× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Tareq Rahman requested to consider fasting on the same day with the world
google_news print-icon

সারা বিশ্বের সঙ্গে একই দিনে রোজা-ঈদ করার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ তারেক রহমানের

সারা-বিশ্বের-সঙ্গে-একই-দিনে-রোজা-ঈদ-করার-বিষয়টি-বিবেচনার-অনুরোধ-তারেক-রহমানের
রাজধানীর ইস্কাটনে অবস্থিত লেডিস ক্লাবে রবিবার আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: ইউএনবি
তারেক রহমান বলেন, ‘রমজান আমাদের শেখায় সংযমী হতে; কীভাবে ধৈর্যশীল হতে হবে। কীভাবে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। একই সঙ্গে আল্লাহর যা যা সৃষ্টি আছে, সবকিছুর পাশে আমাদের দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। আল্লাহর সৃষ্টিকে যত্ন নেওয়ার শিক্ষা দেয় রমজান।’

সারা বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে একই দিনে রোজা ও ঈদ পালন করা যায় কি না, সে বিষয়ে দেশের আলেম-ওলামাদের ভেবে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রাজধানীর ইস্কাটনে অবস্থিত লেডিস ক্লাবে রবিবার তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এ আহ্বান জানান।

লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘রমজান আমাদের শেখায় সংযমী হতে; কীভাবে ধৈর্যশীল হতে হবে। কীভাবে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। একই সঙ্গে আল্লাহর যা যা সৃষ্টি আছে, সবকিছুর পাশে আমাদের দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। আল্লাহর সৃষ্টিকে যত্ন নেওয়ার শিক্ষা দেয় রমজান।’

তিনি বলেন, ‘একজন মুসলমান হিসেবে একটি প্রশ্নই আমার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। খ্রিস্টান সম্প্রদায় সারা বিশ্বে তাদের বড়দিন একই দিনে একসঙ্গে পালন করে। এখানে উপস্থিত ওলামা-মাশায়েখগণকে অনুরোধ করব, সারা দেশে আরও অনেক জ্ঞানী ওলামা মাশায়েখ রয়েছেন, সবাই মিলে চিন্তা করে দেখতে পারি কি না যে, বাংলাদেশের মানুষ সারা বিশ্বের মানুষের সঙ্গে একই দিনে রোজা ও ঈদ পালন করতে পারি কি না।

‘‌বিজ্ঞানের যুগে এটি করা সম্ভব কি না, কোনো উপায় বের করা যায় কি না। এই বিষয়টি আপনাদের চিন্তা করার জন্য অনুরোধ করব।’

ওই সময় তিনি দেশের শান্তি কামনা এবং দেশবাসীর জন্য দোয়া চান।

তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে কিছু লোক ওলামা-মাশায়েখদের সঙ্গে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এই বিভেদ দিয়ে শুধু বিএনপিকে ধ্বংস নয়, একটি ফাটল সৃষ্টি করে (তারা) দেশকে ধ্বংস করবে, যার সুযোগ নেবে বিদেশি অপশক্তি।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
PM to reshuffle cabinet if unable to perform Information Advisor

পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা ছবি: সংগৃহীত

গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো অমানবিক কর্মকাণ্ডকে বর্তমান সরকার কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরকারের এই অনড় অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন। প্রশাসনের গতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনে মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, "কেউ পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভা কিংবা উপদেষ্টা পরিষদে পরিবর্তন আনবেন প্রধানমন্ত্রী। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।" জনগণের স্বার্থ রক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য এবং প্রধানমন্ত্রী চাইলে যেকোনো সময় দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বা দপ্তর পুনর্গঠন করতে পারেন বলে তিনি গণমাধ্যমকে অবহিত করেন। তবে এই পরিবর্তন নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমার ওপর নির্ভর করবে কি না, তা নিয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার রোধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে উপদেষ্টা জানান, "ভুল তথ্য, অপতথ্য ও ফেক ভিডিও ছড়িয়ে দেশের বহু নিরপরাধ ও সম্মানিত মানুষকে হেয় করা হচ্ছে। এগুলো রোধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর।" সাইবার বুলিং থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে সরকার একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবী প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে। এছাড়া দেশত্যাগের সময় কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন বিধিমালা ভঙ্গের দায়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকার প্রশংসা করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতির তদারকি করা হচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন নীতি বা কাজ নিয়ে জনমনে সমালোচনা থাকতে পারে এবং সরকার তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত, কিন্তু আইন লঙ্ঘন করে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা গ্রহণযোগ্য হবে না। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো দ্বিধা করবে না বলে তিনি স্পষ্ট বার্তা প্রদান করেন। এই রদবদল বা প্রশাসনিক পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্যই হলো জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা এবং একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2027 Hajj package announcement promises to reduce costs

২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা, ব্যয় হ্রাসের অঙ্গীকার

২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা, ব্যয় হ্রাসের অঙ্গীকার ছবি: সংগৃহীত

২০২৭ সালের হজের ব্যয় ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে সরকার। মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) নতুন এই হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার হজের সর্বনিম্ন খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। এছাড়া বাড়তি সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত উন্নত প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যারা পবিত্র হজ পালন করতে চান, তাদের জন্য সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।

প্যাকেজগুলোর বিস্তারিত তথ্য প্রদানকালে মন্ত্রী জানান, সরকারি হজ প্যাকেজ-১ এর আওতায় হজযাত্রীরা মক্কায় পবিত্র হারাম শরিফ থেকে ১০০০ থেকে ১৪০০ মিটারের মধ্যে থাকার সুবিধা পাবেন এবং মদিনায় তাদের আবাসন হবে মারকাজিয়া এলাকায়। এই প্যাকেজে মিনায় জোন-২ এলাকায় তাঁবুর ব্যবস্থা থাকবে এবং মিনা-আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ-৩ অনুযায়ী খাদ্য ও মোয়াল্লেম সেবা নিশ্চিত করা হবে। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে অবস্থানের সময়সীমা সাধারণত ৩৫ থেকে ৪০ দিন হবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে কক্ষের মানোন্নয়ন বা স্বল্পমেয়াদি প্যাকেজ গ্রহণের পথও উন্মুক্ত থাকবে। অন্যদিকে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা মূল্যের সাশ্রয়ী বা দ্বিতীয় প্যাকেজটিতে মক্কায় হারাম শরিফ থেকে ২ থেকে ৩ কিলোমিটার দূরত্বে এবং মদিনায় মসজিদে নববী থেকে ৮০০ মিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা রাখা হবে। হোটেলের দূরত্ব ২ কিলোমিটারের বেশি হলে সৌদি সরকারের নিয়ম অনুযায়ী সালাওয়াত বাসের সুবিধা দেওয়া হবে এবং মিনায় জোন-৫ এলাকায় তাঁবু বরাদ্দ থাকবে।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ঘোষণা করেছে মন্ত্রণালয়। বেসরকারি সাধারণ প্যাকেজের অধীনে মক্কায় হারাম শরিফ থেকে সর্বোচ্চ তিন কিলোমিটার এবং মদিনায় মসজিদে নববী থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে হাজিদের থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতি কক্ষে সর্বোচ্চ ছয়জন থাকার নিয়ম রাখা হয়েছে এবং দূরত্ব বিবেচনায় বাসের ব্যবস্থা করা বাধ্যতামূলক। তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলো সরকারি সাধারণ প্যাকেজের চেয়ে কম সেবা দিয়ে কোনো প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে না, তবে তারা চাইলে পারস্পরিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে অতিরিক্ত তিনটি প্যাকেজ পরিচালনা করতে পারবে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাশ্রয়ী ও মানবিক হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবার হজ ফ্লাইটের বিমানভাড়া গত বছরের তুলনায় ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে এবার বিমানভাড়া নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা ২০২৫ সালে ছিল ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮২০ টাকা এবং তার আগে ২০২৩ সালে ছিল প্রায় ২ লাখ টাকা। সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হজ সেবা প্রদানের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Promise to finalize new safety law to ensure road safety

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে নতুন নিরাপত্তা আইন চূড়ান্তের প্রতিশ্রুতি

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে নতুন নিরাপত্তা আইন চূড়ান্তের প্রতিশ্রুতি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের সড়কগুলোতে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমিয়ে আনতে জাতিসংঘ সমর্থিত 'সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ' বা নিরাপদ সড়ক কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন আইন তৈরির কাজ শুরু করেছে সরকার। স্থানীয় সময় সোমবার (২০ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আয়োজিত সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব প্রদানকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, ২০৩০ সাল পর্যন্ত গৃহীত বৈশ্বিক সড়ক নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনার সাথে তাল মিলিয়ে দেশীয় আইনি, নীতিগত ও প্রযুক্তিগত কাঠামো সংস্কার করা হচ্ছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, দুর্ঘটনা-পরবর্তী দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম এবং মহাসড়কে পথচারীদের সুরক্ষা নিশ্চিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আইনি সংস্কারের সময়সীমা উল্লেখ করে বলেন, ‘সেইফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ এবং আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, ২০৩০ সালের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারত্ব এবং সবার সম্মিলিত দায়বদ্ধতা অপরিহার্য। নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক মহলের সাথে বাংলাদেশ নিবিড়ভাবে কাজ করে যাবে বলে তিনি সভায় পুনর্ব্যক্ত করেন।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের এই অঙ্গীকার দুর্ঘটনা নিরসনে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকার আশা করছে, প্রস্তাবিত আইনটি বাস্তবায়িত হলে দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A year on from the Milestone tragedy The memory of the horror still haunts the students

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: আতঙ্কের সেই স্মৃতি তাড়া করে এখনো শিক্ষার্থীদের

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর:  আতঙ্কের সেই স্মৃতি তাড়া করে এখনো শিক্ষার্থীদের ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে সংঘটিত ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনার এক বছর পূর্ণ হলো আজ। গত বছরের ২১ জুলাই দুপুরে এক অনাকাঙ্ক্ষিত বিপর্যয়ে আনন্দমুখর ক্যাম্পাস মুহূর্তেই মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল। ওই ঘটনায় বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট, শিক্ষক ও ২৮ জন শিক্ষার্থীসহ মোট ৩৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর দেশজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়। দগ্ধ ও আহতদের দীর্ঘসময় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। শারীরিক ক্ষত কিছুটা সারলেও অনেকের মনে সেই বিভীষিকাময় দিনের স্মৃতি এখনো অমলিন। বিশেষ করে গুরুতর দগ্ধ এক শিক্ষার্থীর ৩৬ বার অস্ত্রোপচার ও দীর্ঘ চিকিৎসাসফল সুস্থতা এই বিষাদময় ঘটনার মাঝে কিছুটা আশার আলো হয়ে আছে। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডে বিকৃত হয়ে যাওয়া বেশ কিছু মৃতদেহ শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষারও প্রয়োজন হয়েছিল।

ঘটনার পর গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিশন প্রধান উপদেষ্টার কাছে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, উড্ডয়নজনিত ত্রুটির কারণেই বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিধ্বস্ত হয়েছিল। প্রতিবেদনে জননিরাপত্তার খাতিরে বিমানবাহিনীর প্রাথমিক উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ঢাকার বাইরে স্থানান্তরের জোর সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি ভবন নির্মাণে রাজউকের বিধিমালা লঙ্ঘনের বিষয়টিও প্রতিবেদনে উঠে আসে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিঁড়ি না থাকায় ওই দিন হতাহতের সংখ্যা বেশি হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণে জানানো হয়। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা রোধে এবং নিরাপদ উড্ডয়ন নিশ্চিতে বেশ কিছু অবকাঠামোগত সংস্কারের তাগিদও দেওয়া হয় ওই প্রতিবেদনে।

