× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Discussion meeting at Magura on the occasion of Newspaper Black Day
google_news print-icon

সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে মাগুরায় আলোচনা সভা

সংবাদপত্রের-কালো-দিবস-উপলক্ষে-মাগুরায়-আলোচনা-সভা
ছবি: সংগৃহীত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মুক্ত সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে মাগুরায় ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় মাগুরা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।

মাগুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক। প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শেখ ইলিয়াস মিথুনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক সঞ্জয় রায় চৌধুরী, মাসুম বিল্লাহ কলিন্স, শাহিন আলম তুহিন, ইমরান হোসেন, শিউলি আফরোজ সাথী, আলিমুজ্জামান উজ্জ্বল, ফয়সাল পারভেজ, জয়ন্ত জোয়ার্দার, শরীফ স্বাধীন, নাঈমুর রহমান, সুজন মাহামুদ, শাহিনুর রহমান ও তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৬ জুন তৎকালীন সরকার মাত্র চারটি সংবাদপত্র রেখে সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দেয়। ফলে বহু সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কর্মহীন হয়ে পড়েন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়। ইতিহাসের সেই ঘটনাকে স্মরণ করে দেশের সাংবাদিক সমাজ প্রতি বছর ১৬ জুনকে ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে।’

বক্তারা আরও বলেন, ‘একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। রাষ্ট্র ও সমাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।’ অতীতের সে দুঃখজনক ঘটনার শিক্ষা নিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান বক্তারা।

সভায় মাগুরা প্রেসক্লাবের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Recession in Naogaon mango market Gardeners are disappointed not getting the price as expected

নওগাঁয় আমের বাজারে মন্দা, আশানুরূপ দাম না পেয়ে হতাশায় বাগানিরা

নওগাঁয় আমের বাজারে মন্দা, আশানুরূপ দাম না পেয়ে হতাশায় বাগানিরা ছবি: সংগৃহীত

দেশের অন্যতম বৃহৎ আম উৎপাদনকারী জেলা নওগাঁয় চলতি মৌসুমে গত ২ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আম পাড়া শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে উঠতে শুরু করেছে নানা জাতের সুস্বাদু আম। গুটি, নাগ ফজলি, হিমসাগর, আম্রপালি, ব্যানানা ম্যাংগোসহ বিভিন্ন জাতের আমে সরগরম হয়ে উঠেছে বাজার। ক্রেতারাও নিজেদের পছন্দ ও সামর্থ্য অনুযায়ী আম কিনছেন। তবে মৌসুমের শুরুতে বাজারে কিছুটা মন্দাভাব বিরাজ করায় আশানুরূপ দাম না পেয়ে হতাশ অনেক চাষি।

নওগাঁর বিস্তীর্ণ আমবাগান ঘিরে প্রতি বছরের মতো এবারও কৃষক, ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। তবে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও বাজারে দামের অস্থিরতা নিয়ে শঙ্কা রয়েই গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রপ্তানির পরিধি বাড়ানো এবং আম প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলা গেলে দেশের এই বৃহৎ আম উৎপাদন অঞ্চলের কৃষকরা আরও ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং আম অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হবে।

আম ব্যবসায়ী ও চাষিদের আশা, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা নওগাঁর মোকামগুলোতে আসতে শুরু করলে বাজারে চাহিদা বাড়বে এবং আমের দামও বৃদ্ধি পাবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ২০১৫ সালে নওগাঁ জেলায় আমের আবাদ ছিল মাত্র ৬ হাজার ২৬৮ হেক্টর জমিতে। এক দশকের ব্যবধানে সেই চিত্র বদলে গেছে। চলতি মৌসুমে জেলায় ৩০ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। এসব বাগান থেকে প্রায় ৪ লাখ ২২ হাজার টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের লক্ষ্যে জেলার ১৮৬ হেক্টর জমিতে আম্রপালি, ব্যানানা ম্যাংগো ও গৌড়মতি জাতের প্রায় ১ কোটি ১১ লাখ ৫১ হাজার ৫০০টি আমে ফ্রুট ব্যাগিং করা হয়েছে। গত বছর জেলার সাপাহার ও পোরশা উপজেলা থেকে বিভিন্ন রপ্তানিকারকের মাধ্যমে ২৮৪ টন আম্রপালি, খিরসাপাত ও ব্যানানা ম্যাংগো মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়েছিল।

