× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Visionless Kajal has been spreading the light of music for 55 years
google_news print-icon

৫৫ বছর ধরে গানের আলো ছড়াচ্ছেন দৃষ্টিহীন ‘কাজল’

৫৫-বছর-ধরে-গানের-আলো-ছড়াচ্ছেন-দৃষ্টিহীন-কাজল
ছবি: সংগৃহীত

‘কত জায়গায় ঘুরলাম আমি, তোমার দেখা পেলাম না, কেন যে দৃষ্টি দিলেনা দয়াল...’ গানটি গাইতে গাইতে হঠাৎ থেমে যান কাজল মিত্র। কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকেন। তারপর মৃদু হেসে বলেন, ‘এই গানটা আমার নিজের লেখা, নিজের সুর করা।’ কথাগুলো বলার সময় তার মুখে হাসি থাকলেও কণ্ঠে ধরা পড়ে দীর্ঘদিনের এক না-পাওয়ার বেদনা।

জন্মের পর থেকেই তিনি দৃষ্টিহীন। পৃথিবীর রং, প্রিয়জনের মুখ কিংবা ভোরের প্রথম সূর্য-কোনোটিই কোনোদিন দেখা হয়নি তার। তবু অন্ধকারের কাছে হার মানেননি। বরং সুরকেই করেছেন জীবনের আলো। সেই আলোয় গত ৫৫ বছর ধরে গান গেয়ে শুধু নিজের জীবনই নয়, সংসারও টেনে নিয়ে চলেছেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম শাকপুরা গ্রামের কাজল মিত্র।

১৯৫৯ সালে জন্ম নেওয়া কাজল মিত্র ছিলেন পাঁচ বোনের একমাত্র ভাই। জন্মের পরই পরিবার বুঝতে পারে, ছেলে চোখে দেখতে পায় না। চোখের আলো ফেরাতে দেশ-বিদেশে চিকিৎসাও করানো হয়েছিল। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। চোখে আলো না ফিরলেও নিভে যায়নি তার স্বপ্ন।

দৃষ্টিহীন হওয়ায় কোনোদিন বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে বসা হয়নি। বইয়ের অক্ষর চেনা হয়নি, খাতায় লেখা হয়নি নিজের নাম। কিন্তু জীবন তাকে শিখিয়েছে অন্য এক ভাষা—সংগীতের ভাষা।

মাত্র ১১ বা ১২ বছর বয়সে বাড়ির ঘাটের পাশে একটি আমগাছের নিচে বসে চাটগাঁইয়া ভাষার একটি গান গাইছিল ছোট্ট কাজল।

‘দইনুর বিল্যুত উড়েরে ঝাকে ঝাকে তোতা,আঁর মনত পরিগেয়্যি ছুডো হাইল্লা কথা...’

ঠিক তখনই পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন সংগীতশিল্পী লক্ষ্মীপদ আচার্য্য। শিশুটির কণ্ঠ শুনে থমকে দাঁড়ান তিনি। পরে কাজলের বাবার সঙ্গে কথা বলে গানের তালিমের ব্যবস্থা করে দেন। সেই একটি ঘটনাই বদলে দেয় কাজল মিত্রের জীবনের পথ।

এরপর একে একে কয়েকজন গুরুর কাছে সংগীত শিক্ষা নেন তিনি। ধীরে ধীরে গানই হয়ে ওঠে তার পরিচয়, পেশা আর বেঁচে থাকার শক্তি। রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, লালন, আধুনিক, দেশাত্মবোধক, ভক্তিমূলক কিংবা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান-সব ধরনের গানই সমান দক্ষতায় পরিবেশন করেন তিনি।

শুধু অন্যের গান নয়, নিজের অনুভূতি থেকেও লিখেছেন কয়েকটি গান, দিয়েছেন সুর। কিন্তু জীবনের দীর্ঘ পথচলায় কিছু স্বপ্ন এখনো অপূর্ণ। একটি ভালো মানের হারমোনিয়াম কেনা এবং নিজের গানের একটি অ্যালবাম প্রকাশের ইচ্ছা আজও পূরণ হয়নি।

