয় মৎস্যজীবীদের জন্য উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত: টুকু ছবি: সংগৃহীত

হাওরাঞ্চলের মৎস্যজীবীদের জীবিকা নির্বাহের সুবিধার্থে দেশের সকল উন্মুক্ত জলাশয় প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জন্য উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে অকাল বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে বোরো ফসল রক্ষায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নদী ও খাল খনন কর্মসূচি আরও জোরদার করা হচ্ছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে নয়টায় নেত্রকোনা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার মৎস্যজীবী ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। সরকারের মূল নীতি হচ্ছে—জাল যার, জল তার। এই নীতি অনুযায়ী সবার জন্য, বিশেষ করে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের সুবিধার্থে জলাশয় উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

ইজারা প্রথার কারণে সৃষ্ট সমস্যার কথা উল্লেখ করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ইজারা দেওয়ার ফলে প্রভাবশালীরা যেভাবে হাওর বা জলাশয় দখল করে রাখতো এবং সাধারণ মানুষকে নামতে বাধা দিত, সেই প্রতিবন্ধকতা দূর করা হবে। সরকার আইনগতভাবে এই ধরনের সকল বাধা দূর করার উদ্যোগ নিয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ ও মৎস্যজীবীরা নির্বিঘ্নে জলাশয়ে মৎস্য আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।

হাওরের জলাশয়গুলো ইজারামুক্ত করার প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন তারই যোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান ইতোমধ্যেই খাল ও নদী খনন এবং জলাশয়কে কিভাবে ঠিক রাখা যায় এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছেন এবং উদ্বোধনও করেছেন। তোমধ্যে অনেকগুলো খাল ও নদী খনন করেছি আমরা।

কাজেই এই নদীর নাব্যতা যাতে না কমে যায় এবং জলাবদ্ধতায় যাতে মানুষ দুর্ভোগে না পড়ে, জলাশয়গুলোতে যাতে মৎস্য চাষ করতে পারে, সেই ব্যাপারে আমরা ইতোমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছি।

মত বিনিময়কালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি, নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।

এছাড়াও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সার্কিট হাউসে এই ব্রিফিং শেষে দিনব্যাপী সরকারি সফরের অংশ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী জেলার মদন উপজেলার উচিতপুর ট্রলার ঘাটের পথসভায় অংশগ্রহণ এবং মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে রওনা হন।

দিনব্যাপী এই সফরে তিনি পরবর্তীতে খালিয়াজুড়ি উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের রোয়াইল ও নাওটানা সংযোগস্থলে ফিশারিতে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, সদরের বাজোয়াইল কীর্তনখোলা ফিশারি এবং মোহনগঞ্জ উপজেলার গাগলাজুর ইউনিয়নের বরান্তর চিরাডুবি হাওরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। সফর শেষে আজ রাতেই প্রতিমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The name of Major Ziaur Rahman is associated with the development of the country Minister of Social Welfare

দেশের অভ্যুদয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মেজর জিয়াউর রহমানের নাম: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

দেশের অভ্যুদয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মেজর জিয়াউর রহমানের নাম: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘দেশের অভ্যুদয়ের সঙ্গে যে নামটি জড়িত সেটি হচ্ছে মেজর জিয়াউর রহমান। দেশমাতৃকার টানে সাহসিকতার সঙ্গে চট্টগ্রামে প্রথম বিদ্রোহ করেছিলেন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একজন মেজর হিসেবে। জাতি যখন কোনো দিকনির্দেশনা পাচ্ছিলেন না, জাতি যখন হতাশাগ্রস্ত, তখন দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন মেজর জিয়া।’

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নিতে চায় না। বিগত সময়ে ভুল ইতিহাস গেলানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের বাচ্চাদেরকে এবং নতুন প্রজন্মকে ভুল ইতিহাস শেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। সেই শিক্ষাটা কি ২০২৪-এর ৫ আগস্ট হেলিকপ্টারে করে পালিয়ে যাওয়া? ইতিহাস তৈরি করা যায় না, ইতিহাস সৃষ্টি করা হয়। সেই ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।’

এর আগে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাঙ্গুনিয়ার পোমরা জিয়ানগরস্থ প্রথম সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন ও গাছের চারা রোপণ করেন। পরে তিনি রাঙ্গুনিয়া এতিম ও দুঃস্থ শিশুদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে ৪৮তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পোশাক ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।

এ সময় ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে যারা নিজেকে দুর্বল ভাবেন, তারা যাতে আর দুর্বল না ভাবেন, সেজন্য প্রশিক্ষণোত্তর এখানে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মতো বীরকে জাতি যাতে আজীবন শ্রদ্ধা জানাতে পারে, সম্মান জানাতে পারে, সেরকম একটি আবহ রাঙ্গুনিয়ার জিয়ানগরে করা হবে।’

চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য মো. এরশাদ উল্লাহ, রাঙ্গুনিয়া আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান এবং এতিম ও দুঃস্থ শিশুদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উপ-তত্ত্বাবধায়ক মো. ছানাউল্লাহ। অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে নিহত হওয়ার পর প্রথমে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে রাঙ্গুনিয়ার পোমরায় দাফন করা হয়েছিল। পরে তার মরদেহ ঢাকায় নিয়ে গিয়ে চন্দ্রিমা উদ্যানে (বর্তমান জিয়া উদ্যান) সমাহিত করা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Govt is working on implementation of election promises Rizvi

