× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Vitamin A capsules will be given to 3 lakh children in Nilphamari
google_news print-icon

নীলফামারীতে ৩ লক্ষাধিক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

নীলফামারীতে-৩-লক্ষাধিক-শিশুকে-ভিটামিন-এ-ক্যাপসুল-খাওয়ানো-হবে
ছবি: নিউজ বাংলা

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে নীলফামারীতে সাংবাদিক অবহিতকরণ ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলা ইপিআই ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক জানান, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলার ৬ উপজেলা ও ৪ পৌরসভায় দিনব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় জেলার ৩ লাখ ৭ হাজার ২৬২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

তিনি জানান, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৩১ হাজার ৪০৯ জন শিশুসহ ১০৫ জন প্রতিবন্ধী শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ৭৫ হাজার ৮৫৩ জন শিশুসহ ২৭৬ জন প্রতিবন্ধী শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

ক্যাম্পেইন সফল করতে জেলার ৬১টি ইউনিয়ন ও ৪ পৌরসভায় ১ হাজার ৫৯০টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ১৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রথম সারির ১৯১ জন সুপারভাইজার ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মনিটরিং টিম কেন্দ্রগুলো তদারকি করবে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার আতিউর রহমান শেখ আতিকসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
In principle approval of DSCCs 7 packages for canal restoration

খাল পুনরুদ্ধারে ডিএসসিসির ৭টি প্যাকেজের নীতিগত অনুমোদন

খাল পুনরুদ্ধারে ডিএসসিসির ৭টি প্যাকেজের নীতিগত অনুমোদন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বাস্তবায়নাধীন ‘খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় সাতটি কাজের প্যাকেজে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান, সংশোধিত প্রকল্পের আওতায় সাতটি প্যাকেজের কাজ বাস্তবায়নের জন্য নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত ক্রয় কৌশল অনুযায়ী, কাজগুলো সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড-ডিপিএম) অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডকে সাতটি প্যাকেজের কাজ সম্পাদনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, বিশেষায়িত এ প্রতিষ্ঠানটির সম্পৃক্ততার ফলে খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার এবং নান্দনিক উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় কারিগরি মান, স্থায়িত্ব ও নির্মাণগত গুণগতমান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি কমিটির সভায় উপস্থাপন করে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অনুমোদনের মাধ্যমে রাজধানীর দক্ষিণাঞ্চলের জলাধার ও খাল পুনরুদ্ধার, জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশগত ও নান্দনিক উন্নয়নের প্রচেষ্টা আরও গতি পাবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে নগরীর খাল পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুততর হবে, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে এবং রাজধানীবাসীর জন্য আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য নগর পরিবেশ গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Government will take strict action to control tobacco Ziauddin Haider

তামাক নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেবে সরকার: জিয়াউদ্দিন হায়দার

তামাক নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেবে সরকার: জিয়াউদ্দিন হায়দার ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার ছিল জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাক নিয়ন্ত্রণ। বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু-কিশোরসহ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চূড়ান্ত বাজেট প্রণয়নের এই সময়টি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বুধবার সকালে রাজধানীর বিএমএ ভবনে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এবং ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওরের (ডব়প) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে জেবা আফরোজা বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে কর আহরণ সহজীকরণের জন্য বাজারে বিদ্যমান সিগারেটের স্তর চারটি থেকে তিনটিতে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছিল। কারণ নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম কাছাকাছি হওয়ায় একটি স্তরের দাম বৃদ্ধি পেলে ভোক্তারা সহজেই অন্য স্তরে স্থানান্তরিত হওয়ার সুযোগ পায়। তাই এই দুটি স্তর একীভূত করে ১০ শলাকার একটি প্যাকেটের মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে সব স্তরের সিগারেটের ওপর বিদ্যমান ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। এ প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে বিশেষত তরুণদের কাছে তামাকপণ্য কম সহজলভ্য হতো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. শাফিউন নাহিন বলেন, ‘বাজেট প্রস্তাবে সরকার কেবল সিগারেটের যৎসামান্য মূল্য বৃদ্ধি করেছে। নিম্নস্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের মূল্য ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়েছে। অথচ বাজারে বিক্রিত প্রায় ৭৫ শতাংশ সিগারেটই এই স্তরের। ফলে ১০ শলাকার প্যাকেটে মাত্র ২ টাকা মূল্য বৃদ্ধি তামাক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার জন্য যথেষ্ট নয়।

