× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A newborn baby girl was rescued from the side of the dustbin of Upazila Health Complex
google_news print-icon

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিনের পাশ থেকে নবজাতক কন্যাশিশু উদ্ধার

উপজেলা-স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সের-ডাস্টবিনের-পাশ-থেকে-নবজাতক-কন্যাশিশু-উদ্ধার
ছবি: নিউজ বাংলা

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিনের পাশ থেকে জীবিত অবস্থায় এক নবজাতক কন্যা শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নবজাতকটিকে কে বা কারা এখানে ফেলে গেছে তা এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

​মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের একটি ডাস্টবিনের পাশ থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান এক আয়া। পরে তিনি বিষয়টি কর্তব্যরত নার্সদের জানালে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ময়লার স্তূপের পাশ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। সেখানে ফেলে রাখার কারণে শিশুটির মাথায় কিছুটা চোট লেগেছে এবং মুখে পোকামাকড় ও মশার কামড়ের দাগ রয়েছে।

​ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, অবস্থা দেখে মনে হয়েছে শিশুটি কিছুক্ষণ আগেই ভূমিষ্ঠ হয়েছে। এমনকি তার নাড়িও কাটা ছিল না। আশপাশের কোনো ক্লিনিক অথবা এলাকা থেকে শিশুটিকে এখানে ফেলে যাওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারের সময় শিশুটি প্রচণ্ড কান্না করছিল এবং তাকে দেখে খুব ক্ষুধার্ত মনে হচ্ছিল।

​উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. নুসরাত ফারজানা খান জানান, উদ্ধারের পরপরই নবজাতকটিকে হাসপাতালে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তবে সে আশঙ্কামুক্ত।

​খবর পেয়ে রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া। তিনি বলেন, "আমি নিজেও একজন মা। খবরটি শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি। শিশুটির সুরক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।"

​এদিকে ময়লার স্তূপে নবজাতককে ফেলে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তারা জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ জানিয়ে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Development of 11 new varieties of fruits in 44 years of pursuit of Agricultural Research Center

কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ৪৪ বছরের সাধনায় ফলের ১১ নতুন জাত উদ্ভাবন

কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ৪৪ বছরের সাধনায় ফলের ১১ নতুন জাত উদ্ভাবন ছবি: সংগৃহীত

প্রকৃতির শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশে সমৃদ্ধির এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে চলেছে মৌলভীবাজারের আকবরপুরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। জেলা শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে এই গবেষণা কেন্দ্র ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ ৪৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রটি দেশের কৃষি খাতকে সমৃদ্ধ করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ৩১৪ বিঘা বিশাল জমির ওপর গড়ে ওঠা এই গবেষণা কেন্দ্রটি থেকে এ পর্যন্ত ফল চাষে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে; উদ্ভাবিত হয়েছে ১১টি উচ্চফলনশীল ও উন্নত ফলের জাত, যা এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে।

বর্তমানে এই কেন্দ্রে শুধু ফলই নয়, স্থানীয় আবহাওয়া উপযোগী বিভিন্ন সবজি ও তেল জাতীয় মাঠ ফসল নিয়েও চলছে ব্যাপক গবেষণা। একটি ফলের নতুন জাত উদ্ভাবন করতে কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ বছর নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হয়।

দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময়ে এই কেন্দ্র থেকে যে ১১টি ফলের জাত অবমুক্ত করা হয়েছে, তা হলো, ১৯৯৬ সালে বারি পেয়ারা-২, বারি লিচি-২, বারি লিচি-৩, ১৯৯৭ সালে বারি বাতাবি লেবু-১, বারি কামরাঙ্গা-১, বারি কামরাঙা-২, ২০০৮ সালে বারি কাঁঠাল-১, ২০১২ সালে বারি আম-১০, ২০১৮ সালে বারি জারা লেবু-১, ২০২৩ সালে বারি কাঁঠাল- ৫ এবং বর্তমানে এখানে ড্রাগন, কাঁঠাল, জাম্বুরা, পেয়ারা, আম, আনারস, লিচু এবং জারা ও কলেম্বুসহ বিভিন্ন লেবু জাতীয় ফলের নতুন জাত উদ্ভাবনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

