× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Tipperary patients angry at doctors negligence at community clinic
google_news print-icon

কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসকের অবহেলায় ক্ষুব্ধ টিপনার রোগীরা

কমিউনিটি-ক্লিনিকে-চিকিৎসকের-অবহেলায়-ক্ষুব্ধ-টিপনার-রোগীরা
ডুমুরিয়া উপজেলার টিপনা কমিউনিটি ক্লিনিক । ছবি: সংগৃহীত

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার টিপনা কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বরত চিকিৎসক সুকান্তর বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দায়িত্ব অবহেলা এবং রোগীদের সাথে দুর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন রকম অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি এই চিকিৎসাকেন্দ্রটি নিয়মিত না খোলায় স্থানীয় দরিদ্র রোগীরা দিনের পর দিন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

​দেখা যায়, ক্লিনিকের চারপাশ ও সামনের অংশ বন-জঙ্গলে ভরে গেছে। ক্লিনিকের পরিবেশ দেখে মনে হয় দীর্ঘদিন ধরে এখানে কোনো দাপ্তরিক কাজ বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বালাই নেই। এমনকি নিয়মিত অফিস যে হয় না, তার স্পষ্ট ছাপ রয়েছে পুরো ভবন জুড়ে।

​ক্লিনিকে ওষুধ নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা ও টিপনা পশ্চিমপাড়া মসজিদের ইমাম শহিদুল সর্দার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ​"আমরা এখানে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সেবা পাচ্ছি না। সরকারিভাবে যে সমস্ত ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়ার কথা, তা আমাদের না দিয়ে বাইরে থেকে কিনতে বলা হয়। এছাড়া চিকিৎসকের আচরণও সন্তোষজনক নয়। আমরা এর সঠিক প্রতিকার চাই।

​ক্লিনিকের জরাজীর্ণ অবস্থা এবং চিকিৎসকের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ জানান স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ এরশাদ সরদার। তিনি বলেন, "সুকান্ত ডাক্তার ক্লিনিক ঠিকমতন খোলেন না। ক্লিনিকের সামনে বন-জঙ্গলে ভরে গেছে, দেখে মনে হয় গতকালও কোনো অফিস হয় নাই। সরকারি একটা প্রতিষ্ঠান এভাবে অবহেলায় পড়ে থাকতে পারে না।

​চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাওয়া ফারুক সরদার নামের আরেক রোগী সরাসরি চিকিৎসকের ফাঁকিবাজির চিত্র তুলে ধরে বলেন, উনি নিয়মিত অফিসে আসেন না। ক্লিনিকে রোগী বসিয়ে রেখে উনি পাশের চায়ের দোকানে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গল্প করেন। আমরা দূর-দূরান্ত থেকে এসে ডাক্তার না পেয়ে ফিরে যাই। এমন চিকিৎসকের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।

​অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক সুকান্তর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি প্রথমে সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে তিনি নিজের গাফিলতি আড়াল করতে অজুহাত দেখিয়ে বলেন, ​"ক্লিনিক বন্ধ রাখার বিষয়টি সঠিক নয়। ডুমুরিয়ায় সরকারি বিভিন্ন মিটিং ও জরুরি দাপ্তরিক কাজের চাপ থাকার কারণে মাঝে মাঝে ক্লিনিকে বসতে একটু দেরি হয়।" তবে স্থানীয়রা তাঁর এই বক্তব্যকে স্রেফ 'তালবাহানা' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

​এই চরম অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার ব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা কাজল মল্লিক বলেন, ​ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের"টিপনা কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি। সরকারি চিকিৎসায় কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

​খুলনা সিভিল সার্জন তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার সরকারি নির্দেশনায় কোনো প্রকার শিথিলতা বরদাশত করা হবে না। টিপনা কমিউনিটি ক্লিনিকের সুনির্দিষ্ট অভিযোগগুলোর প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। চিকিৎসকের দায়িত্বে অবহেলা ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির প্রমাণ মিললে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​স্থানীয় সাধারণ মানুষ এ ক্লিনিকের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা ও দায়িত্ববান চিকিৎসক পদায়নের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The bumper crop of Chinese almonds in Madaripurs grasslands has put a smile on the face of the farmers