সভায় বক্তারা তামাক নিয়ন্ত্রণ সংশোধন করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তামাক নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ করে আগামী প্রজন্মকে সুরক্ষায় সরকার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে নিকোটিন পাউচ, নিকোটিন গ্র্যানুলস এবং হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টস (এইচটিপি)-এর ওপর কর আরোপ করা হয়েছে। ফলে এসব নতুন নিকোটিনজাত পণ্য কার্যত বৈধতা পাচ্ছে। এতে এসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তি বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করবে।’

সভাপতির বক্তব্যে ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেট ও ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের কর ও মূল্য কাঠামো পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছে ড্যাব।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Good news on Malaysias labor market may come as early as July Expatriate Welfare Minister

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে জুলাইয়ের মধ্যেই: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে জুলাইয়ের মধ্যেই: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী মাস (জুলাই) থেকে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরের ফলাফল দৃশ্যমান হবে। জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে।

বুধবার (২৪ জুন) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মালয়েশিয়া সফর প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সফরটি অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকার ও জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনার ফলে শ্রমবাজার ও জনশক্তি রপ্তানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করবেন এবং চলমান বিভিন্ন বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি জনগণ দেখতে পাবেন।

সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের সেবার মান উন্নয়নে বিমানবন্দরে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ, অসুস্থ এবং বিশেষ সহায়তাপ্রার্থী যাত্রীদের জন্য লাগেজ ব্যবস্থাপনা, সহায়ক সেবা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ চলছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রবাসীরা যেন বিমানবন্দরে কোনো ধরনের হয়রানি বা অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

আরিফুল হক চৌধুরী আরও বলেন, ‘ওসমানী বিমানবন্দর ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর সুবিধা বিবেচনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, রাতের ফ্লাইটে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকরণ এবং বিমানবন্দরে শিশুদের জন্য ‘‘কিডস জোন’’ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।’

কাতারে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিহতদের মরদেহ দেশে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হচ্ছে।’

পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব দেবজিৎ সিংহ, শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামসুল ইসলাম, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা, ওসমানী বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Badda the stench is spreading from house to house garbage truck is not coming

বাড্ডায় বাড়িতে বাড়িতে ময়লার স্তূপ ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, আসছে না বর্জ্যের গাড়ি

বাড্ডায় বাড়িতে বাড়িতে ময়লার স্তূপ ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, আসছে না বর্জ্যের গাড়ি ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পূর্ব বাড্ডার পোস্ট অফিস গলির একটি রিকশা গ্যারেজ। চারজন চালক দুপুরের খাবার খাচ্ছেন। পাশেই রাখা একটা ময়লা ফেলার বড় ড্রাম। গলা অবধি ময়লায় পূর্ণ। মাছি উড়ছে। ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধও। আশপাশের অনেক বাড়ির সামনেও একই অবস্থা। ১৫ দিন ধরে এই এলাকায় আসছে না ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বর্জ্যের গাড়ি। ফলে পূর্ব বাড্ডার প্রতিটি বাড়িই এখন বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

সিটি করপোরেশন বলছে, নতুন করে তারা টেন্ডার ডেকেছেন। এলাকাবাসী যেন নিজ দায়িত্বে ভ্যান ভাড়া করে তাদের ময়লা ভাগাড়ে ফেলে আসেন। বিষয়টি তারা এলাকাবাসীকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি। নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, টেন্ডার কেন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর করা হবে?

