× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Multiple push in attempts by BSF on Kushtia Meherpur border strict vigilance by BGB
google_news print-icon

বিএসএফের একাধিক পুশ ইনের চেষ্টা, কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সিমান্তে কঠোর নজরদারি বিজিবির

বিএসএফের-একাধিক-পুশ-ইনের-চেষ্টা-কুষ্টিয়া-মেহেরপুর-সিমান্তে-কঠোর-নজরদারি-বিজিবির

কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশ ইনের (ঠেলে পাঠানোর) একাধিক চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় সীমান্তবাসী।

স্থানীয় সূত্র ও সীমান্ত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে সীমান্ত পরিস্থিতিতে কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছে। এরই মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ভারতে অবস্থানরত কিছু মানুষকে বাংলাদেশি নাগরিক দাবি করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছে বিএসএফ—এমন অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় হোল্ডিং সেন্টারে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ থেকে ১৫ জনকে জড়ো করে যানবাহনে করে সীমান্তের কাছাকাছি এনে পুশ ইনের চেষ্টা করা হয়। তবে কুষ্টিয়ার ৪৭ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের কোনো চেষ্টা সফল হয়নি।

৪৭ বিজিবির আওতাধীন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তের প্রায় ৪৬ কিলোমিটার এবং মেহেরপুরের গাংনী সীমান্তের ৩৬ কিলোমিটার এলাকায় বিজিবি সদস্যরা দিনরাত দায়িত্ব পালন করছেন। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন বিওপিতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারাও বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে নজরদারি ও টহল কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন।

বিজিবি সূত্র জানায়, স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলে সীমান্তে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও কার্যকর হয়েছে।

দৌলতপুর সীমান্তের চিলমারী চল্লিশপাড়া এলাকার বাসিন্দা জাহিরুল ইসলাম বলেন, ‘ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের যে চেষ্টা চলছে, তা আমরা কখনো মেনে নেব না। বিজিবি যেভাবে দিন-রাত টহল পরিচালনা করছে, তাতে অবৈধ অনুপ্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত মাইকিং ও বাঁশি বাজিয়ে সতর্কতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আমরাও সীমান্তবাসী হিসেবে বিজিবির সঙ্গে থেকে সীমান্ত সুরক্ষায় সহযোগিতা করছি।’

এ বিষয়ে ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, ‘আমার দায়িত্বপূর্ণ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও মেহেরপুরের গাংনী সীমান্ত এলাকা দিয়ে একাধিকবার পুশ ইনের চেষ্টা চালানো হয়েছে। আমরা কোনোভাবেই তা সমর্থন করিনি। সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা টহল, মাইকিং ও সতর্কতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। সম্ভাব্য পুশ ইন পয়েন্টগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও জনবল বাড়ানো হবে। সীমান্ত রক্ষার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই সময়ে সীমান্তে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকেরা আমাদের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন। তারা পালাক্রমে বিজিবির সঙ্গে টহল কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন। এ জন্য তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Shahjalal Airport area declared a silent zone Violation of the law will be dealt with

শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকাকে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা: আইন অমান্য করলেই ব্যবস্থা

শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকাকে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা: আইন অমান্য করলেই ব্যবস্থা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নীরব এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে গুলশান-২ গোল চত্বরে আয়োজিত এক শব্দ সচেতনতামূলক সমাবেশ ও র‍্যালিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এই ঘোষণা দেন।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, পরিবেশ অধিদফতর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

