তীব্র গরম এবং ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদার মুখে দেশের জ্বালানি খাতে এক স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দীর্ঘ প্রায় এক মাস সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার পর অবশেষে পুনরুজ্জীবিত হয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটটি। ২৭৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ নম্বর ইউনিটটি দীর্ঘ ২৯ দিনের নিবিড় ও জটিল মেরামত প্রক্রিয়া শেষে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে সফলভাবে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করেছে।
বুধবার (২৪ জুন) বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী শাহ আলম এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই বৃহৎ ইউনিটটি সচল হওয়ায় উত্তরবঙ্গসহ সারাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং জাতীয় গ্রিডে লোডশেডিংয়ের চাপ অনেকটাই লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উৎপাদন পরিস্থিতি ও গ্রিডে সরবরাহ: বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রটির মোট তিনটি ইউনিটের মধ্যে বর্তমানে দুটি ইউনিট সচল রয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২ নম্বর ইউনিটটি বর্তমানে বন্ধ থাকলেও ১ ও ৩ নম্বর ইউনিট চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা হয়েছে।
১ নম্বর ইউনিট: ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন এই ইউনিটটি থেকে বর্তমানে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।
৩ নম্বর ইউনিট: ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন এই বড় ইউনিটটি থেকে প্রাথমিকভাবে ১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে, যা সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, কারিগরি কারণে নতুন করে চালু হওয়া ইউনিটের উৎপাদন শুরুতেই সর্বোচ্চ সীমায় নেওয়া হয় না। ধাপে ধাপে এর সক্ষমতা বাড়ানো হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শুধুমাত্র ৩ নম্বর ইউনিট থেকেই ২০০ মেগাওয়াট বা তার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। দুই ইউনিটের সম্মিলিত উৎপাদন দেশের উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে।
ত্রুটির ইতিহাস ও মেরামতের নেপথ্য কথা: ২০১৭ সালে চালু হওয়া আধুনিক এই ৩ নম্বর ইউনিটটি দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছিল। প্রায় আট বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে সচল থাকার পর ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর ইউনিটটি প্রথম বড় ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে পড়ে। এরপর থেকেই ইউনিটটিতে এক ধরনের অস্থিরতা দেখা দেয়।
চলতি বছরের শুরুতে দীর্ঘ সংস্কার কাজ শেষে গত ২০ মে ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, উৎপাদন শুরুর মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় অর্থাৎ ২৫ মে আবারও বড় ধরনের কারিগরি বিপর্যয় ঘটে এবং উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। একটি বড় ইউনিট বারবার বিকল হওয়ায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং জাতীয় গ্রিডের ওপর চরম চাপ তৈরি হয়।
এরপর গত ২৫ মে থেকে টানা ২৯ দিন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দেশীয় ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের একটি দল দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করেন। যান্ত্রিক ত্রুটিগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিহ্নিত করে তা মেরামত করার পর গত মঙ্গলবার রাতে ইউনিটটি আবার সচল করা সম্ভব হয়। প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘৩ নম্বর ইউনিটটি পুনরায় চালু হওয়া আমাদের প্রকৌশলীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল। এর ফলে কেন্দ্রের সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।’
কয়লাখনির জটিল ব্যবস্থাপনায় বড় স্বস্তি: এই ইউনিটটি সচল হওয়ার প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ খাতের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির দীর্ঘদিনের কোল ইয়ার্ড সংকটেরও একটি বড় সমাধান।
কয়লাখনির ভূগর্ভ থেকে প্রতিদিন যে পরিমাণ কয়লা উত্তোলন করা হয়, তা সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট কোল ইয়ার্ড রয়েছে। কিন্তু তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের বড় ইউনিটটি বন্ধ থাকায় কয়লার অভ্যন্তরীণ ব্যবহার আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়েছিল। ফলে কোল ইয়ার্ডে কয়লার স্তূপ জমতে জমতে ধারণক্ষমতার শেষ পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যা খনির স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত করার উপক্রম করেছিল।
এই সংকটের কথা উল্লেখ করে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী শাহ আলম জানান, খনির কোল ইয়ার্ড-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে খনি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। কয়লা জট কমাতে ইতোমধ্যে ভূগর্ভ থেকে উত্তোলন করা কয়লা বিকল্প স্থানে নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী খোলা বাজারে উন্মুক্ত বিক্রির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে তিনি যোগ করেন, তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৩ নম্বর ইউনিটটি যেহেতু দৈনিক বিপুল পরিমাণ কয়লা ব্যবহার করে, তাই এটি চালু হওয়ায় খনির উৎপাদিত কয়লার অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বহুগুণ বেড়ে যাবে। এর ফলে খনির কোল ইয়ার্ডের ওপর থেকে চাপ কমবে এবং কয়লার সুষ্ঠু, নিরাপদ ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা খনি কর্তৃপক্ষের জন্য অনেক সহজ হবে।
দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের তাগিদ: বিশেষজ্ঞদের মতে, বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উত্তরবঙ্গের শিল্পকারখানা এবং গৃহস্থালি বিদ্যুৎ সরবরাহের মূল চালিকাশক্তি। বিশেষ করে সেচ মৌসুম ও গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে এই কেন্দ্রের ভূমিকা অপরিসীম। ৩ নম্বর ইউনিটটি বারবার যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে পড়ায় এই অঞ্চলের গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
দীর্ঘ ২৯ দিন পর এই ইউনিটের উৎপাদনে ফেরা নিঃসন্দেহে একটি বড় সাফল্য। তবে এই সাফল্যকে ধরে রাখতে হলে প্ল্যান্টের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, ওভারহলিং এবং খুচরা যন্ত্রাংশের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার ওপর জোর দিতে হবে। বারবার যেন একই ত্রুটি দেখা না দেয়, সে জন্য দীর্ঘমেয়াদী কারিগরি পরিকল্পনার নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের বাজারে দেশীয় কয়লাভিত্তিক এই কেন্দ্রের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত জরুরি।
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের পশ্চিম নন্দিপাড়া এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, ওয়াকিটকি ও অন্য সরঞ্জামসহ মো. শুক্কুর আলী (৪৫) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৩।
পশ্চিম নন্দিপাড়ার কেরফা গলিতে গত মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে শুক্কুর আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় র্যাব-৩।
র্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় শুক্কুর আলীকে তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, একটি ওয়াকিটকি সেট, একটি ব্যাটন, একটি ওয়াকিটকি চার্জার এবং দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। র্যাবের দাবি, গ্রেপ্তার শুক্কুর আলীর বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় একাধিক মাদক ও অস্ত্র মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় শুক্কুর আলীর বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে র্যাব।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের সদ্য প্রত্যাহারকৃত জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের প্রশংসা করে বলেছেন, তিনি আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন। এ সময় হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সরকার কাজ করবে বলে জানান মন্ত্রী।
বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে চার দিনের সফরে সিলেট পৌঁছালে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
সিলেট আসার পর বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক মাজার ইস্যু ও জেলা প্রশাসক প্রত্যাহার নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, উনি (সারওয়ার আলম) আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন। আমরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবো।
মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের (মাজারের দানের টাকা প্রকাশ্যে গণনা) স্বচ্ছতার পদক্ষেপে আমাদের সহযোগিতা করা প্রয়োজন। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো এবং সবাইকে নিয়ে মাজারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবো। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, আমি দেশের বাইরে ছিলাম। দেশে আসার পর গতকাল সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ হয়েছে। আমরা সবাই একমত। মাজার নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবো। খুব তাড়াতাড়ি মাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
ডিসি সারওয়ার আলমের বদলি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বদলির বিষয়টা রুটিন ওয়ার্ক। এটা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিষয়।
সম্প্রতি কাতারে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিহতদের মরদেহ দেশে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বাস্তবায়নাধীন ‘খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় সাতটি কাজের প্যাকেজে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান, সংশোধিত প্রকল্পের আওতায় সাতটি প্যাকেজের কাজ বাস্তবায়নের জন্য নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অনুমোদিত ক্রয় কৌশল অনুযায়ী, কাজগুলো সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড-ডিপিএম) অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডকে সাতটি প্যাকেজের কাজ সম্পাদনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, বিশেষায়িত এ প্রতিষ্ঠানটির সম্পৃক্ততার ফলে খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার এবং নান্দনিক উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় কারিগরি মান, স্থায়িত্ব ও নির্মাণগত গুণগতমান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি কমিটির সভায় উপস্থাপন করে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অনুমোদনের মাধ্যমে রাজধানীর দক্ষিণাঞ্চলের জলাধার ও খাল পুনরুদ্ধার, জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশগত ও নান্দনিক উন্নয়নের প্রচেষ্টা আরও গতি পাবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে নগরীর খাল পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুততর হবে, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে এবং রাজধানীবাসীর জন্য আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য নগর পরিবেশ গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার ছিল জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাক নিয়ন্ত্রণ। বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু-কিশোরসহ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেট প্রণয়নের এই সময়টি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বুধবার সকালে রাজধানীর বিএমএ ভবনে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এবং ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওরের (ডব়প) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে জেবা আফরোজা বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে কর আহরণ সহজীকরণের জন্য বাজারে বিদ্যমান সিগারেটের স্তর চারটি থেকে তিনটিতে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছিল। কারণ নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম কাছাকাছি হওয়ায় একটি স্তরের দাম বৃদ্ধি পেলে ভোক্তারা সহজেই অন্য স্তরে স্থানান্তরিত হওয়ার সুযোগ পায়। তাই এই দুটি স্তর একীভূত করে ১০ শলাকার একটি প্যাকেটের মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে সব স্তরের সিগারেটের ওপর বিদ্যমান ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। এ প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে বিশেষত তরুণদের কাছে তামাকপণ্য কম সহজলভ্য হতো।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. শাফিউন নাহিন বলেন, ‘বাজেট প্রস্তাবে সরকার কেবল সিগারেটের যৎসামান্য মূল্য বৃদ্ধি করেছে। নিম্নস্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের মূল্য ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়েছে। অথচ বাজারে বিক্রিত প্রায় ৭৫ শতাংশ সিগারেটই এই স্তরের। ফলে ১০ শলাকার প্যাকেটে মাত্র ২ টাকা মূল্য বৃদ্ধি তামাক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার জন্য যথেষ্ট নয়।
সভায় বক্তারা তামাক নিয়ন্ত্রণ সংশোধন করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তামাক নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ করে আগামী প্রজন্মকে সুরক্ষায় সরকার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে নিকোটিন পাউচ, নিকোটিন গ্র্যানুলস এবং হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টস (এইচটিপি)-এর ওপর কর আরোপ করা হয়েছে। ফলে এসব নতুন নিকোটিনজাত পণ্য কার্যত বৈধতা পাচ্ছে। এতে এসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তি বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করবে।’
সভাপতির বক্তব্যে ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেট ও ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের কর ও মূল্য কাঠামো পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছে ড্যাব।’
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী মাস (জুলাই) থেকে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরের ফলাফল দৃশ্যমান হবে। জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে।
বুধবার (২৪ জুন) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মালয়েশিয়া সফর প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সফরটি অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকার ও জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনার ফলে শ্রমবাজার ও জনশক্তি রপ্তানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করবেন এবং চলমান বিভিন্ন বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি জনগণ দেখতে পাবেন।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের সেবার মান উন্নয়নে বিমানবন্দরে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ, অসুস্থ এবং বিশেষ সহায়তাপ্রার্থী যাত্রীদের জন্য লাগেজ ব্যবস্থাপনা, সহায়ক সেবা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ চলছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রবাসীরা যেন বিমানবন্দরে কোনো ধরনের হয়রানি বা অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’
আরিফুল হক চৌধুরী আরও বলেন, ‘ওসমানী বিমানবন্দর ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর সুবিধা বিবেচনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, রাতের ফ্লাইটে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকরণ এবং বিমানবন্দরে শিশুদের জন্য ‘‘কিডস জোন’’ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।’
কাতারে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিহতদের মরদেহ দেশে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হচ্ছে।’
পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব দেবজিৎ সিংহ, শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামসুল ইসলাম, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা, ওসমানী বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর পূর্ব বাড্ডার পোস্ট অফিস গলির একটি রিকশা গ্যারেজ। চারজন চালক দুপুরের খাবার খাচ্ছেন। পাশেই রাখা একটা ময়লা ফেলার বড় ড্রাম। গলা অবধি ময়লায় পূর্ণ। মাছি উড়ছে। ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধও। আশপাশের অনেক বাড়ির সামনেও একই অবস্থা। ১৫ দিন ধরে এই এলাকায় আসছে না ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বর্জ্যের গাড়ি। ফলে পূর্ব বাড্ডার প্রতিটি বাড়িই এখন বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।
সিটি করপোরেশন বলছে, নতুন করে তারা টেন্ডার ডেকেছেন। এলাকাবাসী যেন নিজ দায়িত্বে ভ্যান ভাড়া করে তাদের ময়লা ভাগাড়ে ফেলে আসেন। বিষয়টি তারা এলাকাবাসীকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি। নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, টেন্ডার কেন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর করা হবে?
