× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Hafiz Ibrahim has given special importance to making Bhola a center of energy and blue economy
google_news print-icon

ভোলাকে জ্বালানি ও ব্লু-ইকোনমির কেন্দ্র গড়তে বিশেষ গুরুত্বারোপ হাফিজ ইব্রাহিমের

ভোলাকে-জ্বালানি-ও-ব্লু-ইকোনমির-কেন্দ্র-গড়তে-বিশেষ-গুরুত্বারোপ-হাফিজ-ইব্রাহিমের
ছবি: সংগৃহীত

ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসনের সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিম জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে উপকূলীয় ও চরাঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, নদীভাঙন রোধ, স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একাধিক প্রস্তাব তুলে ধরেন।

‎‎বাজেট বক্তৃতার শুরুতে তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

‎‎সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, ‘দেশের উপকূলীয় অঞ্চল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার কারণে প্রতি বছর বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। বিশেষ করে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনে অনেক পরিবার বসতভিটা ও জীবিকার উৎস হারাচ্ছে।’‎

‎তিনি জানান, তার নির্বাচনী এলাকার অন্তত ১০টি ইউনিয়ন নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এ কারণে নদীভাঙন প্রতিরোধ, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং চরাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানান তিনি।‎

‎বক্তৃতায় তিনি দেশের চরাঞ্চলগুলোতে কৃষি উৎপাদন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের সমন্বয়ে একটি জাতীয় ‘এগ্রি-সোলার’ নীতি প্রণয়নের প্রস্তাব দেন। তার মতে, একই জমিতে কৃষি উৎপাদন ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

‎‎এ ছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম জোরদারে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট কোস্টাল গভর্ন্যান্স ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

‎‎হাফিজ ইব্রাহিম সংসদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নদী অববাহিকা ও বদ্বীপ অঞ্চলের জন্য পৃথক তহবিল গঠনের উদাহরণ তুলে ধরে বাংলাদেশের সব চরাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য একটি পৃথক ‘চরাঞ্চল উন্নয়ন তহবিল’ গঠনের জোর দাবি জানান।

‎‎জলবায়ু পরিবর্তন ও ব্লু-ইকোনমিকে ভবিষ্যতের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাত উল্লেখ করে তিনি ভোলায় একটি ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও ব্লু-ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও দেন।

‎‎জ্বালানি খাতে ভোলার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, ‘নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার ও গ্যাসভিত্তিক শিল্পায়নের মাধ্যমে ভোলাকে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।’ এ লক্ষ্যে বোরহানউদ্দিনে একটি এনার্জি টার্মিনাল ও দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান তিনি।‎

‎স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের জন্য তিনি বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখানের ১০০ শয্যা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বৃদ্ধির আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রস্তাবিত ভোলা মেডিকেল কলেজ বোরহানউদ্দিন ও লালমোহনের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপনের দাবি জানান।

‎‎তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে ভোলা-২ আসনে একটি আধুনিক মাল্টিপারপাস স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং কৃষি উন্নয়নের জন্য আধুনিক হর্টিকালচার সেন্টার স্থাপনের প্রস্তাবও দেন তিনি।

‎‎বক্তৃতার সমাপনী অংশে হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, ‘দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য উপকূলীয় ও চরাঞ্চলকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে হবে।’ তিনি প্রস্তাবিত বাজেটে উপকূলীয় উন্নয়ন, জলবায়ু অভিযোজন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান খাতে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান এবং জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে বাজেট প্রণয়নের জন্য অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

‎‎ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে হাফিজ ইব্রাহিম বর্তমানে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Organized workshop on social boycott of corrupt people in Madaripur