চাষিদের হিসাবে, এক বিঘা মাঝারি আকারের বাগান থেকে সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ মণ আম উৎপাদন হয়। বর্তমানে জমির ইজারা, সার, কীটনাশক, শ্রমিক, পরিবহন ও প্যাকেজিংসহ বিভিন্ন খরচ বেড়ে যাওয়ায় প্রতি কেজি আম মোকামে পৌঁছাতে গড়ে প্রায় ৩২ থেকে ৩৪ টাকা ব্যয় হচ্ছে। সে হিসেবে প্রতি মণ আম ১ হাজার ৫০০ টাকার নিচে বিক্রি হলে অনেক ক্ষেত্রেই চাষিদের লোকসানের মুখে পড়তে হয়।

নওগাঁর সাপাহারে দেশের অন্যতম বৃহৎ আমের হাটে বর্তমানে হিমসাগর আম প্রতি মণ ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা, নাগ ফজলি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, গুটি আম ১ হাজার ২০০ টাকা, আম্রপালি ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা এবং ল্যাংড়া জাতের আম প্রায় ১ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। বর্তমান বাজারদরে অধিকাংশ চাষিই প্রত্যাশিত লাভ পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন।

সাপাহার উপজেলার পাকুড়ডাঙ্গা গ্রামের আমচাষি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘দুই বিঘা জমিতে আম্রপালির বাগান করেছি। প্রতি বিঘায় সার, সেচ, কীটনাশক, শ্রমিক, পরিচর্যা ও আম সংগ্রহসহ প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি বিঘা থেকে ৫০ থেকে ৬০ মণ আম পাওয়ার আশা করছি। বর্তমান দরে বিক্রি করলে বিঘাপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হতে পারে।

একই উপজেলার সরদারপাড়া এলাকার চাষি আনিছুর রহমান বলেন, ‘এ বছর গাছে আমের পরিমাণ তুলনামূলক কম। গত বছর মৌসুমের শুরুতে আম্রপালি ১ হাজার ৫০০ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি করেছি। এ বছর দাম কিছুটা কম। ৩ হাজার টাকার নিচে আম্রপালি বিক্রি হলে উৎপাদন খরচ তুলতে কষ্ট হবে।’

বদলগাছী উপজেলার আমচাষি মোস্তাকিম বলেন, ‘তিন বিঘা জমিতে নাগ ফজলি চাষ করেছি। প্রতি বিঘায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ৪০ থেকে ৫০ মণ আম পাওয়ার আশা করছি। বর্তমান বাজারদরে খুব বেশি লাভ নেই। তবে মৌসুমের শেষ দিকে দাম বাড়লে কিছুটা ভালো লাভ পাওয়া যাবে। রপ্তানি বাড়ানো গেলে চাষিরা আরও বেশি উপকৃত হবেন।’

সাপাহার উপজেলা আম আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন, ‘সাপাহারের আমের হাটে প্রতি মৌসুমে প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার কোটি টাকার আম কেনাবেচা হয়। কিন্তু বর্তমানে সার, কীটনাশক, জমির ইজারা, শ্রমিক ও পরিবহন ব্যয় অনেক বেড়েছে। ফলে বর্তমান বাজারদরে চাষিরা কাঙ্ক্ষিত মুনাফা পাচ্ছেন না। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।’

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোছা. হোমায়রা মণ্ডল বলেন, ‘আমের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং আমভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা গেলে কৃষকরা আরও লাভবান হবেন। বর্তমানে সীমিত পরিসরে হলেও কিছু রপ্তানিকারক সরাসরি বাগানিদের সঙ্গে কাজ করছেন। ফ্রুট ব্যাগিং করা আম বিদেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে বেশি গ্রহণযোগ্য হওয়ায় এসব আমের দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে। উত্তম কৃষি চর্চার মাধ্যমে নিরাপদ ও মানসম্পন্ন আম উৎপাদনে কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Verdict in two separate cases in Jamalpur Death sentence for murder of housewife life sentence for rape of teenage girl

জামালপুরে পৃথক দুই মামলার রায়: গৃহবধূ হত্যায় মৃত্যুদণ্ড, কিশোরী ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন

জামালপুরে পৃথক দুই মামলার রায়: গৃহবধূ হত্যায় মৃত্যুদণ্ড, কিশোরী ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড। অপর এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অপরাধে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডের আদেশপ্রাপ্তরা হলেন, আলাল সেক (৫৩) দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামের মো. মজর উদ্দিনের ছেলে। অপর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত রাজীব হোসেন (৩৮) একই উপজেলার বাঘারচর গ্রামের জসিজল হকের ছেলে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামে ২০০৮ সালের ২৬ মে আলাল সেক তার স্ত্রী নাইফুল বেগমকে যৌতুকের দাবিতে মারধর করে পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল খালেক আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বুধবার (১৭ জুন) রায় ঘোষণা করেন বিচারক। আসামি আলাল সেক পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই রায় দেওয়া হয়। রায়ে আলাল সেককে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। তবে এ মামলায় আসামি পক্ষের কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

এদিকে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় রাজীব হোসেন নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে একই আদালত।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, ২০১৫ সালের ৭ জুন গভীর রাতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাঘারচর গ্রামের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে প্রতিবেশী রাজিব। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর ডাক-চিৎকারে পরিবার ও স্বজনরা উপস্থিত হলে রাজীব হোসেন হাতেনাতে ধরা পরে। কিন্তু সে তাদের ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থী দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে গতকাল বুধবার আসামি রাজীব হোসেনের উপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। রায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Keraniganj a young man died after being stabbed by a robber Motorcycle robbery

কেরানীগঞ্জে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু, মোটরসাইকেল ছিনতাই

কেরানীগঞ্জে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু, মোটরসাইকেল ছিনতাই

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে তরিকুল ইসলাম পবন নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর বাজার ব্রিজের ওপর এ ঘটনা ঘটে। বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম।

নিহত তরিকুল ইসলাম পবন (২৭) ঢাকার শ্যামপুর থানার পোস্তগোলা কলিমুল্লাহ বাগ এলাকার শফিকুল ইসলাম মাসুদের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে পবন মোটরসাইকেলে আব্দুল্লাহপুর বাজার ব্রিজ এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় তার মোটরসাইকেলের পেছনে এক নারী যাত্রী ছিলেন। তবে ওই নারীর পরিচয় জানা যায়নি। পথে একদল ছিনতাইকারী মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশে পবনকে ছুরিকাঘাত করে সড়কে ফেলে দেয়। পরে তারা মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে পথচারীদের সহায়তায় গুরুতর আহত অবস্থায় পবনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি সাইফুল আলম বলেন, ‘ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িত ছিনতাইকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The US ambassador visited the ancient archaeological site in Chapainawabganj

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, পরিদর্শন করলেন প্রাচীন প্রত্নস্থল

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, পরিদর্শন করলেন প্রাচীন প্রত্নস্থল ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পরিদর্শন করেছেন।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে তিনি প্রাচীন গৌড়ের বিভিন্ন প্রত্নস্থল ঘুরে দেখার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী সোনামসজিদ ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন।

সফরকালে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সোনামসজিদ স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ ছাড়া সোনামসজিদ সীমান্ত ফাঁড়িতে (বিওপি) দায়িত্ব পালনরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এ সময় তিনি সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা কার্যক্রম এবং স্থলবন্দরের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের সময় রাষ্ট্রদূতকে বিভিন্ন স্থাপনার ছবি তুলতে দেখা যায়। তিনি এলাকার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সফরকালে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, ৫৯ বিজিবি মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Facebook and TikTok IDs of juvenile gangs under DMP surveillance Home Minister in Parliament

কিশোর গ্যাংয়ের ফেসবুক ও টিকটক আইডি ডিএমপির নজরদারিতে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কিশোর গ্যাংয়ের ফেসবুক ও টিকটক আইডি ডিএমপির নজরদারিতে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মহানগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নিয়মিত বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবুর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা নিজেদের গ্যাং বা দলের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব ফেসবুক পেজ, গোপন গ্রুপ এবং টিকটক আইডি বা অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করছে, সেগুলোকে ডিএমপির সাইবার ইউনিট অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে রাজধানীর মিরপুর বিভাগ ও মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, র‍্যাব-২ মোহাম্মদপুর এলাকায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ১১৯টি ছিনতাইবিরোধী সফল অভিযান পরিচালনা করেছে এবং এসব অভিযান থেকে ২৫২ জন ছিনতাইকারী ও অপরাধীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনেছে।

পরবর্তীতে ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল বাতেনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, দেশের সর্বত্র মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং কিশোর গ্যাং, চুরি, ছিনতাই ও রাহাজানি থেকে সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি আরও জানান, এর অংশ হিসেবে বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং এবং পাড়া-মহল্লায় উঠান বৈঠকের আয়োজন করে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি তরুণ সমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক নিয়মিত কাউন্সেলিং, বিশেষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা অভিযান এবং নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladeshi taka at highest value against Indian rupee after a decade

এক দশক পর ভারতীয় রুপির বিপরীতে সর্বোচ্চ দামে বাংলাদেশি টাকা

এক দশক পর ভারতীয় রুপির বিপরীতে সর্বোচ্চ দামে বাংলাদেশি টাকা ভারতীয় রুপির বিপরীতে সর্বোচ্চ দামে বাংলাদেশি টাকা। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর ভারতীয় রুপির বিপরীতে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি টাকা। বর্তমানে বাংলাদেশের ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৭৯ ভারতীয় রুপি, যা মাত্র কিছুদিন আগেও ছিল মাত্র ৭৩ রুপি।

একইভাবে আগে যেখানে ১০০ রুপি কিনতে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রায় ১৪০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হতো, মুদ্রা বাজারের বর্তমান হারের কারণে এখন সেখানে লাগছে মাত্র ১২৩ টাকা।

মুদ্রা বিনিময় হারের এই বড় ধরনের পরিবর্তনে দুই দেশের মধ্যকার সীমান্ত বাণিজ্য, আমদানি কার্যক্রম এবং ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের মধ্যে বড় রকমের স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণত ভারত ভ্রমণের ক্ষেত্রে একজন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীকে যাত্রার আগেই বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। এর মধ্যে ভারতীয় দূতাবাসের ভিসা ফি ১ হাজার ৫৫০ টাকা, ভারতের বন্দর চার্জ ৪০০ রুপি, বাংলাদেশ সরকারের ভ্রমণ কর ১ হাজার টাকা এবং বন্দর ফি ৬৫ টাকা পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এর বাইরেও ভিসার সিরিয়াল সংগ্রহ ও যাতায়াত বাবদ একটি বড় অঙ্কের ব্যয় হয়। ফলে রুপির উচ্চমূল্যের কারণে এতদিন ভারত ভ্রমণ সাধারণ মানুষের জন্য বেশ ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছিল।

শুধু ভ্রমণই নয়, রুপির চড়া দামের কারণে ভারত থেকে পণ্য আমদানিতেও অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছিল দেশের ব্যবসায়ীদের, যার ফলে অনেক আমদানিকারক লোকসানের আশঙ্কায় তাঁদের ব্যবসার পরিধি সীমিত করে ফেলেছিলেন।

তবে সম্প্রতি ভারতের নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে হঠাৎ করেই রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান লক্ষণীয়ভাবে বাড়তে শুরু করে এবং গত তিন দিনের ব্যবধানে টাকার অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। এতে ভ্রমণকারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দর ব্যবহারকারী পাসপোর্টধারী রাশেদুজ্জামান জানান, টাকার মান বাড়ায় ভারত ভ্রমণের খরচ আগের চেয়ে কিছুটা কমবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত স্বস্তির বিষয়।

অন্যদিকে বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, বাংলাদেশি টাকা শক্তিশালী হওয়ায় ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে ব্যবসায়ীদের সামগ্রিক ব্যয় কমবে এবং দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে এর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন এই পরিবর্তনকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে বলেন, বিগত ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশি টাকার মান রুপির বিপরীতে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। ভারতের নির্বাচন-পরবর্তী এই সময়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও যাত্রী চলাচল আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

বেনাপোল বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১ হাজার ৮৩৬ জন দেশি-বিদেশি পাসপোর্টধারী যাতায়াত করেছেন এবং একই দিনে ৩৪৫টি ট্রাকে করে দুই দেশের আমদানি-রফতানি পণ্য পরিবহন করা হয়েছে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম জানান, ব্যবসায়ী ও ভ্রমণকারীদের জোরালো প্রত্যাশা হলো বাংলাদেশি টাকার এই ইতিবাচক ধারা যদি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকে, তবে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে এবং সীমান্ত অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

মন্তব্য

p
উপরে