× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
422 arrested in special operation of DMP in 24 hours
google_news print-icon

২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪২২

২৪-ঘণ্টায়-ডিএমপির-বিশেষ-অভিযানে-গ্রেপ্তার-৪২২
ফাইল ছবি

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ৮৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ কর্তৃক ৪৪ জন, লালবাগ বিভাগ কর্তৃক ১৯ জন, ওয়ারী বিভাগ কর্তৃক ৫৫ জন, মতিঝিল বিভাগ কর্তৃক ৪৩ জন, তেজগাঁও বিভাগ কর্তৃক ৮২ জন, মিরপুর বিভাগ কর্তৃক ৯৬ জন, গুলশান বিভাগ কর্তৃক ৩৪ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক ৫ জন গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাদের হেফাজত হতে ১ কেজি ৩৫৫ গ্রাম গাঁজা, ১০ হাজার ৫২৪ পিস ইয়াবা, ৫৩ গ্রাম হেরোইন, ১টি শর্টগান, ১টি ছুরি, ১টি রড, ১টি স্ক্রু ড্রাইভার, একটি হেক্সো ব্লেড, ১টি ল্যাপটপ, ১টি এসএসডি, ১৫টি মোবাইল, ১৬০টি সিম কার্ড, ১টি প্রাইভেটকার, ১টি ট্রাক, ১টি স্কুল ব্যাগ এবং নগদ ২ হাজার ৮৮০ টাকা উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Wife sentenced to death for killing husband in 6 pieces

স্বামীকে ৬ টুকরা করে হত্যার দায়ে স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

স্বামীকে ৬ টুকরা করে হত্যার দায়ে স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মহাখালীতে স্বামীকে ৬ টুকরা করে হত্যার দায়ে স্ত্রী শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকার ১৬তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নাজমুন নাহার নিপু এ রায় ঘোষণা করেন।

বিচারক আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি লাশ গুমের অপরাধে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। সে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামরার নথি থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩০ মে রাত সাড়ে ১০টায় রাজধানীর মহাখালীর আমতলী এলাকায় একটি ড্রাম থেকে এক ব্যক্তির মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে বনানী থানা পুলিশ। একইদিন রাত ১১টার পর মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টারের কাছ থেকে একটি ব্যাগের মধ্যে উরু থেকে খণ্ডিত দুইটি পা এবং কাঁধ থেকে খণ্ডিত দুটি হাতের অংশ উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ। দুই দিনে ছয় টুকরা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নথি থেকে আরও জানা গেছে, রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগ। প্রায় ১২ ঘণ্টার অভিযান শেষে গ্রেপ্তার করা হয় ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীকে। জিজ্ঞাসাবাদে শিল্পী পুলিশকে জানায়, পারিবারিক কলহ, টাকা-পয়সা বণ্টন ও একাধিক বিয়েকে কেন্দ্র করে স্বামী ময়না মিয়া ওরফে শাকিলের সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়। পরে শিল্পী পরিকল্পনা মাফিক তার অটোরিকশা চালক স্বামীকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে নিস্তেজ করেন। এক পর্যায়ে গলাকেটে হত্যা করে লাশ ছয় টুকরা করেন। লাশ টুকরার পরে একটি লাল রঙের কাপড়ের ব্যাগে মাথা, শরীরের মূল অংশকে একটি নীল রঙের পানির ড্রামে এবং খণ্ডিত দুই পা ও দুই হাতকে একটি বড় কাপড়ের ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখেন আসামি শিল্পী। এরপরে ১৩০০ টাকায় রিকশা ভাড়া করে প্রথমে আমতলী এলাকায় শরীরের মূল অংশ ফেলে দেন, পরবর্তীতে মহাখালী এনা বাস কাউন্টারের সামনে খণ্ডিত দুই হাত, দুই পা ভর্তি ব্যাগ রেখে দিয়ে চলে আসেন বাসায়। এরপর খণ্ডিত মাথা রাখা ব্যাগ নিয়ে গুলশান লেকে ফেলে দিয়ে বাসায় চলে আসেন।

এজাহারে বলা আছে, ময়না মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ১ জুন এ মামলাটি করেন। গ্রেপ্তারের পর আসামি শিল্পী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মতে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরবর্তীতে ডিবি পুলিশ পরিদর্শক কাজী শরীফুল ইসলাম ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২৩ সালের ১২ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে এ রায় ঘোষণা করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Former MP in jail after remand in anti terror law case

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক এমপি

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক এমপি ছবি: সংগৃহীত

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় নীলফামারী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আশিকা সুলতানাকে (৪৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করে পুলিশ।

এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে, গত ২৫ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম এ মামলায় তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক দ্বিতীয় দফায় তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৯ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠনের কতিপয় সদস্য পূর্বঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মিরপুর মডেল থানার মিরপুর-১ অ্যাপেক্স ভবনসংলগ্ন বাটা শো-রুমের সামনের পাকা রাস্তার ওপর জমায়েত হয়ে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করার উদ্দেশ্যে মিছিল করছিলেন। যার ফলে উপস্থিত জনগণের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি হয়।

ঘটনার দিন মিরপুর মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Daylong protest program of Sunamganj Medical College students

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের দিনভর বিক্ষোভ কর্মসূচি

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের দিনভর বিক্ষোভ কর্মসূচি ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) শিক্ষকদের ভেতরে রেখে একাডেমিক ভবনের বাইরে তালা দিয়ে দিনভর বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। এসময় তাদের গেটে মুলা ঝুঁলিয়ে রাখতে দেখা যায়। হাসপাতাল চালু ও মেডিকেল কলেজে শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের ১১ তম দিনে বৃহস্পতিবার (জুলাই) বেলা ১১টা থেকে এই কর্মসূচি পালন করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এর আগে সকালে মেডিকেল কলেজের নোটিশ বোর্ড ও বিশ্ব বিদ্যালয়ের পেইজে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বুধবারের সভার কার্যবিবরণি প্রচার হলে শিক্ষার্থীররা আরও বিক্ষুব্ধ হয়। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এটি ‘ফেইক’ দাবি করে স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে সরাসরি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার দাবি জানানো হয়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, এর আগেও একইভাবে আমাদের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেবার জন্য নানাভাবে ধামাচাপা দেবার চেষ্টা হয়েছে। এবারও তাই হচ্ছে। কোন ধরণের বিভ্রান্তিতে নিজেদের যুক্ত না করার জন্য তাদেরকে সমর্থনকারী স্থানীয় জনসাধারণসহ সকলের প্রতি অনুরোধ জানান শিক্ষার্থী সংগঠকরা।

মেডিকেলের অধ্যক্ষ ডা. মোস্তাক আহমদ বললেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে কলেজের পক্ষ থেকে করা দীর্ঘ বৈঠকে সকল সমস্যা তুলে ধরা হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের প্রায় সকল দাবি যেমন শিক্ষক নিয়োগ দুই দফায় নয়জন প্রদান করা হয়। দুয়েক দিনের মধ্যে হাসপাতালের পরিচালক নিয়োগ এবং ছয় সপ্তাহের মধে হাসপাতালে বহি:বিভাগ এবং অক্টোবর থেকে অন্ত:বিভাগ চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য আরও একটি বাস দেবারও সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীরা এটি মানতে নারাজ। তারা তিন সপ্তাহের মধ্যে আউটডোর এবং ছয় সপ্তাহের মধ্যে ইনডোর চালু চায়। এছাড়া স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি এসব ‘রোড ম্যাপ’ জানতে চায় তারা। আমাদের অনুরোধ ছিল সবকিছুই প্রশাসনিক নিয়ম কানুনের মধ্যে চলে, তারা এটি শুনতে নারাজ। তারা শিক্ষকদের তালাবদ্ধ রেখে ভালো করেনি বলে মন্তব্য করেন অধ্যক্ষ।

বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে রোড ম্যাপ বাস্তবায়নে লিখিতভাবে সুনিষ্টি কোন ধরণের আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত আমরা ক্লাসে ফিরে যাব না। দাবি দাওয়া বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sumaiyas HSC exam was not given due to the negligence of the principal

অধ্যক্ষের গাফলতিতে দেওয়া হলো না সুমাইয়ার এইচএসসি পরীক্ষা

অধ্যক্ষের গাফলতিতে দেওয়া হলো না সুমাইয়ার এইচএসসি পরীক্ষা ছবি: সংগৃহীত

বোর্ডের ফি জমা দিয়ে, দিনরাত পড়াশোনা করে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছিল পিতৃহীন সুমাইয়া খাতুন। স্বপ্ন ছিল এইচএসসি পাস করে নিজের পায়ে দাঁড়াবে, সংসারের হাল ধরবে। কিন্তু কেন্দ্রের দিন সকালে পরীক্ষার হলে গিয়ে সে জানতে পারল, তার প্রবেশপত্রই (এডমিট কার্ড) আসেনি।