মাদারীপুরে দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটে কর্মশালা অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশল (টিআইবি) ও সচেতন নাগরিক কমটি (সনাক)-এর উদ্যোগে মাদারীপুরে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে লিগ্যাল এইড অ্যাসোসিয়েন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কট ও প্রতিরোধে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে ‘টেকসই উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতে স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের করণীয় শীর্ষক’ কর্মশালায় দর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন নিশ্চিতকল্পে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকারের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় মাদারীপুরে কর্মরত ২০টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অর্ধশত তরুণ সংগঠকরা উক্ত কর্মশালায় অংশ নেন।

টিআইবির ‘সিভিক এনগেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট’-এর কো-অর্ডিনেটর মো. আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় এ সময় দুর্নীতি প্রতিরোধ, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন ও এর উপাদান, সুশাসনের ঘাটতি ও এর প্রভাব, টেকসই উন্নয়ন, শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান, তথ্য অধিকার আইন প্রয়োগ কৌশলসহ অন্যান্য জনসম্পৃক্ত বিষয়ে করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ‘দর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হলে সর্বক্ষেত্রে সুশাসনের চর্চা করা, আলোকিত মানুষ হিসেবে তরুণ-যুবকসহ সবাইকে গড়ে তোলা, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সবার ঐক্যবদ্ধ অংশ গ্রহণ করার কোনো বিকল্প নেই।’

এ সময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সনাক) এর জেলা শাখার সভাপতি এনায়েত নান্নু, সহসভাপতি প্রফেসর (অব.) মো. মকবুল হোসেন, টিআইবির ঢাকা ক্লাষ্টারের কো-অর্ডিনের মাহান-উল-হক, ইয়েস গ্রুপের আহ্বায়ক সাংবাদিক আঞ্জুমান আরা জুলিয়া, দলনেতা মো. ইব্রাহিবসহ সামাজিক সংগঠনের উদ্যোক্তা, এনজিও ব্যক্তিরা ও তরুণ সামাজিক সংগঠনের সংগঠকরা। সভায় সমাপনী বক্তব্য রাখেন, টিআইবি মাদারীপুর জেলা শাখার সভাপতি খান মো. শহীদ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Govt stands by helpless backward people Kazi Shahidul Islam

পিছিয়ে পড়া অসহায় জনগোষ্ঠীর পাশে রয়েছে সরকার: কাজী শহিদুল ইসলাম

পিছিয়ে পড়া অসহায় জনগোষ্ঠীর পাশে রয়েছে সরকার: কাজী শহিদুল ইসলাম ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর পবা উপজেলায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ভিক্ষুক পুনর্বাসন, দুস্থ পরিবার ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসব সহায়তা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন। সকাল থেকেই উপজেলা পরিষদ চত্বর ও অনুষ্ঠানস্থলে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে সুবিধাভোগীরা আসতে থাকেন। কেউ এসেছিলেন চলাচলের সহায়তা হিসেবে হুইল চেয়ার নিতে, কেউ ঘর মেরামতের জন্য টিন ও নগদ অর্থের আশায়, আবার কেউ এসেছিলেন ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে নতুন জীবিকার স্বপ্ন নিয়ে। সহায়তা হাতে পেয়ে অনেকের চোখে ছিল আনন্দের অশ্রু, মুখে ছিল স্বস্তির হাসি।

অনুষ্ঠানে পবা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৮ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে হুইল চেয়ার দেওয়া হয়। ভিক্ষুক পুনর্বাসন সহায়তার আওতায় ২৫ জনকে পুনর্বাসনের জন্য সহায়তা দেওয়া হয়। এ ছাড়া ৪২ জন দুস্থ ব্যক্তি ও ১০ জন দরিদ্র শিক্ষার্থীর মধ্যে মোট ৭৮ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ১০ জন সুবিধাভোগীকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও নগদ ছয় হাজার করে টাকা দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার সবসময় অসহায়, দুস্থ, প্রতিবন্ধী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে রয়েছে। মানবিক সহায়তার মূল উদ্দেশ্য শুধু অনুদান দেওয়া নয়, বরং সুবিধাভোগীদের আত্মনির্ভরশীল করে সম্মানজনক জীবনের পথে এগিয়ে নেওয়া। যারা আজ হুইল চেয়ার, টিন, নগদ অর্থ ও পুনর্বাসন সহায়তা পেয়েছেন, তারা যেন এসব সহায়তা সঠিকভাবে কাজে লাগান।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন বলেন, ‘পবা উপজেলার অসহায়, দুস্থ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করছে। আজকের এই সহায়তা শুধু সাময়িক অনুদান নয়, বরং সুবিধাভোগীদের স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নেওয়ার একটি মানবিক উদ্যোগ।

সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায় এবং তারা যেন তা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেন, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন নজর রাখবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two workers were burned in the explosion of the boiler of the tire burning factory in Rajbari

রাজবাড়ীতে টায়ার পুড়ানো কারখানার বয়লার বিস্ফোরণে দুই শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ

রাজবাড়ীতে টায়ার পুড়ানো কারখানার বয়লার বিস্ফোরণে দুই শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ ছবি: সংগৃহীত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিশ্বনাথ পাড়া এলাকায় অবস্থিত টায়ার কারখানার বয়লার বিস্ফোরণে দুইজন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহত শ্রমিক দুজন হলেন, মৌলভীবাজার জেলার জুরি থানার বিনন্দাপুর গ্রামের ছুনু মন্ডর ছেলে শাওন মুন্ডা (১৬) ও গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার মোল্লাপাড়া এলাকার সামসুদ্দিনের ছেলে মো. সোহেল রানা (২৪)।

জানা যায়, প্রতিদিনের মতো কারখানার শ্রমিকরা বয়লারের মধ্যে টায়ার পুড়ানোর কাজ করার সময় হঠাৎ কারখানার বয়লার বিস্ফোরিত হয়ে দুজন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়। পরে তাদের দুজনকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাদের দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

একজন শ্রমিক বলেন, ‘আমি বয়লারে টায়ার লোড দেওয়ার কাজ করি। সকালে বয়লারে টায়ার লোড দিয়ে পাশেই অন্য কাজ করেছিলাম। হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দ শোনতে পাই। কাছে এসে দেখি শাওন ও সোহেল দগ্ধ অবস্থায় পরে আছে। তারপর সবাই মিলে ধরাধরি করে ওদের গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের ভালো চিকিৎসার জন্য ঢাকা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।’

কারখানার দায়িত্বে থাকা আ. রাজ্জাক বলেন, ‘আহত দুইজনকে আমরা ঢাকায় বার্ন ইউনিটে ভর্তি করিয়েছি, তারা এখন ভালো আছেন।’

এ বিষয়ে রাজবাড়ী পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালককে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

পরে রাজবাড়ী পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. ইমরান হোসেন মুঠোফোনে জানান, যে কারখানাটি গড়ে উঠেছে সেই কারখানার ছাড়পত্র রয়েছে। ফরিদপুর অফিস থেকে তারা কারখানাটির কাগজপত্র করিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস বলেন, ‘শুনেছি কারখানাটি পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন নিয়ে গড়ে উঠেছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে অবৈধভাবে তারা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছে এ জন্য তাদের বেশ কয়েকবার অনুমোদনের কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। কিন্তু তারা তাতে কর্ণপাত করেনি। আজকের বিস্ফোরণের ঘটনায় পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তাকে বেশ কয়েকবার ফোন করা হয়েছে। কিন্তু তিনিও আমার ফোন রিসিভ করেননি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজে সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি তদারকি করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People of 20 villages are in fear of continuous erosion of Kangsa river in Netrakona

নেত্রকোনায় কংস নদীর অব্যাহত ভাঙন আতঙ্কে ২০ গ্রামের মানুষ

নেত্রকোনায় কংস নদীর অব্যাহত ভাঙন আতঙ্কে ২০ গ্রামের মানুষ ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোনার সদর উপজেলার কালিয়ারা-গাবরাগাতী ইউনিয়ন ও বারহাট্টা উপজেলার বাউশি ইউনিয়নসংলগ্ন কংস নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী জনপদে উদ্বেগ বাড়ছে। বছরের পর বছর ধরে চলা ভাঙনে ইতোমধ্যে বিলীন হয়েছে কয়েক শতাধিক বসতবাড়ি, ফসলি জমি, গাছপালা ও বনাঞ্চল। এখন ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে মুক্তিরবাজার, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ-মন্দির এবং কয়েকটি গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সড়ক।