বয়সের ভারে শরীরও আর আগের মতো সাড়া দেয় না। ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রতিদিন লড়াই করতে হয়। তবু সুযোগ পেলেই পুরোনো হারমোনিয়ামটি সামনে নিয়ে বসেন। কারণ, গানই তার বেঁচে থাকার শক্তি।

সংসারে এক ছেলে ও দুই মেয়ে। মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। ছেলে একটি দোকানে চাকরি করেন। সীমিত আয়ের এই পরিবারে এখনও কাজল মিত্রের গানের আয় গুরুত্বপূর্ণ ভরসা।

কাজল মিত্র বলেন, ‘চোখে আলো পাইনি, কিন্তু গান আমাকে মানুষের ভালোবাসা দিয়েছে। যতদিন কণ্ঠে সুর থাকবে, ততদিন গান গেয়েই বাঁচতে চাই।’

চোখে আলো না থাকলেও সুরের আলোয় নিজের জীবনকে আলোকিত করেছেন কাজল মিত্র। আর সেই সুরই আজও ছুঁয়ে যায় মানুষের হৃদয়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The demand for construction of EPZ and industrial zone in Howar is getting stronger

জোরালো হচ্ছে হাওরে ইপিজেড ও শিল্পাঞ্চল গড়ার দাবি

জোরালো হচ্ছে হাওরে ইপিজেড ও শিল্পাঞ্চল গড়ার দাবি ফাইল ছবি

চারিদিকে থইথই জলরাশি, আর তার বুক চিরে সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিনন্দন অল-ওয়েদার রোড। বর্ষায় রূপকথার মতো সুন্দর আর শুকনো মৌসুমে ফসলের সবুজ গালিচায় মোড়ানো জেলা কিশোরগঞ্জের তিন হাওর উপজেলা ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম। কিন্তু এই অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক নির্মম অর্থনৈতিক বাস্তবতা।

এখানকার প্রায় শতভাগ মানুষের প্রধান জীবিকা কৃষি ও মৎস্য। এই একমুখী অর্থনীতির কারণে বছরের পর বছর প্রকৃতির খামখেয়ালিপনার কাছে জিম্মি হয়ে আছে লাখো মানুষের ভাগ্য। অতিবৃষ্টি, খরা, অকাল বন্যা, হঠাৎ শিলাবৃষ্টি কিংবা পোকার আক্রমণে ফসল নষ্ট হলে এখানকার মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর আর কোনো বিকল্প পথ থাকে না। এই ভংগুর অর্থনৈতিক বৃত্ত ভাঙতে এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য হাওরাঞ্চলে এখন এক নতুন শিল্পবিপ্লবের সময় এসেছে। আর সেই বিপ্লবের পথ দেখাতে পারে গাজীপুর ও নরসিংদীর সফল অর্থনৈতিক মডেল।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, একসময় নরসিংদী ও গাজীপুর অঞ্চলের বহু মানুষ জীবিকার তাগিদে কিশোরগঞ্জের হাওরে কৃষিশ্রমিক হিসেবে আসতেন। কিন্তু গত কয়েক দশকে বস্ত্রশিল্প, তৈরি পোশাক খাত এবং বিভিন্ন মাঝারি ও ভারী শিল্পের প্রসারে সেখানে অর্থনৈতিক চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। শিল্পায়নের ফলে সেখানকার বেকারত্ব দূর হয়েছে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। অথচ এখন উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে হাওরে।

আজ এ অঞ্চলের হাজার হাজার বেকার যুবক কাজের সন্ধানে গাজীপুর, নরসিংদী কিংবা নারায়ণগঞ্জের শিল্পকারখানাগুলোতে পাড়ি জমাচ্ছেন। এই বাস্তবতাই প্রমাণ করে একটি অঞ্চলের স্থায়ী অর্থনৈতিক মুক্তি ও দুর্যোগকালীন নিরাপত্তার জন্য শুধু কৃষির ওপর নির্ভর করে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ। কৃষির পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নই হতে পারে একমাত্র রক্ষা কবচ।