রিকশার গ্যারেজটির ভেতরে ঢুকে কথা হলো চার চালকের সঙ্গে। তারা এখানে মাসিক চুক্তিতে খেতে আসেন। খাবারের মেসের মালিক মো. নয়ন। কেউ ময়লার গাড়ির খোঁজ নিচ্ছে শুনে নিজেই বের হলেন ঘর থেকে। জানালেন, পোস্ট অফিস গলি থেকে ময়লা নেয় না সিটি করপোরেশন। প্রথমে সপ্তাহখানেক ময়লা জমার পর নয়ন নিজ খরচে ভ্যান ভাড়া করে ময়লা ফেলে এসেছেন সিটি করপোরেশনের ভাগাড়ে।

এতে ভ্যানচালককে দিতে হয়েছে ১৫০ টাকা। উপরন্তু ময়লা ফেলার ড্রামটিও আর ফেরত পান নাই নয়ন। তার দাবি, ৮০০ টাকার ড্রাম গেল, সঙ্গে ভাড়াও গেল দেড়শ টাকা। অথচ সিটি করপোরেশনের গাড়ি বর্জ্য নিলে সেই বাবদ প্রতি মাসে নয়নকে দিতে হয় ২০০ টাকা। অন্যদিকে, নিজ খরচে ময়লা ফেলতে গিয়ে সাত দিনের বর্জ্যের পেছনেই নয়নের ১৫০ টাকা খরচ।

এই এলাকার এক বাড়িওয়ালা মো. হালিম। ২-৩ জন লোকের সঙ্গে চা খাচ্ছিলেন একটি ঘুপচি দোকানে। জানালেন, ময়লা বাণিজ্য নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দলের দ্বন্দ্ব। এরপর থেকেই এমন অবস্থা চলছে। আগে পরপর ময়লার গাড়ি এলেও গত দুই সপ্তাহে দেখা নাই। নির্বাচনের পর থেকেই ময়লা নিয়ে এই দুর্দশা ভোগ করছেন বলে যোগ করেন তিনি।

প্রায় একই কথা বললেন আরেক বাসিন্দা হেলাল। কবরস্থান রোডের কাছাকাছি থাকেন তিনি। জানালেন, ২০০ টাকা বিল দিয়েছেন। তবুও ময়লা নেয় না।

পূর্ব বাড্ডার পোস্ট অফিস গলি ধরে এগিয়ে কবরস্থান রোড পর্যন্ত এই চিত্র। অন্য এলাকায় বর্জ্যের গাড়ি (ভ্যান সার্ভিস) এলেও এই এলাকায় বন্ধ। সড়কে, বাড়ির সামনে, এমনকি বেজমেন্টে বা গাড়ির গ্যারেজেও ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। কোথাও কোথাও বর্জ্য পচে ময়লা পানি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এতে তেমন সাড়া নেই সিটি করপোরেশনের। কথা বলতে প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে ফোনে না পাওয়া গেলেও উপপ্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, ‘আমাদের নতুন করে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে। আপাতত এলাকাবাসীকে নিজ খরচে ভ্যান ঠিক করে ময়লাগুলো ভাগাড়ে ফেলতে হবে।’ কবে নাগাদ সিটি করপোরেশনের গাড়ি এসে এই এলাকা থেকে বর্জ্য নেবে, সে বিষয়ে কোনো আলোকপাত করলেন না এই কর্মকর্তা।

এমন পরিস্থিতিতে নগর পরিকল্পনাবিদরা প্রশ্ন তুলেছেন, বর্জ্য পরিবহনের মতো একটি দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয়ের টেন্ডার কেন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর করা হবে? সিটি করপোরেশনের উচিত একটি টেন্ডার শেষ হওয়ার আগেই আরেকটির চূড়ান্ত করা। আর এই গড়িমসির পেছনে যদি রাজনৈতিক কোনো বিষয় থাকে, তাহলে সেটির তদন্ত করতে পরামর্শ দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hundreds of people in Jhenaidah got free health care from Walton

ওয়ালটনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেল ঝিনাইদহের শতাধিক মানুষ

ওয়ালটনের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেল ঝিনাইদহের শতাধিক মানুষ ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ঝিনাইদহে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছে ওয়ালটন প্লাজা। বুধবার (২৪ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের অগ্নিবীণা সড়কে অবস্থিত ওয়ালটন প্লাজায় এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