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: রিজভী

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: রিজভী ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলছেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার নিরলস কাজ করছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও স্বাস্থ্য কার্ডের মতো কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো ঘাটতি রাখা হচ্ছে না এবং এগুলো নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সমুদ্রের মধ্যে এমন একটি ভূখণ্ড দেখিয়েছিলেন, যে ভূখণ্ডে সবার আশ্রয় হয়, প্রত্যেকটি জাতিসত্তার আশ্রয় হয়। সেই ভূখণ্ডটির নাম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ।

রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এমন একটি রাষ্ট্রচিন্তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, যেখানে ধর্ম, জাতিসত্তা ও সম্প্রদায়–নির্বিশেষে সবাই সমান মর্যাদায় আশ্রয় পায়। সেই রাষ্ট্রচিন্তার নাম ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’।

জাতীয় পরিচয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমি ‘বাঙালি’ বলার সঙ্গে সঙ্গে আমার পায়ের নিচে কোনো বৃত্তিকার স্পর্শ পাই না। কারণ প্রশ্ন আসবে, আপনি কোথাকার বাঙালি? আমেরিকার বাঙালি, না ফ্রান্সের বাঙালি, না পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি, না ত্রিপুরার বাঙালি? কিন্তু ‘বাংলাদেশি’ বলার সঙ্গে সঙ্গে অপূর্ব এক ধরনের প্রেরণা বুকের মধ্যে জেগে ওঠে যে আমরা একটি স্বতন্ত্র দেশের মানুষ। আমাদের আলাদা পতাকা আছে, আলাদা মানচিত্র আছে, আলাদা জাতীয় সংগীত আছে, আলাদা ভাষা আছে। আর যে কোনো বিপদে আমরা একসঙ্গে দাঁড়াই।’

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ওই আন্দোলনে ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাই একসঙ্গে ছিল। সেদিন মুসলমান গুলি খেয়েছে, হিন্দুও গুলি খেয়েছে, খ্রিস্টানও গুলি খেয়েছে। আজ সারা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীর মানুষ এখানে এসেছেন। সমতলের সাঁওতাল, রাজবংশীসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মানুষ যেমন আছেন, তেমনি পাহাড় থেকেও অনেকে এসেছেন। সবাই এক কাতারে, এক ব্যানারের নিচে মিলিত হয়েছেন।

দেশের মানুষের এই ভ্রাতৃত্ব কেউ ভাঙতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন রিজভী। তিনি বলেন, স্বাধীন সত্তা রক্ষায় সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে, একসঙ্গে লড়াই করবে, দেশ গড়বে এবং যেকোনো আক্রমণ সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করবে।

অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তার আত্মার শান্তি ও সদগতি কামনায় বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান দেবালয়ে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়েছে। এতে সব সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ তাকে অভিভূত করেছে। তিনি এ জন্য সব সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

যাদের বার্ষিক আয় চার লাখ টাকা, তাদের আয়কর দিতে হবে না। এ ছাড়া মুদির দোকানে ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব জনমতের পরিপ্রেক্ষিতে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১২ কেজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমানো হয়েছে। জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষা খাতের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে রিজভী করে বলেন, এবার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করা শিক্ষার্থীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। কেন এত শিক্ষার্থী ঝরে যাচ্ছে, তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখতে হবে। একটি গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক সরকারের দায়িত্ব হলো শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং কোনো শিক্ষার্থী যাতে ঝরে না পড়ে, সে ব্যবস্থা নেওয়া।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
44 were arrested from the capital in a special police operation

পুলিশের বিশেষ অভিযানে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার ৪৪

পুলিশের বিশেষ অভিযানে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার ৪৪ ফাইল ছবি

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও হাজারীবাগ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন সৈয়দ আলম (৩৩), মোহাম্মদ ইসমাইল (৩১), স্বপন বিল্লাল ওরফে ছিলা বিল্লাল, মো. রাব্বি, মো. মিতুল (২৮), এহসান উল্লাহ (২৮), ইসমাইল আহমেদ (৩৬), মো. নাছির উদ্দিন (৪৫), বিউটি বেগম, ইতি আক্তার, জামাল হোসেন, মো. আলাউদ্দিন, শামীম, মোছা. নুর জাহান আক্তার মিম, মৌসুমি আক্তার শিখা (৪৯), মো. আকরাম হোসেন (৩৩), মো. রমজান (২০), মো. তানভীর (১৮), মো. আল আমিন (২০), মো. আরিফুল ইসলাম (২৩), মো. জাহিদ ইসলাম (২৩), মো. সাজ্জাদ (২৬), মো. সুমন হাওলাদার (২৪), সোহরাব (৪৫), সোহানুর রহমান (২০) ও আব্দুল্লাহ হুজায়ফা (২২)।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে পাঁচজনকে নিয়মিত মামলায়, চারজনকে পুরোনো মামলায়, আটজনকে আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে এবং ১০ জনকে ডিএমপি অধ্যাদেশ অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া হাজারীবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন ইমন হোসেন বাবু, হৃদয়, মো. ফিরোজ, সিয়াম, আতিকুল, নাইম, আনোয়ার, শাহআলম, মো. কাইয়ুম, মো. সাজু, মো. স্বাধীন, মো. সালমান, মো. হাকিমুল গাজী, আমানউল্লাহ, তারা মিয়া, মো. সিয়াম ও ফরাজী। এদের মধ্যে পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি ও বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে