× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The pull of love created a sensation in the Chinese youth area in Nabinagar
google_news print-icon

প্রেমের টানে নবীনগরে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

প্রেমের-টানে-নবীনগরে-চীনা-যুবক-এলাকায়-চাঞ্চল্যের-সৃষ্টি
ছবি: সংগৃহীত

প্রেমের কোনো সীমানা নেই, নেই ভাষা, সংস্কৃতি কিংবা ভৌগোলিক দূরত্বের বাধা। ভালোবাসার এমনই এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে। প্রেমিকার টানে সুদূর চীন থেকে নবীনগরে ছুটে এসেছেন এক চীনা যুবক।

জানা গেছে, নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের কাঠালিয়া গ্রামের মরহুম রিয়াজ উদ্দিনের মেয়ে স্বপ্না আক্তারের(২০)সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয় চীনের সিচুয়ান প্রদেশের লুজোউ শহরের লুজিয়ান এলাকার বাসিন্দা জিয়াঐলির। মাত্র তিন মাসের পরিচয়ে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ভালোবাসার টানে একে অপরের কাছাকাছি চলে আসেন তারা।

গত সোমবার (১৫ জুন) রাতে প্রেমিকা স্বপ্নার টানে বাংলাদেশে আসেন জিয়াঐলি। বর্তমানে স্বপ্না নবীনগরের নীলনগর এলাকায় তার মামার বাড়িতে অবস্থান করছেন। সেখানে পৌঁছান চীনা যুবকও। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। শত শত মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় জমিয়ে চীনা যুবককে একনজর দেখতে আসছেন। ইতোমধ্যে তাদের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

স্বপ্না আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, জিয়াঐলি স্বপ্নাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যেই বাংলাদেশে এসেছেন। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে যাবেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর মুসলিম রীতি অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হবে বলেও জানান তারা।

স্বপ্না আক্তার বলেন, “প্রায় তিন মাস ধরে আমাদের যোগাযোগ চলছে। গত ২ জুন তিনি বাংলাদেশে এসে ঢাকার উত্তরায় অবস্থান করেন। পরে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে নবীনগরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সোমবার আমি তাকে আলীয়াবাদ গোলচত্বর থেকে নিয়ে আসি। আমার পরিবারের আর্থিক ও পারিবারিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানালে তিনি তাতে কোনো আপত্তি করেননি। পরে পরিবারের সদস্যদের সম্মতিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

স্থানীয়দের মধ্যে প্রথমদিকে জিয়াঐলির পরিচয় নিয়ে কিছু সংশয় দেখা দিলেও তিনি তার চীনা পাসপোর্ট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শন করেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে মানুষের আগ্রহ আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রেমের টানে বিদেশ থেকে এভাবে কোনো যুবকের নবীনগরে আসার ঘটনা এই প্রথম। সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে দুই দেশের দুই তরুণ-তরুণীর এই ভালোবাসার গল্প এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সব ধরনের আইনি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মুসলিম রীতি অনুযায়ী তাদের বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Inauguration of tree plantation program in Baubi MP Ronys commitment to build a green campus

বাউবিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার প্রত্যয় এমপি রনির

বাউবিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার প্রত্যয় এমপি রনির ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) ক্যাম্পাসে দীর্ঘমেয়াদি ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬-২০৩০’ সালের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন গাজীপুর-২ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য এম. মঞ্জুরুল করিম রনি।

এ সময় একটি নিম গাছের চারা রোপণ করে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান একটি বারোমাসি আমড়া গাছের চারা রোপণ করেন। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোউপাচার্য অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান এবং প্রোউপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলামও একটি করে গাছের চারা রোপণ করেন।

উদ্বোধন শেষে দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কনফারেন্স হলে ‘প্রতিটি চারা হোক গ্রিন ক্যাম্পাসের নতুন স্বপ্নের সূচনা’ স্লোগানকে সামনে রেখে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এম. মঞ্জুরুল করিম রনি। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবাইকে নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।’

সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬৩ টি উপআঞ্চলিক কেন্দ্রে একযোগে এ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘পরিবেশ সুরক্ষা ও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ গড়ার আহ্বান বাস্তবায়নে এ উদ্যোগ আগামী পাঁচ বছর অব্যাহত থাকবে।’ এ সময় তিনি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে একটি চলমান সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানান।

আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোউপাচার্য অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান এবং প্রোউপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপাচার্যের সহধর্মিণী ড. আলো আরজুমান বানু পরিবেশ দিবসের ওপর সময়োপযোগী একটি কবিতা আবৃত্তি করে উপস্থিত দর্শক ও শ্রোতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বৃক্ষরোপণ কমিটির আহ্বায়ক এবং কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুলের ডিন। আলোচনা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাউবির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টি.এম আহমেদ হুসেইন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In case of lightning 6 people survived by burning the goods of the house

বজ্রপাতের ঘটনায় বসতঘরের মালামাল পুড়ে ছাই, প্রাণে বাঁচলেন ৬ জন

বজ্রপাতের ঘটনায় বসতঘরের মালামাল পুড়ে ছাই, প্রাণে বাঁচলেন ৬ জন

ময়মনসিংহের ত্রিশালে এক ভয়াবহ বজ্রপাতের ঘটনায় একটি বসতবাড়ির বৈদ্যুতিক সামগ্রী পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছেন ঘরে থাকা একই পরিবারের ছয় সদস্য।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ত্রিশাল পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ত্রিশাল ভাটিপাড়া এলাকার আলতু সরদার বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বৃষ্টির সাথে হঠাৎ বিকট শব্দে আতাউর রহমান সুরুজ মিয়ার একতলা ফাউন্ডেশন ঘরের ছাদের ওপর একটি বজ্রপাত পতিত হয়। বজ্রপাতের তীব্র আঘাতে মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতরের বৈদ্যুতিক মিটার, একটি ফ্রিজ এবং চারটি সিলিং ফ্যান পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়।

এছাড়া দেয়ালের ভেতরে থাকা ওয়্যারিংয়ের যাবতীয় তার পুড়ে ছিটকে পড়ে এবং ছাদের ওপর থাকা কাপড়-চোপড় পুড়ে ভস্মীভূত হয়। ভুক্তভোগী আতাউর রহমান সুরুজ বর্তমানে ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সুরুজ মিয়া আতঙ্কের মুহূর্ত বর্ণনা করে বলেন, “সকালে হঠাৎ বৃষ্টি আর বজ্রপাত শুরু হলে আমরা চরম আতঙ্কের মধ্যে পড়ে যাই। চোখের পলকেই বিকট শব্দে আমাদের ঘরের বৈদ্যুতিক লাইট ও তারগুলো পুড়ে ওপর থেকে ছিটকে পড়তে থাকে। এতে আমাদের ঘরে থাকা ফ্রিজ, বিদ্যুতিক মিটার, ফ্যান ও আসবাবপত্র পুড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে ছাদের কোনো ক্ষতি হয়নি এবং ঘরে আমরা ছয়জন সদস্য থাকা সত্ত্বেও কেউ হতাহত হইনি।”

তিনি আরও জানান, এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় তাদের প্রায় দুই লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বজ্রপাতের বিকট শব্দে পুরো বাড়ির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Passengers suffer long traffic jams on Dhaka Sylhet highway

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, দুর্ভোগে যাত্রীরা

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, দুর্ভোগে যাত্রীরা ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাখরনগর এলাকা থেকে শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুর গেইট পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে প্রায় ৫ কিলোমিটার করে মোট ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ যানজট সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো যাত্রী।

হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অলিপুরে অবস্থিত শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকবাহী যানবাহনের প্রবেশ ও বের হওয়া এবং চলমান ছয় লেন সড়ক নির্মাণকাজের কারণে মহাসড়কে ধীরগতির সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়ে শত শত বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়ি আটকা পড়ে।

যানজটে আটকে থাকা যাত্রী শাহিনা আক্তার বলেন, “সকাল থেকে রাস্তায় আছি। ছোট শিশু নিয়ে বাসে বসে থাকতে খুব কষ্ট হচ্ছে। যানজটের কারণে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছি না।”

বিদেশগামী যাত্রী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, "আমার আজ রাতের ফ্লাইট। সময়মতো বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারব কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। মহাসড়কের এই যানজট আমাদের জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।"

ঢাকাগামী বাসচালক আব্দুল মালেক বলেন, "সকাল থেকে কয়েক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে কয়েক ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে। সড়ক নির্মাণকাজ ও শিল্পাঞ্চলের গাড়ির চাপ একসঙ্গে পড়ায় যানবাহন চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।"

এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, "অলিপুর শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক পরিবহনকারী যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ এবং চলমান ছয় লেন সড়ক নির্মাণকাজের কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে। যানবাহন স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।"