ক্যাম্পে শহরের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১০০ জন গ্রাহক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। স্বাস্থ্যসেবা দেন কালীগঞ্জ ডায়াবেটিস হাসপাতালের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আলী রেজা তপু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার রিফাত হাসান খান, চুয়াডাঙ্গা মোড় শাখার ম্যানেজার সাদিক-ই-নুর, ঝিনাইদহ প্লাজার ম্যানেজার তোতা মিয়া, হেলথ কেয়ার অ্যান্ড হ্যাপিনেস অফিসার আলী মুরাদ খান শুভ, জাকারিয়া হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষরা। তারা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকরা জানান, ওয়ালটন প্লাজা শুধু ব্যবসায়িক কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নয়; সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নিয়মিত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় সারাদেশের মতো ঝিনাইদহেও এই বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
82 thousand 501 children are getting vitamin A plus capsules in Jhalkathi

ঝালকাঠিতে ৮২ হাজার ৫০১ শিশু পাচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

ঝালকাঠিতে ৮২ হাজার ৫০১ শিশু পাচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ছবি: সংগৃহীত

টিকা সংকটে প্রায় ১৪ মাস বন্ধ থাকার পর দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আগামী ২৮ জুন ঝালকাঠি জেলায় ৮২ হাজার ৫০১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে আয়োজিত একটি সভায় বুধবার (২৪ জুন) এ তথ্য জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া তথ্য বলছে, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে ক্যাম্পেইন। এদিন ঝালকাঠির চারটি উপজেলার সকল ইউনিয়ন এবং দুটি পৌরসভার সকল ওয়ার্ডে একযোগে ৮২ হাজার ৫০১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সি ১০ হাজার ১১ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সি ৭২ হাজার ৪৯০ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের কার্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিয়ম অনুসারে বছরে দুইবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা। তবে ক্যাপসুলসংকটে গত বছরের মার্চ মাসের পর থেকে তা আর হয়নি। দীর্ঘ ১৪ মাস পর আগামী ২৮ জুন এই ক্যাম্পেইন হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Innovative inspection of farmers using modern agricultural technology in Kurigram

কুড়িগ্রামে কৃষকদের ‘আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি’ ব্যবহার উদ্ভাবনী পরিদর্শন

কুড়িগ্রামে কৃষকদের ‘আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি’ ব্যবহার উদ্ভাবনী পরিদর্শন ছবি: সংগৃহীত

‘বদলে যাচ্ছে কৃষিটা রোজ, নতুন প্রযুক্তিতেই সাফল্যের খোঁজ’ এই স্লোগানে সফল কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার উদ্ভাবনী পরিদর্শন করানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় বুধবার (২৪ জুন) সকালে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় আরডিআরএস বাংলাদেশ কৃষকদের এই সফরের আয়োজন করে।

উপজেলার বিএডিসি, খামার, সমন্বিত আদর্শ খামার, আধুনিক কৃষি নার্সারি পরিদর্শন করানো হয়। এ সময় কুড়িগ্রামের ৩৫ জন লিড কৃষকদের আধুনিক নার্সারি, সমন্বিত কৃষি খামার ব্যবস্থাপনায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উদ্ভাবনী পদ্ধতি সরাসরি প্রদর্শনের জন্য সফল ও আদর্শ কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ তৈরি করে আরডিআরএস বাংলাদেশের স্পেশাল প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট কৃষি ইউনিট।

আরডিআরএস-এর টেকনিক্যাল অফিসার কৃষিবিদ সজিব আহমেদ জানান, লিড ফার্মারদের এক্সপোজার ভিজিট বা অভিজ্ঞতা বিনিময় সফর হলো কৃষকদের জন্য একটি প্রায়োগিক শিক্ষা কার্যক্রম, যার মূল উদ্দেশ্য ‘দেখা এবং বিশ্বাস করা’ এর মাধ্যমে নির্বাচিত মডেল ও সফল খামারিদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে আধুনিক ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে হাতে-কলমে জ্ঞান অর্জন করা হয়।

‎উক্ত আয়োজনে সমন্বিত কৃষি খামারের পাশাপাশি কৃষকরা বিএডিসি পরিদর্শন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএডিসি’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ মিজানুর রহমান ও কৃষিবিদ জলিল উদ্দিন।

এ সময় বিএডিসি’র কার্যক্রম, আধুনিক বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং বিপণন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান, কীভাবে কৃষক বিএডিসি থেকে উপকৃত হতে পারে সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়।‎

মন্তব্য

p
উপরে