× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Special benefits were given to 150 officers of the three forces who were deprived
google_news print-icon

বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন তিন বাহিনীর বঞ্চিত ১৫০ কর্মকর্তা

বিশেষ-সুবিধা-পাচ্ছেন-তিন-বাহিনীর-বঞ্চিত-১৫০-কর্মকর্তা
ফাইল ছবি

বিগত সরকারের আমলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর ১৫০ জন অবসরপ্রাপ্ত, অপসারণকৃত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্তকৃত (চাকরিচ্যুত) অফিসারকে পুনর্বাসন, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং বকেয়া আর্থিক সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত বুধবার (১ জুলাই) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর চাকরিতে বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হওয়া অবসরপ্রাপ্ত, অপসারণকৃত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্তকৃত অফিসারদের আবেদন পর্যালোচনাপূর্বক সুপারিশ পেশের জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটি এবং বাহিনীর সদর দপ্তরগুলোর পর্ষদ্গুলোর প্রস্তাব ও সুপারিশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যালোচনা করে’ এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশের আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১১৫ জন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২১ জন এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ১৪ জন অফিসারকে তাদের যোগ্যতানুযায়ী স্বাভাবিক অবসর, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিসহ স্বাভাবিক অবসর, অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসর বা পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিধি অনুযায়ী তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা, আর্থিক সুবিধা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিশেষ আর্থিক প্রণোদনাও দেওয়া হবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Inus involvement found in Shapla Chattar incident Chief Prosecutor

শাপলা চত্বরের ঘটনায় ইনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

শাপলা চত্বরের ঘটনায় ইনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর প্রাথমিক সম্পৃক্তকতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) (সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ওই ঘটনা নিয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর অভিযোগ করেছিলেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে করা এই অভিযোগে মোট ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

এই মামলায় গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, একাত্তর মিডিয়া লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু এবং সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

এদিকে গত ১০ জুন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৪ দলীয় জোটের শরিক জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
34 officials have been promoted to the post of Assistant Secretary

৩৪ কর্মকর্তাকে সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি

৩৪ কর্মকর্তাকে সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি ফাইল ছবি

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৩৪ জন কর্মকর্তাকে সহকারী সচিব (ক্যাডার বহির্ভূত) পদে পদোন্নতি দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সহকারী সচিব শিফা নুসরাত।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ের ১ জুলাই ২০২৬ তারিখের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচিত কর্মকর্তাদের জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ৯ম গ্রেডের (২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা) সহকারী সচিব (ক্যাডার বহির্ভূত) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাদের মধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, আইন ও বিচার বিভাগ, পরিকল্পনা বিভাগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা রয়েছেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ পদোন্নতির আদেশ জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The process of promotion to the post of head teacher has started in primary 

প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু 

প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু  ফাইল ছবি

দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য থাকা ৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) কাছে আজকের মধ্যেই চাহিদা পাঠানো হবে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এর আগে অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি) বিধিমালার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি ইত্যাদি সংক্রান্ত বিধির অংশবিশেষ অবৈধ ঘোষণার রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল মঞ্জুর করেছেন আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন। এর ফলে সরকার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিকের পাশাপাশি মাধ্যমিক ও কলেজেও শিক্ষকের পদ শূন্য থাকার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল ফোনে আদালতের রায় জানানোর সঙ্গে সঙ্গে তিনি পিএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছেন। পিএসসি চেয়ারম্যান দ্রুত চাহিদা দিতে বলেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যেই পিএসসিতে চাহিদা পাঠানো হয়েছে, যাতে পিএসসি বিশেষভাবে এই নিয়োগ দিতে পারে।