অন্য অঞ্চলে ভালো ফলন হলেও মৌলভীবাজার অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়ার কারণে যেসব সবজি আগে এখানে ভালো হতো না, সেগুলোকে এ অঞ্চলের উপযোগী করার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। অতীতে পানি কচু ও লতি কচু নিয়ে সফল গবেষণার পর বর্তমানে লাউ, মিষ্টি কুমড়া, চিচিঙ্গা, বরবটি, লালশাক, শিম, পটোল ও টমেটো নিয়ে কাজ চলছে। পাশাপাশি তেল জাতীয় ফসলের ঘাটতি মেটাতে বাদাম, চিনা বাদাম, সরিষা ও সূর্যমুখীর ওপর গবেষণা চলছে। এছাড়া কফি ও গোলমরিচের মতো অর্থকরী ফসলের জাত নিয়েও পরীক্ষা চালানো হচ্ছে, যা সফল হলে ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে নতুন জাত হিসেবে স্বীকৃতি পেতে পারে।

গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা জানান, প্রথমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভালো ফলন হওয়া ফসলের নমুনা বা বীজ সংগ্রহ করা হয়। কখনো কখনো বিদেশি জাত এনেও পরীক্ষা করা হয়। এরপর এই অঞ্চলের মাটি ও জলবায়ুর সাথে সামঞ্জস্য রেখে কীভাবে রোগবালাইমুক্ত ও অধিক ফলনশীল জাত তৈরি করা যায়, তা নিয়ে চলে দীর্ঘমেয়াদি ট্রায়াল। প্রাথমিক সফলতা মিললে পরে তা ব্যাপকভাবে চাষের উপযোগী জাত হিসেবে অনুমোদন পায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, সুরক্ষিত এই কেন্দ্রের ভেতরে কফি, গোলমরিচ, ড্রাগন, চায়না লেবু ও সিড লেবুসহ নানা প্রজাতির গাছের সমারোহ। স্থানীয় বাসিন্দা জুনেদ মিয়া বলেন, ছোটবেলা থেকেই দেখছি খুব নিরিবিলি পরিবেশে এখানে কৃষি গবেষণা হয়। সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার সীমিত হলেও এখান থেকে উন্নত জাতের বিভিন্ন ফল ও গাছের চারা সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হয়।
কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (কৃষিশাস্ত্র) মো. আব্দুল মাজেদ মিয়া ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন জানান, অন্য অঞ্চলের সফল ফসলকে এই অঞ্চলের উপযোগী করে তোলাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। সময় বাড়ার সাথে সাথে কৃষকরাও আধুনিক এই জাতগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন।

মৌলভীবাজার আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাহমুদুল ইসলাম নজরুল এই কার্যক্রমের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে বলেন, আমাদের মূল কাজ হলো অঞ্চলভিত্তিক কৃষি উন্নয়ন। আবহাওয়া ও মাটির বৈশিষ্ট্যের কারণে যেসব ফসল এখানে হতো না, আমরা সেগুলোর গুণাগুণ বিশ্লেষণ করে এবং পোকামাকড় প্রতিরোধী করে এই অঞ্চলের উপযোগী জাত তৈরি করি। এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান (Non-profitable Organization)। আমরা অত্যন্ত সীমিত মূল্যে কৃষকদের মাঝে উন্নত বীজ ও চারা সরবরাহ করছি। ফলে এক সময় এই অঞ্চলে যেসব ফল ও সবজি চাষের কথা ভাবা যেত না, এখন তা অনায়াসেই উৎপন্ন হচ্ছে এবং স্থানীয় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the autorickshaw driver was recovered from the jute field 

পাটক্ষেত থেকে অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার 

পাটক্ষেত থেকে অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার  ছবি: নিউজ বাংলা