অতীতে যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে হাওরে শিল্পকারখানার কথা চিন্তা করাও ছিল আকাশকুসুম কল্পনা। তবে বর্তমানে দৃষ্টিনন্দন অল-ওয়েদার রোড সেই স্থবিরতা অনেকটাই দূর করেছে।

ভৌগোলিক কারণে এই যোগাযোগ ব্যবস্থার রূপ দুই ঋতুতে দুই রকম; শুকনো মৌসুমে অল-ওয়েদার রোডের কল্যাণে সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি বর্ষাকালে চারপাশ পানিতে ভেসে গেলে অভ্যন্তরীণ যাতায়াতে দ্রুতগামী নৌযোগাযোগের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এই যোগাযোগ ব্যবস্থায় স্থায়ী ও যুগান্তকারী রূপান্তর ঘটতে যাচ্ছে অষ্টগ্রাম-চাতলপাড় সংলগ্ন নদীতে নির্মাণাধীন নতুন সেতুর মাধ্যমে। দ্রুত এই সেতুর কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হলে বর্ষা বা শুকনো মৌসুমের সীমাবদ্ধতা আর থাকবে না। অষ্টগ্রাম থেকে চাতলপাড় হয়ে সরাসরি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশ্বরোড লিঙ্ক ধরে সারা বছরই দেশের যেকোনো প্রান্তে দ্রুততম সময়ে সড়ক পথে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে। সড়ক ও নৌপথের এই অভূতপূর্ব মেলবন্ধনকে কাজে লাগিয়েই মূলত হাওর অঞ্চলকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ‘অর্থনৈতিক হাব’ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ফলে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম এমন একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে যেখানে কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য এবং আধুনিক পর্যটনের এক অভূতপূর্ব সমন্বয় ঘটবে। এর ফলে এক বিশাল বহুমুখী সাপ্লাই চেইন নেটওয়ার্ক তৈরি হবে, যা পুরো অঞ্চলের চেহারাই বদলে দেবে।

বিনিয়োগ ও শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য কিশোরগঞ্জের এই হাওর অঞ্চল বর্তমানে অন্যতম আদর্শ একটি স্থান। কারণ, দেশের অন্যান্য শিল্পাঞ্চলের তুলনায় এখানে শিল্প স্থাপনের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে জমি রয়েছে, যা অত্যন্ত সাশ্রয়ী ও সস্তায় লিজ বা কেনা সম্ভব। এর চেয়েও বড় সুবিধা হলো এখানকার বিশাল ও কর্মক্ষম শ্রমশক্তি। হাওরে পর্যাপ্ত পরিমাণে কঠোর পরিশ্রমী শ্রমিক রয়েছেন, যাদের খুব সহজেই এবং তুলনামূলক কম মজুরিতে কারখানার কাজে যুক্ত করা সম্ভব। এই সাশ্রয়ী জমি ও সস্তা শ্রমের মেলবন্ধন যেকোনো বড় শিল্পোদ্যোক্তার জন্য উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনার এক দারুণ সুযোগ তৈরি করবে।

এই অনুকূল পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে হাওর অঞ্চলে একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা বা ইপিজেড স্থাপন করা এখন সময়ের দাবি। সেখানে তৈরি পোশাক শিল্প বা হালকা প্রকৌশল শিল্প গড়ে উঠলে স্থানীয় যুবসমাজের কর্মসংস্থান হবে, বিশেষ করে নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ঘটবে। পাশাপাশি, হাওরের উদ্বৃত্ত ধান ও দেশীয় মাছের সঠিক বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য মেগা কোল্ড স্টোরেজ চেইন, আধুনিক অটো রাইস মিল এবং মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন করাও জরুরি। আধুনিক হিমাগার থাকলে জেলেরা মাছ ধরার পর তা নষ্ট হওয়ার ভয়ে কম দামে বেচতে বাধ্য হবেন না। এছাড়া ধানের কুঁড়া থেকে ভোজ্য তেল উৎপাদনের মতো উপজাত শিল্প এবং অষ্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পনিরকে কেন্দ্র করে আধুনিক ডেইরি প্রসেসিং প্ল্যান্ট স্থাপন করা গেলে তা আন্তর্জাতিক বাজারেও জায়গা করে নিতে পারবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Neglected pulses of rural Bengal are now a new horizon of commercial potential