এই হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডির এক বছর স্মরণে মাইলস্টোন কর্তৃপক্ষ দুই দিনের বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। প্রথম দিনে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও কবর জিয়ারত সম্পন্ন হয়েছে। আজ ট্র্যাজেডির দিনটিতে প্রতিষ্ঠানের সকল শাখায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের অংশগ্রহণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। শোক ও শ্রদ্ধায় দিনটি পালন করতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। এক বছর পেরিয়ে গেলেও নিহতদের স্বজন এবং আহতদের মনে সেই দুপুরের আর্তনাদ আজও করুণ সুর হয়ে বাজছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
49 Cancellation of license of recruiting agencies

৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল ফাইল ছবি

বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম ও আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার। গত রোববার (১৯ জুলাই) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, লাইসেন্স বাতিল হওয়া এসব রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে রিক্রুটিং এজেন্সির অনুমোদন ও লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন, ২০১৩, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) আইন ২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর বিভিন্ন ধারায় আদালতে অভিযোগপত্রও দাখিল হয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-এর ১৩ ধারা অনুযায়ী তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

যেসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে সেগুলো হলো— ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেড, অরবিটালস এন্টারপ্রাইজ, এম/এস শাহীন ট্রাভেলস, ইরভিং এন্টারপ্রাইজ, হায়দরি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, রাব্বি ইন্টারন্যাশনাল, জাহরাত অ্যাসোসিয়েটস, ফোর সাইট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, এম/এস বিনিময় ইন্টারন্যাশনাল, আকাশ ভ্রমণ লিমিটেড, এম/এস কিউ.কে. কুইক এক্সপ্রেস লিমিটেড, ইউনাইটেড এক্সপোর্ট লিমিটেড, জিএমজি ট্রেডিং (প্রা.) লিমিটেড, সাদিয়া ইন্টারন্যাশনাল, দ্য সুপার ইস্টার্ন লিমিটেড, এলিগ্যান্টস ওভারসিজ লিমিটেড, এম/এস ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনাল, মিডওয়ে ওভারসিজ লিমিটেড, মদিনা ওভারসিজ, আল-খামিস ইন্টারন্যাশনাল, নিউ এজ ইন্টারন্যাশনাল, দাহমাশি করপোরেশন লিমিটেড, গ্যালাক্সি করপোরেশন, সুলতান ওভারসিজ, প্রভাতী ইন্টারন্যাশনাল, ম্যানিসপাওয়ার করপোরেশন, আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, আহমেদ ইন্টারন্যাশনাল, আইএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড, দরবার গ্লোবাল ওভারসিজ, নাতাশা ওভারসিজ, অপরাজিতা ওভারসিজ, ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, স্ট্যানফোর্ড এমপ্লয়মেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড, জান্নাত ওভারসিজ, বিএম ট্রাভেলস লিমিটেড, বিএনএস ওভারসিজ লিমিটেড, রুবেল বাংলাদেশ লিমিটেড, অরবিটালস ইন্টারন্যাশনাল, ট্রান্স এশিয়া ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস লিমিটেড, আল ফারাহ হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড কনসালট্যান্সি, এম/এস স্নিগ্ধা ওভারসিজ লিমিটেড, ব্রাদার্স ইন্টারন্যাশনাল, থানেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, জিজি আলফালাহ ম্যানেজমেন্ট, ইম্পেরিয়াল রিসোর্সেস লিমিটেড, পি.আর. ওভারসিজ লিমিটেড, এম/এস এমইএফ গ্লোবাল বাংলাদেশ লিমিটেড এবং অনন্য অপূর্ব রিক্রুটিং এজেন্সি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dhaka wants BIMSTEC to play an active role in solving the Rohingya crisis

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিন ধরে চলমান রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও জোরদারে বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘থ্রি ডিকেডস অব বিমসটেক: অ্যাডভান্সিং রিজিওনাল কো-অপারেশন ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের ওপর কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।’ শামা বলেন, এ ক্ষেত্রে বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও সমৃদ্ধ বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চল গড়ে তুলতে এবং বিমসটেকের প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আঞ্চলিক প্রতিশ্রুতিকে অধিক বাস্তবায়ন, কার্যকর সহযোগিতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাস্তব কর্মসূচিতে রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বর্তমান বিমসটেক চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সংহতি, আঞ্চলিক সংযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, ব্লু ইকোনমি এবং জনগণকেন্দ্রিক আঞ্চলিক সহযোগিতা এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংস্থার অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে সব সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা হবে।

শামা আশা প্রকাশ করেন, সেমিনার থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশের নেতৃত্বকে আরও কার্যকর করবে এবং সংস্থার ভবিষ্যৎ উন্নয়নে সহায়ক হবে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত বিমসটেকের মহাসচিব রাষ্ট্রদূত ইন্দ্রমণি পাণ্ডে নারীর উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন, বিদ্যুৎ গ্রিড আন্তঃসংযোগ এবং জ্বালানি খাতে কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন চলমান প্রকল্প ও উদ্যোগ তুলে ধরেন।

তিনি মাদক নিয়ন্ত্রণ, সাইবার নিরাপত্তা, সামুদ্রিক ও মানব নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমন, পর্যটন, ভিসা সহজীকরণ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বিমসটেকের সহযোগিতার বিষয়েও আলোকপাত করেন।

বিআইআইএসএসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান স্বাগত বক্তব্য দেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইআইএসএসের গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবির।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. রাশেদুজ্জামান এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসির পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম প্যানেল উপস্থাপনা করেন।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইপিএসএস)-এর সভাপতি মেজর জেনারেল এ এন এম মুনীরুজ্জামান (অব.) অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। মূল প্রবন্ধ ও প্যানেল আলোচনায় গত তিন দশকে বিমসটেকের অগ্রযাত্রা পর্যালোচনা করা হয় এবং আঞ্চলিক জোটটির সামনে থাকা সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ মূল্যায়ন করা হয়।

আলোচনায় বিমসটেকের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার, আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোতে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা আঞ্চলিক সংহতি জোরদার এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা, সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বাস্তবমুখী ও কর্মভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

আলোচনায় আঞ্চলিক সহযোগিতা, সংযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে বিমসটেককে আরও কার্যকর করতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব এবং তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণী সংলাপের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়।

সেমিনারে জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যম ও নীতিনির্ধারণী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
GDP growth fell to 222 percent in the third quarter

তৃতীয় প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি নামল ২.২২ শতাংশে

* শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ০.২৮ শতাংশে নেমেছে * কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছে ১.৭৪ শতাংশে * সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৫২ শতাংশ
তৃতীয় প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি নামল ২.২২ শতাংশে ফাইল ছবি

২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ২.২২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ছিল ৪.৫৩ শতাংশ। সোমবার (২০ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপির এই তথ্য তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রান্তিকভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হিসাবে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছে যথাক্রমে ৪.৯৬ শতাংশ ও ৩.০৩ শতাংশ। এর বিপরীতে গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ৩.৯১ শতাংশ ও ৩.৫৩ শতাংশ।

চলতি মূল্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে জিডিপির মোট আকার দাঁড়িয়েছে ১৫,৩৯১ বিলিয়ন টাকা। এর আগের অর্থবছরের (২০২৪-২৫) একই প্রান্তিকে চলতি মূল্যে জিডিপির আকার ছিল ১৪,১৯২ বিলিয়ন টাকা।

কৃষি খাত: বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে স্থির মূল্যে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছে ১.৭৪ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৪.৬১ শতাংশ। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিকে এ খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ২.১১ ও ৩.৬৮ শতাংশ; যেখানে আগের অর্থবছরে একই সময়ে ছিল মাইনাস ০.১২ ও ১.৯০ শতাংশ।

শিল্প খাত: ২০২৫–২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক হয়ে মাইনাস ০.২৮ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ২০২৪–২৫ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩.৩৩ শতাংশ। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ৬.৮২ ও ১.২৭ শতাংশ; আগের অর্থবছরের একই সময়ে তা ছিল ৪.৮০ ও ৫.৭৮ শতাংশ।

সেবা খাত: সেবা খাতে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৩.৫২ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৭.৩২ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছে যথাক্রমে ৪.৫১ ও ৪.৪৫ শতাংশ হারে, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৪.৪৯ ও ৫.৮৪ শতাংশ।

মন্তব্য

p
উপরে