কলেজের অধ্যক্ষের চরম গাফলতি আর উদাসীনতায় পরীক্ষার হলে বসার আগেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল এতিম পরীক্ষার্থীর। এই ঘটনাটি ঘটেছে সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা ডিগ্রি কলেজে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবার জানায়, সুমাইয়া খাতুন চন্দনবাইশা উত্তরপাড়া এলাকার অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। ছোটবেলাতেই বাবাকে হারিয়ে মায়ের টানে আর নিজের অদম্য ইচ্ছায় পড়ালেখা চালিয়ে আসছিল সে। চলতি বছরের মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য কলেজের নিয়ম অনুযায়ী ফরম পূরণের যাবতীয় ফি সময়মতো পরিশোধ করেছিল সুমাইয়া।

পরীক্ষার আগের দিন পর্যন্ত সে কলেজের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে প্রবেশপত্রের জন্য যোগাযোগ করে। তখন তাকে জানানো হয়, পরীক্ষার দিন সকালে কেন্দ্রেই তাকে প্রবেশপত্র দিয়ে দেওয়া হবে। শিক্ষকের দেওয়া সেই আশ্বাসে আশ্বস্ত হয়ে যথাসময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হয় সুমাইয়া। কিন্তু সেখানে গিয়ে জানতে পারে, কলেজ কর্তৃপক্ষ তার ফরম পূরণের টাকাই বোর্ডে জমা দেয়নি! ফলে তার নামে কোনো প্রবেশপত্রই ইস্যু হয়নি।

এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমাইয়া ফেরদৌস জানান, অধ্যক্ষের কাছে পরীক্ষা দিতে না পারার বিষয়ে লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে। উপজেলার সচেতন মহল দাবি জানিয়েছেন, অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী অধ্যক্ষ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিক্ষার্থীর জীবন নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলার সাহস কেউ না পায়।

একই সাথে, বিশেষ বিবেচনায় পরীক্ষা নেওয়ার কোনো বিকল্প ব্যবস্থা করা যায় কি না, সে বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Handicapped youth dies after being tortured by being tied to a tree on suspicion of being a thief

চোর সন্দেহে গাছে বেঁধে নির্যাতন, নড়াইলে প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

চোর সন্দেহে গাছে বেঁধে নির্যাতন, নড়াইলে প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু ছবি: সংগৃহীত

বুধবার (১ জুলাই) রাতে নড়াইল সদর উপজেলার গোবরা গ্রামের মালো পাড়ায় গরু চোর সন্দেহে আনোয়ার হোসেন (৩২) নামে এক মানষিক প্রতিবন্ধী যুবককে গাছে বেধে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে সে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। আনায়ার হোসেন নড়াইল সদর উপজেলার বাসগ্রাম গ্রামের মৃত কাওছার মোল্যার ছেলে।

এই নারকীয় হত্যার বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (২ জুন) বিকেলে বাসগ্রাম বাজার এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মানববন্ধনে এলাকার কয়েকশ মানুষ অংশ নেয়। এ ঘটনায় সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, আনোয়ার মানসিক প্রতিবন্ধী। গত ২৪ জুন সকালে তিনি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি। পরদিন সকালে পরিবারের সদস্যরা নড়াইল জেলা হাসপাতালে গিয়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন দেখতে পান।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার গোবরা মালোপাড়া এলাকার প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, সৌরভ বিশ্বাস, অপূর্ব বিশ্বাস, আকাশ বিশ্বাস ও হৃদয় বিশ্বাসসহ কয়েকজন আনোয়ারকে চুরির অভিযোগে ধরে নিয়ে যান। পরে তাকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাতভর মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে আনোয়ার মারা যান। নিহতের ময়নাতদন্ত শেষ হলে তার মরদেহ সদর উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের বাঁশগ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা এলাকা ছাড়া। মামলার প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে নাম থাকা প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের মা ছায়া রানী (ছদ্মনাম) দাবি করেন, আনোয়ার একটি ভ্যানের কাছে গিয়ে শিকল ধরে টানাটানি করছিল। তার ছেলে চোর বলে চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। কে বা কারা তাকে মারধর করেছেন, তা তিনি জানেন না। তার দাবি করেন, তার ছেলে আনোয়ারকে হাসপাতালে ভর্তি করে।

সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, এক যুবককে মারধরের ঘটনার মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রুপান্তরিত হবে। এছাড়া মামলার আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Thousands of people are suffering from the bad condition of Chandanbaisha Bogra road

চন্দনবাইশা-বগুড়া সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

চন্দনবাইশা-বগুড়া সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ ছবি: সংগৃহীত

বগুড়া জেলা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চন্দনবাইশা-বগুড়ার ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের বেহাল দশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। প্রতিনিয়ত বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের অতিরিক্ত বোঝাইয়ের চাপে সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। গত কয়েক বছরে ভারিবর্ষণে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তে পানি জমে সড়কটি এখন রীতিমতো যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, ভারী যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও সড়কটি দ্রুত সংস্কার না করা হলে আসন্ন বর্ষায় সড়কটি সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়বে এবং দুর্ঘটনা আরও বাড়বে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চর ও বীর এলাকার চন্দনবাইশা, কাজলা, কর্নিবাড়ী, কুতুবপুর,কামালপুর ইউনিয়নে ১৩টি পয়েন্টে বিট ও মোটা বালু বিক্রয় চলছে। সেসব এলাকার উত্তোলণকৃত বালু ড্রাম ট্রাকে করে নিজ জেলা ও বিভিন্ন জেলায় নিয়ে যাওয়া হয়। অতিরিক্ত বোজাই বহণকারি ড্রাম ট্রাকে রাস্তায় ছোট-বড় অসংখ্য গর্তে সৃষ্টি হয়েছে। চন্দনবাইশা থেকে বগুড়া পর্যন্ত সড়কটি জেলা শহরে যাতায়াতের অন্যতম সড়ক হওয়ায় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সিএনজি চালিত থ্রি-হুইলার, ভ্যান, রিকশা, মোটরসাইকেলসহ হাজারো মানুষ চলাচল করে।

সাম্প্রতিক সময়ে রৌহদহ, কড়িতলা, জোড়গাছা অংশে বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের চলাচল বেড়ে যাওয়ায় সড়কের বিভিন্ন স্থানের কার্পেটিং ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। ভাঙাচোরা ও গর্তযুক্ত সড়কে হেঁটে চলাচল করাও এখন দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

২০২৩ সালে সড়কটির সংস্কার কাজ শেষ হয়। কিন্তু কয়েক মাস না যেতেই বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। পরে আবার মেরামত করা হলেও অল্পদিনের মাথায় সড়কটি আবারও নষ্ট হয়ে যায়। বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চলাচলের ফলে রাস্তার ধুলো ময়লা ঘরের ভিতর ঢুকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে রান্না করা খাবার, শয়ন ঘরের চাল ও বেড়ার টিন। রাতে ড্রাম ট্রাকের হর্ণের শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যাচ্ছে। কোমলমতি শিশুদের শব্দ দূষণে মস্তিস্কের ক্ষতি হচ্ছে। রোগীদের জন্য আরও কষ্টকর হয়ে ওঠে।

ঘুঘুমারী গ্রামের কুদরত-ই-খুদা চাঁন বলেন, “বালুবাহী ট্রাকের কারণে সড়কটির যে অবস্থা, তাতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হয় রোগী ও তাদের স্বজনদের। চরের ৫টি ইউনিয়নের মানুষ জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা-যাওয়া করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

অটোরিকশা চালক হাসেম আলী বলেন, এই রাস্তা দিয়ে যাত্রী তুলতে গেলে প্রতিদিনই গাড়ির ঝাঁকুনিতে যান্ত্রিক ত্রুটি হয়। মাঝেমধ্যে গর্তের কারণে গাড়ি থেকে যাত্রী পড়ে গিয়েও দুর্ঘটনা ঘটছে। শেখপাড়া গ্রামের সোহান শেখ অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

জোড়গাছা গ্রামের তাজুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত বোঝাই বহনাকারী যানবহনের কারণে জোড়গাছার সোনাপুর, পূর্বপাড়া, মধ্যপাড়া ও পশ্চিমপাপড়া এলাকার সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঈদুল আযহার কয়েকদিন আগে ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (পশ্চিমপাড়া) এর সামনে সড়কে গরু বোঝাই ভটভটি উল্টে গিয়ে একজনের পা ভেঙে গরুতর আহত হয়। এছাড়া প্রতিনিয়ত সেখানে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ৭নং ওয়ার্ড সদস্য এবং চাঁদের আলো গ্রুপ অব কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক মহিদুল হাসান জানান, চন্দনবাশা-চেলোপাড়াগামী সড়কটি অতি পুরাতন হলেও এই সড়কে টেকসই সংস্কার হয়না। সড়কের কোথাও কোনো স্থানে ছোট-ছোট গর্ত হওয়ার সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট দপ্তর যদি সেটি সংস্কার করেন তাহলে বড় সড়কে গর্তের সৃষ্টি হতো না সরকারের অর্থেরও অপচয় কম হতো, কোনো দুর্ঘটনাও ঘটত না।

এ ব্যাপারে সারিয়াকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী তুহিন সরকার বলেন, এ ধরনের ভারী যানবাহন, বিশেষ করে বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চলাচলের জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সড়কটি দ্রুত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মন্তব্য

p
উপরে