× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Da knife saxe spear sword stick banned in Tazia procession DMP
google_news print-icon

তাজিয়া মিছিলে নিষিদ্ধ দা-ছুরি-কাস্তে-বর্শা-তরবারি-লাঠি: ডিএমপি

তাজিয়া-মিছিলে-নিষিদ্ধ-দা-ছুরি-কাস্তে-বর্শা-তরবারি-লাঠি-ডিএমপি
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র আশুরা উদযাপন ও তাজিয়া মিছিলে দা, ছুরি, কাস্তে, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো যাবে না। এ বিষয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের পবিত্র আশুরা উদযাপন ও তাজিয়া মিছিলের কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এসব নির্দেশনা জানালেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।

সভায় ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, পবিত্র আশুরার সব কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কেউ যেন বিশৃঙ্খলা বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি করতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। মিছিলে দা, ছুরি, কাস্তে, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো যাবে না।

তিনি আরও বলেছেন, হোসাইনী দালান ইমামবাড়া পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। যে কোনো দুর্ঘটনা প্রতিরোধে পুরো এলাকা ডগ স্কোয়াড ও ম্যানুয়ালি সুইপিং করা হবে। প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ থাকবে। অনুষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।

সমন্বয় সভার শুরুতে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
ACCs application to the Ministry of Home Affairs to return Benazir Ahmed to the country

বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুদকের আবেদন

বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুদকের আবেদন ছবি: সংগৃহীত

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ফিরিয়ে আনার আবেদন জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে দুদক কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থার জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।

আকতারুল ইসলাম বলেন, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রত্যর্পণ পত্র পাঠানো হয়েছে। এটি আজই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এই আবেদনটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের কাছে পাঠানো হবে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক আইনি জটিলতা এড়াতে এবং প্রক্রিয়াটি সহজ করতে প্রত্যর্পণ আবেদনপত্রটি ইংরেজি ও আরবি—এই দুটি ভাষায় অনুবাদ করে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় গতি আনতে দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)-এর দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল দুদক কার্যালয়ে আসে। প্রতিনিধিদলটি সাবেক এই আইজিপির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অনুসন্ধান ও মামলার অগ্রগতির বিষয়ে দুদকে গঠিত সংশ্লিষ্ট বিশেষ টিমের সঙ্গে বৈঠক করে এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র ও তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে যায়।

বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর তিনি দেশ ত্যাগ করেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেপ্তার আছেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করতে ইন্টারপোলের সহযোগিতাসহ কূটনৈতিক ও আইনি চ্যানেলগুলো ব্যবহার করছে সরকার।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ramisa Rape and Murder Case Paperbook ready for hearing in High Court

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: হাইকোর্টে শুনানির জন্য প্রস্তুত পেপারবুক

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: হাইকোর্টে শুনানির জন্য প্রস্তুত পেপারবুক ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে। আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করায় হাইকোর্টে যেকোনো দিন মামলাটির শুনানি শুরু হতে পারে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

গত ১৯ মে পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা করা হয়। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মাত্র ১৯ দিন পর রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। রায়ে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, এই অর্থ ভিকটিম রামিসার উত্তরাধিকারীরা পাবেন। যদি আসামিরা জরিমানা দিতে ব্যর্থ হন, তবে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সেই টাকা ভিকটিমের পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেন, শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ ও শরীরে বিভিন্ন স্থানে জখমের ভয়াবহ প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রধান আসামি সোহেল রানা স্বেচ্ছায় অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন। অপরাধ সংঘটনে তাদের ভূমিকা এবং তা প্রতিরোধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়টি আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

পরে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) জন্য বিচারিক আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় ও মামলার নথিপত্র গত ৯ জুন হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হয়। সেখানে মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। এরপর ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দুই আসামি জেল আপিল করেন।

গত ১৪ জুন বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল দুটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। পরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়।

এরই মধ্যে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের জেল আপিলের শুনানি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপারবুক প্রস্তুত করেছে হাইকোর্ট।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Governments main aim is to ensure uninterrupted democratic flow and freedom from corruption in the country Speaker

দেশে অব‌্যাহত গণতান্ত্রিক ধারা ও দুর্নীতিমুক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: স্পিকার

দেশে অব‌্যাহত গণতান্ত্রিক ধারা ও দুর্নীতিমুক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: স্পিকার নিজস্ব প্রতিবেদক

বিরোধী দলসহ গণমানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করে গণতান্ত্রিক ধারা অব‌্যাহত রাখা এবং দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করাই বর্তমান বিএনপি সরকারের মূল লক্ষ‌্য বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন‌্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) বাংলাদেশের আবাসিক প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা জানান স্পিকার। জাতীয় সংসদে স্পিকারের কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বিকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে সরকার ও বিরোধী দল আলোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে ঐকমত‌্যে পৌঁছাবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব‌্যক্ত করেন স্পিকার। আইআরআইয়ের রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টরকে তিনি বলেছেন, ইতোমধ‌্যে জ্বালানি সংকটসহ জাতীয় ইস‌্যুগুলোতে বিরোধী দল আন্তরিকভাবে সংকট উত্তরণে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। যা অত‌্যন্ত আশাব‌্যঞ্জক। বর্তমান সরকার বিরোধী দলের সঙ্গে সকল বিষয়ে আলোচনা করে সার্বিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন স্পিকার।

বিগত আওয়ামী শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের প্রসঙ্গ তুলে এ অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে মার্কিন সহযোগিতা কামনা করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন। শেখ হাসিনার দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনামলের নিপীড়নের উদাহারণ দিতে গিয়ে স্পিকার বললেন, আয়নাঘর, গুম-খুন ও বিরোধী মতের দমন-পীড়ন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা সম্পূর্ণভাবে রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল।

সাক্ষাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস‌্যদের প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ‌্যমে সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আইআরআইয়ের সহযোগিতার প্রস্তাব দেন জন ফ্লুহার্টি।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস‌্যদের ধীরে ধীরে সংসদের কার্যপ্রণালীসমূহ আয়ত্তে আনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে স্পিকার বললেন, ইতোমধ‌্যে ইউএনডিপি সংসদ সদস‌্যদের জন‌্য অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের আয়োজন করে বিশেষজ্ঞগণের মাধ‌্যমে সংসদ সদস‌্যগণের দায়িত্ব ও কর্তব‌্য বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দিয়েছে।

সাক্ষাতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা স্পিকারকে জানান জন ফ্লুহার্টি।

বৈঠকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব‌্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া ও ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের কনসালট‌্যান্ট অমিতাভ ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Controversy on cutting soil from under the pillars of Padma Bridge The project authoritys claim is allowed

পদ্মা সেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কাটা বিতর্ক: প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দাবি অনুমোদিত

পদ্মা সেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কাটা বিতর্ক: প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দাবি অনুমোদিত ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি সরানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কাজটি সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। তবে প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দাবি, নির্দেশিকা মেনেই তোলা হচ্ছিল মাটি।

সামাজিক মাধ্যমে মাটি তোলার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় বিতর্ক। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে মাটি কাটলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেতুর পিলার।

পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় মাটি ও বালু অপসারণ করা হচ্ছিল ওই এলাকায়- জানাল পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। তাদের ভাষ্য, এটি জলাশয় পুনরুদ্ধারের জন্য প্রকল্পের অনুমোদিত পরিকল্পনার অংশ। ‘এতে সেতুর কাঠামোগত কোনো ঝুঁকি নেই’- দাবি কর্মকর্তাদের।

প্রকল্পের উপপরিচালক আমিনুল করিম জানান, ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেলসেতুর ৭৬ থেকে ৯০ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী প্রায় ৬০০ মিটার এলাকা আগে জলাশয় ছিল। ভায়াডাক্ট নির্মাণের জন্য সেখানে মাটি ও বালু ফেলে ভরাট করেছিল চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি। এখন আগের জলাশয় পুনরুদ্ধারে কাজ চলছিল পরিবেশবান্ধব নির্দেশিকার আওতায়।

তার ভাষ্য, ‘এ বিষয়ে ভুল তথ্য প্রচার করা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। ওই স্থানে জলাশয় রাখার পরিকল্পনা ছিল প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী। কাঠামোগত নিরাপত্তা বিবেচনায় পাইল ও পাইল ক্যাপের ভিত্তির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে ভায়াডাক্ট। ফলে মাটি অপসারণে সেতুর কোনো ক্ষতি হবে না।’

এ নিয়ে বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ফতুল্লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বললেন, ‘যারা মাটি কাটছিল, তারা দাবি করেছে- এ কাজের ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছে প্রকল্পের নির্মাণকারী চীনা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে। এটি প্রকল্পেরই অংশ। তবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় আপাতত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কাজ বন্ধ রাখার।’

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন জানান, সংশ্লিষ্টরা কিছু অনুমতিপত্র দেখালেও তা সন্তোষজনক মনে হয়নি। পরে রেলওয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আগের অনুমতিও প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা যায়। এখন ওই স্থান থেকে আর মাটি তোলার সুযোগ নেই।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রায়হান কবির জানান, প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর মাটি অপসারণের বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত ছিল রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের। তবে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠার পর এখন অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা বলেছেন, ‘এ বিষয়ে আমার দপ্তর থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্প কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abul Barkat got bail in the murder case there is no obstacle to his release

হত্যা মামলায় জামিন পেলেন আবুল বারকাত, মুক্তিতে নেই বাধা

হত্যা মামলায় জামিন পেলেন আবুল বারকাত, মুক্তিতে নেই বাধা অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাত। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলনে ঢাকার নীলক্ষেতের ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় জামিন পেয়েছেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাত। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন দেন। অন্য কোনো মামলায় গ্রেপ্তার না থাকায় তার কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই।

আবুল বারকাতের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, হত্যা মামলায় মঙ্গলবার (১৬ জুন) আবুল বারকাতের জামিন চেয়ে আবেদন করা হয় আদালতে। যে কোনো শর্তে চাওয়া হয় জামিন। বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আবুল বারকাতকে জামিন দেন।

এর আগে গত ৭ জুন জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ নেওয়ার মামলায় জামিন পান তিনি। সেদিনই তাকে আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আমজাদ হোসেন তালুকদার।

পরে গত ১৪ জুন তাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরদিন তার জামিন আবেদন নাকচ করেন আদালত।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকালে নিউমার্কেট থানার নীলক্ষেত এলাকায় গুলিতে নিহত হন ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ। এ ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় মামলা করেন তার শ্যালক আব্দুর রব।

গত বছরের ১০ জুলাই রাতে ধানমন্ডির ৩ নম্বর সড়কের বাসা থেকে অধ্যাপক আবুল বারকাতকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। জালিয়াতির মাধ্যমে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে জনতা ব্যাংক থেকে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ৭ জুন এই মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পান আবুল বারকাত। নিজ পাসপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার শর্তে তাকে দেওয়া হয় জামিন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
110 crore 67 lakh budget of Madaripur municipality

১১০ কোটি ৬৭ লাখ টাকার বাজেট প্রণয়ন মাদারীপুর পৌরসভার

১১০ কোটি ৬৭ লাখ টাকার বাজেট প্রণয়ন মাদারীপুর পৌরসভার ছবি: সংগৃহীত

প্রথম শ্রেণির মাদারীপুর পৌরসভার ২০২৬-২৭ ইরেজী অর্থবছরে ১১০ কোটি ৬৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৬০ টাকার চ্যালেঞ্জিং খসড়া বাজেট প্রণয়ন করে নাগরিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে পৌর প্রশাসক (উপসচিব) জেসমিন আক্তার বানুর সভাপতিত্বে ও উপস্থানায় উক্ত খসড়া বাজেট প্রণয়ন এবং এর বাস্তবায়নের বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে নাগরিক মতবিনিময় সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এ সময় জেসমিন আক্তার বানু বলেন, ‘উন্নত পৌর নাগরিক সেবা প্রদানই তাদের মূল লক্ষ্য। বাজেটে পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন, গুরুত্বপূর্ণ টেকসই অবকাঠামো এবং সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাষ্ট ফান্ড প্রকল্প (সিসিটিএফপি), আয়-ব্যয় খাতের হিসাব, মূলধন হিসাব, ২০২৪-২৫, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রকৃত ও সংশোধিত বাজেটের পর্যালোচনা, বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার হতে প্রাপ্ত অর্থের বিবরণী, বিভিন্ন দাতা সংস্থা হতে প্রাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্পের আয়-ব্যয়, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প, স্যানিটেশন-ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্প, রাস্তাঘাট ও খেলাধুলার মাঠের উন্নয়ন, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, শিশুপার্ক, ঈদগাহ, কবরস্থান, ওয়াকওয়ে, অডিটোরিয়াম, কমিউনিটি সেন্টারের উন্নয়নসহ বিদ্যুৎ সঞ্চালন, বৃক্ষরোপণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা, টিকাদান কর্মসূচি, ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া, হাম-রুবেলা প্রতিরোধ, মশক নিধন, সুপেয় পানি সরবরাহ, সৌরবিদ্যুৎ বাতির উন্নয়ন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প, নিরাপদ ও যানজটমুক্ত সড়ক ব্যবস্থা, পুকুর-জলাশয় সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর বাজেটের আয়-ব্যয়ের পর্যালোচনা, লক্ষ্যমাত্রা ও ট্যাক্স আদায়সংক্রান্ত উপস্থাপনা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান নিবাহী কর্মকর্তা মো. আসমত হোসেন, নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আবু আহমদ ফিরোজ ইলিয়াসসহ অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদে সদস্য প্রবীণ রাজনীতিবিদ কাজী হুমায়ুন কবীর, সাবেক সিভিল সার্জন ও নিরাময় হাসপাতাল (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাক্তার মো. সরোয়ার হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম লিটু, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআইবি)-এর জেলা শাখার সভাপতি খান মো. শহীদ, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সভাপতি এনায়েত নান্নু, দৈনিক বাংলার সাংবাদিক শরীফ ফায়েজুল কবীর প্রমুখ।

প্রস্তাবিত খসড়া বাজেট উপস্থাপনের পর এর ওপর মতবিনিয়কালে বক্তারা বলেন, ‘বাজেটের আকার বড় হলেও এর বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে সঠিক কর্মপরিকল্পনা, নতুন-নতুন খাত তৈরি, ট্যাক্স হোল্ডার বৃদ্ধি করা ইত্যাদি।’

তারা আরও বলেন, ‘পৌর নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নেন অথচ ট্যাক্স প্রদান করেন না এমন নতুন-নতুন খাত চিহ্নিত করে পৌর ট্যাক্সের আওতায় আনা উচিত।’

মন্তব্য

p
উপরে