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের নবগ্রাম কাশতা এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে সাকিবুল ইসলাম (১৭)নামের অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা অটোরিকশার সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের কাছে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করেন পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া তিনটি স্যান্ডেলকেও গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত প্রায় ১২ টার দিকে এ মরদেহ উদ্ধার করেন থানা পুলিশ। নিহত সাকিবুল ইসলাম মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার মিতরা গ্রামের রহম আালী ওরফে টুলুর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে নবগ্রাম কাশতা গোলাই এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে একটি পাটক্ষেত থেকে সাকিবুলের মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায় , প্রথমে অটোরিকশার সূত্র ধরে ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান চালানো হয়। পরে নিহতের কাছে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে তিনটি স্যান্ডেল জব্দ করা হয়েছে। এসব আলামত গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে স্বপন (২২) নামে এক ফার্নিচার ডিজাইনারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার সারওয়ার আলম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা তদন্তের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটনের নির্দেশনা দেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of a woman was recovered from a boat two days after she went missing in Tangails Sakhipur

টাঙ্গাইলের সখিপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর ডোবা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

টাঙ্গাইলের সখিপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর ডোবা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার ছবি: নিউজ বাংলা

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর বাসার পাশে একটি ডোবা থেকে পারভীন আক্তার (৪৬) নামে এক বিধবা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‎‎বুধবার (১ জুলাই) দুপুরের দিকে সখীপুর পৌর সভার ৭ নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেইটের দক্ষিণে বাসার কাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পারভীন আক্তার ওই ওয়ার্ডের মৃত হুমায়ন খানের স্ত্রী।

‎পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী তিনি। ছেলে ঢাকার সাভারে চাকরি করার সুবাদে সেখানে থাকেন। মেয়েকেও বিয়ে দিয়েছেন গত দু মাস হলো। এরপর থেকেই পারভীন বাসায় একাই থাকতেন। গত ২৯ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার সাভারে চাকুরিরত ছেলে সোাহেল রানা ফাহাদের সঙ্গে মোবাইলে তার সর্বশেষ কথা হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকাল থেকে ফাহাদসহ পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা একাধিকবার ফোন করলেও মোবাইল বেজে গেলেও তিনি আর কল রিসিভ করেননি।

পরে ৩০জুন সন্ধায় ফাহাদ ঢাকা থেকে ফিরে সখীপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। গতকাল রাত থেকেই পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি শুরু করেন।

‎খোজাখুজির একপর্যায়ে আজ বুধবার দুপুরের দিকে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

‎নিহতের ছেলে মামলার বাদী সোহেল রানা ফাহাদ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। দায়ীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

এবিষয়ে ‎সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বাসাইল-সখীপুর ইনচার্জ এ কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, লাশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন বুঝা যাচ্ছে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দায়ীদের সনাক্ত কারণের কাজ অব্যাহত আছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Four students of the same school are missing

একই স্কুলের চার শিক্ষার্থী নিখোঁজ

একই স্কুলের চার শিক্ষার্থী নিখোঁজ
ছবি: সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়তে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে তাদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজ হওয়া ছাত্রীদের পরিবারের সদস্যরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

নিখোঁজ এই ছাত্রীরা সবাই চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছে খুশি, মল্লিকা ও ঋতু দেবনাথ, যারা দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। এছাড়া অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুজুতি রানী দেবনাথও তাদের সঙ্গে ছিল। তারা চারজনই গত মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি।

স্বজনরা জানান, দীর্ঘ সময় পার হলেও ছাত্রীরা বাড়ি না ফেরায় তারা সম্ভাব্য সকল স্থানে তল্লাশি চালিয়েছেন। আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তাদের কোনো হদিস মেলেনি। চার ছাত্রীর এমন রহস্যজনকভাবে একসঙ্গে উধাও হওয়ার ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবারের সদস্যরা এখন চরম অনিশ্চয়তা ও আশঙ্কার মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, “সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে নিখোঁজ চার ছাত্রীর সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।” পুলিশ নিখোঁজ ছাত্রীদের অবস্থান শনাক্ত করতে তৎপরতা শুরু করেছে এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In a separate operation of RAB in Comilla two drug dealers were arrested with 50 kg of ganja

কুমিল্লায় র‍্যাবের পৃথক অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় র‍্যাবের পৃথক অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা নগরীর কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১১-এর পৃথক দুইটি মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর এবং বুধবার (১ জুলাই) সকালে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (১ জুলাই) র‌্যাব-১১-এর অধিনায়কের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুন দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানার টিক্কারচর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি বিশেষ আভিযানিক দল। অভিযানে মাহমুদুল হাসান জিদান (২৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

একইভাবে, ১ জুলাই সকালে কোতয়ালী মডেল থানার তেলীকোনা এলাকায় পরিচালিত পৃথক আরেকটি অভিযানে মো. মনির হোসেন (৩৭) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার হেফাজত থেকে ৩০ কেজি গাঁজা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজনই দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করে আসছিলেন বলে স্বীকার করেছেন।

র‌্যাব-১১ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে র‌্যাবের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, র‌্যাব-১১ জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৭৫০ জনের বেশি মাদক কারবারিসহ হত্যা, অস্ত্র, ধর্ষণ, অপহরণ, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধে জড়িত বিপুল সংখ্যক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Body of youth recovered from fish cage in Satkhira

সাতক্ষীরায় মাছের ঘের থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

সাতক্ষীরায় মাছের ঘের থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার ছবি: নিউজ বাংলা

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঠেকরা রহিমপুরে একটি মাছের ঘের থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) ভোরে ঠেকরা-দক্ষিণশ্রীপুর খেজুরতলা সড়কের বড় খালের মাথা সংলগ্ন একটি মাছের ঘের থেকে স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত যুবকের নাম সঞ্জিব সরকার (৩০) । সে উপজেলার ঠেকরা রহিমপুর গ্রামের গোপাল চন্দ্র সরকারের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত প্রায় ৮টার দিকে সঞ্জিব সরকার বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তার কোনো খোঁজ না মেলায় পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে গভীর রাতে স্থানীয়রা তার নিজস্ব মাছের ঘেরে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পরিবারকে জানায়।

নিহতের পরিবারের দাবি, এটি কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়; বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাদের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা অন্যত্র সঞ্জিব হত্যা করে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে রাতের অন্ধকারে তার মরদেহ নিজস্ব মাছের ঘেরের সামনে ফেলে রেখে যায়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে রহস্যজনক এ মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Purbachal will have 4 police stations and 6 investigation centers IGP

পূর্বাচলে ৪টি থানা ও ৬টি তদন্ত কেন্দ্র হবে: আইজিপি

পূর্বাচলে ৪টি থানা ও ৬টি তদন্ত কেন্দ্র হবে: আইজিপি ছবি: সংগৃহীত

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতে ব্যাপক অবকাঠামো নির্মাণের মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। বুধবার সকালে ওই এলাকায় ‘বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি জানান, দ্রুত বর্ধনশীল এই এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৪টি নতুন থানা ও ৬টি তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। আইজিপি বলেন, “পূর্বাচলে আইন-শৃঙ্খলা জোরদারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতায় ৪টি থানা, ৬টি তদন্ত কেন্দ্র, ২টি পুলিশ লাইনস, ৩টি ডিসি অফিস এবং ৪১টি পুলিশ বক্স স্থাপনের কার্যক্রম চলছে।” তিনি আরও জানান যে, পুলিশের অনুকূলে নির্ধারিত ২৯ দশমিক ২১ একর জমির মধ্যে ইতোমধ্যে ১৮ দশমিক ৬৩ একরের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে।


ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আইজিপি ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক কাঠামোর রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “ভবিষ্যতে পূর্বাচলকে ডিএমপির আওতায় এনে একজন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে পৃথক বিভাগ গঠন এবং প্রায় ৬ হাজার ৫২৪ জন জনবল সৃষ্টির পরিকল্পনা রয়েছে।” পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তার মতে, পরিকল্পিত অবকাঠামো গড়ে উঠলে অপরাধ দমন ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি দ্রুততম সময়ে সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে। পুলিশের এই শক্তিশালী উপস্থিতি পূর্বাচলের টেকসই নগরায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আইজিপি বিশ্বাস করেন, আধুনিক পুলিশি ব্যবস্থার মাধ্যমে এই নতুন শহরে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও নাগরিক সেবা প্রদানের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

p
উপরে