× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
In Harinakundu the young man who returned from exile is picking pineapples in the chhand garden
google_news print-icon

হরিণাকুন্ডুতে ছাঁদ বাগানে আনারে বাজিমাত প্রবাস ফেরত যুবকের

হরিণাকুন্ডুতে-ছাঁদ-বাগানে-আনারে-বাজিমাত-প্রবাস-ফেরত-যুবকের
ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার হিজলি গ্রামে ছাঁদ বাগানে আনার ফলের আবাদ করে বাজিমাত করেছে প্রবাস ফেরত যুবক মনোজিৎ বিশ্বাস। ফলন ভালো পাওয়ায় বাণিজ্যিক ভাবে আনার বাগান শুরু করেছেন তিনি।

জানা যায়, বিদেশে দীর্ঘদিন কর্মজীবন শেষে দেশে ফিরে শখের বশে বাড়ির ছাদে আনার চাষ শুরু করেন মনোজিত বিশ্বাস। ধীরে ধীরে সেই শখই পরিণত হয়েছে সফল একটি ছাদ বাগানে। বর্তমানে তার বাগানে অস্ট্রেলিয়ান বিগ, থাই, রিমন, মেক্সিকান, মৃদুলাসহ ১১টি জাতের মোট ৩৩টি আনার গাছ রয়েছে।

ঘুরে দেখা যায়, লালচে-গোলাপি আনারে নুয়ে পড়েছে গাছের ডাল। কোথাও পাকা ফলের ভার। কোথাও আবার ফুটে আছে টকটকে লাল ফুল। সবুজ পাতার ফাঁকে ঝুলে থাকা আনার আর লাল ফুলের মেলবন্ধনে পুরো ছাদজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। যেন প্রকৃতি নিজেই এঁকেছে রঙিন এক ক্যানভাস। এবার গাছগুলোতে দ্বিতীয়বারের মতো ফল ধরেছে। প্রতিটি গাছে গড়ে ২০ থেকে ২৫টি করে আনার শোভা পাচ্ছে। ফলে ছাদ বাগানটি এখন লাল-সবুজের অপরূপ সৌন্দর্যে ভরে উঠেছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এই বাগান দেখতে আসছেন।

মনোজিত বিশ্বাস জানান, বিদেশে থাকাকালীন আধুনিক ফল চাষের বিভিন্ন পদ্ধতি দেখে দেশে ফিরে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। শুরুতে অল্প কয়েকটি গাছ দিয়ে বাগান শুরু করলেও ভালো ফলন পাওয়ায় ধীরে ধীরে বিভিন্ন জাতের আনার সংগ্রহ করেন। নিয়মিত পরিচর্যা, সঠিক সার প্রয়োগ ও সময়মতো সেচ দেওয়ার ফলে এবারও ভালো ফলন পেয়েছেন। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আনার চাষের পরিকল্পনা করছেন তিনি।

হরিণাকুন্ডু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর বলেন, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে মনোজিত বিশ্বাসকে নিয়মিত কারিগরি পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। কৃষি বিভাগ এ ধরনের উদ্যোগকে আরও ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Special police surveillance to prevent clashes around the World Cup

বিশ্বকাপ ঘিরে সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশের বিশেষ নজরদারি

বিশ্বকাপ ঘিরে সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশের বিশেষ নজরদারি ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের জয়-পরাজয় নিয়ে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস যাতে প্রাণঘাতী সংঘর্ষে রূপ না নেয়, সে জন্য রাজধানীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও জনসমাগমস্থলে, বড় স্ক্রিনে খেলা দেখার স্থানগুলোতে বিশেষ নজরদারি চালাবে থানা-পুলিশ ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকালে মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

রাজধানীর আদাবরে ব্রাজিলের খেলা দেখা ও জয় উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে বিএনপি নেতা মো. আবুল বাশার বাদশা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার-পরবর্তী এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বড় স্ক্রিনে খেলা দেখা হয়। এসব স্থান আমরা নজরদারিতে রাখছি। ডিএমপির সব থানাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোথায় কোথায় বড় স্ক্রিনে খেলা দেখানো হয়, সেসব আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। ডিবিও নজরদারি করবে, যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।’

নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আনন্দটা যেন আনন্দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, কোনোভাবেই তা বিষাদে পরিণত না হয়। খেলায় হার-জিত থাকবে। সবাই পরস্পরের মতামত ও সমর্থনকে সম্মান করবেন এবং সহনশীল আচরণ করবেন।’

ডিবি জানায়, গত সোমবার (২৯ জুন) রাতে ফুটবল বিশ্বকাপে জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয় উদযাপনকে কেন্দ্র করে আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকায় স্থানীয় কয়েকজন কিশোর ঢোল ও বাঁশি বাজিয়ে আনন্দ করছিলেন। এ সময় হাবিব নামে এক ব্যক্তি নিরব নামে এক যুবককে মারধর করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে গত বুধবার রাতে ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার বাদশাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ থেকে নিরব, রিপন, মজনু ও মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে ডিবির তেজগাঁও বিভাগ।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গ্রেপ্তার চারজনের মধ্যে রিপন সরাসরি ছুরিকাঘাত করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটিও উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, হামলায় আহত ইউনিট বিএনপির সভাপতি গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
44 were arrested from the capital in a special police operation

পুলিশের বিশেষ অভিযানে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার ৪৪

পুলিশের বিশেষ অভিযানে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার ৪৪ ফাইল ছবি

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও হাজারীবাগ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন সৈয়দ আলম (৩৩), মোহাম্মদ ইসমাইল (৩১), স্বপন বিল্লাল ওরফে ছিলা বিল্লাল, মো. রাব্বি, মো. মিতুল (২৮), এহসান উল্লাহ (২৮), ইসমাইল আহমেদ (৩৬), মো. নাছির উদ্দিন (৪৫), বিউটি বেগম, ইতি আক্তার, জামাল হোসেন, মো. আলাউদ্দিন, শামীম, মোছা. নুর জাহান আক্তার মিম, মৌসুমি আক্তার শিখা (৪৯), মো. আকরাম হোসেন (৩৩), মো. রমজান (২০), মো. তানভীর (১৮), মো. আল আমিন (২০), মো. আরিফুল ইসলাম (২৩), মো. জাহিদ ইসলাম (২৩), মো. সাজ্জাদ (২৬), মো. সুমন হাওলাদার (২৪), সোহরাব (৪৫), সোহানুর রহমান (২০) ও আব্দুল্লাহ হুজায়ফা (২২)।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে পাঁচজনকে নিয়মিত মামলায়, চারজনকে পুরোনো মামলায়, আটজনকে আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে এবং ১০ জনকে ডিএমপি অধ্যাদেশ অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া হাজারীবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন ইমন হোসেন বাবু, হৃদয়, মো. ফিরোজ, সিয়াম, আতিকুল, নাইম, আনোয়ার, শাহআলম, মো. কাইয়ুম, মো. সাজু, মো. স্বাধীন, মো. সালমান, মো. হাকিমুল গাজী, আমানউল্লাহ, তারা মিয়া, মো. সিয়াম ও ফরাজী। এদের মধ্যে পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি ও বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Impartial and objective news coverage is the safeguard of democracy MP Khokon

নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ: এমপি খোকন

নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ: এমপি খোকন ছবি: সংগৃহীত

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলা পূর্ব মাইজপাড়া দারুল উলুম কওমিয়া মাদ্রাসার কোমলমতি এতিম শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে রেলী ও কেক কেটে এনটিভি'র ২৪ তম বছরে পদার্পণ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করলেন কালকিনি-মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) জুমআ'র নামাজ শেষে এনিটিভি'র মাদারীপুর জেলা করসপনডেন্ট সিনিয়র সাংবাদিক এম, আর মুর্তজার আয়োজনে ও দৈনিক বাংলা প্রতিনিধি মোঃ ফায়েজুল কবীরের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে এসময় উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, অবাধ- নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ। বিএনপি যতবার দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে সাংবাদিকরা ততবার তাদের সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করেছে এবং বর্তমানে তা আরো সুসংহত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উক্ত মাদ্রাসার তত্বাবধায়ক মোঃ এনায়েত খান, প্রিন্সিপাল মোঃ মনিরুজ্জামান, জেলা যুবদলের আহবায়ক ফারুক বেপারী ছাড়াও সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মহসিন তালুকদার (এশিয়ান টিভি) মোঃ ফরিদ উদ্দিন মুপ্তি (বাংলাভিশন), এসএম রাসেল (আলোকিত প্রতিদিন), সাংবাদিক সোহাগ কাজী, লিখন মাহমুদ, মোঃ রেজা প্রমুখ।

এমপি খোকন তালুকদার বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক গৃহীত গণমাধ্যমগুলোর স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করার কথা উল্লেখ করেন। তিনি এনটিভি'র মাদারীপুর প্রতিনিধি সহ উপস্থিত অন্যান্য সাংবাদিকদের বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচীগুলো মাদারীপুরবাসি সহ দেশের সবার সামনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তুলে ধরার আহবান জানান।

পরে তিনি মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বর্তমান সরকারের গৃহিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর আওতায় সবাইকে সাথে একটি মেহগনি গাছের চারা রোপণ করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Gopalganj 73000 customers are angry over ghostly electricity bills and load shedding

গোপালগঞ্জে ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল ও লোডশেডিংয়ে ক্ষুব্ধ ৭৩ হাজার গ্রাহক

গোপালগঞ্জে ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল ও লোডশেডিংয়ে ক্ষুব্ধ ৭৩ হাজার গ্রাহক ছবি: সংগৃহীত

একদিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং, অন্যদিকে মিটারের রিডিংয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বিদ্যুৎ বিল। দুই দিকের এই চাপে দিশেহারা গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার প্রায় ৭৩ হাজার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা। মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশে বিল দেওয়ার পরও বিদ্যুৎ বিলের কাগজে বিল দেখানো হচ্ছে। জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল হাতে পাওয়ার পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য গ্রাহক এসকল অভিযোগ নিয়ে ছুটছেন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে।

অভিযোগ উঠেছে, অনেক গ্রাহকের বিলে প্রকৃত ইউনিটের চেয়ে বেশি ইউনিট দেখিয়ে বিল তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি বকেয়া আদায়ের নামে অনিয়ম ও নগদ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, কোটালীপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দুটি সাবস্টেশন ও ১০টি ফিডারের আওতায় প্রায় ৭৩ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ সেবা পাচ্ছেন। তবে জুন মাসে অধিকাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অনেকের দাবি, গত মাসের তুলনায় দুই থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেশি বিল এসেছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে বিলের কাগজে উল্লেখ করা মিটার রিডিংয়ের সঙ্গে বাস্তব রিডিংয়ের কোনো মিল পাওয়া যাচ্ছে না।

কোটালীপাড়া পৌরসভার বাগান উত্তরপাড়ার বাসিন্দা দিলিপ বাড়ৈ জানান, ১২ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ২৯০ ইউনিটে বিল করা হয় ২ হাজার ২২০ টাকা। পরবর্তী মাসে ৫৫০ ইউনিটের জন্য বিল হয় ৫ হাজার ১৮১ টাকা। আর ১৬ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ৮৮৫ ইউনিটে বিল করা হয়েছে ১২ হাজার ১৫৯ টাকা। মিটারে সমস্যা না কোথায় সমস্যা কিছুই বুঝতে পারছি না। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে বিল বেড়েছে প্রায় ১০ হাজার টাকা। একদিকে লোডশেডিংয়ের কারনে ঠিকমত বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। অন্যদিকে প্রকৃত ব্যবহারের তুলনায় অস্বাভাবিক বিল করে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈ বলেন, মে-জুন মাসের বিলে ১০ জুন পর্যন্ত মিটারের রিডিং দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭৯৫ ইউনিট। অথচ ২৪ জুন বিল হাতে পাওয়ার পর মিটারে তিনি দেখতে পান রিডিং ৬ হাজার ৭৫৫ ইউনিট। অর্থাৎ বিলে মিটারের বর্তমান অবস্থার চেয়েও বেশি ইউনিট দেখানো হয়েছে। বিষয়টি জানালে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস অভিযোগ নিয়ে যেতে বলে।