ডিএনসিসি প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট জানিয়েছেন, ঘোষণার পর থেকে বিমানবন্দর এলাকায় কোনো ধরনের শব্দ দূষণ সহ্য করা হবে না। যদি কেউ এই আইন অমান্য করে হর্ন বাজায় বা শব্দ দূষণ সৃষ্টি করে, তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বিমানবন্দর এলাকার পাশাপাশি গুলশান, বনানী, নিকেতন ও বারিধারা এলাকাকেও নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান প্রশাসক। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, স্থানীয় সোসাইটিগুলোর সহযোগিতায় নগরবাসীর জন্য শব্দ ও বায়ু দূষণমুক্ত একটি সুস্থ পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, পরিবেশ নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থা এবং সাধারণ মানুষের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় এই দূষণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। একদিনেই শতভাগ পরিবর্তন সম্ভব না হলেও, সবার সম্মিলিত কাজের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রশাসক আরও জানান, ঢাকা মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ট্রাফিক সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তি সফলভাবে কাজ করছে এবং আগামীতেও এই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অব্যাহত থাকবে। এই সচেতনতামূলক সমাবেশে গুলশান, নিকেতন, বনানী ও বারিধারা সোসাইটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে সংহতি প্রকাশ করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
37 passengers narrowly escaped rescue from the bus that sank in Padma

পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাস উদ্ধার, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ৩৭ যাত্রী

পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাস উদ্ধার, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ৩৭ যাত্রী

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭ নং ফেরিঘাট হতে আজ সকাল সারে ৯ টার দিকে এসবি পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরির রেলিং ভেঙে নদীতে পরে ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কুষ্টিয়া হতে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী বাসটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ট - ১৫-৫৬৪৯।

করবী অক্সফাম নামের একটি ছোট ফেরিতে ওঠার সময় ওই বাসটি থেকে সকল যাত্রীদের নামিয়ে দেয়া হয় বলে ঘাট সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বাসটিতে থাকা সহকারী (হেলপার) সাকিব হোসেন (২৭) দুর্ঘটনার বিষয়টি বুঝতে পেরে লাফিয়ে ফেরির পন্টুনের উপর পড়ে যায়। এতে তিনি কিছুটা আহত হন। কিন্তু চালক ঝন্টু আলী (৪৭) বাসটি সহ নদীতে পড়ে যান। তবে তিনি বাসের জানালা দিয়ে বেরিয়ে সাঁতরে উপরে উঠতে সক্ষম হন। তাদের দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রায় ২ ঘন্টা পর বেলা পৌনে ১২ টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা বাসটিকে উপরে তুলতে সক্ষম হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী শুভ সেন জানান, তিনি ফেরি ঘাট দিয়ে লুজ যাত্রীদের পারাপারে নিয়োজিত মারুফ বিল্ডার্সের ম্যানেজার। সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে তিনি ৭ নং ঘাটের পন্টুনে দাড়িয়ে একজনের সাথে কথা বলছিলেন। এ সময় দেখতে পান এসবি পরিবহনের ওই বাসটি ফেরিতে ওঠার জন্য অ্যাপ্রোচ সড়কের দিকে আসছে। তবে সেখানে নিয়োজিত নৌ-পুলিশ ও অন্যান্যরা বাসটি হতে যাত্রীদের নেমে যেতে বলেন। যাত্রীরা নেমে যাওয়ার পর চালক বাসটি নিয়ে সোজা ফেরিতে উঠে যান। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সোজা গিয়ে ফেরির রেম বা ডালায় গিয়ে আঘাত করে। এতে ডালার তার ছিড়ে গিয়ে বাসটি নদীতে পড়ে যায়।

দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং ওই বাসের যাত্রী আব্দুস সালাম নিজের লোমহর্ষক অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করে বলেন, "আমি ও আমার পরিবার সকাল ৭টার সময় কুষ্টিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে এস বি পরিবহনের এই বাসে চড়েছিলাম। যদিও বাসটি তার নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় ২০ মিনিট দেরিতে ছেড়েছিল। দৌলতদিয়া ঘাটে পৌঁছানোর পর নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সব যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি মহান আল্লাহ্ পাক স্বয়ং পুলিশ পাঠিয়েছে যে আমাদের বাস থেকে নামিয়ে দিতে।

আমরা নামার ঠিক কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই চোখের সামনে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মার পানিতে তলিয়ে যায়। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা বেঁচে গেছি, কারণ ওই সময় বাসে চালক ছাড়া কোনো যাত্রী ছিলেন না।"

বাসটির সুপার ভাইজার আজমল হোসেন জানান, বাসটিতে মোট ৪০ জন টিকিট কাটলেও যাত্রী ওঠেন ৩৭ জন। তাদের নিয়েই ঢাকা যাচ্ছিলাম। তবে আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে সকল যাত্রী নেমে যাওয়ায় বড় ধরনের প্রানহানির হাত থেকে আমরা বেঁচে যাই।