এদিকে দীর্ঘ যানজটের কারণে মহাসড়কে আটকে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অসুস্থ, নারী, শিশু ও জরুরি কাজে যাতায়াতকারী যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The once popular native date palm is now bird food

এক সময়ের জনপ্রিয় দেশি খেজুর এখন পাখির খাদ্য

এক সময়ের জনপ্রিয় দেশি খেজুর এখন পাখির খাদ্য ছবি: সংগৃহীত

কৃষি নির্ভর মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সড়কের পাশে, বাড়ির আঙিনায়, ফসলি জমির আইল কিংবা পুকুর পাড়, কিংবা পতিত জমিতে সারি সারি দেশি খেজুর গাছের দেখা মেলে।

এসব গাছে থোকায় থোকায় খেজুর ধরলেও বর্তমানে মানুষের আগ্রহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ খেজুর গাছেই পেকে নষ্ট হচ্ছে। এক সময় এই দেশিই খেজুর হাটে বাজারে বিক্রি হতো। তবে বতর্মানে সময়ে দেশিই খেজুরে ক্রেতাদের আগ্রহ না থাকাই থোকায় থোকায় গাছেই পেকে নষ্ট হচ্ছে দেশিই খেজুর।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক দশক আগেও দেশি খেজুরের আলাদা কদর ছিল। বাজারে এসব খেজুর বিক্রি হতো এবং অনেকেই লবণ মিশিয়ে কয়েক দিন রেখে পাকিয়ে খেতেন। সুস্বাদু এই ফলটি তখন গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল। তবে সময়ের পরিবর্তনে সেই চিত্র এখন অনেকটাই অতীত। তবে এখন এসব খেজুর বতর্মানে পাখির খাদ‍্য হিসেবেই বিবেচিত।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খেজুর গাছে থোকায় থোকায় ফল ঝুলতে দেখতে খুবই সুন্দর লাগে। অথচ বর্তমানে অধিকাংশ খেজুর গাছেই নষ্ট হচ্ছে। একসময় মানুষ আগ্রহ নিয়ে এসব খেজুর সংগ্রহ করে তারা খেতেন। এ ছাড়া এসব গাছে কোনো কীটনাশক প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না এবং বিশেষ যত্ন ছাড়াই ভালো ফলন পাওয়া যায়।

মালশাদহ গ্রামের কৃষক মিন্টু বলেন,বর্তমানে দেশি খেজুর মূলত পশুপাখির খাবারে পরিণত হয়েছে। মানুষ এখন খুব একটা খায় না। অথচ এই খেজুর এক সময় আমি বাজার থেকে কিনে এনে খেয়েছি। তবে সময়ের ব‍্যাবধানে আজ তা হারাতে বসেছে। সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির প্রতিটি ফলের কোন না,কোন গুন রয়েছে।

তাই এ ফল খাওয়ার অভ্যাস বাড়ানো উচিত।

অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস‍্য আঃ হান্নান বলেন,আমরা বাল‍্যকালে যে সকল ফল দেখেছি,খেয়েছি তার মধ‍্যে অনেক ফলই এখন আর দেখা মেলেনা। ছোটবেলায় গাছ থেকে পেড়ে অনেক খেজুর খেয়েছি। তখন লবণ মিশ্রিত পানিতে দুই-তিন দিন রেখে খেজুর পাকিয়ে খাওয়ার প্রচলন ছিল। কিন্তু এখনকার প্রজন্মের মধ্যে সেই আগ্রহ আর দেখা যায় না। আমরা আমাদের অনেক দেশিই ফল খাওয়া ভুলে গিয়েছি। যার ফলে আমরা শারীরিক ভাবেই অনেক দুর্বল হয়ে পড়ছি।

প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি দেখেছি আগে ছোট-বড় সবাই দেশি খেজুর খেত। এখন আর তেমন কাউকে খেতে দেখা যায় না। কারন এখন হাতের নাগালেই বিভিন্ন ধরনের বিদেশি খেজুর পাওয়া যায়। আবার সেগুলো দেশি খেজুরের চেয়ে স্বাদও বেশি। আর দেশি খেজুরের আঁটি বড় হওয়ায় শাঁস তুলনামূলক কম। তবে এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে একসময় এর বেশ কদর ছিল।