উচ্চ আদালতের রায়ের পর শূন্য থাকা ৩৬২৩৫টি প্রধান শিক্ষকের পদে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়ার পর সহকারী শিক্ষকের এই পদগুলোও শূন্য হবে। বর্তমানে সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য আছে ২২০০ এর বেশি। অর্থাৎ প্রধানশিক্ষক পদে পদোন্নতির পর সহকারী শিক্ষকের ৩৮ হাজারের বেশি পদ শূন্য হবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি দশম গ্রেডের। এ জন্য এ পদে পদোন্নতির ফাইল পিএসসিতে পাঠাতে হয় বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা। বর্তমান নিয়োগবিধি অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক পদে ৮০ শতাংশ নিয়োগ হয় সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে। আর সরাসরি নিয়োগ হয় ২০ শতাংশ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী উচ্চ আদালতের রায়ের পর শূন্য থাকা ৩৬ হাজার ২৩৫টি প্রধান শিক্ষকের পদে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়ার পর সহকারী শিক্ষকের এই পদগুলোও শূন্য হবে। বর্তমানে সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য আছে ২ হাজার ২০০ এর বেশি। অর্থাৎ প্রধানশিক্ষক পদে পদোন্নতির পর সহকারী শিক্ষকের ৩৮ হাজারের বেশি পদ শূন্য হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ৩৬ হাজার ২৩৫টি প্রধান শিক্ষকের পদ নিয়োগের পর অবিলম্বে তাঁরা ৩৮ হাজার ৪৩৩টি সহকারী শিক্ষকও নিয়োগ দেওয়া যাবে। এটি একটি সুখবর।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস।

বর্তমানে সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজারের বেশি। অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি) বিধিমালার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি ইত্যাদি সংক্রান্ত ৯(১) বিধির অংশবিশেষ চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে রিট হয়েছিল। রিটটি করেছিলেন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জাতীয়করণ করা বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা।

প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে ওই বিধির অংশবিশেষ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে, যা ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ।

পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়। লিভ টু আপিল মঞ্জুরের পর ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিকে সরাসরি নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকেরাও আপিল বিভাগে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আপিল মঞ্জুর করে রায় দেন আপিল বিভাগ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BGB strict on Teknaf border to prevent Rohingya infiltration
মিয়ানমারে সংঘাত

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির কড়াকড়ি

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির কড়াকড়ি ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সামরিক জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘাত চলছে। সীমান্তের ওপারে বিমান হামলার পর কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সম্ভাব্য রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও সীমান্তপথে চোরাচালান ঠেকাতে স্থল ও নৌ টহল বাড়ানোর পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে টেকনাফ-২ বিজিবির লেফটেন্যান্ট ফুয়াদ রহমানের নেতৃত্বে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া, বরইতলী ও জাদিমোড়া সীমান্ত এলাকায় বিজিবির বিশেষ টহল পরিচালিত হয়। একই সময়ে নাফ নদীতে নৌ টহল জোরদার করা হয়। এছাড়া টেকনাফ সদর থেকে শাহপরীর দ্বীপ ও হ্নীলা পর্যন্ত পুরো সীমান্তজুড়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে নতুন করে কোনো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বা অবৈধ কর্মকাণ্ড ঘটতে না পারে।

এর আগে, গত বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার পর মিয়ানমারের মংডু ও আশপাশের এলাকায় কয়েক দফা বিমান হামলার বিকট শব্দ টেকনাফ সীমান্ত পর্যন্ত ভেসে আসে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকেও আবার বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এতে সীমান্তবর্তী এলাকায় সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রথমে ভূমিকম্প হয়েছে; মনে করে ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘সীমান্তের ওপারে বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ সৃষ্টি হলেও বাংলাদেশের সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।’

শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছৈয়দ আলম জানান, বুধবার রাতে কয়েকটি বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। গত বৃহস্পতিবার সকালেও একটি বিস্ফোরণের শব্দ হয়। পরে সীমান্তের ওপারে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। এসব ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তার শঙ্কায় নাফ নদীতে অনেক জেলেও মাছ ধরতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না।

এদিকে, একটি রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা আজম উল্লাহ দাবি করেন, বুথিডং এলাকার চারলাইন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনী বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে কয়েকটি রোহিঙ্গা গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এক শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য, চলমান হামলার কারণে সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের বিকট শব্দ টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও শোনা গেছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ছাড়া সীমান্তে অহেতুক ঘোরাঘুরি না করতে অনুরোধ করা হয়েছে। আর সীমান্তে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, টানা ১১ মাসের সংঘাতের পর ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর রাখাইন রাজ্যের মংডু, বুথিডং ও রাথেডং টাউনশিপসহ বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীকে হটিয়ে দেয় আরাকান আর্মি। বর্তমানে এসব এলাকার বিপরীতে বাংলাদেশের টেকনাফ, উখিয়া ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা অবস্থিত। তবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে আরাকান আর্মির অবস্থান লক্ষ্য করে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী নতুন করে বিমান ও স্থল হামলা শুরু করে। একই সময়ে রাখাইনের বিভিন্ন এলাকায় আরাকান আর্মির সঙ্গে কয়েকটি রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষও অব্যাহত রয়েছে। ফলে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wife sentenced to death for killing husband in 6 pieces