মাদারীপুরের চরাঞ্চলে চীনা বাদামের বাম্পার ফলন, হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে

মাদারীপুরের চরাঞ্চলে চীনা বাদামের বাম্পার ফলন, হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে ছবি: সংগৃহীত

পদ্মা নদীর অববাহিকায় মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার চরাঞ্চলে চলতি মৌসুমে চীনা বাদাম চাষে বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

সরেজমিনে শিবচরের চরজানাজাত, কাঠালবাড়ী, মাদবরেরচর, হেরাতলা, সন্ন্যাসীরচর, নিলখী, শিরুয়াইল এলাকা সহ বেশ কয়েকটি চরাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে চীনা বাদাম চাষ হয়েছে।

বাদাম চাষিরা বলছেন, গতবার বন্যা-খড়া ও প্রতিকূল আবহাওয়ায় বাদামের উৎপাদন ভালো না হওয়ায় লোকসানে পড়লেও এবার লোকসান কাটিয়ে তারা লাভের মুখ দেখতে পাবেন, সংসারে ফিরে আসবে স্বচ্ছলতা।

এদিকে ফসলের মাঠ থেকে বাদাম উত্তোলনে চলছে ধুমধাম, নারী-পুরুষ কৃষাণ-কৃষাণিরা রোদ-বৃষ্টির মাঝেও এখন তাদের উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত, শেষ পর্যায়ে রয়েছে বাদাম ঘরে তোলা পালা। কৃষিবিভাগ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে পদ্মার চরের উর্বর বেলে-দো’আঁশ মাটি ও পলিমাটি বাদাম চাষের জন্য বেশ উপযোগী এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এই মৌসুমে বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর বাদামের ফলন দ্বিগুণের কাছাকাছি হয়েছে।

শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকতা মোঃ আলিমুজ্জামান জানান, চরাঞ্চলের উপযোগী মাটি, অনুকূল আবহাওয়া, পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হওয়া, সঠিক পরিচর্যা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার ও কৃষকদের কঠোর পরিশ্রমের কারণে চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের মুখ দেখলো কৃষকেরা। তিনি আরও বলেন, প্রতিবছরই এই অঞ্চলে চীনা বাদাম চাষের জনপ্রিয়তা ও পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। চরজানাজাত এলাকার কৃষক মো. জালালউদ্দিন জানান, আমাদের পদ্মার চরের বাদামের গুণগত মান,স্বাদ, আকার যে কোনও এলাকার চাইতে উন্নত ও অনেক ভালো। তাই মাঠ থেকেই অনেক পাইকার ও ক্রেতারা তা খরিদ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন।

শিবচর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি অর্থ বছরে ৬৯০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে এবং এর মধ্যে শুধু চরজানাজাত ইউনিয়নেই ১২০ হেক্টর জমি এর আওতায় ছিল। উৎপাদিত বাদামের বিক্রয় মূল্য সম্পর্কে কৃষক আ. হামিদ খাঁ বলেন, মানভেদে প্রতিমণ বাদাম ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে, তবে সামনে দাম কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
This years budget of Nilphamari Zilla Parishad is 84 crore 86 lakh taka

নীলফামারী জেলা পরিষদের এবারের বাজেট ৮৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা

নীলফামারী জেলা পরিষদের এবারের বাজেট ৮৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারী জেলা পরিষদের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ৮৪ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। জেলার অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) দুপুরে জেলা পরিষদের হলরুমে অনুষ্ঠিত বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেট উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আক্তার হোসেন শাহিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা, জেলা জজ কোর্টের জিপি আবু মোহাম্মদ সোয়েম, জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফিরোজ হাসান, জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মামুন উর রশিদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

বাজেট ঘোষণা শেষে জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম বলেন, ‘এই বাজেট জেলার সার্বিক ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জেলার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে জেলা পরিষদ কাজ করবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই এ বাজেটের অন্যতম লক্ষ্য।’

জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘোষিত বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে জেলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The new OC of Boalkhali police station took charge

দায়িত্ব গ্রহণ করলেন বোয়ালখালী থানার নতুন ওসি

দায়িত্ব গ্রহণ করলেন বোয়ালখালী থানার নতুন ওসি ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ মোজাফফর হোসেন। দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান থানার কর্মকর্তা ও সদস্যরা। একই অনুষ্ঠানে বিদায়ী ওসি মাহফুজুর রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

রোববার (২৮ জুন) বিকেলে বোয়ালখালী থানা ওসির কার্যালয়ে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে থানার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রশাসনিক বদলির অংশ হিসেবে ওসি মাহফুজুর রহমানকে অন্য কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোহাম্মদ মোজাফফর হোসেন। অনুষ্ঠানে বিদায়ী ও নবাগত দুই কর্মকর্তার কর্মজীবনের সফলতা কামনা করা হয়।

উল্লেখ্য, মাহফুজুর রহমান গত বছরের ৭ ডিসেম্বর বোয়ালখালী থানায় যোগদান করেন এবং রোববার ছিল তার শেষ কর্মদিবস। প্রায় সাত মাস দায়িত্ব পালনের পর তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দিচ্ছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জুয়েল রানা, এসআই ফারুখ, এসআই আজম খানসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A study by five female students in Tangail offers new hope to tackle malnutrition

টাঙ্গাইলের পাঁচ ছাত্রীর গবেষণায় অপুষ্টি মোকাবিলার নতুন আশা

* কলা হবে উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারর * ডিএনএ প্রযুক্তিতে নতুন সম্ভাবনা, বিজ্ঞান মেলায় ব্যাপক সাড়া
টাঙ্গাইলের পাঁচ ছাত্রীর গবেষণায় অপুষ্টি মোকাবিলার নতুন আশা টাঙ্গাইলে কুরতুবী মাদরাসার খুদে বিজ্ঞানীদের চমক, মসুর ডালের জিনে হবে ‘সুপার ব্যানানা’। ছবি: সংগৃহীত

ইচ্ছা, শ্রম আর মেধার মেলবন্ধন ঘটলে অসম্ভবকেও জয় করা যায়। সেই অসাধ্য সাধন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে টাঙ্গাইলের পাঁচ তরুণী। প্রথাগত শিক্ষার গন্ডি পেরিয়ে আধুনিক জীবপ্রযুক্তির সাহায্যে তারা বুনেছে এক নতুন স্বপ্ন।

নিবিড় গবেষণায় তারা এমন এক তাত্ত্বিক মডেল দাঁড় করিয়েছে, যার মাধ্যমে স্বাদ অপরিবর্তিত রেখেই কলাকে করা যাবে উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ। দেশের অপুষ্টি দূরীকরণ ও টেকসই কৃষি অর্থনীতিতে এই উদ্ভাবন নতুন দিগন্তের সূচনা করতে পারে।

এই কৌতূহলী উদ্ভাবক দলের টিম হচ্ছে টাঙ্গাইলের কুরতুবী মাদরাসার আলিম প্রথম বর্ষের পাঁচ ছাত্রী-ফাতেমাতুজ জহুরা, অনামিকা আলফী আমরি, মিফতাহুল জান্নাত মায়া, মেঘলা আক্তার ও ফারজানা আক্তার।

চলতি বছরের মার্চ মাসের ঘটনা। জীববিজ্ঞানের ল্যাব ক্লাসে ডিএনএ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার সময় ছাত্রীদের মাথায় একটি আইডিয়া আসে। পুষ্টিগুণে অনন্য হলেও সাধারণ কলায় একটি বড় ঘাটতি রয়েছে- এতে মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ‘লাইসিন’ নামক অ্যামাইনো অ্যাসিডের পরিমাণ খুবই কম। যেই ভাবা সেই কাজ। শিক্ষক আরিফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় তাদের গবেষণা। ল্যাবরেটরিই হয়ে ওঠে তাদের ধ্যানজ্ঞান। অবশেষে আসে সাফল্য। তারা এই প্রকল্পের নাম দেয়: ‘প্রোটিনসমৃদ্ধ কলা তৈরির জন্য কলার ডিএনএ নিষ্কাশন ও রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ মডেল।’

আধুনিক জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই মডেলে প্রোটিনের উৎস হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে অতি পরিচিত মসুর ডালকে। এই ডাল থেকে ডিএইচডিপিএস জিন নির্বাচন করা হয়েছে, যা মানবদেহের বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকর। অত্যন্ত সহজলভ্য কিছু উপাদান পাকা কলা, লবণ, গরম পানি, ডিশ ওয়াশিং লিকুইড, ব্লেন্ডার, কফি ফিল্টার ও ইথানল ব্যবহার করে প্রথমে কলার ডিএনএ নিষ্কাশন করা হয়। এরপর তাত্ত্বিক মডেলের সাহায্যে ডালের সেই বিশেষ জিনটি কলার ডিএনএতে সংযুক্ত করার রূপরেখা তৈরি করে শিক্ষার্থীরা।

এর ফলে সাধারণ কলা রূপান্তরিত হবে প্রোটিনসমৃদ্ধ ‘সুপার ফুডে’। টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের বিজ্ঞান মেলায় প্রকল্পটি প্রথম স্থান অধিকার করে। পরবর্তীতে বিভাগীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় হয়ে তারা জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় অংশগ্রহণের গৌরব অর্জন করে ও বিজ্ঞানীদের ভূয়সী প্রশংসা কুড়ায়।

উদ্ভাবন নিয়ে অনামিকা আলফী আমরি বলেন, বাংলাদেশ এখনো পুষ্টিহীনতা, বিশেষ করে শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের প্রোটিনের ঘাটতিজনিত সমস্যায় ভুগছে। এই উদ্ভাবন যদি মাঠপর্যায়ে সফল করা যায়, তবে তা দেশের জন্য এক আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াবে।

মিফতাহুল জান্নাত মায়া বলেন, ‘কলা অত্যন্ত সম্ভা এবং সব স্তরের মানুষের কাছে সহজলভ্য। প্রোটিনসমৃদ্ধ এই কলা দেশের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করবে।’ ফাতেমাতুজ জহুরা বলেন, ‘কৃত্রিম সাপ্লিমেন্ট বা রাসায়নিকের ওপর নির্ভর না করে প্রাকৃতিকভাবেই ফল ও ফসলের পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব।

মেঘলা আক্তার বলেন, জেনেটিক্যালি মডিফাইড এই কলা বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা সম্ভব হলে কৃষকরা লাভবান হবেন এবং পুষ্টিকর ফল হিসেবে এটি বিদেশে রপ্তানি করাও সম্ভব।

সফলতার পাশাপাশি উন্নত ল্যাবের অভাব ও জেনেটিক্যালি মডিফাইড খাদ্য নিয়ে সামাজিক বিতর্কের মতো সীমাবদ্ধতার কথাও জানিয়েছে এই তরুণীরা।

শিক্ষক আরিফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের জানার আগ্রহ অনেক বেশি। ওদের একটু ধারণা দেয়া হলে ওরা ভালো কিছু করতে পারবে। ছাত্রীরা দেখিয়েছে, জিন ট্রান্সফারের মাধ্যমে কিভাবে অত্যাবশকীয় এমাইনো এসিড সমৃদ্ধ প্রোটিন উৎপাদন করা যায়।

কুরতুবী আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞানমনস্ক, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও বিজ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কর্মকা্যেণ্ড শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে যাতে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণায় দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।’

কুরতুবী মাদরাসা টাঙ্গাইলের চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ খান বলেন, ‘এই আবিষ্কার দেশের জন্য একটি উজ্জ্বল ভূমিকা। তাদের এই সাফল্য তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের দুয়ারে খুব সহজেই পুষ্টির চাহিদা পৌঁছে যাবে।’ ১৯৯৯ সালে টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়ায় প্রতিষ্ঠিত কুরতুবী মাদ্রাসা আধুনিক ও যুগোপযোগী বিজ্ঞান শিক্ষায় যে অনন্য, ছাত্রীদের এই অভাবনীয় সাফল্য তারই প্রমাণ। সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে এ দেশের নারীরাও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির হাত ধরে একটি নিরাপদ ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দিতে পারে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
33 BGB destroyed drugs worth Tk 73 crore 75 lakh recovered at Satkhira border

সাতক্ষীরা সীমান্তে উদ্ধার হওয়া ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মাদক ধ্বংস করল ৩৩ বিজিবি

সাতক্ষীরা সীমান্তে উদ্ধার হওয়া ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মাদক ধ্বংস করল ৩৩ বিজিবি ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকায় উদ্ধার হওয়া প্রায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)। রোববার (২৮ জুন) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠান ২০২৬’-এ আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান, ওএসপি, পিএসসি। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ, সেক্টর কমান্ডর ক: মোহা. মাসুদুর রহমান, পিএসসি, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদি হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরুল্লাহ, সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, মিজানুর রহমান শরিফ প্রমুখ।

বিজিবি সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন বিওপি এবং ব্যাটালিয়ন সদর পরিচালিত অভিযানে ৪৮ জন আসামিসহ মোট ১২৬ কোটি ৬৬ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫৬ টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ছিল।

ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে ছিল ৩ হাজার ৭৯১ বোতল বিভিন্ন ধরনের মদ, ৪ হাজার ৫২৪ বোতল ফেনসিডিল ও সমজাতীয় মাদক, ৪৭ হাজার ২৭০ পিস ইয়াবা, ৬ লাখ ৭ হাজার ৭৬৯ পিস বিড়ি ও সিগারেট, ৩৩ দশমিক ৪০০ কেজি গাঁজা, ৬৩ লাখ ১৩ হাজার ১২০ পিস বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ওষুধ, ৩৫ কেজি তামাকের গুঁড়া, ২ বোতল লিকুইড সীসা, ১০০ কেজি মাদক তৈরিতে ব্যবহৃত বট পাতা, ৭২ দশমিক ৫০ মিলিলিটার এলএসডি, ৮ দশমিক ৫৮৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) এবং আফিম তৈরির ২০ বোতল কেমিক্যাল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে খুলনা সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, র‍্যাব-৬ এর কোম্পানি কমান্ডার এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Amrapali mangoes from Naogaon are going to the United States across the borders of the country

দেশের গন্ডি পেরিয়ে নওগাঁর আম্রপালি আম যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে

দেশের গন্ডি পেরিয়ে নওগাঁর আম্রপালি আম যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে আম্রপালি আম। ছবি: সংগৃহীত

আমের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত নওগাঁর সাপাহারের আম এবার দেশের গন্ডি পেরিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে। গত শুক্রবার (২৬ জুন) গ্রামীণ কৃষক এগ্রো নামে একটি প্রতিষ্ঠান Golden Bengal Mango ব্রান্ড নামে প্রাথমিকভাবে ১টন আম্রপালি আম যুক্তরাষ্ট্রের বার্কিং শহরে রপ্তানি করে৷