গ্রামবাংলার অবহেলিত আঁশফল এখন বাণিজ্যিক সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

গ্রামবাংলার অবহেলিত আঁশফল এখন বাণিজ্যিক সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত ছবি: সংগৃহীত

‘ঝড়ের দিনে মামার দেশে আম কুড়াতে সুখ, পাকা জামের মধুর রসে রঙিন করি মুখ’ কবিতার লাইন দুটির সাথে আগেকার দিনের মিল থাকলেও বর্তমান সমাজের ছেলেমেয়েদের সাথে এর মিল খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন। আগেকার দিনে গ্রীষ্মের ছুটি কাটাতে ছেলে মেয়েরা ছুটে যেত মামার বাড়িতে। সেখানে যেয়ে নানা রকম মৌসুমী ফল গাছে উঠে নিজ হাতে পেরে খাওয়ার একটা মজাই ছিল অন্যরকম। বর্তমানে আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে দালান কোঠা তৈরি করাতে যেমন কমে যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফলের গাছ তেমনি ব্যস্ততার কারণে ছেলেমেয়েরাও এখন আর আগের দিনের মতো পাকা আম ও জামের রসে মুখ রঙিন করতে পারে না।

তাইতো হাতের কাছেই যখন যে ফলটা পাওয়া যায় সেটা অধিক মূল্যে কিনে খেতে হয়। এখন চলছে মধুমাস,বাজারে নানা রকম ফলের সমাহার।

লিচু শেষ হতেই বাজারে আসতে শুরু করে আম, জাম, কাঁঠাল, লটকনসহ নানা রকম মৌসুম ফল। আর দেশি আম শেষ হতে না হতেই মাগুরা সদরের বিভিন্ন এলাকার হাটে- বাজারে, এখন মৌসুমী ফল কাঠলিচু বা আশফল আসতে শুরু করেছে। এই ফল ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাদামি রঙের খোসায় জড়ানো সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই দেশীয় ফল কিনতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন নানা বয়সের মানুষ।

মৌসুমের শুরুতে সরবরাহ কম থাকলেও বর্তমানে বাজারে আশফলের উপস্থিতি বেড়েছে। ফলে বেচাকেনাও জমে উঠেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, স্থানীয় ফল ব্যবসায়ীরা ঝুড়িতে সাজিয়ে ও খাচায় ঝুলিয়ে আঁশফল বিক্রি করছেন। ক্রেতাদের ভাষ্যমতে, আশফলের মিষ্টি স্বাদ সুগন্ধ এবং তুলনামূলক কম দামের কারণে এটি পরিবারের সবার পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

স্থানীয় বিক্রেতারা জানান, প্রতিদিনই ভালো বিক্রি হচ্ছে এই ফল। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্রেতাদের আনাগোনা লেগেই থাকে এমনকি রাতেও বিক্রি হয়। স্থানীয় বাগান থেকে আশায় তাজা আশফল সহজেই পাওয়া যায়।

