× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
World No Tobacco Day celebrated in Ashtagram of Kishoreganj
google_news print-icon

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপিত

কিশোরগঞ্জের-অষ্টগ্রামে-বিশ্ব-তামাকমুক্ত-দিবস-উদযাপিত
ছবি: নিউজবাংলা২৪.কম

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে 'বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস, ২০২৬' উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলা সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন মিলনায়তনে র‌্যালি ও এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিলভিয়া স্নিগ্ধার সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার আমিনুল ইসলাম। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মজনু মিয়া, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনিচুর রহমান, বাঙালপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান রুস্তম উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি নজরুল ইসলাম সাগর সহ উপজেলার বিভিন্ন স্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা তামাকের ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরেন এবং তামাকমুক্ত সমাজ গঠনে সরকারি-বেসরকারি সকল স্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Even with the bumper yield of golden rice in Naogaon the farmers are struggling to pay their debts

নওগাঁয় সোনালি ধানের বাম্পার ফলনেও মলিন কৃষকের মুখ, দায় পরিশোধে হিমশিম

নওগাঁয় সোনালি ধানের বাম্পার ফলনেও মলিন কৃষকের মুখ, দায় পরিশোধে হিমশিম ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর দিগন্তজোড়া মাঠজুড়ে এখন পাকা ধানের সোনালি আভা। চারদিকে ম ম গন্ধ আর মাড়াইয়ের উৎসবে মুখর গ্রামীণ জনপদ। দেশের অন্যতম প্রধান শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত এই জেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ধানের ফলনও হয়েছে নজরকাড়া। কিন্তু এই দৃশ্যমান আনন্দের আড়ালে লুকিয়ে আছে কৃষকের এক বুকচাপা কান্না। মাঠের সোনালি হাসি বাজারের নির্মম বাস্তবতার কাছে ম্লান হয়ে গেছে। ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে নওগাঁর প্রান্তিক চাষিরা এখন উৎপাদন খরচের খাতা মেলাতেই চরম হিমশিম খাচ্ছেন।

খরচের পাহাড় বনাম বাজারের নির্মমতা: চলতি মৌসুমে নওগাঁ জেলায় ১ লাখ ৯২ হাজার ৪৭৭ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের বিপরীতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৮ লাখ ৭০ হাজার টন ধান। কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বিঘাপ্রতি ২২ থেকে ২৪ মণ ধান ঘরে উঠলেও, এই বাম্পার ফলন তাদের ঘরে আনন্দের বদলে দুশ্চিন্তা বয়ে এনেছে।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান বাজারে সার, সেচ, উন্নত বীজ, কীটনাশক এবং বিশেষ করে কৃষি শ্রমিকের চড়া দামের কারণে উৎপাদন ব্যয় আকাশচুম্বী হয়েছে। এবার প্রতি বিঘা জমিতে বোরো আবাদে কৃষকদের পকেট থেকে খরচ করতে হয়েছে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। অথচ ভরা মৌসুমে বাজারে ধানের দাম মণপ্রতি প্রায় ৮০ থেকে ১০০ টাকা কমে গেছে।

বর্ষাইল গ্রামের কৃষক রুবেল হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, ‘সব খরচ বাদ দিয়ে বিঘায় মাত্র ৭-৮ হাজার টাকা লাভ থাকে। বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে এই সামান্য টাকা দিয়ে পরিবার চালানো এবং পরবর্তী চাষের খরচ জোগানো অসম্ভব।’

একই চিত্র দেখা গেছে মান্দা উপজেলার হামিদুর রহমানের ক্ষেত্রেও। তিনি ৫ বিঘা জমিতে ‘স্বর্ণা-৫’ জাতের ধান চাষ করে বিঘাপ্রতি ২৬ হাজার ৬২০ টাকার ধান বিক্রি করলেও, খরচ বাদে তার নিট লাভ দাঁড়িয়েছে মাত্র সাড়ে ৮ হাজার টাকা।

প্রান্তিক চাষিদের মতে, বাজারে ধানের দাম মণপ্রতি অন্তত ১,৮০০ থেকে ২,০০০ টাকা না হলে এই লোকসান ও ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়।

মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ও সরকারি বক্তব্য: কৃষকের ঘামে ভেজা সোনালি ধান যখন মধ্যস্বত্বভোগী আর চালকল মালিকদের গুদাম সমৃদ্ধ করছে, তখন মাঠের প্রকৃত কারিগররা থাকছেন দেনার দায়ে জর্জরিত। তবে বাজার পরিস্থিতির এই আকস্মিক পতনের পেছনে কৃষকদের তাড়াহুড়োকেও অন্যতম কারণ মনে করছে কৃষি বিভাগ। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মনজুর রহমান জানান, অনেক কৃষক ধান কাটার পরপরই বাজারে বিক্রি করে দেন। ফলে বাজারে হঠাৎ সরবরাহ বা আমদানি বেড়ে যাওয়ায় দাম কমে যায়। ধান কিছুদিন ঘরে সংরক্ষণ করে বিক্রি করতে পারলে ভালো দাম পাওয়া সম্ভব।

ভবিষ্যৎ খাদ্য সংকটের গভীর আশঙ্কা: কৃষক ও শ্রমিক নেতাদের মতে, নওগাঁর মতো কৃষিপ্রধান অঞ্চলে কৃষকদের এই অর্থনৈতিক অবহেলা দেশের সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্য এক বিরাট হুমকি। বাসদ জেলা কমিটির আহ্বায়ক কমরেড জয়নাল আবেদীন মুকুল সতর্ক করে বলেন, ‘ধান বিক্রি করে যা লাভ হচ্ছে, তা দিয়ে পরবর্তী আবাদের ব্যয়ের সংকুলান মিলছে না। কৃষকরা এভাবে ক্রমাগত ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হতে থাকলে একসময় তারা ধান চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। ফলে দেশের আমদানিনির্ভরতা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে খাদ্য সংকট চরম আকার ধারণ করতে পারে।’

নওগাঁর কৃষকদের বাঁচাতে হলে কেবল আশ্বাসের বাণী যথেষ্ট নয়। উৎপাদন খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সরাসরি প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের কার্যকর ও স্বচ্ছ উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, আগামী দিনে মাঠের এই সোনালি হাসি এবং দেশের খাদ্য স্বয়ম্ভরতা চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Public counting of money for the first time in 700 years at Shahjalal RA shrine

শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৭০০ বছরে প্রথমবার প্রকাশ্যে অর্থ গণনা

শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৭০০ বছরে প্রথমবার প্রকাশ্যে অর্থ গণনা ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের আধ্যাত্মিক রাজধানী হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে দীর্ঘ ৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দানের টাকা গণনা করার এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) দুপুর আড়াইটা থেকে মাজার প্রাঙ্গণে রক্ষিত সিল করা ডেকচিগুলোর ঢাকনা খুলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ গণনা প্রক্রিয়া উদ্বোধন করা হয়।

সিলেট জেলা প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই ঐতিহাসিক উদ্যোগে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় মাদরাসা শিক্ষার্থীরা। টাকা গণনার সময় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যকে মাজার এলাকায় সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। নজিরবিহীন এই দৃশ্য দেখার জন্য মাজার প্রাঙ্গণে উৎসুক জনতা ও ভক্তদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

প্রত্যাহারকৃত জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের এমন স্বচ্ছ ও সাহসী পদক্ষেপকে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ স্বাগত জানিয়েছেন। গণনার খবরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি অনেকেই সারওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসক পদে বহাল রাখার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, সোমবার দুপুরে দরগাহ মসজিদে নামাজ আদায়ের পর জেলা প্রশাসক মাজারের জামেয়া ও এতিমখানা অফিসে অবস্থান নেন এবং তাঁর উপস্থিতিতেই এই স্বচ্ছতার কার্যক্রম শুরু হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, গণনা শেষে সংগৃহীত দানের মোট অর্থের পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। এরপর সেই অর্থ ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। এই ঘটনাটি সিলেটের ধর্মীয় ও প্রশাসনিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 top terrorists of Khulna arrested in Dhaka with weapons

খুলনার ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসী অস্ত্র-গুলিসহ ঢাকায় গ্রেপ্তার

খুলনার ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসী অস্ত্র-গুলিসহ ঢাকায় গ্রেপ্তার ছবি: সংগৃহীত

খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে খুলনার চিহ্নিত সন্ত্রাসী 'বি' কোম্পানির পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ সময় তাদের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলভার এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপ পুলিশ কমিশনার (ডিবি মোঃ আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, খুলনা মহানগরীতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী অপরাধী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেএমপির উদ্যোগে গত ১ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্য, গোয়েন্দা নজরদারি এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আত্মগোপনে থাকা সন্ত্রাসীদের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে গ্রেপ্তার হলো মো. আবরার ফয়সাল ওরফে বাদিন (২৪), মো. আল-আমিন (২৯), মো. তুষার শিকদার (৩৮), মো. আসিফ (২৫) এবং মো. সাজ্জাদ হোসেন সাব্বির (১৮)।

ডিবির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা খুলনার চিহ্নিত ‘বি কোম্পানি’সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আসামিদের দেখানো ও স্বীকারোক্তি অনুযায়ী একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলভার এবং ৭ দশমিক ৬৫ বোরের দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে খুলনায় সক্রিয় অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, তাদের সহযোগী এবং অস্ত্রের উৎস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে কেএমপির ডিবি ডিসি বলেন, “খুলনা মহানগরীতে কোনো অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি কিংবা চিহ্নিত অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Execution of the accused in the case of child rape and murder in Kaliganj