স্বামীকে ৬ টুকরা করে হত্যার দায়ে স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

স্বামীকে ৬ টুকরা করে হত্যার দায়ে স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মহাখালীতে স্বামীকে ৬ টুকরা করে হত্যার দায়ে স্ত্রী শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকার ১৬তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নাজমুন নাহার নিপু এ রায় ঘোষণা করেন।

বিচারক আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি লাশ গুমের অপরাধে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। সে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামরার নথি থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩০ মে রাত সাড়ে ১০টায় রাজধানীর মহাখালীর আমতলী এলাকায় একটি ড্রাম থেকে এক ব্যক্তির মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে বনানী থানা পুলিশ। একইদিন রাত ১১টার পর মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টারের কাছ থেকে একটি ব্যাগের মধ্যে উরু থেকে খণ্ডিত দুইটি পা এবং কাঁধ থেকে খণ্ডিত দুটি হাতের অংশ উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ। দুই দিনে ছয় টুকরা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নথি থেকে আরও জানা গেছে, রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগ। প্রায় ১২ ঘণ্টার অভিযান শেষে গ্রেপ্তার করা হয় ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীকে। জিজ্ঞাসাবাদে শিল্পী পুলিশকে জানায়, পারিবারিক কলহ, টাকা-পয়সা বণ্টন ও একাধিক বিয়েকে কেন্দ্র করে স্বামী ময়না মিয়া ওরফে শাকিলের সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়। পরে শিল্পী পরিকল্পনা মাফিক তার অটোরিকশা চালক স্বামীকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে নিস্তেজ করেন। এক পর্যায়ে গলাকেটে হত্যা করে লাশ ছয় টুকরা করেন। লাশ টুকরার পরে একটি লাল রঙের কাপড়ের ব্যাগে মাথা, শরীরের মূল অংশকে একটি নীল রঙের পানির ড্রামে এবং খণ্ডিত দুই পা ও দুই হাতকে একটি বড় কাপড়ের ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখেন আসামি শিল্পী। এরপরে ১৩০০ টাকায় রিকশা ভাড়া করে প্রথমে আমতলী এলাকায় শরীরের মূল অংশ ফেলে দেন, পরবর্তীতে মহাখালী এনা বাস কাউন্টারের সামনে খণ্ডিত দুই হাত, দুই পা ভর্তি ব্যাগ রেখে দিয়ে চলে আসেন বাসায়। এরপর খণ্ডিত মাথা রাখা ব্যাগ নিয়ে গুলশান লেকে ফেলে দিয়ে বাসায় চলে আসেন।

এজাহারে বলা আছে, ময়না মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ১ জুন এ মামলাটি করেন। গ্রেপ্তারের পর আসামি শিল্পী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মতে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরবর্তীতে ডিবি পুলিশ পরিদর্শক কাজী শরীফুল ইসলাম ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২৩ সালের ১২ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে এ রায় ঘোষণা করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
422 arrested in special operation of DMP in 24 hours

২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪২২

২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪২২ ফাইল ছবি

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ৮৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ কর্তৃক ৪৪ জন, লালবাগ বিভাগ কর্তৃক ১৯ জন, ওয়ারী বিভাগ কর্তৃক ৫৫ জন, মতিঝিল বিভাগ কর্তৃক ৪৩ জন, তেজগাঁও বিভাগ কর্তৃক ৮২ জন, মিরপুর বিভাগ কর্তৃক ৯৬ জন, গুলশান বিভাগ কর্তৃক ৩৪ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক ৫ জন গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাদের হেফাজত হতে ১ কেজি ৩৫৫ গ্রাম গাঁজা, ১০ হাজার ৫২৪ পিস ইয়াবা, ৫৩ গ্রাম হেরোইন, ১টি শর্টগান, ১টি ছুরি, ১টি রড, ১টি স্ক্রু ড্রাইভার, একটি হেক্সো ব্লেড, ১টি ল্যাপটপ, ১টি এসএসডি, ১৫টি মোবাইল, ১৬০টি সিম কার্ড, ১টি প্রাইভেটকার, ১টি ট্রাক, ১টি স্কুল ব্যাগ এবং নগদ ২ হাজার ৮৮০ টাকা উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

মন্তব্য

p
উপরে