ষাটোর্ধ্ব ফল বিক্রেতা মনি কুমার জানান, ৩০ বছর ধরে আমি ফল ব্যবসার সাথে জড়িত। আগের তুলনায় আঁশফলের কদর অনেকটাই বেড়ে গেছে। আমরা ছোটবেলায় কোনদিন এই ফল খাইনি। এগুলো ছিল পাখির খাবার। এইসব গাছ বনে জঙ্গলে এমনিতেই জন্মাতো। আমরা সারাদিন নানা রকমের ফল খেয়েই দিন কাটাতাম। কিন্তু এই আশফল যে খেতে হয় সেটা বুঝতাম না। আজকাল শহরে তো পড়ে থাক গ্রামেই তেমন ফলের গাছ দেখা যায় না। মাঝেমধ্যে বাড়ির আশেপাশে আর রাস্তার পাশে দুই একটা আশফলের গাছ দেখা যায়। কিন্তু ছোট ছেলে মেয়েরা সেগুলোকে পাকতে দেয় না তার আগেই পেরে খেয়ে ফেলে। এখন এই ফল ছোটো থেকে বুড়ো সবাই পছন্দ করে।

ক্রেতা আশিকুর রহমান বলেন, আগের তুলনায় আশপাশের চাহিদা এখন অনেক বেশি। স্কুলগামী ছেলে মেয়েরা আসা যাওয়ার পথেই আশফল দেখলেই কিনতে চায়। আমরা আগে ছোট ছোট আটি দশ বিশ টাকা করে কিনতাম, কিন্তু বর্তমানে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা করে কেজি কিনতে হচ্ছে। লিচুর পরেই সুস্বাদু রসালো এই ফলটি ছেলেমেয়েরা অনেক পছন্দ করে। এই ফলের গাছ যেখানে সেখানেই জন্মায়। কোন যত্ন করা লাগেনা। পাখিরা মুখে করে বীজ নিয়ে যাওয়ার সময় যেখানে পড়ে সেখানেই এই গাছের জন্ম হয়।

তবে বাণিজ্যিকভাবে এই ফলের চাষ করা গেলে আরো ভালো হতো। মাগুরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের এবং সাধারণ মানুষের মাঝে বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা বিতরণ করা হয়, আমার মনে হয় সেইসব গাছের সাথে একটি করে আঁশফলের চারা লাগানোর প্রতি উৎসাহিত করলে আরো ভালো হয়।

কৃষিবিদদের মতে, আশফল বা কাঠ লিচু একটি পুষ্টিকর মৌসুমি ফল। এটি দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ মাটিতে ভালো জন্মে। এই গাছের কোন পরিচর্যা করা লাগেনা। এটা যেখানে সেখানে জন্মানোর কারণে সাধারণত মানুষ কষ্ট করে রোপণ করতে চায় না। তবে নিয়মিত এই গাছের সেচ, জৈব সার এবং আগাছা দমন করলে ফলন আরো বৃদ্ধি পায়।

ফলটিতে ভিটামিন ‘সি’, খাদ্য আঁশ এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি অনেক স্বাস্থ্যকর একটি ফল। এর মানসম্মত চারা রোপণ করে রোগ ও পোকা নিয়মিত দমন করতে পারলে বাণিজ্যিকভাবে আশফল বেশ লাভজনক হতে পারে। আঁশফল একটি সম্ভাবনাময় দেশীয় ফল, যার বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করতে পারলে কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও দেশীয় ফলের বৈচিত্র রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Inauguration of Banpara Municipality Development Project funded by World Bank

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বনপাড়া পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বনপাড়া পৌরসভার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ছবি: সংগৃহীত

নাটোরের বনপাড়া পৌরসভায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক, ড্রেন ও সড়কবাতি নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে রিজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় এ উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বনপাড়া পৌর প্রশাসক মো. জুবায়ের জাহাঙ্গীর, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা হাফসা শারমিন, পৌর প্রকৌশলী মো. জুবায়ের মাহবুব, উপসহকারী প্রকৌশলী রিপন কুমার শীল, উপসহকারী প্রকৌশলী রাউফুল ইসলাম, ৫নং মাঝগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাষক মো. আব্দুল আলিম।

বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ মোল্লা, বনপাড়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান মেমন। জন প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও স্থানীয় সুধীজন।প্রকল্পের আওতায় মহিষভাঙ্গা কাশেম শাহের পুকুর থেকে মহিষভাঙ্গা বটতলা পর্যন্ত চারটি লিংক রোডসহ মোট ৩ হাজার ৫৬৬ মিটার সড়কে বিটুমিনাস কার্পেটিং, ২ হাজার ১৫৩ মিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণ এবং সংশ্লিষ্ট সড়কে আধুনিক সড়কবাতি স্থাপন করা হবে।

প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ১০ কোটি ৪৬ লাখ ৩ হাজার ৬২ টাকা ৮০ পয়সা। তবে চুক্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ কোটি ৬৫ লাখ ৮৭ হাজার ২৮৩ টাকা ৭৩ পয়সা। মেসার্স হোসেন এন্টারপ্রাইজ প্রকল্পটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে। অর্থায়ন করছে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় রয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং বাস্তবায়ন করছে বনপাড়া পৌরসভা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মহিষভাঙ্গা এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে, জলাবদ্ধতা নিরসন হবে এবং নগরবাসীর চলাচল আরও সহজ ও নিরাপদ হবে। পাশাপাশি আধুনিক অবকাঠামো গড়ে ওঠার মাধ্যমে এলাকার সামগ্রিক নাগরিক সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tried to know the problems of citizens KCC Admin

নাগরিকদের সমস্যা জানার চেষ্টা করেছি: কেসিসি প্রশাসক

নাগরিকদের সমস্যা জানার চেষ্টা করেছি: কেসিসি প্রশাসক ছবি: সংগৃহীত

খুলনা সিটি করপোরেশন নাগরিকদের জন্য কাজ করে। সে কারণে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নাগরিকদের সমস্যা ও চাহিদাসমূহ জানার চেষ্টা করেছি। সেগুলিই আগামীতে আমাদের করণীয় নির্ধারণ করে দিয়েছে।

খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘নাগরিক ফোরাম’ কর্তৃক ‘প্রস্তাবিত উন্নয়ন পরিকল্পনা’ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

খুলনা সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশে সংস্থাটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রস্তাবিত উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন নাগরিক ফোরামের মহাসচিব এস. এম ইকবাল হাসান তুহিন।

কেসিসি শিগগিরই বাজেট ঘোষণা করবে উল্লেখ করে প্রশাসক আরো বলেন, উন্নয়ন পরিকল্পনায় যে প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে তা গঠনমূলক, বাস্তবসম্মত এবং অধিকাংশই বাস্তবায়নযোগ্য এবং প্রস্তাবনাসমূহ আমাদের পরিকল্পনার মধ্যেও আছে। এখন শুধু বাস্তবায়নের অপেক্ষা। ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপ্তি, জোয়ারের সময় বৃষ্টির পানি নিস্কাশনে পাম্প স্থাপন, বর্জ্য রিসাইকিং সেন্টার চালু, বাইরে থেকে নগরীতে ইজিবাইকের প্রবেশ বন্ধ, ফুটপথ দখলমুক্ত করা, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে মশক নিধন ইত্যাদি কাজ বাস্তবায়ন করতে পারলে নাগরিক সমস্যা অনেকটাই হ্রাস পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ সকল কাজে শতভাগ সফলতা অর্জনে তিনি বর্জ্য সংরক্ষণ করে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে ৮নং ওয়ার্ডের পিপলস মিলের পশ্চিম ও পূর্বপাশে স্যানিটারি ল্যাট্রিন নির্মাণ, পাওয়ার হাউজ গেট থেকে পিপলস গেট এবং পিপলস গেট থেকে ক্রিসেন্ট গেট পর্যন্ত ড্রেন সংস্কার এবং পাওয়ার হাউজ গেটসংলগ্ন শৌচাগারে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার জন্য প্রস্তাবনা পেশ করা হয়।