স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে বাহিরকান্দা, নেওবদ, হরিদাসপুর, কাকিয়াকুড়ি, মহিষাশুড়া, চকারকান্দা, সেহড়াউদ ও কর্নখলাসহ অন্তত ২০টি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতি বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢল ও উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে ভাঙন আরও তীব্র হয়। ফলে নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে উপজেলা সদরের সাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুক্তিরবাজার, স্থানীয় মসজিদ ও মন্দির, ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন এলাকা এবং বিভিন্ন গ্রামের মানুষের চলাচলের প্রধান সড়ক। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এসব স্থাপনা ও যোগাযোগব্যবস্থা নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।

মুক্তিরবাজার এলাকার বাসিন্দারা জানান, প্রায় এক দশক ধরে সড়কটির উল্লেখযোগ্য সংস্কার হয়নি। একসময় এটি কয়েকটি গ্রামের মানুষের প্রধান যাতায়াত পথ ছিল। কিন্তু নদী ভাঙনের কারণে সড়কের একাংশ ধসে পড়ছে। বর্তমানে ভ্যান, রিকশা ও অটোরিকশা চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বৃষ্টির সময় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, পাহাড়ি ঢল নামলেই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নদীর তীব্র স্রোত ও ঘূর্ণিপাকের কারণে প্রতিনিয়ত মাটি ভেঙে নদীতে চলে যাচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। অনেক অভিভাবক সন্তানদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় পাঠানো নিয়ে উদ্বিগ্ন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন রোধ ও সড়ক রক্ষায় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

বাউসী এলাকার বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘নদী ভাঙনে বাউসী বাজার থেকে মৌয়াটি সড়কটি ভেঙে গেছে। স্থানীয়দের ঘরবাড়ি ভাঙতে শুরু করেছে। গাছপালা নদীতে চলে যাচ্ছে। পশ্চিত মৌয়াটি, সালিপুরাসহ অন্তত চারটি গ্রামের ২০ হাজার মানুষ চলাচলের পাকা সড়কটি গত শনিবার কংস নদের ভাঙনে ক্ষতি হয়েছে। এখন চলাচল প্রায় বন্ধ আছে। জরুরি ভিত্তিতে সড়কটি রক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাটি রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কংস নদীর ভাঙনে মুক্তিরবাজার ও বাউসী বাজার এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দুটি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সড়কটি রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরক্ষামূলক কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঠিকাদার নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে এবং শিগগিরই মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিরক্ষামূলক কাজ শেষ হলে ওই এলাকায় ভাঙনের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে এবং সড়কটি সুরক্ষিত থাকবে। ভবিষ্যতে স্থায়ী সমাধানের বিষয়েও পরিকল্পনা রয়েছে।’

নেত্রকোনা-২ আসনের (সদর-বারহাট্টা) সংসদ সদস্য বাউসি এলাকার নদী ভাঙনের কবলে থাকা সড়কটি পরিদর্শন করে জানান, সদর উপজেলার মুক্তিরবাজার ও বাউসী বাজার এলাকার পশ্চিম মৌয়াটি গ্রামের সড়ক দুটি নদী ভাঙনে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। মানুষের ঘরবাড়ি ভাঙনের মুখে পড়েছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জরুরি পদক্ষেপ নিতে। আপাতত জিও ব্যাগ ফেলে সড়কসহ ঘরবাড়ি রক্ষা করতে বলা হয়েছে। পরে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এদিকে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় নদীতীরবর্তী মানুষের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কাজ শুরু না হলে ভাঙনের মুখে পড়বে মুক্তিরবাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগব্যবস্থা। পাশাপাশি আরও বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of an unidentified person was recovered from a residential hotel in Bangshal of the capital