গোয়ালন্দ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চালক ঝন্টু মিয়া বলেন, কুষ্টিয়ার মজমপুর গেট হতে সকাল সোয়া ৭ টার দিকে বাসটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়ি। এর আগে বাসের ইন্জিন ও ব্রেক ঠিক আছে কিনা তা দেখে নিই। তারপরও ফেরিতে ওঠার আগে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যাই। এ সময় হেলপার আমাকে সতর্ক করে লাফিয়ে ফেরির পন্টুনে নেমে যায়। এ ছাড়া বাসের ভেতর আমি ছাড়া আর কোন লোক ছিল না। বাসটি পানিতে তলিয়ে গেলেও সৃষ্টিকর্তার দয়ায় আমি জানালা দিয়ে বের হয়ে উপরে ভেসে উঠতে সক্ষম হই। পরে স্হানীয়রা আমাকে টেনে তীরে তুলে। এরপর গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ আমাদের দুজনকে গোয়ালন্দ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে।

এদিকে দূর্ঘটনার খবর পেয়ে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন ঘটনাস্হলে ছুটে আসেন। এ সময় গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ মুনতাসির হাসান খান, গোয়ালন্দ ঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি শফিকুল ইসলাম, দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ওসি ত্রিনাথ সাহা, বিআইডব্লিউটিসি'র দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক মোঃ সালাউদ্দিন সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা সেখানে উপস্হিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন জানান, প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে যাত্রীদের আগেই নামিয়ে দেয়ায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আমরা পরিবহন সংশ্লিষ্ট সহ সকল যাত্রীদের কাছে অনুরোধ করব এভাবেই ফেরিতে উঠা-নামার আগে বাস হতে সবাই নেমে যাবেন।

বেলা পৌনে ১২ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধারকারী জাহাজ 'হামজা' গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরিদের সহায়তায় ডুবে যাওয়া বাসটিকে টেনে উপরে তুলতে সক্ষম হয়। তবে এর ভেতরে কোন মানুষ ছিল না বলে দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ৩ নং ফেরি ঘাটে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ডুবিতে ২৬ জনের মৃত্যু হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Four people lost their lives in separate road accidents in Brahmanbaria

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের প্রাণহানি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের প্রাণহানি নিহতদের স্বজনদের আহাজারি। ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কের পৃথক দুটি স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় মা, শিশুসন্তান ও চালকসহ মোট চারজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বিয়াল্লিশহর এলাকা এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাড়িউড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিয়াল্লিশ্বর এলাকায়। কসবা উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের কাউসার মিয়া তার স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে সরাইল বিশ্বরোডের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে একটি দ্রুতগামী মাছভর্তি পিকআপ ভ্যান অটোরিকশাটিকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দিলে চালকসহ একই পরিবারের চার সদস্য গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে অটোরিকশা চালক মাহবুব, যাত্রী জোসনা বেগম ও তার পাঁচ বছরের ছেলে আশরাফুলের মৃত্যু হয়। আহত কাউসার মিয়া ও তার চার বছরের মেয়ে আদিবাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, সকাল ৬টার দিকে সরাইল উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাড়িউড়া বাজার এলাকায় প্রাইভেটকার ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আরও একজন নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম মো. অলি মিয়া (৫৫), তিনি সরাইলের পানিশ্বর ইউনিয়নের বরইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। সরাইল বিশ্বরোডগামী অটোরিকশাটিতে থাকা অলি মিয়া ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের দেওয়ান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করেছে। তবে ঘাতক পিকআপ ভ্যানটির চালক ও সহযোগী পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। এই দুটি দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Once again the passenger bus fell into the Padma river at Daulatdia Ferry Ghat

আবারও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে

আবারও দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে ছবি: সংগৃহীত

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পুনরায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাট পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বাস থেকে যাত্রী নামানো অবস্থায় ছিল বলে মনে হচ্ছে। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার তৎপরতা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সক্রিয় হয়েছে।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সম্পর্কে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, “বাস পদ্মায় ডুবে যাওয়ার ঘটনা শুনেছি। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।” বর্তমানে সেখানে স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল কাজ করছে বলে জানা গেছে।

