× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
HSC Alim and BM exam held in Gangachra in a cheating free environment
google_news print-icon

নকলমুক্ত পরিবেশে গঙ্গাচড়ায় এইচএসসি, আলিম ও বিএম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

নকলমুক্ত-পরিবেশে-গঙ্গাচড়ায়-এইচএসসি-আলিম-ও-বিএম-পরীক্ষা-অনুষ্ঠিত
ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার চারটি কেন্দ্রে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি), আলিম ও কারিগরি (বিএম) শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চারটি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ হাজার ২৩৫ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ হাজার ১৯৫ জন এবং অনুপস্থিত ছিল ৪০ জন। কেন্দ্রভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, গঙ্গাচড়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে মোট ৩৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩৭ জন উপস্থিত ছিল এবং ৫ জন অনুপস্থিত। গঙ্গাচড়া মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ৪৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৫৬ জন উপস্থিত এবং ২২ জন অনুপস্থিত ছিল। কারিগরি (বিএম) কেন্দ্রের ২২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২১৯ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়, অনুপস্থিত ছিল ২ জন। অপরদিকে হাজী দেলোয়ার হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থী ছিল ১৯৪ জন। এর মধ্যে ১৮৩ জন উপস্থিত এবং ১১ জন অনুপস্থিত ছিল।

পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত রাখতে প্রতিটি কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া অন্য ব্যক্তিদের প্রবেশে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আওতায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কেন্দ্রগুলোতে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন।

পরীক্ষা চলাকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় বলেন, প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির ফলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রথম দিনের পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যেও স্বস্তি বিরাজ করছে। আগামী পরীক্ষাগুলোও একইভাবে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Thousands of people are suffering from the bad condition of Chandanbaisha Bogra road

চন্দনবাইশা-বগুড়া সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

চন্দনবাইশা-বগুড়া সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ ছবি: সংগৃহীত

বগুড়া জেলা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চন্দনবাইশা-বগুড়ার ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের বেহাল দশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। প্রতিনিয়ত বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের অতিরিক্ত বোঝাইয়ের চাপে সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। গত কয়েক বছরে ভারিবর্ষণে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তে পানি জমে সড়কটি এখন রীতিমতো যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, ভারী যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও সড়কটি দ্রুত সংস্কার না করা হলে আসন্ন বর্ষায় সড়কটি সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়বে এবং দুর্ঘটনা আরও বাড়বে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চর ও বীর এলাকার চন্দনবাইশা, কাজলা, কর্নিবাড়ী, কুতুবপুর,কামালপুর ইউনিয়নে ১৩টি পয়েন্টে বিট ও মোটা বালু বিক্রয় চলছে। সেসব এলাকার উত্তোলণকৃত বালু ড্রাম ট্রাকে করে নিজ জেলা ও বিভিন্ন জেলায় নিয়ে যাওয়া হয়। অতিরিক্ত বোজাই বহণকারি ড্রাম ট্রাকে রাস্তায় ছোট-বড় অসংখ্য গর্তে সৃষ্টি হয়েছে। চন্দনবাইশা থেকে বগুড়া পর্যন্ত সড়কটি জেলা শহরে যাতায়াতের অন্যতম সড়ক হওয়ায় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সিএনজি চালিত থ্রি-হুইলার, ভ্যান, রিকশা, মোটরসাইকেলসহ হাজারো মানুষ চলাচল করে।

সাম্প্রতিক সময়ে রৌহদহ, কড়িতলা, জোড়গাছা অংশে বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের চলাচল বেড়ে যাওয়ায় সড়কের বিভিন্ন স্থানের কার্পেটিং ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। ভাঙাচোরা ও গর্তযুক্ত সড়কে হেঁটে চলাচল করাও এখন দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

২০২৩ সালে সড়কটির সংস্কার কাজ শেষ হয়। কিন্তু কয়েক মাস না যেতেই বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। পরে আবার মেরামত করা হলেও অল্পদিনের মাথায় সড়কটি আবারও নষ্ট হয়ে যায়। বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চলাচলের ফলে রাস্তার ধুলো ময়লা ঘরের ভিতর ঢুকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে রান্না করা খাবার, শয়ন ঘরের চাল ও বেড়ার টিন। রাতে ড্রাম ট্রাকের হর্ণের শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যাচ্ছে। কোমলমতি শিশুদের শব্দ দূষণে মস্তিস্কের ক্ষতি হচ্ছে। রোগীদের জন্য আরও কষ্টকর হয়ে ওঠে।

ঘুঘুমারী গ্রামের কুদরত-ই-খুদা চাঁন বলেন, “বালুবাহী ট্রাকের কারণে সড়কটির যে অবস্থা, তাতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হয় রোগী ও তাদের স্বজনদের। চরের ৫টি ইউনিয়নের মানুষ জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা-যাওয়া করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

অটোরিকশা চালক হাসেম আলী বলেন, এই রাস্তা দিয়ে যাত্রী তুলতে গেলে প্রতিদিনই গাড়ির ঝাঁকুনিতে যান্ত্রিক ত্রুটি হয়। মাঝেমধ্যে গর্তের কারণে গাড়ি থেকে যাত্রী পড়ে গিয়েও দুর্ঘটনা ঘটছে। শেখপাড়া গ্রামের সোহান শেখ অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

জোড়গাছা গ্রামের তাজুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত বোঝাই বহনাকারী যানবহনের কারণে জোড়গাছার সোনাপুর, পূর্বপাড়া, মধ্যপাড়া ও পশ্চিমপাপড়া এলাকার সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঈদুল আযহার কয়েকদিন আগে ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (পশ্চিমপাড়া) এর সামনে সড়কে গরু বোঝাই ভটভটি উল্টে গিয়ে একজনের পা ভেঙে গরুতর আহত হয়। এছাড়া প্রতিনিয়ত সেখানে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।

ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ৭নং ওয়ার্ড সদস্য এবং চাঁদের আলো গ্রুপ অব কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক মহিদুল হাসান জানান, চন্দনবাশা-চেলোপাড়াগামী সড়কটি অতি পুরাতন হলেও এই সড়কে টেকসই সংস্কার হয়না। সড়কের কোথাও কোনো স্থানে ছোট-ছোট গর্ত হওয়ার সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট দপ্তর যদি সেটি সংস্কার করেন তাহলে বড় সড়কে গর্তের সৃষ্টি হতো না সরকারের অর্থেরও অপচয় কম হতো, কোনো দুর্ঘটনাও ঘটত না।

এ ব্যাপারে সারিয়াকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী তুহিন সরকার বলেন, এ ধরনের ভারী যানবাহন, বিশেষ করে বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চলাচলের জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সড়কটি দ্রুত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 thousand patients received free eye treatment camp in Paikgacha

পাইকগাছায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, ৩ হাজার রোগী পেলেন সেবা

পাইকগাছায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, ৩ হাজার রোগী পেলেন সেবা ছবি: সংগৃহীত

খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় অসহায়, স্বল্প আয়ের ও চিকিৎসা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও ছানি অপারেশন চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ক্যাম্পে প্রায় তিন হাজার রোগীর চোখ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় এবং পাঁচ শতাধিক রোগীকে ছানি অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রোটারি ক্লাব অব মিডটাউনের উদ্যোগে এবং বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল ও ফ্রেড হলোস ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় দিনব্যাপী এই চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রোটারি ক্লাব অব মিডটাউনের সভাপতি রোটারিয়ান সোহাগ মিনা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, খুলনা জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ও জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, অত্যাধুনিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত অসহায় ও স্বল্প আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র চিকিৎসা সেবা নয়, বরং মানবতার সেবা। রোটারি ক্লাব ও চিকিৎসকরা তাদের মেধা ও দক্ষতাকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মানবতার সেবা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের চিকিৎসা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই তিনি নিজ নির্বাচনি এলাকায় এসে এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

চিকিৎসা ক্যাম্পে বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা প্রায় তিন হাজার রোগীর চক্ষু পরীক্ষা করেন। এর মধ্যে পাঁচ শতাধিক রোগীকে ছানি অপারেশনের জন্য নির্বাচিত করা হয়। এছাড়া অন্যান্য রোগীদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র, ওষুধ ও চশমা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আব্দুল মজিদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম শামীম কবির, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল হক, জেলা বিএনপির সদস্য শাহাদাৎ হোসেন ডাবলু, জিএম রফিকুল হাসান ও বদরুদ্দোজা বাবলু প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If the trees grow the bees will increase the crop yield will increase Director General of BAR
পাঁচ বছরে সাড়ে ৭ লাখ চারা রোপণের লক্ষ্য

গাছ বাড়লে বাড়বে মৌমাছি, বাড়বে ফসলের ফলন : বিএআরআই মহাপরিচালক

গাছ বাড়লে বাড়বে মৌমাছি, বাড়বে ফসলের ফলন : বিএআরআই মহাপরিচালক ছবি: সংগৃহীত

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই)-এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি-২০২৬ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। এ বছর এ বিষয়ে বিএআরআই এর থিম শ্লোগান ‘জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে লড়াই, অভিযোজনই হোক কৃষি বিজ্ঞানীদের শ্রেষ্ঠ্ সাফল্য।

একজাতীয় গাছ না লাগিয়ে প্রকৃতিতে কার্যকর ও শোভাবর্ধনকারী বিভিন্ন প্রজাতির মিশ্র উদ্ভিদ, মসলা ও ঔষধি এবং ফলদ গাছের বিভিন্ন চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন বিএআরআই-এর সম্মানিত মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. মন্জুরুল কাদির এবং উদ্বোধন পরবর্তী বক্তব্যে ড. কাদির বলেন, বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে কার্বন ক্রেডিট অর্জন এবং মৌমাছির আবাসন সৃষ্টি করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা বর্তমান সরকারের একটি অত্যন্ত দূরদর্শী ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ।

তিনি বলেন, মৌমাছির আবাসন সৃষ্টির ফলে কৃষকরা মধু ও মোম আহরণ করে অতিরিক্ত অর্থনৈতিক সুবিধাও লাভ করতে পারেন। এছাড়া একই সাথে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করবে এবং কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করে। অন্যদিকে এ উদ্যোগের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ও ফলদ গাছ বৃদ্ধি পেয়ে মৌমাছির আদর্শ আবাসন সমৃদ্ধ করবে। এতে মৌমাছিরা গাছ থেকে মধু সংগ্রহের পাশাপাশি ফুলে ফুলে ঘুরে পরাগায়ন নিশ্চিত করবে এবং বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ফসল, বিশেষ করে ফল, সবজি, মসলা ও তেলবীজ পরাগায়নের জন্য মৌমাছির ওপর নির্ভরশীল। তাই গাছপালা বাড়লে মৌমাছির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, যা পরোক্ষভাবে ফসলের ফলন ২০শতাংশ থেকে বহুগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. রেশমা সুলতানা, পরিচালক (গবেষণা উইং) ড. ফারুক আহমেদ, পরিচালক (উদ্যানতত্ব গবেষণা কেন্দ্র) ড. কাউছার উদ্দিন আহম্মেদ, পরিচালক (কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র) ড. নির্মল কুমার দত্ত, পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইং) ড. হাবিব মোহাম্মদ নাসের, পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ উইং) ড. মো. মোশারফ হোসেন মোল্লা প্রমূখ।

উল্লেখ্য, এ বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আওতায় বিএআরআই এর উদ্যোগে সারাদেশের ছয়টি কেন্দ্র, আঞ্চলিক কেন্দ্র ও স্টেশনসহ বিভিন্ন উপ-কেন্দ্রসমূহ ও তার আওতাধীন এলাকায় পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে সাড়ে সাত লাখ এবং সুচনা বছরে প্রায় ১.৩৩ লাখ বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, মসলা ও ঔষধি এবং শোভাবর্ধনকারী গাছ উৎপাদন, সংগ্রহ, বিতরণ, রোপণ ও পরিচর্যা করা হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 thousand marginal farmers of Sreepur got free Aman seeds and fertilizers

শ্রীপুরের ৩ হাজার প্রান্তিক কৃষক পেল বিনামূল্যে আমনের বীজ ও সার

শ্রীপুরের ৩ হাজার প্রান্তিক কৃষক পেল বিনামূল্যে আমনের বীজ ও সার ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় খরিফ-২ মৌসুমে আমন ধানের আবাদ সম্প্রসারণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) সকালে উপজেলা অডিটোরিয়ামে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ ভুঞা। প্রধান অতিথি ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এস. এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, শ্রীপুর ইউসিসিএর সভাপতি এস. এম. মাহফুল হাসান হান্নান, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন এলাকার কৃষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, সরকারি কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের প্রত্যেককে ৫ কেজি আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে। উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে আমনের আবাদ বাড়ানো এবং কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করাই এ কর্মসূচির লক্ষ্য।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ডা. এস. এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই রাখতে কৃষিকে আরও আধুনিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে। নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে পারলে উৎপাদন যেমন বাড়বে, তেমনি কৃষকদের আয়ও বৃদ্ধি পাবে।