রিকশার গ্যারেজটির ভেতরে ঢুকে কথা হলো চার চালকের সঙ্গে। তারা এখানে মাসিক চুক্তিতে খেতে আসেন। খাবারের মেসের মালিক মো. নয়ন। কেউ ময়লার গাড়ির খোঁজ নিচ্ছে শুনে নিজেই বের হলেন ঘর থেকে। জানালেন, পোস্ট অফিস গলি থেকে ময়লা নেয় না সিটি করপোরেশন। প্রথমে সপ্তাহখানেক ময়লা জমার পর নয়ন নিজ খরচে ভ্যান ভাড়া করে ময়লা ফেলে এসেছেন সিটি করপোরেশনের ভাগাড়ে।
এতে ভ্যানচালককে দিতে হয়েছে ১৫০ টাকা। উপরন্তু ময়লা ফেলার ড্রামটিও আর ফেরত পান নাই নয়ন। তার দাবি, ৮০০ টাকার ড্রাম গেল, সঙ্গে ভাড়াও গেল দেড়শ টাকা। অথচ সিটি করপোরেশনের গাড়ি বর্জ্য নিলে সেই বাবদ প্রতি মাসে নয়নকে দিতে হয় ২০০ টাকা। অন্যদিকে, নিজ খরচে ময়লা ফেলতে গিয়ে সাত দিনের বর্জ্যের পেছনেই নয়নের ১৫০ টাকা খরচ।
এই এলাকার এক বাড়িওয়ালা মো. হালিম। ২-৩ জন লোকের সঙ্গে চা খাচ্ছিলেন একটি ঘুপচি দোকানে। জানালেন, ময়লা বাণিজ্য নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দলের দ্বন্দ্ব। এরপর থেকেই এমন অবস্থা চলছে। আগে পরপর ময়লার গাড়ি এলেও গত দুই সপ্তাহে দেখা নাই। নির্বাচনের পর থেকেই ময়লা নিয়ে এই দুর্দশা ভোগ করছেন বলে যোগ করেন তিনি।
প্রায় একই কথা বললেন আরেক বাসিন্দা হেলাল। কবরস্থান রোডের কাছাকাছি থাকেন তিনি। জানালেন, ২০০ টাকা বিল দিয়েছেন। তবুও ময়লা নেয় না।
পূর্ব বাড্ডার পোস্ট অফিস গলি ধরে এগিয়ে কবরস্থান রোড পর্যন্ত এই চিত্র। অন্য এলাকায় বর্জ্যের গাড়ি (ভ্যান সার্ভিস) এলেও এই এলাকায় বন্ধ। সড়কে, বাড়ির সামনে, এমনকি বেজমেন্টে বা গাড়ির গ্যারেজেও ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। কোথাও কোথাও বর্জ্য পচে ময়লা পানি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এতে তেমন সাড়া নেই সিটি করপোরেশনের। কথা বলতে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে ফোনে না পাওয়া গেলেও উপপ্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, ‘আমাদের নতুন করে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে। আপাতত এলাকাবাসীকে নিজ খরচে ভ্যান ঠিক করে ময়লাগুলো ভাগাড়ে ফেলতে হবে।’ কবে নাগাদ সিটি করপোরেশনের গাড়ি এসে এই এলাকা থেকে বর্জ্য নেবে, সে বিষয়ে কোনো আলোকপাত করলেন না এই কর্মকর্তা।
এমন পরিস্থিতিতে নগর পরিকল্পনাবিদরা প্রশ্ন তুলেছেন, বর্জ্য পরিবহনের মতো একটি দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয়ের টেন্ডার কেন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর করা হবে? সিটি করপোরেশনের উচিত একটি টেন্ডার শেষ হওয়ার আগেই আরেকটির চূড়ান্ত করা। আর এই গড়িমসির পেছনে যদি রাজনৈতিক কোনো বিষয় থাকে, তাহলে সেটির তদন্ত করতে পরামর্শ দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।
ছবি: সংগৃহীত
সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ঝিনাইদহে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছে ওয়ালটন প্লাজা। বুধবার (২৪ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের অগ্নিবীণা সড়কে অবস্থিত ওয়ালটন প্লাজায় এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
ক্যাম্পে শহরের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১০০ জন গ্রাহক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্যসেবা দেন কালীগঞ্জ ডায়াবেটিস হাসপাতালের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আলী রেজা তপু।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার রিফাত হাসান খান, চুয়াডাঙ্গা মোড় শাখার ম্যানেজার সাদিক-ই-নুর, ঝিনাইদহ প্লাজার ম্যানেজার তোতা মিয়া, হেলথ কেয়ার অ্যান্ড হ্যাপিনেস অফিসার আলী মুরাদ খান শুভ, জাকারিয়া হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষরা। তারা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আয়োজকরা জানান, ওয়ালটন প্লাজা শুধু ব্যবসায়িক কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নয়; সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নিয়মিত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় সারাদেশের মতো ঝিনাইদহেও এই বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।
মন্তব্য