খেজুরের গুড় বিক্রেতা আব্দুল খালেক বলেন, আমি প্রায় তিন শতাধিক গাছ থেকে শীতের মৌসুমে রস সংগ্রহ করে গুড় বানাই। আর বতর্মান সময়ে প্রতিটি গাছেই থোকায় থোকায় কাচা পাকা খেজুর ঝুলছে। অথচ আমি এই খেজুর একটাও পাড়ি না। সব আমি পাখির খাদ‍্য হিসেবে রেখে দিয়েছি। প্রতিদিন শতশত পাখি এই খেজুর খেতে আসে। বিশেষ করে শালিক,বুলবুলিসহ অনেক পাখি। তাদের কিচিরমিচির শুনতে খুব ভালো লাগে।

মো: মতিয়র রহমান বলেন, খেজুরসহ দেশি মৌসুমি ফলগুলো খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এসব ফলে প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে এবং ক্ষতিকর কোনো দিক নেই। তাই দেশি ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। আমি মনে করি প্রতিটি মৌসুমী ফলই এক একটি ভিটামিনের ভান্ডার।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Child Wahidul Islam arrested after sexual abuse 3

যৌন নির্যাতনের পর শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে হত্যা, আটক ৩

যৌন নির্যাতনের পর শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে হত্যা, আটক ৩ ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের নবগঠিত উপজেলা মাতামুহুরীতে নিখোঁজের প্রায় ৪৫ ঘণ্টা পর ওয়াহিদুল ইসলাম (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটিকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা জানা গেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত জলাশয় থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ওয়াহিদুল ইসলাম পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজপাড়া গ্রামের মো. তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যার পর থেকে ওয়াহিদ নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন একটি পরিত্যক্ত জলাশয়ে মরদেহ দেখতে পেয়ে পরিবার ও পুলিশকে খবর দেয়।

পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বলেন, 'সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি ছোট খালে শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।' তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, 'প্রাথমিক তদন্তে শিশুটিকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক তিন ব্যক্তি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।'

পুলিশ জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
US Ambassador to Bangladesh visited Mango Hut in Rajshahi

রাজশাহীতে আম হাট পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

রাজশাহীতে আম হাট পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছবি: নিউজ বাংলা

উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ আমের বাজার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর আম হাট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৯টার দিকে তিনি হাটে এসে বিভিন্ন আমের আড়ত ও দোকান ঘুরে দেখেন। এ সময় তার সঙ্গে পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান ও পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ড সহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত হাটে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি ব্যবসায়ী ও চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের আমের স্বাদ গ্রহণ করেন।

হাটে উপস্থিত ব্যবসায়ীরা জানান, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এমন সফরে তারা আনন্দিত। এতে রাজশাহীর আম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিতি পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

স্থানীয় কৃষকরা বলেন, রাজশাহীর আমের গুণগত মান ও স্বাদ বিশ্বব্যাপী পরিচিত। বিদেশি কূটনীতিকদের এ ধরনের পরিদর্শন দেশের কৃষিপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনাকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

পরিদর্শন শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, রাজশাহীতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে এটি আমার প্রথম সফর। ২০২০ সালে একবার এসেছিলাম, তবে এবার বিশেষভাবে আমের মৌসুমে এসেছি কারণ আমি রাজশাহীর আমের স্বাদ নিতে চেয়েছিলাম। আমি এখানে আসতে পেরে সত্যিই আনন্দিত। আমি যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য থেকে এসেছি। পণ্য যেখানে উৎপাদিত হয় সেখানে যাওয়ার মতো সেরা অভিজ্ঞতা আর নেই—সবচেয়ে তাজা, সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় এবং সেরা জিনিসটি দেখার সুযোগ সেখানে পাওয়া যায়। সেই অভিজ্ঞতার কোনো তুলনা হয় না।

তিনি আরও বলেন, আমেরিকানরা আম খুব পছন্দ করে। যদিও আমরা সাধারণত সেগুলো হিমায়িত অবস্থায় পাই এবং শেক তৈরিতে ব্যবহার করি। যুক্তরাষ্ট্রে আম পাওয়া যায়, তবে আমি মনে করি না সেখানে এখানকার মতো এত তাজা আম পাওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশের আম রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়াতে পরামর্শ দিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমি মনে করি বাংলাদেশের আরও কোল্ড চেইন (হিমাগার ব্যবস্থা) প্রয়োজন। কারণ সারা বছর আমের সহজলভ্যতার জন্য হিমায়িত আম রপ্তানির জন্য সবচেয়ে উপযোগী। তাই সারা বছর আমের উন্নত উৎপাদন ও রপ্তানির জন্য বাংলাদেশের কোল্ড চেইন ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন।

মন্তব্য

p
উপরে