রাজধানীর বংশালে আবাসিক হোটেল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর বংশালে আবাসিক হোটেল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর বংশালের একটি আবাসিক হোটেল থেকে মো. শামীম হাসনাত (৪৬) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে বংশালের সিদ্দিক বাজারের ‘ঢাকা প্যালেস’ নামের আবাসিক হোটেলের চতুর্থ তলার ১২১ নম্বর রুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শামীম হাসনাত কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার শশেয়দিঘী গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহফুজুল হক বলেন, ‘ গত বুধবার রাত থেকেই শামীমের রুমটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল বলে আমাদের জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাহিদা বেগম রুমটি পরিষ্কার করতে গিয়ে দরজায় ধাক্কা দিলে তা খুলে যায়। তিনি শামীমকে বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।’

বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা পুলিশে খবর দেন। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্তের পর ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Work to be done to prevent child marriage by creating a database Divisional Commissioner

বাল্যবিবাহ রোধে ডাটাবেইজ তৈরি করে কাজ করতে হবে: বিভাগীয় কমিশনার

বাল্যবিবাহ রোধে ডাটাবেইজ তৈরি করে কাজ করতে হবে: বিভাগীয় কমিশনার ছবি: সংগৃহীত

বাল্যবিবাহ রোধে বিভাগীয় কমিটির ত্রৈমাসিক সভা বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন সভাপতিত্ব করেন।

সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘বাল্যবিবাহ রোধে সরকারি-বেসরকারি উভয় দপ্তরকে সমন্বিতভাবে ডাটাবেইজ তৈরি করে কাজ করতে হবে এবং এসডিজিকে আমলে নিয়ে যতটা সম্ভব কাজের আওতা বৃদ্ধি করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি জেলায় বিবাহ রেজিস্ট্রি এবং নোটারি পাবলিকের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে সভা করে তাদের এ বিষয়ে সতর্ক করতে হবে। পাশাপাশি বাল্যবিবাহের এবং ডিজিটাল আসক্তির কুফল সম্পর্কে কিশোর-কিশোরী ও অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে।’

সভায় জানানো হয়, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে টোল ফি হটলাইন ১০৯, ৯৯৯ ও ১০৯৮ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

সভায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়, মহিলাবিষয়ক দপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুরাইয়া সিদ্দীকা, ইউনিসেফ খুলনার চিফ মো. কাওসার হোসাইন প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Anti broker operation in Mirpur BRTA 4 people jailed and fined 2

মিরপুর বিআরটিএতে দালালবিরোধী অভিযান: ৪ জনের কারাদণ্ড, জরিমানা ২

মিরপুর বিআরটিএতে দালালবিরোধী অভিযান: ৪ জনের কারাদণ্ড, জরিমানা ২

গ্রাহক হয়রানি ও দালালচক্রের দৌরাত্ম্য রোধে মিরপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে চার দালালকে কারাদণ্ড এবং দুজনকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ কার্যালয়ে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান।

অভিযানে আটক ব্যক্তিরা আদালতের কাছে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করলে চারজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দুজনকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। তবে অভিযান চলাকালে প্রতারক চক্রের আরও কয়েকজন সদস্য দ্রুত পালিয়ে যায়।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. আশরাফুল ইসলাম বাবু (২২), মো. আকতার সরদার, মো. তুহিন (৩৪) এবং মো. রিপন (২৮)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা বিআরটিএ কার্যালয়ে আসা গ্রাহকদের দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন। অনেক ক্ষেত্রে কাগজপত্র ও টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘বিআরটিএ অফিসে আগত সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি ও প্রতারণা থেকে রক্ষা করতে দালালচক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও জানান, আটক ছয়জনের মধ্যে দুজনকে এক মাস এবং দুজনকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে