ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাখুয়া ইউনিয়নের সাখুয়া গ্রামে সম্পূর্ণ নিজস্ব আট কাঠা জমির ওপর নির্মিত হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক স্থাপত্য দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘জামিয়া সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা’। মরহুম নানার স্মৃতি ও শেষ ইচ্ছা পূরণ করতেই তার নাতিরা মফস্বল এলাকায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এই আধুনিক মাদ্রাসা ভবনটি প্রতিষ্ঠা করেছেন।
২০২৩ সালে এই মাদ্রাসার নির্মাণ কাজ শুরু হয়। বর্তমানে পাঁচতলা ফাউন্ডেশনের ৪ হাজার ২০০ স্কয়ার ফিটের এই ভবনের দুইতলার ভেতরের কারুকাজ সম্পূর্ণ শেষ হয়েছে এবং বাকি কাজ চলমান আছে।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানান, সম্পূর্ণ কাজ শেষ হতে এই দৃষ্টিনন্দন বিল্ডিংয়ের মোট নির্মাণ ব্যয় হবে প্রায় ১০ কোটি টাকা। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমন চমৎকার অবকাঠামো নির্মিত হওয়ায় সুধীমহল ও এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক প্রশংসার সৃষ্টি হয়েছে। মাদ্রাসাটির এই মহতী উদ্যোগের পেছনে মূল অর্থায়ন ও বাস্তবায়নে রয়েছেন তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘মা লেভেল অ্যান্ড এক্সেসরিজ’ এর পরিচালক আশিকুর রহমান সোহেল তালুকদার এবং তার ছোট ভাই প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাওহিদ আহমদ শুভ তালুকদার। তারা দুজনেই সাখুয়া এলাকার আবুল কালাম তালুকদারের সন্তান।
এ বিষয়ে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে ‘মা লেভেল অ্যান্ড এক্সেসরিজ’ এর পরিচালক এবং মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আশিকুর রহমান সোহেল তালুকদার বলেন, ‘এই মাদ্রাসাটি নির্মাণের পেছনে আমাদের এক বিশাল স্বপ্ন ছিল। আমাদের পাশাপাশি এলাকাবাসীরও আন্তরিক দোয়া ছিল। মূলত আমাদের মরহুম নানার একটি বড় স্বপ্ন ছিল এখানে একটি দ্বীনিপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার। তার সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতেই আমরা সর্বাধুনিক ডিজাইন ও কারুকার্যে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এই মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছি। তবে পুরো কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত ব্যয় আরও বাড়বে।’
প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাওহিদ আহমদ শুভ তালুকদার বলেন, ‘আমাদের নানা মরহুম মাওলানা সিরাজুল ইসলামের স্বপ্ন পূরণ করাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য। অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে আমরা এই আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য একটি মানসম্মত দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উপহার দেওয়া।’
মাদ্রাসার প্রধান উপদেষ্টা মুফতি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, আমরা এই প্রতিষ্ঠানটিকে দ্বিমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয়ে পরিচালনা করছি। এখানে আরবি ও ইসলামিক শিক্ষার পাশাপাশি ইংলিশ মিডিয়াম এবং ইংরেজি ভার্সনে পড়াশোনার সুযোগ থাকছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য দক্ষ, আধুনিক এবং সুশিক্ষিত আলেম তৈরি করা।
মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মুফতি মুক্তার হোসেন জানান, আরবি ও ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আবাসন ও শিক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে মাদ্রাসার নূরানী কিন্ডারগার্টেন, নাযেরা বিভাগ, হিফজ বিভাগ এবং কিতাব বিভাগে ছাত্র ভর্তি চলছে।
মফস্বল গ্রামে এমন আধুনিক প্রতিষ্ঠান পেয়ে আনন্দিত স্থানীয় বাসিন্দারাও। স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানা বলেন, ‘স্থাপত্যশৈলী এবং শিক্ষার পরিবেশের দিক থেকে এটি পুরো ময়মনসিংহ জেলার অন্যতম সেরা একটি প্রতিষ্ঠান হতে যাচ্ছে। ৩ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পে প্রত্যন্ত গ্রামে আধুনিকতার এমন ছোঁয়া সত্যিই প্রশংসনীয়।’
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা আফতাব উদ্দিন সরদার বলেন, ‘এই মহতী উদ্যোগের শুরু থেকেই আমরা এলাকাবাসী সাথে আছি। মাদ্রাসার যাতায়াতের সুবিধার জন্য আমরা স্থানীয়রা জমি দিয়ে রাস্তা নির্মাণে সহযোগিতা করেছি। আমরা এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্য কামনা করি।’
ছবি: সংগৃহীত