কোটালীপাড়া পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মফিজুল ইসলাম বলেন, জুন মাসের বিল নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। মিটার রিডিংয়ের কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। লোকবল সংকটের কারণে কিছু ক্ষেত্রে মিটারের কাছে না গিয়ে অনুমাননির্ভর রিডিং করা হয়ে থাকতে পারে।

লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি জানান, কোটালীপাড়ায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রায় ১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হলেও ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাচ সেন্টার (এনএলডিসি) থেকে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৮ থেকে ১২ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না এবং বাধ্য হয়েই লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Brazil fans changed teams after showering with milk

দুধ দিয়ে গোসল করে দল বদলালেন ব্রাজিল সমর্থক

দুধ দিয়ে গোসল করে দল বদলালেন ব্রাজিল সমর্থক ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ফুটবল উন্মাদনা নতুন করে আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মানিকগঞ্জে এক ফুটবল ভক্তের ‘সমর্থক ট্রান্সফার’-এর ঘটনা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল। দীর্ঘদিনের একনিষ্ঠ ব্রাজিল সমর্থক সজিব আহম্মেদ আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের দল ত্যাগ করে আর্জেন্টিনার সমর্থক হিসেবে যোগ দিয়েছেন। এই বিশেষ মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং আগের দলের প্রতি ‘পাপমোচন’ ও নতুন দলের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য প্রকাশ করতে তিনি রীতিমতো দুধ দিয়ে গোসল করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে মানিকগঞ্জের বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা জানান, সজিব অনেক দিন ধরেই ব্রাজিলের সমর্থন করে আসলেও আর্জেন্টিনা দলের সাম্প্রতিক সাফল্য এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে তাদের বিশ্বজয়ী পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে মনে মনে দলবদলের চিন্তা করছিলেন। অবশেষে স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উপস্থিতিতে তিনি একটি ছোটখাটো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথবাক্য পাঠ করানো হয়।

শপথ নেওয়ার পর বালতি ভর্তি দুধ দিয়ে গোসল সম্পন্ন করেন সজিব। এরপর তিনি ব্রাজিলের জার্সি শরীর থেকে খুলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার আকাশী-সাদা জার্সি পরিধান করেন। সজিব আহম্মেদ তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “অনেক চিন্তা-ভাবনা করে আজ থেকে আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক হিসেবে নতুন যাত্রা শুরু করলাম। ২০২২ সালে তারা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আমার এই সিদ্ধান্ত আরও দৃঢ় হয়েছে। এখন থেকে লিওনেল মেসির দলের জন্য আমার প্রাণ থাকবে।”

সজিবের এই অভিনব ‘দলবদল’ মানিকগঞ্জ এলাকায় ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে হাসাহাসি ও আলোচনার ঝড় তুলেছে। আর্জেন্টিনা সমর্থকরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিলেও ব্রাজিল ভক্তরা বিষয়টিকে মজার ছলে ‘বছরের সেরা ফুটবল ট্রান্সফার’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। ফুটবল নিয়ে এদেশের মানুষের আবেগ ও ভালোবাসা মাঝে মাঝে এমন নাটকীয় মোড় নেয়, যা বিশ্বজুড়ে বিরল।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Little Henjas family is awaiting life saving treatment

ছোট্ট হেনজার প্রাণের আকুতি, চিকিৎসার অপেক্ষায় পরিবার

ছোট্ট হেনজার প্রাণের আকুতি, চিকিৎসার অপেক্ষায় পরিবার ছবি: সংগৃহীত

হাসি-খুশি শৈশবের বদলে জন্মের পর থেকেই হাসপাতালের বিছানায় ২১ মাস বয়সী হেনজা এলনাজের নিত্যসঙ্গী। মাত্র চার মাস বয়সে তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকদের পরীক্ষায় ধরা পড়ে, সে ‘ডাইলেটেড কার্ডিওমায়োপ্যাথি (ডিসিএম)’ নামের অত্যন্ত জটিল ও বিরল হৃদরোগে আক্রান্ত।

হেনজা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার দ্বাবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আল্লামা ইকবাল তুসার ও আনিকা বিনতে রহমান উপমা দম্পতির একমাত্র কন্যা।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোগ শনাক্ত হওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে হেনজাকে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘদিন আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়ার পরও উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে ভারতে নেওয়ার পরামর্শ দেন। স্বজনদের সহযোগিতা এবং ঋণ নিয়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ভারতের বেঙ্গালুরুতে বিশ্বখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠী ও শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাশিরাজের তত্ত্বাবধানে হেনজার চিকিৎসা করানো হয়। পরিবারের দাবি, চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী হেনজা যে ধরনের বিরল হৃদরোগে আক্রান্ত, এ পর্যন্ত বিশ্বে মাত্র তিনজন শিশুর শরীরে এমন রোগ শনাক্ত হয়েছে।

বর্তমানে ঢাকার একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে। প্রতি মাসে ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা বাবদ ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। অথচ হেনজার বাবা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মাসে মাত্র ২০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করেন। সীমিত আয়ে চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবার এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। চিকিৎসার জন্য নেওয়া ঋণের বোঝাও দিন দিন বাড়ছে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, হেনজাকে দ্রুত আবারও ভারতে নিয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা ও জেনেটিক পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। তবে দীর্ঘমেয়াদি এই চিকিৎসায় ভবিষ্যতে প্রায় এক থেকে দুই কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

অসহায় মা আনিকা বিনতে রহমান উপমা বলেন, আমার মেয়েটি প্রতিদিন জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ করছে। একজন মা হিসেবে সন্তানের কষ্ট দেখা ছাড়া আমার আর কিছুই করার নেই। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, মানবিক সংগঠন এবং সরকারের কাছে আমার মেয়ের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা চাই।

হেনজার বাবা আল্লামা ইকবাল তুসার বলেন, আমি প্রতিদিন আমার মেয়ের শ্বাসকষ্ট দেখে ভেঙে পড়ি। সবকি

ছু শেষ করে দিয়েছি চিকিৎসার জন্য। এখন আর কিছুই বাকি নেই। টাকার অভাবে ওর চিকিৎসা থেমে যাচ্ছে এটা আমাদের জন্য মৃত্যুর চেয়েও কষ্টের। কেউ যদি আমার মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে আসতেন। তাহলে আমার মেয়ের জীবন বাঁচতে পারে।

একটি ছোট্ট হৃদয়ের এই লড়াই এখন শুধুই একটি পরিবারের নয়, এটি মানবতার লড়াই। সময়মতো সহায়তা পেলে হয়তো আবারও বাঁচার সুযোগ পেতে পারে ছোট্ট হেনজা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Centenary year old father and daughter are in police custody on the streets due to the cruelty of their relatives

স্বজনের নিষ্ঠুরতায় রাস্তায় শতবর্ষী বাবা, নাতনি পুলিশ হেফাজতে

স্বজনের নিষ্ঠুরতায় রাস্তায় শতবর্ষী বাবা, নাতনি পুলিশ হেফাজতে ছবি: সংগৃহীত

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মানুষ সবচেয়ে বেশি আশ্রয় খোঁজেন নিজের সন্তান-স্বজনের কাছে। কিন্তু টাঙ্গাইলের এক শতবর্ষী বৃদ্ধের ভাগ্যে জুটেছে তার উল্টো চিত্র। যে মানুষটি সারাজীবন পরিশ্রম করে সন্তানদের বড় করেছেন, বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়েছেন, চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রায় হারিয়েই ফেলেছেন, শেষ পর্যন্ত তাকেই ফেলে রাখা হলো রাস্তার পাশে। অসহায় সেই বৃদ্ধের পাশে দাঁড়ালেন টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বৈল্লা বাজারের সেতুর পাশে কান্নারত অবস্থায় উদ্ধার হন বৃদ্ধ মফিজ উদ্দিন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় দৃষ্টিশক্তিহীন এই বৃদ্ধ গত কয়েক বছর ধরেই একা চলাফেরা করতে পারেন না। বয়সের ভার ও শারীরিক দুর্বলতায় দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাকে অন্যের সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এনায়েতপুর গ্রামের বাসিন্দা মফিজ উদ্দিন তিন ছেলে ও তিন মেয়ের জনক। প্রায় আট বছর আগে স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকেই তার জীবন হয়ে ওঠে নিঃসঙ্গ। এক ছেলে মারা গেছেন, বড় ছেলে পক্ষাঘাতগ্রস্ত, আর ছোট ছেলে আলাদা সংসার করেন। জীবনের শেষ সম্বলটুকুও মাত্র ১০০ টাকার বিনিময়ে দুই ছেলের নামে লিখে দিয়েছিলেন তিনি। এরপর থেকেই পরিবারে তার অবস্থান ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

এলাকাবাসী জানান, তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত বড় ছেলে শামসুলের বাড়িতেই বসবাস করতেন। ছেলের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সেখানে নাতনি ও তার স্বামী থাকতেন। কিন্তু তারা বৃদ্ধ দাদার দেখাশোনা করতে চাননি। একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে বাড়ি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে নিয়ে গিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে চলে যান। দীর্ঘ সময় সেখানে বসে কান্না করছিলেন তিনি। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তার পরিচয় শনাক্ত করেন।

ততক্ষণে খবরটি পৌঁছে যায় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর কাছে। বিষয়টি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে বৃদ্ধকে উদ্ধার করে নিরাপদে তার ছোট মেয়ে রিনা বেগমের জিম্মায় পৌঁছে দেয়। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ শুরু করে পুলিশ। ইতিমধ্যে নাতনিকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

শুধু উদ্ধারেই থেমে থাকেননি প্রতিমন্ত্রী। বৃদ্ধের চিকিৎসা, খাবার, বাসস্থান এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যয়ভার ব্যক্তিগতভাবে বহনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। দ্রুত বৃদ্ধভাতার ব্যবস্থা করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে তার থাকার জন্য আলাদা কক্ষ ভাড়া নেওয়া এবং সেই খরচও নিয়মিত বহন করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রথমদিকে বাবার দায়িত্ব নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করলেও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর ছোট মেয়ে রিনা বেগম বাবার দেখাশোনার দায়িত্ব নিতে সম্মত হন।

এবিষয়ে রিনা বেগম বলেন, পাশের বাড়ির লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারি আমার বাবাকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে। বাবাকে ওই অবস্থায় দেখে খুব কষ্ট পেয়েছি। প্রতিমন্ত্রী আমার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। এখন থেকে বাবার দায়িত্ব আমিই পালন করব।

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। তিনি বর্তমানে তার ছোট মেয়ের হেফাজতে রয়েছেন। নাতনিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে তার স্বামী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘একজন অসহায় বৃদ্ধকে এভাবে রাস্তায় ফেলে রেখে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত অমানবিক ও হৃদয়বিদারক। বাবা-মা আমাদের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। তাদের অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। যতদিন প্রয়োজন, এই বৃদ্ধের চিকিৎসা, থাকা-খাওয়া ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার দায়িত্ব আমি নেব। একই সঙ্গে যারা তাকে এভাবে পরিত্যাগ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সমাজের প্রতিটি মানুষকে অসহায় প্রবীণদের পাশে দাঁড়াতে হবে।’

মন্তব্য

p
উপরে