রপ্তানি কারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ এগ্রো জানায়, প্রথমে প্রতিটি আমকে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে VHT (Vapor Heat Treatment) করা হয়। এরপর স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে প্যাকিজিং করা হয়েছে। সর্বশেষ বাংলাদেশ উদ্ভিদ সংনিরোধ (Plant Quarantine/BSTI/BS Officer) এর পরিদর্শন ও অনুমোদনের মাধ্যমে বিশ্ব বাজারে রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রাথমিক কন্টাক অনুযায়ী ১০ মেট্রিক টন আম যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হবে। এছাড়াও জার্মানী ফ্রান্স এবং অন্যান্য দেশে আম পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

গ্রামীণ এগ্রোর স্বত্বাধিকারী আহমদ আলী বলেন, এটি শুধু একটি আমের চালান নয়, এটি বাংলাদেশের কৃষকের পরিশ্রম এবং বিশ্ববাজারে আমাদের সক্ষমতার একটি উজ্জ্বল প্রতীক। আমাদের লক্ষ্য শুধু মাত্র আম বিক্রি করা নয়, বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে বাংলার খাঁটি স্বাদ, আস্থা পৌঁছে দেওয়া। আমাদের বিশ্বাস নওগাঁর আমের গুনগত স্বাদ বিশ্ব বাসিকে আকৃষ্ট করবে। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি অন্যান্য দেশেও আমরা আম রপ্তানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান বলেন, গাছ থেকে আম নামানো শেষ হলেই আম বাজারজাতকরণের আগ পর্যন্ত কিভাবে মানসম্মত আম উৎপাদন করা যায় সে বিষয়ে কৃষি বিভাগ কৃষকদেরকে পরামর্শ দিয়ে থাকে। যে সমস্ত কৃষক মানসম্মত আম উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করতে চায় তাদের কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা করা হয়। আমরা এবার আশা করছি নওগাঁ থেকে ১১০০ মেট্রিক টন আম বাইরের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হবে।

প্রসঙ্গত, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে,জেলায় চলতি মৌসুমে ৩০ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। যা থেকে আম উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। গেল বছর জেলায় ৩০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছিল এবং যা থেকে উৎপাদন হয়েছিল ৩ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন আম।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
On the stage of the World Cup the flag of Bangladesh caught the attention of millions of spectators

বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা, লাখো দর্শকের ভিড়ে নজর কাড়েন জানে আলম

বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা, লাখো দর্শকের ভিড়ে নজর কাড়েন জানে আলম ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬ এর আসরে কানাডার টরন্টো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ঝালকাঠির ব্যবসায়ী জানে আলম জনি।

গত শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ৩টায় কানাডার বৃহত্তম শহর টরন্টোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ইরাক ও সেনেগাল দলের খেলা দেখতে দর্শক গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। লাখো দর্শকের ভিড়ে বাংলাদেশের পতাকা হাতে জানে আলম জনির উপস্থিতি তৈরি করে আলাদা আকর্ষণ।

খেলা চলাকালে স্টেডিয়ামের দুই পাশের গ্যালারিতে ইরাক ও সেনেগালের সমর্থকরা নিজ নিজ দলের রঙের জার্সি পরে উল্লাসে মাতলেও ব্যতিক্রমী সাজে নজর কাড়েন জানে আলম জনি। তিনি পড়েছিলেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সি, আর হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে নিজের প্রিয় দল আর্জেন্টিনার প্রতি সমর্থন জানানোর পাশাপাশি নিজের দেশ বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরতেই তিনি লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হন।

এক ভিডিও বার্তায় জানে আলম জনি দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘আমি মনেপ্রাণে আর্জেন্টিনার সমর্থক। তাই আর্জেন্টিনার জার্সি পড়েছি। তবে আমার হৃদয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। আমি আশা করি, একদিন বাংলাদেশও ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ নেবে। দেশের পরিচয় বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতেই আমি বাংলাদেশের পতাকা সঙ্গে নিয়ে এসেছি।’

বিশ্বকাপের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরা জানে আলম জনির এই উদ্যোগ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে গর্ব ও আনন্দের সৃষ্টি করেছে।

মন্তব্য

p
উপরে