এদিকে দেশের পূর্বাঞ্চলীয় রেলপথেও সাময়িক বিঘ্ন ঘটার খবর পাওয়া গেছে। প্রায় ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকার সাথে চট্টগ্রাম ও সিলেটের ট্রেন চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, কারিগরি সমস্যা নিরসনের পর নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী ট্রেনগুলো গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পল্টুন থেকে কুষ্টিয়ার কুমারখালি হতে ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য পরিবহনে’র একটি যাত্রীবাহী বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যায়। মর্মান্তিক সেই দুর্ঘটনায় নদী থেকে সর্বমোট ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। পুনরায় একই ধরনের ঘটনায় স্থানীয় যাত্রী ও চালকদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The half melted body of another woman named Selina Afroz was recovered from Mirpur

মিরপুর থেকে সেলিনা আফরোজ নামে আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

মিরপুর থেকে সেলিনা আফরোজ নামে আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর মিরপুর-৬ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে সেলিনা আফরোজ (৫৫) নামে আরও এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বুধবার (৩ জুন) রাতে ওই এলাকার একটি আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, সেলিনা আফরোজ দীর্ঘদিন ধরে ওই ফ্ল্যাটে একাই বসবাস করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হানিফ বলেন, মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেলিনা আফরোজের স্বামী ও দুই সন্তান বর্তমানে কানাডায় বসবাস করছেন। প্রায় ১২ বছর আগে তিনি দেশে ফিরে এসে মিরপুরের ওই ফ্ল্যাটে একাই বসবাস শুরু করেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, গত ২৬ মে থেকে ৩ জুনের মধ্যে কোনো এক সময়ে তার মৃত্যু হয়েছে। কারণ, সর্বশেষ ২৬ মে রাতে তার এক ভাতিজা মোবাইল ফোনে তার সঙ্গে কথা বলেন। এরপর থেকে পরিবারের সদস্য বা স্বজনদের সঙ্গে তার আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।

গত ৩১ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে নুরুজাহান বেগম নামে এক বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ নিয়ে একা বসবাসরত মানুষের নিরাপত্তা ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নুরুজাহান বেগমের তিন ছেলের মধ্যে একজন যুগ্ম সচিব, একজন শিক্ষক ও অন্যজন কানাডাপ্রবাসী। তার মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে, আর্থিকভাবে সচ্ছল সন্তান থাকা সত্ত্বেও কেন তিনি দীর্ঘ সময় একা ও অযত্নে ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
281 people died in 292 road accidents in 13 days during Eid trip

ঈদযাত্রায় ১৩ দিনে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন

ঈদযাত্রায় ১৩ দিনে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ জন

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে গত ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত ১৩ দিনে দেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত এবং ৮৩৭ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী ও ৪৮ জন শিশু রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময়ে ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১২৪ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট প্রাণহানির ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ। এছাড়া দুর্ঘটনায় ৩৭ জন পথচারী এবং ৩৩ জন যানবাহনের চালক ও সহকারী প্রাণ হারিয়েছেন।

সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি ১৩টি নৌপথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১২৪ জন, বাসযাত্রী ২১ জন, ট্রাক ও পণ্যবাহী যানবাহনের আরোহী ৩২ জন, প্রাইভেটকার ও অ্যাম্বুলেন্সের ১১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী ৪৮ জন এবং স্থানীয় যানবাহনের ৮ জন রয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ৯৫টি দুর্ঘটনায় ১০১ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম প্রাণহানি ঘটেছে সিলেট বিভাগে, যেখানে ৯টি দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়েছেন। জেলাভিত্তিক হিসাবে ফরিদপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সেখানে ১৯টি দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত হয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় উচ্চ প্রাণহারের বিষয়টি সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। ঈদকেন্দ্রিক যাতায়াতের সময় অতিরিক্ত গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করাকে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মন্তব্য

p
উপরে