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় ধান কাটার কামলা সম্বোধন করে কথা বলাকে কেন্দ্র করে শ্যামল চন্দ্র মালী হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) দুপুরে শহরের জিরো পয়েন্টে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিহত পরিবারের সদস্যসহ হিন্দু নেতারা অংশ নেয়।
এসময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শিপন কুমার রবিদাস, আইনবিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. বাবুল রবিবাস, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক উজ্জল কুমার দাস ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা প্রহল্লাদ বাঁশফোর।
বক্তারা বলেন, গত ৬ জুন আক্কেলপুর উপজেলার কাশিড়া গ্রামের সড়কে ধান কাটার কামলা সম্বোধন করে কথা বলাকে কেন্দ্র করে শ্যামল চন্দ্র মালীর মাথায় গাছের ডাল দিয়ে আঘাত করেন ঢেকুঞ্চা বাউস্ত গ্রামের রেজাউল দেওয়ানের ছেলে হাসান আলী। পরে হাসপাতালে নিলে শ্যামল মারা যায়।
এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিকে, নিহতের পরিবার নিরাপত্তাসহ ঘটনার জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে পুলিশ সুপারের কাছে স্মারক লিপি দিয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মাসব্যাপী ‘পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস’ ও ‘বৃক্ষরোপণ ২০২৬’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশগত স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি এবং সবুজায়ন বাড়ানোর লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসজুড়ে ২০টি ভিন্ন প্রজাতির ১০ হাজার চারা বিতরণ ও রোপণ করবে।
রোববার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপউপাচার্য ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম. ইয়াকুব আলী; বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম; এবং জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সদস্য সম্পাদক ও কর্মসূচির উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, মাসব্যাপী এই কর্মসূচিতে এবার ২০ প্রজাতির ১০,০০০ গাছ বিতরণ ও রোপণ করা হবে। আম, ব্ল্যাককারেন্ট, আমলকী, হরিতকী, পেয়ারা, কাঁঠাল, আটা, সফেদা ও জামসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হবে।
ছবি: সংগৃহীত
সুন্দরবনে চলমান তিন মাসের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে মাছ শিকারের সময় ট্রলারসহ তিন জেলেকে আটক করেছে বনবিভাগ। এ সময় তাদের ব্যবহৃত ট্রলার, মাছ ধরার জাল ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে আটক জেলেদের বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বনবিভাগ জানায়, শনিবার (২৭ জুন) সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের স্মার্ট টিম কটকা অভয়ারণ্যের বদরউদ্দিন খালে নিয়মিত টহলকালে একটি ট্রলারে কয়েকজন জেলেকে মাছ ধরতে দেখে। পরে অভিযান চালিয়ে তিন জেলেকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
আটক জেলেরা হলেন, শরণখোলা উপজেলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের বাচ্চু হাওলাদার, মো. সবুর হাওলাদার এবং মালিয়া রাজাপুর গ্রামের মো. বেল্লাল হাওলাদার।
ছবি: সংগৃহীত
সারাদেশের ন্যায় ফরিদপুর সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ -এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম।
সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম।
এ সময় জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. বজলুর রশিদ খান, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. আশিকুর রহমান, জেলা ইপিআই সুপারভাইজার মামুনুর রশিদ, স্বাস্থ্য পরিদর্শক (ইনচার্জ) এম. শামিম আজাদ, এমওডিসি সদর ডা. অনন্যা সাহা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি বলেন, অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানান।
ছবি: সংগৃহীত
পদ্মা নদীর অববাহিকায় মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার চরাঞ্চলে চলতি মৌসুমে চীনা বাদাম চাষে বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
সরেজমিনে শিবচরের চরজানাজাত, কাঠালবাড়ী, মাদবরেরচর, হেরাতলা, সন্ন্যাসীরচর, নিলখী, শিরুয়াইল এলাকা সহ বেশ কয়েকটি চরাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে চীনা বাদাম চাষ হয়েছে।
বাদাম চাষিরা বলছেন, গতবার বন্যা-খড়া ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় বাদামের উৎপাদন ভালো না হওয়ায় লোকসানে পড়লেও এবার লোকসান কাটিয়ে তারা লাভের মুখ দেখতে পাবেন, সংসারে ফিরে আসবে স্বচ্ছলতা।
এদিকে ফসলের মাঠ থেকে বাদাম উত্তোলনে চলছে ধুমধাম, নারী-পুরুষ কৃষাণ-কৃষাণিরা রোদ-বৃষ্টির মাঝেও এখন তাদের উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত, শেষ পর্যায়ে রয়েছে বাদাম ঘরে তোলা পালা। কৃষিবিভাগ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে পদ্মার চরের উর্বর বেলে-দো’আঁশ মাটি ও পলিমাটি বাদাম চাষের জন্য বেশ উপযোগী এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এই মৌসুমে বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর বাদামের ফলন দ্বিগুণের কাছাকাছি হয়েছে।
শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকতা মোঃ আলিমুজ্জামান জানান, চরাঞ্চলের উপযোগী মাটি, অনুকূল আবহাওয়া, পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হওয়া, সঠিক পরিচর্যা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার ও কৃষকদের কঠোর পরিশ্রমের কারণে চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের মুখ দেখলো কৃষকেরা। তিনি আরও বলেন, প্রতিবছরই এই অঞ্চলে চীনা বাদাম চাষের জনপ্রিয়তা ও পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। চরজানাজাত এলাকার কৃষক মো. জালালউদ্দিন জানান, আমাদের পদ্মার চরের বাদামের গুণগত মান,স্বাদ, আকার যে কোনও এলাকার চাইতে উন্নত ও অনেক ভালো। তাই মাঠ থেকেই অনেক পাইকার ও ক্রেতারা তা খরিদ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন।
শিবচর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি অর্থ বছরে ৬৯০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে এবং এর মধ্যে শুধু চরজানাজাত ইউনিয়নেই ১২০ হেক্টর জমি এর আওতায় ছিল। উৎপাদিত বাদামের বিক্রয় মূল্য সম্পর্কে কৃষক আ. হামিদ খাঁ বলেন, মানভেদে প্রতিমণ বাদাম ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে, তবে সামনে দাম কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত
নীলফামারী জেলা পরিষদের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ৮৪ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। জেলার অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) দুপুরে জেলা পরিষদের হলরুমে অনুষ্ঠিত বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেট উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আক্তার হোসেন শাহিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা, জেলা জজ কোর্টের জিপি আবু মোহাম্মদ সোয়েম, জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফিরোজ হাসান, জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মামুন উর রশিদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বাজেট ঘোষণা শেষে জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম বলেন, ‘এই বাজেট জেলার সার্বিক ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জেলার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে জেলা পরিষদ কাজ করবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই এ বাজেটের অন্যতম লক্ষ্য।’
জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘোষিত বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে জেলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ মোজাফফর হোসেন। দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান থানার কর্মকর্তা ও সদস্যরা। একই অনুষ্ঠানে বিদায়ী ওসি মাহফুজুর রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
রোববার (২৮ জুন) বিকেলে বোয়ালখালী থানা ওসির কার্যালয়ে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে থানার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রশাসনিক বদলির অংশ হিসেবে ওসি মাহফুজুর রহমানকে অন্য কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোহাম্মদ মোজাফফর হোসেন। অনুষ্ঠানে বিদায়ী ও নবাগত দুই কর্মকর্তার কর্মজীবনের সফলতা কামনা করা হয়।
উল্লেখ্য, মাহফুজুর রহমান গত বছরের ৭ ডিসেম্বর বোয়ালখালী থানায় যোগদান করেন এবং রোববার ছিল তার শেষ কর্মদিবস। প্রায় সাত মাস দায়িত্ব পালনের পর তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দিচ্ছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জুয়েল রানা, এসআই ফারুখ, এসআই আজম খানসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।
মন্তব্য