× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Jugantar editors case
google_news print-icon

বাসসের এমডিসহ তিনজনের নামে যুগান্তর সম্পাদকের মামলা

বাসসের-এমডিসহ-তিনজনের-নামে-যুগান্তর-সম্পাদকের-মামলা
বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার। কোলাজ: ইউএনবি
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়া উদ্দিনের আদালতে রবিবার এ মামলা করা হয়।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদসহ তিনজনের নামে ১০ কোটি টাকার মানহানির অভিযোগ এনে মামলা করেছেন দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়া উদ্দিনের আদালতে রবিবার এ মামলা করা হয়।

আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আগামী ২৮ এপ্রিল আসামিদের আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খাইরুল আলম ও আসাদুজ্জামান আসাদ।

বাদী তার অভিযোগে বলেন, ‘আমি ক্লিন একটা জীবনযাপন করেছি। আসামিরা আমার ইমেজ, সম্মান, মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার জন্য মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্ভট একটা পোস্ট দিয়েছে ফেসবুকে।

‌‘তারা বলেছে, আমি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এরশাদের পক্ষে কবিতা লিখেছি, যেটা আদৌ আমার লেখা না। দেখলেই বোঝা যায়, এ ধরনের থার্ড ক্লাস কবিতা আমি আদৌ লিখি না।’

তিনি বলেন, ‘গত ১৭ মার্চ আসামি মাহবুব মোর্শেদ তার ফেসবুক আইডিতে একটি মনগড়া কবিতা পোস্ট করেন। সেটি আমার লেখা কবিতা বলে পোস্টে করেন।’

পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের এই কবি কীভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে অবমাননা করেছেন, তা পড়ে দেখার অনুরোধ জানাই। মন থেকে এত ঘৃণা পোষণ করার পরও এমন কবিরা বিএনপির সুবিধাভোগী হয়ে থাকতে চান।’

আসামি খাইরুল আলম গত ১৬ জানুয়ারি তার ফেসবুক আইডি থেকে একই কবিতা পোস্ট করেন এবং লিখেন, ‘শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা কবিতাটি তিনি (আবদুল হাই শিকদার) এরশাদকে উপহার দিয়েছিলেন।’

আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধেও ফেসবুকে একই কবিতা নিয়ে পোস্ট করার অভিযোগ করা হয়।

বাদী বলেন, এসব তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, অসত্য, কাল্পনিক, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এসব মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর কবিতা এবং পোস্টের মাধ্যমে তার ১০ কোটি টাকার সম্মানহানি করা হয়েছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The Home Ministers emphasis on building a non political and people friendly administration

রাজনৈতিক পক্ষপাতহীন ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ার ওপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

রাজনৈতিক পক্ষপাতহীন ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ার ওপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে দেশপ্রেম, সততা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (১৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমি মিলনায়তনে জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 'দক্ষ, জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন: সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন কর্মকৌশল' শীর্ষক চার দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিসিএস প্রশাসন একাডেমি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, সিভিল সার্ভিস হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রধান চালিকাশক্তি। বিগত ১৭ বছরের প্রশাসনিক রাজনীতিকরণের ধারা থেকে বেরিয়ে এসে জনপ্রশাসনকে জনগণের প্রকৃত সেবকে রূপান্তরিত করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। বর্তমান সরকারের প্রতি জনগণের যে সুউচ্চ প্রত্যাশা রয়েছে, তা পূরণে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন। সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, নিজেদের শাসক মনে না করে জনগণের সেবক হিসেবে জনসেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক কর্মশালা বা উচ্চপর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কর্মসূচি প্রণয়ন করার কোনো যৌক্তিকতা নেই, যদি না তা জনগণের প্রকৃত কল্যাণে আসে।

দেশের সঠিক নীতি প্রণয়নের স্বার্থে পরিসংখ্যান ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিগত রেজিমের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেশের সব পরিসংখ্যান ধ্বংস করা হয়েছে। আদমশুমারি, কৃষি উৎপাদন কিংবা পার ক্যাপিটা ইনকাম বা মাথাপিছু আয়—সব ক্ষেত্রেই ভুল তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। সঠিক উন্নয়নের গতিপথ নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে (বিবিএস) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্ভরযোগ্য সংস্থায় রূপান্তরিত করা প্রয়োজন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করতে কৃষি ও রেমিট্যান্স খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখনও মূলত কৃষি ও কৃষকদের ওপর ভর করে টিকে আছে। তাই কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর ভিত্তি করে 'এগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি' বা কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করার জন্য কারিগরি শিক্ষাকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান জন্মহার নিয়ন্ত্রণে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগকে পুনরায় সক্রিয় করার বিষয়টিও সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে বলে তিনি জানান।

পরিশেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে, নিয়মের বাইরে কোনো কার্যক্রম চালানো যাবে না। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, সরকারের উচ্চপর্যায়ে রাজনৈতিক ম্যান্ডেটের আলোকে নীতি প্রণীত হয় এবং ব্যুরোক্রেসির কাজ হলো সেই নীতির ভিত্তিতে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা। নির্বাচিত সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার এবং ৩১ দফা অঙ্গীকার, যার ওপর জনগণ ম্যান্ডেট দিয়েছে, তা বিধি মোতাবেক বাস্তবায়ন করাই প্রশাসনের মূল দায়িত্ব বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টরসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
High Court rules to appoint female dom for post mortem of female bodies

নারী মরদেহের ময়নাতদন্তে নারী ডোম নিয়োগ দিতে হাইকোর্টের রুল

নারী মরদেহের ময়নাতদন্তে নারী ডোম নিয়োগ দিতে হাইকোর্টের রুল ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ময়নাতদন্তকারী হাসপাতালগুলোতে নারী মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করতে কেন নারী ডোম নিয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৯ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মনির উদ্দিন এই রিটটি দায়ের করেন, যেখানে স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. মনির উদ্দিন। এর আগে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রতিটি মর্গে একজন করে মহিলা ডোম নিয়োগের আবেদন জানিয়েছিলেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশ একটি ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্য পূর্ণ রাষ্ট্র। ইসলাম ধর্মসহ সব ধর্মের নারীর মৃতদেহ সতর বা পর্দার অন্তরালে রাখা বিধান রয়েছে। ময়না তদন্ত একটা আইনি প্রক্রিয়া হলেও নারীর ক্ষেত্রে পর পুরুষের স্পর্শ বা উপস্থিতি গ্রহণযোগ্য নয়।” তিনি আরও যুক্তি দেন যে, নারী ডোম থাকলে মরদেহের গোপনীয়তা ও সামাজিক মর্যাদা সুনিশ্চিত হবে। বিশেষ করে কোনো নারী সদস্যের মৃত্যুতে পরিবার যখন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকে, তখন একজন পুরুষ ডোম কর্তৃক ময়নাতদন্তের বিষয়টি তাঁদের জন্য আরও হৃদয়বিদারক হয়ে ওঠে।

রিট আবেদনে মর্গে নারী মরদেহের সুরক্ষা নিয়ে বেশ কিছু উদ্বেগজনক ও বিকৃত ঘটনার উদাহরণ টানা হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২২ অক্টোবর, ২০২৫ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা এক তরুণীর মৃত দেহের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচার করার অভিযোগে আবু সাঈদ নামের এক ডোমকে গ্রেপ্তার করা হয়, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। এছাড়া ২০ নভেম্বর ২০২০ সালে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে লাশের সঙ্গে যৌনাচারের অভিযোগে মুন্না ভগত নামে একজনকে গ্রেপ্তারের তথ্যও উল্লেখ করা হয়। আবেদনে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলা হয়, “১০০ জন মহিলার লাশের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের কথা নিজের মুখে স্বীকার করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহীওর এক মর্গ রক্ষী কেনেট ডগলাস (৬০)।”

আইনজীবী মনির উদ্দিন তাঁর আবেদনে দাবি করেন যে, আধুনিক যুগে নারীরা যখন সব ক্ষেত্রে পুরুষের সঙ্গে সমানতালে কাজ করছে, তখন ময়নাতদন্তের মতো জায়গায় নারী ডোম নিয়োগ করা হলে ধর্মীয় অনুশাসন রক্ষার পাশাপাশি বৈষম্যও দূর হবে। মানবাধিকার সনদ অনুযায়ী মৃত্যুর পরও একজন মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এই সকল দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশের প্রতিটি ময়নাতদন্ত কেন্দ্রে অন্তত একজন করে নারী ডোম নিয়োগ এবং নারী মরদেহের সম্ভ্রম রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Embassy Urgent Warning for US Visa Applicants

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদনকারীদের দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদনকারীদের দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য একটি বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে ঢাকায় অবস্থিত দেশটির দূতাবাস। বর্তমানে প্রচলিত ব্যবস্থার বাইরে নিজ দেশের পরিবর্তে অন্য কোনো রাষ্ট্র হতে ভিসার আবেদন করলে প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দুরূহ হয়ে উঠতে পারে বলে দূতাবাস থেকে জানানো হয়েছে। রবিবার (১৯ জুলাই) এক দাপ্তরিক বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বার্তায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, “যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদনকারীদের নিজ দেশের যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বা কনস্যুলেটে ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করা উচিত।” সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, নিজ দেশের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে গিয়ে ভিসার আবেদন করলে তা মঞ্জুর হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে।

একই সাথে দূতাবাস থেকে আবেদনকারীদের সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির বিষয়েও হুঁশিয়ার করা হয়েছে। জানানো হয়েছে যে, অন্য দেশ হতে আবেদন করার ক্ষেত্রে কোনো কারণে ভিসা না পেলে সংশ্লিষ্ট আবেদন ফি কোনোভাবেই ফেরত দেওয়া হবে না। তাই অহেতুক বিড়ম্বনা ও আর্থিক লোকসান এড়াতে আবেদনকারীদের নিজ দেশ হতেই যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Investigation report against 41 people including Sheikh Hasina in Shapla Chatwar murder case

শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন

শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ছবি: সংগৃহীত

২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিলে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর হত্যাযজ্ঞের তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশন টিমের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা রবিবার (১৯ জুলাই) সকালে এই প্রতিবেদনটি জমা দেয়। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৪১ জনকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তদের তালিকায় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ছাড়াও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মোজাম্মেল হক বাবু এবং ফারজানা রুপার নাম রয়েছে। পাশাপাশি সাংবাদিক শাহরিয়ার কবীর এবং তৎকালীন সময়কার পুলিশ ও র‍্যাবের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ডিএমপি কমিশনারকেও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, বর্তমানে তদন্ত প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার কাজ চলছে এবং আগামী ২১ জুলাই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।

হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহতা সম্পর্কে তথ্য দিতে গিয়ে চিফ প্রসিকিউটর জানান, “তদন্তে এখন পর্যন্ত শুধু ঢাকাতেই ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।” তবে তদন্তের পূর্ণাঙ্গ কাজ এখনও সমাপ্তি পর্যায়ে থাকায় নিহতের এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। মামলার বর্তমান পরিস্থিতি এবং তদন্তের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে অচিরেই একটি আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করা হবে বলে প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেতে রবিবার সকালে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে যান হেফাজতে ইসলামের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। সংগঠনের সিনিয়র নায়েবে আমির মধুপুর পীর আব্দুল হামিদের নেতৃত্বে এই দলে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি হারুন ইজহার ও মুফতি মীর ইদ্রিসসহ অন্য শীর্ষ নেতারা। তাঁরা এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। উল্লেখ্য যে, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতের অবস্থানের ওপর গভীর রাতে পরিচালিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানির অভিযোগ ওঠে, যা নিয়ে বর্তমানে এই আন্তর্জাতিক তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Army chief visits Türkiye to improve bilateral defense relations

প্রতিরক্ষা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে তুরস্ক সফরে সেনাপ্রধান

প্রতিরক্ষা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে তুরস্ক সফরে সেনাপ্রধান ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে পাঁচ দিনের এক রাষ্ট্রীয় সফরে তুরস্ক গিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। রোববার (১৯ জুলাই) তিনি দেশটির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বার্তার বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সেনাবাহিনী প্রধানের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের প্রধান উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নয়ন ও শক্তিশালী করা। সফরকালীন কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি তুরস্কের বিভিন্ন অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন। এছাড়া দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনার লক্ষ্যে তিনি তুরস্কের সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সেনাপ্রধানের এই পদচারণা দুই দেশের সামরিক ও কৌশলগত মৈত্রী বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। যাবতীয় নির্ধারিত কার্যসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করে আগামী সপ্তাহের দিকে সেনাপ্রধানের পুনরায় দেশে ফেরার কথা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Legal Aid has collected compensation of Tk 363 crore 89 lakh for indigent litigants

অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য ৩৬৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করেছে লিগ্যাল এইড

অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের জন্য ৩৬৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করেছে লিগ্যাল এইড ফাইল ছবি

জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) মাধ্যমে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের অনুকূলে ৩৬৩ কোটি ৮৯ লাখ ২৭ হাজার ১৫৩ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে। জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য এ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। শুরুতে জেলা পর্যায়ে অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর জন্য এ আইনি সেবা প্রদান করা হয়। পরে সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা ও চট্টগ্রামে শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল এবং দেশের কারাগারগুলোতে এ সেবা চালু করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের অনুকূলে প্রি ও পোস্ট-কেইসে ৩৬৩ কোটি ৮৯ লাখ ২৭ হাজার ১৫৩ টাকা টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশের ৬৪ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৩৫৬ কোটি ৮৬ লাখ ১৫ হাজার ২৩৭ টাকা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমে ৭ কোটি ৩ লাখ ১১ হাজার ৯১৬ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে।

এই সময়ের মধ্যে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার অধীনে (লিগ্যাল এইড) সরকারি খরচে আইনি সহায়তাপ্রাপ্ত উপকারভোগী ১৪ লাখ ৮৭ হাজার ৬৬৩ জন।

দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল, সরকারি আইনি সহায়তায় জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারে (টোল ফ্রি-১৬৬৯৯) এই আইনি সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’-এর অধীনে সরকারি খরচায় এ সেবা দেওয়া হয়। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Commerce Minister calls for extension of preparation period for LDC transition by 3 years

এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ৩ বছর বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ৩ বছর বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর ছবি : সংগৃহীত

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো সহযোগিতা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। একই সঙ্গে তিনি এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি পর্ব তিন বছর বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ (শনিবার) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত পৃথক বৈঠকে ইকোসকের সভাপতি ও নেপালের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লোক বাহাদুর থাপা এবং ইকোসকের সহ-সভাপতি ও আলজেরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আমর বেনজামার কাছে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর পক্ষে সরকারের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক রূপান্তর, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক প্রভাব এবং অন্যান্য বাহ্যিক প্রতিকূলতার কারণে বাংলাদেশ নির্ধারিত প্রস্তুতি পর্বের পুরো সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি।

তিনি আরও বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ উত্তরণ বিলম্বিত করার জন্য নয়। বরং উত্তরণকে আরও মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল করাই এর উদ্দেশ্য।

মন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত এই সময় কাঠামোগত সংস্কার সুসংহত করা, সুশাসন জোরদার করা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং একটি শক্তিশালী ও টেকসই মসৃণ উত্তরণ কৌশল কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ -এর সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।

ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতি এলডিসি থেকে উত্তরণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে বিদ্যমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে আলোকপাত করে বাংলাদেশের এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সূত্র: বাসস

মন্তব্য

p
উপরে