নাগরিক ফোরাম চেয়ারপারসন রফিকুল ইসলাম খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো. রেজা রশীদ ও বাজেট কাম একাউন্টস অফিসার মো. মনিরুজ্জামান। সমাপনী বক্তৃতা করেন নাগরিক ফোরাম কো-চেয়ারপার্সন সরদার আবু তাহের। কেসিসির ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও নাগরিক ফোরাম কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এমবি টিভি বাংলার চেয়ারম্যান এস এম রুহুল আমিন মন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারী নেত্রী শামীমা সুলতানা শীলু ও দৈনিক জন্মভূমির নির্বাহী সম্পাদক সরদার আবু তাহের প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Natore natora money robbery natak sales officer of BKash

নাটোরে টাকা ছিনতাইয়ের নাটক, গ্রেপ্তার বিকাশের সেলস অফিসার

নাটোরে টাকা ছিনতাইয়ের নাটক, গ্রেপ্তার বিকাশের সেলস অফিসার ছবি: সংগৃহীত

নাটোরে জুয়া খেলার টাকা জোগাড় করতে সাড়ে তিন লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক করে গ্রেপ্তার হয়েছেন বিকাশের সেলস অফিসার স্বাধীন হোসেন। শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে সদর থানা চত্বরে এক বিফ্রিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে শহরের স্টেশন বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত স্বাধীনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম জানান, গত পহেলা জুলাই বিভিন্ন এজেন্ট পয়েন্টে লেনদেনের জন্য বিকাশের সেলস অফিসার স্বাধীন হোসেনকে নগদ ২ লাখ টাকা এবং বিকাশ হিসাবের মাধ্যমে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ব্যালেন্স দেয়া হয়। সেই টাকা নিয়ে গিয়ে পরে স্বাধীন হোসেন দাবি করেন, সদর উপজেলার নারায়ণপাড়া এলাকায় অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে।

এ ঘটনায় জেলা বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন হাউজের বিজনেস ম্যানেজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর ঘটনার তদন্তে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন, বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে জানতে পারে, সেখানে কোনো ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি।

পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বাধীন হোসেন স্বীকার করেন, জুয়া খেলায় টাকা হারিয়ে আত্মসাতের ঘটনা গোপন করতেই তিনি নিজেই ছিনতাইয়ের মিথ্যা গল্প সাজিয়েছিলেন। আত্মসাৎ হওয়া অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mirza Fakhrul calls for intellectual investment in technological innovation of educated boys and girls

শিক্ষিত ছেলে-মেয়েদের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে মেধা বিনিয়োগের আহ্বান মির্জা ফখরুলের

শিক্ষিত ছেলে-মেয়েদের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে মেধা বিনিয়োগের আহ্বান মির্জা ফখরুলের ছবি: নিউজ বাংলা

দেশকে প্রযুক্তিগত ভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে মেধা বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের মোলানী বাজার, চুনিহাড়ী পশ্চিমপাড়ায় সোলেমান আলীর নিজস্ব উদ্ভাবনী সোলার সেচ পাম্প দেখে মুগ্ধ হয়ে " প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, দেশীয় উদ্ভাবনকে কৃষির উন্নয়নে কাজে লাগাতে উদ্ভাবক মো. সলেমান আলীর মতো তৈরি ‘সলেমান সোলার সেচপাম্প’ সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিবে সরকার। এ জন্য শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের প্রযুক্তিগতভাবে নতুন কিছু করতে এগিয়ে আসতে হবে।

মন্ত্রী বলেন আরও বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্ভাবন কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। কৃষকদের সেচ ব্যয় কমানো এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সৌরশক্তিচালিত এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে কাজ করছে। নতুন নতুন উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা হলে দেশের কৃষি আরও সমৃদ্ধ হবে এবং কৃষকরাও সরাসরি উপকৃত হবেন।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনের আগে মন্ত্রী সোলার সেচপাম্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং উদ্ভাবক মো. সলেমান আলীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন বিশ্বাস সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

p
উপরে