কালীগঞ্জে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় অভিযুক্তের ফাঁসির আদেশ

কালীগঞ্জে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় অভিযুক্তের ফাঁসির আদেশ ছবি: নিউজ বাংলা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামের পাঁচ বছরের শিশু তাবাসসুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলার একমাত্র আসামি আবু তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং লাশ গুমের অপরাধে পৃথক ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আবু তাহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহি গ্রামের রফিউদ্দিনের ছেলে। তিনি বাদুরগাছা গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং নিহত শিশুর পরিবারের পাশের বাড়িতে বসবাস করতেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাবাসসুম নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে পাশের একটি বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পরে ২৭ ফেব্রুয়ারি পুলিশ কুষ্টিয়া থেকে প্রতিবেশী যুবক আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেন। তদন্ত শেষে গত ২৬ মে পুলিশ তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করে ঘটনার চার মাসের মধ্যেই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আবু তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং লাশ গুমের অপরাধে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে বিচারকাজ শেষ হয়েছে এবং আদালত সর্বোচ্চ শাস্তির রায় দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Order to show arrest of former MP Tuhin Akhtar in attempted murder case

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি তুহিন আক্তারকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি তুহিন আক্তারকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় দায়েরকৃত হত্যা ও হত্যাচেষ্টার পৃথক দুটি মামলায় সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন এবং কাফরুল থানা মহিলা লীগের সভাপতি রোকেয়া জামালকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ প্রদান করেন।

সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিনকে আদালতে হাজির করে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন জানান মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. সোহেল সৌরভ। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মিরপুর ১৪ নম্বর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় বাদী গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করা হয়। উক্ত মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে সাবিনা আক্তার তুহিনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

অন্যদিকে, কাফরুল থানা মহিলা লীগের সভাপতি রোকেয়া জামালকে মিরপুর ১০ এলাকায় আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত মো. শাকিলের হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. কবির হোসেন তাকে আদালতে হাজির করে এই আবেদন করেন। মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাকিল মারা গেলে তার বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে রোকেয়া জামালকে গ্রেফতার দেখানো হলো।

আদালতে শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন আসামিদের গ্রেফতার দেখানোর পক্ষে জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন। বিপরীতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন গ্রেফতারের বিরোধিতা করে জামিন প্রার্থনা করেন। তদন্ত কর্মকর্তারা আদালতকে জানান, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এই দুই আসামিকে গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The tragic death of a child fell into a drain in Comilla

কুমিল্লায় ড্রেনে পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

কুমিল্লায় ড্রেনে পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ছবি: নিউজ বাংলা

কুমিল্লা নগরীতে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মধ্যে মায়ের হাত থেকে ছিটকে ড্রেনে পড়ে স্মৃতি (৮) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) রাত ৯টার দিকে নগরীর ছোটরা পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ এলাকায় ঘটে হৃদয়বিদারক এ দুর্ঘটনা।

নিহত স্মৃতি কালিয়াজুড়ি বদরপুর এলাকার বিল্লাল হোসেনের মেয়ে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের দাওয়াত শেষে রাতে মায়ের সঙ্গে ফুটপাত দিয়ে বাসায় ফিরছিল স্মৃতি।

চারদিকে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় সড়ক ও ড্রেনের পার্থক্য বোঝার উপায় ছিল না। হঠাৎ মায়ের হাত থেকে ছিটকে গিয়ে পানিতে ডুবে থাকা ভাঙা স্ল্যাবের ফাঁক দিয়ে ড্রেনে পড়ে যায় সে। মুহূর্তেই মেয়েকে চোখের সামনে হারিয়ে ফেলেন অসহায় মা।

শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিটের প্রাণপণ চেষ্টার পর কিছুটা সামনে ড্রেনের ভেতরে আটকে থাকা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাস্থলে স্বজনদের আহাজারি ও কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার ও সংস্কারের কাজ চলছিল। কয়েকটি স্থানে ড্রেনের ঢাকনা খোলা ছিল এবং অনেক স্ল্যাব ভাঙা অবস্থায় পড়ে ছিল। টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে এসব ঝুঁকিপূর্ণ অংশ পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে যে কেউ অসাবধানতাবশত খোলা ড্রেনে পড়ে প্রাণ হারাতে পারে।
এলাকাবাসী জানান, নগরীর বিভিন্ন সড়কের পাশে থাকা ড্রেন দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। কোথাও স্ল্যাব ভাঙা, কোথাও আবার সম্পূর্ণ খোলা। বারবার অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এসব ড্রেন এখন পথচারীদের জন্য ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঝুঁকিপূর্ণ ড্রেনগুলো দ্রুত সংস্কার, নিরাপত্তা বেষ্টনী স্থাপন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম গেছে। এটি একটি দুর্ঘটনা।

মন্তব্য

p
উপরে