তিনি বলেন, কৃষিকাজে যেকোনো সমস্যায় কৃষকদের উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিতে হবে। কৃষি বিভাগ সব সময় কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে সরকারি কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের হাতে বীজ ও সারের প্যাকেজ তুলে দেওয়া হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The administration demolished the illegal structures in the eviction operation in Rajbaris Goland

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে উচ্ছেদ অভিযান, অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিল প্রশাসন

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে উচ্ছেদ অভিযান, অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিল প্রশাসন ছবি: সংগৃহীত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ১নং ওয়ার্ডের গোয়ালন্দ নাজির উদ্দিন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিশ্বনাথ পাড়া বেড়িবাঁধ অভিমুখী ১ দশমিক ৬৮০ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের স্থানে অবৈধভাবে গড়ে উঠা বিসমিল্লাহ এগ্রো ফার্ম (হ্যাচারি) নামে একটি প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করেছে গোয়ালন্দ উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার (১ জুলাই) এ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাথী দাস।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসির হাসান খান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার, উপজেলা এলজিডি প্রকৌশলী ফয়সাল জাহাঙ্গীর স্বপ্নীল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু বকর, গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশিদুল ইসলাম, উজানচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলজার হোসেন মৃধাসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতারা।

জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প ‘খাল পুনঃখনন কর্মসূচির’ আওতায় গত ১২ মে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম উজানচর ইউনিয়নের গোয়ালন্দ নাজির উদ্দিন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিশ্বনাথপাড়া বেড়িবাঁধ অভিমুখী ১ দশমিক ৬৮০ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্প, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ২১ লাখ ৬৭ হাজার ১৭২ টাকা।

এ ছাড়া উজানচর হাবিল মণ্ডল পাড়া কালামের বাড়ি থেকে ফৈজদ্দিন মাতব্বর পাড়া সলিম মাতুব্বরের বাড়ি পর্যন্ত ০ দশমিক ৯৩০ কিলোমিটার খাল ২৭ লাখ ৭ হাজার ৮৯০ টাকা ব্যয়ে খনন কাজ উদ্বোধন করেন। তার‌ই ধারাবাহিকতায় উজানচর বেড়িবাঁধ প্রকল্পে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। জানা যায়, উদ্বোধনের পর থেকেই খালের ওপর গড়ে ওঠা বিসমিল্লাহ এগ্রো ফার্ম মালিককে বারবার নোটিশ করার পরও তারা স্থাপনা স্থানান্তর না করার কারণে আজকের এ উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, ‘সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক একটি প্রকল্প হচ্ছে খাল খনন। জনদুর্ভোগ কমাতে ও পরিবেশ রক্ষায় খাল উদ্ধার অভিযানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bakribis invented chicken breed is a new horizon in indigenous research

বাকৃবির উদ্ভাবিত মুরগির জাত দেশীয় গবেষণায় নতুন দিগন্ত

বাকৃবির উদ্ভাবিত মুরগির জাত দেশীয় গবেষণায় নতুন দিগন্ত ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পোলট্রি বিজ্ঞান বিভাগের গবেষকরা দীর্ঘ ১৫ বছরের নিরলস গবেষণায় সফলভাবে একটি নতুন রঙিন মাংস উৎপাদনকারী মুরগির জাত উদ্ভাবন করেছেন।

এই নতুন জাত উন্নয়নের মূল নেতৃত্ব দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পোলট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা। তিনি জানান, ভোক্তার চাহিদা ও খামারিদের অর্থনৈতিক লাভের কথা মাথায় রেখে দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক ধরে বিভিন্ন প্যারেন্ট লাইন সংরক্ষণ, নির্বাচন ও সংকরায়ণের মাধ্যমে এই নতুন লাইন উন্নয়ন করা হয়েছে।

গবেষণা প্রকল্পটি প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর অর্থায়নে পরিচালিত হয়েছে।

অধ্যাপক মোল্যা বলেন, ‘গবেষণায় সেক্স-লিংক হোয়াইট লাইনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এর সমজাতীয়তা বা হোমোজাইগোসিটি ৮৯ থেকে ৯৩.১১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা একটি স্থায়ী জাত হিসেবে বাণিজ্যিক উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া মুরগির পালকের রঙ নির্ধারণকারী এসওএক্স-১০ জিনের ডিলিশন শনাক্তে একটি সহজ পিসিআর পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজনন কর্মসূচিতে বড় ভূমিকা রাখবে।’

তিনি বলেন, ‘জাতটির কিছু প্যারেন্ট লাইন ৬২ সপ্তাহে প্রায় ২০৫টি পর্যন্ত ডিম উৎপাদনে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়া প্রচলিত সোনালি মুরগির একদিন বয়সি বাচ্চার ওজন যেখানে সাধারণত ২৬-২৮ গ্রাম হয়, সেখানে নতুন উদ্ভাবিত সংকর লাইনে বাচ্চার ওজন পাওয়া গেছে প্রায় ৩৮ গ্রাম। একদিন বয়সি বাচ্চার ওজনে প্রতি এক গ্রাম বৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাব বাজারজাতকরণের সময় প্রায় ৫০ গ্রাম অতিরিক্ত চূড়ান্ত ওজনে প্রতিফলিত হয়, যা খামারিদের বাড়তি মুনাফা নিশ্চিত করবে।’

এই গবেষণা প্রকল্পের অন্যতম অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল সরাসরি মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তর। প্রথাগত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সীমাবদ্ধতা দূর করতে গবেষণা দল সরাসরি গ্রামে গিয়ে ১৫-২৫ জনের ক্লাস্টারভিত্তিক নারী খামারিদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। মাঠপর্যায়ের ফলাফলে দেখা গেছে, যেসব খামারিকে বাচ্চার পাশাপাশি নিয়মিত কারিগরি সহায়তা, সঠিক সময়ে টিকা প্রদান এবং স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করা হয়েছে, তাদের খামারে মুরগির বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, খাদ্য রূপান্তর দক্ষতা উন্নত হয়েছে এবং মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে। বাজার চাহিদার কারণে অনেক খামারি নির্ধারিত ৫০ দিনের পরিবর্তে ১০-১২ সপ্তাহ পর্যন্ত এই মুরগি পালন করছেন এবং প্রতি কেজি ৭০০ টাকা পর্যন্ত উচ্চ মূল্যে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন।

ভোক্তা অধিকার ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে ড. মোল্যা জানান, ঢাকার একটি উন্নত গবেষণাগারে এই মুরগির মাংস পরীক্ষা করে কোনো অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যায়নি। বাজারে দেশি মুরগির নামে চালিয়ে ক্রেতা প্রতারণার কোনো সুযোগ থাকবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেন, দেশি মুরগির নাম ভাঙানো নয়, বরং উন্নত স্বাদ, পুষ্টিগুণ ও শতভাগ নিরাপদ মাংসের নিশ্চয়তা দিয়ে এটিকে বাজারে একটি স্বতন্ত্র রঙিন মাংসের ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

উদ্ভাবনটির মাঠপর্যায়ে প্রসারের ওপর জোর দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘শুধু ল্যাবরেটরিতে জাত উদ্ভাবন করলেই হবে না, সেই প্রযুক্তি ও সুফল খামারিদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এই প্রকল্পের মূল দর্শন। এর মাধ্যমে খামারিরা লাভবান হবেন এবং দেশের নিরাপদ প্রাণিজ প্রোটিন উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিসম্পদ অনুষদের বন্ধ থাকা বিক্রয় কেন্দ্রটি দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব গবেষণায় উৎপাদিত দুগ্ধ, মাংস ও পোলট্রিজাত সব পণ্য সরাসরি এই বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সুলভ মূল্যে পৌঁছে দিতে হবে।’

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের পোলট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গবেষণাটির চূড়ান্ত ফলাফল তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও পোলট্রি খাতের উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন। শেষে নতুন উদ্ভাবিত এই মুরগির মাংস দিয়ে প্রস্তুত খাবার পরিবেশন করা হয়।

মন্তব্য

p
উপরে